Home কার্নিশে আলতা মাখানো কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ৩৪

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ৩৪

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ৩৪
তন্ময়ী তিতিক্ষা

চারপাশ পিনপতন নিরবতা। রুমে মাঝে দাঁড়িয়ে শাড়ির কুচি ঠিক করতে ব্যস্ত আর্শি। কিছুক্ষণ পূর্বেই কিছুটা কারনবশত তার শাড়ির অবস্থা বেহাল হয়ে গেছে। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার দরুন যতটা দ্রুত সম্ভব শাড়ি ঠিক করার চেষ্টা করল আর্শি। ঠিক তো হলোই না বরং পুরোদমে বিগড়ে গেল পুরো শাড়িটা। রাগে দুঃখে নিজের চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে করছে তার। কোনো উপায় না পেয়ে পুনরায় নতুন করে শাড়ি পড়তে আরম্ভ করল। কিছুটা সময় অতিবাহিত হতেই আকস্মিক পিছন থেকে সম্ভব পেয়ে চমকে উঠল আর্শি। কোনোমতে শাড়ির সামনে পিছু ঘুরতেই আযরানকে দেখে নিমিষেই হকচকিয়ে গেল সে। নিজের দিকে একবার তাকিয়ে পুনরায় আযরানের পানে তাকালো চক্ষুদ্বয় বড় বড় করে। কি ভয়ংকর পরিস্থিতি। এই অবস্থাতেই কেন আযরানের সামনে পড়তে হলো? লজ্জায় কুঁকড়ে উঠল মেয়েটা। এক্ষুনি না জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পরে মাটিতে।

আযরান স্তব্ধের মতো দাঁড়িয়ে রইল। আর্শির এমন বিধস্ত, এলোমেলো রূপে ঘোর লেগে আসছে আযরানে। আযরান নেশাক্ত চক্ষে আর্শির পানে চেয়ে রইলো। এলোমেলো কলাপাতা শাড়ির সাথে ফুলের গহনায় নিজেকে আবৃত করেছে আর্শি। যেন জীবন্ত একটা ফুল দাঁড়িয়ে তার সামনে। আযরান সূক্ষ্ম একটা ঢোক গিলল। চেয়ে নেত্রপল্লব আঁখি সরাতে পারছে না আর্শির ওপর থেকে। আযরানের দৃষ্টি ধীরে ধীরে গভীর হলো। ছোট ছোট কদম ফেলে এগিয়ে গেল আর্শির অতি নিকটে। এতেই যেন ঘাবড়ে গেল আর্শি। এককদম পিছিয়ে তোতলানো স্বরে বলল,
“আয..আযরান বাইরে যা। অনুষ্ঠান..অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে আমাদের যেতে হবে তো।”
“হুশ!”
ঠোঁটে আঙ্গুল চেপে আর্শিকে চুপ করিয়ে দিলো আযরান। নরম ঠোঁটে আযরানের স্পর্শে আর্শির রন্ধ্রে রন্ধ্রে শিহরণ বয়ে গেল। প্রচন্ডভাবে কেঁপে উঠল সে। ওষ্ঠদ্বয় এগিয়ে আনলো আযরান। আর্শির হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিক হতে লাগলো কাছে আসতে দেখে। চক্ষুদ্বয় খিঁচে আদ্রর হাতে নখ বিঁধিয়ে শক্ত করে আঁকড়ে ধরল। আযরান একটা শব্দও করল না বরং অধরযুগল গভীরভাবে ছু্ঁয়ে দিলো আর্শির ললাটে। পরক্ষণেই ফিসফিস করে বলে উঠল,
“এই ভয়ংকর রূপ দেখানোর জন্য বুঝি এভাবে ডেকে এনেছিস?”
ধপ করে চোখ মেলল আর্শি। সে ডেকে এনেছে? সে তো ডাকেনি। ডেকেছে তো অন্যকেউ। আর্শি তড়িঘড়ি করে বলে উঠল,

“আমি ডাকিনি সত্যি। ডেকেছে তো..।”
উন্মুক্ত উদরে আকস্মিক হাতের স্পর্শ পেয়ে থেমে গেল আর্শি। আর্শি ভিতরে উথাল পাতাল ঢেউ গর্জে উঠল। প্রথমবার আযরানের এমন গভীর স্পর্শে আর্শির মন নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করল। বলা নেই কওয়া নেই অকস্মাৎ সুপুষ্ট শক্তহাতে আর্শির কোমল দেহটাকে নিজের শক্ত হাতে বেঁধে নিলো। তিরতির করে কাঁপতে থাকা ঠোঁট দু’টোয় ছুঁয়ে দিতে থাকলো আযরান নিজের রুক্ষ ওষ্ঠযুগল। ক্রমশ গভীর হয় ঠোঁটের আলিঙ্গন। আর্শির হৃদযন্ত্র বন্ধ হওয়ার জোগান। শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা। এলোমেলো শাড়িটা শক্ত হাতে ধরল সে। কিছুক্ষণ সময় আযরান ছেড়ে দিলো। কিন্তু সরলো না একবিন্দুও। আর্শি নিজেকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে ক্ষীণ স্বরে বলে উঠল,
“আযরান সর। কেউ চলে আসবে। হলুদের অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে। যেতে দে।”
“আমরা কেউ যাবো না অনুষ্ঠানে।”

অতিশয় বিস্ময়ে হতবাক আর্শি। নেত্রপল্লব বড় বড় করে তাকালো আযরানের পানে। আযরানের মাদকতা মিশ্রিত চক্ষুদ্বয় দেখে শিরদাঁড়া বেয়ে গঁড়িয়ে গেল শীতল স্রোত। প্রচন্ড রকম ঘাবড়ালো আর্শি। কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলল,
“দে..দেখ মজা করিস না। অনেক কষ্টে সেঁজেছি। সর তো।”
“এই সাঁজই আর থাকবে না।”
বাক্যহারা হয়ে গেল আর্শি। বক্ষস্থল কেঁপে উঠল নিদারুণভাবে। আর্শির মনে হাজারো কথা জমলেও গলা দিয়ে একটি শব্দও বের হলো না। লজ্জায় আঁটকে থাকলো গলার মাঝে। সাহস করে কিছু বলতে যাবে এরপূর্বেই পুনরায় ঠোঁটে গভীর স্পর্শে থেমে গেল আর্শি। কেঁপে উঠল সর্বাঙ্গ। হাতে থাকা এলোমেলো কুচি গুলো ছুটে গেল। স্পর্শ গভীর হলো ক্ষণে ক্ষণে। বাঁধা দেওয়ার শক্তিটুকুও যেন হারিয়ে ফেলল আর্শি। দুটি মানুষের মাঝখানের দূরত্বটুকুও ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে লাগল নতুন এক সম্পর্কের উষ্ণতায়।

চারপাশ কোলাহলে পরিপূর্ণ। বাড়ির আঙিনা জুড়ে রঙিন আলোর ঝলকানি। হাসি-ঠাট্টা আর আত্মীয়-স্বজনের ব্যস্ত পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পরিবেশ। হলুদের মঞ্চটা গাঁদা ফুল আর রজনীগন্ধায় সাজানো। তার উপরই বসে রাইসা। সকলের সাথে হাসি মজায় মেতে আছে সে। কিন্তু এই মজার স্পর্শ করলো না মারিয়াকে। মঞ্চের একপাশে দাঁড়িয়ে রাগে অপমানে মুখশ্রী আঁধার করে বসে আছে মেয়েটা। তার মুখভঙ্গি একদম হেরে যাওয়া খেলোয়াড়ের মতো। আজকের পুরো পরিকল্পনাটা সে কত নিখুঁতভাবে সাজিয়েছিল। কিন্তু হুট করে আর্শি এসে ভেস্তে দিয়েছে সবটা। মারিয়ার হুট করে মনে পড়ে গেল তখনের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো।
সকলেই তখন হলুদের অনুষ্ঠানের জন্য ছাদে ব্যস্ত। একদম পাতলা ফিনফিনে শাড়ি পরে আযরানদের জন্য বরাদ্দকৃত রুমে এলোমেলো ভঙ্গিতে শুয়ে ছিল মারিয়া। উদ্দেশ্য আযরানকে আকৃষ্ট করা। কিন্তু হুট করেই রুমে চলে এলো আর্শি। আর্শিকে দেখামাত্র মারিয়া ঘাবড়ে গেল। আর্শি অবাক হয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে দেখে প্রশ্ন করল,
“এইসব কি মারিয়া?”

মারিয়া ভয়ে আমতা আমতা করল। আকস্মিক মারিয়ার অঙ্গভঙ্গি আর পোশাকের দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করল আর্শি। মুহুর্তে সবকিছু জলের মতো স্পষ্ট হয়ে গেল তার নিকট। প্রচন্ড রকম ঘৃণায় মস্তিষ্ক দাউদাউ করে জ্বলে উঠল। উজ্জ্বল ফর্সা মুখটা লাল আভায় ছেয়ে গেল নিমিষেই। প্রচন্ড রাগে তেড়ে গিয়ে আঁকড়ে ধরল মারিয়ার চুলের মুঠি। মারিয়া ব্যথায় ককিয়ে উঠল। চেঁচিয়ে বলল,
“কি করছো আর্শি আপু?”
আর্শির চক্ষুদ্বয় রাগে জ্বলছে। এই দুইদিন সব সহ্য করলেও আজকে পারলো না। দাঁতে দাঁত চেপে বলল,
“আমি কি করছি? তুই বল তুই কি করছিলিস এই রুমে?”
ভয়ে সমস্ত শরীর ঘেমে উঠল মারিয়ার। কাঁপা কন্ঠে ইতস্তত করে বলল,
“তুমি ভুল বুঝছো।”
আর্শির বুকের ভেতর অদ্ভুত এক জ্বালা করছে। যদি আর্শির আগে আযরান এখানে এসে পড়তো তখন কি হতো? ভাবতেই ক্রোধে জ্বলতে শুরু করল সর্বাঙ্গ। ক্রুর দৃষ্টি মেলে চাইলো আর্শি। কন্ঠে তেজ মিশিয়ে কিছুটা উচ্চস্বরেই বলে উঠল,

“আমি এতটাও বোকা না মারিয়া। কার রুম, এই পোশাক, কার জন্য এই আয়োজন সব বুঝেছি আমি। এইটুকু একটা মেয়ে হয়ে চিন্তাভাবনা এত নিকৃষ্ট ছিহ! আমার স্বামীকে নিয়ে এমন পরিকল্পনা করার সাহস কি করে হয় তোর।”
চেঁচিয়ে কথাটা বলেই সাজোরে থাপ্পড় বসিয়ে দিল আর্শি। মুহুর্তে মাটিতে আছড়ে পড়ল মারিয়া। ব্যথার চোটে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল সে। আর্শি পুনরায় এগিয়ে এলো। চুলের মুঠি ধরে টেনে তুলল মারিয়াকে মেঝে হতে। মারিয়া নিজের চুল ছাড়ানোর চেষ্টা করতে লাগলো। একপ্রকার ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে গেল দু’জনের। একপর্যায়ে অসাবধানতায় আর্শির শাড়ির কুচিতে পা পরে যায় মারিয়ার। তবে সেদিকে বিন্দুমাত্র পাত্তা দিলো না আর্শি। রাগে চেঁচিয়ে বলল,
“এক্ষুনি সবাইকে তোর এই নোংরা রুপটা দেখাবো। এইটুকু মেয়ে ঠিক কতটা ঘৃণিত চিন্তাভাবনা করতে পারে সবাইকে দেখানো দরকার।”
কান্নার চোটে কেঁপে কেঁপে উঠছে মারিয়া। আর্শির কথায় থমকে গেল হঠাৎ। ভয়ে আঁতকে উঠল সে। পুরো শরীর কেঁপে উঠল। সবাই জানলে তাকে মেরেই ফেলবে। আকস্মিক লুটিয়ে পড়ল আর্শির পায়ের কাছে। আকুল কন্ঠে কান্না করতে বলল,

“প্লিজ আপু কাউকে বলো না। আমার ভুল হয়ে গেছে। আর কখনো এমন করবো না। তুমি যা বলবে তা করবো। প্লিজ কাউকে বলো না।”
মারিয়ার কান্নাজড়িত কণ্ঠে অনুনয় শুনেও আর্শির মন গললো না। রাগে তার বুক উঠানামা করছে। কয়েক মুহূর্ত নীরবে দাঁড়িয়ে রইল আর্শি। চোখের সামনে কাঁদতে থাকা মেয়েটাকে দেখে নিজের রাগটাকে কোনোমতে সংযত করার চেষ্টা করল।মারিয়া দু’হাত জোড় করে কাঁপা গলায় বলল,
“আমি সত্যিই ভুল করেছি আপু। আর কখনো এমন হবে না। তুমি চাইলে আমাকে শাস্তি দাও, কিন্তু সবাইকে বলো না। আমি মুখ দেখাতে পারব না।”
আর্শি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল তার দিকে। তারপর ধীরে ধীরে চুলের মুঠি ছেড়ে দিল। ক্রোধে জ্বলতে থাকা মস্তিষ্ককে কিছুটা ঠান্ডা করে সূক্ষ্ম একটা ঢোক গিলল। মেজাজ প্রচন্ড তাপে ঝলসে যাচ্ছে। তীক্ষ্ণ কন্ঠে বলে উঠল,

“শাস্তি পাবে কি পাবে না সেটা পরে দেখা যাবে। কিন্তু আজকের পর যদি আমার আশেপাশে বা আযরানের আশেপাশে তোমাকে এই ধরনের কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে দেখি তাহলে কিন্তু পরিণত ভালো হবে না।”
মারিয়া কন্দনরত মুখেই মাথা নাড়ল। আর্শির ধমকে একপ্রকার দৌড়ে বেরিয়ে এলো রুম থেকে। হুট করে কারো ডাকে ভাবনা থেকে বেরিয়ে এলো মারিয়া। প্রহর দাঁড়িয়ে ভ্রুঁ কুঁচকে। এবারও ঘাবড়ালো সে। প্রহর ভাই কেন এভাবে তাকিয়ে আছে? আবার কি করল সে? ভয়ার্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল মারিয়া। প্রহর ধমকে বলে উঠল,
“কখন থেকে ডাকছি? কানে শুনিস না?”
“খেয়াল করিনি ভাইয়া।”
দীর্ঘশ্বাস ফেলল প্রহর। অনাগ্রহী হয়ে বলল,
“আযরানকে দেখেছিস?”
মাথা নেড়ে না বুঝালো মারিয়া। সাথে সাথে জায়গা প্রস্থার করল প্রহর। আশেপাশে দৃষ্টি ঘুরিয়ে খুঁজতে লাগলো আযরাকে। নাহ! কোথাও নেই এই ছেলে। হুট করে গেল কোথায়?

“খুব ভালোবাসি জান।”
নীলার মুখে এহেম কথায় স্তব্ধ হয়ে পড়ল মিহির। চোখে ফুঁটে উঠল সূক্ষ্ম ব্যাথার ছাপ। তার থেকে কিছুটা দূরেই ফোনালাপে মগ্ন নীলা। নীলাকে খুঁজতে খুঁজতেই মিহির এখানে এসে উপস্থিত হয়েছিল। অনেকক্ষণ যাবত নীলার দেখা নেই। হুট করে ছাদের এককোণে নীলাকে দেখে এগিয়ে এসেছিল সে। কিন্তু এমন কিছু শুনতে পাবে কল্পনাও করতে পারেনি। মিহির এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল নীলার দিকে। অদ্ভুত সুন্দর লাগছে মেয়েটা। মিহির শুনেছিল প্রিয় মানুষের সাথে কথা বলার সময় মেয়েদের মুখের উজ্জ্বলতা বেড়ে যায়। তাহলে নীলার এই সৌন্দর্যের কারন কি ফোনের ওপাড় থাকা মানুষটা? চক্ষুদ্বয় জ্বলতে শুরু করল মিহিরের। শ্যামলা মুখশ্রী লালাভ আভায় ছেঁয়ে গেল নিমিষেই। তীব্র পীড়া অনুভব হলো অভ্যন্তর। আর দাঁড়ালো না মিহির। বড় বড় কদম ফেলে বেরিয়ে নেমে গেল ছাদ থেকে।

দীর্ঘক্ষণ সময় ধরে মিহিরের ভাব ভঙ্গি লক্ষ্য করছিলো মেহর। দূর থেকে দাঁড়িয়ে মিহিরের অবস্থার কারন বুঝতে পারলো না। কিন্তু হঠাৎই মিহিরের চোখে অশ্রু দেখে যেন অবাক হলো সে। কৌতূহলী দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে আনমনে বলে উঠল,
“কি হলো উনার? চোখে কি পানি দেখা যাচ্ছে?”
মিহিরকে হুট করে বেরিয়ে যেতে দেখে ভরকে গেল মেহর। কিছুক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে ভাবতে লাগলো মিহিরের পিছু পিছু যাবে কিনা। যদি মানুষটা আবার রেগে যায় তখন? ধ্যাৎ! গেলে যাবে। কথাটা ভেবে একহাতে শাড়ি আঁকড়ে মিহিরের পিছু পিছু ছুটলো মেহর।

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ৩৩

রাত ধীরে ধীরে আরও গাঢ় হয়ে উঠছে। বাড়িজুড়ে হলুদের হাসি-ল আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর কোলাহল ছড়িয়ে থাকলেও কিছু কিছু হৃদয়ে যেন নিঃশব্দ ঝড়ের সূচনা হয়েছে।
কেউ নিজের ভালোবাসাকে আরও শক্ত করে আঁকড়ে ধরেছে। তো কেউ আবার না বলা অনুভূতির ভার নিয়ে একা হেঁটে চলেছে অন্ধকারের পথে।

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ৩৫

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here