বাঁধনহারা প্রেম পর্ব ৫৭ (২)
shanta moni
“দুপুর ২ টা ৩০ মিনিট …!
“রুহি নিজের রুমেই বসে ছিলো।
_এমন সময় হেনা বেগম আর আরাফ চৌধুরী আসে রুহির রুমে। দাদি আর বাবাকে নিজের রুমে দেখে বিছানা থেকে উঠে বসে রুহি। আরাফ চৌধুরী আর হেনা বেগম রুহির বিছানার পাশে বসে।
রুহি হেনা বেগম আর আরাফ চৌধুরী দিকে তাকিয়ে বলে উঠে..!
রুহি: কিছু কি বলবে দাদি…?
আরাফ চৌধুরী রুহির মাথায় স্নেহ হাত ফুলিয়ে দিয়ে বলে উঠে…!
আরাফ চৌধুরী: হ্যা মা একটা কথা বলতে চাই…!
রুহি: হুম আব্বু বলো কি বলবে…?
আরাফ চৌধুরী: তোমাকে না জানিয়ে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি আম্মু।
রুহি প্রশ্ন সুইচ তাহনিতে তাকিয়ে আছে আরাফ চৌধুরীর দিকে..!
“আরাফ চৌধুরী মুচকি হেঁসে বলে উঠে..!
আরাফ চৌধুরী: আমরা তোমাকে না জানিয়ে তোমার বিয়ে ঠিক করে ফেলেছি আম্মু।
_রুহি অবিশ্বাস চোখে তাকিয়ে আছে হেনা বেগম আর আরাফ চৌধুরীর দিকে…!
রুহি কিছু বলতে যাবে তখনি আরাফ চৌধুরী বলে উঠে..!
আরাফ চৌধুরী: জানি আম্মা, তুমি এখন বিয়ে করতে চাও না। কিন্তু বাবা৷ তাদের কথা দিয়ে ফেলেছে৷ প্লিজ তুমি অমত করোনা।
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
“রুহি কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারেনা।
চুপ হয়ে যায়। চোখের কোনে পানি চিকচিক করছে। হেনা বেগম রুহির কাছে এসে মাথায় হাত ভুলিয়ে বলে উঠে..!
হেনা বেগম: মন খারাপ করিস না সতীন, বাবা ভালোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আর রেডি হয়ে থাকিস, বিকাল ৪ টার দিকে দেখতে আসছে ছেলে পক্ষ।
_কথা শেষ করেই রুম থেকে বেড়িয়ে যায়। আরাফ চৌধুরী হেনা বেগম।
রুহি পাথরের ন্যায় বসে আছে।
এতোক্ষণ তাকে কি বলে গেলো।
সব যেনো মাথার উপর দিয়ে গিয়েছে তার। রুহি কি করবে কিছু ভেবে পাচ্ছে না।
বিকাল ৪:১২…
_পাত্র পক্ষের সামনে মাথা নিচু করে বসে আছে রুহি! গায়ে হালাকা গোলাপি মিসরনের জামদানি শাড়ি পড়া। চোখের কোনে পানি টলমল করছে। পাত্রের মা বাবা এবং পাত্র নিজেই এসেছে। ছেলের মা টুকটাক প্রশ্ন করছে৷ রুহি তার উত্তর দিচ্ছে।
_রোমান ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে রুম থেকে বেড় হয়ে সিঁড়ি বেয়ে ড্রয়িং রুমে দিকে আসে। ড্রয়িং রুমে আসতেই পা থেমে যায় রোমানের। পাত্র পক্ষের সামনে মাথা নিচু করে বসে আছে রুহি। রোমানের বুক কেঁপে ওঠে…!
_এইদিকে পাত্রের মা আংটি বেড় করে পড়াতে যায় রুহিকে..!
তখনি রোমান বলে উঠে…!
রোমান: কি হচ্ছে এখানে….?
_সবার চোখ যায় সিঁড়ি কাছে দাঁড়িয়ে থাকা রোমানের দিকে…!
_হেনা বেগম মুচকি হেঁসে বলে উঠে..!
হেনা বেগম: আরে দাদু ভাই তুই..!
আয় এইদিকে আয়,
রোমান ঠায় একই যায়গা দাড়িয়ে থাকে।
রুহি দৃষ্টি নিচে, রোমান করুন দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে রুহির দিকে।
কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারছে না।
কোনো কিছু না বলেই দ্রুত পায়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যায়। রোদ জুঁই এক পাশে দাঁড়িয়ে আছে। সবাই ড্রয়িং রুমে থাকলেও শুভ্র নেই। হেনা বেগম শুভ্রকে বলেছিল রুহির কথা। রুহির বিয়ের কথা শুনেই সাথে সাথে রেগে যায় শুভ্র। কারন তার বোন সে এতো তাড়াতাড়ি বিয়ে দিবে না। আর বিয়ে ঠিক করেছে। এতো কিছু করেছে, তাকে জানায়নি। তাঁরপর রুহি যে কোনো অমত করেনি, সেটা শুনে শুভ্র আরো রেগে যায়। যার ধরুন অনেক আগেই কাজের বাহানা দিয়ে বাসা থেকে বেড়িয়ে যায়। রোদ অনেক বার বলেছিল থাকতে কিন্তু শুভ্র একরকম রেগেই বেড়িয়ে যায় বাসা থেকে। পাত্র পক্ষ আংটি পড়িয়ে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করে যায়। রুহি কোনো প্রতিকক্রিয়া করেনি। পুতুলে মতো সব কিছু নিরব দর্শকের মতো দেখে গেছে।
_রাত প্রায় ১০ টার কাছাকাছি নিজের রুমে বসে বেডের উপর বসে পা নাড়াচ্ছে রোদ। শুভ্র সেই যে দুপুর বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেছে। আর আসেনি, রোদ নিজের নক কামড়াচ্ছে আর আজকে ঘটে যাওয়া সব কথা ভাবছে। এমন সময় দরজা খোলার শব্দ, দরজার দিকে তাকায় রোদ! শুভ্র রুমে ভিতর ডুকে সোজা ওয়াশরুমে চলে যায়। রোদ কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারে না।
“প্রায় ১০ মিনিট পর ওয়াশরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে বেড় হয় শুভ্র।
_শুভ্র বেড় হতেই কোমড়ে হাতে রেখে শুভ্রের সামনে দাঁড়ায় রোদ..!
_রোদের দিকে ভ্রু কুচকে তাকায় শুভ্র..!
_তাঁরপর বলে….!
শুভ্র: কি হয়েছে…?
রোদ: কি হয়নি সেটা বলেন..?
শুভ্র: মানে….?
রোদ: মানে হলো আপনি এমন করছেন কেনো? আপনার নিজের বোনের এনগেজমেন্ট হয়েছে। আর আপনি সেখানে ছিলেন না। এতো কিসের কাজ আপনার হ্যা… আর আপনি যা করছেন। এই সব তো ঠিকনা…!
_শুভ্র বিরক্ত হয়ে বলে…!
শুভ্র: এখন তুমি আমাকে ঠিক ভুল শিখাবে…!
রোদ: হুম শিখাবো, ভালো কথায় না শুনলে পিটিয়ে পিটিয়ে শিখাবো।
“শুভ্র রোদের দিকে দু কদম এগিয়ে এসে বলে উঠে…!
শুভ্র: সাহস কি বেশি বেড়ে গেছে?
_“রোদ বিরক্ত হয়ে বলে উঠে..! ”
রোদ: আপনি ভুল করবেন, আর সেটা বললেই সাহস বেশি হয়ে গেলো৷
বাহ বাহ খুব সুন্দর। নিজের বেলায় ১৬ আনা, অন্যের বেলায় এক আনাও নাহ।
“শুভ্র রোদের দিকে কপাল কুচকে তাকায়, তাঁরপর বলে…!
শুভ্র: ভুল বললে ম্যাডাম, আমার বেলায় ষোলো আনা না, ২০ আনা।
_রোদ: ভারি বজ্জাত লোক তো আপনি,
ভুল করেও বড় বড় কথা বলছেন।
শুভ্র রোদের কাছে এসে রোদের কোমর জড়িয়ে ধরে, রোদের নাক টেনে বলে উঠে..!
শুভ্র: ওহ মেডাম, আমি কি এমন ভুল করলাম, যার জন্য এইভাবে সাহস করতে চলে এলেন।
_রোদ ছোট ছোট চোখ করে শুভ্রের দিকে তাকিয়ে বলে উঠে..!
রোদ: রুহিকে আজ পাত্র পক্ষ দেখতে এসেছে। আর আপনি ভাই হয়ে সেইখানে উপস্থিত ছিলেন না। নানু কতোটা কষ্ট পেয়েছে, জানেন। আর রুহির কতোটা খারাপ লেগেছে আপনি ওই ভাবে রেগে বাসা থেকে বেড়িয়ে গেছেন।
_“শুভ্র রোদের চোখের সামনে পড়ে থাকা চুল গুলো আলতো হাতে সরিয়ে দিয়ে শান্ত কন্ঠে বলে উঠে..!
শুভ্র: এই বিয়ে টা হবে না…!
“রোদ অবাক হয়ে শুভ্রের দিকে তাকায়, তাঁরপর বলে উঠে..!
রোদ: আপনি কিন্তু এখন বেশি বেশি করছেন। রুহির জন্য বিয়েটা ঠিক করেছে মামা। আর মামা তো রুহির ভালো জন্যই করছে এই সব। তাহলে আপনি কেনো এই বিয়েতে রাজি হচ্ছে না কেনো? আপনার এতো সমস্যা কিসে?
আর ছেলেও তো দেখতে শুনতে ভালো।
মামা পছন্দ করেছে। রুহির জন্য তো খারাপ কাউকে দেখবে না। আমি না কিছুই বুঝতে পারছি না।
_শুভ্র রোদের দিকে তাকিয়ে হালকা হাঁসে, এক হাতে রোদের গাল টেনে বলে উঠে..!
শুভ্র: সেটাই তো, যদি বুঝতে তাহলে তো, আর ৪০০ গ্রাম বলতাম না।
রোদ রাগী রাগী চোখে তাকায় শুভ্রের দিকে, শুভ্র রোদের গালে টুপ করে চুমু খেয়ে বলে উঠে..!
শুভ্র: বউ এতো টেনশন এই ছোট্ট মাথায় নিও না। সময় হোক তাহলে সব বুঝতে পারবা। শেষ একটা কথা শুনে রাখো।
রুহির বিয়ে টা এখানে কখনোই হবে না।
_শুভ্রের বলা সব কথা রোদের মাথার উপর দিয়ে যায়৷ কি বলে বিয়ে হবে না। মানে কি? বললে হলো বিয়ে হবেনা।
রোদ এক হাতে মাথা চেঁপে ধরে।
উফফ আর ভাবতে পারছেনা৷
শুভ্র রোদের নাক টেনে বলে উঠে..!
শুভ্র: বউ এই ছোট্ট মাথায় এতো চাঁপ নিওনা। কালকের মধ্যেই সব জানতে পারবে। কেনো বিয়ে হবে না।
_রোদ গভীর চিন্তায় মগ্ন, শুভ্র রোদকে কোলে তুলে নিতেই, রোদের ভাবনায় ছেদ পরে। বড় বড় চোখ করে শুভ্র দিকে তাকিয়ে বলে উঠে..!
রোদ: কি করছেন ছাড়ুন আমাকে…?
শুভ্র: বউ ডিস্টার্ব করো না..!
রোদ: নামিয়ে দিন আমায় প্লিজ?
শুভ্র: নো….!
রোদ: ছাড়ুন বলছি…?
শুভ্র রোদকে আর কিছু না বলতে দিয়ে বেডের উপর এক রকম ছুড়ে মারে।
_“রোদ ভয়ে ভয়ে তাকায় শুভ্রের দিকে_
শুভ্র দুষ্ট হেঁসে গেয়ে উঠে…!
শুভ্র: আজ পাষা খেলবো রে শ্যাম!🎵
শ্যাম রে তোমার সনে, একলা 🎵পাইয়াছিরে, শ্যাম, 🎵
_আজ পাষা খেলবো রে শ্যাম…..!🎵
_শুভ্রের এমন গান শুনে ভয়ে ঢোগ গিলে রোদ, ভয়ে ভয়ে বলে উঠে…!
রোদ: ছেড়ে দে সয়তান, তুই আমার দেহ পাবিনা। মনও পাবিনা।
_রোদের এমন কথায় শুভ্র অট্টহাঁসিতে মেতে উঠে..!
_হাঁসতে হাঁসতে বলে….!
শুভ্র: নো বেবি, তোমাকে আর ছাড়ছি না আজ…!
রোদ ভয়ে ভয়ে বলে উঠে..!
রোদ: আ….আ আমি কিন্তু..?
রোদ আর কিছু না বলতে দিয়ে বলে উঠে..!
শুভ্র: তুমি কি বউ…?
রোদ নিজেকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে মনে মনে বলে উঠে..!
রোদ: বাঘের শিকার থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য তোকে কোনো না কোনো বুদ্ধির চাল চালতে হবে রোদ,, সাহস যোগা মনে, এই লোকের কাছে নিজেকে শিকার বানাবি না তুই৷
_রোদের মাথায় দুষ্টি বুদ্ধি আসে। শুভ্র দিকে এগিয়ে এসে, শুভ্রের গলা জড়িয়ে ধরে বলে উঠে…!
রোদ: আজ তুমি না, জান
আজ পাষা আমি খেলবো, চলো…!
_রোদ শুভ্রকে নিয়ে একরকম বেডের উপর পড়ে যায়। শুভ্রের বুকের উপরে উঠে বসে রোদ। শুভ্র অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে রোদের দিকে…!
_শুভ্র রোদকে ভয় দেখানোর জন্যই এতোক্ষণ এই রকম করছিল। কিন্তু রোদ যে এমন কিছু করবে, তা তার ধারনার বাইরে ছিল৷ রোদ শুভ্রের ঠোঁটের দিকে এগিয়ে যায়। শুভ্রের ঠোঁটে মাঝে নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দেয়। গভীর চুম্বনে রোদের ঘোর লেগে যায়। কিছু মনে আসতেই কামড় বসায় শুভ্রের ঠোঁটে৷ নিজের দাঁতে যত শক্তি আছে। সব দিয়ে যেনো শুভ্রের ঠোঁট পিঁষে দিচ্ছে। প্রায় দশ মিনিট পর ঠোঁট ছেড়ে গলায় নেমে আসে। গলা থেকে শুরু করে পুড়ো বুকে রোদ চুমুর নাম করে কামড় দিচ্ছে। তবে আচর্য বিষয় হচ্ছে রোদ এতো জোরে কামড় দিচ্ছে কিন্তু শুভ্রের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। সে স্বাভাবিক অবস্থায় আছে।
_রোদের চুমু খাওয়া শেষ হতেই শুভ্রের থেকে উঠে যেতে নিবে। তখন খপ করে শুভ্র রোদের হাত চেঁপে ধরে বেডের উপর ফেলে। রোদের দিকে ঝুঁকে তাকায়।
রোদ ভয়ে চোখ বন্ধ করে ছিল।
_আস্তে আস্তে চোখ খুলে তাকায় শুভ্রের দিকে তাকাতেই আতকে উঠে।
শুভ্রের ঠোঁট ফুলে ঢোল হয়ে আছে। মনে হচ্ছে এখনি ধরলে রক্ত বেড় হবে।
_রোদ আলতো হাতে শুভ্র ঠোঁটে হাত রেখে বলে উঠে..!
রোদ: ইসস ব্যাথা পেয়েছেন আপনি..?
শুভ্র বাঁকা হেঁসে বলে উঠে..!
শুভ্র: ব্যাথা পাইনি বউ। তবে ব্যাথা দিব..!
রোদ ভয়ে ঢোগ গিলে বলে..!
রোদ: স….স সরি আ আমার ভুল হইছে!
শুভ্র: কোনো ভুল হইনি বউ। শুভ্র চৌধুরীর বউ কোনো ভুল করতে পারেনা।
_রোদকে আর কিছু না বলতে দিয়ে, রোদের ঠোঁটের সাথে ঠোঁট চেঁপে ধরে শুভ্র।
_রোদ মনে মনে বলে উঠে…!
_সেই এই লোকের শিকার আমাকে হতেই হলো।
_শুভ্র রোদকে ছেড়ে ফিসফিস করে বলে উঠে…!
শুভ্র: আলহামদুলিল্লাহ তিনবার বাসর ডান…!
_রাত প্রায় একটা,
_রুহির দিকে করুন দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে রোমান। এই ঘন্টা খানিক হলো রুহি আর রোমান ছাদে কিন্তু কেউ কিছু বলছে না।
_রোমান রুহির পায়ের কাছে হাটু গেড়ে বসে কান্না ভেজা কন্ঠে বলে উঠে…!
রোমান: আমায় এতো বড় শাস্তি দিস না রুহি। তুই ছাড়া সত্যি আমি মরে যাবো।
_রুহি পাথরের ন্যায় দাড়িয়ে আছে। কোনো কিছু বলছে না। চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়ছে।
রোমান আবার বলে উঠে…!
_রোমান: রুহি তোকে ছাড়া আমি বাঁচতে পারবো না। তুই অন্য কারো হওয়ার আগে আমায় মেরে ফেল।
_“তুই বিহীন আমি মরে যাবো।
সত্যি মরে যাবো…!
_রুহি কাঁদতে কাঁদতে বলে উঠে…!
রুহি: আমার মতো দেখতে অসুন্দর, চরিত্র খারাপ মেয়ের জন্য মরবেন কোনো? অন্য কাউকে নিয়ে সুখে থাকুন।
বেঁচে থাকুন তার সাথে..!
রোমান: আমার দেখা সব থেকে সুন্দর নারী তুই। তোকে ভালোবাসার পর আমার কাছে অন্য কোনো নারী সুন্দর লাগেনি। ভালোবাসি আমি তোকে, খুব ভালোবাসি।
_রুহি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না।
চলে যেতে নেয়। এমন সময় রোমান এসে রুহির পা জড়িয়ে ধরে ডুকরে কেঁদে উঠে বলে…!
রোমান: আমাকে মাফ করে দে রুহি।
এক জীবনে তোকে হারিয়ে ফেলার এই নরক যন্ত্রনা আমি সইতে পারবো না।
_রুহি রোমানের কথা শুনে মুখে ওড়না চেঁপে কেঁদে উঠে…!
বাঁধনহারা প্রেম পর্ব ৫৭
রোমান আবার বলে উঠে…..!
রোমান: একজন ভিক্ষুক, একবারের বেশি ভিক্ষা চায় না। কিন্তু আমি তোর কাছে বার বার ভিক্ষে চাচ্ছি। প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিস না।
_“তুই যাবি তো যাহ, তবে আমাকে মেরে। তারপর যেইখানে ইচ্ছে যাহ।
সকাল ৮ টা…
