Home হাওয়াই মিঠাই হাওয়াই মিঠাই পর্ব ৩৬

হাওয়াই মিঠাই পর্ব ৩৬

হাওয়াই মিঠাই পর্ব ৩৬
তামান্না ইসলাম শিমলা

“সূচনাতেই যদি এত বিপত্তি তবে বাকি জীবনটা রইব কেমন করে? এখনো যে নিজেকেই দোষী মনে হচ্ছে, সত্যি কি আমি অপয়া?”
তেহরাবের বুকে মাথা রেখে বসে আছে তনয়া,তার যে কিছুই ভালো লাগছে না। সব কিছুই কি তার জন্য হচ্ছে?
তেহরাবের নড়াচড়ার আচ পেয়ে তনয়া মাথা তুলে তাকাল তার দিকে, চোখ টিপটিপ করছে তেহরাব।
তনয়া তেহরাবের হাতটা ধরলো আলতো করে, এক মূহুর্ত তাকে ছাড়তে ইচ্ছে করছে না।
এমন সময় সেই নার্সটি আসল, সোজা তেহরাবের কাছে এসে সোলাইনটা বদলে দিল।
“উনার ঘুম ভেঙে গিয়েছে, কথা বেশি বলতে দিয়েন না।”
নার্সের কথায় তনয়া মাথা নাড়ে, নার্সটি মুচকি হেসে প্রস্থান করে। তেহরাব হাত মোচড়ামুচড়ি করছে, বুকে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করছে।
আবছা দৃষ্টিতে তনয়ার মুখশ্রী দৃশ্যমান হতেই যেন সব ব্যথা নির্মুল হয়ে হয়ে গেল, অত্যন্ত ধীর কন্ঠে বলল,

“তনয়া।”
আজ দুটি দিন পর তেহরাবের কন্ঠে নিজের নামটা শুনতে পারল তনয়া, চোখ জোড়া অশ্রুশিক্ত হয়ে উঠলো। তেহরাব নিচের চোখ মুখ কুঁচকাল, এই মেয়ে কাঁদছে কেন? সে তো এখন সুস্থ!
“এই দেখ কাঁদিস না, আহহ।”
তনয়া চমকায়,
“ কি হলো?”
তেহরাব দ্রুত নিজের বুকে হাত রাখল, কথা বলতে গেলে বুকে চাপ লাগে। ইশ কি ঝামেলা, বিরক্ত লাগছে তার এসব।
“কথা বলতে হবে না, চুপ করে শুয়ে থাকুন। আমি সবাইকে বলছি আপনার সাথে দেখা করে যাবে।!”
এই বলে তনয়া উঠতে নেয়, তবে পা বাড়ানোর আগেই তেহরাব তনয়ার হাতটা ধরে ফেলে। তনয়া পিছন ঘুরে তার মুখের দিকে তাকায়, তেহরাব চোখের ইশারায় তনয়াকে বসতে বলে। তনয়া কিছু না বলে বসে পরে, তেহরাব ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণ করে তনয়াকে।
এমনিতেই শরীরে কিচ্ছু নেই, তার উপর এই দুদিনে একদম অবস্থা খারাপ। তেহরাবের চোয়াল শক্ত হলো,

“ কি অবস্থা করেছিস নিজের? তোকে চেনাই যাচ্ছে না, চোখ দুটো গর্তে চলে গিয়েছে।”
তনয়া মাথা নিচু করে রাখে, জবাব দেয় না কিছুর। তেহরাব ধীরে ধীরে নিজের হাত নিয়ে যায় তনয়ার গালে, আলতো ভাবে স্পর্শ করে বলে,
“ কি ভেবেছিলি মরে যাব? এত সহজে তোকে মুক্ত করে দেব? হুহ কখনোই না!”
তনয়া ছলছল নয়নে তাকায়, এমন একটা সময়েও লোকটা এসব বলছে!
“আমি চাইও না মুক্তি, সারাজীবন বন্দি করে রাখলেও মুক্তি চাইব না!”
তেহরাব মৃদু হাসে,
“এত ভালোবাসিস? “
তনয়া তেহরাবের বুকে মাথা রাখে, তেহরাব এক হাতে জড়িয়ে নেয় তাকে।

“অনেক বেশি, নিজের থেকেও বেশি।”
“এত কেন ভালোবাসিস? আমি মরে গেলে কি হতো?”
তনয়া তাকায় তেহরাবের চোখের দিকে,
“আমিও মরে যেতাম, আপনি ছাড়া কে আছে এই তনয়ার?”
শব্দ করে হেঁসে উঠে তেহরাব, তনয়া ভ্রু কুঁচকায়,
“আমার কথায় আমাকে ফিরিয়ে দিচ্ছিস?”
তনয়াও মৃদু হাসে,
“জানিস একটা মুহুর্তের জন্য ভেবেছিলাম আমার সময় বোধহয় শেষ, শেষ বারের মতো তোকে দেখতেও পারব না।”
তনয়া চট করে উঠে বসল,

“আচ্ছা এসব কি করে হলো? কে বা কেন আপনাকে আক্রমণ করল?”
তেহরাব চোখ ফিরিয়ে নেয়, গম্ভীর মুখে বলে,
“সেসব তোকে ভাবতে হবে না, এখন বল খেয়েছিস দুপুরে?”
তনয়া বুঝলো তেহরাব কথা ঘুরাচ্ছে,
“আমাকেই ভাবতে হবে, আমার অধিকার আছে জানার। আপনার কিছু হয়ে গেলে কি হতো আমার?”
তেহরাব হায় তুলতে তুলতে বলল,
“কি হতো আবার? শিহাবকে বিয়ে করে নিতি।!”
তনয়ার ভেতরটা জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে, কি ধরনের কথা বার্তা এসব? লোকটা কি তাকে একটুও বুঝতে পারছে না, রাগে কষ্টে কান্না পাচ্ছে তার। কিছু না বলে উঠ দাঁড়ায়,
“আমার সাথে আর কোনো কথা বলবেন না।”
বলেই বেরিয়ে যেতে নেয়, তেহরাব বুকে হাত দিয়ে বলে উঠে,

“ইশ ব্যথা করছে।!”
তনয়া থেমে যায়, আবারো দৌড়ে আসে,
“কি হলো? নার্সকে ডাকব?”
তেহরাব অসহায় ব্যথাতুর দৃষ্টিতে তনয়ার দিকে তাকিয়ে বলল,
“তুই আছিস তো।”
তনয়াও তাকিয়ে থাকে তেহরাবের দিকে, এই ছেলে কি এই জন্মে সিরিয়াস হবে না?
“আসব?”
কারো কন্ঠ পেয়ে পেছনে তাকায় তনয়া, ইরা দাঁড়িয়ে আছে দরজার সামনে,
“আসুন না, বাবা মা কোথায়? উনার জ্ঞান ফিরেছে, সবাইকে আসতর বলুন।”
ইরা মাথা উপর নিচ দুলিয়ে সবাইকে নিয়ে আসে। একে একে সবাই এসে দেখে যাচ্ছে তাকে, টুকটাক কথা বলছে। সবার শেষে আসল তানিয়া, তাকে দেখেই বিরক্তিতে চোখ মুখ কুঁচকে নিল তেহরাব,

“এখন ভালো লাগছে তো বাবা?”
তানিয়ার কথায় তেহরাব গম্ভীরমুখেই মাথা নাড়ল, বিষয়টা লক্ষ্য করল তনয়া।
“ আল্লাহ এত বড় একটি বিপদ থেকে বাচাঁলো, তারাতারি সুস্থ করে দেক।”
তেহরাব জবাব দিল না, সবাই চলে গেলেও রয়ে গেল তাসলিমা আর তনয়া।
“রাতে বরং আমি থাকি, এ দুদিন তো তোর ঘুম হয়নি। এভাবে চললে তো তোরও শরীর খারাপ করবে।”
তনয়া তৎক্ষনাৎ জবাব দেয়,
“নাহ মা আমিই থাকব, আপনি বাড়ি যান। আসি ঠিক আছি!”
তাসলিমা আরো কিছু বলতে উদ্যত হলে তেহরাব বলে,
“ছিঃ মা ছিঃ, এত বছর পর তোমার ছেলে তার বউকে কাছে পাচ্ছে আর তুমি জি বাংলার মায়েদের মতো আমার বউকে আলাদা করে দিচ্ছো?”
ছেলের কথা শুনে আহাম্মকের মতো তাকিয়ে থাকে তাসলিমা, তার পেট থেকে এই ছেলে জন্মেছে? আসলেই? নাকি কোনো ক্রমে বাচ্চা অদল বদল হয়ে গিয়েছিল,কে জানে!

“তুই আর ভালো হলি না।”
তেহরাব হাসে,
“আমি তো ভালোই, আমার মতো ভদ্র ছেলে আছে নাকি দুটো? “
তাসলিমা দীর্ঘশ্বাস ফেলে,
“হ্যাঁ তাই তো এই অবস্থা, একবার সুস্থ হয়ে ফের, সব হিসাব নেব।”
গম্ভীর কন্ঠে কথা গুলো বলেই গটগট করে চলে যায় তাসলিমা। তেহরাব চোখ বন্ধ করে নেয়, শরীর প্রচুর দুর্বল। তনয়াও বাইরে চলে যায়, সবাই চলে যাবে। নয়টার পর কারো থাকার অনুমতি নেই!
সবাইকে বিদায় দিয়ে তনয়া ফিরে আসে তেহরাবের কেবিনে, চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে সে। ইউসুফ খাবার কিনে দিয়ে গিয়েছে তবে খেতে ইচ্ছে করছে না তনয়া, তনয়া বসল তেহরাবের সামনে।
“ঘুমিয়ে গিয়েছেন?’
তেহরাব চোখ খুলল, চোখ মুখ কুঁচকে বলল,

“ছাগল নিয়ে পোষায় নি বউ, এবার শাশুমার রেড হাম্বাটাই নিতে হবে দেখছি।”
তনয়া ভ্রু কুঁচকাল,
“মানে? কি বলছেন?”
তেহরাব হাত নেড়ে নেড়ে কিছু একটা বিড়বিড় করছে, কিছু সময় পর তনয়ার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর কন্ঠে বলল।
“তোর স্টার জলসার মাকে বলবি রেড কালার গরুটা আমি কুরবানী দেব, এক ছাগলে তার শিক্ষা হয়নি।”
তনয়া অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল তেহরাবের দিকে, এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েও লোকটার বাজে বকা বন্ধ হচ্ছে না!
“এতক্ষন ঘুমিয়ে ছিলেন দিব্বি ছিলেন, উঠেই কিসব বলা শুরু করেছেন।”
তেহরাব রাগী লুক নিয়ে তাকায় তনয়ার দিকে, ধমকের সুরে বলে,
“চুপ,এত কথা বলিস কেন? এত বছর পর আমার জ্ঞান ফিরল, কোথায় তুই জড়িয়ে ধরে বলবি ” ওগো তুমি ফিরেছো, এতেই আমি ধন্য।” তা না উল্টো বলছে ঘুমিয়েই ভালো ছিলাম।”
তনয়া হতভম্ব, কে বলবে এই লোকটা গত রাতেও সিসিইউতে ছিল? এই পাগলকে নিয়ে কই যাব আমি? নিজের প্রশ্নে নিজেই উত্তর খুঁজতে লাগল, নাহ কোনো জবাব নেয়।

“আপনি আসলেই পাগল।”
তেহরাব হায় তুলতে তুলতে বলল,
“হ্যাঁ শুধু তোর জন্য, গুড নাইট!”
তনয়া দীর্ঘশ্বাস ফেলল, আসলে তেহরাবকে ওষুধ দেওয়া হয়েছে তাই ঘুম পাচ্ছে তার।তনয়া দরজা চাপিয়ে পাশের বেডে শুয়ে পরল, তার ঘুম আসছে না। যতদিন না পর্যন্ত সবটা বলতে পারবে ততদিন পর্যন্ত শান্তিতে ঘুমাতেও পারবে না সে!

কেটে গিয়েছে আরো দশটি দিন, তেহরাব এখন অনেকটা সুস্থ। বলতে গেলে আল্লাহর রহমত ও তনয়ার সেবায়, রাতদিন খেটেছে মেয়েটা। মাঝে মাঝে তেহরাব অবাক হতো এই মেয়ের অস্থিরতা দেখে, যে কিনা একটা সময় তাকে এড়িয়ে যেত, দেখলেই ভয় পেত সেই মেয়ে এখন তার বিন্দু পরিমাণ কষ্টেই উতলা হয়ে উঠে!
আজ বাড়ি ফিরেছে তেহরাব, ডাক্তার আরো কয়েকদিন অবশ্য থাকতে বলেছিল, তবে মন টানে নি তেহরাবের। তার জোরাজুরিতে না পেরে চলে আসতে হয়েছে, ডাক্তার আরো দু সপ্তাহ বেড রেস্টে থাকতে বলেছে।
ওদিকে বাড়ি এসেই কাজে লেগে পরেছে তনয়া, তেহরাবের জন্য খাবার বানাচ্ছে। তাসলিমাকে রান্নাঘরে আসতে পর্যন্ত দিচ্ছে না, তাসলিমা হাসছে মেয়ের কান্ড দেখে।
যাক তার পাগল ছেলেটাকে এই মেয়ে সত্যি অনেক বেশি ভালোবাসে, এভাবেই যেন সবসময় থাকে।
খাবার বানিয়ে সোজা চলে আসে বেডরুমে, তেহরাব আধশোয়া অবস্থায় চোখর হাত দিয়ে বসে আছে।
তনয়া খাবারটা টেবিলে রাখল, শব্দ পেয়ে চোখ খুলে তাকাল তেহরাব। তনয়া খাবার তুলে তেহরাবের মুখের কাছে ধরে, তেহরাব তাকিয়ে থাকে তনয়ার চোখের দিকে।

“তুই খেয়েছিস?”
তনয়া চোখ মুখ কুঁচকে বলে,
“সে আমি খেয়ে নেব, আপনি খান জলদি। তার পর ঘুমাবেন।”
তেহরাব কিছু বলল না, হা করল, তনয়া খাইয়ে দিল।
“এখন আমার দিক থেকে নজর সড়িয়ে নিজের দিকে তাকা, পড়াশোনা তো লাটে উঠেছে।”
“এখন আবার কীসের পড়াশোনা?”
তেহরাব আলতো করে চাপড় মারে তনয়ার মাথায়,
“মেডিকেলেও পড়তে চাস আবার বলিস কীসের পড়াশোনা? ফাহিমকে ঢাকা পাঠিয়েছি বই আনতে, আপাতত সেসব পড়তে থাক, সামনের মাস থেকে কোচিং চালু করব।”
তনয়া চমকায়, তেহরাব জানল কি করে এসব? আর এত ব্যবস্থায় বা কখন করল?
“আপনাকে এত কিছু করতে কে বলেছে?”
তেহরাব ভ্রু কুঁচকায়,

“কেন?”
তনয়া মুখ গোমড়া করে বলে,
‘আমি মেডিকেলে পড়ব না।”
তেহরাবের মুখশ্রী গম্ভীর হয়,
“পড়বি না মানে? থাপ্পড় খাবি? কি হলো হঠাৎ? “
তনয়া কিছু বলল না, মাথা নিচু করে বসে রইল।
“তনয়া, সমস্যা কি? ভম্বলের মতো বসে আছিস কেন?”
তনয়া ঠোঁট উল্টায়,
“মেডিকেলে পড়তে গেলে তো আমাকে হোস্টেলে থাকতে হবে।”
তেহরাব হায় তুলল, খাবার মুখে নিল। ভাবলেশহীন ভাবে জবাব দিল,
“ তো কি? থাকবি, না করেছি নাকি?”
তনয়া কিছু সময় তাকিয়ে রইল তেহরাবের দিকে, অতঃপর মিনমিনে গলায় বলল,
“ আপনি একা থাকতে পারবেন?”
তেহরাব কপাল কুঁচকাল, ধরে ফেলল তনয়ার কথার মানে। হাসি পাচ্ছে তার, তবে হাসি নিয়ন্ত্রণ করে গম্ভীরতা বজায় রেখে বলল,

“পারব না কেন? আগেও তো একা ছিলাম।”
তনয়া মাথা নিচু করেই বসে রইল, সে নিজেই তো থাকতে পারবে না।
“বই এনে দিচ্ছি, চুপচাপ পড়বি। বুঝলি?”
“নাহ আমি পড়ব না, এমনি ভার্সিটিতে পড়ব।”
তেহরাব তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ধমাকালো,
“একটা দিব ধরে, সমস্যা কি তোর?”
“আমি আপনাকে ছেড়ে যেতে পারব না।”
দ্রুততর জবাব তনয়ার, এবার তেহরাব শব্দ করে হেসে ফেলে। তনয়া চোখ বন্ধ করে নেই,
“তোকে যেতে দিলে তো যাবি, আগে চান্স পেয়েনে। পরে নাহয় আশে পাশে কোনো ফ্ল্যাটে উঠব।!”
তনয়া দ্বিতীয় দফায় চমকায়,
“এটা কি বলছেন, আমার জন্য আপনি নিজ বাড়ি ছাড়বেন?”
তেহরাব আবারো ভ্রু কুঁচকায়,

“বাড়ি ছাড়লাম কই? আমারো তো কিছু করতে হবে, মিলের কাজগুলো বাড়াব এবার। সিরিয়াস হতে হবে, ঢাকার দিকে সাপ্লাই বাড়াতে পারলেই হবে। এখন যা খেয়ে নে, আমি ঘুমাব। ডাক্তার গুলো কীসের যে ওষুধ দিয়েছে, ঘুমে দুনিয়া অন্ধকার।”
তনয়া আর কিছু বলে না, প্লেট নিয়ে চলে যায়। তেহরাব শুয়ে পরে, হঠাৎ কিছু একটা মনে পরতেই ফোনটা হাতে নেয়৷ কল করে নিজের বাবাকে, কল রিসিভ হয়।
“ওদিকে কি অবস্থা? “
“কেমন আর হবে? টাকা পয়সা দিয়ে বেরিয়ে আসবে,।”
তেহরাব দীর্ঘশ্বাস ফেলল,
“ভালো লাগছে না, বাংলাদেশের আইন ব্যবস্থা এত নড়বড়ে কেন? দেশটা আর দেশ নেই।”
ইউসুফ এ নিয়ে কিছু বলল না,

হাওয়াই মিঠাই পর্ব ৩৫

“যায়হোক আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, বাকিটা আল্লাহ এর হাতে।”
“হুম, আচ্ছা রাখছি।”
কল কেটে দেয় তেহরাব, ডুব দেয় সেই অতীতে। আজ থেকে সাত বছর আগে, সেখান থেকে শুরু হয়েছিল এ গল্প।৷ লেখা হয়েছিল একে একে অনেক গুলো জীবনের ভবিতব্য, কেউ পুড়েছে, কেউ পেয়েছে, কেউ আবার হেসেছে মন খুলে!

হাওয়াই মিঠাই পর্ব ৩৭