Home মেঘের ওপারে আলো মেঘের ওপারে আলো দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ পর্ব ৫০

মেঘের ওপারে আলো দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ পর্ব ৫০

মেঘের ওপারে আলো দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ পর্ব ৫০
Tahmina Akhter

প্রিয়
মেঘালয়
কেমন আছেন? আশা করছি অনেক অনেক ভালো আছেন। আচ্ছা আমি কতটা ভালো আছি জানতে চাইবেন না? থাক আমি বলি। ঠিক যতটা ভালো থাকলে নতুন করে বাঁচতে ইচ্ছে করে আমি ঠিক ততটুকু ভালো আছি।
গতকাল আপনার একটা ছবি দেখলাম। সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার আপলোড করা ছবিটা দেখে আমি আপাতত থম মেরে বসে আছি। মোবাইলের স্ক্রীণের ওপর ভেসে থাকা ছবিটার আপনি আমার চোখের সামনে নেই। কিন্তু, আমার মনের আয়না থেকে আপনার প্রতিবিম্ব যেন সরতেই চাইছে না। আপনি এত চোখ ধাধানো সুদর্শন হলেন কবে থেকে? আমি আপনাকে চোখে দেখার পর থেকে আর কাউকে দেখতে পাচ্ছি না যেন! আপনাকে ভালোলাগার হাজারটা কারণের মধ্যে একটা কারণ হচ্ছে আপনার সৌন্দর্য আর আপনার নজরকাড়া ব্যক্তিত্ব। আমি তো ভাবছি আমার আপনার প্রতি ভালোলাগা কখন জানি ভালোবাসায় রুপান্তরিত হয়ে যায়?
আজকের মত এতটুকুই থাক! এটা কোনো অফিশিয়ালি ইমেইল নয়। আপনার কাছে আমার প্রেমপত্র প্রেরণ করলাম। ভালো থাকবেন।
ইতি,
আপনাকে ভালোবাসে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মেয়েটা

ই-মেইল পড়ার পর হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে রইলো মেঘালয়। সে ভেবেছিল অফিশিয়াল কোনো ডকুমেন্টস হবে। কিন্তু, এ তো দেখছি পুরোদস্তুর প্রেমপত্র! কিন্তু, মেঘালয়ের মনে খটকা লাগছে। কারণ, তার অফিশিয়াল ইমেইল অ্যাকাউন্ট সবার কাছে উন্মুক্ত নয়। পরিবারের কিছু সংখ্যক মানুষ জানে আর ভার্সিটির কর্তৃপক্ষ জানে। মেঘালয় ল্যাপটপ কোল থেকে নামিয়ে বিছানার ওপরে রাখল। তারপর কিছু একটা করলো । কাজ শেষ হতেই তড়িঘড়ি করে বের হয়ে গেল ঘর থেকে।
রিনি সবেমাত্র গোসল সেরে বেরিয়েছে। ভেজা চুল কাঁধ ছুঁয়ে পিঠ বেয়ে নেমেছে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হেয়ার ড্রায়ার অন করে চুল শুকাচ্ছিল সে। হেয়ার ড্রায়রের শব্দে ঘর ভরে আছে।
ঠিক তখনই দরজার লক খোলার ক্ষীণ শব্দ।
রিনি ভ্রু কুঁচকাল। সে তো দরজা লক করেই ছিল… দরজা ঠেলে কেউ ভেতরে ঢুকল।
হেয়ার ড্রায়ারের শব্দের মাঝেই রিনি আয়নায় চোখ তুলে দেখল, মেঘালয় এসেছে।
মেঘালয় ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে রিনির সামনে দাঁড়াল। হেয়ার ড্রায়ারের গরম বাতাস এখন সরাসরি তার বুক ছুঁয়ে যাচ্ছে।
মেঘালয় নিচু স্বরে বলল,

— What is this, Rini?
তার হাতে একটা প্রিন্ট করা কাগজ।
ভাঁজ করা, কিন্তু স্পষ্টতই গুরুত্বপূর্ণ।
রিনি সামান্য আতঙ্কিত বোধ করল। হেয়ার ড্রায়ারটা বন্ধ হয়ে গেল। ঘরে হঠাৎ নিস্তব্ধতা ভর করলো।
— What are you talking about?
রিনি স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করল। মেঘালয়ের চোখ স্থির সে রিনির মুখের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করলো,
— Don’t play smart. I’m asking again… what is this?
সে কাগজটা রিনির সামনে তুলে ধরল।
রিনির বুকের ভেতর কাঁপন শুরু হলো।
কাগজে চোখ রাখতেই বুঝতে পারল এটা একটা ইমেইল এর ফটোকপি।
রিনি কাগজটার দিকে একবার তাকাল। তারপর ধীরে ধীরে চোখ তুলে সরাসরি মেঘালয়ের চোখে চোখ রাখল। তার ঠোঁটের কোণে হালকা বাঁকা হাসি ফুটে উঠল।

— You tell me first… what do you think this is?
মেঘালয়ের চোয়াল শক্ত হয়ে গেল।
— Rini, don’t try to twist this.
রিনি হেয়ার ড্রায়ারটা ড্রেসিং টেবিলের ওপর রাখল। দুই হাত বুকের সামনে ভাঁজ করে দাঁড়াল। তার ভঙ্গিতে ভয় নেই, অস্বস্তি নেই বরং আত্মবিশ্বাস ভরপুর।
— আমি কিছু টুইস্ট করছি না। তুমি আমার ঘরে ঢুকেছো বিনা অনুমতি নিয়ে। তারপর এসে জিজ্ঞেস করছো “What is this?” তুমি আগে বলো, তুমি এটা কোথায় পেলে?
মেঘালয় এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেল। তার চোখে বিরক্তির ছায়া স্পষ্ট হলো। তবুও, বিরক্তিকে আপাতত একপাশে রেখে রিনিকে জবাবে বলল,
— এটা আমার ইমেইল-এ এসেছে।
রিনির ভ্রু সামান্য উঁচু হলো। তারপর, মেঘালয়ের হাতের মুঠোয় থাকা কাগজটার দিকে তাকিয়ে বলল,
— Oh? তাই নাকি? তাহলে প্রশ্নটা আমায় কেন করছো? ইমেইল তো তোমার কাছে এসেছে। তুমি পড়েছো। তুমি জানো, কে পাঠিয়েছে?
মেঘালয় এবার গলা সামান্য উচু করল। দাঁতে দাঁত চেপে বলল,

— তুমি জানো এই মেইল কে পাঠিয়েছে? আমার ই-মেইল এড্রেস সম্পর্কে তুমি জানো। আমার পরিবারের মধ্যে হাতেগোনা কিছু লোকজনের মধ্যে তুমিও জানো। আমার সামনে মোটেও না জানার ভান করবে না।
রিনি এক পা এগিয়ে এল মেঘালয়ের সামনে। এতটাই কাছে যে দুজনের নিঃশ্বাস একে অন্যের গায়ে লাগছে। মেঘালয়ের অস্বস্তি হচ্ছে বিধায় সে সামান্য পিছিয়ে যায়। রিনি এটুকু দৃশ্য দেখে মলিন হেসে বলল,
— তুমি বলছো, আমি পাঠিয়েছি। তাহলে তো তুমি জানোই এই ই-মেইল কেন পাঠানো হয়েছে?
ঘরের ভেতর অদৃশ্য এক টানটান অবস্থা তৈরি হলো। মেঘালয় দাঁত চেপে বলল,
— তুমি আমাকে ফলো করছো? আমার অনুভূতি নিয়ে খেলতে তোমার লজ্জা হয় না, রিনি? তুমি জানো না আমি কার জন্য এত বছর ধরে অপেক্ষা করছি? এই ধরনের ফান আমার ভালো লাগে না।
রিনি হেসে ফেলল। ঠাণ্ডা, ধারালো হাসি।।
—আমার চোখের সামনে ১২ঘন্টা ঘুরঘর করছো। তোমাকে ফলো করব কেন? তোমার অনূভুতি নিয়ে খেলার শখ আমার নেই। আর কান খুলে শুনে রাখো। আমি তোমার কাছে কোনো কিছু পাঠাইনি। আমার জিমেইল অ্যাকাউন্ট এটা নয়। পারলে তুমি চেক করে দেখতে পারো। দেখো গিয়ে তোমার কোনো স্টুডেন্ট এই ধরণের উদ্ভট কান্ড ঘটিয়েছে।
রিনি কথাগুলো শেষ করার পর পুরো ঘরজুড়ে নিরবতা ছেয়ে গেছে। মেঘালয়ের হাতে ধরা কাগজটা কুঁচকে গেল। রিনিকে আর ঘেটে দেখার কারণ পাচ্ছে না। কারণ, রিনি যা বলছে আপাতদৃষ্টিতে তাই সত্যি মনে হচ্ছে। তাই সে চুপচাপ বের হয়ে গেলো রিনির ঘর থেকে। ঘর থেকে বের হয়ে মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে সময় দেখল। বাংলাদেশে তখন সকাল শুরু হয়েছে। কাব্য’র হোয়াটসঅ্যাপে কল করেছে মেঘালয়। কাব্য তখন সকালের নাশতা খাচ্ছিল। মেঘালয়ের কল এসেছে দেখেই কাব্য কল রিসিভ করে মুচকি হেসে জিজ্ঞেস করলো,

— সাত-সকালে তোর ফোনকল! কেমন আছিস?
— এই তো ভালো। তোমরা কেমন আছো?
— আমরা সবাই ভালো আছি। শোন মেঘালয়?
— বলো, ভাইয়া?
— বাংলাদেশ থেকে আমার পরিচিত একজন স্টুডেন্ট তোর ইউনিভার্সিটিতে স্কলারশিপ পেয়েছে, বুঝলি? এখন আমার স্টুডেন্ট লন্ডনে প্রথম কয়েকদিন তেমন কিছুই চিনবে না বা বুঝবে না। তাই আমি চাচ্ছিলাম তুই যদি ওকে একটু হেল্প করার চেষ্টা করতি?
— আমার কি এত সময় আছে নাকি ভাই? তুমি কেন….
মেঘালয় প্রায় বিরক্ত হয়ে কথার মাঝখানে চুপ করে গেল। কাব্য মুচকি হেসে বলল,
— আরে আমার স্টুডেন্ট সেই লেভেলের ব্রিলিয়ান্ট। লন্ডনে যাক না একবার। তুই ওর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর টের পাবি, ও কেমন?
কাব্য’র কথা মেঘালয় সামান্য মুচকি হেসে বলল,

— ব্যাপার কি বলো তো? আমার তো মনে হচ্ছে, তোমার কোনো স্টুডেন্ট নয় বরং তোমার কোনো শালি আসবে লন্ডনে। আর তুমি ইনিয়েবিনিয়ে তার সঙ্গে আমার বিয়ের ঘটকালি করবে? যদি এরকম কিছু ভেবে থাকো তাহলে তোমার আশায় সেঁগুড়েবালি।
মেঘালয়ের কথা শোনার পর মোবাইলের ওপ্রান্তে থাকা কাব্য এবং ইতি মুখ চেপে হাসছে। পরোটা ছিঁড়ে এক টুকরোতে সবজি মাখিয়ে মুখে পুড়ে চিবাতে চিবাতে কাব্য বলল,
— আমার তোকে নিয়ে কোনো প্ল্যানিং নেই মেঘালয়। মানুষ নিজেই নিজের ভাগ্যকে গড়ে নিতে সক্ষম। তোর ভাগ্যকে তুই কেমন গুছিয়ে রাখবি সেটাও তোর হাতেই কন্ট্রোল আছে। কিন্তু, একটা কথা না বলে পারছি না, আমার সেই স্টুডেন্টকে দেখার পর তুই নিশ্চিত এয়ারপোর্টের সামনে চিৎপটাং হয়ে পড়ে থাকবি,
I promise.

— তোমার “আলো” নামের ওই একজন স্টুডেন্টকে দেখে আমি সেই কবে চিৎপটাং হয়েছি, ভাই। নতুন করে আর কাউকে দেখলে বোধহয় চিৎপটাং হবার সম্ভাবনা নেই আমার।
ভারাক্রান্ত মনে কথাগুলো বলেই মেঘালয় কল কেটে দিলো। মনের অলিন্দে ফের দোলা লাগে। আলোর নামটা যতবার মস্তিষ্কে আসে ঠিক ততবারই হৃদয়ে প্রেমান্দলিত হয়। ফিরে যেতে ইচ্ছে করে সেই আটবছর আগের আগষ্টের নয় তারিখে । আলো শেষবারের মতো যখন গয়না গুলো খুলে তার হাতে দিয়েছিল ঠিক সেই মুহুর্তে ফিরে গিয়ে আলোকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে যদি বলতে পারত,
“আলো, তোমাকে আমি ভালোবাসি। বুঝলে? আমাকে ছেড়ে কোথাও যাবে না তুমি। যদি চলে যেতে চাও তবে সঙ্গে করে আমাকে নিয়ে যাও।”

আফসোস এই কথাগুলো বলতে পারেনি সেদিন। যার কারণে আজ এতগুলো বছর আলোবিহীন কাটিয়ে দিতে হচ্ছে। মাঝেমধ্যে মনে হয় আলোকে আর কখনো ফিরে পাবে না। আলোকে ফিরে পাওয়ার মিছে ভাবনা নিয়ে আর কতকাল বেঁচে থাকা যাবে কে জানে? তবে বেঁচে থাকতে হবে। তার বিশ্বাস আলো একদিন অবশ্যই ফিরে আসবে। কারণ, মেঘালয়ের নিজের ভালোবাসার ওপর নিজের চেয়েও অধিক বিশ্বাস আছে। আলো একদিন না একদিন অবশ্যই তার ডাক্তার সাহেবের ভালোবাসা উপলব্ধি করবে। আর সেদিন অবশ্যই আলো ফিরে আসবে তার মেঘালয়ের কাছে, তার ডাক্তার সাহেবের কাছে।
এতকিছুর মধ্যে মেঘালয় বেমালুম ভুলে গেল সেই অচেনা ইমেইল অ্যাকাউন্টের কথা। অথচ, সে কাব্যকে কল করেছিল এই ব্যাপারটা নিয়ে আলাপ করার জন্য।
মেঘালয় মোবাইলটা নিয়ে ঘরে ঢুকলো
তারপর, ল্যাপটপ কোলে নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ টাইপিং করলো। অবশেষে টাইপিং শেষ হবার পর সেন্ড করলো সেই অচেনা ইমেইল অ্যাকাউন্টে। মেঘালয় অপেক্ষা করতে লাগল ফিরতি জবাব কি আসে তা জানার জন্য?

আলো আজ ভীষণ ব্যস্ত। হসপিটালের ডিউটি শেষ করে বাসায় ফিরতে ফিরতে প্রায় রাত দশটা বাজল। বাসায় ফেরার পর সিতারা বেগম আলোর খাবার বেড়ে রাখলেন টেবিলের ওপর। আলো কোনোমতে হাতমুখ ধুয়ে এসে খেতে বসলো। লাল শাক ভাজা, ইলিশ মাছ ভুনা আর পাতলা মসুর ডাল দিয়ে পেটপুড়ে খাবার খেয়ে শেষ করলো। খাবার শেষ করার বেসিন থেকে হাত ধুয়ে এসে তার আম্মার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে সোজা চলে তার ঘরে। ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করলো। তারপর, ঘরের লাইট অফ করার আগে তার মোবাইল এবং ল্যাপটপ খাটের ওপরে রেখে লাইট অফ করে বিছানায় বসলো। ল্যাপটপ অন করে ইমেইল চেক করতেই দেখতে পেলো একটা ই-মেইল এসেছে। আলোর ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠেছে। গতকাল থেকে এই অপেক্ষায় ছিল সে। মেইল অপেন করে পড়তে শুরু করলো। এক একটি শব্দ পড়ার পর আলো হাসতে হাসতে হেলেদুলে পড়ছে বারবার। কেউ যদি দেখতে পেত আলো একা একা হাসছে তাহলে নিশ্চিত সবাই আলোকে পাগল ভাবত।

প্রিয়/অপ্রিয়
কোনটা লিখব আমার জানা নেই!
পত্রের শুরুতে শুধু এতটুকু বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, আধুনিক যুগে এসে কেউ ইমেইল-এ অজানা,অচেনা এক ব্যক্তিকে প্রেমপত্র প্রেরণ করতে পারে তা আমি আজই দেখলাম।
আপনাকে আমি চিনি না, জানি না। আপনি হয়তো আমাকে চেনেন! অথবা আপনি আমার কাছের কেউ! আপনি আমার অচেনা কেউ হলে আপনি আমার ইমেইল আইডি সম্পর্কে জানতেন না। আপনি যদি আমাকে নিয়ে ফান করতে চাইছেন, তাহলে sorry to say. আপনি ভুল মানুষের সঙ্গে পাঙ্গা নিতে এসেছেন। আপনি ভবিষ্যতে আর কোনোদিন আমাকে এ ধরনের ইমেইল পাঠাবেন না। আর যদি দুঃসাহস করেন তাহলে আপনার নামে আমি সাইবারে মামলা করব। আমাকে উত্যক্ত করার চেষ্টা করবেন না। আপনাকে উপদেশ দিচ্ছি না। লাস্ট ওয়ার্নিং দিচ্ছি আপনাকে।
ইতি,
ডা. মেঘালয় ইমতিয়াজ আহমেদ

মেঘের ওপারে আলো দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ পর্ব ৪৯

এতটুকু পড়ে আলো হাসছে। তার ডাক্তার সাহেব বরাবরই আগের মতই আছে। যারা তাকে বিরক্ত করে তাদের সঙ্গে কাটকাট কথা বলবে। আর যারা তার কাছের মানুষ তাদের সঙ্গে এমন করে কথা বলবে যেন মিষ্টি বিলি করছে।
আলো ফের কিছু লিখলো মেঘালয়ের উদ্দেশ্য। তারপর আবারও ইমেইল সেন্ড করলো। আশা করা যায় এবারের ইমেইল পড়ার পর ডাক্তার সাহেব তার নামে সত্যি সত্যি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবে। অবশ্য আলো তার ডাক্তার সাহেবের কাছে আত্মসমর্পণ করার জন্য সদাপ্রস্তুত আছে।

মেঘের ওপারে আলো দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ পর্ব ৫১