love or hate part 4
ইভেলিনা তূর্জ
নাও। ইট’স ইউর, টাইম।কিস কর আমায়।নট সফ’টলি, হার্ডলি।”
ইউভান নিজের পড়নের শার্টটা খুলে মার্বেল ফ্লোরে ফেলে দেয়।পুরো বুক উ’ন্মুক্ত করে, ফুলা ফুলা সিক্স প্যাক গুলোতে রোজের মুখ ডুবিয়ে দেয়।রোজ ছটপট করতে থাকে। নিঃশ্বাস ভারি হয়ে আসছে।ইউভানের শরীর থেকে পুরুষালীর তিব্র ঝাঁঝালো গন্ধে রোজের পুরো শরীর এ শিহরণ বয়ে যেতে থাকে।
অবচেতন হয়ে পড়ার আগেই কয়েকটা কিল ঘুষি মারতে থাকে ইউভানের বুকে।ইউভান জোরপূর্বক রোজের জামার হাতার নিজের উষ্ঠ দিয়ে সরিয়ে ঘাড়ে মুখ ডুবিয়ে চুমু খেতে থাকে।রোজের দু’হাতে চেপে ধরে উন্মাদনায় মত্ত হতে থাকে ইউভান।রোজের মুখ থেকে একটা চাপা গোঙানি বেরিয়ে আসতে হঠাৎ ডাইনিং স্পেস এর লাইট জ্বলে উঠে।রোজকে ইউভান ছেড়ে দিতেই রোজ দূরে সরে গিয়ে জামা ঠিক করে নেয়।ইউভান হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে ঠোঁট মুছে নিয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে পিছনে ফিরতে দেখতে পায়।লাড়া দাঁড়িয়ে তাদের দেখছে।কিছুটা বিরক্তি নিয়ে সামনে এগিয়ে এসে বলে,
আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন
“রিক….।আর ইউ ক্রেজি। আমি কি ঠিক দেখেছি।তুই এই বাড়ির কাজের মেয়ের সাথে ওহহ নো। ইট ডা’জেন্ট শু’ট অন ইউ”
ইউভান কোনো প্রতিউত্তুর না দিলেও রোজ বেশ্ অপমানিত বোধ করলো।ক্রোধে ফেটে পড়ে কড়া গলায় জবাব দিলো।
“লিসেন্ট,আমি কোনো কাজের মেয়ে না এই বাড়ির। মুখ সামলিয়ে কথা বলবেন।
রাগে অপমান বোধ থেকে রোজের চোখ বেয়ে দু ফোটা নোনাজল গড়িয়ে পড়লো।ইউভান রোজের ওড়নাটা নিজের হাত থেকে খুলে রোজের মুখের উপর ছুঁড়ে ফেললো।গম্ভীর গলায় রোজকে আদেশ করলো।
“যা এখান থেকে। আর হ্যাঁ উপরে যাবি।”
রোজ ওড়নাটা গায়ে জড়িয়ে দু-কদম সামনে এগিয়ে পিছনে ফিরে তাকিয়ে থেমে যায়। দেখে লাড়া নিজের পিংক কালার নাইটি টা খুলে ইউভানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। লাড়া গিয়েই ইউভানের কাছে এসে তার গলা জড়িয়ে ধরে নেয়।ইউভানের গাল ধরে ব’লে
“নাইট স্পেন্ড করার মুড হলে আমাকে বলতি।আমি চলে আসতাম তোর রুমে।এই মে’ইড এর কাছে যাওয়ার কি দরকার ছিলো।কই আমাকে তো নিজের কাছে আসতে দিস না।”
ইউভান প্যান্টের পকেটে হাত রেখে রোজের দিকে তাকিয়ে বাঁকা হাসলো।রোজের এসব দেখে ঘৃণা আরও দ্বিগুন বেড়ে গেলো।ইউভান যতটা না বিকৃত পরিবেশে বেড়ে উঠা এই লাড়া মেয়েকেও এর থেকে উঁচু লেভেলের মনে হলো রোজের কাছে।রোজ ঘৃণায় নাক ছিটকালো। ইউভানকে দুশ্চরিত্র ভেবে ঠোঁট উল্টিয়ে হনহনিয়ে সিঁড়ি বেয়ে উপরে যেতে থাকে বড় বড় পাঁ ফেলে।বেশ্ ইউভান যা চাইলো তাহলো।ইউভানও এটাই চেয়েছিলো।রোজ চোখের আড়াল হতেই ইউভান লাড়াকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়।রাগে গজগজ করতে বলে,
“ডুন্ট টাচ্ মি লাড়া।হ্যাঁ টাচ্ করার অভিনয় করতে করবি যখন ঐ মেয়ে আমার চোখের সামনে থাকবে।এইটুকুই তোর সীমানা।এমনিতেও কেউ আমায় টাচ্ করলে বডিতে এলার্জি শুরু হয়ে যায়।”
লাড়া দাঁতে দাঁত পিষে রোজের উপর ক্ষোভ জমাতে থাকে।সে এতো চেষ্টা করেও ইউভানকে কাছে পায় না।আর এই দু’দিন এর অযোগ্য মেয়ে এসে তার স্থান কখনোই দখল করতে পারবে না।ইউভান একটা ম’দের বোতল থেকে কয়েক গ্লাস ম’দ খেতেই থাকে অনবরত।অর্ধ মাতাল হয়ে ঢলতে ঢলতে সিঁড়ি হাতল ধরে কোনো মতে উপরে উঠে নিজের বেড রুমে যেতে থাকে।বেড রুমে ঢুকতেই দেখতে পায় রোজ বিছানায় উল্টো হয়ে শুয়ে কাঁদছে। ইউভান কাছে ঝুঁকে এসে রোজের জামার ফিতেটা টান দিয়ে খুলে মাতাল কন্ঠে বলে,
“একদম পারফেক্ট পজিশন। আই লাইক দিস্। এভাবে শুয়ে থাক আমি একটু আদর দেই তোকে।এতো হ’ট লাগছে কেন।সো ইয়া’মি”
রোজের পিঠে নাক ডুবিয়ে রোজের শরীরের ঘ্রান টেনে নিতেই রোজ কেঁপে উঠে সহ্যর সীমা অতিক্রম হওয়ার আগেই ইউভানের গালে ঠাস্ করে চড় বসিয়ে দেয়।হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে চোখের পানি মুছে।বিছানার চাদর খামচে পিছিয়ে যেতে থাকলো।ইউভান জিভ দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে হেঁসে উঠলো।
“চাইলেই তোর হাতটা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে বাট তা করবো না আমি।এতো নাটক না করে কাছে আয়।আই কান্ট কন্ট্রোল মাই সে’লফ।
কি লুকোতেই বা চাইছিস আমার থেকে সব দেখা শেষ অল রেডি।এন্ড ইউ আর নট ভার্জিন।”
ইউভানের মুখ থেকে নিজের ব্যাপারে এমন জঘন্য কথাবার্তা শুনে গাঁ গুলিয়ে এলো রোজের ঘৃণায় মুখ দিয়ে থু মেরে চেঁচিয়ে উঠলো।
“একটা মেয়েকে ধ/র্ষণ করে তার ব্যপারে নোং*রা কথা বলতে বিবেকে বাঁধে না জা*নোয়ার ”
রোজের কথাটা প্রতিধ্বনি হয়ে কানে বেজে উঠতেই,নিজের ভিতরের দানবীয় সত্তাকে নিয়ন্ত্রণ করে পাশের দেয়ালে ইচ্ছেমতো ঘুষি মারতে থাকে।হাতটা র’ক্তাক্ত করে চিৎকার দিয়ে উঠে,
“না বিবেকে বাঁধে না। তুই তো বললি,আমি জা’নোয়ার।জা’নোয়ারদের বিবেক বলতে কিছু হয় না।হ্যাঁ তুই ঠিক আমি একটা পশু,মন্সটার, একটা দানব।আর আমি সারাজীবন দানব হয়েই তোর কাছে বাঁচতে চাই।”
“একটা কথা জেনে রাখুন। আমি রোজ তূর্জ চৌধুরী। আমি শুধু আপনাকে এক আকাশসম পরিমাণ ঘৃণা করি।আপনার সাথে সারাজীবন বাঁচার আগে জেনো আমার মৃত্যু হয়।”
আর তুই ও জেনে রাখ আমি ইউভান রিক চৌধুরী। আর তুই রিক এর বানানো শিকল ছেড়ে কোনোদিনও মুক্তি পাবি না।যদি তোকে আঁটকে রাখার জন্য আমায় ফালতু বিয়ের রি’চউয়াল মানতে হয় আমি তা সাদরে গ্রহণ করবো।”
“আপনার মতো রেপিস্ট কে বিয়ে করার চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়। মরে যাবো আমি।”
রোজের কথাটায় ইউভান বেশ খুশি হলো।ইউভান রোজকে তিলে তিলে শেষ করতে চায়।রোজকে যন্ত্রণা দিতে যদি তাকে এই লে’ইম বিয়েও করতে হয় সে করবে।রিক চৌধুরী বিয়ে ফিয়েতে নট ইন্টারেস্টেড।আর না এ-সব বিয়ে সে বিশ্বাস করে।ছোটবেলা থেকে ভালোবাসার প্রতি তিব্র ঘৃণা থেকে বিয়ের প্রতি অনীহা কাজ করলেও।আজ রোজকে শাস্তি দিতে বিয়ের দিকে মনটা ঘিরে গেলো।মুখ দিয়ে শিষ বাজাতে বাজাতে রোজের কাছে গেলো।রোজকে বেডে শুয়ে দিয়েই দু-হাত চেপে ধরলো। ইউভানকে নিজের এতো কাছে আসতে দেখে বড় বড় শ্বাস টেনে মুখ ফিরিয়ে নিলো রোজ।ইউভান রোজের ললাটের চুল নিজের ঠোঁট দিয়ে সরিয়ে কানের কাছে মুখ গুজে ফিসফিসিয়ে বলে,
love or hate part 3
“উইল ইউ ম্যারি মি ডার্করোজ।ই’ফ ইউ আর নট।দ্যান আই উইল ম্যারি ইউ।”
“উত্তর দিচ্ছিস না কেনো।বিয়ে করবো তোকে তারপর ডেইলি খাবো । ”
ইউভান রোজের অঁধরে ওষ্ঠ ঠেকিয়ে বলে,
“ইউ সে’ইড হেইট ইউ, আই সে’ইড ফা*ক ইউ.
