Home তুমি এলে বসন্ত নামে তুমি এলে বসন্ত নামে পর্ব ৪

তুমি এলে বসন্ত নামে পর্ব ৪

তুমি এলে বসন্ত নামে পর্ব ৪
রিমঝিম বৃষ্টি

গত চার বছর আগে যখন ফারিশা তার মামা আর মামীর সাথে থাকতো ইয়াশ কে পেটে রেখে কী কষ্ট টাই না তাকে ভুগতে হয়েছে তখন । দিন-রাত খাটিয়েছে তারা রান্না থেকে শুরু করে বাসন অব্দিও তাকে দিয়েই পরিষ্কার করাতো। ছোট থেকে মা-বাবা হারানোর পর তাদের কাছেই বড় হয়েছে সে তাই কখনো তাদের মুখের ওপর কথা বলতে পারতো না সে। ইয়াশ হওয়ার সাত দিনের মাথায় তার মামা জোর করে তার বিয়ে ঠিক করে এক বয়স্ক লোকের সাথে । সেই রাতে না চাইতেও ফারিশা পালিয়ে শহরে আসে। একা একটা দুধের শিশুকে নিয়ে কোথায় যাবে তা তার জানা ছিলো না। বাচ্চাকে নিয়ে একটা ফুটপাতেই ঠাঁই নিয়েছিলো। শীতের সময় হওয়ায় বাচ্চার পরনে গরম কাপড়চোপড় দিয়েও হলো না শ্বাসকষ্ট উঠে গেছিলো এমন আলগা জায়গায় থাকায়। না পেরে যখন ফারিশা হসপিটালে যায় সেখানেই দেখা হয় জিসানের সাথে।

জিসান ফারিশারই এলাকার ছেলে ছিলো। মায়ের চাকরিতে বদলি হওয়ায় তারা ঢাকা শহরে এসেছিলো। তার মা একজন ডাক্তার, মায়ের সাথে কোনো দরকারের জন্য দেখা করতে আসলে ফারিশার সাথে দেখা হয় তার। তারপর ফারিশার থেকে সবকিছু জানলে সে তার মায়ের কাছে গিয়ে সাহায্য নিয়ে কিছু দিন তার বাড়িতে রেখেছিলো। জিসানের পরিবার তাকে বেশ আগলে রাখতো কিন্তু একটা ছেলের বাড়িতে এ ভাবে থাকতে ফারিশার খারাপ লাগতো। তারপর জিসানের কাছে জোর করলে তুবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় সেই থেকে দু’জন অন্য বাড়িতে ভাড়া থাকে। আর তার ক্যাফেতেই কাজ দেয় তাকে জিসান যেনো সে একটু ইনকামও করতে পারে। তারপর আস্তে আস্তে ভার্সিটিতেও ভর্তি হয় সে।

” আম্মু দিম…?”
ছেলের ডাকে ফারিশা মাথা তুলে তাকিয়ে তাড়া গলায় বললো,
” আমি তো ভুলেই গেছিলাম আমার সোনা ডিম খাবে? তুমি আরেকটু খেলো আমি এই রান্না ঘরে গেলাম এখনি হয়ে যাবে রান্না..?”,
বলেই দ্রুত রান্না ঘরে চলে গেলো। গ্যাস অন করেই একটা কড়াই বসিয়ে পাঁচ টা ডিম সিদ্ধ দিলো। পাশ ঘুরেই দেখতে পেলো দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে তার ছেলে।
” কি বাবা এখানে এসো না গরম, তুমি ঘরে যাও..?”
ইয়াশ হাতে থাকা ছোট্ট গাড়ি টা নিয়ে এগিয়ে এসে মায়ের ঠিক পাশে দাঁড় হয়ে বললো,
” না আমি একানে ( এখানে) থাকি এতটু..?”
ফারিশা মুখ কুঁচকে বললো,
” এখানে অনেক গরম যে…? ”
ইয়াশ শুনলো না বরং মায়ের থেকে একটু দূরে গিয়ে ফ্লোরে বসে পড়লো তা দেখে ফারিশা একটা টুল এগিয়ে দিয়ে বিড়বিড়িয়ে বলে উঠলো,

” একদম বাবার মতোই জেদী! এই নাও এটাতে বসো চুপটি করে..? “,
শেষ কথাটা একটু জোরেই বললো তা শুনে ইয়াশ চুপ করে টুলে বসে গাড়ি নিয়ে ফ্লোরে খেলতে লাগলো। ফারিশা এক নজর সেদিকে তাকিয়ে ফের রান্নায় মনযোগ দিলো। ইয়াশ গাড়ি নিয়ে খেলতে খেলতে হঠাৎ চোখে পড়লো পাশেই তাকের নিচে ফ্লোরে একটা সাদা বোয়েম রাখা। মায়ের দিকে এক নজর তাকিয়ে উঠে গিয়ে বোয়েম টা নিয়ে আবার টুলে এসে বসলো তারপর তার মুখ টা খুলতেই দেখলো সাদা ময়দা তা দেখে যেনো ইয়াশের মুখ চিকচিক করে উঠলো খুশিতে। ভেতরে তার ছোট্ট হাতখানা ঢুকিয়ে ময়দা বের করে মুঠো করে মুখ নিলো। খেতে বেশ মজায় লাগলো তার কাছে। এর মাঝে কয়েক মুঠো খেয়েছে কে জানে আর শুধু খাইনি সে চারপাশে ছড়িয়েছে এমনকি তার মাথার চুলে অব্দিও উড়ে পড়েছে তা । জামা-কাপড়ের অবস্থাও খারাপ।

ফারিশা রান্না করছে আরামে। মশলা কষিয়ে পানি দিতেই ছেলের কাশির আওয়াজ পেয়ে পিছন ঘুরতেই অবাক হলো। ছেলের অকাম দেখে কপাল চাপড়ে দ্রুত গ্যাস আস্তে দিয়ে নিচে বসে পড়লো আর ছেলের জামা-কাপড় ঝাড়তে ঝাড়তে বললো,
” এই দুষ্ট এই জন্য রান্না ঘরে এসেছো তুমি? কি করেছো তুমি এসব? তোমাকে আবার গোসল করাবো কি এখন আমি..? ”
শেষের কথাটা কিছুটা ধমকিয়েই বলে উঠলো। ইয়াশ মায়ের ধমকানো শুনে এবার ঠোঁট ফুলিয়ে উঠলো। শব্দ করে কেঁদে উঠতেই ফারিশা ফোস করে শ্বাস ছেড়ে ছেলেকে কোলে তুলে কান্না থামালো। রান্না টা ঢেকে চুলার আচঁ আরেকটু কমিয়ে রুমে নিয়ে গেলো। ওয়াশরুমে গিয়ে গা মুছিয়ে আবারও জামা পাল্টে দিলো তারপর ঘরে বসিয়ে দিয়ে রান্না ঘরে এলো। ফ্লোরে এক নজর তাকালো প্রায় দু’দিনের ময়দা নষ্ট করেছে তার ছেলে তা দেখতেই হাতাশ হলো। তারপর পরিষ্কার করে ফের রান্না করতে শুরু করলো।

সকাল গড়িয়ে বিকেল হতে চললো। ইরাদ লম্বা শাওয়ার নিয়ে নিজের রুমে গিয়ে ঘুমিয়েছিলো সেই সময় আর উঠলো সবেমাত্র। সোজা উঠে ফ্রেশ হয়ে রুমে এসেছে কাবাট থেকে একটা সাদা গেঞ্জি বের করে পড়লো কালো টাওজার এর সাথে । তার মা লাগেজ থেকে সব জামা-কাপড় বের করে কাবাটে সুন্দর করে রেখে গেছে। বেডের ওপর বসে ইরাদ কাউকে ফোন দিতেই ওপাশ থেকে কিছু বলে উঠলে ইরাদ বাঁকা হাসি দিয়ে বললো,
” ওকে এইটুকুই প্রয়োজন ছিলো তুমি এখন নিজের কাজে যেতে পারো..?”,
বলেই ফোন কেটে দিলো তারপর রুমে থেকে বেরিয়ে নিচে চলে গেলো। নিচে নামতেই দেখতে পেলো বাড়ির মেয়েরা বিকেল হওয়ায় সবাই লিভিং রুমেই বসে ছিলো সাথে ইভানও । সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে তার মুখ যেনো গম্ভীর হয়ে এলো সামনে থাকা মেয়েটাকে দেখে।

লিভিং রুমে আয়েশার সাথে বসে আছে কাবিশা খান। কাবিশা খান এর বাবা কাশেম খানের সাথে ইমদাদুল এর পরিচয় সেই অনেক বছর আগ থেকেই যখন সবেমাত্র বিজনেসে হাত দিয়েছিলো ঠিক তখন থেকেই। কাশেম খান ঢাকা শহরের বেশ নামকরা বিজনেসম্যান সাথে তার জমিজমার অভাব নেই । তার যা জমিজমা আছে সে বসে খেলেও ফুরোবে না। কাশেম খান এর সন্তান বলতে শুধু এই কাবিশাই এরপর আর তার স্ত্রীর কোনো সন্তান হয় নি তাই কাবিশার যেনো আদরের শেষ নেই। কাবিশা ভীষণ মডার্ন আর ন্যাকা হওয়ায় ইরাদ কখনো দেখতে পারে না তাকে কিন্তু তার দীদার মতলব বুঝে উঠতে পারে না একে কেমনে পছন্দ হয় তার।
ইমদাদুল আর তারেক ছেলের জন্য বসে থেকে থেকে আর না পেরে দু’জনেই হাটতে বের হয়েছে। ইমদাদুল এর ডায়াবেটিসের কারণে বিকেল হলেই হাটতে বের হয় ছুটির দিনে সাথে তারেকও যায়। ইরাদকে ভার হওয়া মুখ নিয়ে নামতে দেখে ইভা বুঝলো কারণ টা দ্রুত শিউলিকে ডেকে বসলো,
” শিউলি ফলের জুস নিয়ে আস তো এক গ্লাস…?”
শিউলি হুড়মুড়িয়ে দ্রুত জুস নিয়ে ডাইনিং টেবিলের ওপর রাখলো। ইরাদ টেবিলের দিকে এগিয়ে যেতেই কাবিশার চোখে পড়লো। কাবিশা আয়েশার সাথেই গল্পে মজে ছিলো তখন । ইরাদকে দেখে দ্রুত উঠে এগিয়ে আসলো।

” ইরাদ কত বছর বাদে দেখা হলো তোমার সাথে। হ্যান্ডসাম হয়ে গিছো দেখছি। তো কেমন আছো তুমি? ”
ইরাদ গম্ভীর কণ্ঠে ছোট্ট করে বললো,
” ভালো..!”
কাবিশা আরেকটু কাছে এসে দাঁড়াতে গেলে ইরাদ পিছনে সরে যায় । কিছু টা গরম চোখে তাকালো এবার কাবিশার দিকে। কাবিশার পরনে একটা টপস্ আর জিন্স, চুলগুলো কালার করা কিছুটা লালচে রঙের আর মুখে সাজ তো আছেই। ইরাদ এক হাত পকেটে গুঁজে সোজা হয়ে টেবিল থেকে জুসের গ্লাস টা হাতে নিতে নিতে দূর হতে এক নজর ইভানের দিকে তাকালো। ইভান তখন তাদের কথোপকথন শুনতে ব্যস্ত ভাইকে তাকানো দেখে সেও নজর পড়লে ইরাদ এক চোখ মারে আর তাতেই ইভান বুঝলো ভাই কী বুঝাইতে চাচ্ছে। ইভান ফোন টা পকেটে রেখে সোজা উঠে টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে পানির গ্লাস টা নিয়ে পানি খেতে খেতে দাঁড়ালো । ইরাদ জুসের গ্লাসটা মুখে ধরে খেতে শুরু করলো কাবিশার মুখোমুখি হয়ে আর সেই সুযোগে হুট করেই ইভান সুর টেনে বলে উঠলো,
” বেই.বী…….!”
হুট করে কাবিশার ডাক ইভানের মুখে শুনে মুখের জুস সব বেরিয়ে এলো ইরাদের মুখ থেকে। ছিটকে গিয়ে পড়লো কাবিশার মেকআপ করা মুখের ওপর। কাবিশা হতভম্ব হয়ে মুখ খিঁচড়ে ফেললো। তা দেখে দ্রুত ইভা টিস্যু নিয়ে এগিয়ে এসে কাবিশার মুখ মুছতে মুছতে বললো,
” ইরাদ কী করলি তুই দেখে খাবি তো আর ইভান মশকরা করার জায়গা পাশ না খাওয়ার সময় এমন মজা করে কেউ..? ”

ইরাদ বাঁকা চোখে ভাইয়ের তাকিয়ে ব্যঙ্গ হাসি দিলো আড়ালে তারপর সোজ হয়ে কাবিশাকে বললো,
” আই’ম সরি কাবিশা এটা জাস্ট এক্সিডেন্ট ছিলো বুঝতে পারি নি..?”
কাবিশার যেনো গা গুলিয়ে এলো। ইভার থেকে এক প্রকার টিস্যু কেড়ে নিয়ে নিজেই মুখ গলা মুছতে শুরু করলে পাশ থেকে ইভান ভাবান্তর হয়ে বললো,
” আপায় আপনি কয় কেজি ময়দা মাখছিলেন উঠে গেলো যে..?”
কাবিশা ক্ষীপ্ত হয়ে চেঁচিয়ে উঠলো,
” দীদা দেখো তোমার বাড়ির ছেলে আমাকে অপমান করছে। ইরাদ তুমি কী করলে এটা ছিঃ..! আমাকে আবার শাওয়ার নিতে হবে ও মাই গড..! ”
বলেই গেইটের দিকে যেতে লাগলে আয়েশা বসা থেকে দাঁড়িয়ে বলে উঠলো,
” মা খাড়া কয় যাস তমার ড্রেস পড় ওটা পাল্টে..?”
” নো ওয়ে অন্যের জিনিস আমি পড়তে পারবো না। আমি বাড়ি গেলাম এখন আবার আসবো পরে..! “,
বলেই চলে গেলো তার যাওয়ার পানে তাকিয়ে ইরাদ সূক্ষ্ম হেসে চেয়ার টেনে বসলো আর বললো,
” আম্মু খাবার দাও খিদে পেয়েছে। ”
ইভা ছেলের কথা দ্রুত কিচেনে চলে গেলো। ইভা যেতেই আয়েশা এগিয়ে এসে ইরাদকে বললো,
” ইরাদ এই কাম টা তুমি ঠিক করলা না। এখনো সময় আছে ওকে ধরে রাখো তোমারই লাভ হইবো বুঝলা.! ”
ইভান তার দীদার রাগত্বিত মুখ দেখে পাশে থাকা সাবাহ্ কে বসে থাকতে দেখে ডেকে বসলো,
” এই কানী একটা গান শুনবি..? ”
ইভানের ডাকে সাবাহ্ সহ পাশে থাকা তমাও মুখ তুলে তাকাতে ইভান ঝরা কেশে নাচতে নাচতে গেয়ে উঠলো,

” খুকুমণি যায়
লাল চুল মাথায়
বুড়ি দাদী সবসময়
উঁকি মেরে চায়…! ”
ইভানকে গানের এমন দফারফা করতে দেখে সাবাহ্ আর তমা হাসতে হাসতে শেষ আর আয়েশা ক্ষেপে মুখ ভেঙচিয়ে বললো,
” দিলি তো মেয়েটার মন ভেঙে নিজে তো একটা ধরতে পারিস না ভাইকেও দিলি না। ও মেয়ে কী আর আসবে না আসলে তোর ঠ্যাং ভাঙবো বলে দিলাম..?”
ইভান দীদার দিলে তাকিয়ে কেবল দাঁত কেলিয়ে হাসলো শুধু। আয়েশা মুখ ঘুরিয়ে সোফায় গিয়ে বসে পড়লো। ইরাদ খেতে শুরু করলে ইভান চেয়ারে বসে বললো,
” আজ বের হবে কোথাও ভাইয়া..?”
” না আজ আর না। কাল বের হবো কেনো..?”
“এমনিতেই আমি তাহলে গেলাম ঘুরে আসি..! “,
বলেই ইভান চলে গেলো। বের হওয়ার আগে দীদাকে আরও কত যে রাগীয়ে গেলো কে জানে তা। ইভানের প্রতিদিনের অভ্যাস একটা দীদাকে জ্বালানো।

সকাল————-
সকাল হতেই তুবা আর ফারিশা বসলো বেলকনিতে তখন বাজে সবেমাত্র সকাল ৭ টা । ফারিশা কিছুক্ষণ আগে রুম থেকে ঘুরে এসেছে ইয়াশ এখনো ঘুমোচ্ছে । ১০টার দিকে তাদের ক্লাস টেস্ট পরীক্ষা তাই দু’জনেই সাজেশন নিয়ে বসেছে পড়তে। তুবা ফারিশাকে বললো,
” আচ্ছা তাহলে যাওয়ার সময় ইয়াশ কে জিসানের কাছে রেখে যাস ওর তো পরীক্ষা নেই..? ”
” আমি ক্যাফেতে কিছু দিন ছেলেকে আর রাখতে চাচ্ছি না আপাতত। যাওয়ার আগে বাড়ির মালিকের কাছেই রেখে যাবো দু’ঘন্টার ব্যাপার রাখবে ওরা..!”
তুবা মুখ কুঁচকে তাকালো আর বললো,
” ওই বুড়িকে আমার ভালো লাগে না একদমই । ওকে এভাবে রাখিস না..?”
” কেই বা আছে আমার বল? কাকে ভরসা করবো?”
তুবা আর কিছু বললো না। কয়েক সেকেন্ড নীরবতা বিরাজ করলো। সত্যি তো ঠিকই বলেছে ওর আসলেই কেই বা আছে শশুর বাড়ি থেকেও নেই আর নিজের রক্তের বলতে কেবল শুধু তার সন্তানই আছে।
” ভয় পাচ্ছিস তুই ভাইয়ার জন্য..? ”

ফারিশা মুখ তুলে তাকালো আকাশ পানে। ছলছল নয়নে তাকিয়ে নরম গলায় বললো,
” ইয়াশকে আমি দিতে পারবো না তুবা। ”
” এখানে ভাইয়ার দোষও বা কোথায় তুই বল। ভাইয়া তো জানতো না তুই কেনো এমন করেছিস আর তুই যেভাবে কথা শুনিয়েছিলি তাতে যে কেউই রাগ করার কথা..!”
ফারিশা তুবার দিকে তাকিয়ে ভেজা গলায় বললো,

তুমি এলে বসন্ত নামে পর্ব ৩

” সে ছেলে মানুষ তুবা, বুঝদার ছিলো। তারও ভাবার দরকার ছিলো কেনো হুট করে একটা মেয়ে তাকে বেকারের খোটা দিলো তার ভাবা উচিত ছিলো তাই না। উল্টো উনি কী করলো পরেরদিনই দেশ ছাড়লো তারপর থেকে না নিলো খোঁজ আর না দিলো একটা ফোন..! এখানে আমার রাগ করাটাও কী স্বাভাবিক না বল?”
” আচ্ছা তুই কার বুদ্ধিতে এই কাজ করলি বলতো..?”

তুমি এলে বসন্ত নামে পর্ব ৫