এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ১১
ফাতেমা তুজ জোহরা
রুশভিয়ান ইনানকে চু*মু খেতে খেতে বুকে চেপে বিছানায় শুয়ে পড়লো।
রুশভিয়ান কিয়তক্ষন একভাবে বসে রইলো একভাবে। অতঃপর ডান হাতের তর্জনী আঙ্গুল গুলো এগিয়ে নিয়ে গেল ইনানের ঠোঁ*টের দিকে ধীরে ধীরে। রুশভিয়ানের চোখে ঘোর শুকনো ঢোক গিলে, ইনানের গোলাপি অধর জোড়া স্পর্শ করলো। রুশভিয়ান হাতের স্পর্শে ইনান ঘুমের ঘোরে ক্ষীন ভাবে কেঁপে উঠলো। ইনানের কাঁপা-কাঁপি দেখে রুশভিয়ানের ঠোঁ*টে ফুটে উঠলো ক্রুর হাসি। এবার তর্জনী আঙ্গুল দিয়ে ঠোঁ*ট জোড়া স্লাইড করতে লাগলো। রুশভিয়ানের স্লাইড করার কারনে ইনানের নরম ঠোঁ*ট গুলো একবার চেপে যাচ্ছে আরেকবার কুচকে যাচ্ছে। না এবার আর রুশভিয়ান নিজেকে ক*ন্ট্রো*ল করতে পারলো না। দুইহাত দিয়ে ইনান কে শক্ত করে উঁচু করে তুললো। ইনানের কো*ম*ড় উপর থেকে রুশভিয়ান শূন্য তুলে নিয়েছে। আর পাদুটো বিছানায় ঠেকে আছে। ইনান এতটা গভীর ঘুমে আছে যে তার সাথে কি হচ্ছে বেচারি বুঝতে ও পারছে না।
রুশভিয়ান ইনানের মুখের কাছে তার মুখ নিয়ে আবারো আকড়ে ধরলো ইনানের নরম ঠোঁ*ট গুলো। ইনান ঘুমের ভেতরে গোঙয়ি উঠলো। রুশভিয়ান ইনানকে চু*মু খেতে খেতে বুকে চেপে বিছানায় শুয়ে পড়লো। ইনান এবার পিটপিট করে চোখ খুলে নিজেকে এমন অবস্থায় দেখে ভ*য়ে চোখ দিয়ে পানি বেরিয়ে এলো। রুশভিয়ান কি*স করা অবস্থা ইনানের শরীর থেকে কা*প*ড় খুলে ফ্লোরে ফেলে দেয়। ইনান রুশভিয়ানকে স*রানোর চেষ্টা করছে ততো রুশভিয়ান তাকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে নেয়।রুশভিয়ান হাত আস্তে আস্তে নেমে এলো ইনানের ব্লা*উ*জে। ইনান হাত আ*ক*ড়ে ধরলো রুশভিয়ানের। রুশভিয়ান ইনানের হাত গুলোকে শক্ত করে ধরে একটানে শরীর থেকে ব্লা*উ*জ খুলে দেয়। ইনান শরীরের অ*স*হ্য যন্ত্রনা কাতর হয়ে গেল।
রুশভিয়ান ঠোঁ*ট জোড়া কে ছেড়ে ইনানের হাত গুলো ব্লা*উ*জ দ্বারা শক্ত করে বেঁ*ধে দেয়। ইনান ধ*ড়*ফ*ড় করছে। রুশভিয়ান ইনানের দিকে তাকিয়ে বাঁকা হেঁসে বলল, ” এত নড়নচড়ন করে কোন লাভ আছে, নাই তো তাহলে চুপটি কইরা শুইয়া থাক। আমি বাকি কাজ সামলাইতে পারমু?
ইনান কিছু বলতে যাবে তার আগেই রুশভিয়ান তার শার্ট দিয়ে ইনানের মুখটাকে শক্ত করে বেঁ*ধে দেয়। ইনান উম উম করছে মুখটা খোলার জন্য। রুশভিয়ান এক চোখ টিপ্পনী মে*রে বলল,” এখন আসল খেলা শুরু করি? কথাটুকু বলেই রুশভিয়ান পাতলা একটা চাদর টেনে দেয় দুজনের শ*রী*রে। রুশভিয়ান আবারো হারিয়ে গেল ছোট ইনানের শ*রী*রে।
আমাকে একটা কাজ দিবেন ভাইয়া? কথাটি বলল বিশ বছরের একটা মেয়ে আমিরের উদ্দেশ্য। মেয়েটির পরনে রয়েছে মলিন থ্রিপিচ, চুল গুলো উসকো খুসকো হয়ে আছে। গায়ের রঙ ফর্সা৷ কিন্তু রোদ বাতাসে এভাবে ঘুরে বেড়ানোর জন্য যৌবনে ভাটা পড়ছে মেয়েটার। কাঁধে ঝুলিয়ে আছে ছোট একটা পুটলি।
আমির মেয়েটাকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে দেখতে লাগলো। আমির প্রতিদিন জলিল মিয়ার খুপরি মতো দোকানটাতে চা পান করতে আসে। এই দোকানের চা পান না করলে তার দিনটা শুরু হয়না। রুশভিয়ান যতটা সবার প্রতি ক*ঠো*র হয়। আমির তার একভাগ ও না। সে অত্যন্ত সহজ সরল টাইপের ছেলে একটা। ভাইয়ের কথায় উঠে আর ভাইয়ের কথা বসে। এই পৃথিবীতে সে সবচাইতে বেশি ভালো বাসে রুশভিয়ান আর আরিয়ান কে। আরিয়ান সবার বড়। আর রুশা বেগমের বড় ছেলে। আরিয়ান আর রুশভিয়ানের শরীরের রঙ যতটা ফর্সা আমিরের গায়ের রঙ ততটা কালো। যাকে সোজা বাংলায় বলে শ্যামবর্নের। তার পরনে সবসময় লুঙ্গি আর সাদা শার্ট থাকে। বয়স পঁচিশ বছর, উচ্চতা ছয়ফুট দুই। চুল গুলো কোঁকড়া।
আমির মেয়েটির দিকে তাকিয়ে বলল,” আমারে কইছেন?
মেয়েটি তার চোখের পানি গুলো মুছে আবার বলল,” এখানে আপনি ছাড়া কেউ কাজ দিতে পারবে না। তাই আপনাকে বলছি। প্লিজ আমাকে আপনাদের রত্নকুঞ্জে একটা কাজের ব্যবস্থা করে দিন?
আমির এবার একটু ভাবসাব নিয়ে নড়েচড়ে বসলো। যতই হোক তারা এই গ্রামের জমিদারের বংশধর। মেয়ের সামনে একটু ঢং না করলে হয়। আমির গলা খাঁকারি দিয়ে বলল, ” আমাগো মেল্লাই কাজের লোক আছে, আপনি অন্য কোথাও গিয়া কাজ খুজুন?
মেয়েটি পুটলি ফেলে আমিরের পা দু*টো আকড়ে ধরলো। আমির পাদুটো উপরে তুলে চি*ৎ*কা*র করে বলল,” আল্লাগো ” কথাটুকু বলে পিছনে সরে গেল আমির।
মেয়েটা হকচকিয়ে গেল আমিরের কান্ডকারখানা। আমির কিছুদূরে বুকে হাত দিয়ে জোরে জোরে শ্বাস টেনে নিচ্ছে। সে মেয়েদের থেকে একশহাত দূরে থাকে। মেয়ে মানেই ছলনাময়ী। আমির একটু ঝাঁঝালো স্বরে বলল,” কোন হুঁশ নাই আপনার?এইভাবে কেউ পা ধইরা টানাটানি করতে আসে?
আমিরের কথা শুনে মেয়েটার চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়ছে। সে হেঁচকি তুলে কাঁদতে কাঁদতে বলল,” আমি আসলে বুঝতে পারিনি? লম্বা দম টেনে আবারো বলল,” আমার মা বাবা কেউ নেই। এতদিন খালার বাড়িতে ছিলাম। আজকে সকালে খালা ও বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আমি এই গ্রামে কাউকে চিনি না। একজন লোক আপনাকে দেখিয়ে বলল আপনাদের অনেক বড় রত্নকুঞ্জ নামক মহল আছে। তাই কাজ চাইতে এসেছিলাম ” কথাটুকু বলে মেয়েটা মুখে হাত দিয়ে ডুকরে কেঁদে উঠল।
আমির মনটা আগের থেকে একটু নরম হলো। মেয়েটার ক*ষ্টে*র কথা শুনে। মেয়েটার তার পুটলি টা উঠিয়ে চলে যেতে নিলে আমির তাকে বাঁধা দিয়ে বলল,” আমার লগে আমাদের বাড়ি আইসেন? আপনারে আমি কাজ দিতাছি?
মেয়েটা পিছন ঘুরে আমিরের দিকে তাকায়। সে যেন বিশ্বাস করতে পারছে না তাকে কাজ দিবে। মেয়েটা হাসিমুখে বলল,” সত্যিই কাজ দিবেন? আমির মাথা ঝাকালো।
আমির আবার বলল, ” চলেন আমার লগে? বলেই আমির আগে আগে হাঁটতে লাগলো পিছনে পিছনে আমির।
মাথার উপরে তপ্ত রোদ আগুনের মতো ঝড়ছে। তালগাছের ছায়ায় বসে বিশ্রাম নিচ্ছে গ্রামের বৃদ্ধরা। চারদিকে পাখির ডাক ও থেমে গেছে গরমের তাপে। ধানের ক্ষেতে গরম বাতাস ঢেউ তুলে বয়ে যাচ্ছে রুপনগরের আকাশ বাতাসে।
চারদিকে যোহরের আজান দিচ্ছে। কিন্তু ইনান আর রুশভিয়ানের এখনো গভীর ঘুমে দুজনে। রুশভিয়ান উপুর হয়ে শুয়ে আছে। আর ইনান রুশভিয়ানের পিঠে এক পা তুলে আরামে ঘুম পারছে। দুজনের শরীরে কাপড়ের ছিঁটেফোঁটা ও নেই। এর মধ্যে ইনান নড়েচড়ে উঠে আর এক পা তুলে দেয় রুশভিয়ানের পিঠের ওপরে। আর রুশভিয়ানের কোন নড়নচড়ন নেই সে তো একভাবে ঘুম পারছে। এভাবে কিয়তক্ষন কেটে যাবার পর ইনান পিটপিট করে চোখ খুলে সামনে তাকাতেই নিজের পাদুটো বদমাশ এমপির পিঠের উপরে। যদি এমপি দেখে তার পিঠে আমার পা তার উপরে তাহলে পা দুটো কে*টে নিবে। ইনান ৳য়ে তাড়াতাড়ি করে পিঠ থেকে পা নামিয়ে আনতে নিলেই রুশভিয়ান কর্কশ গলায় বলল,” পিঠ থেইকা পা নামাবি না? তোর পা গুলোর লেইগা অনেক সুন্দর ঘুম আইছে? ” কথাটুকু বলে ইনানের ডান পা টা শক্ত করে আকড়ে ধরে আবার ঘুমের প্রস্তুতি নিতে গেল।
ইনান হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছে রুশভিয়ানের দিকে। পায়ের জন্য কারো ঘুম ভালো হয় আজকে প্রথম শুনলো সে। ইনান তবুও থামলো না তার পা গুলো টানাটানি করতে লাগলো। এমপিকে সে ভালোভাবে কিছুতেই ঘুমাতে দেবে না। রুশভিয়ান এবার বিরক্ত হলো একঝটকায় ইনানের দিকে ঘুরে এক হাত ধরে টেনে ইনান কে তার প্রশস্ত বুকে আছরে ফেলল। ইনান বড় বড় চোখ করে রুশভিয়ানের দিকে তাকিয়ে বলল,” আমাকে ছা*ড়ুন? আপনার ছোঁয়া গুলো আমার শরীরে বি*ষে*র মতো ঠেকছে?
রুশভিয়ান ইনানের গালে স্লাইড করতে করতে বলল,” সবসময় ছা*ড়ুন না বইলা, যে_দিন বলবি করুন সেই দিন তোরে ছা*ড়মু। এর পর যতবার ছা*ড়ুন বলবি ততবার তোরে এই ভাবে জড়ায় ধরমু!
ইনান রুশভিয়ানের কথা শুনে রা*গে কটমট করতে লাগলো। কতটা বেয়াদপ লোক হলে এই ধরনের খারাপ কথা বলতে পারে। রুশভিয়ান আবারো ইনানের গলায় মুখ ডুবিয়ে ফিসফিস করে বলল,” তোর শ*রী*লে কি আছে, যতবার তোর কাছে আসি ততবার আমার নিজেকে পা*গ*ল লাগে ক্যান?
ইনান রুশভিয়ানের মাথার চুল গুলোকে শক্ত আকড়ে ধরে তাকে দূরে সরিয়ে বলল,” আপনি তো আগে থেকেই পা*গ*ল। সে জন্য বাচ্চার বয়সী মেয়েকে বিয়ে করে প্রতিদিন শা*রী*রি*ক মা*ন*সি*ক অ*ত্যা*চা*র করতে পারেন!
পা*গ*ল কথাটা রুশভিয়ানের মস্তিষ্ক গিয়ে আঘাত আনলো।তাকে একজন পা*গ*ল বানিয়ে দিলো। তার আগের স্ত্রীর কথাগুলো মনে পরে গেল । কিভাবে তাকে কোটে অপ*মান করেছিলো। রা*গে চোখ দুটো রক্তিম আভা ধারন করলো। একহাত দিয়ে ইনানের চু*ল গুলোকে শ*ক্ত করে আ*ক*ড়ে ধরে হিসহিসিয়ে বলল,” একটু ভালো ব্যবহার করেছি বইলা মাথা উইঠ্যা নাচতাছিস? কথাটুকু বলে ইনানের ডান গাল বরাবর একটা থা*প্প*ড় মারলো। রুশভিয়ান থামলো না আরেকটা থা*প্প*ড় বসালো একই গালে। ইনানের চোখ দিয়ে পানি পড়তে লাগলো। ঠোঁট কেঁ*টে র*ক্ত বেরিয়ে এলো তার। এইভাবে পরপর আরো চারটা থা*প্প*ড় বসালো ইনানের গালে। দুইগালে পাঁ*চ আঙ্গুলের ছাপ বসে গেল তার।
রুশভিয়ান ইনানকে বিছানায় ধা*ক্কা মে*রে লুঙ্গিটা জড়িয়ে চলে গেল বারান্দায়। আর ইনান বিছানার চাদরটাকে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরল। গাল দুটো জ্বলছে, ঠোঁটের কোনে র*ক্তে*র স্বাদ। ইনান বিরবির করে বলল,” আমি আর পারছি না আল্লাহ। কথাটুকু বলে ইনান ডুকরে উঠলো। চোখের পানি থামার নেই। বুকের ভেতরে জমে থাকা যা*ন্ত্রনা এক সঙ্গে বেরিয়ে আসছে যেন। ইনান ধীরে ধীরে বলল,” হে আল্লাহ আমি কি দোষ করেছিলাম? আমার জীবনটা কেন এমন হলো। প্রথমে আব্বু আম্মু কে কে*ড়ে নিলে। তারপর মামা মামীর অ*স*হ্য যন্ত্রনা। এখন আবার এই লোকটার সাথে জীবন জুড়ে দিলে। আমার সাথে কেন এতগুলো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা হচ্ছে । পরক্ষণেই বলল,” আমার কপালে যদি এতটুকু সুখ লিখে রাখো তাহলে আমাকে এই অন্ধকার জীবন থেকে বের করো। আমি একটু শান্তিতে বাঁচতে চাই। যেখানে কারো কথায় আমাকে নিঃশ্বাস নিতে হবে। নিজের মনের মতো করে বাঁচতে পারবো।
কথাগুলো বলে মুখ চেপে কান্না করতে লাগলো। ঘর জুড়ে ছড়িয়ে পড়লো তার হৃদয় ভা*ঙা*র আওয়াজ।
রুশভিয়ান বারান্দায় সিগারেট খেতে ব্যস্ত। ইনানের ক*রু*ন কান্নায় তার কিছু যায় আসে না। রুশভিয়ানের ঠোঁটে ফুঠে উঠলো ক্রুর হাসি।
রাত দশটা,,ধানের ক্ষেত দিয়ে ইনান দৌড়ে যাচ্ছে। পরনে জীর্নশীর্ন সুতির শাড়ী। চুল গুলো পিঠে ছড়িয়ে পড়ে আছে। একবার পিছনে তাকাচ্ছে আর একবার সামনে তাকাচ্ছে ইনান। চারদিকে ঝকঝকে চাঁদের আলো তাই পথ চিনতে তার অসুবিধা হচ্ছে না। ইনান বুদ্ধি করে মেন রাস্তা ধরেনি। মেন রাস্তায় যদি আবার ওই বদমাশ লোকটা থাকে। তাই ধানের আইল দিয়ে দৌড়াচ্ছে প্রানপনে। যে দিকে দুই চোখ যাবে সেদিকে যাবে তবুও ওই ন*র*কে ফিরে যাবে না সে। ইনান দৌড়াতে দৌড়াতে একজায়গায় দাঁড়িয়ে হাঁটুতে ভর দিয়ে হাঁপাতে লাগলো। কপাল দিয়ে দরদর করে ঘাম ঝড়ছে তার।জোরে জোরে শ্বাস টানছে। ইনান একটানা ত্রিশ মিনিটের পথ দৌড়ে এলো। ইনান পেছনে তাকাতেই তার ঠোঁটে এক চিলতে হাসি ফুটলো। এখন আর রত্নকুঞ্জ নামক অ*ভি*শ*প্ত মহলটা আর দেখা যাচ্ছে না। ইনান আইলের ওপরে ধপ করে বসে কিছুক্ষণ আগের কথাগুলো ভাবতে লাগলো।
ঢাকা থেকে জলদি তলক আসায় রুশভিয়ান ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দেয়। তার আগে বাড়িতে কাঠোর পাহারার ব্যবস্থা করে যায় ইনানের জন্য। রুশভিয়ান বেরিয়ে গেলেই ইনান ভাবতে থাকে কিভাবে এই ন*র*ক থেকে মুক্ত হতে পারবে সে। একবার বারান্দায় গিয়ে গেটের দিকে তাকাতেই তার চক্ষু কপালে উঠে যায়। গেটে শখানিক লাঠিয়াল রাখা আছে। প্রত্যেকের হাতে মোটা মোটা লাঠি বিদ্যমান। ইনান মনে মনে আল্লাহ কে ডাকলো একটা পথ করে দেওয়ার জন্য। এরইমধ্যে একজন মেয়ে খাবার নিয়ে প্রবেশ করলো রুমে। মুখটা একহাত গোমটা দিয়ে ঢাকা। ইনান মেয়েটার দিকে তাকাতেই তার মাথায় বুদ্ধি খেলে গেল। মেয়েটা ইনানের জন্য প্লেটে খাবার দিচ্ছিল মাথা নিচু করে। পাশ থেকে একটা স্টিলের ফুলদানি তুলে ইনান মেয়েটার মা*থা*র পেছনে ব*সি*য়ে দেয়। সাথে সাথে মেয়েটি আ*ত্মা*চিৎ*কা*র করে অ*জ্ঞা*ন হয়ে নিচে পড়ে যায়।
এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ১০
রুশভিয়ানের ঘরটা উঁচুতে হওয়ার জন্য কেউ মেয়েটার চি*ৎ*কা*র শুনতে পায় না। ইনান তাড়াতাড়ি করে মেয়েটার কাপড় গুলো পড়ে নেই। আর মেয়েটাকে তার কাপড় গুলো পড়িয়ে বিছানায় শুয়েই দেয়। ইনান মাথায় একহাত ঘোমটা টেনে বাইরে বেরিয়ে আসে। এমনি লাঠিয়াল গুলোর সামনে দিয়ে যখন বেরিয়ে আসে তখন মনে মনে সুরা ইউনুস পাট করছিলো।
ইনান আইল পথ থেকে উঠে সামনে তাকাতেই আ*ছরে পড়লো আইলের ওপরে……
