তুই আমার ৭ মিনিট পর্ব ২০
ঐশী আফরিন
আরিয়ান নিঃশ্বাস বন্ধ করে ঘোড়া থেকে নেমে পরে।দৌড়ে যায় জঙ্গলের ভেতর। আশেপাশে শুধু গাছপালা আর ঝোপঝাড়। ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দে চারপাশ মুখোরিত। ঝোঁপের উপর জোনাকিরা নিজ তালে উঁড়ে বেড়াচ্ছে। এই নিঝুম জঙ্গলেও যেন এক অপার সৌন্দর্য তৈরী করছে। কিন্ত এসব সৌন্দর্য আরিয়ানের চোখে পড়ছে না। চাঁদের ঝাপসা আলোয় মাধবীকে খুঁজে যাচ্ছে। এটুকু সময়ের ব্যবধানে এতটা দূর কিভাবে আসলো বুঝতে পারছে না। সে গলা উচিঁয়ে কয়েকবার ডাকে। কিন্ত কোন সারা আসে না।
আরিয়ান কি করবে কিছুই মাথায় আসছে না। হাতে কোন টর্চ বা হাড়িকেন কিছুই নেই। সে পাগলের মত আশেপাশে খোঁজে কিন্ত মাধবীর কোন চিহ্ন পর্যন্ত পায় না। দিশা না পেয়ে এবার গভীর জঙ্গলে ঢুকে পরে। যত ভেতরে যাচ্ছে আশপাশ যেন আরো নিস্তব্ধ হয়ে পরছে। সে হাঁটতে হাঁটতে একদম জঙ্গলের মাঝ বরাবর এসে থামে। নাকে বারি খায় চিরচেনা সেই গায়ের সু ঘ্রাণ। তার বিন্দুমাত্র ভূল হয় না ঘ্রাণ টা চিনতে । সে সেখানেই থমকে যায়। যেন এতক্ষনে বিঁধে থাকা গলার কাটা নেমে গেছে। কিছুটা শস্থির নিশ্বাস নিয়ে আশেপাশে তাকায়। অন্ধকারে জ্বলজ্বল করে উঠে মাধবীর সাদা শাড়িটা। আর সাদা চাদর টা বিঁধে আছে পাশের এক নাম না জানা কাঁটাযুক্ত গাছে। মাধবীকে এভাবে বসে থাকতে দেখে সে আস্তে করে ডাক দেয়,
আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন
” মধু…?”
কিন্ত কোন জবাব আসে না। আরিয়ান আরেকটু এগিয়ে যায়। এবার আরেকটু জোরে ডাক দেয় “এই পরীর বাচ্চা…?”
কিন্ত মাধবী একই ভাবে বসে আছে। কোন নাড়াচাড়াও করছে না। মাথাটা কাত করে একটা গাছের সাথে হেলান দিয়ে বসে আছে। আরিয়ান এগিয়ে গিয়ে মাধবীর কাঁধে হাত রাখে। তবুও মাধবীর কোন হুশ নেই। আরিয়ান নিজেও মাধবীর সামনে গিয়ে বসে। মাধবী চোখ বন্ধ করে গাছের সাথে হেলে বসে আছে। সে কতক্ষণ নিরবে তাকিয়ে থাকে সেই অশ্রুসিক্ত চোখে। যে চোখে সে সেদিনের পর থেকে আর কান্না দেখেনি। যে চোখ সেদিণ কান্না করেছিল শুধু তার বাবার জন্য। বিষয়টা আরিয়ান কে অবাক করে। ভীষণ অবাক। সে হালকা ঝাঁকি দেয় মাধবীকে। সঙ্গে সঙ্গে মাধবী চোখ খোলে। মাধবীর চোখ দেখে আরিয়ান আতঁকে উঠে। লালচে চোখদুটোয় চাঁদের আলোয় দেখা যাচ্ছে অশ্রু ঝরতে। এক অপরূপ সুন্দরী রমণী রাতের আঁধারে বসে কান্না করছে। কি ভয়ংকর দৃশ্য। আরিয়ান মাধবীর হাতটা ধরে। সাথে সাথে মাধবী হাতটা ঝাড়ি দিয়ে ফেলে দেয়। আরিয়ান অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে “কি হয়েছে মধু?”
মাধবী অস্ফুট স্বরে আওরায় “আমার আব্বাকে এনে দিন”
এই রাতের বেলায় হঠাৎই মাধবীর এমন আবদারে আরিয়ান কিংকর্তব্যবিমুঢ়। সে আবারও জিজ্ঞেস করে,
“মধু কি হয়েছে?কেন এমন করছিস?ফুফা তোর সামনে মারা গেছে। ভূলে গেছিস!”
“নাহ। না আমার আব্বাকে এনে দিন। কিচ্ছু হয়নি আমার আব্বার। বেঁচে আছে সে। আমাকে একা রেখে সে কখনো যেতে পারে না। সে বেঁচে আছে”
শেষের লাইনটা অস্ফুট স্বরে বলে ঢলে পরে। আরিয়ান তাকে দু হাতে আগলে ধরে বলে “পাগল হয়ে গেছিস তুই?তুই নিজ চোখে কাফন থেকে দাফন সবটা দেখেছিস। তারপরও বলছিস ফুফা বেঁচে আছে!”
মাধবী এবার ছোট বাচ্চাদের মত ছতফট করে উঠে আরিয়ানের বাহুডোরে। দু হাতে ঠেলে সরিয়ে দেয় আরিয়ানকে। চিৎকার করে উঠে। আবার হঠাৎই শান্ত হয়ে ঢলে পরে। ছটফটিয়ে বলে “আমি দেখেছি আরিয়ান ভাই। আমি এইমাত্র দেখেছি আব্বাকে এখানে। আমি ডেকেছিও। কিন্ত আব্বা সারা দেয়নি। আমি পিছু নিয়েছিলাম। কিন্ত হোঁচট খেয়ে পরে যাই। তারপর আর আব্বাকে দেখিনি। আমি খুঁজতে চেয়েছি আরিয়ান ভাই। আমি খুঁজতে চেয়েছি। আমার পায়ের কারণে পারিনি। আপনি খুঁজে দিন না আব্বাকে ”
বলতে বলতে অঝোরে কান্না করে মেয়েটা। আরিয়ান কি করবে বুঝতে পারে না। মাধবীকে বড্ড অস্বাভাবিক লাগছে। তার উপর এত রাত হয়ে গেছে। এই জঙ্গল থেকে বেরোনোর রাস্তাও তার জানা নেই। সে মাধবী কে বোঝানোর চেষ্টা করে “হয়তো তোর মনের ভূল মধু। যে মারা যায় সে আর কখনও ফিরে আসে না। তোর মাথায় সবসময় এগুলো চলে তাই তুই এসব দেখেছিস। কিচ্ছু হয়নি এরকম। যে বোঝে না তাকে বোঝানো যায় কিন্ত যে বোঝে তাকে কখনও বোঝানো যায় না। তুই বুঝে শুনে এরকম পাগলামি করছিস মধু”
“আমি পাগলামি করছি না। আমি নিজ চোখে দেখেছি”
“নিজ চোখে তো তুই তাদের দাফন ও দেখেছিস”
মাধবী দমে যায়। সে কোনটা বিশ্বাস করবে। একটু আগের ঘটে যাওয়া ঘটনাটা না দু বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনা। একের পর এক ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো মাধবীর মনে তীব্র কৌতুহল সৃষ্টি করে। সব মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে তার। সে আর একটা কথাও বলতে পারে না। আরিয়ান কিছুক্ষন অপেক্ষা করে যেন মাধবী নিজেকে কিছুটা স্বাভাবিক করতে পারে। মাধবীর পা দুটো নিজের উঁরুর উপর রাখতে রাখতে বলে
“দেখি পায়ে কি হয়েছে”
“ছুঁবেন না আমায়”
আরিয়ান মুচকি হাসলো। পাশের ঝোপ থেকে ঔষধী পাতা এনে চটকে পায়ে লাগিয়ে দিতে দিতে বলে,
“কেন ছুঁলে কি হবে?”
“বিয়ের আগে আপনি আমার জন্য হারাম। আপনার সাথে চলাফেরাতেও গুনাহ হচ্ছে আমার। কিন্ত কিছু করার নেই। তাই আপনাকে সাথে রাখি। বিয়ের আগে কখনো আমাকে ছুঁবেন না”
আরিয়ান মাধবীর স্বাভাবিক হয়েছে ভেবে ঠোঁট কামরে হেসে বলে “বিয়ে কে করছে তোকে?”
মাধবী ভ্রু কুচকে তাকায় “কি মনে হচ্ছে আপনার?আপনার সাথে এমনি এমনি কথা বলছি?আপনি….
কথা শেষ করার আগেই সহসা এক আলোচ্ছটা এসে পরে দুজনের উপর। হাড়িকেনের তীব্র আলোয় দুজনেই চোখমুখ কুচকে নেয়। একদল লোক হাড়িকেন হাতে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে এদিকেই আসছে।
“জঙ্গলের মধ্যে কেডা কথা কয়। কোন ছাওয়ালরা রাইতের বেলা জঙ্গলে আইছোস নষ্টামি করতে। বাইর হো চিপা থেইকা। তগো চাঁন মুখটা দেহি”
এরকম একের পর পর এক হাঁক ছাড়তে ছাড়তে তারা এগিয়ে আসছে।
মাধবী আতঁকে উঠে বলে “এরা কারা আরিয়ান ভাই?”
মাধবীর আতঁকে উঠা দেখে আরিয়ান অবাক হয়। এই মেয়ে তো এরকম করার মেয়ে না। তবুও উত্তর দেয়,
“খুব সম্ভবত এরা মৌয়াল। রাতে মধু চাঁক ভাঙতে আসে জঙ্গলে”
“আরে এখান থেকে চলুন। আমাদের এভাবে এখানে দেখলে খারাপ ভাববে”
এরমধ্যেই ওরা সামনে এগিয়ে এসেছে। ওদের একপলক দেখে আরিয়ান মাধবীর দিকে তাকায়।চেঁচিয়ে বলে,
“পরীর বাচ্চা তোকে নিষেধ করেছিলাম সাদা শাড়ি পরতে। এখন কুয়াশা পরে ভিজে যা তা অবস্থা। আগে শাড়ি ঠিক করে গায়ে চাঁদর দে”
মাধবী চাঁদর গায়ে দিতে ওরা আরিয়ানের কাছে এগিয়ে আসে।পা থেকে মাথা পর্যন্ত দুজনকে একবার পরখ করে বলে,
“কিরে বেটা এই রাইতের বেলা জঙ্গলে আইছোস মঙ্গল করবার লেইগ্গা? তোগো মতন নষ্ট পোলাপানগো লাইগা সমাজ ডা আইজ শেষ”
মাধবী মুখটা ঢেকে এগিয়ে আসে। ওদের সামনে দাঁড়িয়ে বলে “খবরদার আর একটা উল্টো পাল্টা কথা বললে আপনি যে আমার বড় সেটা আমি ভুলে যাবো”
লোকগুলো খেঁকিয়ে উঠে “আরে মাইয়ার দি আবার তেজ আছে। লাংগের লগে দোষ করবা কইলে আবার বড় বড় কথা। এই এডিরে ধইরা জমিদারের কাছে নিয়া চল”
এবার আরিয়ান মুখ খোলে “আর একটা খারাপ কথা যদি ওর উদ্দেশ্যে বলিস তাহলে ভালো হবে না”
লোকগুলো কিছু বলতে যাবে তার আগেই মাধবী হাত উঠিয়ে থামিয়ে দেয়। এমনভাবে হাতটা উঠিয়েছে যে ওরা থামতে বাধ্য হয়। যেন মেয়েটার আদেশেই থামতে বাধ্য ওরা। তাদের মধ্য থেকে একজন লোক এগিয়ে আসে।উনি চালাক প্রকৃতির লোক। ওনার মনে হলো এটা কোন সাধারণ মেয়ে না। কোন সাধারণ মেয়ে হলে এতক্ষনে ধরা পরে কান্না করতো। ক্ষমা চাইতো,
আহাজারি করতো। তাই তিনি সন্দেহের বসে এগিয়ে এসে প্রশ্ন করেন “এই মাইয়া তোমার বাপের নাম কি?এই পোলা কেডা?আর বাড়ি কই তোমাগো?”
মাধবী এক পেশে হেসে বলে “আমার বাপের পরিচয়ে পরিচিত হতে হয় না। আমি ময়মনসিংহের রাণী মা আর ওনি সেনাপতি”
কথাটা যেন বজ্রাঘাত ফেলে। মুহুর্তেই সকলে দু পা পিছিয়ে যায়। আরিয়ান এসে মাধবীর সামনে দাঁড়িয়ে বলে “জঙ্গল থেকে বেরোনোর রাস্তা কোন দিকে?”
সকলে কিছুক্ষন চুপ থাকে। তারপর একজন এগিয়ে আসে। তিনি জমিদার কাশেমের বাড়িতে থেকে কাজ করে। দুই গ্রামের মধ্যে এমনিতেই শত্রুতা। এখন যদি সে গিয়ে জমিদার কাশেমের কানে এই কথাটা তুলে দিতে পারে তাহলেই পুরষ্কার পাবে। একদম তাজা খবর ময়মনসিংহ রাজ্যের রাণী ও সেনাপতি রাতে আধারে হাতে নাতে ধরা পরেছে। এসব ভেবে লোকটা এগিয়ে এসে বলে “তা মানলাম আপনি ময়মনসিংহের রাণী মা।কিন্ত এই রাইতের বেলা জঙ্গলের মধ্যে কি সেনাপতির লগে রাজ্যের ব্যাপারে আলাপ করতে আইছেন?”
লোকটার ইঙ্গিত সূচক কথাটা বুঝতে পেরে মাধবী এগিয়ে এসে বলে “নিজের মন মানসিকতা আগে ভালো করুন। পরে না হয় আপনাকে বলছি আমরা কেন এসেছি জঙ্গলে”
লোকটা কিছুক্ষন চুপ থাকে। কিন্ত দমে যায় না।
“সে যাই করতে আসেন। এভাবে রাতের বেলায় আমাগো গেরামে দুইটা যুবক যুবতী একসাথে আছে এটা ভালো চোখে দেখা হয় না। আপনাগো আমরা ছাইড়া দিতে পারমু না। জমিদার সাহেবের কাছে যাওন লাগবো আমাগো লগে”
মাধবী একটা হাই তুলে বললো “চলেন দেখে আসি একবার আপনাদের জমিদার সাহেব কে। এমনিতেও রাত হয়েছে। ঘুমাতে হবে”
মাধবীকে এরকম নির্বিকার ভঙ্গিতে দেখে সকলেই অবাক হলো। কিভাবে একটা মানুষ শত্রুর বাড়িতে গিয়ে ঘুমানোর কথা ভাবতে পারে। পরক্ষণেই ভাবলো এই মেয়ের দ্বারা এমন কিছু নেই যা সম্ভব না। তারাও মাধবীর সমস্ত রেকর্ড জানে। তার মধ্যে এটাতো কিছুই না।
আরিয়ান নিজেও অবাক হয়ে এগিয়ে আসে “এই মধু?তুই নিজে কি বলছিস খেয়াল আছে?তুই জমিদার কাশেমের বাড়িতে কেন যেতে চাইছিস?”
“ইচ্ছে হলো। একবার দেখে তো আসতে হবে এতবছর যাবৎ কার সাথে আমার বাপ চাচাদের শত্রুতা আছে।
দেখতে হবে না?যার সাথে শত্রুতা তার কি আদেও যোগ্যতা আছে আমার শত্রু হওয়ার”
কথাটা দিয়ে যে একদম ঠান্ডা মাথায় জমিদার কাশেমকে অপমান করে দিলো তা বুঝতে কারো একটুও সময় লাগলো না। কিন্ত তারা গ্রামের সাধারণ মানুষ হওয়ায় রাণী মায়ের সাথে আর বারতি কথা বললো না।
আরিয়ান কিছু বলতে যাবে তার আগেই মাধবী বলে “চুপপপপ।আমি যা বলেছি তাই হবে।আপনি যাবেন?না গেলে আমি একাই যাবো। যান । আমার ঘোড়াটা ওদিক থেকে নিয়ে আসুন”
আরিয়ান বিরবির করে কপাল চাপরায় “আহ।কি হুকুম দেয়।যেন আমি তার গোলাম”
“এই যে গোলামের পুত।হুকুম না মানতে পারলে…..থাক সবার সামনে আর বললাম না।আর হ্যা আপনি গোলামই”
বলে একটা মুচকি হাসি দেয়। শাড়ির আচঁলের নিচ থেকে তার সেই ভূবন ভোলানো হাসি কেউ না দেখলেও আরিয়ান ঠিকই অনুভব করে। মেয়েটার কান ভীষণ পাতলা। কোন আওয়াজই যেন তার কান এরিয়ে যেতে পারে না।
“আপনার জন্য গোলাম হওয়াই যায়” বলতে বলতে আরিয়ান নিজের ঘোড়া আর মাধবীর ঘোড়াটা নিয়ে আসে। দুজনে ঘোড়ায় উঠে বসে। আর এতক্ষন তাদের তামাশা দেখা লোকগুলো ঘোড়াগুলোর সামনে হাঁটা ধরে।
প্রায় আধঘন্টার মধ্যেই তারা প্রাসাদের সামনে থামে। মাঝারি সাইজের একটা প্রাসাদ। তবে পরিপাটি করে সাজানো। মাধবী কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থেকে ভাবলো তাদের বিদ্ধস্ত পরে থাকা রাজবাড়ির কথা। এই বাড়ির মত তো তাদের বাড়িও এরসময় জাকজমক থাকতো। পুরো বাড়ির মশালগুলোর আলোকিত দৃশ্য মাধবীর মনে একটা ক্ষুদ্র আঘাত হানে।
তাদের অতিথি শালয় বসতে দিয়ে এই গ্রামের সেনাপতি বলে “আপনারা বসুন।আমি জমিদার কাশেম চৌধুরীকে খবর পাঠাচ্ছি”
মাধবী ঠোঁট উল্টে লম্বা শ্বাস নিয়ে বলে “এরাও চৌধুরী?বাহ চৌধুরী চৌধুরী লড়াই। ব্যাপারটা সুন্দর ”
“মধুর বাচ্চা তোর মুখটা বন্ধ রাখ। কি রাণী মা হয়েছিস? শত্রুপক্ষের বংশের নাম জানিস না?”
“উফফফ আরিয়ান ভাই। শত্রুদের ভাগ্য এতো ভালো রাখতে নেই যে আমি তাদের বংশের নাম পর্যন্ত মনে রাখবো”
তারপর সেনাপতির দিকে তাকিয়ে বলে “যান আপনাদের গন্য মান্য জঘন্য জমিদার চৌধুরীকে সুদুসংবাদ টা দিয়ে আসুন”
তুই আমার ৭ মিনিট পর্ব ১৯
সেনাপতি কেশে উঠে। কি কথার ছিড়ি। তিনি ততক্ষনাৎ সালাম দিয়ে সেখান থেকে বিদায় নেয়।
সেনাপতি যেতেই আরিয়ান বলে “এই সুদুংবাদ মানে টা কি?”
“গন্য মান্য জঘন্য জমিদার চৌধুরীর জন্য তো এটা সুখবরের সাথে দুঃসংবাদই। তাই সংক্ষেপে বললাম সুদুসংবাদ ”
আরিয়াও তার মত করেই বলে “তোর মত দুসুশিক্ষিত মানুষ দুনিয়ায় কমই আছে”
