Home Mad for you 2 Mad for you 2 part 11

Mad for you 2 part 11

Mad for you 2 part 11
তানিয়া খাতুন

কলেজ প্রাঙ্গণ জুড়ে তখন দুপুরের ব্যস্ততা।
ক্লাস চললেও করিডোরে এখনো ছাত্র ছাত্রীদের আনাগোনা থামেনি।
নবীন বরণের অনুষ্ঠান শেষ হলেও তার রেশ যেন এখনো কাটেনি।
অনেকেই এখনো সাজগোজ করেই ক্লাসে এসেছে।
রুহিদের ক্লাসরুমটাও আজ স্বাভাবিক দিনের চেয়ে অনেক বেশি ভরাট।
ঘরের ভেতর ছাত্রছাত্রীদের গুঞ্জনে গমগম করছে।
সামনের বোর্ডের কাছে দাঁড়িয়ে একজন অধ্যাপক একমনে lecture দিয়ে যাচ্ছেন।
তাঁর ভারী কণ্ঠ পুরো রুম জুড়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।
বোর্ডে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লিখে বুঝিয়ে দিচ্ছেন তিনি।
প্রায় সবাই মনোযোগ দিয়ে শুনছে। কেউ নোট নিচ্ছে, কেউ আবার বোর্ডের দিকে তাকিয়ে গভীর মনোযোগে ভাবছে।
তবে শেষের দিকের জানালার পাশে পাশাপাশি বসে থাকা দুই মেয়ের মন ক্লাসে নেই বললেই চলে।
সিমরান ঠোঁট ফুলিয়ে একনাগাড়ে নিজের অভিযোগ জানিয়েই চলেছে।

“তুই বুঝবি না রে…”
“এই দুইদিন তোকে ছাড়া আমার একটুও ভালো লাগেনি। কলেজটাই ফাঁকা লাগছিল।”
রুহি মৃদু হেসে তাকাল তার দিকে।
কিন্তু সেই হাসিতে আগের মতো প্রাণ ছিল না।
চোখের নিচে ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট।
সিমরান সেটা খেয়াল করতেই রুহির হাতটা চেপে ধরল।
“সত্যি করে বল…”
সে নিচু গলায় বলল,
“ও তোকে খুব বেশি কষ্ট দিচ্ছে, তাই না?”
প্রশ্নটা শুনেই রুহির বুকের ভেতরটা হালকা কেঁপে উঠল।
তার চোখের সামনে একে একে ভেসে উঠতে লাগল গত কয়েকদিনের সবকিছু।
ক্ৰিশের জোর করে বিয়ে করা…
তার possessive আচরণ…
তার সেই তীক্ষ্ণ দৃষ্টি…
আবার কখনো হঠাৎ শিশুর মতো যত্নশীল হয়ে ওঠা…
সবকিছু মিলিয়ে লোকটাকে যেন কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছে না রুহি।
সে ঠোঁট কামড়ে নিচু গলায় বলে—

“আমি ওনাকে বুঝতে পারি না, সিমরান…”
সিমরান কৌতূহলী চোখে তাকিয়ে রইল।
রুহি ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল ক্ৰিশের আচরণের কথা।
কিভাবে সে সবসময় তাকে নিজের কাছে রাখতে চায়… কিভাবে অন্য কারও সাথে কথা বললেই রেগে যায়… আবার এক মুহূর্তে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠলেও পরের মুহূর্তেই এমনভাবে যত্ন নেয় যেন পৃথিবীতে তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই।
কথাগুলো বলতে বলতে রুহির নিজেরই অদ্ভুত লাগছিল।
কারণ সে যতই ক্ৰিশ কে ঘৃণা করতে চাই না কেন—লোকটার উপস্থিতি তার মনকে ভীষণভাবে অস্থির করে দেয়।
ঠিক তাদের ক্লাশ রুমের সামনেই ছিল আরেকটি বড়ো রুম।
আজ সেটি ফাঁকা।
আর সেই ফাঁকা রুমেই বসে আছে ক্ৰিশ আর তার পুরো দল।
কেউ বেঞ্চের উপর উঠে বসেছে, কেউ পা ছড়িয়ে গল্প করছে।
পুরো রুম জুড়ে উচ্চস্বরে হাসাহাসি আর আড্ডা চলছে।
আমান কিছু একটা বলতেই সবাই হেসে গড়িয়ে পড়ল।
কিন্তু সেই হৈচৈয়ের মাঝেও ক্ৰিশ একদম চুপচাপ।
সে শেষ বেঞ্চের উপর বসে আছে।
এক পা নিচে ঝুলছে, অন্য পা বেঞ্চের উপর তোলা।
তার দৃষ্টি স্থির হয়ে আছে সামনের রুম-টার দিকে।
আর সেই দৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দু—রুহি।
এক সেকেন্ডের জন্যও যেন তার চোখ রুহির উপর থেকে সরে যাচ্ছে না।
রুহি কখন কথা বলছে, কখন চুল সরাচ্ছে, কখন নিচু হয়ে খাতা দেখছে—সবকিছু নিবিড়ভাবে লক্ষ্য করছে কৃষ।
মূলত রুহির class এই room-এর সামনে বলেই কৃষ এখানে এসে বসেছে।
সে যেন কয়েক মুহূর্তের জন্যও রুহিকে চোখের আড়াল করতে রাজি নয়।

প্রায় অনেকটা সময় কেটে গিয়েছিল।
অধ্যাপকের lecture শেষ হওয়ার সাথে সাথেই পুরো ক্লাসে আবার গুঞ্জন শুরু হয়ে গেল।
কেউ বই গুছাচ্ছে, কেউ বন্ধুদের সাথে কথা বলতে বলতে বেরিয়ে যাচ্ছে।
ধীরে ধীরে ছাত্রছাত্রীরা একে একে রুম থেকে বের হতে শুরু করল।
সামনের ফাঁকা রুমে বসে থাকা ক্ৰিশ এতক্ষণ স্থির চোখে সবকিছুই দেখছিল।
রুহি কখন খাতা বন্ধ করল, কখন ব্যাগ গুছালো—সবকিছু তার নজরে ছিল।
যেই না ক্লাস রুম প্রায় ফাঁকা হয়ে এলো, অমনি ক্ৰিশ এক লাফে বেঞ্চ থেকে নেমে পড়ল।
তার চোখের দৃষ্টি মুহূর্তেই তীক্ষ্ণ হয়ে উঠল।
সে ধীরে ধীরে গিয়ে দাঁড়াল দরজার সামনে।
কয়েক সেকেন্ড পর রুহি আর সিমরান পাশাপাশি কথা বলতে বলতে রুম থেকে বেরিয়ে এলো।
তাদের সাথেই বের হচ্ছিলেন সেই অধ্যাপক, যিনি এতক্ষণ ক্লাস নিচ্ছিলেন।
অধ্যাপক হঠাৎ থেমে রুহির দিকে ফিরে দাঁড়ালেন।
তারপর স্নেহভরা ভঙ্গিতে রুহির মাথায় হাত রেখে বললেন—
“ভালো করে পড়াশোনা করো, রুহি।”
রুহি ভদ্রভাবে মাথা তুলল।
অধ্যাপক মৃদু হেসে আবার বললেন—

“প্রথম দিন তোমাকে যতটা উৎসাহী দেখেছিলাম… এখন কিন্তু সেটা দেখতে পাচ্ছি না।”
তার চোখে হালকা উদ্বেগ ফুটে উঠল।
“মন দিয়ে পড়ো, কেমন?”
রুহি জোর করে হালকা হাসল।
তারপর আস্তে করে মাথা নাড়ল।
অধ্যাপকও মৃদু হেসে ধীরে ধীরে চলে গেলেন।
সিমরান সঙ্গে সঙ্গে রুহির হাত ধরে বলল—
“চল, ক্যান্টিনে যাই। তোর মনটাও একটু ফ্ৰেশ হবে।”
কিন্তু তার কথা শেষ হওয়ার আগেই—
ঝড়ের বেগে সামনে এসে দাঁড়াল ক্ৰিশ।
কেউ কিছু বোঝার আগেই সে শক্ত করে রুহির হাত চেপে ধরে টান দিল নিজের দিকে।
হকচকিয়ে উঠল রুহি।
সিমরান হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে রইল।
ক্ৰিশ একটাও কথা না বলে রুহিকে টানতে টানতে নিয়ে যায় সামনের ফাঁকা রুমটায়।
রুহি হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করছিল, কিন্তু ক্ৰিশের হাতের শক্তির কাছে তার চেষ্টা একেবারেই ব্যর্থ।
রুমে ঢুকেই ক্ৰিশ গর্জে উঠল—

“এক মিনিটের মধ্যে পুরো রুম খালি চাই! First!
তার কণ্ঠ এতটাই তীক্ষ্ণ আর রাগে ভরা ছিল যে উপস্থিত সবাই কেঁপে উঠল।
আমান আর বাকিরা একে অপরের মুখের দিকে তাকাল।
ক্ৰিশের লাল হয়ে থাকা চোখ আর কঠিন মুখ দেখেই বুঝে গেল—এই মুহূর্তে তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বিপজ্জনক।
কেউ আর একটা কথাও বলল না।
সবাই তাড়াতাড়ি রুম থেকে বেরিয়ে যেতে শুরু করল।
রুহির বুকের ভেতরটা কাঁপছিল।
সে ভয়ে নিজের হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করেও থেমে গেল।
কারণ ক্ৰিশের মুখ দেখে সে বুঝতে পারছিল—লোকটা ভীষণ রেগে আছে।
সবাই বেরিয়ে যাওয়ার পরও আমান হঠাৎ আবার দরজার সামনে ফিরে এলো।
মাথা চুলকে ভয়ে ভয়ে বলে—
“বলছিলাম কি, ক্ৰিশ —”

কিন্তু তার কথা শেষ হওয়ার আগেই ক্ৰিশ বড় বড় পা ফেলে সামনে এগিয়ে এলো।
জোরে দরজাটা বন্ধ করে দিল আমানের মুখের সামনে।
বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা আমান হতভম্ব হয়ে কয়েক সেকেন্ড দরজার দিকে তাকিয়ে রইল।
তারপর মাথা নেড়ে বিড়বিড় করে বলল—
“আল্লাহ বাঁচাও আম্মু কে…”
এদিকে রুমের ভেতর—
দরজা বন্ধ হতেই নিস্তব্ধতা নেমে এলো।
দরজাটা বন্ধ করেই ক্ৰিশ ঘুরে দাঁড়াল।
তার চোখ দুটো তখন রাগে লাল হয়ে আছে।
চোয়াল শক্ত হয়ে উঠেছে।
রুহি ভয়ে এক পা পিছিয়ে গেল।
কিন্তু পরের মুহূর্তেই ক্ৰিশ ঝড়ের বেগে এগিয়ে এসে তার গলা চেপে ধরল।
“সালি!”
দাঁতে দাঁত চেপে গর্জে উঠল সে।

“তোকে বলেছিলাম না পরপুরুষের সাথে কথা বলবি না?”
রুহির চোখ আতঙ্কে বড় হয়ে গেল।
সে দু’হাতে ক্ৰিশের কবজি চেপে ধরল, ছাড়ানোর চেষ্টা করতে লাগল।
কিন্তু ক্ৰিশের হাতের চাপ এতটাই শক্ত ছিল যে তার নিঃশ্বাস আটকে আসতে লাগল।
“কি হলো?”
ক্ৰিশ আরও ঝুঁকে এলো তার মুখের কাছে।
“চুপ করে আছিস কেন?”
তার চোখে তখন হিংস্র এক আগুন।
“পরপুরুষের সাথে হাসাহাসি করার জন্য তোকে এখানে এনেছি?”
রুহির চোখ ভিজে উঠল।
শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল তার।
তার অসহায় অবস্থা দেখে শেষমেশ ক্ৰিশ হাতটা সরিয়ে নিল।
গলা ছাড়া পেতেই রুহি কাশতে কাশতে হাঁপাতে লাগল।
সে এক হাত গলায় চেপে ধরে জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে লাগল।
চোখ বেয়ে টপটপ করে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
কিছুক্ষণ পর কষ্ট করে মাথা তুলে তাকাল সে।
তার কণ্ঠ কাঁপছিল।

“আপনি এতটা নোংরা মানসিকতার মানুষ…”
“আমি জানতাম না।”
তার চোখে ঘৃণা স্পষ্ট।
“উনি আমাদের শিক্ষক… আর আপনি—”
কথা শেষ করতে পারল না সে।
ক্ৰিশ আবার ঝটকা মেরে তার গাল চেপে ধরল।
“শোন…”
দাঁতে দাঁত চেপে বলল সে।
“শিক্ষক হোক বা অন্য কেউ—তুই শুধু আমার।”
তার আঙুলের চাপ আরও শক্ত হয়ে উঠল।
“তোর শরীরে শুধু আমি touch করব। আর কেউ না। বুঝছিস?”
রুহির চোখ ভয়ে কেঁপে উঠল।
ক্ৰিশ কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে রইল।
তারপর নিচু, বিপজ্জনক গলায় বলল—
“না… তুই বুঝবি না।”
তার ঠোঁটে ধীরে ধীরে বাঁকা হাসি ফুটে উঠল।
“তোকে এবার শাস্তি দিতে হবে।”
“তারপর বুঝবি।”
কথাটা বলেই ক্ৰিশ ধীরে ধীরে নিজের শার্টের button খুলতে শুরু করল।
রুহির মুখ মুহূর্তেই ফ্যাকাশে হয়ে গেল।
সে আতঙ্কে মাথা নাড়তে লাগল।
“না… না… কাছে আসবেন না…”
ক্ৰিশ এক পা এগোতেই রুহি হঠাৎ ঘুরে দরজার দিকে দৌড় দিল।
রুহি প্রাণপণে কাঁপা হাতে দরজাটা খোলার চেষ্টা করতে লাগল।
আঙুলগুলো এতটাই কাঁপছিল যে ঠিকমতো ছিটকিনি ধরতেই পারছিল না।
পেছন থেকে ভেসে আসছিল ক্ৰিশের ভারী পদশব্দ।
প্রতিটা শব্দ যেন রুহির বুকের ভেতর ধাক্কা মারছিল।
অবশেষে অনেক কষ্টে ছিটকিনিটা খুলে ফেলল সে।
তার মুখে আশার ঝলক ফুটে উঠল।
আর এক সেকেন্ড…

দরজাটা খুলে গেলেই সে বেরিয়ে যাবে।
কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই—
ক্ৰিশ এসে তাকে দরজার সাথে চেপে ধরল।
রুহির নিঃশ্বাস আটকে গেল।
ক্ৰিশ এক হাত বাড়িয়ে আবার ছিটকিনিটা টেনে লাগিয়ে দিল।
খট করে lock হওয়ার শব্দে রুহির বুক কেঁপে উঠল।
সে শুকনো ঢোক গিলে কাঁপা গলায় বলল—
“প্লিজ… যেতে দিন আমায়…”
তার চোখে তখন আতঙ্ক স্পষ্ট।
“এটা college…”
ক্ৰিশ নিচু হয়ে তার মুখের কাছে ঝুঁকে এলো।
তার গরম নিঃশ্বাস এসে লাগল রুহির কপালে।
“তার মানে…”
“বাড়িতে হলে আমাকে আটকাতে না?”
রুহি হতভম্ব হয়ে তাকাল।

“আমি সেরকম কিছু বলিনি…”
ক্ৰিশের চোখ সরু হয়ে এলো।
পরের মুহূর্তেই সে রুহির খোঁপা করা চুল টেনে খুলে দিল।
ঝরঝর করে চুলগুলো ছড়িয়ে পড়ল রুহির কাঁধে।
রুহি রাগে সঙ্গে সঙ্গে মাথা তুলে তাকাল ক্ৰিশের দিকে।
ক্ৰিশ সেই ছড়িয়ে থাকা চুলের ভেতর হাত চালাল ধীরে ধীরে।
তারপর মুঠো করে ধরে রুহির মুখটা নিজের দিকে টেনে আনল।
রুহির বুক ধড়ফড় করে উঠল।
ক্ৰিশ এবার অত্যন্ত শান্ত, কিন্তু ভয়ঙ্কর গলায় বলল—“এখন আমি যা যা করব… সবকিছুর response চাই, butterfly।”
সে আরও একটু ঝুঁকে এলো।

“নয়তো…”
তার ঠোঁটে ধীরে ধীরে একটা শীতল হাসি ফুটে উঠল।
“তোমাদের বাড়িতে যে বোম রাখা আছে… সেটা blast হবে।”
কথাটা শুনে রুহির চোখ বিস্ফারিত হয়ে গেল।
মুহূর্তেই তার মুখের রঙ উড়ে গেল।
“মা… মানে?”
তার কণ্ঠ কেঁপে উঠল।
ভয়ে পুরো শরীর ঠান্ডা হয়ে আসছিল।
ক্ৰিশ নির্বিকারভাবে তাকিয়ে রইল।
“মানে খুব simple।”
সে শান্ত গলায় বলল,
“তোমাদের বাড়িতে বোম রাখা আছে।”
রুহির নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসতে লাগল।
ক্ৰিশ ধীরে ধীরে তার গাল স্পর্শ করল।
“আর সেটা আমি রেখেছি।”
রুহির চোখ দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পানি গড়িয়ে পড়ল।
“না…”
সে কেঁপে উঠে মাথা নাড়ল।

“আপনি মিথ্যে বলছেন…”
ক্ৰিশ মৃদু হেসে উঠল।
“আমি মিথ্যে বলি না, butterfly।”
তার কণ্ঠে এমন নিশ্চয়তা ছিল যে রুহির বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল।
“এখন তুমি আমার কথা শুনলে বোম ফাটবে না।”
ধীরে ধীরে রুহির কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলল—
“আর না শুনলে…”
বাকিটুকু আর বলল না ক্ৰিশ।
প্রয়োজনও ছিল না।
রুহির কাঁপতে থাকা শরীরই বলে দিচ্ছিল সে বাকিটা বুঝে গেছে।
রুহি হঠাৎ দু’হাতে ক্ৰিশের বাহু চেপে ধরল।
তার চোখ ভিজে গেছে পুরোপুরি।

Mad for you 2 part 10

“শুনব…”
সে ভাঙা গলায় বলে উঠল।
“আপনি যা বলবেন… সব শুনব।”
ক্ৰিশ কিছুক্ষণ স্থির চোখে তাকিয়ে রইল তার দিকে।
তারপর ধীরে ধীরে ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসল।
যেন ঠিক এই উত্তরটাই সে শুনতে চেয়েছিল…

Mad for you 2 part 12

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here