Home সে খলনায়ক সে খলনায়ক পর্ব ৮

সে খলনায়ক পর্ব ৮

সে খলনায়ক পর্ব ৮
ফারহানা সানিয়াত

চারপাশে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি সময়ের সাথে বেড়ে যাচ্ছে,। প্রাণপ্রিয়া দৌড়ানোর গতি বাড়ানোর জন্য মুহূর্তেই লোক দুটোর অনেকটা কাছে চলে আসে তবে তার দিকে তাকিয়ে থাকা লোকটিকে কাছে থেকে দেখে তার ভেতরটা চিপ দিয়ে চোখ বড় বড় করে দৌড়ানোর মাঝে হঠাৎ থেমে যেতে নিলে কিছুর সাথে পা আটকে ধপাস করে এলোমেলো হয়ে নিচে পড়ে ,, আর পড়ে তো পড়ে একদম দামিয়ানের সামনে,,
সামনে দাঁড়ানোর দামিয়ানের দৃষ্টি এখনো স্থির তার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি তীব্র করে নিচে পড়ে থাকা মেয়েটির পা থেকে মাথা অব্দি দেখে,, পাশে নিকলাই দামিয়ানের এমন মেয়েটির উপর দৃষ্টি দেখে সে চোখ ঘুরিয়ে অন্যদিকে তাকায়,
প্রাণপ্রিয়া পিচ ঢালা রাস্তায় ওপর হয়ে পড়ে আছে, বুকের ভেতরটা তার ধকধক করছে সামনে দাঁড়ানো লোকটি কে তার চিনতে বাকি নেই, ভয় তার গলা শুকিয়ে কাঠ কিন্তু, কিন্তু সে আস্তে আস্তে উপরে চোখ তুলে তাকায় আর দেখতে পায়, তীক্ষ্ণ দুটি চোখ তার দিকে স্থির,,

মেয়েটিকে তাকাতে দেখে দামিয়ানের স্থির দৃষ্টি এবার নড়েচড়ে ওঠে কারণ আবেদনময়ী মেয়েটার শরীরে ভেজা শার্ট লেপ্টে ভেতরে সব বোঝা যাচ্ছে, এলোমেলো ভাবে পড়ার জন্য ফর্সা দুটো পা হাঁটুর উপর পর্যন্ত দৃশ্যমান আর তার মুখ,,, দামিয়ান হালকা থামে সে নিখুঁতভাবে লক্ষ্য করে বৃষ্টির পানি মুখে জমে গাল আর ঠোঁট ছুঁয়ে গলা বেয়ে নিচে নামছে,,
দমিয়ানের এমন দৃষ্টি দেখে প্রাণপ্রিয়া সাথে সাথে মাথা নিচু করে চোখ বন্ধ করে ঠোট কামড়ে ভাবে,, না না ভয় পাওয়ার কিছু নেই সে বড় হয়েছে এখন,, ভেবেই ঢোক গিলে নিজেকে ঠিকঠাক করা শুরু করে আর পড়ে যাওয়ার কারণে হাত থেকে যে রং আর রং তুলি গুলো পড়েছে তা একটা একটা করে গুছিয়ে নিতে থাকে,দামিয়ান ঘাড় বাঁকা করে দেখে তবে হঠাৎ কিছু একটা মাথায় চলে আসতেই সাথে সাথে একটা রং তুলির উপর নিজের পা রাখে,,,
প্রাণপ্রিয়া মনোযোগ দিয়ে রং তুলে নিচ্ছিল কিন্তু দামিয়ানকে রং তুলির উপর পা রাখতে দেখে সে থেমে হাত মুষ্টিবদ্ধ করে ঢোক গিলে,,
দামিয়ান লক্ষ্য করে মেয়েটার মুষ্টিবদ্ধ হাত কাঁপছে যা দেখে তার মনে আসে আশ্রমের ছোট ইডিয়েট মেয়েটার কথা, সে সরু চোখ করে ঠোঁট আওড়ায়
__ প্রাণপ্রিয়া!!
দামিয়ান থেকে নিজের নাম শুনে প্রাণপ্রিয়ার চোখ রীতিমত বের হয়ে যাওয়ার উপক্রম সে অবাক হয়ে সাথে সাথে চোখ তুলে তাকায়, তবে দামিয়ান আর এক মুহূর্তে দাঁড়িয়ে থাকে না সে পা বাড়িয়ে হাঁটা ধরে আর মনে মনে বলে ,,
__ চোখে পড়ার মত যুবতী ,,

বসার ঘরে দামিয়ানের জন্য অপেক্ষা করছে সবাই। কিছুক্ষন আগে এয়ারপোর্ট থেকে তাকে নিয়ে আসার গাড়িতে ড্রাইভার একা আসলে সবাই বেশ অনেকটা অবাক হয়েছিল তবে ড্রাইভার গাড়ি থেকে বের হয়ে হুমায়ূনকে জানায়,,
__ স্যার হেঁটে আসছে,,
তখন থেকে সবার মধ্যে বসার ঘরে অপেক্ষা চলছে, হুমায়ুন দীর্ঘশ্বাস ফেলে সদর দরজার দিকে তাকান সেই মুহূর্তে দামিয়ান সদর দরজা পার হয়ে বসার ঘরে পা রাখে,, সাথে সাথে হুমায়ুন মুখে হাসি ফুটিয়ে দাঁড়িয়ে যান পাশে থাকা সবার মুখে ও খুশির রেখা দেখা যায়,
দামিয়ান নিজের বাবার দিকে তাকিয়ে হালকা হেসে এগিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরে,,
হুমায়ুন ছয় বছর পর ছেলেকে কাছে পেয়ে তার ভিতরটা শীতল হয়ে উঠে,,

__ কেমন আছো বাবা? দামিয়ান হুমায়ূনকে ছেড়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়,
__ খুব ভালো আছি তোমাকে সামনে থেকে দেখে আরো ভালো হয়ে গেছি কত বছর পর তোমাকে সামনে কাছ দেখলাম আমার যে কেমন লাগছে আমি তোমাকে বলে বোঝাতে পারবো না।
দুজনের কথার মাঝে হাবিব আর রাইমা তারা সামনে এসে দামিয়ানকে মিসেস আর মিস্টার চৌধুরীকে দিকে ইশারা করে দেখিয়ে বলেন,,
__ তোমার হবু শশুর শাশুড়ির সাথে দেখা করো তারা তোমার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
দামিয়ান পাশে ঘুরে ‌তাদের দিকে তাকিয়ে সৌজন্যমূলক হাসে,,
__ কেমন আছেন আঙ্কেল আন্টি,
সোফায় পায়ের উপর পা তুলে বসা মিস্টার চৌধুরী আর মিসেস চৌধুরী হালকা হাসেন, খুব ভালো, তুমি কেমন আছো ? দামিয়ান তাদের পাশে বসা সারাকে এক নজর দেখে বলে,,
__‍ ভালো,
অতঃপর বসার ঘরে সবার সাথে দামিয়ান হালকা কথাবার্তা বলে ফ্রেশ হওয়ার জন্য নিজের ঘরের দিকে পা বাড়ায় সে, সাথে নিকলাই ও তার পিছে হাটা ধরে
সোফায় বসা মিসেস চৌধুরী মেয়ের দিকে তাকান,,
সারা মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত তা দেখে মিসেস চৌধুরী সারার দিকে হালকা হেলে আস্তে করে বলেন,,

__ দামিয়ান উপরে যাচ্ছে তুমি এখানে কি করছ দ্রুত তার কাছে যাও, সারা মোবাইল থেকে চোখ সরিয়ে তার মমের দিকে তাকায় অতঃপর হা করে শ্বাস ফেলে বাসা থেকে উঠে সবাইকে এক্সকিউজমি বলে মিসেস চৌধুরী কথা মত দামিয়ানের পিছে পিছে যায়,,
দু তালার করিডোর দিয়ে হাঁটছে দামিয়ান তার একটু পিছে নিকলাই রাশিয়ান ভাষায় তাকে কিছু বলছে,, দামিয়ান সেগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে শুনছে আর মাথা নাড়াচ্ছে তবে হঠাৎ পিছন থেকে কিছু পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনে দুজনে ই কপালে বাজ ফেলে পিছে ঘুরে তাকাতে ই দেখে সারা তার পা ধরে নিচে বসে আছে, হিল জুতা পড়ে দ্রুত হাঁটার জন্য হয়তো পড়ে গেছে তবে দামিয়ানের চোখে ভেসে ওঠে এখানে আসার আগে তার সামনে আশ্রিতা মেয়েটার পড়ে যাওয়ার দৃশ্য,, সাথে সাথে সে চোখ বন্ধ করে অন্যদিকে তাকিয়ে আবার সারার দিকে তাকায় আর এগিয়ে সারাকে উঠানোর জন্য হাত বাড়িয়ে দেয়,,
__ তুমি এখানে কি করছ? দামিয়ান প্রশ্ন করে
সারা দামিয়ানের হাতের ওপর আলতো করে হাত রেখে বলে,, তোমার কাছে আসছিলাম,
দামিয়ান সারার হাত ধরে তাকে দাঁড় করায় এরপর নিকলাইয়ের উদ্দেশ্যে বলে,,
__ পরে কথা হবে নিকলাই তুমি এখন যেতে পারো।
নিকলাই দামিয়ানের কথা শুনে সম্মতি সূচক মাথা নাড়িয়ে চলে যায়।
ঘন্টাখানেক পর,,

বিশাল ডাইনিং টেবিলে আবরার মেনশনে প্রতিটা সদস্য উপস্থিত সবার মাঝে হালকা পাতলা কথাবার্তা চলছে সার্ভেন্টরা একপাশে দাঁড়িয়ে কখন কি প্রয়োজন তা খেয়াল করছে ,,
টেবিলের একপাশে দামিয়ান আর আহানাফ বসা। দুজনের মধ্যে সময়ের সাথে সাথে ভাইয়ের সম্পর্ক থেকে বন্ধুত্ব সম্পর্ক গভীর হয়েছে ,, দামিয়ান এত বছর রাশিয়াতে থাকলেও আহানাফ রাশিয়াতে গিয়ে তার সাথে দেখা করতো যার কারণে দুজনের সম্পর্ক বেশ ভালো আপাতত তারা দুজন খাবার খেতে খেতে নিজেদের মধ্যে কথা বলছে,,
হুমায়ুন তার পাশে মিস্টার চৌধুরী সাথে কথা বলার মাঝে ছেলের দিকে তাকান,,
__ দামিয়ান এই মাসের শেষে তোমার আর সারার এনগেজমেন্ট এর তারিখ ফিক্সড করতে চাচ্ছি, এই ব্যাপারে তুমি কি বলো,
দামিয়ান আহনাফের সাথে কথা বলার মাঝে বাবার কথা শুনে তার দিকে তাকায়,,

__ তোমরা যা ভাল মনে কর আমার কিছু বলার নেই,
হুমায়ুন হালকা হেসে ‌পাশে মিস্টার চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে বলে উঠেন,,
__ তো মিস্টার চৌধুরী সব কিছু আয়োজনের ব্যবস্থা করতে হবে সময় কিন্তু হাতে বেশি নেই,,
মিস্টার চৌধুরী হেসে স্ত্রীর দিকে এক নজর তাকিয়ে তিনিও বলেন,, হ্যাঁ অবশ্যই আফটার অল আপনার একমাত্র ছেলে আর আমার একমাত্র মেয়ের এঙ্গেজমেন্ট সবকিছু গ্র্যান্ড ভাবে হতে হবে।
মিসেস চৌধুরীর পাশে বসা সারা মাথা নিচু করে খাবার খাচ্ছে, আহানাফ সবার কথা শুনে সারার দিকে তাকিয়ে হা করে শ্বাস ফেলে,,

দুপুর গড়িয়ে বিকেল পার হয়ে এখন বাহিরের সন্ধ্যা সন্ধ্যা ভাব তবে আকাশের অবস্থার জন্য চারপাশে অন্ধকার নেমে পড়েছে অনেকক্ষণ আগে । বাহিরে অনবরত গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ,আর এমন মেঘলা সন্ধ্যায় আশ্রমে রহমানের হাত ধরে পাঁচ বছরের ছোট্ট একটা মেয়ের আগমন,, যা দেখে বসার ঘরের কিশোর কিশোর সাথে প্রাণপ্রিয়াও ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে,
রহমান বসার ঘরে একটা সোফায় মেয়েটিকে ‌বসিয়া নিজে পাশের বসেন আজকাল তার বেশি হাঁটলে শ্বাসকষ্ট উঠে যায় ‌ তাই পকেট থেকে ইনহেলা বের করে তা মুখে নেন এরপর সবার উদ্দেশ্যে বলেন,,
__ আজ থেকে ও এই আশ্রমের সদস্য ওর নাম তারা তোমাদের থেকে বয়সে অনেক ছোট আশা করছি ওকে সবাই ‌ভালোবেসে নিজেদের সাথে মিশিয়ে নিবে।

রহমানের কথায় সামনে থাকা সবাই মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানায় তবে তাদের চোখ সোফায় বাসা মেয়েটির দিকে ই , ছোট মেয়েটা গোল গোল চোখে তাদের দেখে মিষ্টি করে হাসছে,, তা দেখে কিশোর কিশোরীরা একে উপরের দিকে এক নজর দেখে মেয়েটির কাছে এসে মেয়েটিকে আরো ভালো করে দেখতে থাকে,
কিন্তু প্রাণপ্রিয়া নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে তার মেয়েটিকে দেখে নিজের এই আশ্রমের আশার প্রথম দিনের কথা মনে পড়ছে,, তার খুব ভালো করে মনে আছে সে যেদিন আশ্রমে এসেছিল, আশ্রমের ছোট ছোট বাচ্চাদের দেখে খুব খুশি হয়েছিল আর এই ছোট মেয়েটির ক্ষেত্রে সে বড় বড় কিশোর কিশোরীদের দেখে খুশি হচ্ছে,,
প্রিয়া আপু! প্রিয়া আপু! প্রাণপ্রিয়ার দিকে দুটি কিশোরী মেয়ে ঘুরে খুব আহ্লাদী কন্ঠে বলে,, দেখো মেয়েটি কত কিউট একদম রসগোল্লার মত,,

প্রাণপ্রিয়া দাঁত বের করে হাসে নিজেও পা বাড়িয়ে মেয়েটির কাছে গিয়ে ঝুঁকে দুই হাত হাটুতে ভর দিয়ে মেয়েটিকে দেখে,ছোটখাটো গুলুমুলু ফর্সা মেয়েটা আসলেই রসগোল্লা,, সে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে মেয়েটাকে কোলে তুলে টুপ করে গালে একটা চুমু বসিয়ে দেয়,ছোট মেয়েটা প্রাণপ্রিয়াকে চুমু দিতে দেখে অবাক তবে সেও প্রাণপ্রিয়ার গালে টুপ করে চুমু দেয় এটা দেখে বাকি কিশোর কিশোরী রা ও হইচই লাগিয়ে দেয় তারাও চুমু দিবে।
এমন হইচই চলে কয়েক ঘন্টা এরপর মিসেস সেলিনা রাতের খাবার সবাইকে খাইয়ে রুমে পাঠিয়ে দেয় সাথে ছোট মেয়েটা কেও যাতে তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক তৈরি হোক,, তারা চলে গেলে ‌ নিরিবিলি পরিবেশে বসার ঘরে রহমান, প্রাণপ্রিয়া আর সেলিনা নিজেদের মধ্যে কথা বলতে বসেন,,
রহমান ছোট মেয়েটা সম্পর্কে বলা শুরু করেন,,

তিনি ছোট মেয়েটাকে নিয়ে এসেছেন তার দূর সম্পর্কের ভাইয়ের কাছ থেকে, মেয়েটার দুনিয়াতে কেউ নেই কেউ নেই বলতে মা আছে তাও নেই জন্মের পর মেয়েটাকে রেখে এক টাকা ওয়ালা ব্যবসায়ীর প্রেমিকা রূপে চলে গেছে আর বাবা কিছুদিন আগে ক্যান্সার রোগে মারা গেছে, রাখার মত মেয়েটার ‌কেউ নেই তাই তাকে খবর দিয়ে তার কাছে দিয়ে দিলেন আশ্রমে রাখার জন্য,,
রহমানের কথা শুনে মিসেস সেলিনা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ছোট মেয়েটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন পাশে বসা প্রাণপ্রিয়া কপাল কুচকে বলে ওঠে,,
__ এত ফুটফুটা মেয়েকে রেখে কোন নারী পর পুরুষের প্রেমিকা হিসেবে চলে যেতে পারে, এমন ও কি নারী হয়! যদি হয় তাহলে এমন নারীদের উপর তার প্রচন্ড ঘৃণা যদি সে ছোট মেয়েটাকে ছেড়ে না যেত তাহলে মেয়েটা কি অনাথ হত!! রহমান আর সেলিনা হতাশার শ্বাস ফেলেন তারা ভাবেন আজকালকার যুগে এই জিনিসটা সবাই খুবই স্বাভাবিকভাবে নেয় যেমন একজন নারী নিজের সংসার ছেড়ে পর পুরুষের প্রেমিকা হতে দুইবার ভাবে না তেমন পুরুষ বউ রেখেও প্রেমিকা রাখতে দুইবার ভাবে না। যাইহোক আপাতত এই কথাগুলো ঘুরানোর জন্য সেলিনা রহমান কে জিজ্ঞেস করে ওঠেন,,

সে খলনায়ক পর্ব ৭

__ আচ্ছা শুনলাম দামিয়ান নাকি বাংলাদেশে এসেছে এ কথা কি সত্যি?
আকস্মিক সেলিনার মুখ থেকে দামিয়ান নামটা শুনে প্রাণপ্রিয়া এতক্ষণ যা বিরক্তি চিন্তাভাবনা করছিল তা মুহূর্তেই গায়েব হয়ে বুকটা ধক করে ওঠে তার,,
__ হ্যাঁ এটা সত্যি রহমান বলে উঠেন,
প্রাণপ্রিয় ঠোঁট কামড়ে মাথা নিচু করে সে খেয়াল তার হাত কাপছে সাথে সাথে দুই হাত একত্রে করে মনে মনে ভাবে, কি আশ্চর্য সে বড় হয়েছে ‌ভয় পাওয়ার কিছু নেই কোনো ব্যাপার না,

সে খলনায়ক পর্ব ৯