তুই আমার ৭ মিনিট পর্ব ১০
ঐশী আফরিন
বাজারে একটা চায়ের টং এর সামনে অপূর্ব আর অভি কে দেখতে পায় আরিয়ান।এগিয়ে গিয়ে অপূর্ব কে পেছন থেকে একটা কিক মারে।অপূর্ব পরতে পরতেও বেঁচে যায়।
“তা ডাক্তারদের চায়ের দোকানে কী কাজ?”
“চায়ের চিকিৎসার জন্য এসেছি।খেয়ে টেস্ট করছি রোগটা বড় নাকি মাঝারি”
পাশ থেকে অভি বলে “তাহলে তো সরকার কে খবরটা জানানো উচিত।যাদের পেছনে এত টাকা ঢালছে তারা কিনা মানুষ বাদ দিয়ে চায়ের চিকিৎসা করছে”
“শালা তুই ভাগ এখান থেকে। বললাম এক কাপ চা খাওয়া। সেটা খাওয়াবে না আবার বড় বড় কথা”
অপূর্ব কথা শেষ করে আরিয়ানের দিকে তাকিয়ে বলে “আরিয়ান! দোস্ত এক কাপ চা খাওয়া তো”
“তোর টাকা কি ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখবি নাকি?নিজে কিনে খেতে পারিস না”
“দোস্ত তুই যে এত কিপ্টা হয়েছিস বিদেশে গিয়ে তা জানলে ভাবিকে আগেই গায়েব করে রাখতাম”
“এত কথা বাদ আগে চা খাওয়া”
“এহ রে…এখানে দু দুইটা টাকার কুমির থাকতে আমি নাকি চা খাওয়াবো!অসম্ভব!জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা বন্ধ কর”
“তারমানে তুই খাওয়াবি না?”
“না মানে না”
আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন
আরিয়ান আর অপূর্ব কথা শেষে কিছুক্ষন চুপ থেকে কী জেনো চোখাচোখি করে। তারপর দুজন দু দিক থেকে অভির গা ঘেঁষে বসে।
অপূর্ব এক হাতে অভির গলা জরিয়ে বলে “ভাই একটা কানা কানি”
অভি কান পেতে দিলে অপূর্ব কিছুক্ষন চুপ থেকে আচমকাই চিৎকার করে উঠে।
“এই খবিশের বাচ্চা! ষাড়ের মত গলা ফাটানোর জন্য আমাকেই পেলি?তোর বন্ধু কী মরে গেছে?”
“কেন তুইও তো আমাদের বন্ধু” বলেই অপূর্ব দাঁত বের করে হাসে। এরমধ্যেই আরিয়ান চা নিয়ে আসে।
দু জনের হাতে দু কাপ দিয়ে বলে “বুঝলি,আমি আবার বেশি দয়ালু তাই আমার টাকা দিয়েই খাওয়ালাম”
অভি কপালে ভাঁজ ফেলে চায়ে চুমুক দেয়। এদিকে দু বন্ধু মুখ টিপে হাসে।
“তা প্রেমের কী খবর?”
আরিয়ানের কথায় অপূর্ব ভ্রু কুচকায় “এই প্রেমটা আবার কে”
“প্রেম মানে প্রেমিকা”
“কিরে অপূর্ব তোর আবার প্রেমিকাও আছে?”
অভির কথায় অপূর্ব পাত্তা না দিয়ে বলে “আর প্রেমিকা…। একটা ভালো জঙ্গলের ঠিকানা দিস তো। জঙ্গলে গিয়ে ‘জিঙ্গা লা লা হুর হুর’ বলতে বলতে চিরকুমার হয়ে কাটিয়ে দিতে হবে যা দেখছি”
“ব্যাপারটা কী আসলে। ঝেড়ে কাশ তো”
“আরে দোস্ত মেয়েটা চোখে তাঁক লাগিয়ে দেওয়া সুন্দরী। একদম ঝাকানাকা টাইপের যাকে বলে। কিন্ত…”
“কিন্ত কী”
“ওর আর আমার আকাশ পাতাল তফাত”
“দরকার হলে আকাশ পাতাল এক করবো।নাম কী মেয়েটার?”
“জানি না তো। তবে আমি তাকে ‘অগ্নিকন্যা’ ডাকি”
“এই গ্রামেরই মেয়ে?”
“হ্যা দোস্ত। এই গ্রামেরই আর রাজবাড়িরই বড়…”
অপূর্বর কথা শেষ হওয়ার আগেই রাজবাড়ির একজন প্রহরী এসে জানায় ঢাকা থেকে খবর এসেছে আরিয়ানের মা অসুস্থ। আরিয়ান কে তাড়াতাড়ি যেতে হবে। কথাটা শোনা মাত্রই আরিয়ান উঠে দাঁড়াল। আর রাজবাড়ির দিকে হাঁটা ধরে। অপূর্ব আর অভিও হাটে। যাওয়ার আগে অপূর্ব অভির কানে কানে বলে “ভাই চা টা তোর টাকা দিয়ে খাওয়ানোর জন্য আর আরিয়ান তোর থেকে টাকা মেরে দেওয়ার জন্য ,দুজন কেই ধন্যবাদ”
রাজবাড়িতে গিয়ে দেখে মাধবীর ফুফুরা তাদের পরিবার নিয়ে এসেছে। আরিয়ান তাদের সাথে কুশল বিনিময় করে মাহফুজ চৌধুরীর কাছে যায়। ঝুমা চৌধুরী আর মাহফুজ চৌধুরীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ব্যাগ গুছিয়ে ফেলে। ব্যাগ গুছিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে একবার নিচে উঁকি দেয়। সবাই যে যার মত মেহমান দারিতে ব্যাস্ত। আরিয়ান নিঃস্বে মাধবীর অন্দরের সামনে দাঁড়ায়। তারপর নিম্নস্বরে ডাকে “মধু”
মাধবী সোফার রুমেই ছিল। এই অসময়ে আরিয়ানের ডাক শুনে মাধবী ঘাবরে যায়। বাড়ি ভর্তি মানুষ কেউ দেখে নিলে কথার শেষ থাকবে না। বিশেষ করে তার ফুফুরা যেন সুযোগ পেয়ে বসবে মাধবীকে কথা শোনাতে। তাই সে বিচলিত কন্ঠে বলে “আরিয়ান ভাই!কোন কথা থাকলে পরে বলিয়েন এখন কেউ দেখে ফেললে উল্টোপাল্টা ভাববে”
“এদিকে এসে শুনে যা কেউ দেখবে না”
অগত্যা মাধবী এগিয়ে যায়।
“আমি ঢাকায় যাচ্ছি।আম্মা অসুস্থ।দোয়া করিস”
মাধবী বিচলিত হয়ে জিজ্ঞেস করে “একি কী হয়েছে মামির?”
“গিয়ে খবর পাঠাবো এখন আসি”
বলেই আরিয়ান পা বারায়। আরিয়ান পা বারাতেই মাধবী দরজা খুলে উঁকি দেয়। আজও লোকটা কালো কাবলী পান্জাবি পরেছে। কাবলী সেট পরলে ছেলেদের
যে এতটা সুদর্শন লাগে তা মাধবী আরিয়ান কে না দেখলে জানতোই না ।
আরিয়ান আর অপূর্ব রাজবাড়ি থেকে বের হতেই অভি আর ইচ্ছেকে পায়। ইচ্ছে আরিয়ান কে দেখেই দৌড়ে এসে দাঁড়াতে যাবে তার আগেই আরিয়ান অপূর্ব কে হেচকা টান দিয়ে তার সামনে দাঁড় করায়। নিজে দু পা পিছিয়ে যায়। ইচ্ছে দৌড়ে আসতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে অপূর্বের উপর পরতে নিলে অপূর্বও সরে যায়। ব্যাস হয়ে গেল ! মেয়েটা ধপাশ করে পরে হাত পা ছিলে যা তা অবস্থা।
“এই আরিয়ান তোমার কি একটুও মায়া দয়া নেই? দেখছো পরে গেছি কই একটু তোলার চেষ্টা করবে তা না করে ওদিকে তাকিয়ে আছো ”
“আরে মেয়ে আগে জামা ঠিক কর। আজ তোর রক্ষা নেই”
অভির কথায় ইচ্ছে জামার দিকে তাকায়। জামাটা হালকা উপরে উঠে গেছে তাতেই এত ঢং। সাধু পুরুষ ! ইচ্ছে মুখ ভেংচায়। এই ছেলের এত ঢং যে কোথায় রাখে আল্লাহই জানে। দুনিয়াতে এত ফর্সা সুন্দর সুন্দর ছেলে থাকতে কোন ভুলে না জানি এই শ্যামলা ছেলেকে ভালোবাসতে গিয়েছিল।উফফফ।ইচ্ছে জামা ঠিক করে উঠে বসে।
“এবার একটু উঠাতেও তো পারো আমাকে ”
“দোস্ত তোর হাতটা এক মিনিটের জন্য ধার দে তো ”
আরিয়ানের কথায় অপূর্ব আকাশ থেকে পরে “কেন দোস্ত?হঠাৎ তোর শকুনের দৃষ্টি আমার হাতের উপর পরলো কেন?”
“আমার সামনে থাকা গুয়ের টাংকি টাকে একটা চটকানা মারার জন্য তোর হাত টা লাগবে”
“কেন? তোর হাতের হয়েছে কী?আর এখানে তুই গুয়ের টাংকি কই দেখলি? এটা তো আমাদের ইচ্ছে ”
“মধু ছাড়া পৃথিবীর সমস্ত মেয়েই আমার কাছে গুয়ের ট্যাংকি। আর আমি কোন গুয়ের ট্যাংকি কে চটকানা মেরে হাত নষ্ট করবো না ”
আরিয়ানের কথা শুনে তিনজন মানুষ আহাম্মকের মত তাকিয়ে রইল। দিন দিন এর কই হচ্ছে কে জানে। ইদানীং টাসটুস কথা বলে। আগে তো বোম মেরেও মুখ থেকে কথা বের করা যেত না।
এই মধু নামক মেয়েটার জন্যই আজ ইচ্ছের জীবনের বারোটা বেজেছে। আরিয়ানের মুখ থেকে এই মধু নামটা শুনতে শুনতে ইচ্ছের কান পঁচা যাওয়ার যোগাড়। পেয়েছে টা কি এই ছেলে ঐ মধুর মধ্যে? তার মত এত সুন্দর মেয়ে যার জন্য হাজার হাজার ছেলে পগল। তাকে রেখে কী সারাক্ষন মধু মধু করে। ঐ মধুকে কোনদিন সামনে পেলে ঠাটিয়ে দুটো থাপ্পড় দেবে বলে ঠিক করলো ইচ্ছে। নাহ এসব আর নেয়া যাচ্ছে না !
এবার ইচ্ছে রাগের মাথায় বলেই ফেললো ” কী আছে টাকি ঐ মধুর মধ্যে?হ্যা? আমাকে চোখে পরে না?তুমি জানো কত ছেলে আমার জন্য পাগল?”
এবার আরিয়ান রেগে যায় “তোর মত বা*ন্দি*র বাচ্চাকে হাজার ছেলে নিজের চোখ দিয়ে দেখেছে বলে তোর জন্য পাগল। অবশ্য তোর মত ন*ষ্টা*র পেছনে পাগলই ঘুরবে। আর আমার মধুকে যদি ওরা দেখার সৌভাগ্য পেত তাহলে কোটি কোটি পুরুষদের লাইন লাগতো রাজ্য জুড়ে। তোর পেছনে ওরা পাগল হয়ে ঘোরে আর আমার মধুর পেছনে ঘুরে ওরা পাগল হতো”
আরিয়ানের হুংকারে সবাই কেঁপে উঠে। আরিয়ান আবার বলে “আর তোর ঐ নোংরা মুখে দ্বিতীয় বার আমার মধুর নাম নিয়েছিস তো, তোর ঐ মুখ কুত্তাকে খাওয়াবো বা*ন্দি*র বাচ্চা। মধুর মাঝে যা আছে তা দুনিয়ার কোন মেয়ের মাঝে কখনো হতেই পারে না। তুই ওর পায়ের জুতার যোগ্যও না ”
ইচ্ছের শরীর অবশ হয়ে পরে। দুর্বল শরীরটা নিয়ে কোন মতে উঠে দাঁড়ায়। পা জোড়া মৃদু কাপছে। বহু কষ্টে বলে “তোমার মধুর ভাগ্য কি অনেক ভাগ্যবতী”
“মধুর মত ভাগ্য পেতে হলে তোর আরো সতেরো বার জন্ম নিতে হবে পৃথিবীতে। তবে সব দিক দিয়ে ভাগ্যবতী থাকলেও কারণ টা আমি থাকবো না ”
শেষের কথাটা আরিয়ান নিষ্পৃহ কন্ঠে বলে।
“দরকার পরলে আরো পঞ্চাশ বার জন্ম নেব। যদি তোমাকে ১ সেকেন্ডের জন্যও নিজের দাবি করতে পারি”
” আমি একমাত্র আমার মধুর। আমাকে তই কল্পনাতে আনলেও তোর কলিজা বের করে আনবো ”
বলেই আরিয়ান অপূর্বের হাত ধরে সেখান থেকে প্রস্থান করে। ইচ্ছের চোখ থেকে টুপ করে এক ফোঁটা পানি গড়িয়ে পরে।
{ ভালোবাসা যখন শাস্তি হয়ে দাঁড়ায় তখন
অপূর্ণতা তেও প্রশান্তি খুঁজতে হয় }
ইচ্ছের মত মেয়ের চোখের জল দেখে অভির মায়া হয়। কেন যে শেষে আরিয়ানটা কেই ভালোবাসতে গিয়েছিল। সে ইচ্ছেকে বোঝানোর চেষ্টা করে।
“মেনে নে ইচ্ছু। তুই ই দেখ যখন থেকে আরিয়ানের সাথে আমার আরিয়ানের সাথে বন্ধুত্ব তখন থেকেই ওর মুখ থেকে মধু নামটা শুনছি। অনেক বছর ধরেই আরিয়ান মধু নামক মেয়েটাকে ভালোবাসে। মেয়েটার ব্যাপারে সবসময় সিরিয়াস থাকে। দেখ তোকে কিন্ত এখনও ও বন্ধু মানে না। আরিয়ান চায় ওর জীবনে মধু ছাড়া অন্য কোন মেয়ে থাকুক। সেটা বন্ধু হিসেবেই হোক আর যেভাবেই হোক ”
ইচ্ছে শুনলো কি না কে জানে। সে আর এক মিনিটও দাঁড়াল না। সোজা অতিথিমহলের দিকে হাঁটা ধরলো। তার পেছন পেছন অভিও গেল। হায়রে… ভালোবাসা।
সন্ধ্যায় বাড়িতে কোন পুরুষ না থাকায় মাধবী নিচে আসে। তেহবীন কে কোলে নিয়ে ইরিশার পাশে বসে। সে বসতেই শুরু হলো তার ফুফুর ভাষন।
” তা আর কত মেয়েটাকে বসিয়ে রাখবে। বেশি বয়স হয়ে গেলে যখন দেখবে বাচ্চা হবে না।তখন আর রুপ দিয়েও কাজ হবে না ”
মাধবীর বড় ফুফু আছিয়া চৌধুরীর কথায় ছোট ফুফু রাহিমা চৌধুরীও মত জানায় “হ্যা গো ঝুমা তোমার মেয়েটাকে এবার বিয়ে দেও। নাহলে জমিদার হলেও কাজ হবে না সমাজ কথা শোনাবে ”
ঝুমা চৌধুরী বিপাকে পরলেন। ওনার এখানে কিছুই করার নেই। মাধবীর ব্যাপারে কথা বলার অনুমতি মাহফুজ চৌধুরী ওনাকে ও দেন নি। তিনি মাধবীর দিকে তাকালেন। এই বজ্জাত তো চুপ থাকার কথা না। উল্টো পাল্টা কিছু না কিছু তো বলবেই।
ঝুমা চৌধুরীর ভাবনা কে সত্যি করে দিয়ে মাধবী মুখ খুললো “তা! আছিয়া ফুফু? মিরা আপুকে তো ১৫ বছর বয়সে বিয়ে দিয়েছিলে। এখন আপুর বয়স ২৪ এর কাছাকাছি। তো এখনও তোমার মেয়ের কাছ থেকে সুখবর তো পাওয়া গেল না”
তারপর রাহিমা চৌধুরীর দিকে ফিরে বলে “ফুফু? আশা আপাকে ১৪ বছরে বিয়ে করিয়ে ১৬ বছরে দ্বিতীয় বিয়ে দিয়ে একদম ছাড়াছাড়ি করিয়ে এখন নিজেকেই মেয়ে নিয়ে নিয়ে সংসার করা লাগছে। ইশশশ। চু চ্যাড ”
মাধবীর ঠেশ দেওয়া খাঁপছাড়া কথা শুনে দুজনের কেউই কথা বাড়ানোর সাহস পেল না। এই মেয়ে স্থান,কাল যাচাই না করেই উচিত কথা বলে দেয়।বেয়াদব কোথাকার।কথাগুলো আছিয়া চৌধুরী মনে মনে বলে প্রসঙ্গ পাল্টায়। কথার এক পর্যায়ে খবর আসে বাড়ির পুরুষরা বাড়িতে আসছে। তাই মাধবী উপরে চলে যায়।
সবাই আসলে মাধবী ব্যতীত সকলে আড্ডায় মত্ত হয়। এর মাঝেই আছিয়া চৌধুরী কয়েক বার মাধবীর বিয়ের কথা তুললে মাহফুজ চৌধুরীর কাছ থেকে কড়া ধমক খায়। সবকিছু ঠিক থাকলেও সুলতান চৌধুরীর ভেতরে সকালের ব্যাপারটা নিয়ে নিরব ক্ষোভ থেকেই যায়। তবুও তিনি ভেতরেরটা ভেতরে রেখে হাসি মুখে গল্পে সামিল হয়। কিন্ত হঠাৎ এই সুন্দর সময়টার মাঝেই শোনা গেল প্রধান ফটকের হট্টগোল। মাহফুজ চৌধুরী প্রথমে পাত্তা না দিলেও পরে যখন আওয়াজ তীব্র থেকে তীব্রতর হয় তখন তিনি বাহিরে বের হন। ওনার সাথে সবাই অন্দরমহল থেকে বেরিয়ে আসে। প্রধান ফটকের সামনে যেতেই সবাই থমকে যায়।
তুই আমার ৭ মিনিট পর্ব ৯
মাধবী নিজের অন্দরের বেলকনি থেকে দেখতে পায় বিশাল বড় একটা বাহিনী হাতে নিয়ে ফটক ভাঙার চেষ্টা করছে। সবার হাতেই ধারালো রাঁন দাঁ,কুড়াল,তলোয়ার,তীড়,রাইফেল সহ আরো অনেক সাংঘাতিক অস্ত্র। ফটক ভাঙার শব্দের সাথে ভেসে আসছে নিচ থেকে করো চিৎকার “বড় সাহেব ডাকাত দল আইছে।ডাকাত দল আইছে। ”
