সে খলনায়ক পর্ব ৩৭
ফারহানা সানিয়াত
আশ্রমের গেট দিয়ে প্রবেশ করে প্রানপ্রিয়া। তার পায়ের গতি ছুটে চলার মতই যেন ভয়ংকর কিছু দেখে ভয় পেয়ে লুকোনোর পথ খুঁজছে। সে দ্রুত পায়ে আশ্রমের ভেতর ঢুকে কোনো দিকে না তাকিয়ে সোজা সিঁড়ি বেয়ে উপরে চলে যায়।
সোফায় বসা রহমান ,আর পাছে আশ্রমে দুজন কিশোরী তারা তার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে।
রহমান কপালে ভাঁজ ফেলে বলে ওঠেন,
__ এই মেয়ের কি হলো আবার ?
পাশের দুজন কিশোরী ও কিছু না বুঝে একে অপর কে দেখছে।
প্রানপ্রিয়া নিজ ঘরে ঢুকে ঠাস করে দরজা লাগিয়ে কাঁধের ব্যাগ মেঝেতে ফেলে অস্বস্তি মন নিয়ে ধপাস করে বিছানায় বসে পড়ে। ছুটে আসার জন্য হাপিয়ে ঘনঘন শ্বাস ফেলছে মাথা নত করে। ছাড়া চুল গুলো কাঁধ বেয়ে এলোমেলো হয়ে সামনে এসে।
প্রানপ্রিয়া শুকনো ঢোক গিলে ঠোঁট কামড়ে ধরে।
সে আসলেই ই পাগল! আসলেই! মনে মনে বলে বিছানার চাদর শক্ত করে খামছে ধরে চোখ দুটো বন্ধু করে নেয়।
কেনো সে এসব বললো? তার নিষ্পাপ মনে প্রশ্নে।
আমি শুধু ঘৃণা করি তাকে ঘৃনা । বিছানার চাদর খামচে ধরা হাত আরো দৃঢ় হয় । মনে পড়ে কিশোরী কালে প্রথম সাক্ষাৎ থেকে কিছুদিন আগ পর্যন্ত তাকে করা অপমান। তার আরো মনে পড়ে জঙ্গলে তার সাথে সে কি করেছিল।
কিন্তু!,,,,, কিন্তু! কেনো সে কাল থেকে এরূপ ব্যবহার করছে ?
প্রানপ্রিয়া চোখ খুলে তাকায়, কানে ভেসে আসে কিছুক্ষণ আগে বলা লোকটি মুখের কথাগুলো সাথে সাথে আবারো তার গাল দুটো লাল হয়ে গরম হতে শুরু করে।
প্রানপ্রিয়া তৎক্ষণাৎ দুহাত দিয়ে গাল চেপে মাথা
ঝাঁকায়। না না না আমি এই অদ্ভুত অনুভূতির শিকার হতে চাই না।
আমার সত্যি ই বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে তুমি পাখিটাকে ছেড়ে দিয়েছো!!
মুখে অবিশ্বাসের ছাপ নিয়ে আহানাফ বলে ওঠে।
সে খাঁচার চারপাশে ঘুরছে।
যে ব্যক্তি পাখিকে পেলে পুষে নিজের কাছে রাখছিল হত্যা করে আনন্দ নিবে যেভাবে সে পাখি শিকার করতে আনন্দ অনুভব করত। সে এমনিতেই ছেড়ে দিল? এটা এতটা অবিশ্বাস্য ছিল যখন সে প্রথম একজন পাখি শিকার হয়ে দশগুন দাম দিয়ে সামান্য পাখিটিকে কিনেছিল।
দামিয়ান শান্ত ভাবে হাতে কিছু কাগজপত্র নিয়ে দেখছে। আহানাফ তার দিকে এগিয়ে আসে তার পাশের সোফায় গা এলিয়ে বসে ।
__ তোমার ভাবনার পরিবর্তনের কারন কি ব্রো? সন্দেহ দৃষ্টিতে চেয়ে আহানাফ জিজ্ঞেস করে ওঠে।
দামিয়ান হাতের কাগজগুলো থেকে দৃষ্টি সরিয়ে এক নজর তাকে দেখে এরপর আবারো নিজের কাজে মনোযোগ দেয়।
প্রতিবারের মতো তার শান্ত শীতল প্রতিক্রিয়া। আহনাফ হা করে শ্বাস ফেলে দামিয়ানের পাশে বসা সারাকে উদ্দেশ্য করে বলে,,
__ কারণ তুমি নাকি?
ফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকা সারা হঠাৎ আহানাফের কন্ঠ শুনে তার দিকে চোখ তুলে তাকায়।
__ কিসের?
আহানাফ হাসে,
__ কিসের আবার তোমার ফিয়ান্সের পরিবর্তন। কেনো তুমি কি কিছু জানো না? কিছু টা ঠাট্টা মিশ্রিত কন্ঠ তার। আহ এটা সত্যিই অদ্ভুত,
সারা কপালে ভাঁজ ফেলে,,
__ এখানে অদ্ভুত এর কি আছে সময়ের সাথে মানুষের পরিবর্তন হবে এটাই স্বাভাবিক।
আহানাফ তার ভাইয়ের দিকে তাকায় এক ই ভঙ্গিতে দামিয়ান নিজের কাজ করে চলছে।
__ সময়ের সাথে মানুষের জীবনের ধারা পরিবর্তন হয় তার ভাবনা না। ভাবনা পরিবর্তন হওয়ার জন্য জীবন একটা কারণ প্রয়োজন হয়।
আহানাফের কথায় সারা হেসে দামিয়ানের বাহুতে মাথা রাখে।
__ পাখি ছেড়ে দেওয়া এটা একটা ছোট বিষয় আহানাফ। এখানে ভাবনা, কারন হোয়াটএভার।
আহানাফ মাথায় দুলায়, তা ঠিক কিন্তু এতটাও হেলাফেলার বিষয় না।
সারা চোখ ঘুরিয়ে ফের ফোনের দিকে দৃষ্টি ফেলে এখনো তার মাথা দামিয়ানের বাহুতে রাখা । সে ফোনে দৃষ্টি রেখে মনে মনে বলে,
হয়তো আসলেই হেলাফেলার বিষয় না। তবে তার ভেবে মাথা ব্যথা করার ও বিষয় না। আর কি হবে ভাবনা দিয়ে যখন অলরেডি সব কিছু তার । সারা ঠোঁট বাঁকিয়ে হেসে ঘাড় ঘুরিয়ে দামিয়ানকে এক নজর দেখে এরপর সামনে টেবিলের উপর রাখা হিসাবের কাগজ যা হয়তো আশ্রমের।
ধরনীতে অন্ধকার নেমেছে আবরার ম্যানসনের চারপাশে আলোয় ঝলমল। দামিয়ান এখনো গেস্ট হাউসে সে তার হাতের ফ্যাক্টরির কাগজপত্র গুলো নিয়ে বসা থেকে উঠে কাবার্ডের দিকে এগিয়ে যায়। এরপর কাভার্ড খুলে ড্রয়ার ভেতর কাগজপত্র গুলো রাখতে যাবে তখনই হঠাৎ তার চোখে পড়ে কালো রঙের কারু কাজ করা চুলের কাঠি। যেটা ছিল আশ্রমের প্রানপ্রিয়া নামের অসহায় মেয়েটি।
দামিয়ান কাঠি টার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে। অতঃপর কাগজপত্র গুলো রেখে কাঠি হাতে নিয়ে আবার সোফায় গিয়ে পায়ের উপর পা তুলে বসে।
কালো রংয়ের কাঠিটা সে তার দু আঙ্গুলের মাঝে নিয়ে ঘুরায় এবং খুব মনোযোগ দিয়ে দেখা শুরু করে। দেখে নতুন মনে হচ্ছে হয়তো উপহার পেয়েছে না হলে কষ্টের উপার্জনের টাকা দিয়ে কিনেছে।
দামিয়ান আশা তাই করছে যদি এমন কিছু হয় তাহলে ফেরত পেতে সে যথাসাধ্য চেষ্টা করবে।কারন অবশ্যই সামান্য মেয়েদের কাছে সামান্য জিনিসের মূল্য অনেক বেশি হয়।
দামিয়ান বাঁকা হেসে সামনের টেবিলে উপর রাখা আশ্রমে হিসেবে খাতায় দিকে দৃষ্টি ফেলে যেখানে আশ্রমের দায়িত্বে যারা আছে তাদের ফোন নাম্বার লেখা।
__ সে আবারো আমার কাছে না চাইতে ও আসবে , দামিয়ান শব্দ করে হেসে সোফায় গা এলিয়ে দেয়।
প্রানপ্রিয়া সেলিনার সাথে বসে বাচ্চাদের পড়াশোনার সাহায্য করছিল। কিন্তু হঠাৎ মনে আসে তার স্কুলের বাচ্চাদের ক্লাস টেস্টের খাতা দেখতে হবে ।তাই বসা থেকে উঠে নিজের ঘরে যাওয়ার জন্য হাটা ধরে।
নিজের ঘরে আসতেই প্রথম দেয়ালে হাতরে লাইট অন করে ।বাহিরের অন্ধকার ঘরের অন্ধকার মিলে ভয়ঙ্কর এক পরিবেশ হয়েছিল। প্রানপ্রিয়া হা করে শ্বাস ফেলে টেবিলের দিকে এগিয়ে যায় তৎক্ষণাৎ বিছানার ওপর রাখা ফোনে মেসেজ আসার শব্দ।
প্রানপ্রিয়ার কপালে ভাঁজ, সে টেবিলের দিকে আর না গিয়ে বিছানায় কাছে গিয়ে ফোন হাতে নেয় ।নিশ্চিত সিম অফিস থেকে মেসেজ। সারা দিন ঘোড়ার ডিম আসতেই থাকে। মুখে কিছুটা বিরক্তি ভাব নিয়ে সে ফোনের স্ক্রিন অন করতেই তার কপালের ভাঁজ দ্বিগুণ।
সে কয়েকবার পরপর চোখের পলক ফেলে বিড়বিড় করে ঠোট আওড়িয়ে বলে ওঠে,,
__ প্রাইভেট নাম্বার থেকে মেসেজ?
প্রানপ্রিয়া কৌতুহল বসত দ্রুত নাম্বারে টাচ করে এতে গুটি গুটি অক্ষরে কিছু একটা লেখা সামনে চলে আসে। সে খুব মনোযোগ দিয়ে পড়া শুরু করে কিন্তু আকম্মিক তার মুখের রং পরিবর্তন হয়ে যায়। সাথে সাথে সে হাঁপিয়ে উঠে চোখ দুটো মিটমিট করে দ্রুত ড্রেসিং টেবিলের দিকে তাকিয়ে অধৈর্যের মতো এগিয়ে যায় এবং তন্ন তন্ন করে খোঁজা শুরু করে তার উপহার পাওয়া চুলের কাঠি যেটা ইভান তাকে কোনো এক সময় উপহার দিয়েছিল।
কিন্তু! কিন্তু!
প্রানপ্রিয়া ঠোঁট কামড়ে থেমে যেতে হয়। মনে পড়ে দুপুর বেলা স্কুল থেকে আসার পথে ওই পাগল লোক তার চুল খুলে ফেলেছিল।
সে মাথা হালকা কাত করে হতাশার শ্বাস ফেলে এরপর আবারো ফোনের মেসেজ টা দেখে যেখানে লেখা ছিল।
__ মিস প্রাণপ্রিয়া তোমার সুন্দর চুলগুলো বাধার জন্য কাঠির কি প্রয়োজন নেই?
প্রাণপ্রিয়া দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
কোনো উপায় নেই তার,
কথাগুলো যতবার সে বিড়বিড় করে ততবার মনে প্রশ্ন জাগে ওই লোকটার কাছে ই বারবার কেনো?
সকাল সকাল আশ্রমে খবর এসেছে জঙ্গলে ঝিলের সাথে যে আম গাছগুলো আছে সেগুলো কেটে ফেলা হবে। এরপর সেখানে অন্য কোনো ছোট গাছ লাগিয়ে সুন্দর বসার জায়গা তৈরি করবে।
খবরটা প্রাণপ্রিয়ার কানে পৌঁছাতে ই তার বুকটা বাড়ি হয়ে ওঠে। আশ্রমের কিশোর কিশোরীরা ও বলা শুরু করে ইসস আর প্রিয়া আপুর হাতে গ্রীস্মে আমের মুরব্বা খাওয়া হবে না। তবে প্রাণপ্রিয়ার ভাবনা অন্য কিছু ছিল। গাছগুলোর সাথে তার আবেগ সংযুক্ত তার মনে আছে আশ্রমে আসার পর থেকে সে ওই আম গাছ গুলোর ওপরে ই বসে থাকতো যেখানে তার শখের দোলনা বাধা ও রয়েছে।
প্রানপ্রিয়া দীর্ঘ গভীর শ্বাস ফেলে ।
গাছগুলো রেখে ও তো বসার জায়গা তৈরি করা যায়। তার মিনমিন কণ্ঠ।
সেলিনা রহমান দুজনেই চা পান করছিলেন প্রানপ্রিয়ার কথা শুনে বলেন,,
__ হ্যাঁ কিন্তু তারা যা ভালো বোঝেন তাই তো করবেন। হয়তো কয়েকদিনের মধ্যে কাজ ও শুরু হবে।
প্রানপ্রিয়া ফের দীর্ঘশ্বাস শ্বাস ফেলে,
ওওও আচ্ছা।
সে স্কুলের জন্য রওনা হয়।
সকাল সকাল এমন একটা কথা শুনে মনটাই তার খারাপ হয়ে গেছে। তার মধ্যে চুলের কাঠির ব্যাপারটা তো আছেই আরো মেজাজ বিগড়ে।
__ আচ্ছা অন্যের জিনিস লোকটা নিজের কাছে রাখতে পারে কিভাবে ?
প্রানপ্রিয়া ফোসফোস করে শ্বাস ফেলে সামনে থাকা এক ছোট ইটের টুকরোয় লাথি মেরে বসে। কিন্তু উল্টো সে নিজে হোঁচট খেয়ে রাস্তায় পড়ে যায়। সাথে সাথে দ্রুত দাঁড়িয়ে আশে পাশে তাকায় প্রানপ্রিয়া । ছি ছি সে এখন স্কুল শিক্ষক এভাবে রাস্তাঘাটে পড়লে মান সম্মান থাকবে নাকি ধুর,
আবরার ম্যানশনে আজ সারার মা বাবা আসবে তাই দুপুরের আয়োজনের তোড়জোড় চলছে। মিসেস রাইমা সার্ভেন্টদের যা যা রান্না হবে বুঝিয়ে বলছেন। সারা সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে রাইমার পাশে এসে দাঁড়ায়।
রাইমা সার্ভেন্টের সাথে কথা শেষ করে পাশ ফিরে তাকায়।
__ ঘরটা আবার আমার খালি হয়ে যাবে ।এক্সাম শেষ হলে কিন্তু দ্রুত চলে আসবে ।
রাইমা মুখে স্বচ্ছ হাসি নিয়ে সারার গালে হাত রাখে বললেন।
বিপরীতে সারা ও মিষ্টি করে হেসে মাথা নাড়ায়।
আজ রাতে সে তার বাবা মা সাথে চলে যাবে ফাইনাল এক্সাম নিজ বাড়ি থেকে ই দিবে বলে।
রাইমা সারা মাথায় হাত বুলিয়ে ফের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সারা নিজ জায়গায় দাঁড়িয়ে তার পাশ দিয়ে একজন সার্ভেন্ট যেতেই সে জিজ্ঞেস করে ওঠে,
__ দামিয়ান কি গেস্ট হাউসে?
সার্ভেন্ট মাথা নত করে বলে,,
__ ছোট সাহেব বাহিরে গেছে ম্যাম।
__ ওওওহ আর আহনাফ?
__ তিনি দোতলার বারান্দায় বসে কফি খাচ্ছেন?
সারা মাথা নাড়ায়, ঠিক আছে যাও।
সার্ভেন্ট যাওয়ার অনুমতি পেয়ে চলে যায়।
সারা হাসি মুখে আরেক সার্ভেন্ট কে কফির বানিয়ে দোতলার বারান্দায় নিয়ে আসতে বলে আবারো সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে চলে যায় ।
অতঃপর,,
বেলা গড়িয়ে চোখের পলকে যার যার ব্যস্ততার মধ্যে দুপুর পার হয়ে বিকেল বিকেল ভাব। পশ্চিম দিকে সূর্য ঢলে পড়েছে চারপাশের আকাশে লাল আভা মৃদু বাতাসে গাছপালার পাতা হেলেদুলে নড়ছে।
মিস্টার রহমান আশ্রমের গেট দিয়ে বের হয়ে দ্রুত পায়ে হাঁটছে। তার হাঁটে কিছু কাগজপত্র। এদিকে প্রানপ্রিয়া ও স্কুল থেকে ফিরছে আজ কিছু টা দেরি হয়ে গেছে স্কুলের কিছু কাজের জন্য।
প্রানপ্রিয়া দূর থেকে রহমান কে দেখতে পায় তাই গতি বাড়িয়ে তার দিকে এগোয় অতঃপর দুজন দুজনের অনেকটা কাছে চলে আসতে ।
প্রাণপ্রিয়া কিছু বলতে যাবে তার আগে মিস্টার রহমান প্রানপ্রিয়ার দিকে তার হাতের কাগজগুলো দিয়ে বলে ওঠেন।
সে খলনায়ক পর্ব ৩৬
__ কি যে ভালো হয়েছে তোমার সাথে দেখা হলো। বাজারে ফোন রেখে এসে পড়েছি ভুলে এখন না গেলে পরে আর পাবো না। তুমি একটু কষ্ট করে আশ্রমের মাসিক হিসাবের কাগজগুলো ছোট সাহেবের কাছে দিয়ে আসো।
রহমান কথাগুলো বলে আর এক মুহূর্তে দাঁড়ায় না। সে বড় বড় কদম ফেলে প্রানপ্রিয়াকে পাশ কেটে চলে যায়।
প্রাণপ্রিয়া হাতের কাগজ নিয়ে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে। এটা ঠিক ওই লোকটার কাছে তার উপহার পাওয়া চুলের কাঠি তবুও তাকে এড়িয়ে চলতে চেয়েছিল তার কাঠিটা আনা প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও কিন্তু ভাগ্যের লিখন সবসময় হয়তো তার ভাবনার বিপরীতে।
প্রানপ্রিয়া হতাশার শ্বাস ফেলে হাতে কাগজ গুলোর দিকে তাকায় এরপর আবরার ম্যানশনের পথের দিকে।
