Home তোমাতেই বসন্ত তোমাতেই বসন্ত পর্ব ২৬

তোমাতেই বসন্ত পর্ব ২৬

তোমাতেই বসন্ত পর্ব ২৬
জেরিন আক্তার

প্রাণেশা এসেছে রাইসার সাথে। স্নিগ্ধকে বলে যায়নি। স্নিগ্ধ প্রাণেশা আর রাইসার যাওয়ার কথা শুনতে পেরেই সিয়ামকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লো। তার উপরে আবার বৃষ্টি। ওরা আরও আধঘন্টা খোঁজার পরে দুজনকে পেলো একটা ছাওনির নিচে। বৃষ্টি থাকার কারণে দুজনে একসাথে দাঁড়িয়ে আছে। প্রাণেশা স্নিগ্ধকে দেখে মুচকি হাসলো। স্নিগ্ধ আর সিয়াম কাছে এলো। প্রাণেশা হেসে বলল,
“কি ব্যাপার আপনারা? কোথাও যাচ্ছেন?”
স্নিগ্ধ শ্বাস ছেড়ে বলল,
“আমরা এই পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। তোমাদের দেখে এগিয়ে এলাম।”
প্রাণেশা হেসে বলল,

“ওহ আচ্ছা। ভালোই হয়েছে আমাদের দেখেছেন। এখন কি বাড়িতে যাবেন?”
স্নিগ্ধ প্রাণেশার হাতে ছাতা দিলো। এরপরে ওকে পাজা কোলে তুলে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বলল,
“আমাকে না বলে বাড়ি থেকে বের হলে কেনো? ভালোই দেখি টই টই করে ঘোরা শিখেছো। এরপরে থেকে আমার অনুমতি ছাড়া কোথাও বের হবে না।”
প্রাণেশা এই শুনে নরম কণ্ঠে স্নিগ্ধকে বলল,
“আপনি ঘুমাচ্ছিলেন তাই আর বলিনি। ভেবেছিলাম যাবো আর আসবো। কিন্তু বৃষ্টি নামায় এখানে দাড়িয়েছি। আর আপনি এমন করে বলছেন কেনো?”
স্নিগ্ধ গম্ভীর কণ্ঠে বলল,
“কিভাবে বলছি, ভালোই করেই তো বলছি।”
প্রাণেশা আর কথা বলল না। অভিমান করে রইলো। তখন রাইসা বলেছিলো একটু সামনে থেকে হেটে চলে আসবে। তাই প্রাণেশা গিয়েছিলো। এরপরে বৃষ্টিতে আটকে পড়ে গিয়েছিলো। স্নিগ্ধ যে অভিমান করে এসেছে সেটা তো প্রাণেশা জানে না।
স্নিগ্ধ বাড়ির সামনে এনে প্রাণেশাকে নামিয়ে দিলো। প্রাণেশা ভিতরে ঢুকলো। ড্রইং রুমে এসে দাড়ালো না সোজা উপরে চলে গেলো। রুমে এসে ভেজা কাপড় পাল্টাতে নতুন থ্রি-পিচ্ বের করে ওয়াশরুমে চলে গেলো।
ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে দেখলো স্নিগ্ধ বসে আছে, সে রুমেই ড্রেস চেঞ্জ করেছে।
প্রাণেশা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুলগুলো বেধে নিলো। এরপরে নিচু গলায় বলে উঠল,
“রাগ করে আছেন? সরি, এরপরে থেকে বলে যাবো।”
স্নিগ্ধ কিছুই বলল না। প্রাণেশা মিনিট দুই দাঁড়িয়ে রইলো। কিন্তু স্নিগ্ধর থেকে কোনো উত্তর না পেয়ে নিজেও রেগে গিয়ে চলে গেলো।

বেলা ১০ টার দিকে জোরে বৃষ্টি হচ্ছে। বাজও পড়ছে। সুবহা ভয়ে যুবথুবু হয়ে শুয়ে আছে। একটা করে বাজ পড়ছে আর সুবহা কেঁপে উঠছে। সৌরভ রুমে ফিরে ওকে এভাবে শুয়ে থাকতে দেখে হেসে উঠে আবার হাসি থামিয়ে বিছানায় এসে বসে বলল,
“তোমার কি হয়েছে, এমন করছো কেনো?”
সুবহা মাথা তুলে তাকিয়ে বলল,
“কিছু হয়নি। বাজ পড়ছে ভয় লাগছে।”
সৌরভ হেসে বলল
“বুঝতে পেরেছি।”
সৌরভ বিছানায় বসে হেডবোর্ডে হেলান দিলো। সুবহা ভয়ে সৌরভকে একটু ঘেঁষে শুলো। যা দেখে সৌরভের মুখে হাসি ফুটে উঠল। সৌরভ নিজেই নিজের মাথায় গাট্টা মেরে মনে মনে বলল, “সৌরভ রে তু্ই দেখি দিন দিন পাল্টে যাচ্ছিস।”

রাত ১০টা,
প্রাণেশা ব্যালকনিতে বসে তার বাবার সাথে ভিডিও কলে কথা বলছিলো। স্নিগ্ধ কোথায় থেকে যেনো গোলাপ ফুল নিয়ে এসেছে। প্রাণেশা কথা বলছিলো তখন স্নিগ্ধ ফুলগুলো কোমরের পেছনে লুকিয়ে সামনে দাঁড়ালো। প্রাণেশা স্নিগ্ধকে দেখে আরশাদ খানকে বলল,
“বাবা তোমাকে একটু পরে ফোন করছি।”
“ঠিক আছে। অনেক রাত হয়েছে শুয়ে পড়ো, কালকে কথা হবে।”
“আচ্ছা।”
আরশাদ খান কল কেটে দিতেই প্রাণেশা ফোনটা কোলের উপরে রেখে স্নিগ্ধকে বলল,
“কিছু বলবেন?”
স্নিগ্ধ ওর সামনে হাটু গেরে বসে ফুলগুলো দিয়ে বলল,
“সরি।”
প্রাণেশা ফুলগুলো নিয়ে হেসে বলল,

“ফুলগুলো এনে আবার সরি বলছেন কেনো?”
“সকালে তোমার সাথে রেগে কথা বলেছিলাম। জানি তুমি রাগ করে আছো কিন্তু বুঝতে দাওনি।”
প্রাণেশা হেসে সে কথা উড়িয়ে দিয়ে বলল,
“আরে আমি রাগ করে নেই। উঠুন। আমি রাগ করিনি।”
স্নিগ্ধ প্রাণেশার কোলে মাথা রেখে বলল,
“আসলে যখন শুনলাম রাইসা তোমাকে নিয়ে গিয়েছে তখনই চিন্তায় ছিলাম। কারণ ও গ্রামের রাস্তা চিনতো না। যদি পথ ভুলে যেতে দুজনে তখন!”
প্রাণেশা ওর চুলে হাত বুলিয়ে দিয়ে বলল,
“কিচ্ছু হবে না, বাদ দিন। আর এই ফুলগুলো আনলেন কোথায় থেকে?”
স্নিগ্ধ হেসে বলল,
“হিমিকে গিয়ে বলেছি তোর ভাবি রাগ করেছে ও তখনই ওর বাগানে থেকে ফুল এনে দিয়েছে।”
প্রাণেশা স্নিগ্ধর কপালে চুমু দিয়ে বলল,

“থ্যাংক ইউ।”
প্রাণেশা কিছু একটা মনে করে সেখানে থেকে কয়েকটা গোলাপ নিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলল,
“আপনি একটু থাকুন আসছি।”
“কোথায় যাবে?”
“এসে বলছি।”
প্রাণেশা কয়েকটা ফুল নিয়ে চলে গেলো। উদ্দেশ্য এগুলো সৌরভকে দেওয়া। প্রাণেশা সৌরভকে খুঁজতে খুঁজতে ড্রইং রুমে এসে ওকে পেলো। বসে কফি খাচ্ছে।
প্রাণেশা সেখানে বসলো। সৌরভের কফি খাওয়া শেষ হলে প্রাণেশা ফুলগুলো ভাইয়ের হাতে দিলো। সৌরভ কপাল কুঁচকে বলল,
“কি করবো এগুলো দিয়ে?”
প্রাণেশা বলল,
“তুমি তো রুমেই যাচ্ছো এগুলো সুবহাকে দিও। আমিই দিতে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ভালো লাগছে না, রুমে গিয়ে শুয়ে পড়বো। তুমি দিয়ে দিও।”

সৌরভ অবাক চোখে তাকিয়ে রইলো। প্রাণেশা উঠে চলে গেলো। কেননা থাকলেই বলবে তু্ই দিয়ে আয়। কিন্তু প্রাণেশা নিজে দিতে চায় না। সৌরভকেই দিতে হবে। এতে যদি তার ভাইয়ের মধ্যে একটু ভালোবাসা আবির্ভাব হয়।
সৌরভ ফুলগুলো নিয়ে শ্বাস ছেড়ে উঠে দাড়ালো। একেকসময় প্রাণেশার কথা, কাজ কিচ্ছু বোঝে না। সারাক্ষন উড়নচন্ডী হয়ে ঘুরে বেড়ায়। সৌরভ সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে মনে মনে ভাবলো, ফুলগুলো নিয়ে গেলে কি সুবহা ভাববে যে এগুলো আমি নিয়ে এসেছি। কিজানি ভাবতেও পারে।
সৌরভ রুমে ফিরে দরজা লাগিয়ে দিলো। সুবহা ব্যালকনি থেকে ফিরে, ব্যালকনির দরজা লাগিয়ে সৌরভের দিকে তাকালো। সৌরভের হাতে ফুল দেখে সুবহার মুখে হাসি ফুটে উঠল। ও এগিয়ে এসে নিজেই ফুলগুলো নিয়ে বলল,

“আমার জন্য এনেছেন?”
সৌরভ বলল,
“ওই তোমার বান্ধবী ফুলগুলো দিলো আমার কাছে। তোমাকে দিতে বলল। তুমি নাকি চেয়েছিলে?”
সুবহা কপাল কুঁচকে ভাবলো, ও আবার কখন ফুল চাইলো?
সৌরভ সাইড টেবিলে ফোনটা রেখে ওয়াশরুমে চলে গেলো। সুবহা মনে মনে বলল,
“সে যে সুবাদেই ফুল এনে থাক, আমাকে যে নিজের হাত দিয়ে দিয়েছে এই অনেক।”
সৌরভের কল আসে। সুবহা সেদিকে খেয়াল করলো না। আবারও যখন কল এলো তখন ফোনটা হাতে নিয়ে দেখলো সাব্বির কল দিয়েছে। ও ফোনটা হাতে নিয়ে ওয়াশরুমের সামনে গিয়ে বলল,
“আপনার কল এসেছে।”
সৌরভ শুনেও তাড়াহুড়ো করলো না। ও জানেই এখন সাব্বিরই কল দিবে।
এদিকে কল রিং বেজে কেটে গেলো। সুবহা ফোনটা বিছানায় রাখতে গিয়ে ওয়ালপেপার দেখলো। সেখানে সৌরভের একটা পিকচার দেখে মুচকি হাসলো। তখন আবারও সাব্বির কল দেয়। সুবহা রিসিভ করলো,
“সৌরভ কিরে কল ধরিস না কেন? কখন থেকে কল দিচ্ছি? নাকি বউয়ের সাথে থেকে থেকে প্রেমিক হলি?”
সুবহা গম্ভীর কণ্ঠে বলল,

“হলেও তাতে কি?”
সাব্বির বলল,
“ও সুবহা তুমি কল ধরেছো?”
“কিসের সুবহা ভাবি বলুন! এখন আর আগের সম্পর্ক নেই। আমি আপনার বড় ভাইয়ের বউ।”
“ওহ, ভুলেই গিয়েছিলাম। তো ভাবি ভাই কোথায়?”
“ওয়াশরুমে।”
“এলে একটু কল দিতে বলবেন। কথা আছে।”
“কি কথা আমাকে বলুন।”
“ওই ভাবছিলাম একটা ট্যুরে যাবো।”
সুবহা তপ্ত শ্বাস ছেড়ে বলল,
“বুঝেছি এই আপনার সাথে থেকে থেকে উনি এমন হয়েছে। বাড়িতে থাকতেই চায়না।”
সাব্বির ফোঁস করে শ্বাস ছেড়ে বলল,
“আমার সাথে না ভাবি।”
“আপনার সাথেই। আপনাকে চেনা হয়ে গিয়েছে। নিশ্চই আপনিই উনার মাথায় লন্ডনে যাওয়ার ভূতটা ঢুকিয়েছেন।”
সাব্বির মাথা নাড়িয়ে বলল,

“আমি কেনো তার মাথায় লন্ডনের যাওয়ার ভূত ঢোকাতে যাবো? আপনি আপনার হাসব্যান্ডকে জিজ্ঞাসা করুন। আমার মনে হয়কি সে লন্ডনে গিয়ে প্রেম করে এসেছে। সেই মেয়ের টানেই বারবার যেতে চাইছে। আপনি ভেবে দেখুন ভালো করে।”
সুবহা ওর সাথে এই নিয়ে কথা বলে মনটা খারাপ করে ফোন রেখে দিলো। সৌরভ ওয়াশরুম থেকে বেরোলো। হাত-মুখ মুছে, শার্ট খুলে টিশার্ট পড়ে বিছানায় এলো।সুবহা শুয়ে পড়েছে। সৌরভ জিজ্ঞাসা করলো,
“কি বললে সাব্বিরকে?”
সুবহার ছোট্ট উত্তর,
“জানি না।”
সুবহা মন খারাপ করে শুয়ে আছে। সৌরভ ফোন স্ক্রল করছে। সাব্বির মেসেজ দিয়েছে,
“ভাই তোর বউ মানে ভাবি বলল আমার সাথে থেকে থেকে তু্ই এমন হয়েছিস। এরপরে বলল আমিই নাকি তোকে লন্ডনে যেতে বলেছি। পরে বললাম ভাবি সৌরভের হয়তো লন্ডনে গার্লফ্রেন্ড ছিলো তাই সেখানে যাওয়ার জন্য এতো ছটফট করে।”
সৌরভ দাঁত চেপে লিখলো,

“শালা তু্ই আবার কি ঝামেলা করিস? এসব আবার বলতে হবে কেনো?”
সুবহা একটু পরে উঠে বসে মোলায়েম কণ্ঠে সৌরভকে বলল,
“একটা কথা জিজ্ঞাসা করি।”
“করো।”
সুবহা ঢোক গিলে বলল,
“আপনার গার্লফ্রেন্ড ছিলো লন্ডনে?”
সৌরভ কয়েক সেকেন্ড ভাবলো বিষয়টা। যদি বলে হ্যা গার্লফ্রেন্ড ছিলো তখন সুবহার রিঅ্যাকশন কি হবে? ও কি স্বাভাবিক থাকবে? নাকি কাঁদবে? নাকি কিছু বলবে।
সৌরভ মাথা নাড়িয়ে বলল,
“থাকতেও তো পারে।”
সুবহা আরেকটু এগিয়ে এসে বলল,
“থাকতে পারে মানে? ছিলো কিনা সেটা বলেন?”
সৌরভ দোটানায় পড়ে গেলো। উত্তর দিতে গিয়েও বুকটা ধড়ফড়ও করছে, কি উত্তর দিবে?
সুবহা ভালো করে বসে বলল,

“তার ছবি দেখান।”
“ছবি নেই।”
“নেই মানে?”
“নেই।”
সুবহা হেসে বলল,
“তার মানে গার্লফ্রেন্ড নেই?”
সৌরভ মাথা নাড়িয়ে বলল,
“না নেই। আর থাকলে কি তোমাকে বিয়ে করতাম। তোমার আগেই তাকে বিয়ে করতাম।”
সুবহা তো খুশিতে সৌরভকে জড়িয়ে ধরতে যাবে ঠিক তখন মনে পড়লো, না এটা করা যাবে না।
অতঃপর, ও খুশি মনে শুয়ে পড়লো। সৌরভ হাফ ছেড়ে ফোন নিয়ে বিছানায় থেকে নেমে চলে গেলো ব্যালকনিতে।
পরেরদিন ভোরটা একটু অন্যরকম। কোনো বৃষ্টি নেই। সকাল সকাল রোদ উঠেছে। গ্রামের পরিবেশটা আরও সুন্দর লাগছে।
স্নিগ্ধরা আজই ফিরে যাবে। সকাল বেলাই বাড়িতে হৈচৈ বেধে গিয়েছে। সবাই ব্যাগ গুছিয়ে নিচ্ছে। বেলা ১০ টা কি ১১টার দিকে বেরিয়ে যাবে।
স্নিগ্ধ লাগেজ গুছাচ্ছে। প্রাণেশা সেই সকালে রুম থেকে বেরিয়ে নিচে গিয়েছে সবাই ওকে আটকে রেখেছে। মনে হচ্ছে প্রাণেশাকে আর যেতেই দিবে না।
স্নিগ্ধ লাগেজ গুছিয়ে নিচে এলো।
সবাই খেতে বসলো। আসমা খাতুন থেকে থেকে কাঁদছেন। সবাই বাড়িতে এসেছিলো বাড়িটা ভরা ভরা ছিলো। আর সবাই চলে যাবে ভেবেই তার কান্না পাচ্ছে। কিন্তু সবারও তো নিজ নিজ কর্মজীবন আছে। যেতেই হবে।

গাড়িতে স্নিগ্ধ আর প্রাণেশার ঝগড়া লেগে গিয়েছে। প্রাণেশা বলছে ও ওদের বাড়িতে যাবে। কিন্তু স্নিগ্ধ বলছে,
“পরে যাবে এখন আমার বাড়িতে যাবে। তোমাকে ছাড়া আমার ভালো লাগে না।”
“আপনি নিয়ে যাবেন না?”
“না চুপচাপ চলো আমার সাথে। কয়েকদিন পরে যাবে।”
“ঠিক আছে।”
অতঃপর প্রাণেশা চুপচাপ স্নিগ্ধর কাঁধে মাথা রেখে নিরেট হয়ে কিছু ভাবছিলো।

সৌরভ আর সুবহা বাড়িতে ফিরে আরশাদ খানের সাথে দেখা করে রুমে চলে গেলো। দুজনেই টায়ার্ড। সৌরভ শুরুতেই হাত থেকে স্মার্ট ওয়াচ খুলে রাখলো। সুবহা বিছানায় বসে বলল,
“আচ্ছা আপনার ঘুরতে ভালো লাগে?”
সৌরভ ওর কথা বুঝতে পেরে গম্ভীর কণ্ঠে বলল,
“ঘুরতে যাবে?”
সুবহা মাথা নাড়িয়ে বলল,
“হ্যা। নিয়ে যাবেন?”
সৌরভ মুখের কোণে হাসি ফুটিয়ে বলল,
“বেশ নিয়ে যাবো। তবে আমার পছন্দের একটা জায়গায়।”
“জায়গা টা কি স্পেশাল?”
সৌরভ চোখ বন্ধ করে শ্বাস ছেড়ে বলল,
“হুমম খুব স্পেশাল জায়গা। সেখানে যে থাকে সেও আমার স্পেশাল। তোমাকে আমার স্পেশাল মানুষটার সাথেও পরিচয় করাবো।”
সুবহা কৌতূহল নিয়ে বলল,

তোমাতেই বসন্ত পর্ব ২৫

“সে কি খুব স্পেশাল?”
সৌরভ উত্তরে বলল,
“হুমম আমার জীবনের থেকেও স্পেশাল।”

তোমাতেই বসন্ত পর্ব ২৭

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here