আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ পর্ব ২৬+২৭+২৮
ফারজানা মনি
সারাদিন বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর স্পটে ঘুরে সন্ধ্যায় তানভীর আর বন্যা রিসোর্টে ফিরে আসলো। বন্যা এসেই বিছানায় ধপাস করে বসলো বলল: উফফ.. আমার পা পুরো ব্যথা হয়ে গেছে। তানভীর একটু দুষ্টু হেসে বলল: এখনই পা ব্যথা হয়ে গেছে.. রাততো এখনো বাকি
বন্যা চোখ দুটোকে বড় বড় করে ফেলল। তারপর একটু ঢোক গিলে, মিন মিনিয়ে বলল: নির্লজ্জ বেহায়া পুরুষ মানুষ। আল্লাহ এই লোকটার তুমি আর কত রকম রূপ আমায় দেখাবে? পরিবারের সামনে ভদ্রলোক, বাহিরের লোকের কাছে রাগী-বদমেজাজি, বউয়ের সামনে ঠোটকাটা, নির্লজ্জ, বেহায়া পুরুষ।
তানভীর লম্বা একটা হাসি দিয়ে বলল : আপনি কি আস্তে আস্তে আমায় গালি দিচ্ছেন মিসেস খান?
বন্যা মুখ বাঁকিয়ে অন্যদিকে ফিরলো। তানভীর সেটা দেখে বলল; গালি দেন সমস্যা নাই। কিন্তু রেডি থাইকেন..
বলেই তানভীর ফ্রেশ হতে ওয়াশরুমে ঢুকে গেল। বন্যা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। বলল: পাগল লোক একটা।
হঠাৎ তানভীর ওয়াশরুমের দরজাটা একটু খুলে মাথা বের করে উঁকি দিয়ে বলল: হানিমুনে এসে দুই চারটা বাচ্চা না নিয়ে ফিরলে লোকে কি বলবে? আমার পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠবে তো বউ..
বন্যা বিছানা থেকে তানভীরের মাত্র খুলে রেখে আশা টি-শার্ট টি তানভীরের দিকে ছুড়ে মারল। তানভীর সাথে সাথেই ওয়াশরুমের গেইট লাগিয়ে দিল.. টি-শার্টটি দরজায় বারি খেয়ে নিচে ফ্লোরে পরলো।
মেঘ ড্রয়িং রুমে মিমের সাথে বসে গল্প করছে। হঠাৎ তার ফোনটা বেজে উঠল। ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখল বেবি নামে সেভ করা নাম্বার। ফোনটা হাতে নিয়ে মিমের দিকে তাকিয়ে বলল: এখন আর কোন কথা বলবি না আমার বেবি কল দিয়েছে। মিম কিছুটা চিৎকার দিয়ে বলল: বউ মনি কল দিয়েছেন?
মেঘ ফোনটা রিসিভ করে বলল: আসসালামু আলাইকুম নতুন বউ। কেমন আছেন?
বন্যা: ওয়ালাইকুম আসসালাম। ভালো। তুই কেমন আছিস? তোর দুষ্টুমির স্বভাবটা কবে যাবে? ভুলে যাস না একটার মা হয়ে যাচ্ছিস..
মেঘ মিমের দিকে একটু তাকিয়ে, বন্যাকে বলল: বেবি.. হঠাৎ একটা স্বাদ জাগলো মনে..
বন্যা: কি স্বাদ ননদিনী??
মেঘ: বলবো?
বন্যা:হুম বল।
মেঘ :তাহলে বলেই ফেলি?
বন্যা: তুই কি বলবি নাকি আমি ফোনটা কাটবো?
মেঘ; আরে বেবি রাগ করিস না। বলছি তাহলে..
বন্যা: হুম।
মেঘ : হানিমুনে তো গিয়েছিস। আমার ভাইকে বলবি তোকে বেশি বেশি আদর করতে। যাতে পরের মাসে তোর ও সুখবর শুনতে পাই । তারপর আমরা দুই বান্ধবী মিলে উঁচু পেট নিয়ে সারা বাড়ি ঘুরবো আর টক আচার খাব।
ফোনের ওই পাশ থেকে বন্যার কাশি শোনা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে বন্যা ভীষম খেয়েছে। মেঘ বলল আরে বেবি রিলেক্স.. চাপ নিস না। একটু ট্রাই কর হয়ে যাবে।
পাশ থেকে মিম বড় বড় চোখ করে অবাক দৃষ্টিতে মেঘের দিকে তাকিয়ে আছে। মেঘ তা খেয়াল করতেই সেখান থেকে উঠে অন্যদিকে চলে গেল। মিম মুখটা বাঁকিয়ে টিভি অন করে দেখা শুরু করেলো।
বন্যার কাশি যেন থামছেই না। হঠাৎ ফোনের ওই পাশ থেকে শোনা যাচ্ছে, তানভীর বন্যাকে পানি খেতে বলছে, আর বারবার জিজ্ঞাসা করছে কি হয়েছে? মেঘ ফিশ ফিসিয়ে বলল: ওই যে ভাইয়া চলে এসেছে যা বলেছি তা মনে রাখিস। বলেই ফোনটা কেটে দিল।
তানভীর বন্যার কাশি থামানোর জন্য মাথায়,পিঠে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। কাশি একটু কমতেই বন্যা ফ্রেশ হতে হবে বলে ওয়াশ রুমের দিকে ছুটলো। তানভীর : এর আবার কি হলো? এভাবে পালালো কেনো?
রাত নয়টা বাজে। আবিরের বাইকের শব্দ পেয়ে মেঘ ব্যালকনিতে এসে দাঁড়ালো। দেখল আবির বাইক থেকে নেমে ফোনে কথা বলছে। আবির এক নজর উপরে তাকালো, তার প্রিয়সি তার দিকেই তাকিয়ে আছে। আবির একটু মুচকি হেসে কান থেকে ফোনটা নামিয়ে বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়লো।
মেঘ এখনো ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আছে। বাহির থেকে মৃদু মৃদু বাতাস আসছে। মেঘের খোলা চুল গুলো সেই বাতাসে দিক বিদিক উড়ছে। আজ শরীরটা ভালো। তাই মেঘ সেলোয়ার কামিজ ছেড়ে নীল রঙের একটা সুতি শাড়ি পড়েছে। এই রংটা আবিরের বড্ড বেশি পছন্দ। আজকাল মেঘের মনটা হঠাৎ মেঘাচ্ছন্ন হয় আবার হঠাৎ ই যেন ফুলফুরে হয়ে ওঠে। এটাকেই হয়তো গর্ভবতী অবস্থায় মুড সুইং বলা হয়।
এই যে একটু আগে মেঘের হঠাৎই মনে হল আবির ভাইকে একটু সারপ্রাইজ দেওয়া যাক। তাই আলমারি থেকে একটা নীল শাড়ি বের করে গায়ে জড়িয়ে নিল। চুলগুলো ছেড়ে দিল। চোখে একটু কাজল , ঠোঁটে একটু লিপস্টিক ছুঁয়ে দিল। কপালে একটা ছোট্ট নীল টিপ দিতেও আজ ভুলেনি সে।
হঠাৎই একটা হাত মেঘের কোমর ছুঁয়ে তার পেটে স্পর্শ করল। মেঘ কিছুটা ঘাবড়ে গেল। আবির নেশাক্ত কন্ঠে ফিসফিসিয়ে বলে উঠলো
আবির মেঘের কানের কাছে এসে নেশাক্ত কণ্ঠে ফিসফিসিয়ে বলে উঠলো:
আমার ভেতরে আমি নেই ,
আছে এক অবুঝ মন ♥️
সেই মন দুয়ারে বিচরণ করিস,
তুই সারাক্ষণ ♥️
তোর ভাবনায় পাগল আমি,
তাকিয়ে দেখ মনের আয়নায়♥️
তোর প্রেমেতে মগ্ন হয়ে হারিয়ে যাই,
অন্য এক প্রেমের দুনিয়ায় ♥️
তুই তো এক অদ্ভুত নেশা,
আর সেই নেশায় আমি আসক্ত ♥️
বলেই আবির মেঘের কানে চুমু খেলো। মেঘ একটু কেঁপে উঠলো। আবির মেঘের কোমর পেঁচিয়ে ধরে মেঘের খোলা চুলে মুখ ডুবালো। মেঘ সামনের দিকে ঘুরে তাদেরকে জড়িয়ে ধরল। কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলল , আপনি কি পাগল হয়ে গেছেন? বাহির থেকে এসেছেন ফ্রেশ হয়ে চেঞ্জ করে নিন..
আবির মেঘকে বেলকনির গ্রিলের সাথে ঠেকিয়ে নিজের দুহাত মেঘের পিছনের গ্ৰিলে রাখল। ভাঙ্গা ভাঙ্গা কন্ঠে আওরালো। হুম.. পাগল আমি.. তোর প্রেমে.. তোর মায়ায়… বলেই আবির মেঘের ঠোঁটে ঠোঁট ডুবালো। এই চুমু কতক্ষন দীর্ঘ হয়েছিল তা জানেনা মেঘ। মেঘ আবিরের পাগলামি বুঝতে পেরে আবিরকে কিছুটা হুশে আনতে চাইলো। নিজের ঠোট কে ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করল আবিরের ঠোঁটের দখল থেকে। কিন্তু আবির যেন আজ মেঘের প্রেমেতে প্রেমাতাল🫣
এই যে এখন ঠোঁট ছেড়ে মেঘের গলায় বিচরণ করছে আবিরের চোখ। হঠাৎই মেঘকে অবাক করে দিয়ে মেঘের গলায় ঠোঁট ছোয়ালো আবির। আস্তে আস্তে তা গভীরতায় রূপ নিচ্ছে।
মেঘ বলল: আপনি সত্যিই পাগল হয়ে গেছেন.. এটা যে ব্যালকনি, তা কি ভুলে গেছেন?
আবির মেঘের গলা থেকে মুখ ওঠালো। লক্ষ্য করল সেখানে একটা গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। যাকে রোমান্টিক ভাষায় বলা যায় লাভ বাইট..
আবির নেশা নেশা চোখে মেঘের চোখের দিকে তাকালো। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে হঠাৎ মেঘ কে কোলে তুলে নিল। মেঘ অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আজ আবিরকে একটু বেশি ই প্রেমাসক্ত লাগছে তার কাছে।
আবির নেশা নেশা কন্ঠে বলে উঠলো “এভাবে তাকাস না প্লিজ, তোর ওই কাজল চোখের চাহনি দেখলে আমি গায়েল হই প্রতিক্ষণে – প্রতি মুহূর্তে” । নীল শাড়িতে এক নীল পরী আজ আমার কোলে চড়ে আছে। নিজেকে কিভাবে সামলাই বলতো মেঘ…
মেঘ নিশ্চুপ.. তাকিয়ে আছে আবিরের নেশা নেশা চোখে.. মেঘ জানে, আবিরের এই অবস্থা হওয়ার কারণ।
আবির ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে তার কাদম্বিনীর মাঝে।
যেই অষ্টাদস্যির জন্য সে অপেক্ষার প্রহর গুনছে বহুবছর।
তানভির আর বন্যা খোলা আকাশের নিচে হেটে চলছে। পূর্ণিমার চাঁদের আলো গায়ে মেখে ব্যক্ত করছে নিজেদের মনের অনুভূতি। খোলা আকাশের নিচে মৃদু মৃদু বাতাস শিহরিত করছে একজোড়া দম্পতির শরীর ও মন।
তানভীর বন্যার হাতটাকে নিজের মুঠোবন্দি করে হাটছে।
বিয়ের দুই দিন হয়ে গেছে। তানভীরের হঠাৎ হঠাৎ ছোঁয়ায় বন্যা যেন কেঁপে কেঁপে ওঠে।
তানভীর বন্যার অবস্থা বুঝতে পেরে কিছুটা দুষ্টু হাসলো। বন্যার কাঁধে হাত দিয়ে বন্যাকে আরেকটু নিজের দিকে টেনে নিল। মূহুর্তেই বন্যার শরীরটা ঝাকুনি দিয়ে উঠলো।
বন্যা লাজুক হয়ে মাথাটা নিচের দিকে নুইয়ে রাখলো। তানভীর বন্যা কে টেনে আরেকটু কাছে নিয়ে আসলো।
গতকাল রাতে ট্রেনে বন্যাকে তানভীর এত কিছু বোঝানোর পরেও, বন্যা যেন তানভীরের সামনে খোলা বইয়ের মত স্পষ্ট হতে পারছে না। বন্যা অনেকটা ইতস্তত বোধ করছে।
তানভীর বলবো: বন্যা প্লিজ.. এবার তো একটু স্বাভাবিক হও।
দূরের আকাশের দিকে তানভীর আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করে বলল: দেখো, আকাশে কত সুন্দর চাঁদ… তাও সেটা তোমার থেকে কম।
বন্যা কিছুটা লাজুক হাসলো। বন্যার মুখে হাসি দেখে তানভীর নিজেও হেসে দিল। বলল : অবশেষে মহারানীর মুখে হাসি ফুটেছে।
দুজন হাঁটতে হাঁটতে আবার রিসোর্ট এর রুমের দিকে ফিরে আসলো। তানভীর বন্যার দিকে তাকিয়ে আছে। বন্যা কে আজ অনেক সুন্দর লাগছে। সন্ধ্যায় তানভীর বন্যার হাতে একটা প্যাকেট ধরিয়ে দিয়ে বলল; রেডি হয়ে নাও, আমরা বাহিরে হাঁটতে যাবো।
বন্যা প্যাকেটটি খুলে দেখলো, কালো রঙের সুন্দর একটা জর্জেট শাড়ি.. যার পাড় ও আঁচলে পাথরের কারু কাজ করা। বন্যা শাড়িটি পড়ে , চোখে গাঢ় কাজল দিল ।
সন্ধ্যার পর থেকে এখন পর্যন্ত বন্যা যতবার তানভীরের দিকে তাকিয়েছে । ততবারই লক্ষ্য করেছে তানভীর তার দিকেই তাকিয়ে আছে।
এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে বন্যা রুমের সামনে চলে এসেছে তা তার খেয়ালই নেই ♥️ হঠাৎ পায়ের সামনে কোন কিছু নাড়াচাড়া পেতে মাথা ঝুঁকে নিচে তাকালো। যা দেখলো, বন্যার তো চক্ষু চড়কগাছ। তানভীর বন্যার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে ওর শাড়ির কুচি ঠিক করছে।
কুচি ঠিক করা শেষে তানভীর উঠে দাঁড়িয়ে বলল: ভাবনা চিন্তা শেষ হলে এইবার রুমে চলেন। না হলে কোলে তুলে নিয়ে যাবো।
কোলে তোলার কথা শুনে বন্যা তাড়াহুড়া করে, রুমের দরজা ধাক্কা দিল ভিতরে যাওয়ার উদ্দেশ্য। কিন্তু একি! হঠাৎ ই বিস্ময়ে বন্যার মুখটি হা হয়ে গেল। বন্যা মুখে হাত দিয়ে আস্তে আস্তে রুমের ভিতরের দিকে গেলো।
পুরো রুমটা ছোট ছোট প্রদীপ দিয়ে সাজানো। চারদিকে প্রদীপের শিখা গুলো জ্বল জ্বল করছে। রুমের পরিবেশটা কি যে সিগ্ধ লাগছে তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।
তানভীর পিছন থেকে এসে বন্যাকে জড়িয়ে ধরল। তার হাত দুটো বিচরণ করছে বন্যার কোমল ওদরে। বন্যার পিঠটা তানভীরে বুকের সাথে মিশে আছে। তানভীর বন্যার গালের সাথে গাল ঠেকিয়ে বলল: এত রোমান্টিক পরিবেশেও কি তোমার প্রেম পাচ্ছে না বউ?
বন্যা নিশ্চুপ হয়ে দুচোখ লজ্জায় বন্ধ করে রেখেছে। তানভীর মুখে যত কথাই বলছে না কেন, তার হাত দুটোতো বন্যার পেট কোমর ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাচ্ছে। এতেই বন্যার হাল বেহাল হয়ে যাচ্ছে। বন্যা কাচুমাচু করে বলে উঠলো: ছাড়ুন আমায়। বলেই সামনের দিকে পালাতে চাইলো।
তানভীর খপ করে বন্যার শাড়ির আঁচল টেনে ধরলো। শাড়ির আঁচলটা হাতে পেঁচিয়ে পেচিয়ে বন্যার দিকে এগিয়ে গেল। আস্তে আস্তে তার ঘাড়ে ঠোঁটের স্পর্শ দিল।
বন্যা মূহূর্তেই কেঁপে উঠলো।
বন্যার কাঁপুনি টের পেয়ে তানভীর বন্যার কোমর ধরে টেনে নিজের সাথে আরেকটু মিশিয়ে নিল। বন্যা নিজেকে আর সামলাতে না পেরে পেছনে ফিরে তানভীর কে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল।
তানভীর ঠোঁটের কোণে দুষ্টু হাসি টেনে ফিসফিসিয়ে বলল: জান, এত সুন্দর লাগছে তোমাকে; আমি তানভীর নিজেকে সামলাতে ব্যর্থ।
বন্যা লজ্জায় মনে হচ্ছে তানভীরের বুকের ভেতর ঢুকে যাচ্ছে। দুজনের মাঝে এখন আর চুল পরিমানও শূন্যতা নেই।
আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ পর্ব ২৩+২৪+২৫
হঠাৎ ই তানভীর বন্যাকে কোলে তুলে নিল। কোলে রেখে ই বন্যার কপালে, গালে, গলায় তানভীর ঠোঁট ছুঁয়ে ছুঁয়ে দিচ্ছে। বন্যা ও তানভীরের গলা শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রেখেছে। তানভীর বন্যার ঠোঁট দুটো নিজের দখলে নিতেই বন্যা আবেশে চোখ বন্ধ করে নিল।
হারিয়ে গেল দুজন দুজনের মাঝে
