Home চৌদ্দের চিঠি চৌদ্দের চিঠি পর্ব ৫৬

চৌদ্দের চিঠি পর্ব ৫৬

চৌদ্দের চিঠি পর্ব ৫৬
আরোবা চৌধুরী আরু

সকালের আলোটা আজ একটু দেরি করেই ঘরে ঢুকেছে। জানালার পর্দা আধখোলা, রোদের রেখাগুলো মেঝে পেরিয়ে বিছানার এক কোণে এসে থেমেছে। ঘরটা এখনো রাতের উষ্ণতায় ভরা।
সায়মান চোখ খুলল ধীরে। প্রথমে বুঝতেই পারল না সকাল নাকি এখনো ভোর। পাশ ফিরতেই বুকের ওপর ভারী কিছু একটা অনুভব করল। নিচে তাকিয়ে দেখল, নাফিসা।

নাফিসা গভীর ঘুমে। মুখটা ওর বুকের সাথে হেলানো, এক হাত সায়মানের বুক জড়িয়ে আছে শক্ত করে। কম্বলের ভেতরে শরীরটা আধা লুকানো। চোখের নিচে হালকা ক্লান্তির ছাপ, কিন্তু মুখে অদ্ভুত শান্তি, যেন এই মুহূর্তে দুনিয়ার সব থেকে শান্তির জায়গায় ঘুমিয়ে আছে।
সায়মান নিঃশব্দে তাকিয়ে রইল। এমন করে তাকিয়ে থাকলে ওর নিজের ভেতরেই একটা অদ্ভুত টান কাজ করে। এই মেয়েটা, তার পিচ্চি পুতুলটার থেকে নাকি আরেকটা ছোট প্রাণ আসবে।
ধীরে ধীরে হাত তুলল। খুব সাবধানে নাফিসার কপালের ওপর ছড়িয়ে থাকা চুলগুলো কানের পেছনে সরিয়ে দিল। যেন ঘুম না ভাঙে। কিন্তু নাফিসা একটু নড়ল। ঠোঁট কেঁপে উঠে একটা নরম শব্দ বের হলো,

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

“হুম…”
সায়মান হালকা হেসে ফেলল। গলা নামিয়ে বলল,
“এত আরাম করে ঘুমাচ্ছ… বউ স্বামীর বুকে ঘুমের ঘোরে কি সুন্দর নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছো। জেগে থাকলে লজ্জাই আমার দিকে তাকাতে চাও না ?”
নাফিসা চোখ না খুলেই ওর বুকের ভেতর মুখ গুঁজে দিল। নিজের শরীরটা আরো কাছে টেনে নিল। নিঃশ্বাসের উষ্ণতা বুকের ওপর লেগে থাকল।
কিছুক্ষণ পর নাফিসা ধীরে ধীরে চোখ খুলল। প্রথমে ঝাপসা। তারপর ফোকাস ঠিক হতেই চোখে পড়ল সায়মানের মুখ, এত কাছে যে একটা চুলও আলাদা করে গোনা যায়।
এক সেকেন্ড থমকে গেল। লজ্জা আর অদ্ভুত ভালো লাগা একসাথে গলায় আটকে গেল। চোখ নামিয়ে ফেলল।

“আপনি কখন উঠলেন?”
“এই তো একটু আগে।”
সায়মান শান্ত গলায় বলল।
“তোমার ঘুম ভাঙাতে চাইনি।”
নাফিসা উঠে বসতে চাইলো। কিন্তু ঠিক তখনই সায়মান হঠাৎ হাত বাড়িয়ে ওর কোমর জড়িয়ে ধরে এক ঝটকায় টেনে নিল নিজের দিকে। নাফিসার শরীরটা আবার ওর বুকে এসে লাগল।

“এই…”
নাফিসা অবাক হয়ে তাকাল।
“এভাবে উঠে যাওয়ার পারমিশন দিয়েছি?”
সায়মান গম্ভীর ভঙ্গিতে বলল, কিন্তু চোখে দুষ্টু হাসি।
নাফিসা মুখ নামিয়ে বলল,
“সকাল হয়ে গেছে…”
“সকাল হলে কী?”
সায়মান আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল।
“আমার বউয়ের সাথে সকালটা শুরু করবো না?”
নাফিসা আর কিছু বলল না। মাথা হেলিয়ে দিল হালাল পুরুষের কাঁধে। দু’জনের নিঃশ্বাস একসাথে ওঠানামা করতে লাগল।

ঠিক তখন,
ঠক ঠক ঠক!
দরজায় কড়া নক।
এই শব্দে দু’জনেই একসাথে চমকে উঠল। নাফিসা তাড়াতাড়ি নিজেকে ছাড়িয়ে নিল। সায়মান মুখ শক্ত করল।
“কে?”
গলা বিরক্ত।
“স্যার, আমি রাজিব।”
বাইরে থেকে ভেসে এল।
“দরজাটা খুলবেন? জরুরি।”
সায়মান চোখ বন্ধ করে এক সেকেন্ড দাঁড়াল। বিরক্তিটা সামলে নিচ্ছে।
“সকাল সকাল কী এমন জরুরি?”
নাফিসা ফিসফিস করে বলল,

“খুলে দিন…”
সায়মান দরজা খুলল। রাজিব দাঁড়িয়ে, মুখটা আজ অস্বাভাবিক রকম গম্ভীর।
“কি হয়েছে?”
সায়মান প্রশ্ন করল।
রাজিব একটু এগিয়ে এসে বলল,
“স্যার, টিভিটা অন করেন। জরুরি খবর আছে।”
সায়মান কিছু না বলে ভেতরে ঢুকে টিভির সামনে গেল। রিমোট টিপতেই স্ক্রিন জুড়ে ভেসে উঠল বড় লাল লেখা,
ব্রেকিং নিউজ! ক্ষমতার জোরে সব সম্ভব আবার প্রমাণ হলো!
নাফিসা কতক্ষণে ওয়াশরুমে চলে গেছে।
নিউজ রিডারের গলা ঘরে ছড়িয়ে পড়ল,

“প্রভাবশালী মন্ত্রী মাহবুব রশিদের বড় ছেলে, যিনি নিজেই একজন পুলিশ কর্মকর্তা, গোপনে বিয়ে করেছেন মাত্র ১৪ বছরের এক কিশোরীকে!”
“গোপন সূত্র বলছে, বয়স জালিয়াতি, কাগজপত্রে কারসাজি, সবই হয়েছে ক্ষমতার ছায়ায়। চার বছর ধরে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।”
“প্রশ্ন একটাই,
আইন কি সবার জন্য সমান?
নাকি ক্ষমতাবানদের জন্য আলাদা নিয়ম?
শাস্তি হবে?
নাকি আবারও চাপা পড়ে যাবে সত্য?”
সায়মান একেবারে নির্লিপ্ত। চোখে কোনো উত্তেজনা নেই। নিউজ শেষ। টিভি বন্ধ করে দিল তারপর রিমোটটা এক টান দিয়ে বেডের ওপর ফেলল।
ঘরে ভারী নীরবতা। সায়মান বিরক্ত গলায় বলল,
“সবাই শুধু আমার বউ নিয়ে টানাটানি করে।”
তারপর রাজিবের দিকে তাকিয়ে বলল,

“নিচে যাও। আমরা কিছুক্ষণ পর বের হব। আমার ফ্ল্যাটের সব ঠিক হয়ে গেছে। ওখানেই উঠবো।”
রাজিব মাথা নেড়ে বেরিয়ে গেল।
নাফিসা ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে সায়মানের শেষের কথা শুনে সামনে এগিয়ে আসতে আসতে বলল,
“আমরা কোথায় যাব? বাড়িতে না গিয়ে?”
সায়মান কোনো উত্তর দিল না। হঠাৎ এক ঝটকায় নাফিসার কোমর ধরে নিজের সাথে জড়িয়ে নিল। নাফিসা চমকে উঠে বুকের ওপর হাত রাখল। সায়মান ঝুকে হঠাৎ করে নাফিসার ঠোঁটে দীর্ঘ চুমু দিল। গভীর। সময় নিয়ে। চুমু ভেঙে কানের কাছে ফিসফিস করে বলল,

“আমাদের তিনজনের ছোট্ট সংসার করবো।”
নাফিসার চোখ ভিজে উঠল। হাসতে চাইল, কিন্তু বুকের ভেতর ভারী হয়ে গেল। মামুনির মুখ, বাড়ির মানুষগুলোর কথা মনে পড়ল। চুপচাপ মাথা নামিয়ে নিল। ও বাড়িতে কিভাবে ফিরে যায় ও বাড়ির মানুষগুলোতো তাকে ভুল বুঝেছে মামনি তোর মুখ দেখতে চাই না। ভিতর থেকে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসলো নাফিসার।
কিছুক্ষণ পর দু’জনেই রেডি হয়ে নিচে নামল।
ড্রইংরুমে ঢুকেই নাফিসা থমকে গেল। রাশিদ বাড়ির সবাই সেখানে। হঠাৎ আফিয়া বেগম দৌড়ে এসে নাফিসার হাত ধরে নিজের কপালে ঠেকিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ল,

“মা… আমাকে মাফ করে দে… তোর মামনিকে মাফ করে দে মা…”
নাফিসা দাঁড়িয়ে রইল। চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। গলা দিয়ে কোনো শব্দ বের হচ্ছে না। আফিয়া বেগমের কান্নাভেজা কণ্ঠে ঘরটা আরও ভারী হয়ে উঠল। নাফিসার হাত দুটো শক্ত করে ধরে কপালে ঠেকিয়ে রেখেছেন তিনি, মনে হচ্ছে ছেড়ে দিলে আবার হারিয়ে যাবে।
নাফিসা হঠাৎ নিজেকে সামলে নিল। ধীরে ধীরে হাত তুলে আফিয়া বেগমকে জড়িয়ে ধরল। জমে থাকা অভিমান, ভয়, ভুল বোঝাবুঝি, সব একসাথে বুক ফেটে বেরিয়ে আসতে চাইছে। কিন্তু গলা শক্ত করে বলল,
“মামনি…তুমি মাফ চাইছো কেন?”

আফিয়া বেগমের কাঁধে মুখ লুকিয়ে বলল,
“তোমার কোনো দোষ নেই। দোষটা আমার। আমি সব লুকিয়ে গেছি… কাউকে কিছু বলিনি।”
এই কথায় আফিয়া বেগম আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না। নাফিসার মুখটা দুই হাতে তুলে ধরে একের পর এক চুমু খেলেন, কপালে, গালে, চোখের কোণে। আদর দিয়ে সব কষ্ট মুছিয়ে দিতে চাচ্ছে।
“পাগলি মেয়ে…”
কাঁপা গলায় বললেন,
“আমার মেয়েরা এমন ভুল করে না। এটা আমি বুঝলাম না কেন। এতটা নিষ্ঠুর হলাম কি করে, তোকে নিজের হাতে করে এতদিন ধরে মানুষ করে তোকে ভুল বুঝলাম কিভাবে।”
তিনি একটু থেমে চারদিকে তাকালেন। চোখে তখন কান্নার ভেজা
তবু প্রিয় বেগম মুচকি হেসে,
“এই ঘরে আমাদের পরিবারের, আমাদের বংশের বংশধর আসতে চলেছে।তোর পেটে মা। আমার নাতি নাতনি দেখার স্বপ্ন তুমি পূরণ করেছিস। ”
তারপর মনটা আবার খারাপ করে বলল,
“তোকে এই অবস্থায় আমি বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। কতটা নৃশংস ব্যবহার করেছি মাফ করে দিস মা আমাকে।

নাফিসা চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পরল কান্না ভেজা গলায় বলল,
“মামনি তুমি চুপ করো তোমার কোন দোষ নেই ”
আফিয়া বেগম নিজের হাতের দিক থেকে ধীরে ধীরে একজোড়া সোনার বালা খুলে নিলেন। বহু বছরের পুরোনো, ভারী কাজ করা বালা। নাফিসার হাতে পরিয়ে দিতে দিতে বললেন,
“এইটা আমার মা আমাকে দিয়েছিল। আজ তোর। আমার নাতির, নাতনির আমানত হিসেবে রাখিস।”
নাফিসা আর নিজেকে সামলাতে পারল না। ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল। সায়মান দূরে দাঁড়িয়ে চুপচাপ সব দেখছে ।
ঠিক তখনই সামনে এগিয়ে এলেন জারিন, রিশা, ইমা বেগম, বিলকিস আরা রাশিদ আর রুহি চট্টগ্রাম থেকে রাতেই ছুটে এসেছে সব কিছু শুনে নিজের পরিবারের করা কাজে রাগ আর আফসোস লাগছে।
রুহি সোজা নাফিসার সামনে এসে দাঁড়াল। চোখ লাল, কণ্ঠ শক্ত।

“আমরা মাফ চাইতে এসেছি।”
বলল,
“ এত বড় একটা খুশির খবর,দিলি আমাদের, আর আমরা নিজেরাই তোর পাশে দাঁড়াতে পারিনি।”
রিশা এগিয়ে এসে নাফিসার হাত ধরল।
“ভুলটা আমাদের। পরিবার হয়েও আমরা আগে প্রশ্ন করেছি, বিশ্বাস করিনি। “নাফিসাকে টেনে ধরে নিজের সাথে জড়িয়ে নিল।
ইমা বেগম ভারী গলায় বললেন,
“মা, আমাদের ক্ষমা করে দে। আজ বুঝছি, তুই কত একা ছিলি।”
বিলকিস আরা রাশিদ চুপচাপ মাথা নোয়ালেন। রুহির চোখ ভিজে উঠল।
“আর কখনো তোর পাশে না দাঁড়ালে আমাদের ক্ষমা করিস না।”
ঠিক সেই সময়,

রুমের দরজা খুলে যাওয়ার শব্দ। সবাই ঘুরে তাকানোর আগেই বেরিয়ে এল সায়ফান।
পরনে শুধু একটা থ্রি-কোয়ার্টার। গায়ে কোনো শার্ট নেই। ঘুম থেকে উঠেই এসেছে বোঝা যায়, চুল এলোমেলো, চোখে হালকা লালচে ভাব, কিন্তু গায়ের রঙ গোলাপি হয়ে আছে।
চারদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতি বুঝে ভুরু কুঁচকে নাটকীয় ভঙ্গিতে বলল,
“ওরে ব্বাচ!”
হাত তুলে উঁচু করে বলতে গেল ঠিক সেই সময় প্যান্টটা আরো নিচে নেমে গেল আরেকটু হলেই বিপদ সীমার নিচে নেমে যাবে,

“এই যে দেখি… ফুল ইমোশনাল সিচুয়েশন চলছে!”
একটু থেমে নিজেকে দেখিয়ে আবার বললো,
“আর আমি ঢুকলাম একদম শেষে ?”
চোখ ছোট ছোট করে ওর দিকে সবাই তাকালো , প্রথমে ওর এই অবস্থা দেখে দু’একজনের মুখে হালকা হাসি চলে এল। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই কেউ আর পাত্তা দিল না। সবাই আবার নিজেদের কথায় ব্যস্ত হয়ে পড়ল।
সাইফান নিজেই বিরক্ত হয়ে ফিসফিস করল,
“ আমার কোনো ভ্যালু নেই, কারো কাছে !”
ঠিক তখনই হঠাৎ ওর চোখ আটকে গেল জারিনের দিকে।
জারিন দাঁড়িয়ে আছে একদম চুপচাপ। কিন্তু চোখ আগুন। সাইফানের দিকে এমন দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, যেন এই মুহূর্তে হত্যা বৈধ হলে সমস্যা হতো না।

সাবাই নাফিসাকে নিয়ে ব্যস্ত আছে। মেহেরাব আর মেহরিন এক সাইডে দাঁড়িয়ে আছে সবাইকে দেখছে।
সাইফান জারিনের দৃষ্টি টের পেয়েই কেঁপে উঠল। তাড়াতাড়ি নিজের থ্রি-কোয়ার্টারটা একটু ওপরে টেনে নিল। তারপর দাঁত বের করে একটা কৃত্রিম হাসি দিয়ে জারিনের দিকে তাকাল।
জারিন এক পা এগোতেই সাইফান দুই হাত প্যান্টের ওপর চেপে ধরে বলল,
“এই এই! চশমা তোমার চার চোখটা একটু কন্ট্রোলে রাখো!”
তারপর সাহস করে জারিনের দিকে একদম কাছে এগিয়ে গিয়ে ওর কানের কাছে ফিসফিস করে বলল,
“বেবি… এটা তো তোমারই সম্পদ।”
একটু থেমে দুষ্টু গলায় আবার বলল,

“এভাবে লুকিয়ে তাকাচ্ছ কেন? বিয়ে করো, কাছ থেকে দেখাবো। আরো কাছ থেকে ইভেন তুমি চাইলে তোমার দিয়েই খুলিয়ে নিবো প্যান্ট ।”
এই কথা শেষ হতেই,
“এই হারামজাদা!”
জারিন রেগে আগুন হয়ে দাঁতের দাঁত চেপে বলল।
সায়ফান অসহায় মুখ করে বলল,
“বেবি রেগে যাচ্ছ কেন! আর এমনে গালিই বা দিচ্ছো কেন তোমার শ্বশুর বাড়ির সবাই আছে শুনে ফেলবে তো?”
জারিন চোখ গরম করে আবার তাকাতেই,সায়ফান কোন কিছু একটা ভেবে আবার বলল,
“ওহ!বুঝেছি, আমার প্যান্ট তোমার দিয়ে খুলিয়ে নিবো তোমার টা আমি দিবো না ভাবছো। আরে দিবো তো কলিজা রাগো কেন চশমা পরা জানপাখি আমার। ”

জারিন এবার সায়ফানের বাকি কথা বলতে না দিয়ে পিঠের উপরে দুইটা কিল মেরে দিল,
সায়ফান পিঠে হাত দিয়ে চোখমুখ খিচিয়ে ব্যথার যুক্ত আওয়াজ করলো।
“শালি চশমা রোমান্টিক কথা বলতে গেলে মারে খালি! চশমা শালি তোকে অভিশাপ দিলাম,
তোর বর তোর সাথে ডার্ক রোমাঞ্চ করে তো হাল খারাপ করবে। ”

চৌদ্দের চিঠি পর্ব ৫৫

বাকি কথা শেষ হওয়ার আগেই, জারিন এদিক ওদিক কিছু খুঁজতে লাগলো,
সেটা দেখে সাইফান পিঠে হাত দিয়ে জোরে দৌড় দিল।
“আরে মা! মারধর কেন!”
বলতে বলতে সোজা করিডোর পেরিয়ে উধাও।

চৌদ্দের চিঠি পর্ব ৫৭+৫৮+৫৯

1 COMMENT

  1. পরের পাঠ গুলো তাড়াতাড়ি দিবেন প্লিজ, না হলে কিন্তু সুইসাইড খামু। আপনি নিশ্চয় চান না আমাদের মতো পাঠিকারা সুইসাইড খেয়ে মারা যাক।

Comments are closed.