যে পাখি মন বোঝে না পর্ব ১৩
মুন্নি আক্তার প্রিয়া
সকালে নাস্তা করে এসে আমি আবারও ঘুমিয়েছিলাম একটু। দুপুর পর্যন্ত ঘুমিয়ে উঠে ফ্রেশ হয়ে একসাথে দুজনে লাঞ্চ করেছি। খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আমি জিজ্ঞেস করলাম,
“আমরা ঘুরতে যাব না?”
রাহাত ভ্রু কুঁচকে হেসে বলল,
“ঘুরতেও যাওয়া লাগবে?”
“এটা আবার কেমন কথা বললেন? ঘুরব না?”
তিনি আমার হাত ধরে টেনে পাশে বসালেন। দুহাতে গলা জড়িয়ে ধরে বললেন,
“অবশ্যই ঘুরব। রোদ কমলে আমরা সমুদ্রে যাব। তুমি রেডি হও।”
খুশিতে আমার মুখটা বোধ হয় উজ্জল হয়ে গেল। জিজ্ঞেস করলাম,
“কী পরব আজ?”
“শাড়ি পরো। মেরুন শাড়িটা।”
“এই গরমে শাড়ি?”
“তোমার কষ্ট হলে পরতে হবে না। অন্য কিছু পরো।”
“না, শাড়িই পরব।”
“কিন্তু গরমে যে তোমার কষ্ট হবে?”
“আপনার তো ভালো লাগবে।”
তিনি হেসে আমার গালে চুমু দিয়ে বললেন,
“এত ভালোবাসো?”
আমি এবার লজ্জা লুকিয়ে বলেই ফেললাম,
“ভীষণ!”
আমার একটা ভালো গুণ হলো আমি একা একা শাড়ি পরতে পারি। চাচিমনিকে দেখে দেখে শিখে ফেলেছিলাম। চাচিমনি যদি কখনো বাসায় না থাকত তাহলে আমি একা একা শাড়ি পরে পুরো বাড়ি টইটই করে ঘুরে বেড়াতাম। একবার তো চাচিমনি হঠাৎ করে বাড়িতে এসে দেখে ফেলেছিল। সেদিন যে আমি কী লজ্জাটাই না পেয়েছিলাম! চাচিমনি অবশ্য ভীষণ খুশি হয়েছিলেন। মুগ্ধ হয়ে বলেছিলেন, ‘কী মিষ্টি লাগছে রে তোকে!’
শাড়ি পরতে পরতে পুরনো অনেক স্মৃতিই মনে পরে যাচ্ছিল। কুচি ঠিক করার জন্য আমি রাহাতকে ডাকলাম,
“এখানে আসুন। কুচি ঠিক করে দিন।”
তিনি এসে ফ্লোরে বসে পড়লেন। সবগুলো কুচি সুন্দর করে ঠিক করে দিয়ে বললেন,
“এবার গুঁজো।”
কুচি গুঁজতে গুঁজতে তাকে বললাম,
“আপনি রেডি হচ্ছেন না কেন?”
“আমার রেডি হতে আর কতক্ষণ লাগবে? শুধু পাঞ্জাবিটা পরব।”
আমি আর কথা না বাড়িয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ঠোঁট এঁকে লিপস্টিক দিতে লাগলাম। তিনি আমাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে বললেন,
“যখন থেকে আমরা একসঙ্গে থাকব তখন কিন্তু তুমি সবসময় শাড়ি পরবে।”
“কেন?”
“কারণ শাড়িতে তোমায় ভীষণ সুন্দর লাগে।”
“ওহ শুধু শাড়িতে?”
“উহুম শাড়ি ছাড়াও!”
“ওহ।”
তিনি মুখ টিপে হাসছেন লক্ষ্য করে জিজ্ঞেস করলাম,
“হাসেন কেন?”
“কারণ তুমি একটা টিউব লাইট।”
আমি রেগেমেগে বললাম,
“কেন? কী করেছি আমি?”
“মাত্রই একটা ডাবল মিনিং কথা বললাম। অথচ তুমি বুঝতেই পারোনি।”
“আপনি বলেছেন শাড়ি ছাড়াও ভালো লাগে। তো এখানে ডাবল মিনিংটা কী?”
তিনি আমাকে ছেড়ে হাসতে হাসতে বললেন,
“বাদ দাও।”
আমি ভ্রু কুঁচকে কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে থেকে আয়নায় নিজের দিকে তাকালাম। এরপর তার ডাবল মিনিং কথাটা মাথায় ক্যাচ করতেই বোকা বনে গেলাম আমি। কীরকম অসভ্য একটা লোক! আমি চোখ পাকিয়ে তার দিকে তাকাতেই বলল,
“কী?”
“আপনি ভীষণ রকমের একটা অস’ভ্য লোক।”
তিনি এবার শব্দ করে হোহো করে হাসতে হাসতে বললেন,
“এতক্ষণে তাহলে বুঝলে!”
“হুহ্!”
তাকে আর আস্কারা না দিয়ে আমি সাজ কমপ্লিট করলাম। তার দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে বললাম,
“কেমন লাগছে?”
তিনি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থেকে বললেন,
“ভীষণ, ভীষণ সুন্দর! চোখ ফেরানো দায়।”
আমি হাসতে হাসতে আয়নার দিকে তাকিয়ে বললাম,
“আমি তো জানি, আমি সুন্দর।”
“এদিকে আসো তো?”
হঠাৎ তার সিরিয়াসনেস দেখে অবাক হলাম। জিজ্ঞেস করলাম,
“কেন?”
“আসো আগে।”
আমি তার কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। জিজ্ঞেস করলাম,
“কী?”
“সালাম করো।”
আমি আরো অবাক হয়ে বললাম,
“কেন?”
“করো আগে।”
আমি তাকে সালাম করলাম। এরপর তিনি মানিব্যাগ থেকে পনেরোশো এক টাকা বের করে দিলেন আমার হাতে। আমি বিস্ময় নিয়ে চোখ দুটো ছোটো ছোটো করে বললাম,
“সালামি দিবেন আগে বলবেন না? এখন থেকে তো আমি রোজ শাড়ি পরব।”
তিনি হেসে আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়ে বললেন,
“তাই না?”
আমিও হেসে তাকে জড়িয়ে ধরে বললাম,
“হুম।”
“আমার পাগলি বউটা!”
দুজনে রেডি হয়ে বের হওয়ার মুহূর্তে হঠাৎ করে বললাম,
“এই শুনুন?”
“বলো জান।”
আমি তার হাতে শাড়ির আঁচল ধরিয়ে দিয়ে বললাম,
“শক্ত করে ধরে রাখুন।”
তিনি কিছুই বুঝতে না পারলেও আঁচল ধরে রেখেছেন। আমি এরপর সামনে হেঁটে যাওয়ার পর শাড়ির আঁচলে টান লাগতেই পেছনে ফিরে তাকালাম লজ্জা লজ্জা দৃষ্টিতে। তিনি বিষয়টা বুঝতে পেরেই শব্দ করে হেসে ফেললেন।আমি হাত দিয়ে মুখ ঢেকে বললাম,
“কখনো তো কোনো ছেলের ঘড়িতে শাড়ির আঁচল আটকাল না তাই…”
“খুব শখ না?”
আমি তাকে জড়িয়ে ধরে বললাম,
“না, এখন আর শখ নেই। এখন তো আমার জন্য আপনি আছেন।”
“হ্যাঁ, শুধু আমিই থাকব। সারাজীবন। তোমার ওপর শুধু আমার অধিকার।”
“জি জনাব।”
তিনি হেসে হাত ধরে বললেন,
“চলো।”
আমরা লাবনী পয়েন্টের সী বিচে গেলাম আগে। জীবনে প্রথম আমার সামনা-সামনি এত কাছ থেকে সমুদ্র দেখা হলো। পানি দেখেই আনন্দে দিশেহারা আমি। দৌঁড় দেওয়ার আগেই রাহাত আমার হাত ধরে বলল,
“উহুম, বেশি পানিতে নামা যাবে না।”
“একটু নামব।”
“না, ভেজাও যাবে না। লবণাক্ত পানি।”
“একটু পা তো ভেজাতে পারব?”
“হ্যাঁ, তা পারবে।”
তিনি আমার হাত ধরে সমুদ্রের পারে হাঁটতে লাগলেন। ঢেউ এসে আমার পা যখন ছুঁয়ে দিচ্ছিল, আমার মনে হচ্ছিল আমি আনন্দেই আজ মা’রা যাব। বড়ো বড়ো ঢেউ আসার সময় তিনি আমাকে পাজাকোলে তুলে নিয়েছিলেন আমি যেন না ভিজি তাই। সবকিছু স্বপ্নের মতো লাগছিল। বাতাসে উড়তে থাকা আমার চুলগুলো কানের পিঠে গুঁজে দিয়ে তিনি বললেন,
“কখনো কি ভেবেছিলে আমার সাথে এভাবে সমুদ্র বিলাস করবে?”
“কখনো না! কল্পনাতেও না।”
“ভাবনার বাইরে গিয়েও যখন এসব হচ্ছে তখন তোমার কেমন লাগছে?”
“আমার চঞ্চলতা দেখে বুঝতে পারছেন না?”
“পারছি। তাও তোমার মুখ থেকে শুনতে চাই। বলো।”
আমি কিছুটা আবেগি হয়ে বললাম,
“আমার ভাঙাচোরা জীবনটা খুব কাছ থেকেই দেখেছেন আপনি। জীবনে আমার উত্থানের চেয়ে পতনটাই বোধ হয় বেশি ছিল। বাবা-মা থেকেও নেই। বুঝতে পারার পর চাচ্চু আর চাচিমনিকেই আমার বাবা-মা হিসেবে জানলাম। তবুও কোথাও যেন একটা কিন্তু কিন্তু থেকেই যেত! কত মানুষের কত কটুক্তি সহ্য করেছি। আপনার অবহেলা সহ্য করেছি। ভালোবাসা কী, স্বপ্ন কী আমি জানতাম না। আমার জীবনে না কখনো ভালোবাসা ছিল আর না কখনো কোনো স্বপ্ন ছিল। এরপর রূপকথার রাজকুমারের মতো আপনার আবির্ভাব হলো আমার জীবনে, একদম নতুন করে। আমার চেনা আগের রাহাত আর এখনকার রাহাত একদম আলাদা। এখনের রাহাত আমাকে ভালোবাসতে শিখিয়েছে, স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে। শুধু তাই নয়, অদেখা স্বপ্নও পূরণ করছে। আমার রঙহীন জীবনে রঙ নিয়ে এসেছে, পাখির মতো উড়তে শিখিয়েছে। দিন শেষে মুখ গোজার জন্য একটা শান্তির বুক দিয়েছে। এক জীবনে এরচেয়ে বেশি আর কী চাই বলুন? না চেয়েও আমি সব পেয়ে গেছি। এরপরও কি আমার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে হবে?”
এতক্ষণ তিনি মুগ্ধ হয়ে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে কথাগুলো শুনছিলেন। এবার আমার দুগালে হাত রেখে আদর আদর কণ্ঠে বললেন,
“আমার বউটাকে আমি এভাবেই সবসময় পাখির মতো উড়তে দেখতে চাই, জান।”
আমি হেসে দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বললাম,
“জানেন, জীবনে আমি যা-ই খুব করে চেয়েছি তার ৮০%-ই আমি কখনো পাইনি।”
“তাই? আমি তোমার এই ধারনা মিথ্যা প্রমাণ করে দেবো।”
“আমার ভয় হয়!”
“কেন জান?”
“আপনাকে হারিয়ে ফেলার ভয়! এত সুখ আমার কপালে সইবে তো?”
তিনি আমাকে তৎক্ষনাৎ তার বুকের মধ্যে নিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললেন,
“অবশ্যই সইবে। দুঃখ তোমাকে ছোঁয়ার আগেই তোমার জীবনে ঢাল হয়ে দাঁড়াব আমি। কখনো এমনটা ভাববে না যে, আমরা আলাদা হয়ে যাব। আমার তো মাঝে মাঝে ভয় হয়, শেষে আবার তুমি আমাকে ছেড়ে যাও কিনা!”
আমি বিস্ময় নিয়ে বুক থেকে মুখ তুলে বললাম,
“আমি কেন আপনাকে ছেড়ে যাব?”
“তোমার চাচ্চু আর তোমার চাচিমনির প্রতি তোমার যা টান! তুমি তো আমার থেকেও তাদেরকে বেশি ভালোবাসো। যখন তারা জানবে তখন যদি বলে আমাকে ছেড়ে দিতে। আর তুমিও যদি আমাকে তখন ছেড়ে…”
আমি তার মুখের ওপর হাত রেখে বললাম,
“এরকমটা কখনোই হবে না। আমি ম’রে গেলেও আপনাকে ছাড়তে পারব না।”
“সত্যিই? ছেড়ে চলে যাবে না তো?”
আমি তখন হেসে সুর দিয়ে এক লাইন গেয়ে বললাম,
“তোমায় ছেড়ে বহুদূরে যাব কোথায়,
এক জীবনে এত প্রেম পাব কোথায়?”
তার চোখ ছলছল করছিল। এর মাঝেই গান শুনে হেসে আমাকে ফের বুকে জড়িয়ে ধরে বলল,
“এখনো অনেক প্রেম বাকি, অনেক!”
সমুদ্রের ঢেউ এসে কখন যে আমাদের অর্ধেক ভিজিয়ে দিয়েছে আমরা টেরও পাইনি।
পানিতে নামার সময় আমরা জুতা খুলে বালির ওপর রেখে এসেছিলাম। পানি থেকে উঠে তিনি এক হাতেই আমার এবং তার জুতাগুলো হাতে নিলেন। অন্য হাত দিয়ে আমার হাত ধরে রেখেছেন।
আমাকে নিয়ে একটা আমের দোকানে দাঁড়ালেন তিনি। সেখানে দোকানির বসার একটা টুল ছিল। আমাকে বললেন,
“বসো।”
এরপর দোকানিকে একটা আম মাখিয়ে দিতে বলে তিনি একটা পানির বোতল কিনলেন। এরপর হাঁটু মুড়ে নিচে বসে আমার পায়ের বালিগুলো সুন্দর করে হাত দিয়ে ধুয়ে দিলেন। আমি বিস্ময় নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছি। ভেবেছিলাম, হয়তো পানির বোতল আমাকে দেবে আর আমি ধুয়ে নেব। কিন্তু! আমার ভাবনার মাঝেই পকেট থেকে টিস্যু বের করে পা মুছে জুতা পরিয়ে দিয়ে বললেন,
“এবার এখানে দাঁড়াও। আমি পা ধুই।”
আমি উঠে দাঁড়িয়ে তার পা ধোয়া দেখছি। এত ভালোবাসা, এত যত্নও আল্লাহ্ আমার কপালে লিখে রেখেছিলেন?
আমরা একদম খেয়েদেয়ে সন্ধ্যায় হোটেলে ফিরেছি। ফ্রেশ হয়ে বিছানায় শুতেই ঘুমে চোখ লেগে আসছিল আমার। চোখ বন্ধ করে শুয়ে ছিলাম। কিছুক্ষণ বাদে চুলে বিলি কাটার অনুভব হতেই চোখ মেলে দেখি তিনি আমার পাশে শুয়ে চুলে বিলি কেটে দিচ্ছেন। আমি একদম ছোট্ট বিড়ালছানার মতো তার বুকের মধ্যে গিয়ে গুটিসুটি মেরে শুলাম। যতটা শক্ত করে জড়িয়ে ধরা যায় তারচেয়েও বেশি শক্ত করে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করলাম। মনে হচ্ছিল, যদি পারতাম একদম বুকের মধ্যে ঢুকে যেতাম! আমার এমন পাগলামি দেখে আমার মুখে অনেকগুলো চুমু খেয়ে তিনি আদর মাখানো স্বরে বললেন,
“আমার জান, আমার সোনা, আমার টুনু পাখি…”
এই খুনসুটির মাঝে হঠাৎ করে ব্যাঘাত ঘটাল আমার ফোনের বিদঘুটে রিংটোন। আমার দুনিয়ায় এখন আর আমি রাহাতকে ছাড়া কিছুই বুঝি না। বুঝতেও চাই না। অযথা কল কেন আসবে?
তিনি ফোনটা নিয়ে আমার হাতে দিয়ে বললেন,
“আম্মু কল দিয়েছে।”
আমার ফুরফুরে মুড উবে গেছে একদম! মুখ ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। এই অসময়ে কেন চাচিমনি কল করেছে? আমি তড়াক করে শোয়া থেকে উঠে বসলাম। কল রিসিভ করে বললাম,
“হ্যাঁ, চাচিমনি বলো।”
এদিকে রাহাত ভাই আমার কোমর জড়িয়ে ধরেছেন। সুড়সুড়ি লাগছিল বিধায় আমি তাকে থামানোর চেষ্টা করছিলাম। একবার একটু চেঁচিয়েও উঠেছি। চাচিমনি তখন জিজ্ঞেস করলেন,
“কী হলো?”
আমি থতমত খেয়ে বললাম,
“কিছু না। বিড়াল এসেছিল একটা!”
রাহাত শব্দহীনভাবে শরীর কাঁপিয়ে হাসছে আমার কথা শুনে। আমি চোখ গরম করে একবার তার দিকে তাকিয়ে চাচিমনির সাথে কথা বলাতে মনোযোগ দিলাম। চাচিমনি প্রথমে আমার খোঁজ-খবর নিয়ে বললেন,
“কালকে সকালে তোর চাচ্চুর কাছে মাছ আর মাংস রান্না করে পাঠিয়ে দেবো তুই ক্লাসে যাওয়ার আগেই। ফ্রিজে রেখে খাস।”
এ কথা শুনে আমার র’ক্ত হিম হয়ে গেল যেন সাথে সাথে। কাল তো চাচ্চু এসে আমাকে হোস্টেলে পাবে না। কী হবে এবার!
আমি কোনো রকম নিজেকে সামলে নিয়ে বললাম,
যে পাখি মন বোঝে না পর্ব ১২
“আচ্ছা!”
“রাখছি।”
চাচিমনি কল রাখতেই রাহাত আর আমাকে কিছু বলার সুযোগই দিল না। হাত ধরে টেনে বুকে নিয়ে একদম শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। ঐদিকে চিন্তায় আমার দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম!
