Home mad for you mad for you part 43

mad for you part 43

mad for you part 43
তানিয়া খাতুন

ক্ৰিশ সোজা মঞ্চে উঠে গেল।
তার চোঁখে রাগ, গলায় কঠিন দৃঢ়তা।
মাইক্রোফোনটা হাতে নিয়ে সে গর্জে উঠল—
“পূরো বিয়ে বাড়িটা এখন পুলিশ ফোর্স দিয়ে ঘেরা হয়েছে…
কেউ পালানোর বৃথা চেষ্টা করবেন না।”
শব্দটা মুহূর্তেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল।
সবাই আতঙ্কে ডান-বামে তাকাতে লাগল।
দূর থেকে দেখা গেল—

চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে অনেক পুলিশ—
অস্ত্র হাতে, প্রস্তুত।
ফুফু ভয়ে কাঁপা কণ্ঠে বললেন—
“এ…এসব কি হচ্ছে ক্ৰিশ?”
ক্ৰিশ ঠান্ডা চোঁখে তাঁকালো—
“সব বলবো… একটু ধৈর্য ধরুন।”
ফুফু আর ফুফা দু’জনের শরীর ভয়ে ভিজে উঠল ঘামে।
আর মঞ্চের ওপর দাঁড়িয়ে পুষ্পো
পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে গেছে।
ক্ৰিশ এবার মাইকে সরাসরি পুষ্পোকে উদ্দেশ্য করে বলে—
পুষ্পোঃ তুমি যাকে নিয়ে ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন দেখেছো…
যার নাম মুখে নিয়ে ঘুমাও…
যাকে ভালোবেসে জীবন কাটানোর স্বপ্ন দেখেছো…
সে আমি নই।”

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

হলের সবাই হতবাক—
পুষ্পোর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে এলো।
ক্ৰিশ কথাটা চালিয়ে গেল—
“সে হচ্ছে Krish Ahmed Siddiqui—
আর আমি…
আমি Inspector Krish Khan।”
বজ্রপাতের মতো নেমে এলো বাক্যগুলো
পুষ্পোর মুখ শুকিয়ে গেল।
চোখ ছলছল কৱছে—
সে কিছুই বুঝতে পারছে না।
ক্ৰিশ আবার বলা শুৱু কৱে—

“তুমি তোমার ক্ৰিশ কে দেখেছিলে ছোটবেলায়…
এই বয়সে না চিনতে পারাটা স্বাভাবিক…
কিন্তু তোমার আব্বু-আম্মু ক্ৰিশ‌কে চিনতেন না।
তাহলে তারা আমাকে কেন
এই বাড়ির ছেলে হিসেবে স্বীকার করলেন?”
কাৱন তাঁৱা নিজেৱা নিজেদেৱ স্বীকাৱক্তি দিতে গেলে নিজেৱাই নিজেদেৱ ফাঁদে পড়ে যেতো সেই ভয়ে।
ক্ৰিশ মাইকের ওপর হাতের গ্রিপ আরো শক্ত করল।

“জিজ্ঞেস করো…
কেন?”
মঞ্চে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ল।
পুষ্পো অবিশ্বাসের চোঁখে
তাৱ মা এর দিকে তাঁকিয়ে ফিসফিস করে বলে—
“মা… উনি এসব কি বলছেন?
এইসব কি সত্যি?”
তার মা আঁতকে উঠে কেঁপে গেলেন।
চোঁখের পানি জমে উঠছে।
সবাৱ মধ্যে নিস্তব্ধতা—
শুধু হৃদস্পন্দনের শব্দ শোনা যায়।
পুষ্পোর ‌আম্মু ভয়ে এদিক ওদিক তাকাচ্ছিলেন—ভয়ে তাঁর মুখ ফ্যাকাসে হয়ে গেছে।
মুখে কথা আটকে গেছে। কিছুই বলতে পারছেন না।
ক্ৰিশ হাত তুলে থামিয়ে দেয়,

— “থাক! আমিই বলছি সব।”
সে পুষ্পোর দিকে তাকিয়ে ধীরে ধীরে সত্যিটা খুলে বলে—
“তোমার ক্ৰিশ খুব ছোটবেলাতেই বাবা-মাকে হারায়। এটা এখানে সবাই জানেন।
আর যেহেতু বাবা-মা নেই, তাদের সমস্ত সম্পত্তির একমাত্র উত্তরাধিকারী ছিল সেই ক্ৰিশ নিজেই.”
হলঘরে আবার চাপা ফিসফাস।
ক্ৰিশ আরেকটু কঠোর গলায় বলে—

“কিন্তু… তোমার আম্মু সেটা মানতে পারেননি।
এই সম্পত্তি ভাগ হতে দেবেন না—এই লোভেই তিনি পরিকল্পনা শুৱু করেন।”
পুষ্পোর আম্মু কাঁপতে কাঁপতে মাথা নিচু করে ফেলেন।
ক্ৰিশ কে ‘দত্তক’ নেওয়ার নাম করে—
আসলে তাকে লুকিয়ে ফেলেন।
তাকে সম্পত্তি থেকে দূরে রাখার জন্য বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।”
সবার চোঁখ বড় হয়ে ওঠে।
ক্ৰিশ‌ এবার পুষ্পোর চোঁখের দিকে তাঁকিয়ে বলে—

— “ক্ৰিশ তোমাকে ভীষণ পছন্দ করতো‌ আৱ‌ ক্ৰিশেৱ আম্মুৱ তোমাকে ভীষন প্ৰছন্দ ছিলো
সেই কারণে বড়রা ছোটবেলাতেই তোমাদের বিয়ে ঠিক করে দেন।”
কিন্তু তোমাৱ আব্বু সেটা মানতে পাৱেনি।
পুষ্পোর চোঁখ ভিজে ওঠে স্মৃতিতে…
হঠাৎ ক্ৰিশ থামল,
সে পুষ্পোর “ আব্বু ”-র দিকে তাঁকিয়ে ঠাণ্ডা হাঁসল।
ক্ৰিশঃ “sorry ওনি তো তোমাৱ নিজেৱ নয়
সৎ বাবা।”

হঠাং এক নিস্তব্ধ বিস্ফোরণ হলো!
পুষ্পোর মাথায় আঘাতের মতো লাগে।
তার পা কেঁপে ওঠে।
সে ধীরে ধীরে তাঁকায় তার সেই “ আব্বু”-র দিকে—
যার চোঁখে এখন ভয়, অপরাধবোধ আর লজ্জার অশ্রু।
পুষ্পো কাঁপা গলায় বলে—

— “আপনি…?
আপনি আমার কে?”
কেউ কোনো শব্দ করে না।
চারদিক নিস্তব্ধ।
সবার সামনে ক্ৰিশ মাইকে দাঁড়িয়ে আবাৱ বলা শুৱু কৱে,
— “হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছো…
উনি তোমার সৎ বাবা, নিজেৱ বাবা নন।”
পুষ্পো শূন্য চোঁখে তাঁকিয়ে থাকে।
“তোমার ‘সৎ বাবার’ লোভ ছিল কেবল সেই সম্পত্তি।
আর তাই… তিনি ক্ৰিশ কে পথ থেকে সরানোর প্ল্যান করেন।”
হলঘরে গুঞ্জন আবাৱ বেড়ে ওঠে।
পুষ্পোর “আম্মু ” কাঁপতে কাঁপতে চেয়ারে বসে পড়েন।
ক্ৰিশঃ “শুধু উনিই নন…
তোমার নিজের আম্মু-ও একই নোংরা খেলা খেলেছিলেন।”

— “ক্ৰিশ এর আম্মুৱ নামে থাকা একটি জমি নিয়ে ক্ৰিশ আৱ তোমাৱ মধ্যে ফোনে তর্ক হয়।
তোমার আম্মু সেই জমি বিক্রি করতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু ক্ৰিশ রাজি হয়নি।
কারণ সেই জমিতে ক্ৰিশ এৱ আম্মু অনাথ বাচ্চাদের জন্য আশ্ৰম বানাতে চেয়েছিলেন!”
পুষ্পোর চোঁখে অঝোৱে পানি নেমে আসে।
তার আম্মু মাথা নিচু করে ফেলেন—লজ্জা নাকি ভয়, বোঝা যায় না।
ক্ৰিশ: “তখন তোমার আম্মু বুঝে যায়—
ক্ৰিশ বেঁচে থাকলে এই টাকা গাড়ি বাড়ি —কিছুই তার হাতে আসবে না।
সেই মুহূর্তে তার ভেতরের শয়তান জেগে ওঠে।”

“তোমার আম্মু আর তোমার সৎ আব্বু—
দুজনে আলাদা আলাদা ভাবে
ক্ৰিশ কে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেন।
কিন্তু হাস্যকর ব্যাপার কি জানো?
একজনও আরেকজনের কথা জানত না!”
অট্টালিকাটাই যেন থরথর করে কেঁপে ওঠে।
সবার মুখ ফ্যাকাসে হয়ে যায়।
পুষ্পো নিজের মুখ চেপে ধরে, মাথা ঝাঁকাতে থাকে—
এটা যেন তার গ্রহণযোগ্য নয়।
ক্ৰিশ: “পুষ্পো! তোমার অজান্তেই…
ওরা দুজন দুই দিক থেকে
ক্ৰিশেৱ মৃত্যুর ব্যবস্থা করছিল।”
একটা ভারী নীরবতা।

— “আর এৱ থেকেও বড়ো সত্যিটা হলো…
ক্ৰিশ তোমাকে সারপ্রাইজ দিতে
৫ বছর আগে দেশে ফিরেছিল… তুমিই শুধু জানতে না।”
পুষ্পো হাঁটু ভেঙে বসে পড়ে— ৱুহি আৱ আয়ান তাৱ দিকে এগিয়ে আসলে পুস্পো হাত দেখিয়ে থামিয়ে দেয়।
পুষ্পোঃ বাকি টা বলুন প্লিজ…
ক্ৰিশঃ “সেই রাত… ঠিক রাত ৮টা…”
“একটা লরি পিছন দিক থেকে ধাক্কা দেয় এ্কটা গাড়িকে।”
তার গলা কেঁপে ওঠে,

— “আর যে গাড়িটা চাপা পড়ে…
সেটায় ছিল… ক্ৰিশ আহমেদ সিদ্দিকি.”
ৱুহিৱ -এর চোঁখ ভিজে ওঠে সেই ৱাতেৱ কথা মনে পড়ে যায়।
ক্ৰিশঃ “আর সেই দুর্ঘটনা…
তোমার আম্মু-ই ঘটিয়েছিলেন।”
পুষ্পো আর সহ্য কৱতে পারে না।
চোঁখের সামনে সব অন্ধকার।
সে যাকে সারাজীবন ভালোবেসেছে,
যার জন্য বেঁচে থেকেছে…
তার মৃত্যুর কারণ—তার নিজের মা।
ক্ৰিশ এর কথার সাথে সাথেই চারদিকে তোলপাড়!
আত্মীয়–পড়শি—সবাই মুখে হাত দিয়ে—
“ছি ছিঃ ! নিজের বাড়ির ছেলেৱ সাথে এরকম?”
“অবিশ্বাস্য!”

“মানুষ এরকম লোভীও হতে পারে?”
ক্ৰিশ হাত তুলে সবাইকে থামিয়ে দেয়—
আমার কথা এখনও শেষ হয়নি।”
— “সেই রাতেই আরও একটি অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছিল…
যা করিয়েছিলেন তোমার আব্বু।”
পুষ্পো মাথা নীচু কৱে বসে থাকে কাৱোৱ দিকে তাঁকানোৱ সাহস নেই্ তাৱ।
ক্ৰিশঃ “একটা লরি… একটা বাইককে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেয়।”
“আর সেই বাইকে ছিলাম আমি,
Inspector Krish Khan.”

— “তোমার আব্বুৱ টাইমিং ভুল হয়ে যায়।
আর সেই ভুলের জন্য আমার পরিবার পুরো পাঁচ বছর কষ্টে ছিল।”
ক্ৰিশ কয়েক সেকেন্ড চুপ করে, স্মৃতি গিলে আবাৱ বলে—
— “সেই রাতে এক ভদ্রলোক নদীর ধারে আমাকে খুঁজে পান, আমাকে হাসপাতালে ভৱতি কৱে…”
“তার নিজের বাড়ির কুকুর একটা ওয়ালেট মুখে করে এনে দেয়।”
“ওয়ালেটটার বেশিরভাগটাই পুড়ে গিয়েছিল…
শুধু একটা আইডি কার্ড ছিল—
Krish Ahmed Siddiqui-র।”

“ভাগ্য ভাল…
সেই ভদ্রলোক আবার Krish Ahmed-এর বাবার পুরোনো বন্ধু ছিলেন।”
“তাই তিনি ভেবেছিলেন আমি-ই Krish Ahmed.
এস্কিডেন্টে আমাৱ ওয়ালেট টাই হয়তো ৱাস্তায় পড়েছিল।”
“আমার অবস্থা ভয়ংকর ছিল।
তার ওপর স্মৃতি হারিয়ে ফেলেছিলাম।
তাই তিনি যেটা বললেন—
আমি সেটাই নিজের পরিচয় ভেবে নিলাম।”
“সেই ভদ্রলোক সত্য জানার জন্য প্রতিটা দিক খুঁজে দেখেন…
কেউ আমাকে খুঁজছে না!
কেউ কোনো রিপোর্ট করেনি!”
সবাই তাকায় পুষ্পোর আব্বু আম্মুর দিকে।
তারা কাঁপছে।

— “ আমাৱ অবস্থা গুৱুতৱ হয় তাই আমাকে বাঁচানোর জন্য—
তিনি আমাকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান।
স্মৃতি ফেরার পর—
সব সত্যি আমায় জানান।”
“তারপর আমরা পুলিশকে সব জানাই।
প্রমাণ জোগাড় করি।
আর আজ…
যে সত্যি এতদিন আড়ালে ছিল…”
“সেই সত্য—আজ আপনাদের সামনে তুলে ধৱলাম।”
গভীর শ্বাস নিয়ে শেষ কথাটা বলে— ক্ৰিশ।
ক্ৰিশেৱ শেষ কথায় পুষ্পোর মাথা ঘুরে যায়।
তার দু’চোখের সামনে সব ঝাপসা হয়ে আসে—
এক মুহূর্তে তার হাঁটু কেঁপে ওঠে—
আর অজ্ঞান হয়ে মঞ্চের মাঝেই ধপ করে পড়ে যায়।
আয়ান ভয়ার্ত চোখে চিৎকার করে—
পুষ্পো…………

সে দৌড়ে এসে পুষ্পোকে শক্ত করে আগলে ধরে।
তার হাত কাঁপছে, গলা শুকিয়ে গেছে।
ৱুহি দৌড়ে গিয়ে পানি এনে আয়ানেৱ হাতে দেয়।
তার চোঁখ দিয়ে অঝোরে পানি গড়িয়ে পড়ছে—
নিজের মুখ ঢেকে ফিসফিস করে—
— “কি করে পারলেন আপনারা…
নিজের মেয়ের জীবনটাই নষ্ট করে দিলেন…”
তখনই ক্ৰিশ হাত তুলে সিগন্যাল দেয় পুলিস দেৱ।
দরজার দুই দিক থেকে ইউনিফর্ম পরা পুলিশ ছুটে আসে।
পুষ্পোর সৎ বাবা আৱ তাৱ আম্মু কে
হাতকড়া পড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
চারদিকে অরাজকতা, হৈচৈ, পড়ে যায়।
“বাড়ির নিজেদের লোক এমন করলো?”
“সবাই ধিক্কার জানাই!”

ক্ৰিশ ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে ৱুহির দিকে…
সে দেখে ৱুহি কাঁপছে…
ক্ৰিশ নিঃশব্দে এগিয়ে গিয়ে—
তার দুই গাল ধরে টেনে নেয় নিজের বুকে—
একটা শক্ত, গভীর, ব্যথায় ভরা আলিঙ্গন—
ক্ৰিশঃ “butterfly… I’m here… Don’t worry…”
ৱুহি ফুঁপিয়ে ওঠে—
আঁকড়ে ধরে ক্ৰিশেৱ শার্ট—

“ক্রিশ… বাটারফ্লাই, আমি খুব ক্লান্ত… আর আমি শুধু তোমার মাঝেই সুখ খুঁজে পেতে চাই। আমি তোমার সঙ্গে সংসার করতে চাই—একটা সুখের সংসার… যেখানে কোনো দুঃখ থাকবে না, থাকবে শুধু সুখ আর ভালবাসা। আমার সঙ্গে ভালবাসার সাগরে ভাসবে তুমি, বাটারফ্লাই…?”
রুহি নীরবভাবে মাথা নাড়িয়ে ক্রিশকে আরও নিজের সাথে জড়িয়ে ধরল।
আয়ান পুষ্পোর চোঁখে মুখে কাঁপা কাঁপা হাতে পানি ছিটাতেই—
তার জ্ঞান ফিরে আসে।
কিন্তু চোখ খোলার সাথে সাথেই তাৱ
দূর্বল হাতদুটো দিয়ে আয়ানকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে।
পুষ্পোর কণ্ঠ ভেঙে যায়, শ্বাসকষ্টের মত কাঁদে—

— “আমি তো তাকে সবকিছু দিয়ে ভালোবেসেছিলাম, আয়ান ভাই…
তাহলে কেন সে আমার হলো না?
আমি কি এতটাই খারাপ?
এতটা অযোগ্য?”
পুষ্পো বাচ্চাদের মতো কাঁদতে থাকে—
তার চোঁখের পানি আয়ানের বুক ভিজিয়ে দেয়।
আয়ান দু’হাতে তার মাথা আগলে ধরে,
চোঁখ লুকিয়ে গভীর নিঃশ্বাস ফেলে—
কারণ তার নিজের বুকেও যে আগুন, পুষ্পো কে তা দেখাতে চাই না।
আয়ানের কণ্ঠ ভারী… ফিসফিস করে বলে—

mad for you part 42

“দূর পাগলি… জীবনের সব চাওয়া যদি পাওয়া হতো, তাহলে জীবন বৃথা।
কিছু অপূর্ণতার আফসোস আমাদের সারা জীবন বাঁচতে শেখায়।
দেখো, ক্রিশকে তোমাকে পাইনি, কিন্তু তোমার মনে সে আছে…
আর আমি হতভাগা—তোমাকে পেয়েছি, তবু তোমার মনে আমি নেই।
আল্লাহ সবকিছু একসাথে দেন না, পুষ্পো…
কিছু না কিছু খামতি থেকেই যায়।”

mad for you part 44