Home নূর ই মহব্বত নূর ই মহব্বত পর্ব ১৭

নূর ই মহব্বত পর্ব ১৭

নূর ই মহব্বত পর্ব ১৭
তাবাসসুম তাজ্বওয়ারী

নওমি অনেকগুলো বছর পর নিজের গ্রামে পা রাখলো। এই গ্রাম একসময় তার সবচেয়ে প্রিয় ছিলো কিন্তু এই প্রিয় গ্রামেই নিজের সবটা হারিয়ে ছন্নছাড়া হয়েছে। নওমি স্তব্ধ হয়ে দুপাশের চেনা গাছপালা, পুকুরপাড় আর চেনা মানুষগুলোর দিকে তাকিয়ে রইল। তিনটা বছর কত দীর্ঘ একটা সময়! কিন্তু আজ এই চেনা মেঠো পথটা দিয়ে যাওয়ার সময় তার মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন সে চোখের জল ফেলতে ফেলতে এই গ্রাম ছেড়েছিল। সে নিজেদের বাড়ির উঠোনে গিয়ে খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলো। নিজেকে শক্ত করার চেষ্টা চালালো। আযলান সেদিনই ওকে সবটা জানিয়েছে কিন্তু নওমি খুব একটা অবাক হল না। সে তো চিনে ওই মহিলাকে। যে কি না তার একটু ভালো থাকা দেখতে পারতো না সে কিভাবে আহিলের সাথে সুখের সংসার মেনে নিবে? সে যে শুরু থেকেই বিয়ে ভাঙতে চেয়েছিল এটাও সে জানে। এখন শুধু একটাই প্রশ্ন করতে চাই সে, কি লাভ হয়েছে এটা করে? সে তো নিজের মতো ওদের থেকে অনেক দূরে ছিলো। একটা সুখের সংসার হলে ওনার এত কষ্ট! কেন? সে তো তার খেয়ে তার পড়ে আহিলের কাছে থাকতো না! ওর দায়িত্ব তো নিতে হয় নি তাহলে? শুধু হিংসার বশে এতো বড় একটা কাজ করল?
সে ঘরের মেইন ফটকে গিয়ে দাঁড়াল। তাকে দেখে কলপাড় থেকে বেরিয়ে এলো একজন আধ বয়স্ক মহিলা। শেফালি, তার সৎ মা। তিনি ভ্রু কুঁচকে বললেন,

– কে আপনে? কি চাই? কারে খুঁজতাছেন?
নওমির চোখ ভিজে উঠলো যতই হোক এক সময় আপন ভাবতো তাদের। সে নিজেকে সামলে জবাবে ছোট করে বললো,
– বাবা কই?
ব্যাস! নওমির গলার আওয়াজ শুনে যেন বিস্ফো’রণ হলো শেফালির কানে। সে বড় বড় চোখ করে তাকালো। এই মেয়ে এত বছর পর কোথা থেকে এসেছে? কেন এসেছে? সে আশপাশ দেখে নিয়ে গলায় নাটকীয় দরদ ঢেলে বললো,
– নওমি! মা আমার.. তুমি…
এত নরম কণ্ঠ নওমির সহ্য হলো না। সে কথা থামিয়ে দিয়ে শক্ত কণ্ঠে বলে উঠল,
– আমি বলেছি বাবা কোথায়? বাবাকে ডাকুন! আপনার সাথে দরদ আহ্লাদ করতে আসিনি।
নওমির শক্ত কণ্ঠ শুনে শেফালি থতমত খেলো। অপমানে মুখ থমথমে হয়ে গেল তার। তবুও গিলে নিয়ে বললো,
– বাইরে দাঁড়ায়া কথা কইবি নাকি? ভেতরে আয় তোর বাপে বাজারে গেছে এহনই আইবো।
নওমি না চাইতেও ভেতরে গেল। ঘরের ভেতর যেতে বললেও গেল না বাইরে উঠনেই একটা চেয়ার এনে দিতে বললো। সে খেয়াল করেছে দুইজন স্কুল পড়ুয়া ছেলে মেয়ে ওর দিকে কৌতুহলী দৃষ্টি দিয়ে বারবার দেখছে। নওমি চিনতে ভুল করেনি এরা তার সৎ ভাই বোন। তার ভাই খুব ছোট না হলেও তার বোন খুব ছোট ছিলো তার বিয়ের সময়। ভাইয়ের সাথে খুব ভালো সম্পর্ক ছিলো তার কিন্তু তার সৎ মা ওদের সাথে মিশতেই দিতো না। কিন্তু সাইফ অর্থাৎ তার ভাই লুকিয়ে ওর সাথে মিশতো ওকে আপু আপু বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলতো। ভেবে নওমির নিকবের আড়ালেই হাসি ফুটে উঠল। এখন কি তাকে চিনবে? ডাকবে একবার?

– সাইফ? এদিকে আয়?
সাইফ হেসে এগিয়ে এলো।
– আপু তুমি কতদিন পর এলে? আমাদের তো ভুলে গিয়েছো!
নওমি হেসে বললো,
– তুই চিনেছিস? তুই মনে রাখলেই হবে। কত বড় হয়ে গেছিস রে?
ওদের কথার মাঝে ঘরে প্রবেশ করলো তাদের বাবা আমজাদ সিকদার। তিনি উঠোনে অপরিচিত কাউকে দেখে ভরকে গেলেন। সবাই তার দিকে তাকিয়ে। নওমি উঠে দাঁড়াল। আমজাদ সিকদার শেফালির দিকে তাকাতেই তিনি হাসার চেষ্টা করে বললেন,
– আরে চিনলেন না? আমাদের মাইয়া নওমি! নওমি।
আমজাদ সিকদার হতবাক হয়ে তাকাল নওমির পানে। নওমি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে। নওমিকে দেখে আমজাদ সিকদার মুহূর্তেই যেন পরিবর্তন হয়ে গেলেন। ক্রোধের আভাস দেখা যাচ্ছে। তিনি গর্জে উঠে বললেন,

– এখানে কেন ও?
নওমি আলতো হাসলো। এই নাকি তার বাবা! তাকে এত বছর পর দেখে কোথায় জিজ্ঞেস করবে ভালো মন্দ সেখানে উনি রেগে বলছেন আমি এখানে কেন?
– আমি কি বলেছি? এখানে কেন ও? আমার বাড়িতে কে আসতে দিয়েছে?
পরিস্থিতি সামলানোর নাটক করে শেফালি এগিয়ে এসে বললো,
– আরে রাগেন ক্যান? রাইগেন না। মাইয়াটা এতদিন পর আইসে।
আমজাদ সিকদার কিছু বলবেন তার আগে নওমি থামিয়ে দিয়ে বললো,
– চিন্তা নেই আপনাদের বাড়িতে থাকতে আসিনি আর না কলঙ্কিত করতে এসেছি। কিছু বোঝা পড়া করতে এসেছি।
একটু থেমে আবার হেসে বললো,

– এটাও ভাববেন না যে সম্পত্তি চাইতে এসেছি। এরকম কোনো কারণেই আমি আসি নি। কথা শেষ হলেই চলে যাবো।
আমজাদ সিকদার মেয়ের মুখে এমন অবলীলায় শক্ত কথা শুনে ক্ষণিকের জন্য থতমত খেলেন। চার বছর আগের সেই নরম, ভিতু নওমি আর আজকের এই চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলা নওমির মধ্যে যেন আসমান-জমিন তফাত। শেফালি এখনো নাটক করেই যাচ্ছে আমজাদ সিকদারকে থামানোর। নওমি বিরক্ত হয়ে বললো,
– আপনি একটু নাটক কম করেন! আর বেশি সময় নেবো না। কিছু কথা বলেই চলে যাবো।
আমজাদ সিকদার দমলেন না। তিনি একইভাবে বললেন,
– কথা? তোর মতো একটা মেয়ের সাথে আমার আবার কিসের কথা? তুই তো চলে গিয়েছিলি একটা…..
– বাবা!
নওমি এবার বেশ জোরেই, তীব্র এক ধমকের সুরে বলে উঠল। তার এই আচমকা চড়া কণ্ঠস্বরে পুরো উঠোনটা এক মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে গেল। নওমিকে এই রূপে দেখবেন কেউ হয়তো ভাবেননি।

– আমি তো বললাম কথা বলেই চলে যাবো এত নাটক করার কিছু তো দেখছি না!!
এর মধ্যে হাজির হলো নওমির দাদি। চোখ দুটো দেখেই তিনি অবাক কণ্ঠে বললেন,
– নূরজাহান!
নওমি নিজের নাম শুনে দূরে তাকাল। তার দাদিকে দেখেই তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বললো,
– ওই যে আমার জীবন নষ্ট করার আরেকজন কারিগরও এসেছেন। আসেন আপনাদেরই তো চাইছি।
তার দাদি তেঁতে উঠলো,

– আমি তোর জীবন নষ্ট করেছি? তুই তো…
– আমি তোমাদের এসব ফালতু কথা শুনতে আসিনি। অনেক শুনেছি,এবার আমারটা শুনবে তোমরা!
নওমির কণ্ঠের তীব্রতাই কেউ আর কিছু বলার সুযোগ পেল না। উঠনেই বসলো সকলে। নওমি সরাসরি তার বাবার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
– ছোটবেলা থেকে তো অনেক শুনেছে নওমি এই করেছে ওই করেছে! সব ভুল নওমিই করেছে। কিন্তু কখনো যাচাই করে দেখেছেন কি করেছি? যেটা শুনেছেন সেটা কতটুকু সত্যি? শুধু শুনেছেন আর আমার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।
– কি যাচাই করবে? আমি কি মিথ্যে বলবো নাকি?
– আমি আপনার সাথে কথা বলছি না। চুপ করে থাকুন নাহলে মুখ লুকানোর জায়গা পাবেন না।
শেফালি কিছু বলতে যাবে তখন আযলান ভেতরে আসলো। তার কোলে আদনান। ওদের দেখে সকলে এক প্রকার অবাকই হলো। সে এগিয়ে এসে সালাম দিল সকলকে তারপর নওমির বাবাকে বলল,
– আঙ্কেল একটু শুনেন সবটা। কথাগুলো শোনা দরকার আপনার।
ওরা চুপ হয়ে গেলে নওমি বলতে শুরু করলো,
– আমি যেদিন এই বাড়িতে ফিরে এসেছিলাম বিয়ের পর সেদিন তোমরা কেউ আমায় জিজ্ঞেস করেছো আমি কেন এসেছি? ছোট মা কি বলেছে সেই ভিত্তিতে তোমরা আমায় আজও চরিত্রহীন ভাবো!
আমজাদ সিকদার গমগমে গলায় বললো,

– কারো কথার ভিত্তিতে কেন? আমরা যা দেখেছি তাই বলেছি।
– নিজের চোখে দেখেছো? নাকি ছোট মায়ের বোন দেখেছে এই কথার উপর তোমরাও দেখে নিয়েছ?
এই পর্যায়ে চুপ হয়ে গেল আমজাদ সিকদার। নওমি এবার তীব্র ক্ষোভ নিয়ে বললো,
– আমার এই পরিণতি, আমার সংসার ভাঙার পেছনের মূল কারিগর কে জানেন? আপনার বউ শেফালি সিকদার! তিনি ভয়ংকর ষড়যন্ত্র করে আমার জীবনটা তছনছ করে দিয়েছে!
সকলের মাথায় আরেকবার বা’জ পড়লো। শেফালি গর্জে উঠল কিন্তু কথা বলতে গিয়ে তোতলালো,
– কি… কিসব বলছিস হ্যাঁ? আমি.. আমি কেন… আমি কেন এরকম করবো?
– সেটা তো আমার প্রশ্ন! কি পেয়েছ এসব করে?
আমজাদ সিকদার গম্ভীর স্বরে বললো,
– কি প্রমাণ আছে তোমার কাছে? তোমাদের সম্পর্কের মাঝে যে ও কিছু করবে এটা কিভাবে মেনে নিই? ও তো চেয়েছিলো এই বিয়েটা যেন হয় যেন তুমি সুখী হও!
নওমি হাসলো। আযলান নওমির দিকে একবার তাকিয়ে বললো,

– আঙ্কেল আপনাকে যেইটুকু দেখানো হয়েছে আপনি ওইটুকুই দেখেছেন! এর বাইরে আরো অনেক কিছু আছে।
– কি আছে?
– আমার আর আহিলের সম্পর্ক যেন ভেঙ্গে যায় তার জন্য ঠিক কি কি করেছে সেসব ওনাকে জিজ্ঞেস করো?
আমজাদ সিকদার একবার শেফালির দিকে তাকাল। শেফালি ভয় পেলেও তেজ দেখিয়ে বললো,
– কিচ্ছু করিনি আমি। এরা বানাইয়া কইতাছে! আমি কেন কিছু করতে যামু! আল্লাহ গো যারে নিজের মাইয়ার মতো ভাবছি হেই আমারে নিয়া এসব কি কয়!
ন্যাকা কান্না শুরু করে দিল শেফালি। আমজাদ সিকদার ধমকে উঠলেন,
– থামো তুমি। আর তোমাদের কাছে কোনো প্রমাণ আছে? তোমরা যদি নিজেদের বাঁচাতে এসব বলো মুখের কথা তো বিশ্বাস করবো না।
নওমি চুপ করে আছে। আযলান একটু চুপ থেকে বললো,
– আমার কাছে আছে প্রমাণ।

শেফালি আঁতকে উঠলো। যদি সত্যি প্রমাণ থাকে? এদিকে আমজাদ সিকদার দ্বন্দে ভুগছে। কি হচ্ছে কি বলছে কিছুই বুঝতে পারছে না। নওমি আর আযলানের কনফিডেন্স ওনাকে ভাবাচ্ছে। আযলান উঠে দাঁড়িয়ে আদনানকে চেয়ারে বসিয়ে ফোন বের করে একটা ভিডিও বের করলো তারপর সেটা ওদের সামনে দিয়ে সবার উদ্দেশ্যে বললো,
– এই নিন প্রমাণ। এ টু জেড সবটা আছে এখানে। এর চেয়ে স্ট্রং কি প্রমাণ চাই?
ভিডিওটা অন করতেই সামিয়ার প্রথম থেকে সব কথা ভিডিও সহ রেকর্ড দেখা গেল। প্রতিটা কথা ওদের একেকটা ভুল ভেঙ্গে দিচ্ছে। নওমির বাবা স্তব্দ নয়নে শুধু দেখেই গেল। এদিকে এমন অবস্থা দেখে শেফালির জান যায় যায় অবস্থা। ওই মেয়েটা সব বলে দিল! তাকে এভাবে ফাঁ’সিয়ে দিল? সে নিজেকে বাঁচাতে নওমির বাবার সামনে গিয়ে বললো,
– আল্লাহ! এইসব কি? এগুলো মিথ্যা! আপনে এইসব বিশ্বাস কইরেন না নুহার বাবা! ওরা… ওরা আমার বি…
আর কিছু বলার আগে ওনার গালে শক্ত হাতের একটা চড় পড়লো। শেফালি গালে হাত দিয়ে চোখ বড় করে তাকিয়ে আছে আমজাদ সিকদারের রক্তিম মুখের দিকে। মানুষটা রেগে গেছে! এখন কি হবে?
নওমি চুপচাপ সব অবলোকন করছে কিছুই বলছে না। নওমির দাদি এবার বলে উঠলো,
– এইসব কি শেফালি? তুই এডি করছস? ছি! আমি তোরে ভালা ভাবছিলাম! তুই কি না….
শেফালি চিৎকার দিয়ে উঠলো,

– আমি কিছু করিনাই এগুলো মিথ্যা কথা! আমারে ফাঁসাইতাছে হেরা! এই মেয়ে তো নাগর লইয়া…
আর বলতে পারলো না। অন্য গালে আরেকটা থাপ্পড় দিয়ে আমজাদ সিকদার বললেন,
– এই একদম চুপ! ওরা যা দেখাইলো এরপর আর কি কইবা তুমি? ছি ছি! এইসব কাণ্ড করে বেরাইতা? আবার আমার মাইয়ার নামে তুমি কথা রটাও? আমার মাইয়ার জীবন সংসার সব শেষ কইরা দিয়া তুমি এগুলো কও? আর একটা কথা কইলে বাড়ি থেইকা বাইর কইরা দিমু!
আমজাদ সিকদারের রাগী কণ্ঠে চুপ হয়ে গেল শেফালি। যতই তার কথায় নাচুক, মানুষটা এক কথার মানুষ। আমজাদ সিকদার নওমির সামনে গিয়ে দাঁড়াল। নওমি চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। আমজাদ সিকদার আবার শেফালীর দিকে তাকিয়ে বললো,
– এই মাইয়ার সাথে তুমি কি করো নাই বলো তো? কি পাইছো এইসব কইরা? আমার আদরের মাইয়ার জীবনটা শেষ কইরা দিলা!
নওমির হাসি পেল ভীষণ। সে নিজেকে না দমিয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে বললো,

– আমি কখনোই তোমার আদরের সন্তান ছিলাম না বাবা! মা ছাড়া বোধহয় অন্য কারো আদরের সন্তান হওয়া যায় না। মা যখন বলতো “আমি না থাকলে কেউ দেখবে না! বাপও তখন পর হয়ে যায়” আমি তখন বিশ্বাস করতাম না জানো? বাবা তো আমায় সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে তাহলে কেন দেখবে না? কিন্তু তুমি আমায় ভুল প্রমাণ করলে! মা মারা যাওয়ার পর ভেবেছিলাম তুমিই আমার সব। কিন্তু তুমি আমায় বিশ্বাস করোনি বাবা…তুমি আমার খবরটাও নাও নি! কখনো এসে জিজ্ঞেস করো নি কেমন আছি!

নূর ই মহব্বত পর্ব ১৬

কিভাবে বড় হচ্ছি সেই খবর টুকু নাও নি! বিয়ের পর যখন ফিরে এসেছিলাম তখনও তুমি আমায় ফিরিয়ে দিয়েছিলে চরিত্রহীন বলে! যদি আমি সত্যিই তোমার আদরের সন্তান হতাম, তবে সেদিন এই বাড়ির চৌকাঠ থেকে যখন আমায় বের করে দেওয়া হচ্ছিল, তুমি আটকাতে! তুমি শুধু ওই মহিলার সাজানো আর বানানো কথা বিশ্বাস করে আমায় তাড়িয়ে দিতে না। নিজের মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে অন্তত একবার জিজ্ঞেস করতে, “নওমি, সত্যিটা কী?” কিন্তু তুমি তা করো নি বাবা!

নূর ই মহব্বত পর্ব ১৮

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here