Home তুমি এলে বসন্ত নামে তুমি এলে বসন্ত নামে পর্ব ৫

তুমি এলে বসন্ত নামে পর্ব ৫

তুমি এলে বসন্ত নামে পর্ব ৫
রিমঝিম বৃষ্টি

তুবার কথায় ফারিশা বইটা বন্ধ করে বললো,
” সে অনেক কথা। সবকিছুর মূলে আসলে ওর দাদী। একজন বয়স্ক মানুষ যার এক পা কবরে সে কি না লোভে চোখ টাটায় এখনো..? গরীব-বড়লোক ভেদাভেদ করে বেড়ায়..!”
তুবা বিরক্ত গলায় বললো,
” তার মানে তুই বলতে চাচ্ছিস ওর দাদীর কথায় তুই এই কাজ করেছিস..? ”
ফারিশা আর কিছু বললো না, প্রসঙ্গ বদলাতে উঠে রুমে যেতে যেতে বললো,
” ছিলো আরও একজন। আচ্ছা বাদ দে এসব, দ্রুত রেডি হয়ে নে আমি ইয়াশকে ডাকি..!”,
বলেই ইয়াশের কাছে এগিয়ে গেলো। ইয়াশের ঘুম আলগা হতেই মায়ের গলা জড়িয়ে ধরে বললো,

” কোতায় যাও আম্মু আমি যাবো..?”
ছেলের বায়না শুনে ফারিশা তার কপালে চুমু এঁকে বললো,
” বাবা তুমি দিয়ার বাসায় থাকো আমি যাবো আর আসবো তোমার জন্য আইসক্রিম নিয়ে আসবো প্রমিস..!”
আইসক্রিম এর কথায় হেসে উঠলো আর বললো,
” সত্যি..! ”
ফারিশা মাথা দুলিয়ে হ্যাঁ বলতেই ইয়াশ আর বায়না করলো না যাওয়ার জন্য। সকালের খাবার খেয়ে ফারিশা একটা টিফিন বক্সে নুডলস রেখে ইয়াশ কে নিয়ে বের হতে হতে তুবাকে বললো,
” তুই ব্যাগ নিয়ে গেইটের সামনে দাঁড় হো আমি আসছি ওকে দিয়ে…?”,
বলেই চলে গেলো। ফারিশা নিচের তলায় গিয়ে কলিং বেল বাজাতেই দরজা খুলে দিলো এক মহিলা উনিই এ বাড়ির মালিক তার সাথে তার মেয়ে থাকে। একমাত্র মেয়ে হওয়ায় ঘরজামাই রেখেছে সঙ্গে একটা নাতিনও আছে ইয়াশের চেয়ে এক বছরের বড় হবে। মহিলাটি ফারিশা কে দেখেই মুখটা ছোট করে ফেললো আর বললো,

” কী হয়েছে আবার..?”
” চাচী একটু ওকে রাখুন আজ বেশি না ২ ঘন্টার জন্য আমি চলে আসবে আজ তাড়াতাড়ি। ”
মহিলাটি ইয়াশের দিকে তাকিয়ে বললো,
” আচ্ছা আসো ভেতরে..! ”
ইয়াশ ভেতরে যেতেই দিয়াকে পেয়ে ভীষণ খুশি মাকে টাটা দিয়েই ভেতরে খেলতে চলে গেলো। ছেলেকে যেতে দেখে ফারিশা বক্স টা এগিয়ে দিয়ে বললো,
” এতে একটু নুডলস আছে ওর খিদে পেলে দিয়েন আমি চলে গেলাম তাহলে..!”,
বলেই বক্স টা ওনাকে দিয়েই চলে গেলো। ফারিশা চলে যেতেই মহিলা দরজা আটকে দিলো। তার মেয়ে এগিয়ে এসে বললো,
” আবার রেখে গেলো ওর বাবা দেখলে বকবে কিন্তু মা এর পর থেকে আর নিও না। ”
” এত জ্বালা ভালো লাগে না তো। আচ্ছা দেখি এবার বলে দিবো নে..!”
দিয়ার সাথে বাড়ির সামনের বাগানে খেলতে ছুটলো ইয়াশ সাথে ওপর তলার আরও কয়েক টা বাচ্চাও আছে।

ইরাদ সকাল সকাল গাড়ির নিয়ে বের হয়েছে ঠিকানা অনুযায়ী এসে পৌছেছে সেই বাড়ির সামনে। গাড়ির কাচ নামিয়ে মাথা বের করে বাড়ির নেইম প্লেটে দেখতে পেলো ” আলোছায়া ভিলা ” এটাই ওকেই বলেছিলো ফোন করে তাহলে ঠিক বাড়িতেই এসেছে এক নজর বাড়ির দিকে তাকিয়ে গাড়ির থেকে বেরিয়ে আসলো। গেইটের সামনে দাঁড় হতেই দারোয়ান এগিয়ে এসে বললো,
” কে আপনি স্যার..? ”
ইরাদ লোকটির দিকে তাকিয়ে বললো,
” এখানে ফারিশা নামে কেউ থাকে..?”
দারোয়ান ইরাদকে দেখে বললো,
” হে থাকে কিন্তু আপনি কে..? ”
” ও আমার ওয়াইফ হয়..!”
দারোয়ান হেসে উঠলো আর বললো,
” আমারে বোকা পাইছেন, গত চার বছর হলো এখানে থাকে আপামনি আর তার ছেলে কই তার বর আছে শুনি নাই তো..?”
লোকটির কথায় ইরাদ প্যান্টের পকেটে দু’হাত গুজে ভ্রু কুঁচকে তাকালো সে কিছুটা যেনো শিওর হলো ফারিশা এখনো বিয়ে করেনি তবুও আরেকবার জিজ্ঞেস করে বসলো,

” ফারিশার সাথে কোনো ছেলে থাকে না এখানে.?”
” না স্যার। আপামনির সাথে আরেকটা মেয়ে থাকে
শুধু..! ”
” ওহ..!”
ইরাদ ছোট্ট করে উত্তর দিলো তা শুনে লোকটি বললো,
” সত্যি করে বলেন তো আপনি কে হন ওনার..?”
দু’জনের কথোপকথন এর মাঝেই এক বাচ্চার গলা ভেসে এলো।
” শামনে টুল ( চুল) পিতনে টুল শামটুল (শামসুল)…!”,
বলেই হাত তালি দিয়ে ইয়াশ লাফিয়ে উঠলো খিলখিলিয়ে সাথে বাকি বাচ্চারাও হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে যেনো। দারোয়ান কিছুটা বিভ্রান্তিতে পড়ে দ্রুত মাথার টুপি টা ঠিক করে ধরলো। গত সপ্তাহে তিনতলার এক বুড়ো দাদুর সাথে দারোয়ানের চরম ঝামেলা লেগেছিলো। তার নাতির একটা বিড়াল পুষতো তা গেইট দিয়ে বেরিয়ে কীভাবে হারিয়ে গেছিলো তা সে জানে না এর জন্য দু’জনের মাঝে ঝগড়া লাগলে বুড়ো লোকটা তাকে ঠিক এমন ভাবেই ক্ষেপিয়েছিলো কারণ দারোয়ানের মাথার মাঝখানে চুল নেই টাক পরা শুধু সামনে আর পিছনে বেশ খানেক চুল। তাদের ঝগড়া ওপর থেকে ফারিশা সহ তুবা আর ইয়াশ দেখেছিলো। বাচ্চা মানুষ হওয়ায় কথাটা তার মজার লাগায় মাথায় ধরে গেছে। এর পর থেকেই সুযোগ পেলে সেও বলে আর হেসে উড়িয়ে দেয় এতে ফারিশা কয়েক বার ছেলেকে ভয় দেখিয়ে বারণ করেছিলো কিন্তু বাচ্চা মানুষ হওয়ায় তার সেই বুঝবার বয়স হয়নি এখনো । দারোয়ান ইরাদের দিকে এক নজর তাকিয়ে পিছন ঘুরে ইয়াশকে বললো,

” এই ইয়াশ বাবা এসব কি বলছো যাও ওদিকে গিয়ে খেলো সবাই…? ”
ইয়াশের নাম শুনতেই ইরাদ ঘাড় বাকিয়ে তাকালো লোকটির পিছনে। ইয়াশকে দেখে তার মুখে যেনো এক চিলতে হাসি ফুটলো। বাচ্চারা ওদিকে যেতেই ইরাদ স্বাভাবিক গলায় বললো,
” আমি ভাড়া নেওয়ার জন্য এসেছিলাম ভেতরে কি যেতে পারি..?”
” তাহলে আপনি ফারিশা ম্যাডামের খোঁজ কেন নিলেন তাই বলেন আগে..?”
ইরাদ সোজাসাপটা উত্তর দিলো,
” আমরা ক্লাসমেইট ছিলাম ও বলেছিলো এখানে ভাড়াটিয়া উঠার জন্য রুম খালি আছে তাই এসেছি..!”
দারোয়ান সন্দেহ করলো তারপরও যেহুত ভাড়া নেওয়ার কথা বললো তাই লোকটি বলে উঠলো,
” একটু অপেক্ষা করুন মালিককে ফোন দিয়ে বলছি! “,
তারপর মালিকের কাছে ফোন দিয়ে কথা বলে ইরাদ কে ভেতরে যেতে বললে ইরাদ ভেতরে যায়। ইরাদ গিয়ে ভেতরে এমনি কথা বলতে থাকলো ভাড়ার ব্যাপারে । তার কয়েক মিনিট বাদেই ভেতরে ঢুকলো ইয়াশ আর দিয়া। দিয়ার বাবা এসেছে তাই দিয়াকে দেখে তার বাবা কোলে নিয়ে ভেতরে যেতেই ইয়াশ দরজার সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে দিয়াকে আর তার বাবাকে দেখলো। ইরাদ আঁড়চোখে তা এক নজর খেয়াল করলো। মহিলা ট্রে ভর্তি নাস্তা টেবিলের সামনে এগিয়ে দিয়ে পাশের সোফায় বসে বললো,

” তা কয়জন থাকবেন পরিবার নিয়ে নাকি ব্যাচেলার হয়ে..? ”
” ব্যাচেলার কি দেন ভাড়া আপনারা..?”
” না এখানে শুধু ফ্যামিলি দেওয়া হয় ভাড়া..! ”
” দাদী খিদে পেয়েতে..? ”
ইয়াশের গলা পেয়ে মহিলাটা চোখ বড় বড় করে তাকালো। ইরাদের সামনে নাস্তা দেওয়ায় ইয়াশ এগিয়ে এসেছিলো তা দেখে মহিলা ক্ষেপে গিয়ে তার মেয়েকে ডাকলো আর বললো,
” এই ওকে নিয়ে যা আর দেখ রান্না ঘরে ভাত আছে দে..?”
ইরাদ শক্ত গলায় বললো,
” এখানে তো অনেক খাবার এগুলো দিন বাচ্চা ছেলে.?”
মহিলা টা হেসে বললো,
” আরে ওসব খেতে মানা করে গেছে ওর মা। আসলে আমাদের কেউ হয় না। ওর মা ওপর তলায় থাকে। আজ পরীক্ষা দিতে গেছে তার ওপর তার বাড়িতে তো কেউ থাকে না তাই আমার কাছে রেখে গেছে..! ”
ইরাদ কথা বললো না। কিছুটা গম্ভীর হয়ে বসে রইলো আর তপ্ত শ্বাস ফেলছে শুধু , রাগে অনবরত তার বুক উঠানামা করছে যেনো । মহিলা এর মাঝেই আরও কিছু জিজ্ঞেস করলে ইরাদ সোজাসাপটা উত্তর দিতে থাকে শক্ত গলায় শুধু । আঁড়চোখে রান্না ঘরে নজর পড়তেই তার চোখ মুর্হুতেই যেনো লাল হয়ে উঠলো। হাতের রগগুলো যেনো ফুলে উঠলো। চট করে বসা থেকে উঠে রান্না ঘরের দিকে গেলে দেখতে পায় ইয়াশ ফ্লোরে বসে পানি দেওয়া পানতা ভাত খাচ্ছে । মহিলা টা দ্রুত এগিয়ে এসে রাগী গলায় বললো,

” এই ছেলে না বলে রুমে উঁকি মারছেন কেন..? এদিকে আসুন.!”
ইরাদ গরম চোখে তাকিয়ে বললো,
” এসব কি খেতে দিয়েছেন ওকে..?”
মহিলা টা একবার সেদিকে তাকালো। ফারিশা ইয়াশের জন্য যেই নুডলস দিয়ে গেছিলো তা দিয়াকে সুযোগ বুঝে খাইয়ে দিয়েছে শুধু আজ নয় এর আগে যতবার রেখে গেছে ততবারই এই মহিলা তাকে এভাবে পানতা ভাত খাইয়ে রাখতো তাই ইয়াশের এখন অভ্যাস হয়ে গেছে। এখন সে যেনো এই খাবারকে তৃপ্তি করেই অনায়সে খেতে পারে। ইরাদ এক নজর ফের ইয়াশের দিকে তাকালে দেখে ছোট ছোট হাতে কি সুন্দর করে বসে ভাত খাচ্ছে তা দেখে হাত দুটো মুষ্টিবদ্ধ করে ফেললো আর চেঁচিয়ে উঠলো,
” এসব খেতে দেয় কেউ বাচ্চা মানুষকে। আপনি মেয়ের জাতের ছিলেন, এক সময় মাও হয়েছিলেন নিজের সন্তান হলে পারতেন এসব দিতে..?”,
বলেই পকেট থেকে ১০০০ হাজারের পুরো দুই বান্ডিল বের করে মহিলার সামনে ধরলো আর শক্ত গলায় বলে উঠলো,

” এখানে পুরো এক লাখ টাকা আছে রাখুন। এর পর থেকে যতবার ওকে রেখে যাবে সব সময় ভালো-মন্দ খেতে দিবেন নয়তো আপনার মাথা থেকে এই ছাদ কেড়ে নিতে আমার এক সেকেন্ডও লাগবে না জাস্ট মাইন্ড ইট..! আই শোয়ার, আপনি যদি ছেল হতেন তাহলে..
ইরাদের বাকি কথা না শুনেই তার হাতের টাকাগুলো দেখে মহিলা নি”র্ল”জ্জের মতো ছোঁ মেরে নিয়ে বললো,
” আচ্ছা বাবা আসলে আমাদের অভাব যাচ্ছে তো ত…
বাকি কথা বলার আগেই ইরাদ হাত উচিয়ে চুপ করিয়ে দিলো মহিলাকে তারপর ইয়াশের সামনে হাটু গেড়ে বসলো আর বললো,
” ইয়াশ বাবা তুমি কী খাচ্ছো এটা..?”
কারোর গলা পেয়ে ইয়াশ সামনে তাকাতেই ইরাদকে দেখে নাক ছিটকে বললো,
” পতা ( পঁচা) লোক তুমি একানে..?”
আদো আদো গলার সুর পেয়ে ইরাদ সূক্ষ্ম হেসে উঠলো পাশে থাকা গ্লাস টা নিয়ে নিজেই হাত বাড়িয়ে ইয়াশের হাত ধুইয়ে দিলে ইয়াশ বলে উঠলো,

” আমাল খাওয়া হয়নি তো..?”
” তুমি কী চকলেট, চিপস এসব খাবে চলো কিনে দেয় তোমায়..?”
চকলেট আর চিপসের নাম নিতেই ইয়াশের মুখের ভাব যেনো পাল্টে গেলো। ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে বললো,
” সত্যি দিবে আমায়..?”
ইরাদ মাথা দুলিয়ে বললো,
” দিবো তো কিন্তু আমার সাথে যেতে হবে তোমাকে যাবে তুমি। আমার কিন্তু ইয়া বড়ো একটা গাড়িও আছে চড়বে তুমি..! ”
ইয়াশ তার হাত দুটো দুই সাইডে আলগা করে বললো,
” এত বল ( বড়)..!”
ইরাদ মুখ খিঁচড়ে বললো,
” উহু! এর চেয়েও বড় তুমি আসো আমার কোলে, চলো আমরা চকলেট নিয়ে আসি..?”
” মা বকবে..!”
” আমি বলে দিবো বকবে না..!”
ইরাদ এবার নিজেই এগিয়ে গিয়ে তার লম্বা হাত দিয়ে ইয়াশ কে কোলে নিলো তারপর দাঁড় হয়ে মহিলাকে বলে উঠলো,
” আমি ওকে নিয়ে যাচ্ছি কিছুক্ষণ বাদেই দিয়ে যাচ্ছি আবার..?”
এবার ঘর থেকে মহিলার জামাই বের হয়ে আসলো আর বললো,
” আপনি যে ওকে সত্যিই ফেরত দিয়ে যাবেন তার নিশ্চয়তা কীভাবে পাবে আমরা। আপনি যদি না ফিরে আসেন তখন বাচ্চার মা তো আমাদের দায়ী করবে..?”
ইরাদ ইয়াশকে এক হাতের বাহুতে ধরে অন্য হাত দিয়ে প্যান্টের পকেট থেকে তার আইফোন, গাড়ির চাবি আর আইডেন্টিটি কার্ড বের করে টেবিলের ওপর রেখে বললো,

” এগুলো রেখে যাচ্ছি এসে ওকে দিয়ে যাবো আর নিয়ে যাবো। আশা করি এখন আর প্রবলেম হবে না..!”
লোকটি এগিয়ে এসে কার্ডটা ঘুরে ফিরে দেখে বললো,
” আচ্ছা যান তবে দ্রুত ফিরে আসবেন ওর মা আসার আগেই। আমরা এসবের জন্য কোনো ঝামেলা ফেইস করতে চায় না..!”
ইরাদ ইয়াশ কে নিয়ে বেরিয়ে যেতেই মহিলা সন্দেহ গলায় বললো,
” মনে তো হচ্ছে বড়লোকের বেডা। আচ্ছা ওই মাইয়ার সাথে এর কোনো সম্পর্ক আছে নাকি, আজ আসুক আগে যেহুত এতগুলো বছর আছে তাই একবারে মানা করাও যাচ্ছে না। কিন্তু এরকম ধরনের মাইয়ারে ভাড়া দিয়া নিজের বিপদ ডাকবো নাকি..?”

তুমি এলে বসন্ত নামে পর্ব ৪

ফারিশা আর তুবা পরীক্ষা শেষ করে বের হলো দুপুর ১ টায়। বিবিএর ফাইনাল ইয়ারের ইনর্কোস পরীক্ষা চলছে তাদের। ফারিশা তাড়া গলায় বললো,
” দেখ কত বেজে গেলো গাড়ি পেলাম না এখনো। ”
” তাই তো দেখছি কি করবো এখন..?”
” ফারিশা…!”
পরিচিত কন্ঠ পেতে পাশে তাকিয়ে দেখলো জিসান গাড়ি নিয়ে এসেছে।

তুমি এলে বসন্ত নামে পর্ব ৬