প্রেমসুধা সিজন ২ পর্ব ৮৫ (২)
সাইয়্যারা খান
সিল্কের অফ হোয়াইট সেই গাউন পরেই বসে আছে পৌষ। রাগের পারদ পড়তে না পড়তেই আবার উঠে যাচ্ছে। এটা তো হাতে শর্টকাট করা। এই গাউন পরে বাইরে কিভাবে যাবে? নির্লজ্জ তৌসিফ কি চোখে সর্ষে ফুটিয়ে কিনেছিলো? আশ্চর্য না হয়ে পারলো পৌষ। আড় চোখে বাথরুমের দিকে তাকিয়ে দেখলো একবার। জনাব বের হয়েছেন। ঘ্রাণে রুমটা ভরে গেলো সহসা। পৌষ চোখ বুজে শ্বাস টানলো বুক ভরে। ঘ্রাণ নিতে দোষ নেই, ব্যাটা তার নিজের বিয়ে করা বর। আজকে এমনিতেও যথেষ্ট শাস্তি পেয়েছে। পৌষ ওর ছক্কা হাঁকিয়ে দিয়েছে একদম। বেঁচে থাকলে ঐ মুখে আর কাউকে ডাকবে না। অবাক করা বিষয় তৌসিফের প্রতিটা মেয়ের নাম মনে ছিলো। পইপই করে বলেছে। শুধু মাত্র তিনজনের দেশ মনে নেই তার বাকিদের তাও মনে আছে। নিতান্তই ভালো সাজার ভান ধরেছিলো ও।
পৌষ যখন টাইট দিলো তখন কি সুন্দর বলা শুরু করলো। পেটের উপর চেপে বসে গলা দিয়ে সব বের করেছে পৌষ। হাহ্, পৌষকে ভাও দেখায় ব্যাটা। সাহস কত! শেষে গিয়ে তো পৌষ কাকে কয়টা উম্মাটুম্মা দিয়েছে তারও হিসেব কষেছিলো কিন্তু এটা নিয়ে মুখ খুলে নি তৌসিফ। ভয়ে নাকি ওসব করে নি কে জানে। পৌষের সন্দেহ এখনও তুঙ্গে। তৌসিফ সাধারণ স্বীকারোক্তি দিয়েছে অবশ্য। বলেছে সে তার ছত্রিশ বছরের জীবনে পুরোপুরি সৎ আছে পৌষের প্রতি। এই কথা শুনে তবে গিয়ে পৌষ রেহাই দিয়েছে তাকে। এতটুকু তো জানে তৌসিফ মিথ্যা বলে না কিন্তু সত্য লুকায়।
“এটা যে এনেছেন? এটা পরে এভাবেই বাইরে যাব?”
তৌসিফ চুল ঝেড়ে তাকালো পৌষের দিকে। স্লিভলেসে ওকে দেখে ঢোক গিললো। কানের লতি লাল হতে লাগলো ধীরে ধীরে। উষ্ণতা ভর করলো তার মাঝে। ডানে বায়ে মাথা নেড়ে ঘাড় ঘোরাতেই ব্যাগ পেলো। ভেতর থেকে বের করলো সোল্ডার কেপ। ভীষণ সুন্দর দেখতে। এগিয়ে এসে পৌষকে সুন্দর মতো পরিয়ে দিলো সেটা। পিঠটা নিজের ঠান্ডা হাতে ছুঁয়ে দিয়ে বললো,
“কেপ ছাড়া শুধু আমি দেখব।”
“হাহ্, আলগা পিরিত কত দেখলাম।”
বলতে বলতে পৌষ বসলো টুলে। তৌসিফ মন খারাপ করে পেছনে দাঁড়িয়ে কার্লার হাতে নিলো। পেছনে থাকা লম্বা চুলগুলো তৌসিফ আজ কার্ল করবে। সবটা দেখে রেখেছে। পৌষ আয়নায় তাকিয়ে দেখলো তৌসিফ খুব যত্ন করে তার চুল গুলোর সেকশন করছে অতঃপর স্টিকে পেঁচিয়ে একটু গরম করে ছেড়ে দিচ্ছে। পৌষ ঠোঁট উল্টে প্রশ্ন করলো,
“কি দরকার রে ভাই? আমার সোজা চুল কোঁকড়ানোর মানে হয়?”
“আমি করব।”
“কি দরকার?”
“তোমাকে দেখব এভাবে?”
“বাবাহ্, মিকোর চুল কোঁকড়ানো ছিলো বুঝি? তাকে খুব মনে টানছে?”
“হু ইজ মিকো?”
তৌসিফ মনোযোগ দিয়ে কার্ল করতে করতে জিজ্ঞেস করলো। পৌষ এক ভ্রুঁ উঁচু করলো। ঠোঁটে চলে এলো দুষ্ট হাসি,
“ঐ যে যার সাথে মাত্র তিনদিন ক্লাবে কোমড় দুলিয়ে নেচেছিলেন?”
“আয়হায়! মাবুদ! ধুরু ব্যাটা!”
পৌষ ঘাড় চেপে ধরলো। সেঁক লেগেছে। তৌসিফ হকচকিয়ে গিয়ে পৌষের হাত সরিয়ে লাল হওয়া চামড়া দেখলো অতঃপর খুব দ্রুত সেখানে নিজের ভেজা ঠোঁট ছুঁয়ে চেপে রাখলো। পৌষ রেগে বারুদ হয়ে গেলো,
“মিকোর কথা বলতেই আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারতে চাইছেন আমাকে? এইজন্য ভীনদেশে এনেছেন আমাকে। পুড়িয়ে মারতে?”
“আ’ম স্যরি হানি বাট…”
“বাট?”
আয়নায় তাকিয়েই চোখে ইশারা করলো পৌষ। তৌসিফ লাল হওয়া স্থানেই কামড়ে ধরলো। চোয়াল শক্ত করে তা হজম করলো পৌষ। তৌসিফ যখন দেখলো কাজ হলো না তখন নিজেই ছেড়ে দিলো। জায়গাটা ভয়ংকর ভাবে লাল হয়ে কালচে হয়ে যাচ্ছে। ঘাড়ের নিচে একদম কাঁধের কাছটায়। তৌসিফ পুণরায় চুলে মনোযোগী হলো। একদম খামখেয়ালি নিয়ে বললো,
“ইয়্যু ডিজার্ভ দিস।”
পৌষ কথা বললো না। এসব ছোট আঘাতে পৌষের কিছুই হয় না। তৌসিফ মনে মনে ভীষণ চিন্তিত। তার এই জীবনের প্রথমাংশে পাপের কমতি নেই। অস্ট্রেলিয়া আপার কাছে লম্বা সময় ছিলো সে। তখন এখানকার কালচারে অনেকটা ডুবেছিলো তৌসিফ। ওসব অবশ্য ছেড়েও দিয়েছে কিন্তু তার বউ বোধহয় বাকিটা জীবন এসব ভুলবে না। আজও দাদার এগারোটা বিয়ে নিয়ে তৌসিফকে কথা শুনায়। চুল কার্ল করা হতেই তৌসিফ সুন্দর করে সামনে দিয়ে শ্যাট করলো। পৌষের চুল ঘন, লম্বা। মুখের দিকে তাকিয়ে ডান গালটায় একটু আঙুল ছোঁয়ালো। ঝুঁকে কপালে চুমু খেয়ে বললো,
“গ্লোয়ি বেস, নুড লিপস্টিক, লাইট আইস উইথ লিটল গ্লেজ অব সিলভার। আই ওয়ান্ট দিস। মেইক ইট ফাস্ট হানি।”
নিদর্শনা দিয়ে তৌসিফ নিজে তৈরী হতে লাগলো। পৌষ কটমট করলো তবে তৌসিফ যা চাইলো সেভাবেই তৈরী করলো নিজেকে। তৌসিফ আড় চোখে অবশ্য বউকে দেখে গিয়েছে। নিজে সাদা শার্ট আর ব্লাক প্যান্ট পরে আগে চুল, চেহারা ঠিক করলো খুব যত্ন করে। পারফিউমে মাখিয়ে ফেললো যেন নিজেকে অতঃপর পৌষের জন্য হিল বের করে বসলো ওর পায়ের কাছে।
“আমি পারব।”
“আই নো কিন্তু আমি করতে চাই।”
পৌষের পায়ের আঙুলে তখনও ব্যান্ডেজ। তৌসিফ হিল পরিয়ে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থ হয়ে গেলো। ঢোক গিলে এগিয়ে এলো আরেকটু কাছে। কপালে তিনটা চিকন ভাজ। ডান হাত পৌষের ঠোঁটের দিকে বাড়াতেই মাথা সরালো পৌষ। তৌসিফ বিরক্ত হয়ে গেলো,
“তুমি গ্লস দিলে কেন?”
“মন চাইলো।”
“আমি ম্যাট করতে বলেছি।”
“আমার গ্লজ চাই। এটা সুন্দর বেশি।”
“এটা সুন্দর না তোতাপাখি। প্লিজ। মুছে ফেলো।”
“উঁহু। সুন্দর এটা।”
“ট্রাস্ট মি এটা মোটেও সুন্দর না। ম্যাট সুন্দর।”
“তাহলে এটা কি?”
“এটা..এটা খুব এলুউরিং হানি।”
“প্রলুব্ধ হন, আমি তো এটাই চাই।”
তৌসিফ এগিয়ে এলো। পৌষকে ধরে ফেললো হুট করে। মুখটায় ঠোঁট দুটো এমন ভাবে চিলিক দিচ্ছে যে তৌসিফের চোখ ঝলসে যাচ্ছে।
“এটা শুধু একান্ত আমি দেখব। এই রূপ অন্য কেউ দেখবে আর সেই দৃশ্য আমি তৌসিফ বেঁচে থেকে দেখব? ম’রে না যাব?”
“ঢং।”
তৌসিফ টিস্যু নিয়ে ঠোঁট মুছলো সুন্দর করে। পৌষ নতুন করে লিপস্টিক লাগালো। দরজায় তখন তুহিন চেঁচাচ্ছে,
“এখানেই রাত পাড় করে দাও।”
“আপনার এত জ্বলছে কেন?”
“ফুপাতো বোনের বাচ্চা। তারাতাড়ি করো!”
তৌসিফ ব্লেজার গায়ে দিলো। পৌষ পার্স হাতে নিতেই তৌসিফ আটকালো ওকে। কাজল খুঁজে কানের পিঠে একটা ফোঁটা দিয়ে বললো,
“নজর লাগবে।”
“এদিকে আসুন। আপনার কপালে একটা গোল এঁকে দেই। আমার স্বামী তো খুব সুন্দর।”
তৌসিফ মোটেও কথা বাড়ানোর সুযোগ দিলো না যদিও বউ তার প্রশংসা করেছে। মুখে যখন বলেছে তখন এই মেয়ে কপালে আঁকতে কতক্ষণ?
ক্লাবে ওরা যখন পৌঁছালো তখন রাত প্রায় বারোটা বেজে আরো মিনিট পনেরো পেরিয়েছে। ক্লাবের একপাশ ডেকোর করিয়েছে ইহান। তায়েফা আর মিস্টার কিবরিয়া আসেন নি। এসব ক্লাবে তায়েফা আসে না কখনো। তৌসিফ অবশ্য বলেছিলো কিন্তু রাজি করাতে পারে নি। ঢুকা মাত্রই তীব্র কটকটা আলোর ঝলকানি পৌষকে চোখ কুঁচকে নিতে বাধ্য করলো। তৌসিফের বাহুর মাঝে ওর বাহু আটকানো। তুহিন ওদের পাশ কাটিয়ে ম্যানেজারের সাথে কথা বলতে গেলো। তৌসিফ পৌষকে নিয়ে বসলো একপাশে। ইহান আর ইরা পেছনের গাড়িতে। এখনও পৌঁছায় নি। পৌষ এদিক ওদিক দেখছিলো। অনেকেই নাচ করছে। এখনও রাত জমেনি এখানে। সফ্ট মিউজিকে কাপল ডান্স হচ্ছে। তৌসিফ ফোনে ইহানের সাথে কথা বলছিলো। এই তো মাত্র দুই মিনিট, ইতিমধ্যে এখানকার এক স্থানীয় ছেলে এগিয়ে এসেছে। পৌষের দিকে হাত বাড়িয়ে খুব বিনীত ভাবে নাচের অফার করেছে। পৌষ না করার আগেই একটা হাত এগিয়ে এসে ওকে পেটের উপর দিয়ে ঘেড়াও করে ইংরেজিতে কটকট করে জানিয়েছে,
“মাইন।”
“মাই ব্যাড।”
“ইয়াহ্।”
ছেলেটা চলে গেলো। তৌসিফ ফোন রেখে নিজে হাত বাড়ালো। পৌষ গ্রহণ করলো। দু’জন উঠে গেলো ফোকাসে থাকা স্থানটায়।
দু’হাতের ভরটা তৌসিফের কাঁধে। তৌসিফ এক হাতে পৌষের কোমড়টা আঁকড়েছে আলতো ভাবে। মৃদু মৃদু আলোয় চোখ দুটো জ্বলজ্বল করে ওঠে দু’জনের। তৌসিফ হঠাৎ পৌষকে গোল ঘুরালো। এক টানে কাছে আনলো। দূরত্ব ঘুচতেই কানের কাছে মুখ নিয়ে পৌষকে আগলে নিলো একদম বুকের মাঝে। সিল্কের গাউনটার উপর দিকে দামী কারুকার্য করা। তৌসিফ ওর পেছনের ফিতাটায় হাত রাখতেই পৌষ তাকালো ওর চোখে। তৌসিফ কানের কাছে মুখ নিয়েই ফিসফিস করে বললো,
“আ’ম ডায়িং হানি৷ আ’ম ডায়িং।”
“দ্যান ডাই…. ”
“চলো তাহলে। এসব বাদ।”
“কিসব?”
পৌষ না বুঝে প্রশ্ন করলো।
“তুমি জানো না আজ আমরা এখানে কেন?”
“কেন?”
তখনও তারা দুলছে। তৌসিফ গম্ভীর দৃষ্টিতে তাকালো। পৌষ হকচকিয়ে গেলো,
“আজ? আজ কি?”
পৌষ বেমালুম ভুলে গিয়েছে দিনটার কথা। তৌসিফের মনঃক্ষুণ্ন হলো। বেশ কষ্ট পেলো। তার বউ এমন কেন? বউগুলো এমন হয়? নাহলেও তার পৌষরাত হয়। তৌসিফ হুট করেই ভুলে গিয়েছিলো সামনের মানুষটা যে পৌষরাত। নত মস্তিষ্কে তৌসিফ নিজেই মনে করিয়ে দিলো,
“আজ আমাদের বিয়ের বছর পূর্ণ হলো। ইটস আওয়ার ওয়েডিং এনিভ্যারসিরি হানি।”
“বছর পূর্ণ হলো?”
ওকে গোল ঘুরিয়ে কাছে টেনে এবারে পিঠটা ঠেকালো তৌসিফের বুকে। ওভাবেই থাকলো দু’জন কিছুক্ষণ। পৌষের কাঁধে তৌসিফের উষ্ণ নিঃশ্বাস। পৌষ মনে করালো ওকে,
“দুই বছর হলো।”
“উঁহু।”
“কি? মাথা গেলো নাকি?”
“আমি আমাদের শততম বিবাহবার্ষিকীতেও তোমাকে প্রথম বছরের শুভেচ্ছা জানাব৷ তুমি নতুন। চির বসন্তের সূচনা তুমি আমার যার প্রেমের সুধা এই জীবনে ফুরাবে না।”
পৌষ মাথা এলিয়ে দিলো তৌসিফের কাঁধে। মুখে স্বীকার না করলেও পৌষ তো জানে তার ভাগ্য কতটা প্রসন্ন। এই তৌসিফ দিয়ে সে শান্ত, তুষ্ট।
মাথা তুলতেই এবার পৌষের কোমড়ে হাত রাখলো তৌসিফ পৌষের হাত তার কাঁধে। দুজনের দৃষ্টি একে অপরে। পৌষ অবশ্য দৃষ্টি ধরে রাখতে পারলো না৷ কোনদিনও পারে না সে ঐ চোখে তাকিয়ে থাকতে।
“তুমি আমাকে ওয়াদা করো ছেড়ে যাবে না।”
“সম্ভব না।”
“তুমি বলেছিলে ভালোবাসো।”
“একবার।”
“না দুই বার বলেছিলে।”
“হয়তো।”
“বলো, যাবে না।”
“বলব না। আমি মিথ্যা বলি না। যা বলি মুখের উপর বলি এবং সত্যি বলি।”
“আমি মিথ্যা বলি নি।”
“সত্য লুকিয়ে যাওয়াটাও এক ধরনের মিথ্যা।”
“এবং আমি লুকাইও নি।”
“না জানানো আর লুকানো এক নয় কি?”
তৌসিফ মাথা নাড়লো। নিচু স্বরে বললো,
“এক না।”
“হবে হয়তো।”
“তুমি আমাকে নিয়ে এত উদাসীন কেন থাকো?”
ফট করে চোখটা তৌসিফে আটকালো৷ পৌষ ওকে দেখলো, এমন ভাবে দেখলো যে তৌসিফ পুরুষ হয়েও ভরকে গেলো। তার ভরকে যাওয়া নজরে এলো পৌষের। ঠোঁট দুটো গোল করে শিষ বাজিয়ে তৌসিফের ধ্যান ভেঙে দিয়ে বললো,
“আপনি সমুদ্রের কিনারা হলে আমি ঐ সমুদ্রের বুক ভরা পানি। যা কখনো ফুরাবে না৷ রোজ মিলিত হবে এবং হবেই হবে।”
“তাহলে বলছো আমি ছাড়া তোমার কুল, কিনারা নেই?”
নত হওয়ার মেয়ে পৌষ না। সে নাচ থামিয়ে দিলো। সরে যেতে যেতে বললো,
“পানি না থাকলে ঐ সমুদ্রের পাড়ের কি কাজ? মূল আকর্ষণ তো তরঙ্গের যার অধিকারী পানি।”
বাকিটুকু বিরবির করে বললো,
“এবং ঐ কিনারায় এসেই শান্তি, স্বস্তি আর আরাম।”
প্রেমসুধা সিজন ২ পর্ব ৮৫
তৌসিফ শুনলো। হাসলো ঠোঁট এলিয়ে। ইহান আর ইরা এসেছে। পৌষ ওদের সাথে গিয়ে বসেছে। তৌসিফের নজর হঠাৎ ডান পাশে পরলো। ডান পাশ শব্দটা ভালো হলেও তৌসিফ দেখলো খারাপ কিছু এবং সেই খারাপ কিছু তাকে টানলো খুব করে। তৌসিফ নিজেকে আটকাতে পারলো না। সে এক দুই পা করে এগিয়ে গেলো। ভুলে গেলো পৌষ আজকে কতটা শায়েস্তা করেছিলো…
