অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা পর্ব ১
Sathi
“বান্ধবীর সাথে বাজি ধরে রাস্তায় একটা লোককে চু’মু খেয়েছিলাম। লোকটা যে সিআইডি অফিসার ভাবতে পারিনি। আজ নিজের এলাকায় সিআইডি অফিসার হিসাবে দেখে ভীষণ অবাক হলাম।
“কিন্তু আজকে এইভাবে দেখা হয়ে যাবে ভাবিনি। লোকটা একদম আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। কেমন করে যেন তাকাচ্ছে। এমন তাকানো দেখে ভয় হয়। আজকে উনি আমাদের এলাকায় একটা কেসের জন্য এসে। উনাকে দেখে রাস্তা দিয়ে এক দৌড় প্রতিযোগিতায় নাম দিয়েছি।কিন্তু পিছন পিছন চলে আসবে ভাবতে পারিনি।
” কালকে যখন প্রথম কলেজে গিয়ে বান্ধবীদের সাথে দেখা করি তারা আমার সাহসের উপর আঙুল তোলে, তাই রাগে তাদের কথায় রাজি হই। শর্ত ছিল, গেটে প্রথম যে ঢুকবে তাকে চু*মু খেতে হবে। আমিও নির্ভয়ে রাজি হয়ে গেলাম।
“সেদিন প্রথম গেট দিয়ে ঢুকে ইনি। মানে সিআইডি অফিসার জেহেফিল এহসান। কিছু না বুঝেই উনাকে এক চু*মু দিয়ে বাড়ি চলে আসি সেইদিন।
“হঠাৎ করে ভাবনার মাঝে গম্ভীর ভারী কর্তৃত্বপূর্ণ স্বরে লোকটা বলে উঠে।
__ এই মেয়ে, দৌড়াচ্ছো কেন? আমি বা*ঘ না ভা*ল্লুক? নাম কী তোমার?এইদিকে এসো।
” লোকটার কথায় ভয়ে ভয়ে কাঁপা পায়ে এগিয়ে গেলাম। হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছে। নিচু স্বরে জবাব দিলাম
__ সেতু।
__ বেশ সুন্দর নাম। এখন আর একটু কাছে এসে কালকে যেমন চু*মু দিয়েছো, তেমন একটা ফটাফট চুমু দাও তো দেখি।
__ কি?
” লোকটার এমন কথায় ভড়কে যায় সেতু। কেঁদে দেবে দেবে ভাব। ফাঁকা রাস্তা, চারপাশে কেউ নেই, লোকটা এসব কি বলছে? তার মাঝেই আবারো ধমক দিয়ে উঠে।
__ কি হলো, কি? চু*মু দাও।
__ কি বলছেন কি? চু*মু কেন দেবো আপনাকে?
__ কালকে তো দিয়েছো, আজকে দিলে প্রবলেম কি? কালকে তোমার চু*মু খাওয়ার পর থেকে ঘুম আসছে না। দেখি তাড়াতাড়ি চু*মু দাও।
__ দেখুন, ভালো হচ্ছে না কিন্তু। যেতে দিন আমাকে।
__ ওকে, যাও। তবে তোমার কর্মকাণ্ড তোমার মাকে বলছি।
” লোকটার কথায় বাজ পড়ে সেতুর মাথায়। বলছে কি এই লোক। বাসায় জানলে তো তাকে মে*রে ফেলবে। ভয়ে গলা শুকিয়ে যায়। তাড়াতাড়ি করে লোকটাকে বলে ওঠে।
__ প্লিজ, এমন করবেন না। আমাকে আম্মু মে*রেই ফেলবে।
__ তাহলে চু*মু দাও।
” লোকটার সোজাসুজি কথায় সেতু অসহায় চোখে আশেপাশে তাকায়। কাউকে দেখতে না পেয়ে কালকের মতো একদম কাছে এগিয়ে আসে। কালকে ভয় না লাগলেও আজকে ভীষণ ভয় লাগে। বু*কের ভেতর কাঁপুনি ধরেছে। হাত-পা ও অবশ অবশ অনুভব হয়।
“কিছুক্ষন থেমে, ভয়ে চোখ বন্ধ করে তাড়াস করে চু*মু দিয়ে কালকের মতো এবারও এক দৌড় মা*রে।
” চু*মু খে”য়ে জেহেফিল গালে হাত দিয়ে রাখে। তার ইচ্ছা করে গালের চা*মড়াটা নিয়ে খালি চু*মু খেতে। পিছন ফিরে সেতুকে দেখে মনে মনে বলে।
তোমার আর ছাড় নেই, মেয়ে…
” ৪টা।
” সেতু মাত্র কলেজ থেকে বাড়ি ফিরছে। বাসার বাইরে নতুন জুতা দেখে অবাক হয়। কে এসেছে? ভাবতে ভাবতে ভিতরে ঢুকে ভয়ে ঢোক গিলে।
“এই লোকটা এইখানে কেন?”
” সেতুকে দেখা মাত্র জেহেফিল দাঁড়িয়ে যায়। সেতুর মায়ের দিকে তাকিয়ে ঠোঁ*টে দুষ্টু হাসি ঝুলিয়ে বলে।
__ চলে এসেছে আমার ভবিষ্যৎ চু*মুখুর বউ। আপনার মেয়ে আমার চু*মু দিয়ে ভা*র্জি*নিটা নষ্ট করে দিয়েছে। এই মেয়েকে আমার চাই, চাই। যাতে দিনরাত এমন মিষ্টি মিষ্টি চু*মু খেতে পারি। দুই চু*মুতেই আমাকে নেশা ধরে দিয়েছে।
“নির্লজ্জের মতো কথাগুলো বলে জেহেফিল দাঁত কেলায়। সেতুর মা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। ছেলেটা এসেছে অনেকক্ষণ তবে এতক্ষণ বোবার মত ছিল। সে তো ভেবেছে। কথা বলতে পারেনা, কিন্তু মেয়ের নামে এমন কথা শুনে ক্ষেপে যায়।
“অন্যদিকে ভয়ে শেষ সেতু। ল*জ্জা*য় মাথা নিচু করে, বাকা চোখে মায়ের দিকে তাকাতেই দেখে উনি ভীষণ রেগে আছেন। মায়ের দৃষ্টি আ*গু*নের মতো জ্ব*লছে। মনে মনে ভয় হয়।..”এই নির্লজ্জ লোকটার কথা শুনে আবার বিয়ে দিয়ে দেবে না তো? মনে মনে আতঙ্কে জমে যায় সে।”
__ প্রথমবার মাফ করে দিয়েছিলাম। কিন্তু আজকে সকালেও একই কাজ করেছে। ব*কেটের মতো আমাকে টে*সে ধরে চু*মু খেয়েছে। দুই দুইবার আমার ভা*র্জি*নিটা নষ্ট করেছে। এখন এই মেয়েকে আমার চাই!
” কথাগুলো এমন গম্ভীর মুখে বলে জেহেফিল, যেন দেশের বড় কোনো ক্রাইম রি*পোর্ট করছে।
“সেতুর মাথা ঝিমঝিম করে ওঠে।দুই দুইবার ভা*র্জি*নিটি ন*ষ্ট? মনে মনে হিসাব করতে থাকে। “”
ভার্জিনিটি কি লাড্ডু? একবার খেলে শেষ, আবার নতুন বানায়?”
__ দেখুন আন্টি, আমি খুব সৎ মানুষ। আমার সম্মান নিয়ে খেলেছে আপনার মেয়ে। আমার পবিত্র গাল আর ঠোঁ*ট এখন আর আগের মতো নিষ্পাপ নেই। আমার গালের প*বিত্র*তা নষ্ট করেছে, তাকে বিয়ে করেই ছাড়বো!
” কথাটা বলেই বুকের উপর হাত রাখে, যেন বুকে তী*ব্র ব্য*থা। সেতু হতবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। এই লোকটা সিআইডি অফিসার, না নাট্যশিল্পী? এতক্ষন পর সেতুর মা কড়া চোখে তাকিয়ে বলল।
__ কি আজেবাজে কথা বলছো? চু*মু খেলে আবার কার ভা*র্জি*নি*টি নষ্ট হয়? আর আমার মেয়ে এমন না।
“জেহেফিল গম্ভীর মুখে উত্তর দেয়।
__ আন্টি এটা আধুনিক যুগ। এখন গালেরও ভা*র্জি*নিটি থাকে। দুইবার কিস মানে দুইবার ইতিহাস সৃষ্টি। আর আপনার মেয়ে কেমন এই যে দেখুন।
” বলেই জেহেফিল নিজের ফোনটা এগিয়ে দেই। যেখানে স্কিনে জ্বলজ্বল করছে সকালে দেওয়া চুমুর দৃশ্য। ভয়ে দুক গিলে সেতু। মায়ের চোখ দেখে ভয়ে কেঁপে উঠে।
