Home রোমান্টিক ভাইয়া রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৫৭

রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৫৭

রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৫৭
মহাসিন

শিখা ও শাপলা বট গাছের নিচে এলো। গাছের ঘন ছায়ায় দুজনে পাশাপাশি বসে পড়ল। শাপলার মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। সে কাঁপা গলায় বলল, _“ আমার খুব ভয় করছে।”
শিখা হেসে তার কাঁধে হাত রাখল,
_ “ধ্যাত! ভয় কীসের? কিছু হবে না।”
শাপলা উদ্বিগ্ন হয়ে বলল,
_“মা বাবা যদি সব জেনে যায়?”
শিখা আশ্বস্ত করার চেষ্টা করল,
_“তুই যদি না বলিস, তাহলে কেউ জানতেও পারবে না।”
তবু শাপলার মনের ভিতরটা খুঁতখুঁত করছে। সে চুপ করে বসে রইল।
হঠাৎ বট গাছের নিচে একটা মেরুন রঙের গাড়ি এসে থামল। গাড়ির জানালা দিয়ে বিরের মুখটা দেখা গেল। শিখা ও শাপলার মুখে একসঙ্গে হাসি ফুটে উঠল।
বির গাড়ির দরজা খুলে তাড়াতাড়ি বলল,

_“উঠে পড়ো, দেরি হয়ে যাচ্ছে।”
দুই বোন দ্রুত গাড়িতে উঠে বসল। বির গাড়ি চালাতে লাগলো।
শিখা পেছন থেকে জিজ্ঞেস করল,
_ “এখন আমরা কোথায় যাচ্ছি?”
বির সামনে থেকে উত্তর দিল,
_ “আমার বাড়ি।”
শিখা কৌতূহলী হয়ে জানতে চাইল,
_“আপনার পরিবারে কে কে আছে?”
বির সংক্ষেপে বলল,
_“মা, বাবা, ভাইয়া, ভাবী আর ছোট বোন ।”
তারপর সে পালটা প্রশ্ন করল,
_“তোমার পরিবারে?”
শিখা একটু থেমে বলল,

_ “আমি আর এই আমার ছোট বোন শাপলা। মা বাবা আর ফুপ্পি।”
গাড়ি চলতে চলতে সময় গড়িয়ে গেল। শেষমেশ বির তার বাড়ির সামনে গাড়ি থামাল। গাড়ি থেকে নেমে সে দুজনকে নামতে বলল। সদর দরজার সামনে এসে বির কলিং বেল চাপল। কেউ দরজা খুলল না। সে বারবার চাপতে লাগল।
কিছুক্ষণ পর দরজা খুলে গেল। বিরের ছোট বোন মৃধা দরজায় দাঁড়িয়ে। বড় বড় চোখ করে সে অবাক হয়ে বলল,
_ “ভাইয়া! এরা কারা তোর সাথে?”
বির সহজভাবে বলল,
_ “আমার বউ আর তার বোন।”
মৃধা চিৎকার করে উঠল,
_ “মা! আসো তাড়াতাড়ি! বাবা! দেখো তোমার ছেলে কী করেছে!”
মৃধার চিৎকার শুনে পুরো বাড়ির লোক দৌড়ে এল। বিরের বাবা নজির সামনে এসে জিজ্ঞেস করলেন,
_“কারা এরা?”
বির আবার বলল,

_“বাবা, ও আমার বউ। আর ওটা ওর বোন।”
সবাই প্রথমে হতবাক হয়ে গেল। তারপরই তাদের মুখে হাসি ফুটে উঠল। বিরের বাবা খুশিতে বললেন,
_ “সত্যি তুই বিয়ে করেছিস? আমরা তোকে কতদিন ধরে বিয়ে করাতে চাইছিলাম, কিন্তু তুই রাজি হতিস নায়। আর আজ নিজে থেকে…”
বির হেসে মাথা নেড়ে বলল,
_“হ্যাঁ বাবা, সত্যি।”
বিরের বাবা শিখার দিকে তাকিয়ে স্নেহের সঙ্গে জিজ্ঞেস করলেন,
_ “তোমার নাম কী মা?”
_“শিখা।”
_“আর তোমার বোনের?”
_“শাপলা।”
_“তোমার বাবা মা কেমন আছেন?”
শিখা মাথা নিচু সুন্দর করে মিথ্যা বলল, “তাঁরা নেই। আমি আর শাপলাই শুধু আছি।”
সবাই সহানুভূতির সঙ্গে তাকাল। তারপর সবাইকে ভিতরে নিয়ে যাওয়া হল। মৃধাকে বলা হলো, _“ওদের রুমে নিয়ে যা।”
মৃধা শিখা ও শাপলাকে রুম দেখিয়ে দিল। শাপলাকে সে নিজের সঙ্গে নিয়ে গেল।
বির শিখার দিকে তাকিয়ে নিচু স্বরে বলল,

_“ভালো করে অভিনয় করতে হবে কিন্তু।”
শিখা চিন্তিত গলায় বলল,
_ “যদি ধরা পড়ে যাই?”
বির হেসে বলল,
_ “তাহলে তো সানডে মানডে সব ক্লোজ হয়ে যাবে।”
একটু থেমে সে আবার বলল,
_ “যাও, ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নাও।”
বির রুম থেকে বেরিয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে দেখল, শিখা ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে চুল আঁচড়াচ্ছে। তার চুলের ঢেউগুলো আলোয় ঝলমল করছে। বির একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। চোখ সরাতে পারছে না।
শিখা আয়নায় তার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল, _“কী দেখছেন এমন করে?”
বির চমকে উঠে নিজেকে সামলাল,
_“না… কিছু না।”
লজ্জায় তার কান লাল হয়ে গেল। বির তাড়াতাড়ি জামাকাপড় নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেল।
কিছুক্ষণ পর সে বেরিয়ে এল। পরনে কালো ট্রাউজার আর কালো টি শার্ট। চুলগুলো এখনও ভেজা, কপালের ওপর লেপটে আছে। দেখতে অসম্ভব সুন্দর লাগছে।
এবার শিখা একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। তার বুকের ভিতর অদ্ভুত এক অনুভূতি জেগে উঠছে। কেন এমন হচ্ছে, সে নিজেও বুঝতে পারছে না।

বিকেলের আলো ম্লান হয়ে এসেছে। বাইরের আকাশে কমলা গোলাপি রঙের ছোঁয়া লেগে আছে। বিরের বাড়ির বসার ঘরে সোফায় বসে গল্প করছে শিখা, শাপলা আর বিরের ভাবী রিক্তা মৃধা। রিক্তা খুব আগ্রহের সঙ্গে শিখাকে নানান প্রশ্ন করছে।
রিক্তা হেসে জিজ্ঞেস করল,
_“তা বলো তো, তোমার আর বিরের প্রথম দেখা কীভাবে হয়েছিল?”
শিখা এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেল। কী বলবে বুঝতে পারছে না। একটু আমতা আমতা করে বলল,
_“ও… রাস্তায়… রাস্তায় দেখা হয়েছিল।”
রিক্তা কৌতূহলী হয়ে আরও এগিয়ে বসলো _“কেমন করে? সব বলো না আমাদের।”
শিখা গলা খাঁকারি দিয়ে কোনোমতে বলতে শুরু করল,

_ “একদিন আমি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ বিরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে যায়। এভাবেই… প্রথম দেখা।”
মৃধা পাশ থেকে উৎসাহ নিয়ে জিজ্ঞেস করল,
_ “কে কাকে প্রপোজ করেছিল? ভাইয়া নাকি তুমি?”
শিখা লজ্জা পাওয়ার ভান করে মাথা নিচু করে বলল,
_“তোমার ভাইয়া… আমাকে প্রপোজ করেছিল।”
রিক্তা অবাক হয়ে হাসলো,
_“বির তো বিয়েই করবে না বলে একেবারে পণ করে বসেছিল! আর এখন দেখো, তলে তলে এত বড় কাণ্ড করে বসে আছে। আমরা তো কিছুই টের পাইনি।”
হঠাৎ বির ঘরে ঢুকল। চুপচাপ সোফায় বসে পড়ে রিক্তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল,
_“কী কল্পনা করতে পারেননি, ভাবী?”
রিক্তা চোখ পাকিয়ে বললেন,
_“আরে, তুমি যে প্রেম করবে, আর কাউকে কিছু না জানিয়ে বিয়ে করে ফেলবে এটা আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি!”
মৃধা মুখ ভার করে বলল,

_ “সত্যি ভাইয়া, এটা কিন্তু ঠিক হয়নি। আমাদের অন্তত বলা উচিত ছিল। আমরা সবাই মিলে তোমাদের বিয়েটা ঘটা করে দিতাম।”
বির কিছু না বলে শুধু হাসল। তার চোখের কোণে একটা অদ্ভুত চকচকে ভাব। শিখা চুপ করে বসে আছে, কিন্তু তার হৃদয়ের ভিতরটা কেমন যেন অস্থির হয়ে উঠছে।
@@@
সময় গলিয়ে গিয়ে রাত গভীর হয়েছে। বাড়ির সবাই ডাইনিং টেবিলে খেতে বসেছে। রিক্তা সবার প্লেটে যত্ন করে খাবার তুলে দিচ্ছে। হালকা হাসি গল্পের মধ্য দিয়ে খাওয়া শেষ হলো। একে একে সবাই যার যার রুমে চলে গেল।
মৃধা শাপলার হাত ধরে বলল, “চল, তুমি আমার সাথে থাকবে।” ।

শিখা আর বির নিজেদের রুমে ঢুকল। দরজা বন্ধ হতেই ঘরের ভিতর একটা অস্বস্তিকর নীরবতা নেমে এল।
শিখা বিছানার দিকে তাকিয়ে দৃঢ় গলায় বলল, _“আপনি মেঝেতে শুয়ে পড়ুন। আমি খাটে শোব।”
বির ভুরু কুঁচকে তাকাল,
_“আমি কখনো মেঝেতে ঘুমাইনি। কীভাবে শোব?”
শিখা কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল,
_ “আমি জানি না।”
বির হেসে বলল,
_“তাহলে তুমিই বরং মেঝেতে শুয়ে পরো। আমি খাটে ঘুমাই।”
_“না। একদম না,আমি মেঝেতে শুতে পারব না। আমি খাটেই শোব।”
বির বলল,
_ “আমিও মানছি না।”
শিখা চোখ সরু করে তাকাল। তারপর একটা চতুর হাসি ফুটিয়ে বলল,
_“ঠিক আছে। আপনার কাছ থেকে তো চার লাখ টাকা নেওয়ার কথা ছিল। আপনি বরং ওখান থেকে পাঁচ টাকা কম দিয়েন।”
কথাটা বলে শিখা নিজেই হেসে ফেলল। তার হাসিতে একটা মিষ্টি দুষ্টুমি মিশে আছে।
বিরও হেসে উঠল। চোখে চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলল, _“তুমি নিচে ঘুমালে আমি তোমাকে আরও পঞ্চাশ হাজার টাকা বেশি দিয়ে দেব।”
শিখা মাথা নেড়ে বলল,

_“না। হবে না।”
বির কয়েক পা এগিয়ে এসে নরম গলায় বলল, _“তাহলে চলো, দুজনে এ.ক সাথে বিছানাতেই শুয়ে পড়ি।”
শিখার গাল দুটো লাল হয়ে উঠল। সে লজ্জায় চোখ বড় করে বলল,
_ “ধ্যাত! কী সব বলছেন আপনি!”
বির কাঁধ ঝাঁকিয়ে হাসতে হাসতে বলল,
_“তাহলে তুমিই বলো, এখন কী করব?”
শিখা কোনো উত্তর দিতে পারল না। ঘরের আলোয় তার মুখটা লালচে হয়ে উঠেছে। বিরের চোখে একটা ভাব, অথচ তার ভিতরে কোথাও যেন একটা অজানা টান অনুভব করছে ।
বির তার চুপ করে থাকা দেখে আবার হেসে উঠল। নরম গলায় বলল,
_ “ঠিক আছে, চিন্তা করো না। আমিই মেঝেতে শুয়ে পড়ছি।”
শিখা তাড়াতাড়ি মাথা তুলে বলল,
_“না… মানে… আপনি খাটের এক পাশে শুতে পারেন। আমি অন্য পাশে। মাঝখানে বালিশ দিয়ে দিলেই হবে।”
বির চোখে একটা দুষ্টু হাসি নিয়ে বলল,

_“বালিশের দেয়াল? ঠিক আছে। কিন্তু যদি মাঝরাতে বালিশ পড়ে যায়?”
“বির!” শিখা লজ্জায় ধমক দিয়ে উঠল, কিন্তু তার গলায় রাগের চেয়ে লজ্জাই বেশি।
দুজনে মিলে খাটটা সাজিয়ে নিল। মাঝখানে দুটো বড় বালিশ রেখে একটা সীমানা তৈরি করা হল। শিখা খাটের ডান দিকে, আর বির বাম দিকে শুয়ে পড়ল।
ঘরের আলো নিভিয়ে দেওয়ার পরও ঘুম আসছে না কারোরই। বাইরে জানালা দিয়ে হালকা চাঁদের আলো এসে পড়ছে। কিছুক্ষণ নীরবতার পর বির নিচু স্বরে বলল,
_“শিখা…”
_“হুম?”
_“তোমার ভয় করছে না তো?”
শিখা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল,

_“একটু করছে। কিন্তু… আপনি যেহেতু বলেছেন কিছু হবে না, তাই চেষ্টা করছি বিশ্বাস করতে।”
বির হালকা করে হাসল,
_ “ভয় পেয়ো না। আমি তোমার কোনো ক্ষতি করব না। এটা শুধু… একটা চুক্তি।”
শিখা কোনো উত্তর দিল না। কিন্তু তার মনে হচ্ছে এই চুক্তিটা যেন ধীরে ধীরে আরও জটিল হয়ে উঠছে। বিরের গলার স্বর, তার হাসি, আর আজ সারাদিন তার চোখের সেই দৃষ্টি সব মিলিয়ে তার ভিতরে এক অচেনা অনুভূতি জেগে উঠছে।
কিছুক্ষণ পর বিরের শ্বাসের শব্দ শুনে বোঝা গেল সে ঘুমিয়ে পড়েছে। শিখা পাশ ফিরে তার দিকে তাকাল। চাঁদের আলোয় বিরের মুখটা শান্ত দেখাচ্ছে।
সে মনে মনে ফিসফিস করে বলল, “কেন এমন লাগছে রে শিখা… এ তো শুধু অভিনয়…”
কিন্তু তার হৃদয় যেন তার কথা শুনছে না।
‌ ‌
পরের দিন সকাল।
পাখির ডাক আর হালকা রোদের আলোয় ঘরটা ভরে উঠেছে। শিখা চোখ মেলতেই একটা অদ্ভুত অনুভূতি হলো। তার মাথাটা কোনোমতে বালিশের সীমানা পেরিয়ে বিরের কাঁধের কাছে চলে এসেছে। একটা হাতও যেন অসাবধানে তার বুকের ওপর পড়ে আছে।
শিখা চমকে উঠে তড়াক করে সোজা হলো। তার গাল দুটো লাল হয়ে গেল। বির এখনও ঘুমোচ্ছে। তার চুল এলোমেলো, মুখে শান্ত একটা ভাব। শিখা কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে রইল, তারপর দ্রুত উঠে বসল।

_“কী করছিলাম আমি!” মনে মনে নিজেকে বকল সে।
হঠাৎ বির চোখ খুলল। ঘুম জড়ানো গলায় বলল, _“সকাল হয়ে গেছে?”
শিখা তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে নেমে পড়ল,
_ “হ্যাঁ। আপনি উঠুন। আমি রেডি হয়ে নিচ্ছি।”
বির হাই তুলতে তুলতে হাসল,
_“কাল রাতে বালিশের দেয়ালটা শক্তিশালী ছিল না মনে হয়?”
শিখা লজ্জায় তার দিকে তাকাতেই পারল না। _“আপনি চুপ করুন!”
বির হেসে উঠল। তার হাসিতে কোনো রাগ বা অস্বস্তি নেই বরং একটা মিষ্টি আনন্দ।
দুজনে তৈরি হয়ে বাইরে বেরোতেই দেখা গেল, সবাই ডাইনিং টেবিলে ব্রেকফাস্টের জন্য অপেক্ষা করছে। রিক্তা হাসিমুখে বলল.
_“এসো, এসো। আজ পরোটা আর ডিম ভাজি করেছি।”
মৃধা শাপলার সঙ্গে বসে আছে। শাপলা শিখাকে দেখে হাসল, কিন্তু তার চোখে একটা প্রশ্নবোধক দৃষ্টি। শিখা চোখের ইশারায় তাকে আশ্বস্ত করল।
নজির সাহেব শিখার দিকে তাকিয়ে স্নেহের সঙ্গে বললেন,
_ “মা, এখানে তোমার কোনো অসুবিধা হচ্ছে না তো?”
শিখা মাথা নিচু করে বলল,
_ “না।”

বির পাশে বসে চুপচাপ খাচ্ছে, কিন্তু মাঝে মাঝে তার চোখ চলে যাচ্ছে শিখার দিকে। রিক্তা সেটা লক্ষ করে মৃদু হাসলো, কিন্তু কিছু বলল না।
ব্রেকফাস্টের পর বির শিখাকে বলল,
_“চলো, বাগানে একটু হেঁটে আসি।”
দুজনে বাড়ির পেছনের ছোট বাগানে চলে এল। সকালের নরম রোদ গাছের পাতায় খেলা করছে। বির একটা আম গাছের নিচে দাঁড়িয়ে বলল,

রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৫৬

_“কাল রাতে… সত্যি কিছু মনে করোনি তো?”
_”মানে?”
_”কিছু না।”
এর পর দুজনে হাঁটতে লাগলো।

রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৫৮

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here