এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৬১
Chadny islam
আমরা না! কিছুদিন পর কক্সবাজার ঘুরতে যাই!!!!
ঈশান কপাল কুঁচকালো,সাথে অবাক হলো, জুথী হঠাৎ কেন যেতে চাইছে না, কিছু হয়েছে, ঈশান উঠে দাড়ালো এগিয়ে গেলো জুথীর দিকে, কপালে হাত রেখে দেখে নিলে জ্বর ঠান্ডা লেগেছে কিনা! কি অদ্ভুত এমন কিছুই হয় নি তাহলে যাবে না কেনো? ইশান বেশ কিছুটা বিরক্তি নিয়ে বললো!!!
___কি হয়েছে তোমার??? আই ইউ ওকে??
জুথী বেশ স্বাভাবিক ভাবে বললো!!
___আমার পিরিয়ড হয়েছে, পেটে অনেক ব্যাথা করছে, এই শরীর নিয়ে আমি কোথাও যাবো না! প্লিজ বাসায় চলুন!!!
ঈশান জুথী কে শক্ত করে বুকে জড়িয়ে দরলো, তার এই সময়,,পিরিয়ড মানে!! জুথী আবার ও বললো!!
___চলুন না!!
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
ঈশান আর এক মিনিট ও দাঁড়ালো ন, জুথী কে নিয়ে সোজা বেরিয়ে গেলো সিকদার মহল থেকে! ঈশান গাড়ি ডাইভিং করছে, পাশেই জুথী ঈশান এর গাড়ে মাথা রেখে সুয়ে আছে, আর ভাবছে, সরি ঈশান আপনাকে মিথ্যা কথা বলার জন্য!আমি চাইলেও আপনাকে জানাতে পারছি না ইরার প্রেগন্যান্সির খবর টা! আশা রাখছি ইরাই সবাই কে এই জানাবে! ঈশান দ্রুত গাড়ি চালাচ্ছে, যে করেই হোক তাড়াতাড়ি ডক্টর এর কাছে নিয়ে যেতে হবে! গাড়ির মাঝে এসি তারপর ও ঈশান ঘামচে, তাকে দেখে বোঝা যাচ্ছে, সে ঠিক কতটা চিন্তিত জুথী কে নিয়ে!
জুথী ঈশান এর হাতের উপর হাত রেখে বললো!!
___বাড়িতে আমার মেডিসিন আছে, বাসায় চলুন!
ঈশান মানতে রাজি নয়, জুথী কে নিয়ে ডক্টর দেখিয়ে তারপর বাড়ি যাবে! এখন জুথী সেইটার ভয় পাচ্ছে ডক্টর এর কাছে যাওয়া যাবে না কোনো ভাবে, বরং বাড়ি যেতে হবে! জুথী ঈশান কে উদ্দেশ্য করে বললো!!!
____আমাকে অনেক ভালোবাসেন তাই না???
জুথীর হঠাৎ এমন প্রশ্নে ঈশান তাকালো জুথীর দিকে, ঈশান এর উওরের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে জুথী! ঈশান এক হাতে গাড়ি ডাইভিং করছে তো অন্য হাতে জুথীর কপাল নিজের কাছে টেনে এনে, শব্দ করে একটা চুমু খেয়ে তারপর বলে!!!
____শুধু ভালোবাসি বললেও কম হয়ে যাবে!
“জানেন!!
“কি জানবো, জানাও আমাকে??
“আম্মু কল করে ছিলো!!
“কেনো?
“আমাদের কে যেতে বলেছেন, সবাই চাইছে আমি যেনো আপনাকে নিয়ে আমাদের বাসায় যাই!
“ওকে!
ঈশান এর অল্প উওর, সে যেতে চাই না একদম, কিন্তু যেতে তো তাকে হবেই বউ এর মন রাখতে! সব কিছু ছেড়ে সে আমার কাছে এসেছে! একে কষ্ট দিলে স্বয়ং আল্লাহ পাক আমার উপর নারাজ হবেন!!
“এত গুলা পাসপোর্ট কার????
আদিল বার বার শুকনো ডোক গিলছে, কি বলবে এখন এত দ্রুত ” যদি ইরা দরে ফেলে মিথ্যা টা, আদিল শক্ত হাতে মাথা চুলকালো, বার বার ডোক গিলছে! থতমত খেয়ে যাচ্ছে! আদিল দ্রুত ইরার হাত থেকে পাসপোর্ট নিজের কাছে নিয়ে নিলো, পাসপোর্ট খুলেই তো নাম দেখে ফেলবে তখন আরেক ঝামেলা! আদিল পাসপোর্ট হাতে নিয়ে বললো!!
___আসলে, মানে
‘””এত মানে মানে করছেন কেনো, পাসপোর্ট চার টা কার? নিশ্চয় আপনার নয় তাই না!!! আমার সঠিক উওর টাই চাই! মিথ্যা বললে এখানেই কেটে রেখে দিবো!
বউ এর ছোট খাটো হুমকির মুখে পরে আছেন, স্বয়ং এমপি আদিল সিকদার এইটা কি মানা যায়, আদিল শুকনো ডোক গিলল, এরপর জিব দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে বললো!!
____আসলে এই পাসপোর্ট গুলা আমার কিছু ছাএলীগ এর, যাদের কে রাজনৈতিক কিছু কাজে দেশের বাইরে পাঠানো হবে!
“হুম ওকে! বাট আপনি কাপতেছেন কেনো! আর ইউ ওকে??
আদিল এর মনে হলো হয়তো ইরা কথাটা বিশ্বাস করছে! করতে বাধ্য এমন অবুঝ এর মতোন কথা বললে যে কেউ বিশ্বাস করবে! আদিল ইরার কাছে আরেক টু বিশ্বাস যোগ্য হওয়ার জন্য আগ বাড়িয়ে বললো!!
___তুমি আজকাল আমাকে একদম বিশ্বাস করো না!! আর ভালেবাসার কথাটা নাই বা বলি!!!
ইরা কি তবে শুধু শুধু সন্দেহ করছে নিজের স্বামী কে কোনো কারন ছাড়াই, যেহেতু আদিল একজন এমপি তার কাছে এক্টা পাসপোর্ট থাকা টাও দুষের নয়! এত কিছুর পরেও ইরার মনে আদিল কে ঘিরে সন্দেহ টা রয়েই যায়!সে মিথ্যা হেসে আদিল কে মানানোর জন্য বললো!!
___ভালোবাসা প্রকাশ করতে নেই, তাহলে সস্তা হয়ে যায়!
“আর যদি বলেন বিশ্বাস এবং সন্দেহের কথা তাহলে আমি বলবো,
যেখানে ভালোবাসা থাকে, সেখানে সন্দেহ থাকাটা মন্দ নয়!!
ইরা ইলিয়ে বিলিয়ে যে আদিল কে ভালোবাসে সেইটা বোঝালো, তবে সোজা ভাবে প্রকাশ করলো না, স্বামী কে ভালোবাসা অপরাধ নয়, এবং প্রকাশ করাতেও! এই নারীর মাঝে কেনো এত জিদ রাগ অভিমান! আস্ঠে পিষ্টে ভালোবাসলে কি হয়! কম পরে যায়! কিপটা মহিলা, আদিল কপাল কুঁচকে বললো!!
____আই লাভ ইউ আমার জাহান্নামি বউ!!!
ইরার মুখটা মূহুর্তেই ফেকাসে হয়ে গেলো, কি বাজে নামে ডাকছে ডাকে, জান বাবু সোনা বলেই তো ডাকা যায়, তাকে কিনা সোজা পরকালের জাহান্নামে পাঠিয়ে দিলো! ইরা ও কম কিসের পাল্টা উওর দিয়ে বললো!!
___লাভ ইউ টু বেহায়া ইডিয়ট ইসটুপিড অসভ্য বাজে বেয়াদব স্বামী !!!
আদিল কপাল কুঁচকালো না শুধু, রাগে ফুলে উঠলো দাঁতে দাঁত পিসে রিরি করে বলে উঠলো!!
___এই মহিলা, আমি তোমাকে শুধু জাহান্নামী বলে ছিলাম, আর তুমি আমাকে এত গুলা বকা দিলা!
আদিল ছুটে আসে ইরা কে দরতে, মূহুর্তে দরেও ফেলে ইরা কে! হাতের বাহু চেপে নিজের কাছে টেনে হাত দ্বারা চুল গুলোকে সরিয়ে শক্ত দাতের কামুড় বসায় গাড়ে! মূহুর্তেই ইরা আউচ বলে ব্যাথায় চেচিয়ে উঠলো! ইরা খামচে দরলো আদিল এর গাড় মুখ! মনে হচ্ছে ছোট খাটো একটা মারামারি লেগে গেছে রুমে! আদিল মূহুর্তেই ছেড়ে দিলো ইরা কে, সাথে ইরা ও! হাত দিয়ে কামুড় বসানো জায়গায় হাত বুলাতে শুরু করলো, বেশ অনেক খানি ব্যাথা পেয়েছে চোখ মুখ লাল করে ফেলেছে! ছলছল নয়নে তাকিয়ে আছে আদিল এর দিকে!
এখন ইরার পালা আদিল কে এ্যাটাক করার! কিন্তু ইরা সেইটা করলো না, বরং আদিল দিকে আরেক বার তাকিয়ে ঝরঝর করে কেঁদে দিলো! ইরা কে এমন ন্যাকা করে কাদতে দেখে আদিল এর বেশ হাসি পেলো! কিন্তু এই অসময়ে একদম হাসা যাবে না! তাই আদিল এগিয়ে গেলো ইরার দিকে যেখানে কামুড় বসিয়ে ছিলো সেইখানে আলতো চুমু একে দিয়ে বললো!!
___তুমি ও চাইলে একটা দিতে পারো, আমি কিছু মনে করবো না!
আদিল এর বলাও শেষ ইরার কামুড় বসানোও শেষ ঠিক বুক বরাবর! মূহুর্তেই আদিল ইরার মতোন শব্দ করে উঠলো! ইরাও বেশি সময় নিলো না অল্প কামুড় বসিয়ে দিয়ে সরিয়ে নিলো!তারপর আদিল থেকে কিছু টা দূরে সরে শব্দ করে হেসে উঠলো!!
_____সেম বাট ডিফরেন্ট!!
আদিল বুকে হাত চেপে রেখেছে ব্যাথা করছে! ইরা আর দাড়ালো না দ্রুত রুম পরিবর্তন করলো! আর এদিকে আদিল অফিসে যাওয়ার জন্য প্রোপার ভাবে রেডি হয়ে নিলো!
ইরা কিচেনে গিয়ে মাইমুনা সিকদার এর পাশে দাড়ালো, মাইমুনা সিকদার কিছু একটা কর ছিলেন রান্না ঘরে, ইরা কে দেখে দ্রুত অন্য কাজে মনোযোগ দিলেন! ইরা লখ্য করলেও তা জিজ্ঞেস করে না! বরং ঘুরিয়ে প্রশ্ন করলো!!
____ছোট আম্মু, আপনি কি এখনো প্রিয়াশ ভাইয়া কে মিস করেন!!
মাইমুনা সিকদার সবজি কাটছিলেন ইরার কথায় হঠাৎ করে হাত থেকে চুরি টা নিচে পরে যায়! থমথমে মুখ নিয়ে ইরার দিকে তাকান, মাইমুনা সিকদার কিছু একটা লুকাতে চাইছেন! কিন্তু কি সেইটা ইরা বুঝতে পারছে না! মাইমুনা সিকদার কিছু একটা ভাব ছিলেন, কিন্তু কি ইরা শব্দ করে আবারও ডাকলো! মাইমুনা সিকদার কিছুটা তঠষ্ত হয়ে বললেন!!
____এই প্রশ্ন করছো কেনো হঠাৎ?? কিছু হয়েছে!
মাইমুনা সিকদার নিজের অজানা ভাবনা গুলো কে প্রকাশ করলেন না, বরং কেনো কিছু জানেন না সে রকম মুখ নিয়ে ইরা কে উওর করলেন! ইরা ও শান্ত মেয়ের মতোন শুনে নিলো সব কথা! তারপর বেরিয়ে গেলো কিচেন থেকে! বেড়তেই আদিল এর সাথে দেখা!
আদিল এগিয়ে আসলো ইরার দিকে, আশেপাশে কেউ আছে কিনা ভালো ভাবে দেখে নিলো! এরপর শক্ত হাতে ইরা কে নিজের কাছে টেনে নিলো! ইরার কপালে শব্দ করে চুমু খেয়ে বললো!!
____বড্ড ভালোবাসি বউ!!
ইরা মুচকি হেসে তাকালো আদিল এর দিকে, আদিল একবার হাত ঘড়িতে সময় টা দেখে নিলো,এরপর ইরা কে বাই বলে নিজের কাজে চলে গেলো!
আদিল গাড়ি ডাইভিং করছে, কিছু দূর যাওয়া পর কল করলো প্রিয়াশ এর নাম্বারে!
এদিকে প্রিয়াশ লুমান রনি সবাই ইচ্ছা মতোন লাল পানি সেবন করে পরে আছে গুপ্ত ঘরে! এখন হাতে গুনা দশ বারো টা ছেলে আছে! আর সেই রিয়া নামের মেয়ে টা! যার উপরে ছেলেরা এখনো নিজে দের চাহিদা পূরন করছে! মেয়ে টা এখন ঠিক ভাবে দাঁড়াতে পর্যন্ত পারে না, কথা টাও বলে না, শুধু চিৎকার চেচামেচি করে, হয়তো আর কিছু সময় পর সেইটাও করবে না! কারন মেয়ে টিকে আজকে মেরে ফেলে দেয়া হবে!
প্রিয়াশ নেশায় ডুবে আছে, নেশালো কন্ঠ সুর সাথে ভিষণ ঘুমিয়ে আছে! অপর পাশ থেকে আদিল এর রাগান্বিত ধারালো কন্ঠ স্বর ভেসে আসছে!!
____টাকা জমা হয়েছে, রাতে তোদের পাসপোর্ট দিয়ে দিবো! পিপারেশন নে দেশ ছাড়ার!
“তুই কখন আসবি???
“সাত টার পর!
“ওকে..!
প্রিয়াশ সবাই কে উদ্দেশ্য করে বললো!!
___কাল যখন দেশ ছারতেই হবে, আজ না হয় একটু মাস্তি করা যাক!
এই মেয়ে,
বৃষ্টি মেয়েটি ভয়ে ভরকে আছে এখনো, তাছাড়া তাকে বাসা থেকে চলে যেতে বলেছে, হুম চলে যাবে তার জন্য ব্যাগ পএ গুজিয়ে রাখছে! এর মাঝে ইরা এসেছে! বৃষ্টি কাঁপা কাঁপা গলায় বললো!!
___জ্বি ম্যাডাম,
ইরা এগিয়ে আসলো বৃষ্টির দিকে, দুই হাতে দরে বেশ স্বাভাবিক ভাবে বললো!!
____মিথ্যা বলবা না, যদি বলো আমি তোমাকে সোজা পুলিশ এর কাছে দিয়ে আসবো! আর তুমি এই কথা কে থ্রেট ভাববা না! আমি সত্যি বলছি!
বৃষ্টি ইরার দিকে ভয়ে ভয়ে তাকালো, আদিল সে তো স্পষ্ট বাধী সরাসরি বাসা থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দিয়ে ছিলো! সেইটাই তো ভালো ছিলো! আর এদিকে ওনার ওয়াইফ শান্ত মস্তিষ্কের খেলোয়াড়! কথার দ্বারাই সব কিছু বুঝিয়ে নিতে সক্ষম! বৃষ্টি কাঁপা কাঁপা গলা নিয়ে বললো!!
___আচ্ছা ম্যাডাম!
প্রিয়াশ রনির দিকে দুই ব্যান্ডেল টাকা এগিয়ে দিয়ে বললো!!
____তোর বউ কে দিবি, আর আজকে রাতের খাবার টা ওকে দিয়ে বানিয়ে এই গুপ্ত ঘরে নিয়ে আসবি!
রনি কিছুটা বিরক্ত হলো, তার বউ কে কেনো আনতে হবে এই ঘরে, রনি ঘুর আপওি জানিয়ে বললো!!
____তোর টাকা তোর কাছেই রাখ, আমার বউ এখানে কখনোই আসবে না!
প্রিয়াশ এর ছলা কলা আরও বেশি বিক্রিত,রনির থেকে দশ গুন এগিয়ে থাকে তার পরিকল্পনা, মাথায় মধ্যে যত টুকু বুদ্ধি আছে, সবি শয়তানী বুদ্ধি!! প্রিয়াশ রনি কে বোঝানোর জন্য বললো!!
____মানে, তুই কি আমাদের কে বিশ্বাস করিস না??
রনি শব্দ করে হেসে উঠলো, দাঁতে দাঁত পিসে বললো!!
__তোদের বিশ্বাস করার থেকে ইবলিশ কে বিশ্বাস করা উওম! তোরা একেক টা আস্ত হারামজাদা!
প্রিয়াশ শয়তানি হাসি হাসলো, আর বললো!!
___যা বাদ ডে এসব, তোর বউ কে বলবি আমাদের জন্য তার হাতের স্পেশাল বিরিয়ানি টা করে আনতে! আর হ্যা সাত টার আগেই আসতে বলবি, আজকে আমাদের সাথে আদিল ও মাস্তি করবে!
“””অসম্ভব, আদিল তোদের মতোন লাফাঙ্গা নয়! এই সব ছোট খাটো মাস্তি সে করে না!
“”ওরে বোঝানোর দায়িত্ব আমার তুই বাসায় যা!!!
প্রিয়াশ রনি কে উঠিয়ে বুঝিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়! কালকে তারা যেহেতু বাংলাদেশ ছারবে সেহেতু একটু মাস্তি করাই যাক! লুমান এতখন আরামে সিগারেট টানলেও, তার মাথায় হাজার টা শয়তানি চিন্তা ভাবনারা ঘুর পাক খাচ্ছে! লুমান প্রিয়াশ কে উদ্দেশ্য করে বললো!!
___রনির বউ কে টানার কি খুব বেশি প্রয়োজন ছিলো? উদ্দেশ্য কি তোর বলতো???
প্রিয়াশ ঠোঁটে ঠোট কামড়ে খিলখিল করে অট্ট হাসিতে মেতে উঠে বললো!!
____ওর বউ, বেরি হটস,আমি দেখেছি আজকে রাত টা না হয় আমরা ওর সামনে ওর বউরে……!
লুমান হুঁশ করে প্রিয়াশ কে উদ্দেশ্য করে বললো!!
এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৬০
____এইটা কিন্তু বেইমানি!! এইটা করা আমাদের ঠিক হবে না!
প্রিয়াশ বিরক্তি না সূচক মাথা নেড়ে বললো!!
___সেট আপ! আমি যা চাইছি তাই হবে! রাতের জন্য প্রস্তুতি নাও মাস্তি হবে মাস্তি!!!
