Home রৌদ্রময় বালুচর রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ৭

রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ৭

রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ৭
সোহানা ইসলাম

আরমান এতোক্ষন তাদের বাড়ির সাদে দাড়িয়ে রাশেদের সঙ্গে কথা বলছিলো কোনো এক ফাইলের বিষয় নিয়ে । হঠাৎ করে আরমানের চোখ যায় দূর বাটগাছ’টার তলায় দাঁড়িয়ে থাকা সাদা কলেজ ড্রেস পরা জারা দিকে, কেমন কাচুমাচু হয়ে দাড়িয়ে আছে ।কারো জন্য হয় তো অপেক্ষা করছে.?
তাদের ছোট একতালা বাড়ির সাদ থেকে মেইন রাস্তায় প্রায় সব দেখা যায়। তাই জারা’কে এমন একা দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে,সোজা সাদ থেকে নেমে আরমান বটগাছটার কাছে আসে। জারাকে এই নিয়ে তিন বার দেখেছে সে।

কিন্তু নাম-টাম কিছুই যানা হয়নি তার। প্রথম সাক্ষাতেই তাকে যে ভাবে আদর-যন্ত করছে কামড় আর থাপ্পাড় দিয়ে, তা সারাজীবনেও ভুলবে না সে। এখনো জারার সম্পর্কে ভালো করে কিছুই যানে না সে। জারাকে প্রথম দিন দেখেই ভালো লাগা কাজ করছে তার মাঝে।
কেমন শান্ত আর শালীনতা বজায় রেখে চলা ফেরা করে। সব কিছু ঠিক আছে শুধু হাইটে কিছুটা ছোট।এটা কোনো বিষয় না, ভালোবাসা হাইট দেখে হয় না।
ভালোবাসা হয় মন থেকে, যা হঠাৎ করেই হয়ে যায়।
হাফ ইঞ্চি হলেও পরীর মতো সুন্দর সে। ওর কথা মনে এলেই আরমান আনমনে হেঁসে উঠে মাঝে মাঝে।
এই একা একা হাঁসার রোগটা তাকে সারাতে হবে।নয়তো সবাই তাকে পাগল মনে করবে।
আরমান এসে সোজা জারার সামনে দাঁড়ায়। ভালো ভাবে পা থেকে মাথা পর্যন্ত ভালো করে পর্যবেক্ষণ করে নেয়।পড়নে সাদা কলেজ ড্রেস। মাথায় হিজাব বাঁধা। মুখটাও ডাকা।কপালে তার বিন্দু বিন্দু ঘাম।
আরমানকে দেখে সে যেনো আরও ঘামছে। আরমান বোঝতে পারে তার উপস্থিতিতে সে ভয় পাচ্ছে। ঐদিন যে ভয় দেখিয়ে এসেছে তার হাফ ইঞ্চি মেয়ে ‘ কে। বিক্রি করে দিবে বলেছে। তাই আরমানকে দেখে কেমন কে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছে নিজের মাঝে।
পা দিয়ে মাটি নাড়াচাড়া করছে। বুকে ধরে রাখা বইটা আরও শক্ত করে চেপে ধরে নিজেদের মাঝে। কেমন করে যেনো কেঁপে কেঁপে ওঠছে জারা। সুযোগ পেলেই এক দৌড়ে পালাবে সে।
তাই সে জারার ভয় দূর করতে বলে…..

__”আমাকে ভয় পাও…..”
এবাও তার অসম্পূর্ণ কথা সম্পূর্ণ শেষ করতে পারলো না। তার আগেই মাথায় কিছু একটার বারি লাগে তার।মাথাটা ঝিঁম ধরে গেছে কয়েক সেকেন্ডে। মাথা’টা বোঁ,বোঁ করেছে তার। আরমান মাথায় দুই হাত দিয়ে চেপে ধরে সামনের দিকে তাকায়।
– দেখে জারা ঘাটের দিকে দৌড়ে পালাচ্ছে। সে ঠিক বোঝতে পারছে এখন, তাকে কে বারি মেরেছে..? জারার হাতে থাকা বই মাটিতে পড়ে আছে। হয়তো এই বাই দিয়ে তার মাথায় মেরেছে..? বই ‘ টা মাটি থেকে তুলে হাতে নেয় আরমান।
যুক্তিবিদ্যা বই”
আরমান বইটার দিকে তাকিয়ে মনে মনে ভাবে ”
__” এই মেয়ে যুক্তিবিদ্যা বই পড়ে এমন অযুক্তিক কাজ কী ভাবে করে এই মেয়ে ।” বা*লের মেয়ে মানুষ, ভালো ভাবে কথা বলতে এসেও শান্তি নেই,! এই হাফ ইঞ্চি মেয়ের হাতে মার খেতে হয় যেখানে সেখানে।তাকে ধরে পেটাচ্ছে কোনো কারণ ছাড়াই।কী দোষ তার..? রাগে দাঁত হির, হির করে
আরমান শক্ত গলায় বলে…..

__” এই হাফ ইঞ্চি মেয়ে….! দাঁড়াও বলছি এখানে।
আর এক পা এগুলে পা ভেঙে ফেলব তোমার। তুলে নিয়ে বিক্রি করে দিবো.!বলে দিলাম কিন্তু। ”
আরমানের এমন দমকে কথা বলতে শুনে পা থেমে যায় তার। ভায়ে চোটে আর এক পাও এগুতে পারছে না সে। মনের মধ্যে একঝাঁক ভয় এসে বাসা বাদে। যদি তাকে কোনো ক্ষতি করে দেয়। এবার যদি সত্যি সত্যি তাকে বিক্রি করে দেয়। তার ভাব’নার মাঝে আরমান এসে দাঁড়ায় জারা সামনে।
__”এই মেয়ে এই! আমাকে কি তোমার সরকারি মনে হয়..? যখন দেখছো তখনই আমায় আঘাত করছো ‘ সমস্যা কী তোমার।” কিছু ‘টা চেচিয়ে কথাগুলো বলে আরমান।
আরমানের কথায় কোনো হেলদোল দেখা গেলো না জারার মাঝে। যে ভাবনায় ব্যস্থ কী ভাবে পালাবে এখন এখান থেকে..?
‘আরমান জারার কোনো হেলদোল করতে না দেখে আরও কিছু টা সমানে এগিয়ে আসে জারার দিকে…
“আরমান ‘ কে তার কাছে আসতে দেখে, নিজেকে বাঁচাতে আবার হাত তুলে আঘাত করার জন্য জারা…..
কিন্তু এবার আর সফল হতে পারেনি সে। তার আগেই আরনাম ওর হাত দরে ফেলে। জীবনে এই প্রথম কোনো পুরুষ ছোঁড়া পেয়ে কেঁপে ওঠে জারা। পুরুষালি গায়ের গন্ধ তার নাকে এসে বার, বার সুরসুরি দিচ্ছে। হাত,পা বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে আসছে তার।
বুকটা মুচড় দিয়ে উঠে, এই লোকটা তার ক্ষতি করে দিবা না’তো এখন।
জারার দুই হাত নিজের হাতের ভিতরে রেখেই আরমান আবার বলে….

:__“ এই হাফ ইঞ্চি মেয়ে মানুষ সমস্যা কী তোমার..?? এইটুকু হাইট নিয়ে এতো সাহস দেখাও কী করে..?? তুলে এক আছাঁড় দিব সাত দিনেও বেড থেকে নামতে পারবে না। কথা না শুনে বার বার আঘাত করছো কেনো..?? তুমি যানো আমি কে..??কী কী করতে পারি তোমার সাথে,ধারণা আছে কোনো..??
” আরমানে র ভায়ে চোখ ছলছল হয় আসে তার। এই লোকটা ‘কে তো আসলেই সে চিনে না..? দুই বার আঘাত করেছে সে।যদি কোনো ছেলেধরা হয় এই লোক তখন। যদি তাকে তুলে নিয়ে বিক্রি করে দেয়। সেদিন তো লোকটা তাকে বলেছে পরের বার দেখলে সোজা বিক্রি করে দিবে। এখন আমি কি করব।জারার ভাবনার মাঝে আবার আরমান বলে….
” এই মেয়ে এই..!!কথা বল*….. কথা বলার মাঝে ফোন বেজে ওঠে কিছুটা বিরক্ত হয় আরমান। সম্পূর্ণ শেষ করতে পারলো না, তার ফোন বেজে ওঠে তার আগে। জারার দুই হাত নিজের একহাতে নিয়ে পেন্টের পকেট থেকে ফোনটা বের করে দেখে,রাশেদ কল করছে।
একরাশ বিরক্ত নিয়ে কল ‘ টা রিসিভ করে …
” হ্যাঁ! বল রাশেদ …..

……. ফোনে থাকা লোকটা কি বললো তা শুনা গেলো না……..
……..হে পেয়ে গেছি! রাতে পাঠিয়ে দিব……
…….. আবার ও শুনা গেলো না কিছু…..
….হে সাথেই আছে আমার ” পাঠিয়ে দিব…..
বলেই কল টা কেটে দেয় আরমান। আরমানের কথা শুনে এবার জোরে কান্না করে দেয় জারা….
” প্লিজ আমার কোনো ক্ষতি করবেন না। আমি আপনাকে আর মারব না, সত্যি বলছি। আমাকে বিক্রি করে দিবেন না প্লিজ। আমার আম্মু আমার জন্য খুব কষ্ট পাবে। আমার খরগোশ গুলো না খেতে পেয়ে মারা যাবে। আমি আর আপনার সামনেও আসব না। প্লিজ এবারের মতো যেতে দিন আমাকে। ”
“কান্না করতে করতে এক নাগাড়ে কথা গুলো বলে ফেলে জারা।
” এই মেয়ে কী বলছে এসব..? তাকে কেনো সে বিক্রি করে দিতে যাবে..??সে তো এতক্ষণ অফিসের ইম্পরট্যান্ট ফাইলের কথা বলছিলো রাশেদের সাথে। আর এই হাফ ইঞ্চি মেয়ে বোঝলো কী.?? তাকে নারী পাচার কারে ভাবছে না তো আবার..?? আল্লাহ এই মেয়ের ছোট মাথায় কতো কিছু গুরে..? নিজের মনেই বিরবির করে কথা গুলো বলে আরমান।
” এই মেয়ে আমি তোমা*….. এবারও কথাগুলো বলতে পারলো না। তাদের পিছন থেকে কারো কথা বেসে আসছে। রাগে নিজের চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে করছে তার।
বা*ল তাকে কেউ কথা সম্পূর্ণ করতে কেনো দেয় না। সে কথা বললেই কেনো সবাই ভিলেনের মতো বাম হাত ঢুকিয়ে দেয়।

“এই মিয়া, এই! আপনি আমার বান্ধবীর হাত এই ভাবে ধরে আছেন কেনো..?? তাড়াতাড়ি ওর হাত ছাঁড়োন আপনি..এক্ষুণি ছাড়োন .. মিম!
” হে ‘ হে তাড়াতাড়ি হাত ছাঁড়ুন আমার বান্ধবীর..! নয় তো এই ঘাটের সামনে গনপিটুনি খাওয়াব আপনাকে, আমার বান্ধবীর হাত ধরার অপরাধে..! ফিহা…!
পর পর কথা গুলো বলে থামে মিম আর ফিহা..”
আরমানের সামনে এসে একঝঁটকায় জারার হাত টা টান দিয়ে ছাড়িয়ে নেয় মিম। হাতে ছাঁড়িয়ে আরমানের দিকে আঙুল তাক করে মিম বলে…
“আমার বান্ধবী বোকা বলে তাকে বিরক্ত করছে..?? তার হাত ধরছেন.!সাহস তো আপনার কম না। বাড়ি কোথায় আপনার.?? আগে তো এই গ্রামে দেখি নি..??
” মিমের কথা শুনে রাগী লোক নিয়ে মিমের দিকে তাকায় আরমান আর বলে…..
“” তোমার বান্ধবী বোকা.?? তুমি যানো তোমাদের এই বোকা বান্ধবী আমার সাথে ঠিক কি, কি করছে.???তোমাদের ভাগ্য ভালো এখনো ওকে মেরে দেইনি আমি।
“আরমানের রাগী লোক দেখে কিছু টা দমে যায় মিম। ফিহা জারাকে ধরে দাড়িয়ে আছে মিমের সাথে।জারা ভয়ে কান্না করছে এখনো।তাই ফিহা কিছুটা মিনমিন সুরে বলে,,,
না মানে ভাইয়া আপনার আপনার বাসা কোথায়..?? আগে ও দেখি’নি এই গ্রামে..??

” আমার বাড়ি ময়মনসিংহ ”
“আরমানের কথা শুনে তিন জন বড় বড় চোখ করে তাকায় আরমানের দিকে। লোকটার বাড়ি ময়মনসিংহ হলে এখানে কী করে..??
প্রশ্ন টা তিনজনের মনে আসলেও জিজ্ঞেস করতে পারলো না ভয়ে। তাদের দিকে কেমন লাল চুক্ষু দিয়ে তাকিয়ে আছে। ধরতে পারলেই খেয়ে ফেলবে। এখন এখান থেকে কেটে পরলেই ভালো।
” ফিহা :- না,মানে থাকুন আপনি এখানে। আমরা যাই। হি হি হি! মেকি হাসি দিয়ে বলে…
__“আচ্ছা ভাইয়া আমার তাহলে আসি।দেরি হয়ে যাচ্ছে আমাদের! ”মিনমিন সুরে কথা টা বলে মিম।
“আরমানও আর কিছু বললো না। এক পলক জারার দিকে তাকায়। মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে। ভয়ে কান্না করছো এখনো। নাম টা আর জানা হলো না তার।
শুরু ‘হুমমমম ‘ বলে চলে যায় তাদের সামনে থেকে।

কলেজে চলে আসে তিন জন। সব ক্লাস শেষ করে মাঠে বসে আছে তিনজন। কেউ কোনো কথা বলছে না।
মিম একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে জারা কে জিজ্ঞেস করে কি হইছিলো সকালে..??
” জারা তাদের সব খুলে বলে, প্রথম দিন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত তার সাথে যা যা ঘটেছে।
জারার বলা শেষ হলে ফিহা বলে….
“সোনা তুই আমাদের আগে কেনো বলিস ‘ নি এসব কথা।
” মিম :- আগে বললে আজ আমরা তোকে বটগাছ তলায় একা দাঁড়িয়ে থাকতে দিতাম না এখনো। ”
“জারা :- আমি যানতাম না-কি এতো কিছু ঘটে যাবে..??
” ফিহা :- যাই বলিস লোকটা কিন্তু বহুত হ্যান্ডসাম আছে। কী বডি লোকটার..?? জিম করা শরীরে সুঠামদেহী একজন আকর্ষণীয় পুরুষ। কী সুদর্শন দেখতে। আমি তো ফিদা হয়ে গেছি’ রে জারা।
” মিম :- এই তোর উল্টা পাল্টা কথা বন্ধ কর। সবসময় বাজে কথা শুধু তোর।
” জারা :- আমার সাথে এই পর্যন্ত দুই বার দেখা হলো লোকটার সাথে। আমিও এতো ভালো করে লোকটা পর্যবেক্ষণ করতে পারিনি। আর তুই এক দেখায় এতো কিছু লক্ষ করে ফেলছিস ফিহা..??”
কিছু টা আবাক হয়ে কথা গুলো বলে জারা।

“ফিহা :- কেন তোর বোঝি হিংসা হচ্ছে..? লোকটাকে আমি ভালো ভাবে দেখেছি বলে..??
“জারা :- আমি কেন হিংসা করতে যাব..? আজব..? আমি তো শুধু এমনিই বললাম তোকে।আর ঐ লোক টা কেই দেখলে আমার ভয় করে। হাত, পা ভয়ে ঠান্ডা হয়ে আসে। কী ভয়ংকর লোক..?? । আর একটু হলেই আমাকে বিক্রি করে দিতো।
” মিম :- তোদের কথা বন্ধ করবি..?? আগে আমার কথা শুন।
জারা আর ফিহা চুপ হয়ে যায়। আর দুজনে এক সাথে বলে….
” হুমমমম বল…!!
” মিম :- আজ ঐ বড় মাঠের দারোয়ান ‘ কে মজা দেখাতে যাব। আমার কলিজা টা কে মাঠের ভিতরে ডুকতে দেয় নি! বুড়ো শয়তান দারোয়ান’ টা।
“ফিহা :- এটা তো আমি ভুলেই গেছি। চল ” চল তাড়াতাড়ি…!!
হুমমম,
বসা থেকে উঠে রাস্তায় আসে দাঁড়ায় গাড়ির জন্য। কিছু সময় পর গাড়ি পেয়েও যায়। নদী পার হয়ে এসে দাঁড়ায় বড় মাঠের গেইটের সামনে তিনজন।

দারোয়ান চাচা, আপনি না-কি আমার কলিজা কে মাঠে ডুকতে দেন নি ঐদিন..?? মিম
তিনজন মেয়ে এক সাথে দাঁড়িয়ে আছে গেইটের সামনে। দারোয়ান তিন জনের দিকে তাকিয়ে আছে। বোঝার চেষ্টা করছে কার কলিজার কথা বলছে তারা তাকে।
কার কলিজা গেইটের ভিতরে ডুকতে দেয়নি সে..?? কলিজা আবার কিভাবে গেইট দিয়ে ডুকবে..??
“দারোয়ান :- তোমরা কার কলিজার কথা বলছো..?? আমি কার কলিজা গেইটের ভিতরে ডুকতে দেয় নি….
মিম আর ফিহা এক সঙ্গে বলে উঠে, ‘আমাদের কলিজাকে আপনি ভিতরে ডুকতে দেন নি।

রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ৬

” দারোয়ান :- কলিজা কি ভাবে গেইট দিয়ে প্রবেশ করবে..??কলিজা কী হাঁটে পারে না-কি.??
“ফিহা :- আমাদের কলিজা হাঁটতে না পারলে বৃহস্পতিবার এই গেইটের সামনে আসলো কী করে.??
” মিম :- হেঁটে আসলো বলেই তো তাকে আপনি ডুকতে দেন নি। অপমান করে তাড়িয়ে দিয়েছেন।
” দারোয়ান :- আরে তোমরা কোন কলিজার কথা বলছো.?? আমি তো কিছুই বোঝতে পারছি না তোমাদের কথা..??
“ফিহা :- এখন বুঝবেন কী করে..?
” কী হচ্ছে এখানে.?? এতো চিৎকার চেচামেচি কেনো হচ্ছে গেইটের সামনে..??

রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ৮

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here