Home নেশাক্ত প্রহর (মিহি সিজন ২) নেশাক্ত প্রহর পর্ব ৩৯

নেশাক্ত প্রহর পর্ব ৩৯

নেশাক্ত প্রহর পর্ব ৩৯
রূপন্তী সরকার

ইয়াশফা নিজের চোখের ওপর বাঁধা কালো কাপড়টা এক ঝটকায় খুলে ফেলল। এক মুহূর্তও সেখানে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট করল না। পুরো শরীর রাগে কাঁপছে ওর। চারদিকে একবার চোখ বুলিয়েই হনহন করে বিশাল গোডাউনের সদর দরজার দিকে এগিয়ে গেল এবং একপ্রকার দৌড়েই সেখান থেকে বেরিয়ে গেল।
ভেতরে থাকা বডিগার্ডরা যখন দেখল ইয়াশফা এভাবে একাই বেরিয়ে যাচ্ছে, তখন ওরা কিছুটা ঘাবড়ে গেল। ওরা ওকে আটকাতে পেছন পেছন ছুটে যেতে উদ্যত হতেই, ঠিক তখনই গোডাউনের মেঝে থেকে উঠে দাঁড়িয়ে এক হুংকার দিয়ে উঠল ঋষভ।
কড়া কণ্ঠে গর্জে উঠল সে,

“যেতে দাও ওকে! খবরদার, কেউ ওর পিছু নেবে না।”
ঋষভের কথা শুনে বডিগার্ডরা সেখানেই পাথরের মতো থমকে দাঁড়িয়ে গেল।
ঠিক তখনই টিমের মেইন গার্ডটা ধীরপায়ে ঋষভের কাছে এগিয়ে এলো। ওর মুখের দিকে তাকাতেই দেখল, ঠোঁটের এক কোণ ফেটে টপটপ করে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। অবাক আর চিন্তিত গলায় সে বলল,
“স্যার! আপনার তো ঠোঁট কেটে রক্ত বের হচ্ছে! কিন্তু কীভাবে হলো এটা? এখানে তো কোনো শত্রু ঢোকেনি!”
ঋষভ নিজের বুড়ো আঙুল দিয়ে ঠোঁটের কোণের রক্তটা আলতো করে মুছে ফেলল। চোখ দুটো তখনও রাগে জ্বলজ্বল করছে। তবুও গম্ভীর, থমথমে গলায় সংক্ষিপ্ত উত্তর দিল,
“বউ মেরেছে।”
বসের মুখ থেকে এমন অপ্রত্যাশিত উত্তর শুনে গার্ডটা কোনো রকমে নিজের হাসিটা চেপে রাখল। কপাল কুঁচকে কৌতূহলী গলায় আবার জিজ্ঞেস করল,
“কেন স্যার? ম্যাম আপনাকে ওভাবে মারলেন কেন?”
ঋষভ নিজের শার্টের কলারটা ঠিক করতে করতে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল,
“চুমু খেয়েছি, তাই।”
ঠিক তখনই রিদের সিকিউরিটি টিমের একজন পুরোনো ও বিশ্বস্ত গার্ড একটু এগিয়ে এসে ইতস্তত করে বলল,
“আচ্ছা স্যার, ম্যামকে মাঝরাস্তা থেকে এভাবে হঠাৎ কিডন্যাপ করার আসল কারণটা কী? আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।”

ওর কথা শেষ হতেই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকজন সিনিয়র গার্ড ওকে থামিয়ে দিয়ে বলল,
“আরে, তুই বুঝিস না কেন? ম্যামের ইয়ারিং চাচা সকাল থেকেই ম্যামের ওপর নজর রাখছিল। পার্কে ম্যাম যখন একা ফাঁকা জায়গায় গিয়ে ফোনে কথা বলছিলো , তখন ঝোপের আড়াল থেকে একটা স্নাইপার বন্দুক ম্যামের বুক বরাবর তাক করা ছিল। ম্যামের ওপর আক্রমণ করার ঠিক আগের মুহূর্তেই বস আমাদের ইশারা করে। তোর ম্যামের চাচা একটু বেশি কেয়ারিং দেখাচ্ছিলো তাই উঠিয়ে নিয়ে এসেছি ম্যামকে । ”
ঋষভ নিজের পকেট থেকে রুমালটা বের করে ঠোঁটের কোণের রক্তটুকু পরিষ্কার করছিল। ও ওখান থেকেই একটা গার্ডের দিকে তাকিয়ে গম্ভীর আর ভারী গলায় জিজ্ঞেস করল, “পার্কে মুগ্ধর বাচ্চাটা এখন কার কাছে আছে?”
গার্ডটা এক সেকেন্ডে একদম সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে জবাব দিল, “স্যার, ড. ইউভান ছোট বাবুকে নিয়ে ধরে পার্কের মেইন সিকিউরিটি জোনে বসে আছেন। সবকিছু একদম ঠিকঠাক আছে”
ঋষভ নিজের কপালটা সামান্য কুঁচকে হঠাৎ এক ঝটকায় দাঁড়িয়ে পড়ল। ওর চোখ দুটো রাগে চকচক করে উঠল। ও নিজের কপালে হাত রেখে অস্থির গলায় বলে উঠল,

“Oh shit! একটা মস্ত বড় মিসটেক হয়ে গেছে! মুগ্ধর বাচ্চাটাকেও সাথে করে নিয়ে আসতে হতো। ওকে ওই বেগুনের বাচ্চার কাছে রাখা একদম ঠিক হয় নি!”
মেইন গার্ডটা বসের এই হঠাৎ টেনশন দেখে বুঝিয়ে বলল, “স্যার, তখন আমাদের হাতে সময় কম ছিল, শত্রুরা ম্যামকে টার্গেট করায় ওনাকে ওখান থেকে সরানোই বেশি জরুরি ছিল। সেই তাড়াহুড়োতেই আমরা মুগ্ধর ওই বাচ্চাটাকে সাথে করে আনতে পারি নি। বাট আপনি একদম টেনশন করবেন না স্যার, ড. ইউভান আর বাবু দুজনেই ওই জোনে একদম নিরাপদে আছে।”
ঠিক তখনই ঋষভের পকেটে থাকা ওর ফোনটা হঠাৎ সশব্দে কেঁপে উঠল। স্ক্রিনে একটা জরুরি নাম্বার ভেসে উঠতেই ঋষভের মুখের সব কটা ভাবশ বদলে গেল। ও আর এক সেকেন্ডও ওখানে দাঁড়িয়ে বডিগার্ডদের সাথে কথা বাড়াল না। গম্ভীর মুখে কলটা রিসিভ করে ও ওখান থেকে হনহন করে বাইরের করিডোর দিয়ে নিজের গাড়ির উদ্দেশ্যে চলে গেল।

এইদিকে গোডাউন থেকে কোনোমতে বেরিয়ে ইয়াশফা পার্কের সদর গেটের সামনে এসে দাঁড়াল। দূর থেকেই ও দেখতে পেল ইউভান ইয়ানকে কোলে নিয়ে হন্তদন্ত হয়ে চারদিকে ওকে খুঁজে বেড়াচ্ছে।
ইউভানের অন্য হাতে ইয়াশফার সেই হারিয়ে যাওয়া ফোনটা ইয়াশফাকে গেটের সামনে দেখা মাত্রই ইউভান একছুটে ওর কাছে চলে এলো। ও হাঁপাতে হাঁপাতে অস্থির গলায় জিজ্ঞেস করল, “এই মেয়ে! কোথায় চলে গিয়েছিলে তুমি একা একা? এভাবে কেউ না বলে উধাও হয়ে যায়?”
ইয়াশফার হাত-পা তখনো কাঁপছিল ও নিজের ভেতরের অস্থিরতা কোনোমতে চেপে রেখে ক্লান্ত সুরে বলল,
“বাড়ি যাবো। দিন, আমার ফোনটা দিন।”
ইউভান ওর এই উদাসীনতা দেখে কাতর চোখে তাকাল। ও নিজের বুকের ভেতর জমে থাকা ভয়টা সামলে নিয়ে বলল, “তোমার কি একটুও মায়া হয় না আমার জন্য? এভাবে হুট করে হারিয়ে গিয়ে আমায় কতটা টেনশনে ফেলেছিলে জানো? আমাকে কি একটুও বুঝবে না? ”

ইয়াশফা ইউভানের এই কথার কোনো জবাব দিল না। ও আর কোনো কথা না বাড়িয়ে এক ঝটকায় ইয়ানকে নিজের কোলে তুলে নিল। এরপর গিয়ে গাড়ির ভেতরে উঠে বসল গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে হাত রাখতেই ওর মনের ভেতর পুরো ব্যাপারটা এক নিমেষে পরিষ্কার হয়ে গেল ও খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছে এই পুরো কিডন্যাপের নাটকটা আসলে কে করেছে।
কিন্তু ওর মনে একটাই তীব্র ক্ষোভ আর জেদ কাজ করতে লাগল এই বেয়াদব লোকটা নিজে সামনে আসছে না কেন? কেন আড়ালে থেকে ওভাবে নোংরা খেলা দেখাচ্ছে? ইয়াশফা নিজের ঠোঁট দুটো শক্ত করে চেপে নিজের মনের ভেতর ঠান্ডা মাথায় একটা মোক্ষম প্ল্যান বানিয়ে নিল। এবার ও নিজে ওই সিংহটাকে খাঁচা থেকে বের করে আনবে।ইউভানও এসে গাড়ির সামনের সিটটায় বসল
ওর চোখ-মুখ এখন একদম শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। ও যে কী ভয়ঙ্কর টেনশনের মধ্যে দিয়ে গেছে, তা কেবল ওই জানে পুরো পার্ক ও ইয়াশফাকে হন্যে হয়ে খুঁজেছে, কিন্তু কোথাও ওর কোনো চিহ্ন পায়নি। তার ওপর আজকে কেন জানি হঠাৎ করেই পার্কে কোনো মানুষের ভিড় ছিল না। হাতে গোনা মাত্র দুই-একজন গার্ড টাইপের লোক অলসভাবে চারদিকে ঘোরাঘুরি করছিল,

ইয়ানকে কোলে নিয়ে ওই একা পার্কে বেশি দূর গিয়ে খোঁজাখুঁজি করাও ওর পক্ষে সম্ভব ছিল না, কারণ ইয়াশফা যাওয়ার পর থেকেই ইয়ান অনেক বেশি কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছিল।
ইয়াশফা কোলের ইয়ানের দিকে তাকাল ও বাচ্চাটার ভেজা চোখ দুটো আলতো করে মুছে দিয়ে মায়া মাখা গলায় বলল, “কী হয়েছে মা? এইতো মা তো এসে গেছে, তাহলে কান্না কেন করেছো তুমি, হ্যাঁ?” ইয়ান এতক্ষণ পর নিজের মাকে ফিরে পেয়ে ওর জামার কলারটা শক্ত করে খামচে ধরল। তারপর নিজের আধো আধো গলায়, আজুবুজু ভাষায় হাত-পা নেড়ে মাকে ইউভানের বিরুদ্ধে নালিশ দিতে লাগল যে শয়তান ডাক্তার ওরে কত্তক্ষণ ধরে কোলে নিয়ে ঘুরিয়েছে
ছেলের নালিশ শুনে ইয়াশফার এতক্ষণের সমস্ত রাগ আর ক্লান্তি এক নিমেষে উধাও হয়ে গেল, ও নিজের মুখে হাত চেপে অনেক হাসল।
ইউভানও মা-ছেলের এই মিষ্টি কাণ্ড আর ইয়াশফার মুখের ওই হাসিটুকু দেখে নিজের সব কষ্ট ভুলে আড়চোখে চেয়ে মুচকি হাসল।
ও ইয়াশফার ওই হাসিমাখা মুখের দিকে তাকিয়ে মনে মনে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবল
ও আসলে কীভাবে থাকবে এই দুটো মানুষকে ছাড়া? ওদের ছাড়া যে ওর নিজের পুরো জীবনটাই একদম অন্ধকার আর মরুভূমি হয়ে যাবে

রাতের বেলা…
ইয়াশফা নিজের ঘরের ভেতর পায়চারি করছিল। হঠাৎ মাথায় কিছু ভাবনা আসতেই ওর নিজের ঠোঁটের কোণে এক চিলতে রহস্যময় হাসি ফুটিয়ে বিছানা থেকে ঘুমন্ত ইয়ানকে আলতো করে কোলে তুলে নিল। তারপর হেঁটে সোজা রিদের ঘরের দিকে চলে গেল। রিদ তখন নিজের খাটে বসে একটা বিজনেস ফাইল দেখছিলো ইয়াশফাকে কোলে বাচ্চা নিয়ে ওভাবে ঘরে ঢুকতে দেখে ওর সব গাম্ভীর্য এক নিমেষে উধাও হয়ে গেল। ও আদর মাখা গলায় বললো, “আরেহ এটাম বোম! কী চাই বলো তো? খুব খিদে পেয়েছে? নাকি চকলেটের ক্রেভিং উঠেছে? হবে নাকি ডার্ক চকলেট সাথে টমাটো সস? ফেভারিট কম্বিনেশন রাইট?”
ইয়াশফা রিদের এই বাচ্চাদের মতো কথা শুনে খিলখিল করে হেসে ফেলল। ও মাথা নেড়ে বলল, “নাহ নাহ বাবা, চকলেট লাগবে না।”
ও রিদের মুখের দিকে তাকিয়ে মনে মনে এক মস্ত বড় স্বস্তি পেল। এই একটা মাত্র মানুষের নিঃস্বার্থ ছায়া আর বাবার মতো ভালোবাসার জন্যই হয়তো আজ ইয়াশফা এত বড় ঝড়ের পরও বেঁচে আছে। মিহি তখন ঘরে ছিলো না। ইয়াশফা এগিয়ে গিয়ে রিদের টেবিলের পাশের চেয়ারটায় বসলো।
রিদও নিজের ফাইলটা একপাশে রেখে ইয়াশফার মুখোমুখি হয়ে বসলো
ইয়াশফা নিজের গলার স্বরটা একটু স্বাভাবিক করে শান্ত গলায় বলল, “আগামীকাল আমার জন্মদিন বাবা। অবশেষে ১৮ বছর পূর্ণ হবে আমার।”

রিদ ওর দাঁড়িতে হাত বুলাতে বুলাতে মুচকি হেসে বললো, “হ্যাঁ মা, তা আর বলতে? আমার এটাম বোমের বয়স তো আঠারো হয়ে যাবে”
ইয়াশফা এবার নিজের আসল কথায় আসলো। ও রিদের চোখের দিকে তাকিয়ে দৃঢ় গলায় বলল, “আমি চাই কালকের এই শুভ দিনেই আমার এনগেজমেন্টটা কমপ্লিট করে ফেলতে।”
রিদ ওর মুখে আচমকা এই কথা শুনে অবাক হয়ে বললো “What do you mean?”
ইয়াশফা নিজের মুখের সেই রহস্যময় হাসিটা বজায় রেখে বলল, ” I Mean, I’m ready to get married, Papa, I want this wedding.”
রিদ মনে মনে একটা বড় খুশির ধামাকা পেলো। ও সোজা হয়ে বসে বললো “Are you serious?
“Yes i’am serious”

রিদ আনন্দিত হয়ে বললো, “একদম ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছ মা। আসলে আমিও মনে মনে এটাই ভাবছিলাম যে ইউভানের সাথেই তোমার বিয়েটা দিবো। ছেলে হিসেবে ও খাঁটি। তুমি কি ওকে বিয়ে করতে রাজি?”
ঠিক তখনই ঘরের খোলা দরজা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলো মিহি। ও ঘরে ঢোকা মাত্রই ইয়াশফা মিহির দিকে এক পলক তাকিয়ে স্পষ্ট গলায় রিদকে জবাব দিল, “আমি রাজি বাবা! তবে আমার একটা শর্ত আছে। আমি বিয়েটা তাড়াতাড়ি করতে চাই, আগামী ঠিক ৭ দিনের মধ্যে সবকিছু কমপ্লিট হতে হবে।”
রিদ ওর এই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্তের পেছনের আসল কাহিনি এক সেকেন্ডে ধরে ফেললো ও নিজের ঠোঁটের কোণে চতুর হাসি ফুটিয়ে বললো

“কোনো সমস্যা নেই মা! আমি এক পায়ে প্রস্তুত। আগামী সাত দিনেই সব ব্যবস্থা হয়ে যাবে।”
মিহি ওদের এই কথার মাঝখানে এসে অবাক আর মন খারাপের সুরে ইয়াশফাকে বললো
“তুমি সত্যিই রাজি হয়ে গেলে ইয়াশফা? আমার ছেলেটার কী হবে তাহলে? ও তো শেষ হয়ে যাবে!”
ইয়াশফা এবার নিজের কোলের ইয়ানকে রিদের বিছানায় শুইয়ে দিল। তারপর মিহির একদম কাছাকাছি এগিয়ে গেল। ওর চোখে-মুখে তখন এক শয়তানি হাসি জ্বলজ্বল করছে। ও এক হ্যাঁচকা টানে মিহিকে জড়িয়ে ধরে ওর গালে একটা চুমু এঁকে দিয়ে খ্যাপাটে গলায় বলল, “তোমার ওই ছেলের এবার রুহ বের করার ব্যবস্থা করছি, মা! নাটক বের করছি”

মিহি ওর প্ল্যানটা বুঝতে পেরে নিজেও এক চিলতে শয়তানি হাসি হাসল। ও ইয়াশফার কানটা টেনে দিয়ে বলল, “তা তো বুঝলাম, কিন্তু ওকে বেশি ডোজ দিস না আবার! ও যতই বেয়াদবি করুক, ও আমারই ছেলে”
ইয়াশফা নিজের কোমরে দুই হাত দিয়ে অভিমানী গলায় বলল, “ও আচ্ছা! ও তোমার ছেলে বলে তোমার কষ্ট হচ্ছে? আর এই কয়েকটা বছর ধরে যে আমি একলা একলা মরলাম, আমার একটুও কষ্ট হয়নি, হ্যাঁ?”

নেশাক্ত প্রহর পর্ব ৩৮

ওর রাগ দেখে রিদ নিজের চেয়ার থেকে উঠে আসলো ও মিহির দিকে এক কড়া চাউনি দিয়ে ইয়াশফার মাথায় হাত রেখে গম্ভীর সুরে বললেন, “এই প্রিন্সেস, তুমি একদম চুপ করো তো! আমার এটাম বোম যা করছে সেটাই ১০০ ভাগ ঠিক। আমি ওর পাশে আছি।

নেশাক্ত প্রহর পর্ব ৪০

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here