সে খলনায়ক পর্ব ৩৪
ফারহানা সানিয়াত
দোতলার নিরিবিলি করিডোর। প্রানপ্রিয়ার শরীরের মৃদু কম্পন ভেতরের ভারী ভাবের সাথে মুখে অস্বস্তি ফুটে উঠেছে । সে ঘনঘন নিশ্বাস নিয়ে মাথা নত করে পাশের দেয়ালে হাত ঠেকিয়ে দাঁড়ায়।
পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিটি কে হতে পারে তার বুঝতে বাকি নেই কিন্তু সে কেনো আবার ।
চোখ বন্ধ করে নিঃশব্দে ঠোঁট আওড়ায় প্রানপ্রিয়া। আবারো কি জঘন্যভাবে অপমান!
পিছনে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে পকেটে এক হাত গুজে অন্য হাতে মোবাইল ধরে দাঁড়িয়ে আছে দামিয়ান।তার মুখে ভাব প্রতিক্রিয়া এমন যেন সে এখানে প্রানপ্রিয়ার সাথে কথা বলতে এসেছে এবং আগে থেকে জানতো মেয়েটি এই বাড়িতে। অবশ্য এটা কি এখন স্বাভাবিক নয় প্রানপ্রিয়া কোথায় কোন জায়গায় আসা-যাওয়া করছে সব দামিয়ান আবরারের কান পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।
দামিয়ান ঠোঁট বাঁকিয়ে হেসে সামনে ঘুরে দাড়িয়ে থাকা প্রানপ্রিয়ার পা থেকে মাথা অব্দি খুঁটি দেখার সাথে আবারো ভারী কন্ঠে ডেকে ওঠে,
__ মিস প্রানপ্রিয়া!
প্রাণপ্রিয়া ঠোঁট কামড়ে ধরে তবে মনে মনে নিজেকে আবারো শক্ত থাকতে বলে।তার অল্পতেই ভেঙ্গে গেলে চলবে না। কারন তারা ছোট করে অপমান করবেই কষ্ট দিয়ে বিনোদন পাওয়ার জন্য কিন্তু সে এমন কেউ হবে না তাদের।
দামিয়ান ঠোঁটে কোণে হাসি নিয়ে প্রানপ্রিয়ার দিকে ধীর পায়ে এগোয়,আজ মেয়েটার পিছন দিক থেকে অন্য রকম লাগছে।
প্রানপ্রিয়া চোখ খুলে পিছনের ব্যক্তির হেঁটে আসার শব্দ শুনে বড় নিশ্বাস ফেলে তবে দেয়ালে ঠেকানো হাত আর শরীরের মৃদু কম্পন থামেনি।
__ আমাকে মাফ করবেন আমার তাড়া আছে। সামনে ঘুরে দাড়িয়ে থাকা অবস্থায় প্রানপ্রিয়া বলে ওঠে,
দামিয়ান এগিয়ে আসতে আসতে খানিকটা শব্দ করে হেসে তার বরাবর দাঁড়ায়।প্রানপ্রিয়া শুকনো ঢোক গিলে।
__ কতটা হাস্যকর,, তুমি আমার থেকে বাহানা দিয়ে পালাতে চাইছো, কারন কি আমার বলা কথা সত্যি হয়েছে?
প্রানপ্রিয়া দৃষ্টি নত করে দাঁড়িয়ে দাঁতে দাঁত চেপে কথা টা সহ্য করে নেয়, এর প্রত্যুত্তর হিসেবে কিছুই দেয় না। কারন এই পাগল লোকের সাথে কথা বলা মানে তাকে আরো অপমান করার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া।
___ আশা করি আপনার সাথে আমার আবার দেখা হবে আজ সময়ের কমতি এর জন্য বিদায়।
প্রানপ্রিয়া লোকটার আর কোনো কথা না শুনে শুধু তার সামনে থেকে যেতে চায় সেটা তাকে না চাইতেও সম্মান করে হোক।
দামিয়ান ঠোঁটে হাসি নিয়ে ধরে রাখা ফোন তার দিকে দৃষ্টি স্থির রেখে পকেটে রাখে।
প্রানপ্রিয়া দৃষ্টি নত অবস্থায় চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়াতেই আচমকা দামিয়ান তার বাহু ধরে আটকে ধরে।
__ , আশ্রমের গরীব মেয়ের প্রতি ডাক্তারের ছেলে করুনা কি সময় মত শেষ হয় গেল।তার উপহাস মিশ্রিত কন্ঠ
প্রানপ্রিয়া ঘাবড়ে যায়। তার মৃদু শরীরের কম্পন আরো বেড়ে উঠে ।সে তার ছোট কাঁধ ঝাকুনি দিয়ে বাহু ছাড়িয়ে নিতে চায়,
দামিয়ান হাসে, চোখ বুলিয়ে প্রানপ্রিয়ার নিখুঁত
শরীরের শাড়ি পড়া কাছ থেকে দেখে বুঝতে পারে তাকে কেনো আজ অন্য রকম লাগছে।
__ ছ,,ছাড়ুন আমাকে, কম্পিত কণ্ঠ প্রানপ্রিয়ার।
দামিয়ান তার শরীর থেকে দৃষ্টি সরিয়ে তার চোখে চোখ রাখার চেষ্টা করে,
__ তোমার প্রেমিক ধোঁকা দিয়ে চলে যাচ্ছে একজন এতিম মেয়ের অহংকার কি তাহলে এখানেই শেষ ?
দামিয়ান তাকে ইচ্ছা করে খোঁচা দিচ্ছে যেখানে ইভানের যাওয়ার পিছে তার হাত আছে সম্পূর্ণ ভাবে।
__ সে প্রেমিক না আমার, প্রানপ্রিয়া বাহু ছাড়ানোর চেষ্টা করা থামিয়ে বলে ওঠে, কেনো আপনি এইগুলো বলছেন।
প্রানপ্রিয়া চোখ তুলে তাকাতেই দুজনের চোখাচোখি
হয়।
__ তোমার সেদিনের অহংকার আবারো মাটিতে মিশে যাচ্ছে দেখে আমার ভালো লাগছে,
__ সেটা অহংকার না আত্মসম্মানবোধ , প্রাণপ্রিয়া হাত মুষ্টিবদ্ধ করে বলে ওঠে।
__ তাহলে তাই , তোমার আত্মসম্মানবোধ হোক আর অহংকার কোনটাই আমার পছন্দ না।
প্রাণপ্রিয়ার স্তব্ধ দৃষ্টি ছলছল করে উঠে, সে কত বড় নিষ্ঠুর আর নির্দয় ব্যক্তি।
__ আপনার কাছে কি আমাকে মানুষ মনে হয় না?
__ তোমার কি মনে হয়? তার ঠোঁটের কোণে হাসি কন্ঠ মৃদু এবং শান্ত।
প্রানপ্রিয়া ঠোঁট কামড়ে ধরে নিষ্ঠুর লোক তাকে অপমান করে কাঁদাতে চাইছে তৃপ্তি পাওয়ার জন্য কিন্তু সে আজ কাঁদবেনা।
__ ঠিক আছে অবশ্যই আপনি আমার এখনকার অবস্থা দেখে বিনোদন পেয়েছেন। আপনার পছন্দ হয়েছে যা আপনি পেতে চান এখন আমাকে যেতে দিন।
কথাগুলো প্রাণপ্রিয়ার দাঁতে দাঁত চেপে বলে আবারো বাহু ছাড়ানোর চেষ্টা শুরু করে।
__ তুমি কবে থেকে আমার বিনোদন নেওয়া আর পছন্দের আগ্রহ নিলে। দামিয়ান তার দিকে ঠাট্টার স্বরে বলে ওঠে আজকাল কি আমার বিনোদনে তুমিও উপভোগ করা শুরু করলে নাকি ,
__ একদমই না,
প্রানপ্রিয়া আবারো থেমে যায় তবে চোখে মুখে ক্রোধ স্পষ্ট।
__ আমার মস্তিষ্ক আপনার মত বিকৃত না।
দামিয়ান চোখ সরু করে মৃদু শব্দে হেসে ওঠে,
__ তাহলে ভালো,
প্রানপ্রিয়া তার দিকে তাকায়,
__ ছেড়ে দিন আমাকে,
দামিয়ান হাসি ঘাঢ় করে তার মুখে দিকে হালকা ঝুঁকে
__ আগে তোমার ভেতর থেকে সাহস টেনে বের করি কথাটা বলেই হুট করে দামিয়ান প্রাণপ্রিয়ার কিছু বুঝার আগে তাকে ঘুরিয়ে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে।
প্রানপ্রিয়ার মস্তিষ্ক শূন্য হয়ে যায়। কি হলো তার সাথে বুঝতে খানিকক্ষণ সময় লাগে কিন্তু যখন বুঝতে পারে দামিয়ান তাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরেছে তৎক্ষণাৎ শূন্য মস্তিষ্কে চাড়া দিয়ে ওঠে জঙ্গলে তার সাথে কি করেছিল এই লোক।
__ বাজে লোক ছাড়ুন আমাকে, চেঁচিয়ে উঠে প্রানপ্রিয়া। কিন্তু দোতালার একদম শেষ প্রান্ত থাকার কারণে চেঁচানো কন্ঠ কারো কান পৌঁছায় না।
দামিয়ান ঘাড় কাত করে তার উন্মুক্ত গলায় দিকে ঝুঁকে ফিসফিস কন্ঠে বলে,
__ আমি বলেছিলাম তোমার ভয় আমার পছন্দ তাহলে কেনো সাহস দেখাও।
তার শরীরের সুভাস দামিয়ানের নাকে বাঁধছে।
প্রাণপ্রিয়া পুরো শরীর কেঁপে ওঠে তার ঘনঘন নিশ্বাস নেওয়ার ফলে বুকে ওঠা নামা দামিয়ানের দৃষ্টি এড়ায় না।
__ আপনি এমন কেউ না যে আপনার পছন্দমত আমার করতে হবে, তার কম্পিত কণ্ঠ এলোমেলো দৃষ্টি। ছেড়ে দিন দয়া করে নাহলে আমি চেঁচাবো।
দামিয়ান তার গলার দিকে ঝুঁকে থাকা অবস্থা হেসে বলে,
__ ট্রাস্ট মি প্রাণপ্রিয়া আমি অধীর অপেক্ষায় আছি, তোমার চেঁচানো শব্দ শোনার জন্য।
প্রানপ্রিয়া দাঁত চেপে মনে মনে কিছু গালি দিয়ে উঠে, বাজে পাগল অশ্লীল লোক,
__ আর কি বললে? আমি এমন কেউ না? দামিয়ান মুখ তুলে তার দিকে তাকায়।
প্রানপ্রিয়া হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করে,
__ হ্যাঁ কেউ না, আপনার কোনো অধিকার নেই আমার সাথে এমন করার অবশ্যই আপনি আমার মালিক নন।
__ এটা সত্যি?
দামিয়ানে দৃষ্টি তীক্ষ্ণ হয়ে ওঠে তার মুখ থেকে হাসি গায়েব হয়ে যায় ধীরে ধীরে । প্রানপ্রিয়ার এবার ভেতরে ভয় ঢুকে সে তার কাছে বন্দী থাকা অবস্থায় অনেক কথা বলে ফেলছে।
__ তাহলে আমার উচিত তোমার মালিক হওয়া যাতে তুমি না চাইতেও আমার পছন্দের সব করো।
দামিয়ান তার এক হাত দিয়ে তার নরম গাল আর ঠোঁট স্পর্শ করে । প্রানপ্রিয়া দ্রুত মুখ ঘুরিয়ে নেয় ।
__ আমি ঘৃণা করি আপনার স্পর্শ। আপনার বাগদত্তা থাকতে কিভাবে অন্য মেয়েকে আপনি এভাবে স্পর্শ করতে পারেন ।
দামিয়ান তার চোয়াল শক্ত করে ধরে নিজের দিকে ঘুরিয়ে তার ঠোঁটের একদম কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বলে,
__ থাকা সত্ত্বেও অন্য কাউকে বাসনা করা আমার কাছে ভুল না।
দামিয়ান একদম কাছে আসার কারনে প্রানপ্রিয়া চোখ খিচে বন্ধ করে ফেলেছে,
দামিয়ান তার একদম কাছ থেকে পুরো মুখে চোখ বুলায়,
আর আমার কাছে যেটা ভুল না, কারো ঘৃণা হলেও আমার কিছু যায় আসবে না ।
কথাটা বলে দামিয়ান প্রানপ্রিয়াকে ছেড়ে দেয়। অনেকটা এমন যে একটি শিশু তার খেলনা দেখে বিরক্ত হয়ে তা ফেলে দিল।
প্রানপ্রিয়া মুক্তি পেয়ে দ্রুত সরে দাঁড়ায় সে রীতিমতো কাঁপছে।
দামিয়ান পকেটে হাত গুঁজে মুখে কিছুটা উপহাস হাসি নিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে অতঃপর পাশ কেটে চলে যায়।
তার চলে যাওয়ার পর প্রানপ্রিয়া অনেকক্ষণ একাই সেখানে দাঁড়িয়ে থাকে। ওই লোকের জন্য তার মস্তিষ্কে চাপ পড়ছে ।সে এতোটুকু বুঝতে পারছে তার জীবনে কাল হিসেবে দামিয়ান আবরার ই যথেষ্ট ।
পরদিন, দিনটা শুক্রবার সবার ছুটি দিন তাই প্রানপ্রিয়া সকাল সকাল পেন্টিং শেষ করার জন্য আবরার ম্যানশনে চলে এসেছে । তার স্কুল নেই কাজ ফেলে রাখার মতও সে না আর এই বাড়িতে যত দ্রুত কাজ শেষ করবে তার ই ভালো। সে চায় না ওই লোকটার সাথে আবার দেখা হোক বা আর কখনোই,
প্রানপ্রিয়া দেয়ালে পেন্টিং করতে করতে একা একা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
তার থেকে কিছু দূরে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আছে সারা। তার দৃষ্টি বাহিরে গার্ডেনে বেতের সোফায় বসা দামিয়ানের দিকে । যে গম্ভীর মুখে হুমায়ুনের সাথে কথা বলছে। সারা তার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে। দামিয়ান আবরার এমন একজন পুরুষ তাকে যেকোনো মেয়ে পেতে চাইবে। তার ব্যক্তিত্বটাই যে এমন কিন্তু তার কাছে কেনো সে এমন পুরুষ যাকে তার শুধু পেতে হবে যার প্রতি তার কোনো অনুভূতি নেই।
সারা ভ্র যুগোল কুঁচকে যায়। মনে পড়ে কিছুদিন আগে সে দামিয়ানের কাছে গিয়েছিল। অবশ্য সে নিজে থেকে যায় নি তার মম তাকে পাঠিয়েছিল। সে তার ফিয়ান্সে এখন মেলামেশা হওয়া ভুলের কিছু না। তার ও এতে সমস্যা ছিল না এখন বা পরে এক সময় তাদের মধ্যে তো অনেক কিছুই হবে ।কিন্তু সেদিন দামিয়ান মুখের ওপর তার থেকে না চাওয়ার বিষয়টা সে অবাক হলেও স্বাভাবিকভাবে নিয়েছিল।
কি অদ্ভুত সম্পর্ক, আচ্ছা এমন কি হবে দামিয়ান অন্য মেয়ের সাথে থেকে আসলো তার কিছু হবে না।
সারা নিজ ভাবনায় দ্রুত মাথা ঝাঁকায় কি সব ভাবছে। সে অবশ্যই তার বরাবর কাউকে থাকতে দেবে না তার আর দামিয়ানের সম্পর্ক যেমনই হোক।
গার্ডেনে হুমায়ুন দামিয়ানের সাথে কথা বলা শেষ করে উঠে চলে যান।
দামিয়ান তার বাবা চলে যাওয়ার পর সোফায় হেলান দিয়ে বসে হাতের ফোনে দৃষ্টি রাখে। পাশে এতক্ষণ আহানাফ ও ছিল সে কপালে ভাঁজ ফেলে জিজ্ঞেস করে,,
__ ইভানকে এত দ্রুত রাশিয়া পাঠানোর কি আছে ? তোমার সেখানে কি কোন সমস্যা হচ্ছে?
__ না,, তার ব্যস্ত কন্ঠ।
আহনাফের জিজ্ঞাসু দৃষ্টি, তাহলে?
দামিয়ান ফোন থেকে চোখ সরিয়ে তার ভাইয়ের দিকে তাকায় এরপর দোতলার সারার ঘরের দিকে,
___ আমার মনে হয়েছে তাকে পাঠানো প্রয়োজন, তার ভাবলেশহীন জবাব।
আহনাফ নাক মুখ কুঁচকে নেয়, এটা কি সত্যি?
প্রানপ্রিয়া খুব মনোযোগ দিয়ে তার পেন্টিং দ্রুততার সাথে শেষ করে। সেই সকালে এসেছিল শেষ করতে করতে দুপুর দুইটা কোমর পিঠ কালকের মত আজ ও লেগে গেছে। সারা বুকে হাত গুজে নিজের মনের মত পেন্টিং হওয়া দেখে প্রানপ্রিয়ার প্রশংসা করা শুরু করে। কথায় কথায় সে যতই অপমান করুক না কেনো মাঝে মাঝে মুখ দিয়ে প্রশংসাও বের হয় তার।
প্রাণপ্রিয়া ধন্যবাদ জানায় তার আর্ট করার সব সরঞ্জাম পরিষ্কার করে ধুয়ে গুছিয়ে সারার থেকে যাওয়ার অনুমতি চায়।
সে খলনায়ক পর্ব ৩৩
সারা হাসিমুখে তাকে অনুমতি দেয়।
প্রাণপ্রিয়া তার সবকিছু নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যায় তবে আজ সাবধানে চারপাশে চোখ বুলিয়ে।
তবে যার চোখ ফাঁকি দিয়ে আবরার ম্যানশন থেকে বের হতে চাইছে আসলেই কি তার নজরে পড়বে না সে !!
দামিয়ান তার বেডরুমে জানালায় কাছে দাঁড়িয়ে দুই ঠোঁটের মাঝে সিগারেট চেপে ধরে।
প্রানপ্রিয়া ম্যানশনের সদর দরজা দিয়ে বের হয় জঙ্গলের পথে এক ছুটে আশ্রমের উদ্দেশ্যে।
দায়িয়ান তীব্র দৃষ্টিতে তার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে বাতাসে নিকোটিনের দোয়া ছেড়ে দেয়।
হালকা গোলাপি রঙের জামা পড়া মেয়েটি গাছগাছালি ভেতর ছুটে চলে যাচ্ছে।
__ like she is a little bird!!
