Home Mad for you 2 Mad for you 2 part 6

Mad for you 2 part 6

Mad for you 2 part 6
তানিয়া খাতুন

“কেউ আছেন…? শুনতে পাচ্ছেন? Please… আমাকে বাঁচান…!”
দরজার উপর বারবার হাত মারছে রুহি। তার কণ্ঠ কাঁপছে, চোখ ভিজে গেছে কান্নায়।
“দরজাটা খুলুন ক্ৰিশ! আমি হোস্টেলে ফিরবো… Please দরজাটা খুলুন!”
পাগলের মতো চিৎকার করে যাচ্ছে সে। কিন্তু তার প্রতিটা শব্দ যেন এই বিশাল বাড়ির দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে ফিরে আসছে।
কেউ সাড়া দিচ্ছে না।
কেউ আসছে না।
পুরো বাড়িটা অস্বাভাবিকভাবে ফাঁকা। এত বড় বাড়িতে একটা মানুষের শব্দও নেই।
শুধু রুহির কান্না আর দরজায় ধাক্কার আওয়াজ ভেসে বেড়াচ্ছে।
রুহি ধীরে ধীরে দরজার পাশে বসে পড়ে। তার বুকটা উঠানামা করছে দ্রুত, ভয় যেন পুরো শরীরটাকে গ্রাস করে ফেলেছে।

এদিকে ক্ৰিশ তাকে নিজের রুমে আটকে রেখে বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছে।
এক হাতে ফোন, অন্য হাত পকেটে। তার চোখ অন্ধকার আকাশের দিকে স্থির। মুখে সেই চিরচেনা ঠান্ডা ভাব।
ফোনে কারো সাথে কথা বলছে সে। গলার স্বর নিচু, কিন্তু বোঝাই যাচ্ছে—কোনো গভীর পরিকল্পনা করছে।
কিছুক্ষণ পর কথা শেষ হতেই ক্ৰিশ ধীরে ধীরে ফোনটা নামায়।
ঠোঁটের কোণে অদ্ভুত এক হাসি ফুটে ওঠে। তারপর সে আবার নম্বর ডায়াল করে।
স্ক্রিনে ভেসে ওঠে—
Soriful Khan
ওপাশে তখন শরিফুল সাহেব ভীষণ ব্যস্ত।
কলেজের প্রোগ্রামের পর তিনি একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে এসেছেন।
মুখটা এখনো রাগে শক্ত হয়ে আছে—কলেজে আজ যা হয়েছে, সেটা তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না।
ফোনটা কানে দিতেই দাঁত চেপে বলেন—

“কি সমস্যা? কলেজে আমার মানসম্মান খেয়ে হয়নি? আবার কল দিয়েছো কেন?”
ক্ৰিশ নিচু স্বরে হাসে। সেই হাসিটা শুনলেই গা শিউরে ওঠে।
“আরে আরে… রেগে যাচ্ছেন কেন আমাদের শিক্ষামন্ত্রী শরিফুল খান Cool…”
“এখন শুনুন… আপনার ছেলে বড় হয়েছে। আর তার বিয়ে করার ইচ্ছে জেগেছে।
তো সে এখন বিয়ে করবে। আপনি তাড়াতাড়ি চলে আসেন, কেমন? পরে আবার বলবেন না যে আপনাকে বলিনি…”
শরিফুল সাহেব চেয়ারে সোজা হয়ে বসেন। কপালের রগ ফুলে ওঠে।
“বিয়ে কোনো ছেলে খেলা নয় ক্ৰিশ! আর কোন মেয়ের সর্বনাশ করতে যাচ্ছো তুমি?
পাগলামি ছাড়ো। আমি গিয়ে তোমার সাথে কথা বলবো।”
ক্ৰিশ ধীরে ধীরে মাথা নিচু করে হাসে। তার চোখে তখন ভয়ঙ্কর এক স্থিরতা।
“আমি জানতাম আপনি এমন কিছুই বলবেন… তাই তো সব ব্যবস্থা করে রেখেছি।”
তার কণ্ঠ আরও নিচু হয়ে যায়।

“Wait Mr. Khan…
একটু পরেই আপনার পুত্র আর পুত্রবধূকে TV-তে দেখতে পাবেন…”
কথাটা বলে ক্ৰিশ কল কেটে দেয়।
ক্ৰিশ ধীরে ধীরে রুমের দরজাটা খুলে ভেতরে প্রবেশ করল।
দরজা খোলার মৃদু শব্দে ঘরের নিস্তব্ধতা ভেঙে গেলেও রুহি মাথা তুলল না।
ঘরের মাঝখানে মেঝের উপর গুটিসুটি মেরে বসে আছে সে।
দু’হাত দিয়ে হাঁটু জড়িয়ে রেখেছে, মাথাটা নিচু। এলোমেলো চুলগুলো মুখের উপর পড়ে আছে।
আর সেই চুলের আড়াল থেকেও স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে—সে কাঁদছে। নিঃশব্দে, ভেঙে পড়া মানুষের মতো কাঁদছে।
তার কাঁধ দুটো বারবার কেঁপে উঠছে।
ক্ৰিশ দরজার কাছে কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।
অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল তার।
কেন উঠল—সে নিজেও জানে না। এই মেয়েটার কান্না, এই অসহায় ভেঙে পড়া মুখ… কেন যেন সহ্য হলো না তার।
ধীরে ধীরে সে এগিয়ে গেল। কোনো শব্দ করল না। এসে রুহির ঠিক পাশে বসে পড়ল।
রুহি তখনও খেয়াল করেনি।

ক্ৰিশ ধীর হাতে তার মাথার উপর হাত রাখতেই—
রুহি যেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে উঠল। ভয় পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সরে গেল দূরে।
তার চোখ দুটো কান্নায় লাল, মুখ ফ্যাকাশে।
কাঁপা কাঁপা গলায় বলে উঠল—
“Please… আমাকে ছেড়ে দিন… আমি… আমি আর আপনার সামনে আসবো না…”
তার কণ্ঠে এমন আতঙ্ক ছিল, যেন ক্ৰিশ কোনো মানুষ নয়—একটা দুঃস্বপ্ন।
ক্ৰিশ কিছুক্ষণ চুপ করে তার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর হঠাৎই রুহির হাত টেনে তাকে নিজের
দিকে নিয়ে এলো।
রুহি কিছু বুঝে ওঠার আগেই ক্ৰিশ তার কোমর চেপে ধরে নিজের উরুর উপর বসিয়ে নিল।
“কি করছেন! ছাড়ুন—”
রুহি ছটফট করতে লাগল, কিন্তু ক্ৰিশের শক্ত বাঁধনের সামনে তার সব চেষ্টা তুচ্ছ হয়ে গেল।
ক্ৰিশ ধীরে ধীরে ঝুঁকে এল তার কানের কাছে। তারপর নিচু, ভারী গলায় ফিসফিস করে বলল—
“এই ভাবনা মাথা থেকে সরিয়ে দাও… কারণ কিছু মুহূর্ত পর তুমি সারাজীবনের জন্য মিসেস খান হয়ে যাবে, লেদু সোনা।”

কথাগুলো শুনে রুহি স্তব্ধ হয়ে গেল। যেন কয়েক সেকেন্ডের জন্য তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে এলো।
তারপর হঠাৎ করেই সে ছটফট করে উঠল আরও জোরে।
“কি সব বলছেন আপনি! এসব কি! আমি… আমি আপনাকে কেন বিয়ে করবো?”
তার গলা ভেঙে আসছে কান্নায়।
“এমন কিছু করবেন না প্লিজ… আমি হাত জোড় করছি…”
সত্যিই সে কাঁপতে কাঁপতে হাত জোড় করে ফেলল। চোখ বেয়ে অনবরত পানি গড়িয়ে পড়ছে।
ক্ৰিশ স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল তার দিকে।
সেই দৃষ্টিতে অদ্ভুত এক গভীরতা—ভয়ঙ্কর, অথচ তীব্র।
ধীরে ধীরে সে রুহির জোড় করা হাত দুটো নিজের হাতে নিল।
তারপর খুব শান্তভাবে তার হাতের পিঠে একটা চুম্বন আঁকল।
রুহি কেঁপে উঠল।
ক্ৰিশ চোখ নামিয়ে নিচু স্বরে বলল—
“সেটা সম্ভব নয়…

তুই আমার হৃদয়ে নিজের জায়গা করে নিয়েছিস… তারপর আমার মস্তিষ্কে হামলা চালিয়েছিস।
এখন সবকিছুর হিসাব আমি সুদে-আসলে আদায় করবো…”
তার গলায় উন্মাদ এক ভালোবাসার ছায়া ছিল। এমন এক অনুভূতি, যা ভালোবাসা আর অধিকারবোধের সীমারেখা মুছে দেয়।
দুজনেই যখন নিজেদের ভাবনার গভীরে ডুবে ছিল, ঠিক তখনই হঠাৎ করেই ঘরের বাইরে প্রচণ্ড হৈচৈ শুরু হলো।
কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দরজাটা জোরে খুলে একদল রিপোর্টার ক্যামেরা আর মাইক হাতে রুমে ঢুকে পড়ে।
মুহূর্তেই পুরো ঘরটা ঝলসে ওঠে ক্যামেরার ফ্ল্যাশে।
চারদিকে একসাথে এত মানুষের কণ্ঠ, প্রশ্ন, ক্যামেরার শব্দ—সব মিলিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়ে যায়।
রুহি ভয়ে আঁতকে ওঠে।
ক্ৰিশ‌ও এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করে না।
সঙ্গে সঙ্গে রুহিকে নিজের বুকের সাথে শক্ত করে আগলে নেয়।
তারপর পাশে পড়ে থাকা নিজের শার্টটা তুলে রুহির উপর জড়িয়ে দেয়, যেন কোনো ক্যামেরায় রুহি কে দেখা না যায়।
রুহি পুরোপুরি হতবিহ্বল হয়ে ক্ৰিশের বুকের মাঝে সিটিয়ে যায়। তার শরীর কাঁপছে।
এদিকে রিপোর্টাররা একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিতে থাকে।
একজন মাইক এগিয়ে দিয়ে বলে—

“Mr. Khan! আপনি এত রাতে বাড়িতে একটা মেয়েকে নিয়ে কি করছেন?”
পাশ থেকে আরেকজন বলে ওঠে—
“উনি কি আপনার girlfriend?”
আরেকজন আরও সামনে এগিয়ে আসে—
“আপনারা কি live-in এ থাকেন?”
একসাথে এত প্রশ্ন শুনে রুহির মাথা ঘুরে ওঠে।
তার মনে হচ্ছিল পুরো পৃথিবী যেন তার দিকে আঙুল তুলছে।
ভয় আর লজ্জায় সে আরও জোরে ক্ৰিশের বুকের সাথে মাথা চেপে ধরে।
ক্ৰিশ কিন্তু আশ্চর্যরকম শান্ত।
সে ধীরে ধীরে সবার দিকে তাকায়।
তারপর নিচু অথচ স্পষ্ট গলায় বলে—
“এই madam আমার জীবন। আর আজকেই আমরা বিয়ে করবো, তাই ওনাকে নিয়ে এসেছি।”
পুরো ঘরটা কয়েক সেকেন্ডের জন্য থমকে যায়।
ক্ৰিশ আবার বলে—

“আর আমার wife যথেষ্ট ভদ্ৰ পরিবারের মেয়ে। আমরা live-in এ বিশ্বাসী না।
আমরা আজকেই বিয়ে করবো।”
ক্যামেরার ফ্ল্যাশ আরও দ্রুত জ্বলতে থাকে।
একজন রিপোর্টার আবার প্রশ্ন করে—
“আপনি যে বিয়ে করবেন, সেটা কি আপনার পিতা—মানে আমাদের শিক্ষামন্ত্রী—জানেন?”
ক্ৰিশ ঠোঁট বাঁকিয়ে হালকা হাসে।
“নিশ্চয়ই। উনি আমার পিতা।
আমি উনার নির্দেশ ছাড়া কিছুই করি না। আপনারা বাইরে অপেক্ষা করুন।”
কিন্তু রিপোর্টাররা থামে না।
একজন সরাসরি বলে ওঠে—
“সেটা হবে না sir। আপনাকে আমাদের সামনেই বিয়ে করতে হবে।
কারণ আমাদের কাছে খবর আছে—আপনি এই madam-কে অন্য কারণে এখানে এনেছেন।”
এই প্রশ্নটা শুনে ক্ৰিশের চোখে অদ্ভুত এক ঝিলিক দেখা দিল। যেন সে ঠিক এই কথাটার অপেক্ষাতেই ছিল।
সে ধীরে ধীরে বাঁকা হাসল।
তারপর উচ্চস্বরে ডাকল—

“আমান।”
এতক্ষণ পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা আমান সঙ্গে সঙ্গে সামনে এগিয়ে এলো।
তার হাতে কিছু papers।
ক্ৰিশ সেগুলো নিয়ে ধীরে ধীরে ক্যামেরার সামনে তুলে ধরল।
Registry paper.
চারদিকে আবার হৈচৈ পড়ে গেল।
ক্ৰিশ সবার সামনে শান্তভাবে নিজের signature করে দিল।
তারপর কলমটা রুহির দিকে এগিয়ে ধরে নিচু গলায় বলল—
“সাইন করো, রুহি…

নাহলে পুরো media আমাদের সম্পর্কটাকে খারাপ নাম দেবে।”
কথাটা শুনে রুহির মাথার ভেতর যেন বজ্রপাত হলো।
তার হাত কাঁপতে শুরু করল। চোখ বড় বড় হয়ে গেল।
এমন পরিস্থিতি… এমন ভয়ঙ্কর ফাঁদ…
তার জীবনে কখনো আসতে পারে—সে কল্পনাও করেনি।
চারপাশে ক্যামেরা তাক করা।
সবাই অপেক্ষা করছে তার সিদ্ধান্তের জন্য।
আর ক্ৰিশ…
স্থির চোখে শুধু তার দিকেই তাকিয়ে আছে।
যেন সে নিশ্চিত—শেষ পর্যন্ত রুহি তার কাছ থেকেই পালাতে পারবে না…
হঠাৎ করেই ক্ৰিশ গম্ভীর গলায় চিৎকার করে উঠল—
“সব camera off করুন! আর আপনারা বাইরে যান।”
মুহূর্তেই পুরো রুম থমকে গেল।
ক্ৰিশ রুহিকে আরও একটু নিজের দিকে টেনে নিয়ে ঠান্ডা অথচ কঠোর স্বরে বলে—

“আমি সাইন করা papers আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।
কিন্তু আমার wife-কে আপনাদের সামনে আনতে রাজি নই।
সে আমার ব্যক্তিগত সম্পত্তি।”
তার কণ্ঠে এমন এক দখলদারিত্ব ছিল, যেটা শুনে কয়েকজন রিপোর্টার পর্যন্ত অস্বস্তিতে একে অপরের দিকে তাকায়।
ক্ৰিশের ইশারা পেতেই আমান এগিয়ে আসে।
একজন একজন করে রিপোর্টারদের বাইরে বের করতে শুরু করে।
কেউ কিছু বলতে গেলেও আমানের কঠিন দৃষ্টি দেখে আর সাহস পায় না।
ক্যামেরার আলো একে একে নিভে যায়।
ঘরের কোলাহল ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়।
শেষ রিপোর্টারটাকেও বাইরে পাঠিয়ে আমান হাত তুলে ইশারায় জানিয়ে দেয়—সব clear।
দরজাটা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেয়।
কিছুক্ষণ আগেও যে ঘরটা হৈচৈয়ে ভরে ছিল, সেখানে আবার ভারী নীরবতা নেমে আসে।
রুহি যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। এতক্ষণ ভয় আর লজ্জায় সে প্রায় নিশ্বাসই নিতে পারছিল না।
ধীরে ধীরে মুখ তুলে ক্ৰিশের বুক থেকে সরে আসে।
তার চোখ দুটো লাল হয়ে আছে কান্নায়।
ক্ৰিশ নিচু হয়ে papers গুলো আবার তার সামনে ধরে।

“সাইন করো, বাটারফ্লাই… দেরি হয়ে যাচ্ছে।”
রুহির হাত কেঁপে ওঠে।
সে কাঁপা গলায় বলে—
“যদি না করি…?”
ক্ৰিশের চোখ মুহূর্তেই গভীর হয়ে যায়।
সে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে খুব শান্ত, ভয়ঙ্কর গলায় বলে—
“তাহলে তোমার সাথে খুব ভয়ানক কিছু হবে।”
কথাটা শুনে রুহির বুকের ভেতরটা ঠান্ডা হয়ে যায়।
সে বুঝতে পারে—এই মুহূর্তে ক্ৰিশের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছু করা সম্ভব না।
এখন তাকে শান্ত থাকতে হবে। যা করার, মাথা ঠান্ডা রেখেই করতে হবে। নয়তো সত্যিই ভয়ঙ্কর কিছু ঘটতে পারে।
রুহি ধীরে ধীরে বড় একটা নিঃশ্বাস নেয়।
ক্ৰিশ তার দিকে pen আর papers এগিয়ে দেয়।
তার হাত এতটাই কাঁপছিল যে কলমটা ঠিকমতো ধরতেও কষ্ট হচ্ছিল। তবুও বাধ্য মেয়ের মতো নিচু হয়ে সাইন করে দেয় সে।

Signature শেষ হতেই কয়েক ফোঁটা চোখের পানি paper-এর উপর পড়ে যায়।
কিন্তু বাইরে থেকে যতটা ভাঙা লাগছে তাকে… ভেতরে তখন অন্য কিছু চলছিল।
তার মাথার ভেতর নিঃশব্দে একটা পরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে।
কীভাবে এখান থেকে বের হবে…
কীভাবে এই মানুষটার হাত থেকে নিজেকে বাঁচাবে…
রুহির চোখের সেই ক্ষীণ পরিবর্তনটা ক্ৰিশের নজর এড়াল না।
সে কিছু না বলে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল রুহির দিকে।

Mad for you 2 part 5

যেন নিঃশব্দে তার ভেতরের সব পরিকল্পনা পড়ে ফেলার চেষ্টা করছে।
ঘরের বাতাস আবার ভারী হয়ে উঠল।
দুজনের মাঝখানে নেমে এলো অদ্ভুত এক নীরব যুদ্ধ—
যেখানে একজন পালাতে চায়…
আর আরেকজন তাকে কোনোভাবেই হারাতে রাজি নয়…

Mad for you 2 part 7

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here