Home চোখের আড়ালে ভালোবাসি চোখের আড়ালে ভালোবাসি পর্ব ২৭

চোখের আড়ালে ভালোবাসি পর্ব ২৭

চোখের আড়ালে ভালোবাসি পর্ব ২৭
আয়াত বিনতে নূর

হঠাৎ করেই নিশিতার মনে হলো—সে আজ কিছুই খায়নি। সকালে তাড়াহুড়োয় একটু বিস্কুট আর চা খেয়েই বের হয়েছিল, তারপর সারাদিনের ব্যস্ততায় খাওয়ার কথা মনেই আসেনি।
এখন খিদের চোটে পেটের ভেতর যেন ইঁদুর দৌড়াদৌড়ি শুরু করেছে। মাথাটা হালকা ঝিমঝিম করছে, শরীরটাও যেন দুর্বল লাগছে।
গাড়ির ভেতর নিস্তব্ধতা। শুধু ইঞ্জিনের মৃদু শব্দ আর বাইরের রাস্তার আলো-আঁধারি ছায়া ভেতরে ঢুকে পড়ছে।
এমন সময় হঠাৎ ফারিস গম্ভীর কণ্ঠে বলল—

“গাড়ির ওই সাইডে দেখ, চকলেট আছে। ওগুলো খেয়ে নে।”
নিশি একটু অবাক হয়ে তাকালো ফারিসের দিকে।
এই লোকটা আবার কবে থেকে এসব খেয়াল রাখতে শুরু করলো? মনে মনে সে নিজেকেই প্রশ্ন করলো।তারপর ভেতরে ভেতরে হালকা হাসি ফুটে উঠলো। মনে মনে বলল,
“বাবা! এই লোকটার এতো খেলায় কবে থেকে রাখে আমার! যাক গে, আপাতত এই পেটের ইঁদুরের দৌড়াদৌড়ি বন্ধ করি।

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

নাহলে যে কোনো মুহূর্তে আমার অবস্থা বেহাল হয়ে যাবে।”
এই বলে নিশি ধীরে হাতে নিয়ে বক্সটা খুলল।খুলেই সে এক মুহূর্ত থমকে গেল।
ভেতরে সত্যিই চকলেট—তাও তার ভীষণ পছন্দের “Amedei Porcelana chocolates।”
চকলেটটা চোখে পড়তেই নিশির মুখটা বাচ্চাদের মতো উজ্জ্বল হয়ে উঠলো। চোখে-মুখে খুশির ঝিলিক। সে যেন নিজের অজান্তেই হেসে ফেললো।
“এটা তো আমার ফেভারিট!”
কথাটা মুখে না বললেও, তার হাসিই সব বলে দিল।
নিশি আর দেরি না করে একটা চকলেট বের করলো। গাড়ির সিটের ওপর পা তুলে, একদম বাচ্চাদের মতো করে বসে পড়লো।

চকলেটের মোড়ক খুলে ছোট ছোট কামড়ে খেতে লাগলো।
মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করে স্বাদ নিচ্ছে, যেন পৃথিবীর সব চিন্তা ভুলে গেছে।
এই দৃশ্যটা ফারিসের চোখ এড়ালো না।
স্টিয়ারিং ধরে রেখেও সে একবার পাশ ফিরে তাকালো।
নিশিতার এই শিশুসুলভ কাণ্ড দেখে ফারিসের ঠোঁটের কোণে অজান্তেই এক চিলতে হাসি ফুটে উঠলো।সে মুখটা একটু বেঁকিয়ে হেসে ফেললো।
মনে মনে বলল—
“শুধু বয়সেই বড় হয়েছিস, জান।
মনটা এখনও পুরো বাচ্চাই রয়ে গেছে।
কবে বড় হবি বল তো?”

তারপর সেই হাসির আড়ালেই চাপা দীর্ঘশ্বাস।
চোখেমুখে জমে উঠলো অদ্ভুত এক অস্থিরতা।
“আমি তো আর ওয়েট করতে পারছি না।
তুই আমার এত কাছে থেকেও আমি তোকে নিজের করে নিতে পারছি না…”
ফারিসের চোখ দুটো এলোমেলো হয়ে উঠলো।
মনের ভেতর অদ্ভুত এক নেশা কাজ করছে—যেন সংযমের বাঁধ ভাঙতে চায়, অথচ সে নিজেকে শক্ত করে ধরে রেখেছে। হঠাৎ করেই ফারিস ব্রেকে চাপ দিলো। গাড়িটা আচমকা থেমে গেল।
নিশি চমকে উঠলো। হাতের চকলেটটা প্রায় পড়ে যাচ্ছিল।

“কি হলো?”
ভয় মেশানো চোখে সে তাকালো ফারিসের দিকে।
কোনো কথা না বলে ফারিস নিজে আগে গাড়ি থেকে নামলো।
তারপর গাড়ির দরজার কাছে এসে গম্ভীর কণ্ঠে বলল—
“তুইও নাম।”
এই আচমকায় নিশির বুকটা কেঁপে উঠলো।
হঠাৎ করে কেন থামলো? কেনই বা এখানে নামতে বলছে?
মনের ভেতর হাজারটা প্রশ্ন, অজানা এক ভয়।
তবুও কিছু না বলে সে ধীরে ধীরে গাড়ি থেকে নামলো।
চারপাশে তাকিয়ে নিশি আরও বেশি অবাক হয়ে গেল। নীরব রাস্তা, চারদিকে অদ্ভুত এক থমথমে পরিবেশ। ফারিসের আচরণে কিছু একটা যে ঘটতে যাচ্ছে, সেটা নিশি স্পষ্টই বুঝতে পারলো।

নিশি এবং ফারিস লেকের ধারে দাঁড়িয়ে আছে। চারপাশে শান্তি, কিন্তু হৃদয়ের ভেতরে অদ্ভুত এক উত্তেজনা। আকাশে উজ্জ্বল পূর্ণিমার চাঁদ উঁচুতে উঠেছে, তার রৌদ্র–সাদা আলো সরাসরি নিশির মুখে পড়ছে।
আলোয় নিশির মুখ যেন আরও কোমল, আরও রহস্যময় হয়ে উঠেছে।
ফারিস কয়েকবার দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল।
তার চোখ ভেতরের উত্তেজনা, আগ্রহ আর এক অদ্ভুত নেশার মিলনে ভেসে যাচ্ছে।
নিশি ফারিসকে দেখে কিছুটা ভয় পেয়ে যায়।
তার চোখে এলোমেলো, অনিয়ন্ত্রিত কিছু ছায়া।
হৃদয়ের ভেতর হালকা কাঁপুনি, অজানা আতঙ্ক।
নিশি ধীরে ফারিসের কাছে এগিয়ে গিয়ে কাঁধে হাত রেখে বলল—

“আপনি ঠিক আছেন ফারিস ভাই?”
ফারিস আর কোনো সময় নষ্ট না করে নিশিকে কোমর থেকে আঁকড়ে ধরে, তার শরীর যেন গাড়ির সাথে চেপে গেল।তারপর বলল—
“আমি ঠিক নেই, নিশি। তুই আমাকে এলোমেলো করে দিচ্ছিস। এখন যদি খারাপ কিছু হয়, তাহলে আমার কোনো দোষ থাকবে না।”
নিশি কিছু বুঝে উঠতে পারছে না।বলল—
“কি খারাপ হবে? আপনার কি শরীর খারাপ লাগছে? আমাকে বলুন।”
ফারিসের চোখ আগুনের মতো লাল।
পুরুষালী হরমোনের উত্তেজনা তাকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে ঠেলে দিয়েছে। নিজেকে সামলাতে পারছে না। তারপর ফারিস নিশির কানের কাছে মুখ নিয়ে আঙুলে হালকা স্পর্শ করে বলল—

“আজকে… আমি যদি তোর কাছে কিছু চাই, দিবি আমাকে জান?”
নিশিতা এখনও বুঝতে পারছে না, কি বলতে চাইছে ফারিস।
কিছুটা বিরক্ত হয়ে সে বলল—
“পরিষ্কার বলুন তো। আমি তো বুঝতে পারছি না, আপনি কি বলতে চাইছেন।”
ফারিস নিশিতার গলায় মুখ গুঁজে নিয়ে হালকা, গভীরভাবে বলল—
“বেশি না জান, শুধু একটু আদর করবো। প্রমিস।
শুধু একটু আদর, আর কিছু চাইবো না।”
এই কথার পর ফারিস নিশিতার গলায় ধীরে ধীরে, গভীর চুম্বন করতে শুরু করল। নিশিতার পুরো শরীরে শিহরণ ছড়িয়ে পড়ল। প্রথমবার কোনো পুরুষের এমন স্পর্শ তার শরীরে এতটা প্রভাব ফেললো যে গায়ের লোমগুলো কাঁপতে শুরু করল।

নিশি বরফের মতো স্থির হয়ে দাঁড়াল, শব্দ ছাড়া।
মুখ খোলা, কিন্তু কিছু বলতে পারছে না।
চোখের ভেতর বিস্ময়, আতঙ্ক আর অজানা এক উত্তেজনার মিলন। ফারিসের চুম্বন কেবল শারীরিক নয়, বরং আবেগেরও।
নিশি অনুভব করল—ফারিসের হাতের স্পর্শ, গলার কাছের উপস্থিতি, এবং চোখের গভীর আগ্রহ—সবই তাকে তার নিজের অনুভূতির সঙ্গে মুখোমুখি করে দিয়েছে।
প্রকৃতির শান্তি, চাঁদের আলো, লেকের নীরবতা—সবকিছু যেন ফারিস এবং নিশির মধ্যকার এই মুহূর্তকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

কিছুক্ষণ পর ফারিস নিশিতা গলা ছেড়ে নিশিতার দিকে তাকালো। নিশিতা জোরে জোরে নিশ্বাস নিচ্ছে দম বন্ধ হয়ে আটকে যাওয়ার যোগান।
তারপর বলল—
” কি হলো জান? আদর করতে দিবি না? সত্যি বলছি বেশি না অল্প আদর করবো”।
নিশিতার ধ্যান ভাঙলো। ফারিসের দিকে তাকলো।নিশিতার নিজেরই মায়া হলো। নিশি শান্ত সুরে মাথ নিচু করে হাত কচলাতে কসলাতে বলল—
“এখানে কিভাবে সম্ভব?
বাড়ি চলুন।”
ফারিস নেশা মাখানো কন্ঠে নিশিতার গালে নাক বোলাতে বোলাতে বলল—

“তুই চাইলে সব সম্ভব, জান। বাড়ি যেতে গেলে সময় নষ্ট হবে।”
এই বলে নিশিতাকে আর কিন্তু বলতে না দিয়ে নিশিতার ঠোঁট আঁকড়ে ধরলো। এতো বছরর ভালোবাসা জানো সব একএক করে বিলিয়ে দিতে থাকলো। কিছুপর নিশিতা ছেড়ে দিলো। ছাড়া পাওয়া পরে দুইজনি জোরে নিশ্বাস নিচ্ছে।
এর মাঝেই হঠাৎ করে বৃষ্টি শুরু হলো। বৃষ্টিতে নিশিতার শরীর ভিজে গেল একটুতে। ভিজে যাওয়ার কারণে শরীরের সাথে কাপড় লেপ্টে গিয়ে শরীরের প্রতিটা ভাজ স্পষ্ট হতে লাগলো। সেটা দেখে ফারিসের হরমন আরো অতিষ্ঠ করতে সক্ষম হলো। ফারিস নিশিতাকে এক টান দিয়ে কোলে তুলে নিল। নিয়ে গাড়ির ব্যাক সিটে বসলো, তারপর নিজেও ভিতরে ঢুকে, গাড়ির ডোর আঁটকে।

নিশিতাকে এক টান দিয়ে নিজের কোলে বসালো।
নিশিতা নিজেকে সামলাতে ফারিসের কাঁধ আঁকড়ে ধরলো হাত দিয়ে শক্ত করে। মাথা নিচু করে থাকলো, লজ্জায় মাথা তুলে তাকাতে পারছে না।
ফারিস আবারও নিশিতার দিকে
তাকিয়ে বলল—

—”দেখ জান,, আমার দিকে তাকা। একটু আদর করবো। নড়বি না প্লিজ। ”
ফারিসের এমন কথায় নিশিতার জানো মাটির নিচে চলে যেতে ইচ্ছে করলো। ফারিস নিশিতাকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে আবারও নিশিতার ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দিলো।
চুম্বন টা দীর্ঘ হলো কিন্তু এবার আর চুম্বনে ক্ষান্ত হলো না ফারিসের হাত নিশিতার জামার ভিতর চলে গেল। আস্তে আস্তে সব জায়গায় হাত বোলাতে থাকলো।
নিশিতা সদ্য বিবাহিত পুরুষটার পাগলামোতে সায় দিতে থাকলো। ফারিসের মনে হয় এভাবে সুবিধা হল না তাই সে,চুম্বন থেকে কিছুক্ষণ বিরতি নিয়ে,

নিশিতার গলা থেকে উড়না টান মেরে সরিয়ে দিলো। খোঁপা করূ চুল গুলো খুলে দিলো।
নিশিতার কোমর আকড়ে ধরলো।
তারপর নিশিতার গলায় মুখ গুঁজে দিলো।
ছোট ছোট কয়েকটা চুমু খেলো।হঠাৎ করে একটা কামড় বসিয়ে দিলো। নিশি ব্যাথা অহ্ করে। উঠলো। কিন্তু ফারিস তখনও ছাড়লো না। আস্তে আস্তে ফারিস নিচের দিকে নামলো। নিশিতার মেদহীন পেটে নিজের মুখ ডুবিয়ে দিলো।এরপর বক্ষে মুখ ডুবিয়ে দিলো। নিশিতা ফারসি চুল আঁকড়ে ধরলো হাত দিয়ে আর ফারিস তখনও নিশিতাকে আদর করে যাচ্ছে। ফারিস নিজের শার্ট খুলে একদিকে টান মেরে ফেলে দিল। এরপর একএক করে সব জায়গায় ভালোবাসার পরশ একে দিতে শুরু করলো।
এরপর আবার মুখ তুলে দিয়ে নিশিতা জামা এক টান দিয়ে খুলে দিয়ে ভালো করে নিশিতাকে পর্যবেক্ষণ করলো নিজের বউরূপী মেয়েটাকে।

এই অবস্থাতে দেখে নিজেকে আর সামলাতে পারল না আবার ভালোবাসার পরশে ডুব দিতে থাকলো। মাঝে মাঝে এক্সাইটেড হয়ে কামড় দিলো বেশ কয়েকটা জায়গায়।
নিশিতার চোখ দিয়ে দুই ফোটা পানি গড়িয়ে পড়লো। কিন্তু ফারিস এখনও নিশিতার ছোট্ট দেহটায় ভালোবাসার পরশ একে দিতে থাকলো।
আর মাঝে মাঝে বলল—
“জান সহ্য করে নে। আর একটু।
নিশিতা ব্যাথায় কুড়কে গেলো।
ফারিস বলল—

“নড়িস না জান, please wait a little longer.”
আমার হয়ে যাবে আর একটু সহ্য করে নে, my little Heartbeat”।
নিশিতা বেশ বুঝতে পারলো আজকের রাত তার র্নিঘুৃমেই যাবে। এমন ভালোবাসায় যেনো ব্যাথায় বেশি ছিলো কিন্তু নিশিতা সহ্য করে নিলো।
ফারিস নিশিতার কানের কাছে গিয়ে বলল—
“আই নো তুই এসবের জন্য এখনও অনেক ছোট।

কিন্তু কি করবো বল তোর কাছে আসলে আমি out of control হয়ে যায়। “তোর মধ্যে কি আছে রে জান,,,,, এতো এলোমেলো লাগে কেনো তোর কাছে আসলে। এতো নেশা কেনো তোর মধ্যে।”
নিশিতা কিছু বলতে পারলো না। চুপচাপ, কেবল ফারিসের দিকে তাকিয়ে রইল। ফারিস ধীরে নিশিতাকে নিজের কোলে তুলে নিল। তার চোখে ছিল দয়া আর যত্নের ছাপ।তারপর বলল—
“বেশি ব্যথা পেয়েছিস কি, জান?” সে নরম কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল।
নিশিতা সামান্য অভিমানের স্বরে বলল—

“আপনি তো বলেছিলেন, শুধু একটু আদর করবেন। তাহলে এগুলো কি…? এখন আমার পুরো শরীর ব্যথা করছে, শুধু আপনার জন্য।”
ফারিস হেসে বলল—
“এটা তো প্রথমবার, তাই এমন হয়েছে জান। কিন্তু চিন্তা কোরো না, এর পর থেকে সব ঠিক হয়ে যাবে। এখন ঘুমাও। অনেক ধকল গেছে তোর উপর।”
ফারিস ধীরে ব্যাক সিট থেকে নিশিতাকে কোলে নিয়ে নিজের কালো মার্সিডিজে বসলো।
গাড়ি চালাতে চালাতে সে নিশির গালে, কপালে নরম হাত ছুঁয়ে দিত। নিশি অচেতন হলেও তার দিকে ফারিসের দৃষ্টি ছিল যত্নে পূর্ণ। গাড়িটি বাগান বাড়ির দিকে গোড়াল। প্রায় ১ঘন্টা ড্রাইভ করে বাগান বাড়ির সামনে এসে থামায়। ফারিস ধীরে নিশিতাকে কোলে নিয়ে গাড়ি থেকে বের হলো। নিঃশব্দ রাতের বাতাসে, চাঁদের আলোতে ফারিস ধীরে ধীরে বাগান বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করল।

উপরে রুমে গিয়ে ফারিস নিশিতাকে সাবধানে বেডে শুইয়ে দিল। আর গ্লাসে করে পানি এনে নিশিতাকে একটা পিল খাইয়ে দিল। নিশিতার দিকে একবার তাকিয়ে সে নিজের জামা-কাপড় নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেল। ফ্রেশ হয়ে ফিরে আসার পর, ফারিস নিশিতাকে সহ ফ্রেইস করিয়ে সাবধানে জামা-কাপড় পরিবর্তন করল।
তারপর কপালে একটি মৃদু চুমু দিলো, যেন বলছে—

চোখের আড়ালে ভালোবাসি পর্ব ২৬

“সব ঠিক আছে, ঘুমা ।”
এরপর কমর্ফটারের নিচে নিশিতার
বুকে মাথা রেখে ফারিস ধীরে ধীরে ঘুমের দেশে তলিয়ে গেল। রাতের নীরবতা, বৃষ্টির ফোঁটা আর চাঁদের আলো—সব মিলিয়ে এক শান্ত, নিরাপদ এবং মধুর আবেশ তৈরি করল।

চোখের আড়ালে ভালোবাসি পর্ব ২৮