চোখের আড়ালে ভালোবাসি পর্ব ৪১
আয়াত বিনতে নূর
ঢাকা শহরের মাঝখানে, একটি বিশাল ডুপ্লেক্স বাড়ি যেটার সৌন্দর্য এক ঝলকেই নজর কেড়ে নেবে। কালো রঙের এই ডুপ্লেক্স বাড়িটি দেখতে যেন শহরের অন্য সব বাড়িকে ছাপিয়ে গেছে।
দেখলেই বোঝা যায়—বাড়িটির প্রতিটি কোনা, প্রতিটি কোণা, সবকিছু যত্নের সাথে তৈরি করা হয়েছে।
যেখানে চোখ যায়, সেখানে কোনো খুঁত নেই, কোনো ত্রুটি নেই। বাড়ির বাইরের বাগান যত্নে গজিয়ে উঠেছে। সেখানে বসার ছোট ছোট জায়গা সাজানো, যেন অতিথিরা বসেও উপভোগ করতে পারে প্রকৃতির নীরবতা।
বাড়ির প্রবেশদ্বারে দাঁড়িয়ে আছে বড় লোহার গেট, যার দুই পাশে দুইজন সিকিউরিটি গার্ড। তাদের চোখ সর্বদা সজাগ, দায়িত্বের প্রতি একেবারেই নিবেদিত। বাড়িটা বড় হলেও, এখানে সদস্য সংখ্যা খুবই কম।
বাড়ির কর্তা মি. মাহতাব তালুকদার। বয়স ৫৭-এর কাছাকাছি, কিন্তু এখনও সুঠাম, সুদৃঢ় দেহ।
দেখে কারোই ধারণা হবে না, বয়সটা ৫০-এর ওপরে।তার পাশে আছেন মিসেস মমতা তালুকদার।
মমতার সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো।
দেখে মনে হয়, তার ছেলে থাকতেই পারবে না—এমন সৌন্দর্য যেন ফ্যাশনের কোনো কভার পেজ থেকে উঠে এসেছে।
মমতার বয়স মাহতাবের চেয়ে অনেক কম।
বাড়িতে দুই ছেলে কিয়াস ও রিভান তালুকদার।
বড় ছেলে কিয়াস। বয়স প্রায় ৩১ । নিজের বিজনেস শুরু করেছে। একই সঙ্গে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করছে। উচ্চতা ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি, চোখে পড়ার মতো দৃষ্টিনন্দন চেহারা। দৃঢ়, আত্মবিশ্বাসী, আর কিছুটা হাস্যোজ্জ্বল—প্রকৃত নিয়ামক।
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
ছোট ছেলে রিভান। লন্ডন থেকে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরেছে।
নিজের ব্যবসা শুরু করেছে, আর বাবার ব্যবসাও দেখছে। ছোট হলেও দায়িত্বে কম নয়, প্রজেক্ট, পরিকল্পনা, সব কিছুই মন দিয়ে নিয়েছে।
আজ সকাল থেকেই বাড়িতে ব্যস্ততা।
পার্টির প্রস্তুতি চলছে—ডেকোরেটররা ফুল সাজাচ্ছে, থিম অনুযায়ী সাজানো হচ্ছে রুম, কেউ জিনিসপত্র গোছাচ্ছে।
একেকজন একেক কাজে ব্যস্ত, তবুও সব কিছু যেন নিখুঁত। কিন্তু এই ব্যস্ততার মাঝে রিভানের কোনো খোঁজ নেই। কিয়াস সোফায় বসে কফি খাচ্ছে।ল্যাপটপে মনোযোগ দিয়ে কাজ করছে।
তার দৃষ্টি একেবারেই পেশাদার, যেন পার্টির হৈ-হুল্লোড় কিছুই তার চোখে আসে না।
মাহতাব তালুকদার সোফায় বসে ফোন স্ক্রল করছেন। মনোযোগ সহকারে কিছু দেখছেন, কিন্তু চোখে আছে আভিজাত্যের ছাপ।
হঠাৎ মমতা তালুকদার এসে বললেন,
“শুনছো… তোমার ছেলের ঘুম এখনও ভাঙেনি।
সারারাত জেগে অফিসের কাজ করবে, আর দিন হলেই ঘুমাবে। এটাই ওর কাজ।”
মাহতাব ফোন থেকে চোখ সরিয়ে একটু বিরক্ত হয়ে বললেন,
“এমন কি হয়েছে মমতা? এতো রেগে যাওয়ার প্রয়োজন কী? বাড়িতে লোক আছে, আর এভাবে রাগারাগি করা ভালো দেখায় না।”
মমতা তালুকদার এক মুহূর্ত থেমে তাকালেন।
কণ্ঠে হালকা উত্তেজনা, চোখে আগুন,
“কী হবে? তোমার ছেলে তুমি বুঝো না আমার কী?
আমি কিছু বললেই কি চিল্লাই? আমি আর থাকবো না তোমাদের সঙ্গে। তোমার ছেলেদের সঙ্গে থাকো।”
এই বলে তিনি গটগট পায়ে রুমে চলে গেলেন।
কাজ করা লোকেরা কিছুটা অবাক হয়ে রইলো।
কেউ কেউ চুপচাপ তাকিয়ে থাকলো। কিন্তু কিয়াস মুচকি হেসে কফিতে চুমুক দিল।
মাহতাব তালুকদার দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
“এভাবেই তো ৩৩ টা বছর পার হয়ে গেছে।”
কোনো কথাই আর বললেন না, চুপচাপ বসে থাকলেন।
কিয়াস দেখেছে—ছোট থেকেই তার মা এমন হুটহাট রাগ দেখিয়ে চলে গেছেন। কিন্তু মনটা সবসময় ফুলের মতো নরম। মায়ের এই আচরণ, কিছুটা কঠোর হলেও, ভালোবাসা দিয়ে ভরা।
হয়তো মা সন্তানের বিষয়ে এমনই হুটহাট রাগ দেখান। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই শান্ত হয়ে গিয়ে সন্তানের পাশে এসে বসেন। মনের ভেতরের কোমলতা, স্নেহ—সব মিলিয়ে নিখুঁত।
কিয়াস নিজেকে শান্ত করে আবার ল্যাপটপের দিকে চোখ ফিরালো। মগে কফির চুমুক দিল।
এটা তার কাছে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি সকাল—কিন্তু তার চোখে মা-বাবার ছোট ছোট জটিলতা, ঘরকাচার, সবই একরকম হাস্যোজ্জ্বল মনে হচ্ছে।
এদিকে ঘড়ির কাঁটা ধীরে ধীরে ১টার কাছাকাছি চলে এসেছে।হঠাৎ করেই রিভানের ফোনে একটি কল আসায় তার গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটলো।
ঘুম জড়ানো চোখ দুটো কুঁচকে গেল। বিরক্তি নিয়ে সে পাশ ফিরে শুয়েই ছিল—কিন্ত ফোনের শব্দটা থামছে না।
একসময় আর সহ্য না করে উঠে বসলো। পাশের টেবিল থেকে ফোনটা হাতে নিলো। রিসিভ করার আগেই কল কেটে গেল। রিভান আর ফোনটার দিকে তাকালো না। বরং আরেক হাতে ফোনের স্ক্রিনে সময়টা দেখলো। সময়টা দেখে যেন নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারলো না।
মুখ দিয়ে আপনাআপনি বেরিয়ে এলো,
“ওহ শীট…! এতোটা লেট হলো কিভাবে?”
এক মুহূর্ত থেমে আবার মনে মনে বলল,
“নিশ্চয়ই মম এতক্ষণে বাড়িতে তাণ্ডব শুরু করে দিয়েছে।”
আর এক সেকেন্ডও দেরি না করে সে বিছানা থেকে লাফিয়ে উঠে দাঁড়ালো। টাওয়ালটা হাতে নিয়ে সোজা ওয়াশরুমের দিকে চলে গেল।
ওয়াশরুমে ঢুকে শাওয়ার ছেড়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লো।
সারারাত না ঘুমানোর কারণে শরীরটা ভীষণ ক্লান্ত লাগছে। মাথার ভেতরটা ভারী, চোখ দুটো জ্বলছে।
তবুও ঠান্ডা পানির স্পর্শে ধীরে ধীরে শরীরটা শান্ত হতে শুরু করলো। মনের অস্থিরতাও একটু একটু করে কমে এলো। কিছুক্ষণ পর শাওয়ার বন্ধ করে ওয়াশরুম থেকে বের হলো। ক্লজেট খুলে সাদা একটা টি-শার্ট আর কালো ট্রাউজার বের করে পরে নিলো। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে টাওয়াল দিয়ে ভেজা চুলগুলো মুছতে লাগলো।
নিজের প্রতিচ্ছবির দিকে তাকিয়ে হালকা একটা হাসি ফুটে উঠলো মুখে,
ঘুমহীন চোখ, তবুও আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গি।
এরপর সে রুম থেকে বের হয়ে নিচে নামলো।
নিচে নামতেই মাহতাব তালুকদার তাকিয়ে বললেন,
“কি ঘুম ভাঙলো মাই সান?”
রিভান মুচকি হেসে বলল,
“হুম ড্যাড।
কিন্তু মম কোথায়? আজকে কি রাগারাগি করেনি?”
কিয়াস পাশে বসে হেসে উঠলো,
“রাগ করে রুমে গিয়ে বসে আছে। বলেছে আর থাকবে না আমাদের সাথে এইটুকুই।”
রিভান হেসে সোফায় বসে পড়লো।
“আচ্ছা, আমিও দেখি কি করে যায়।”
এর মধ্যেই একজন মেইড এসে রিভানের সামনে কফি রেখে গেল। রিভান কফির মগে চুমুক দিলো।
মাহতাব তালুকদার জিজ্ঞেস করলেন,
“আজকে রাতে পার্টি রাখলে কেন? কাজ তো চলছেই পার্টির কারণটা কী?”
রিভান কফির মগটা নামিয়ে মুচকি হেসে বলল,
“ড্যাড, আমরা যে ডিলটা সাইন করেছি ওটা আর কেউ না, দ্য গ্রেট ফারিস ওয়াহিদ চৌধুরীর সাথে।”
এই নামটা শোনামাত্রই কিয়াস আর মাহতাব দুজনেই মনোযোগী হয়ে উঠলেন।
রিভান আবার বলল,
“উনি নিজেও পার্টি দিতেন। কিন্তু আমি চেয়েছি উনি আমাদের গেস্ট হয়ে আসুন। ওনার কোম্পানি এখন টপ থ্রি’র মধ্যে। আর সেখানে আমরা এখনও কিছুই না।”
একটু থেমে আবার ,
“ডিলের ২০% টেন্ডার অন্য একটা কোম্পানি পূরণ করবে। ওরা অনেক রিকুয়েস্ট করছিল।
পারফরম্যান্স ভালো তাই আমি দিয়েছি।”
তারপর আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বলল,
“সবচেয়ে বড় কথা এই দুই কোম্পানির মিট করানোর দায়িত্বটা আমার। এই কারণেই এই পার্টি।”
কথা শেষ করে উঠে দাঁড়িয়ে বলল,
“সবাই রেডি থেকো। আমি এখন যাই।”
মাহতাব তালুকদার জিজ্ঞেস করলেন,
“কোথায় যাচ্ছো?”
রিভান পেছনে ফিরে দুষ্টু হাসি দিয়ে বলল,
“তোমার ওয়াইফের রাগ ভাঙাতে।”
এই কথা শুনে কিয়াস আর মাহতাব দুজনেই হেসে উঠলেন। রিভান একেবারে বাচ্চাদের মতো করে মায়ের রুমে ঢুকলো। রুমে ঢুকতেই চোখে পড়লো
মমতা তালুকদার মুখ ভার করে বসে আছেন।একেবারে শিশুর মতো রাগ করে। রিভান ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল। নরম কণ্ঠে ডাকল,
“মম…”
কিন্তু মমতা তালুকদার আরও শক্ত হয়ে বসে রইলেন। রিভান কোনো সাড়া না পেয়ে পাশে গিয়ে বসলো। হালকা হাসি নিয়ে বলল,
“কি হয়েছে আমার লক্ষ্মী মম?”
এবারও কোনো উত্তর এলো না। রিভান হেসে বলল,
“আচ্ছা, সব কিছুর জন্য আমি সরি। আর দেরি করবো না প্রমিস। তাড়াতাড়ি ঘুমাবো।”
একটু থেমে আবদারের সুরে বলল,
“আর রাগ করো না প্লিজ মম…”
মমতা তালুকদারের রাগটা একটু একটু করে নরম হলো। তবুও ঝাঁঝালো গলায় বললেন,
“আমার রাগ কেন ভাঙাতে এসেছিস?
যা গিয়ে ঘুমো। আমার কথা কেউ ভাবে না
সবাই শুধু নিজের কথা ভাবে।”
কথাগুলোর ভেতরে জমে থাকা অভিমানটা স্পষ্ট।
রিভান বুঝতে পারলো। সে মেঝেতে বসে পড়লো।
মায়ের হাতের কাছে মাথা ঝুঁকিয়ে বলল,
“সরি আম্মু। আর রাগ করো না। একটু হাসো—তোমার সব কথা শুনবো আমি।”
তারপর নরম কণ্ঠে বলে উঠে ,
“আজকে পার্টি আছে। তুমি না থাকলে পার্টিটাই হবে না।”
মায়ের মন আর শক্ত থাকলো না।
মমতা তালুকদার রাগ রাগ মুখ করে বললেন,
“আচ্ছা আচ্ছা… হয়েছে। আর মন খারাপ করা লাগবে না।”
রিভান বুঝলো রাগটা কমেছে। সে উঠে দাঁড়িয়ে মায়ের হাত ধরে বলল,
“লাভ ইউ মম।”
তারপর দুষ্টু হাসি দিয়ে বলল,
“আমি যাই। রেডি হয়ে থেকো মাই ডার্লিং।”
মমতা বিরক্ত হয়ে বললেন,
“কি হচ্ছে এসব? মা কে কেউ এভাবে বলে?”
তারপর ঠাট্টার সুরে,
“এতো ইচ্ছে হলে বিয়ে করে নে।”
রিভান যেতে যেতে বলল,
“করবো মম। আগে কাউকে তো পাই।”
এই বলে সে রুম থেকে বেরিয়ে গেল।
মমতা তালুকদার কিছুক্ষণ দরজার দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর মনে মনে বললেন,
“তাড়াতাড়ি কাউকে পেয়ে যা রে।
আমি চাই তোরা সবসময় খুশি থাকিস।”
মায়ের চোখে তখন শুধু একটাই চাওয়া সন্তানদের সুখ।”
“চৌধুরি গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রি ”
এদিকে ফারিস অফিসে পৌঁছেছে।
কিন্তু আজকে কোনো কাজেই তার মন বসছে না।
মনের ভেতর যেন এক অদ্ভুত ছটফটানি, অস্থিরতা কাজ করছে। কাউকে কাছে পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা কিন্তু ঠিক কোন কারণে, সেটার কোনো ঠিকানা নেই।
সকালে নিশিতাকে মজার ছলে রাগিয়ে দেওয়াটা হয়তো ঠিক হয়নি। সকালটা এতটাই এলোমেলো কেটে গেছে—ফারিস নিজেও বুঝতে পারছে না ঠিক কী অনুভব করছে। বুকটা ফাঁকা ফাঁকা লাগছে। কখনো মনে হচ্ছে বিরক্ত, কখনো উত্তেজনা সবকিছু একসাথে।
সকালে অফিসে এসে তার নিজের কাজেও ফোকাস হচ্ছে না। দু’টি মিটিং এটেন্ড করেছে, কিন্তু প্রত্যেক মিটিংয়ে ফারিসের খেলার কোনো স্থান নেই।
প্রজেক্ট টেন্ডার দেখানো হচ্ছে, কিন্তু তার পক্ষে কোনো প্রভাব নেই। এই বিষয়টা ফারিসকে প্রচণ্ড বিরক্ত করছে। হঠাৎ করেই ফারিস মিটিংয়ের মাঝে উঠে দাঁড়ালো। সবার চোখ চক্রাকারে তার দিকে ঘুরলো। ফারিস ঠোঁটের কোণ হালকা হাসি দিয়ে বললো,
“Guys, I have an urgent matter to take care of, so the meeting will be held tomorrow. I’m leaving now. Goodbye.”
এই বলে সে গটগট পায়ে মিটিং রুম থেকে বের হয়ে গেল। নিহানসহ সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো কেউ এক শব্দ বলতে পারলো না।
মিটিং রুম থেকে বের হয়ে ফারিস নিজের কেবিনে ঢুকে বসলো।
এসি চালু, কিন্তু ভিতরে অস্বস্তির একটা বাতাস রয়েছে। টেবিলের উপর রাখা পানির গ্লাসটা হাতে তুলে একটু পানি খেয়ে আবার জায়গায় রাখলো।
দূরে তাকিয়ে ভাবলো, কিছুটা শান্তি পেতে চেষ্টা করছিল।
হঠাৎ করেই মুচকি হেসে ফোন পকেটে তুলে দিলো।
রাজীবের নাম্বার বেছে নিলো। রাজীব তখন নিজের কেবিনে বসে, ল্যাপটপে মনোযোগ দিয়ে কাজ করছে। ফোন বাজতেই চোখটা স্ক্রিনের দিকে চলে গেল। ফারিসের নাম্বার দেখার সঙ্গে সঙ্গে কল রিসিভ করলো।
ফারিস দ্রুত বললো,
“শোন, ৩০ মিনিটের মধ্যে বসুন্ধরা শপিং মলে চলে আসবি। বাড়ির সবার জন্য শপিং করা লাগবে।
তুই নিয়ে যাবি। আর কিছু শুনতে চাই না।”
কল কেটে দেওয়ার পর রাজীব কিছুটা আবাক হয়ে রইলো। কিন্তু মনে মনে ভাবলো,
“শপিংয়ে যাওয়াটা ভালোই হবে।
অহনাকে জন্য কিছু কিনে আনতে পারব।”
চোখের আড়ালে ভালোবাসি পর্ব ৪০
বেশি সময় না গুণে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ালো।
গাড়ির চাবি হাতে নিয়ে কেবিন থেকে বের হয়ে গ্যারেজে গেল। গাড়িতে উঠে ফারিসের নির্দেশিত লোকেশনটার দিকে রওনা দিল।
ফারিসও চেয়ার থেকে উঠে পাশে রাখা কোর্টটি পরে নিলো। গাড়ির চাবি হাতে নিয়ে কেবিন থেকে বের হলো। মনটা একটুও শান্ত নয়, মনে অদ্ভুত ছটফটানি।তবুও লক্ষ্য ঠিক আছে শপিং মলের উদ্দেশ্যে রওনা হলো।
