কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৪৪
লামিয়া রহমান মেঘলা
সেদিনের দিন পেরিয়ে ধরণীজুড়ে নেমে এলো গভীর রাত।
বাইরে তখনো মেঘের গর্জন থামেনি।
মাঝে মাঝে তীব্র বজ্রপাত আকাশ চিরে আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে, আর সেই আলো ক্ষণিকের জন্য অন্ধকার ঘরটাকে ভৌতিক নিস্তব্ধতায় ভরিয়ে তুলছে।
বৃষ্টির শব্দ জানালার কাঁচ বেয়ে নেমে আসা ফোঁটাগুলোর সাথে এক অদ্ভুত বিষণ্ন সুর তুলছিল।
প্রকৃতিও যেন আজ শোকাহত।
আকাশের বুকেও যেন জমে আছে অগণিত না বলা ব্যথা।
প্রতিটি মেঘের গর্জন যেন কারও ভাঙা হৃদয়ের আর্তনাদ হয়ে ধ্বনিত হচ্ছে চারপাশে।
সেরিন যখন চোখ খুলে তাকাল, তখন নিজের শরীরজুড়ে এক অসম্পূর্ণ, তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করল সে।
মনে হলো শরীরের প্রতিটি অঙ্গে ব্যথা জমাট বেঁধে আছে।
ধীরে ধীরে চোখ মেলে চারপাশে তাকাতেই নিজেকে সেই রুমটাতেই আবিষ্কার করল।
পূর্বের ঘটনাগুলো মনে পড়তেই দু চোখ বেয়ে অঝোরে জল গড়িয়ে পড়তে লাগল।
পাশের কাউচে বসে আছে কায়ান।
তার সামনে সিগারেটের একটি পুরো প্যাকেট শেষ হয়ে পড়ে আছে।
সাথে একটি ওয়াইনের বোতলও প্রায় খালি।
লোকটা নেশায় বুঁদ হয়ে আছে।
তবু সেই নেশার আড়ালেও তার ভেতরের অস্থিরতা স্পষ্ট।
সেরিন পাশ ফিরে কায়ানের সেই অবস্থা দেখে উঠে বসতে চাইল।
কিন্তু শরীরের যন্ত্রণা যেন তাকে বিছানার সাথেই আটকে রাখতে চাইছে।
তবুও কষ্ট করে বিছানা ছেড়ে উঠল সে।
কাঁপা পায়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল কায়ানের দিকে।
কায়ান মাথা নিচু করে বসে ছিল।
সেরিন গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরল।
কারও স্পর্শ অনুভব করে কায়ান মাথা তুলল।
সেরিনের শরীরের উষ্ণতা অনুভব করতেই সে হঠাৎ শক্ত করে তাকে জড়িয়ে ধরল।
তাতে সেরিন শরীরের যন্ত্রণায় কুঁকড়ে উঠল।
“আহ।”
কায়ান ফুঁপিয়ে উঠল।
সেরিন বুঝতে পারল, কায়ান কাঁদছে।
সেরিনের দু চোখ বেয়েও অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগল।
কায়ানের কণ্ঠ ভেঙে এলো।
“কেন এমন করলি তুই সেরিন। আমি তোকে এত ভালোবাসি। আমি তো মানতে পারছি না। আমার এত কষ্ট হচ্ছে, তোকে কিভাবে বুঝাব।”
সেরিন চুপচাপ সেভাবেই পড়ে রইল কায়ানের বুকে।
নিচু স্বরে বলল,
“আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমি বুঝতে পারিনি।”
কথাটা শুনেই কায়ান আবার সেরিনের চুলের মুঠি ধরে বসলো।
সেরিনের মুখটা নিজের মুখের কাছে এনে হিসহিসিয়ে বলল,
“কি বুঝতে পারিস নি তুই। সত্যি করে বল, তুই কি ওই ছেলের সাথে কোনো প্রকার সম্পর্কে ছিলি। সেরিন, আমার বুকের ভেতর ভীষণ যন্ত্রণা হচ্ছে জান। বল, আমি যা ভাবছি তা সব মিথ্যা। বল জান, বল।”
সেরিন কায়ানের বুকে হাত রেখে কাঁপা গলায় বলল,
“না, এটা সত্যি। কিছুদিন আগের কথা। ভার্সিটিতে নতুন নতুন আমি এবং ঐশী সব জায়গায় ঘুরে বেড়াতাম। এমনই একদিন চারুকলার পাশে ক্যাফেটেরিয়াতে যাই আমি এবং ঐশী।”
অতীত।
সেটা ছিল এক সূর্যময় দিন।
চারদিকে সোনালি আলো ছড়িয়ে ছিল।
রোদটা ছিল অপূর্ব কোমল, যেন আকাশ নিজ হাতে আলো ছড়িয়ে পৃথিবীকে সাজিয়ে তুলেছে।
সেরিন এবং ঐশী ভীষণ খুশি ছিল।
চারুকলার পাশের ক্যাফের কফিটা সেরিনের ভীষণ পছন্দ।
তাই সুযোগ পেলেই দুজন সেখানে চলে যেত।
সেদিনও সেখানে গিয়ে সেরিন এবং ঐশী দেখল, কিছু গ্যাং টাইপ ছেলে বসে আছে।
দৃশ্যটা দেখে সেরিন ঐশীকে বলল,
“আজকে তবে যাই চল ঐশী। আমার ইচ্ছে করছে না এখানে থাকতে।”
ঐশী সম্মতি জানিয়ে বলল,
“ঠিক বলেছিস। সব বখাটে লাগে।”
সেরিন এবং ঐশী বেরিয়ে আসতে নিতেই সেখানে উপস্থিত হলো জাকির।
সে বলে উঠল,
“আরে আপু, তোমরা কোথায় যাচ্ছো। কারোর জন্য বিরক্ত হলে তাদের বলবা চলে যেতে।”
সেরিন লোকটাকে দেখে দাঁড়িয়ে গেল।
সাথে ঐশীও।
দুজন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে রইল।
সেরিন বলল,
“আরে না না ভাইয়া, আপনারা সিনিয়র। আপনারা থাকুন, আমরা বাড়িতে যাব।”
জাকির হালকা হেসে বলল,
“না, সেটা বললে হয় না। সিনিয়র হোক বা জুনিয়র, মেয়েদের সম্মান সব থেকে আগে। এই তোরা কুত্তার মত ঘেউ ঘেউ করতে আসিস ভার্সিটিতে। মেয়েদের যে সম্মান করতে হয়, জানিস না?”
জাকিরের কথা শুনে উপস্থিত সবাই তার দিকে ফিরে তাকাল।
জাকিরকে দেখে তারা মাথা নুইয়ে সেরিন এবং ঐশীর কাছে ক্ষমা চাইল।
সেরিন এবং ঐশী বিস্মিত চোখে একে অপরের দিকে তাকিয়ে রইল।
জাকির সেখানে বসে ওদের সাথে কিছুক্ষণ গল্প করল।
এরপর দুজন সেখান থেকে চলে এলো।
তারপর থেকে জাকির সবসময় সেরিন এবং ঐশীর আশেপাশেই থাকত।
সেরিন অনেকবার এভয়েড করতে চাইলেও পারেনি।
একটা সময় এসে সেরিনকে জাকিরের সাথে বাইরে যেতেই হলো।
ধীরে ধীরে সেরিন নিজের ইচ্ছাতেই জাকিরের সাথে ক্যাফেতে যেতে শুরু করল।
বর্তমান।
কায়ান স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সেরিনের দিকে।
সেই দৃষ্টির ভার সইতে না পেরে সেরিন মাথা নুইয়ে নেয়।
কায়ানের চোখ জোড়া রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছে।
চোখের গভীরে জমে আছে অসহনীয় যন্ত্রণা, অভিমান আর অস্থিরতা।
কিছুক্ষণ সেরিনের দিকে নির্বাক তাকিয়ে থেকে কায়ান নিজের বুকে হাত রেখে ভাঙা কণ্ঠে বলল,
“আচ্ছা, আজ কি কি হয়েছে আমি সব ভুলে যাব। সব ভুলে যাব। আমি কিছু মনে রাখব না। আমি সব ভুলে যাব। তুই শুধু আমাকে বল, তুই আমাকে ভালোবাসিস। বাসিস না ভালো জান। তুই আমাকে ভালোবাসিস না। আমার কলিজা জ্বলে যাচ্ছে সেরিন। জ্বলে যাচ্ছে জান। শুধু একবার বল।”
সেরিন শব্দ করে কেঁদে উঠল।
কায়ানের এই ভেঙে পড়া অবস্থা সে সহ্য করতে পারছে না।
কায়ানও যেন নিজেকে আর সামলে রাখতে পারছে না।
সে বেসামাল হয়ে উঠেছে সম্পূর্ণ।
হঠাৎ সে সেরিনের ঘাড় শক্ত করে ধরে মুখটা সামান্য কাত করে নিল।
সেরিন অশ্রুসিক্ত নয়নে কায়ানের দিকে তাকিয়ে রইল।
চোখে ছিল ব্যথা, অপরাধবোধ আর গভীর অসহায়তা।
কায়ানের কণ্ঠ আরও করুণ হয়ে উঠল।
“সেরিন, একবার বল তুই আমাকে ভালোবাসিস। আমাকে আর জ্বালাস না। সত্যি বলছি, আমার বুকের এ যন্ত্রণা আমার সহ্য হচ্ছে না।”
সেরিন কাঁপা ঠোঁটে অবশেষে বলল,
“আমি শুধু আপনাকে ভালোবাসি।”
কথাটা শোনামাত্র কায়ান চোখ দুটো বন্ধ করে ফেলল।
মনে হলো বুকের ভেতরের ঝড়টা এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেছে।
সে ধীরে সেরিনের কপালে নিজের কপাল ঠেকিয়ে কিছুক্ষণ গভীর নিঃশ্বাস নিল।
যেন এই একটি বাক্যেই সে বেঁচে থাকার কারণ খুঁজে পেয়েছে।
এরপর কায়ান সেরিনকে শক্ত করে নিজের বুকে জড়িয়ে ধরল।
সেই আলিঙ্গনে ছিল ভয়, ভালোবাসা, অধিকার আর হারিয়ে ফেলার আতঙ্ক।
সেরিন কিছু বুঝে ওঠার আগেই কায়ান তাকে নিয়ে নিচে বসে পড়ল।
দু হাত সেরিনের দু পাশে রেখে ঝুঁকে এলো তার খুব কাছে।
দুজনের নিঃশ্বাস এক হয়ে যাচ্ছিল।
চোখের ভাষা তখন শব্দের চেয়েও স্পষ্ট।
কায়ান স্নেহমাখা ব্যাকুলতায় সেরিনের মুখ দু হাতে আগলে নিল।
সেরিনও আর কোনো বাধা দিল না।
বরং চোখ বুজে নীরবে নিজেকে সঁপে দিল সেই মুহূর্তের আবেগের কাছে।
শরীরে অসহনীয় যন্ত্রণা থাকা সত্ত্বেও সে কায়ানকে বাঁধা দেয়না৷
ধিরে ধিরে কায়ান সেরিনের শরীরে থাকা পাতলা ফিনফিনে জামাটাও খুলে ফেলে।
সেরিন চোখ বন্ধ করে নেয়।
ফ্লোরের ঠান্ডা এবং কায়ানে উষ্ণতা দুই মিলেছে এক বিন্দুতে।
কায়ান নিজের সার্টের অবশিষ্ট বোতাম গুলোও খুলে ফেলে। সার্ট খানা খুলে কোথায় ফেললো বোঝা গেলোনা।
কিন্তু এরপর তার হাত সেরিনের স্পর্শকাতর স্থানে ঘোরাফেরা করতে থাকে।
সেরিনের বুক ওঠা নামা করতে থাকে অনারবত। তার নিঃশ্বাস ভারি হয়ে এসেছে।
কায়ানের স্পর্শ বিদ্যুৎর ন্যায় বয়ে যাচ্ছে সেরিনের শরীর জুড়ে।
শরীরের যন্ত্রণা উপেক্ষা করে সেরিন কায়ানের স্পর্শে ঢুব দিয়েছে।
কায়ানের চোখেও তখন পানি। এই পানি তার বুকের তিব্র যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ।
সেরিনের চোখেও পানি।
দু’জন কাঁদছে তাদের ভালোবাসা এক, তাদের শরীর তাদের মন সবই এক কিন্তু তাও যেন কত দুরত্ব। এই দুরত্ব কবে মিটবে।
রাত ১০টা।
বিছানায় ক্লান্ত শরীর নিয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন সেরিন।
তার শরীরে শুধুই একটি চাদর জড়ানো।
ম্লান আলোয় ঢাকা ঘরটায় তার শান্ত মুখশ্রী যেন সব ঝড়ের পরের নিস্তব্ধতা।
কায়ানের নেশা কেটে গেছে।
কিন্তু তার মস্তিষ্ক যেন আর স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে না।
তার ভেতরে এখন কেবল একটাই অনুভূতি জেগে আছে।
জ্বলন্ত ক্রোধ।
অন্ধকার, হিমশীতল, ধ্বংসাত্মক ক্রোধ।
চোয়াল শক্ত হয়ে আছে কায়ানের।
চোখে ঘুম নেই, নেই কোনো কোমলতা।
সেই চোখে এখন কেবল জমাট বেঁধে আছে ভয়ংকর অন্ধকার।
মনে হচ্ছে, তার চারপাশের বাতাসও ভারী হয়ে উঠেছে।
যেন ঝড় নামার আগে প্রকৃতি যেমন নিস্তব্ধ হয়ে যায়, কায়ানের চারপাশেও তেমন এক অস্বস্তিকর নীরবতা।
ধীরে ধীরে সে টেবিলের উপর রাখা নিজের ফোনটা তুলে নিল।
আঙুলের শিরাগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে রাগের চাপে।
হিমেলকে কল করল সে।
“হ্যালো হিমেল।”
ওপাশ থেকে হিমেলের স্বাভাবিক কণ্ঠ ভেসে এলো।
“বল ভাই, কেমন আছিস?”
কায়ানের ঠোঁটে তিক্ত হাসি ফুটল।
সে নিচু, শীতল কণ্ঠে বলল,
“পরে বলব কেমন আছি। এমপির ছেলে জাকিরকে চিনিস?”
হিমেল সঙ্গে সঙ্গে বলল,
“হ্যাঁ চিনি। সালা মা**** একটা।”
কায়ান ধীর দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
কিন্তু সেই দীর্ঘশ্বাসেও ছিল না কোনো কোমলতা।
ছিল মৃত্যুর আগের ঠান্ডা হাওয়া।
সে বরফশীতল গলায় বলল,
“ওই ছেলেকে ধরে বেসমেন্টে নিয়ে আয়।”
কথাটা শুনে হিমেল সোজা হয়ে বসে পড়ল।
কায়ানের কণ্ঠ সে বহুবার শুনেছে।
কিন্তু এই কণ্ঠ আলাদা।
এ কণ্ঠে মানুষ নয়, শিকারি কথা বলে।
“কি বলছিস ভাই? কিন্তু ওকে ধরতে গেলে সহজ হবে না কাজটা।”
কায়ানের চোখে হিংস্র অন্ধকার নেমে এলো।
সে ধীরে ধীরে বলল,
“যা লাগে তাই কর। আমাকে ওর সকল ইনফরমেশন দে। ও কোথায় যায়, কি করে, কেন করে, সব জানতে হবে আমাকে।”
হিমেল এবার গম্ভীর হয়ে গেল।
সে বুঝে গেছে, বিষয়টা সাধারণ নয়।
“কিছু হয়েছে কি?”
কায়ান কয়েক সেকেন্ড চুপ রইল।
সেই নীরবতাও ভয়ংকর।
যেন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের আগের মুহূর্ত।
অবশেষে সে বলল,
“পরে বলছি। আগে এই কাজটা কর।”
কায়ানের শীতল কণ্ঠ শুনে হিমেল আর কোনো প্রশ্ন করল না।
সে জানে, কায়ান যখন এমন স্বরে কথা বলে, তখন তার সামনে দাঁড়ানো মানেই মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়া।
কল কেটে যায়।
ঘরের ভেতর আবার নেমে আসে ভারী নীরবতা।
কায়ান ধীরে মাথা ঘুরিয়ে ঘুমন্ত সেরিনের দিকে তাকাল।
মুহূর্তেই তার চোখের ভয়ংকর অন্ধকার আরও গভীর হয়ে উঠল।
জাকির।
নামটা মনে আসতেই তার মুঠি শক্ত হয়ে যায়।
হাতের শিরাগুলো ফুলে ওঠে।
তার মনের ভেতর একটাই কথা প্রতিধ্বনিত হতে থাকে।
যে সেরিনকে ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছে করেছে, সেই সাহস দেখিয়েছে,
যে তার সেরিনের জীবনে দাগ কেটেছে,
সে বেঁচে থাকবে না।
কায়ানের ভেতরের অন্ধকার আজ সম্পূর্ণ জেগে উঠেছে।
আর সেই অন্ধকার কাকে গ্রাস করবে, তা সময়ই বলে দেবে।
চট্রগ্রাম, সিকদার নিবাস।
সার্ভেন্ট কোয়াটার থেকে বেরিয়ে একটি ভালো রুমেই অবস্থান করছে উর্মি।
ঘরে এসে দরজা বন্ধ করে চারিদিকে দেখলো মেয়েটা যেন নিজের কোন গোপনীয়তা সে বাহিরে আনতে চলেছে।
যখন সে বুঝতে পারলো আশেপাশে কেউ নেই তখন মাথা থেকে নকল চুলটা আলগা করে ফেললো। সাথে সাথে তার মুখে থাকা নকল মুখোশটাও বেরিয়ে এলো।
এতটা চতুরতা এবং কঠিন মেকাপের প্রলেপ দেওয়া যে সামনে থেকেও কেউ বুঝতে পারবে না এটা যে অন্য কেউ।
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৪৩
আয়নার সামনে এসে উর্মি মেয়েটা দাঁড়ালে তার আসল রূপ বেরিয়ে আসে।
অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে মেয়েটা।
” সিকদার কায়ান মাহবুব। একে একে সব কেড়ে নেব আমি তোমার থেকে।
আমাকে রিজেক্ট করার শাস্তি ধিরে ধিরে পাবে তুমি। মেহেরীণ কথা দিলে কথা রাখতে জানে৷”
