Home এক রহস্যময় ভালোবাসা এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৫৯

এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৫৯

এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৫৯
Chadny islam

ইরা বিছানার এক পাশে সুয়ে আছে বেশ অনেক খন যাবত! রাতের খাবার অলরেডি সবারি খাওয়া শেষ! বাইরে অল্প ঝিমঝিম বৃষ্টি,তার মধ্যে প্রচন্ড ঠান্ডা, সেই সাথে কুয়াশায় মুরানো চার পাশ টা! ইরা বিছানা ছেড়ে চাদর জড়িয়ে ওঠে গেলো বেলকনিতে! কিছু সময় নিয়ে তাকিয়ে দেখলো বাইরের পরিবেশ টিকে, মনের অজান্তেই কিছু ভাবনার ছেদ ঘটে,

রোশান এর সাথে প্রথম সাক্ষাৎ এর কথা, সেদিন বাইরে অনেক বৃষ্টি ছিলো!হঠাৎ দেখা হওয়া মানুষ টাকে কখন যেনো, মনের অজান্তেই তাকে দেখে ভালো লাগার কাজ করে ছিলো! তার ব্যবহার ছিলো মনোমুগ্ধকর, তবে, ভালো লাগা এবং ভালোবাসা এক নয়, ভালো লাগা ভুলে যাওয়া যায়, তবে ভালোবাসা ভুলার নয়, তা চিরস্থায়ী এবং চিরস্মরণীয় হয়ে বেঁচে থাকে সারা জীবন! মানুষ এর মনের মনিকোঠায়!
রোশান এর কথা ভাবতেই ঠোঁটের কোণে অল্প হাসির রেখা! তার ঠোঁটের হাসি বলে দিচ্ছে,তার ভাবনারা ঠিক কতটা সুন্দর!

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

আদিল বেশ অনেক খন যাবত ল্যাপটপে কাজ করছিলো, কি করছিলো জানা নেই, বিকেলে আদিল এর গাল ফুলানো, সেই সাথে ইরার অভিমান সব একএে এসে উদয় হয়েছে!
আদিল মনে মনে বেশ অনেক টাই খুশি, কারন তারা সামনের সপ্তাহে হানিমুনে যাচ্ছে! ইরা কে এখনো জানানো হয়নি, ইরা কে জানানোর পর তার কি রিয়াকশন হয়ে সেটাই দেখায় অপেক্ষা!
ঈশান এর ব্যাক্তিগত মতামত অনুযায়ী হয়তো তারা কক্সবাজার যাবে, দেশের বাইরে অনেক ঘুরাঘুরি করা হয়েছে! এখন না হয়,দেশ টাকে উপভোগ করা যাক! হয়তো ইরা এখন আর যাওয়া নিয়ে তেমন আপওি জানাবে না! আপওি করলেও সমস্যা নেই জোর করেই তাকে নিয়ে যাওয়া হবে!
ইরার এক পাশে গিয়ে আদিল দাড়ালো অপরাধীর মতোন, ইরা এক বার আদিল কে দেখে এর পর আবার চোখ ফিরিয়ে নিলো, পর মূহুর্তে মনোযোগ দেয় বাইরের দিকে!আদিল গত দুইদিন যাবত বাসায় ছিলো না, কোনো যোগাযোগ ছিলো না কারোর সাথে! সে ক্ষেএে ইরার রাগ করা টাও বেশ স্বাভাবিক! আদিল ইরার এক হাত টেনে নিজের দিকে গুরিয়ে কানে দুই হাত বুঝে গলার স্বর খাদে নামিয়ে মাথা নিচু করে বললো!!

____সরি, আর যাবো না তোমাকে না বলে কোথাও! প্রমিজ!
ইরা আদিল এর দিকে একবার নজর বুলিয়ে, ফের তাকালো বেলকনির দিকে, রাতে অন্ধকারের জন্য আশপাশটা তেমন ভালো ভাবে কিছুই দেখা যাচ্ছে না! বরং শুশুশু করে হাওয়া প্রবাহিত হচ্ছে, কনকনে ঠান্ডা শীতল হাওয়া!ইরা যে বড্ড রেগে আছে আদিল বুঝে ফেললো!মূহুর্তেই আদিল কোলে তুলে নিলো ইরা কে, ইরা ঠান্ডায় ঠকঠক করছে তবুও নিজের জেদ ফলানোর জন্য, জায়গা ত্যাগ করছে না! আদিল কোল থেকে নামিয়ে ইরা কে বসিয়ে দিলো বিছানার উপর, এরপর পাশেই গুছিয়ে রাখা কম্ফোর্ট টিকে এলোমেলো করে ডেকে দিলো ইরার শরীর! সাথে সাথে এসির পাওয়ার টাও কমিয়ে দিলো!
আদিল ইরার সামনে হাঁটু ভেঙে বসে কানে হাত দিয়ে বললো!!

___ তোমাকে না বলে আমি আর কোথাও যাবো না, আই প্রমিজ!
ইরা তাকাচ্ছে না, আদিল এর দিকে! এখন কি করবে আদিল! বউ এর রাগ তো যেকোনো ভাবেই ভাঙ্গাতে হবে! আদিল ইরার জন্য আসার সময় একটা সুন্দর গিফট নিয়ে এসে ছিলো! সেইটা বিছানার উপর রাখা আদিল হাত বাড়িয়ে গিফট টা কে নিজের কাছে আনলো! প্যাকেট টা খুলে ইরার হাতে দিয়ে বললো!!
___এইটা তোমার!

ইরা তাকালো না গিফট এর দিকে, বরং উল্টো রাগ কমে যাওয়ার জায়গায় আরও বেড়ে গেলো, সেই সাথে অভিমান ও!এত দিনে এই চিনলো নিজের বউ ক, শেষ মেষ কিনা গিফট দিয়ে” মানে ঘুষ দিয়ে তারপর রাগ কমাবে!ইরা রাগের সাথে সাথে বিরক্ত ও হলো বেশ!
আদিল ইরা কে যেনো কোনো রকম মানাতে পারছে না, রাত ও বেড়ে যাচ্ছে অনেক!কিভাবে কি করবে বুঝতে পারছে না, যদি হুট হাট জড়িয়ে দরলে আবার ও ওয়াশরুমের ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়, তখন কি হবে এই শীতের মধ্যে, সেই সাথে ওয়াশরুমের বাজে ইসমেল! আদিল এর বড্ড মন খারাপ হলো, আল্লাহ সুন্দরী বউ দিছে, ইট’স ওকে, বাট নরমাল ওয়াইফ দিলে কি এমন হতো, খুব বেশি কি ক্ষতি হয়ে যেতো!
ইরা পিপারেশন নিচ্ছে সুয়ে পরবে বলে, সেই সাথে সাথে সুয়ে ও পরলো!আদিল হাতের প্যাকেট টাকে কার্বাডে গিয়ে রেখে আসে! গোল্ডের সেট বেশ দামি, বউ কে খুশি করার জন্য পাঁচ লাখ টাকার অধিক দাম দিয়ে কিনে নিয়ে এসেছে, শুধু মাএ বউ কে খুশি করার জন্য!কিন্তু দুরভাগ্য বশত কাজ হলো না! এই মেয়ে টাকে এত তাড়াতাড়ি ভুলানো যাবে না, অনেক টাইম লাগবে!

আদিল রুমের দরজা, সেই সাথে রুমের লাইট ওফ করে ইরার পাশে সুয়ে পরে! ইরা আদিল এর দিক ঘুরে নয়, বরং উল্টো হয়ে সুয়ে আছে! ছেলেদের বিয়ের পর বেহায়া এবং বিড়াল হতে হয়! তাহলে নাকি সংসার সুখের হয়!এই নারী যে কেনো বুঝে না, আদিল সিকদার যে সবসময় তার সামনে বিড়াল হয়ে থাকে! তবে বেহায়া হতে একটু লজ্জা করতো, তবুও সমস্যা নেই আমি তাও বেহায়া হয়ে যাবো!
যেই বলা সেই কাজ, আদিল এগিয়ে গেলো ইরার দিকে, ইরার কোমর টেনে শক্ত করে জড়িয়ে দরলো পেছন থেকে! মুখ গুঁজে দিলো গাড়ে, পরপর কয়েক টা চুমু দিয়ে আদুরে গলাই বললো!!

___আই প্রমিজ!আমি আর কখনো এমন টা করবো না!প্লিজ টাস্ট মি.
ইরা তাও কথা বলে না, কারন সে শক্ত পোক্ত ভাবেই প্রস্তুতি নিয়েই রাগ করে আছে! গত দুইদিন যাবত বাসায় আসে নি! তখন তো তাকে মিস করে নি, তবে এখন কেনো এত ডং করছে! ইরা নিজের পেটের উপর থেকে আদিল এর হাত সরানোর চেষ্টা করতে লাগলো!
আদিল তো নাছোর বান্ধা, কোনো ভাবেই ছাড়ছে না বউকে, আজকে যে ভাবেই হোক রাগ কমিয়ে একটু ৯/৬ করে তারপর ঘুমাবে! গত দুইদিন ৯/৬ করা হয়নি,এবং বউ কে জড়িয়ে দরে ঘুমানো হয়নি! তার শোধ তুলতে হবে না যে ভাবেই হোক!আদিল ইরার এলো-মেলো চুল গুলো কে হাত দিয়ে সরিয়ে মুখ ডুবালো গাড়ে, এরপর আবারও বললো!!

____বউ, ও বউ, দেখো আমি সত্যিই সরি, আর করবো না এমন!
এরপর ও ইরার কোনো কথা নেই সে চুপচাপ, আদিল বুঝলো, আজকে তার এসব ড্রামাই কাজ হবে না, নতুন কিছু করতে হবে কি করা যায় , ভাবতেই মনে পরলো, আদিল ইরাকে ছেড়ে দিলো, এর পর রুমের লাইট ওন করে চার্জ থেকে ফোন বের করে, সোজা গিয়ে বসলো সোফায়, এরপর ঈশান কে একটা কল করলো, এবং বলতে শুরু করলো,,,

____কি গো কেমন আছো!
অপর পাশ থেকে উওর আসছে, ঘুম জড়ানো কন্ঠে!!
____ডেট ওভার মাল খাইছোস,রাত কইটা বাজে দেখছিস একবার, আর তুই আমাকে তুমি তুমি বলছিস!
আদিল কোনো ভাবে বুঝতে দিলো না ইরা কে, কল টা ঈশান কে করা হয়েছে, এরপর আদিল বললো!!
____হ্যা তোমাকে তো তুমিই বলবো তাইনা, তুমি আমার কত প্রিয় জানো না! এই কনকনে ঠান্ডা হাওয়ায় মাঝে তোমার কথা বড্ড মনে পরছে!
ইশান রাগে কিরমির করে উঠছে, রাত প্রায় বারো টার কাটায়, ঈশান রাগে রিরিরি করে বললো!!

___সালা ফ্ল্যাট করিস, আসতেছি তোরে লাথী মেরে ছাদ থেকে ফেলে দেয়ার জন্য!
এত বকা খাওয়ার পর এই জীবনে প্রথম আদিল কে এত হাসতে দেখা যাচ্ছে, যে ভাবেই হোক বউ কে তো বোঝাতে হবে, সে অন্য কোনো মেয়ের সাথে কথা বলছে! তার রাগ হোক জেদ হোক, তারপর একাই উঠে চলে আসবে কথা বলার জন্য!আদিল মুচকি মুচকি হেসে বললো!
____চলে আসো আমার কাছে, আমার বউ বাপের বাড়ি গেছে! আই মিস ইউ….
অন্যদিকে ঈশান এর অবস্থা নাজেহাল, তার মনে হচ্ছে এই মূহুর্তে আদিল কে কাছে পেলে পানিতে ডুবিয়ে মারতো, ঈশান শক্ত গলাই বললো!!

____সালা লুইচ্ছা, কুওা হারামি, এত রাতে ফোন দিয়ে আমার ঘুম ভাঙালি! সালা তোর নানীর….মা°°রে বাপ!
ঈশান আরও কত গুলা বকা দিয়ে মুখের উপর ফোন টা কেটে দিলো! আদিল কপাল কুঁচকালো রাগ হলো, তবুও কিছু বললো না! ইরা কে বুঝতে দিলো না কল টা কেটে দিয়েছে ঈশান !
অন্যদিকে ইরা রাগে ফুলে ফুটবল হয়ে গিয়েছে, যে কোনো সময় তা ঠাস করে পানচার হয়ে যাবে! আদিল তো সেইটা দেখার জন্য বসে আছে! ইরা কে আরেক টু রাগানোর জন্য,আদিল বললো!!
___তোমার মনে আছে বেবি,আমাদের ফাস্ট টাইম কিস এর কথা! এরপর রুম ডেট…….!
আদিল এর বলা কথাটা এবার কাজে দিয়েছে! ইরা বিছানা ছেড়ে সোজা চলে এসেছে আদিল এর সামনে! আদিল সোফায় সুয়ে আছে, কোনো রকম ইরা কে পাত্তা দিলো না, কথা বললো না, বরং একটু তাকিয়ে আবার ও কথা বলার কাজে মন দিলো!!

____হ্যা বেবি বলো, আসতে বলছো এখন এত রাতে, আমি কিভাবে আসবো আমার তো বাইরে ভয় লাগে!
ইরা দেখছে, কিছু বলছে না, কিন্তু তার চোখ অনেক কিছু বলছে, চোখের কোন ঘেসে পানি টলমল করছে যখন তখন তা বন্যা হয়ে ঝরে পরবে! আদিল বললো!!
____তুমি আসবে আর , আমাকে নিয়ে যাবে,ওহহহ সো সুইট বেবি লাভ ইউ সো মাচ…!
ইরার মুখে যেনো এবার কথা ফুটলো, সে সাথে চোখের পানি ও পরছে টলমল করে, হয়তো ফ্লোর পর্যন্ত তা পৌঁছে গেছে এতখনে! অভিমানী গলায় বললো!!
___আপনি প্রমিজ করে ছিলেন, আর কখনো কোনো মেয়ের সাথে কথা বলবেন না! কিন্তু আপনি…..
ইরা কথা শেষ করতে পারলো না তার আগেই ঝরঝর করে কেঁদে উঠলো, আদিল সোফা থেকে ওঠে ইরার চোখের পানি মুছে দিতে চাইলে ইরা মুখ ফিরিয়ে নেয় আর বলে,
___লাগবে না, আপনি ওই মেয়ের কাছের চলে যান!
আদিল এবার একটু ভালোবাসা দেখিয়ে বললো!!

____°আমি তো তোমার কাছে থাকলে চেয়ে ছিলাম, তুমি তো রাখলে না তাই চলে যাচ্ছি, আমার জামা কাপড় গুলো একটু গুছিয়ে দাও! আমাকে নিতে আসছে!
তাহলে আপনি এই দুইদিন ওই মেয়ের কাছে ছিলেন???
আদিল মাথা চুলকাতে শুরু করলো , এইটা কি হলো কি বুঝাতে চেয়ে ছিলাম আর কি হলো, এই মেয়ে কি বুঝে ফেললো এখন কি হবে! আদিল ভাবলো,তবে উওর নেই! ইরা খামচে দরলো আদিল এর শার্ট! শক্ত করে জড়িয়ে দরলো আদিল কে! এবং ঝরঝর করে কেঁদে উঠলো! আর বললো!!!
____আপনি আমাকে কেনো ঠকালেন! আমি তো আপনাকে ভালোবেসে ছিলাম!
আদিল বুঝলো ইরা সবটা সত্যি সত্যি ভেবেছে, শুধু শুধু মেয়ে টাকে এত টা কাঁদানো ঠিক হচ্ছে না! তাই আদিল নিজের ফোনের কল লিষ্টটা দেখিয়ে বললো!!

____ঈশান এর সাথে কথা বল ছিলাম, কোনো মেয়ে ছিলো না, দেখো আমার কসম! তোমাকে রাগানোর জন্য এমন টা করেছি! সরি বউ, এই দেখো কানে দরছি!
ইরা শুকনো ডোক গিলল, তাকে কাদানোর জন্য এবং কষ্ট দেয়ার পাঁয়তারা করা হয়ে ছিলো! ইরা চোখের পানি মুছে নিলো, এরপর আদিল এর শার্ট ছেড়ে দিয়ে এগিয়ে গেলো বিছানার দিকে, ইরা কে চলে যেতে দেখে আদিল ইরার হাত টেনে দরলো! নিজের ঠিক সামনে এনে দাঁড় করালো, এরপর দু’হাতে কোমর চেপে দরে ঠোঁট বুঁজে দেয় ইরার ঠোঁটে, ইরা শক্ত করে খামচে দরে আদিল এর শার্ট, হয়তো আদিল ঠিক এই মূহুর্তের অপেক্ষায় ছিলো,
সুযোগ টা লুটে নিলো আদিল, অবাধ্য হাতের ছোঁয়া এলো-মেলো হতে লাগলো, সেই সাথে নিশ্বাস ভারী হতে লাগলো! একটু একটু করে খুব থেকে খুব কাছা কাছি একে অপরের সাথে বিলীন হতে লাগলো! এই ভাবে চলতে লাগলো বেশ কিছু সময়!

আদিল দুই হাতে শক্ত করে কোলে তুলে নিয়ে এগিয়ে গেলো বিছানার দিকে! ইরা নামার জন্য ছটপট করতে লাগলো, এখন কিছুটা সংকোচ বোধ করছে! আদিল বিছানার উপর সুয়ে দিয়ে, নিজের শার্ট এক টানে খুলে ফেললো,এরপর বিছানার দিকে এগুতে লাগলো! সেই সাথে ইরা পেছাতে থাকে, এক সময় বিছানার শেষ মাথায় চলে গিয়েছে, ধপাস করে নিচে পরে যাবে ঠিক তখন আদিল শক্ত পোক্ত হাতে দরে ফেললো, এবং নিজের শরীরের সাথে মিশিয়ে নিলো!
ইরা ভারী ভারী নিঃশ্বাস ফেলে বললো!!

এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৫৮

____কি করছেন!!
আদিল ইরার এলোমেলো চুলের দিকে তাকিয়ে, ঠোঁটে ঠোট কামড়ে মৃদু হেসে বললো!!
___৯/৬ করছি!
ইরা মাথা নেড়ে, না না করতে লাগলো অন্যদিকে,
আদিল একটানে খুলে ফেললো, ইরা পরিহিত সমস্ত জামাকাপড়! সমস্ত নিরবতা ভেঙে জড়িয়ে নিলো নিজের অনুমুক্ত শরীরের সাথে! সারা শরীরে একে দিলো ছোট ছোট গাড়ো চুমু!মূহুর্তেই একে অপরের সাথে সম্পূর্ণ ভাবে বিলীন হয়ে গেলো!

এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৬০