এক প্রণয় রাত্রি পর্ব ১০
আসিফা খান
গগনের মাঝে এই অর্ধ চাঁদ আজ নিজেকে সম্পূর্ণ করে তুলেছে। রক্তিম চন্দ্র মায়াময়। আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ছোট্ট মিটি মিটি জ্বলতে থাকা তারকা দের মেলা। আকাশ আজ স্বচ্ছ,,,শীতের রেশ বেড়েছে সাথে বয়েছে ঠান্ডা হাওয়া।।দুই মন স্মৃতিচারনে মশগুল। অনিশ্চয়তায় নিমজ্জিত দুই হৃদয়। মস্তিষ্ক নির্ধারিত করছে আঁকা বাঁকা পথের সহজ চলাচল।বিচ্ছেদ নাকি প্রনয়? কোনটা শেষ?হাজারো রকমের কল্পীর ছেদ ঘটিয়ে রুদ্ধ দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল দুই নর নারী।,চলতে থাকা হাজারো প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে অনিমেষ তাকালো আকাশ পানে।। আজ চাঁদ তাদের সহায় সম্বল হীন,,, সে পন করেছে দুই নর নারী কে প্রেমের ভাষা শেখাতে কিন্তু হৃদয়ে অনুভুতির রেশ না থাকলে প্রেমের বাতি জ্বলবে কোথায়?
ছুটি প্রায় শেষের দিকে,ফাইনাল পরীক্ষা মাথার উপর। আলেয়া মন দিয়েছে পড়াছে,,,বই থেকে চোখ সরানোর মতোও সময় নেই তার কাছে। ঘড়িতে রাত সম্ভবত ৯.২০,,,সকাল থেকে রাত পার করেছে বিছানায় এক কোণে বসে।সামনে ছড়ানো ছিটানো বউই খাতার মেলা।খাওয়া দাওয়া ও রুমেই করছে। মিসেস আসফিয়া তো রাগে গজগজ করতে ছাড়ে না,তার মতে,,,,মেয়ে তার সারা বছর পড়েনা আর পরীক্ষা আসলেই পড়ার তোড়জোড় শুরু। খাওয়া নাওয়া বাদ দিয়ে বইয়ের পাতায় ডুবে থাকে মেয়ে তার।।
বিছানার পাশের ছোট্ট টেবিলে মুঠো ফোন বেজেই চলেছে অনেকক্ষণ ধরেই।এবার বিরক্তিতে মুখ কুচকে ফেললো আলেয়া।এতক্ষণ ফোনের কটু শব্দ ইগনোর করলেও এখন আর পারলনা।খাতার পাতায় দৃষ্টি রেখেই হাত বাড়িয়ে ফোন রিসিভ করে কানে ধরে রুক্ষ কন্ঠে বলল,,,,
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
“বল,,,যা বলবি তাড়াতাড়ি বল।”
“পরীক্ষার চাপে পাগল টাগল হয়ে গেলি নাকি?”
চমকালো আলেয়া,,,বড়ো বড়ো চোখ করে ফোনের স্ক্রিনে তাকাতেই দেখলো ” Hapani Rogi” লেখা মানে হাফিজ।।জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজাল আলেয়া,,,আমতা স্বরে বলল,,,
“ওহ তুমি,,,আমি ভেবেছি আমার বান্ধবী।”
আলেয়ার কথায় কিছুক্ষন চুপ থাকলো হাফিজ। কিছু দিন ধরে হৃদ মাঝারে কেমন ধুকপুকানি শুরু হয়েছে তার। নব কিছু অবাঞ্ছিত অনুভূতিরা আকস্মিকভাবে ভাবে হানা দিয়েছে হৃদয়ে।প্রাপ্ত বয়সী যুবক হাফিজ,,,কিন্তু নিজেকে এখন কেনো জানি আলেয়ার মত কিশোরী বয়সের কিশোর মনে হয়।। কেনো এরকম হৃদয়ের ভাব সাব বুঝে আসছেনা তার,,,শুধু জানে কিছু পবিত্র সম্পর্ক উদঘাটনের সূচনা।
“ব্যালকনি তে যা আলু,,,!”
হাফিজের কথায় ভ্রু কুঁচকে এলো আলেয়ার। মনে প্রশ্ন জাগলেও মুখে প্রকাশ করার ইচ্ছে জাগলো না। চঞ্চলিত পায়ে বিছানা ছেড়ে ব্যালকনিতে হাজির হলো সে,,,তত্পর হাফিজের উদ্দেশ্যে মিহি কণ্ঠে বললো,,,,”এসেছি।”
“আকাশের দিকে তাকা,,,মুখ তোল।”
আলেয়া কৌতূহল মেটাতে আকাশ পানে চাহিল। চোখের দৃষ্টি উজ্জ্বল হলো,ঠোঁটের কোণে অবস্থিত হলো অসম্ভব মাধুর্য হাসি। কি সুন্দর চাঁদ। সারা দিন রাত পড়ার ক্লান্তি,বিরক্তি নিমিষেই দূর হলো আলেয়ার।।।হাফিজ নিজের রুমের জানালার পর্দা ভেদ করে আঁখি দ্বয় স্থির করলো আলেয়ার উপর,,,রাস্তার এপাশ ওপাশ বাড়ি তাদের, তাই এই সুবিধে। রুমের লাইট অফ থাকায় আলেয়ার চোখ গেলো না হাফিজ এর উপর, অবশ্য বালকানিতে এসেই একবার কোনা চোখে তাকিয়ে ছিল সে হাফিজের রুমের দিকে।
চাঁদের স্নিগ্ধ আলোর মিছিল জমেছে আলেয়ার মায়াবী চেহারায় । হাফিজ যেনো নতুন করে আবিষ্কার করলো আলেয়া কে। ইসস কি শোভনীয়,কত মুগ্ধমই লাগছে আলেয়া কে। হাফিজ খেয়াল করল তার হার্টবিট হুট করে দ্বিগুণ বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। নিজের জন্য মায়া জাগলো হাফিজ এর,,,কেনো! আলেয়াই কেনো?এরই মধ্যে ফোনের ওপাশ থেকে শোনা গেল আলেয়ার মোলায়েম কন্ঠ,,,,
“ভীষণ সুন্দর,,,,,,!”
একদমকা হাওয়ায় আলেয়ার খোলা চুল উড়ে পড়লো তার চোখে মুখের উপর। শীতলতা ছড়িয়ে পড়লো চারি দিকে,,,হাফিজ বশীভূত আলেয়ার পানে তাকিয়ে শান্ত স্বরে বলল,,,,,”সত্যি,,,ভীষণ সুন্দর।”
কলেজ শেষে আতিকা কে বিদায় জানিয়ে ইয়ানা ফুটপাত ধরে হাঁটা ধরলো। অটো, রিক্সা আজ কিছুই চোখে পড়ছে না তার।তাই ভাবলো হেঁটেই যতটা যাওয়া যায় যাবে। মন টা ফুরফুরে, মেজাজ ভালো। শরীর ছুঁয়েছে ঠান্ডা হাওয়া,,,,মনোরম পরিবেশে হৃদয় জোরালো তার।।,,,
মেজাজ ফুরফুরে হওয়ার আরেকটা কারণ এইটা যে,,, ইব্রাহিম সাহেবের কথা স্থগিত রাখা হয়েছে কিছু দিন। মিস্টার আফতাব ইব্রাহিম সাহেব কে বুঝিয়ে সুঝিয়ে মানিয়ে নিয়েছে এই বিষয়ে বলেছে,,,”আব্বা,,ছেলে মেয়ে তো একই বাড়ির। রিফাত সবে ফিরেছে আর ইয়ানার জন্যও সব কিছু নতুন।তারপর জিনিসপত্র এক রুম থেকে অন্য রুমে শিফট করতে সময় তো লাগে।। ওদের দুজনকে একটু ওদের মতো ছেড়েদি,,,, একে অপরের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারলেই তারা নিজের থেকেই এক রুমে শিফট হবে।”
ছেলের কথায় কিছুক্ষণ চুপ থেকে মঞ্জুরি পোষণ করলেন।।ব্যাস,,,,মেজাজ ফুরফুরে তখন থেকে ইয়ানার।। চিন্তামুক্ত মন মস্তিষ্ক আর কি লাগে!
মনের আনন্দে হাঁটছে আর রাস্তার আশেপাশে চোখ বোলাচ্ছে ইয়ানা।ব্যস্ত এই শহরে নিজেকে যেন মুক্ত পাখি মনে হচ্ছে তার নিজেকে।।মাথায় চাপানো ওড়না একটু টেনে নিল সামনের দিকে,,, হঠাৎ চোখ গেল তার বা পাশের একটা পাঁচিলের ওপর,, অনেকটাই উঁচু পাঁচিলের মাথা।যেখানে একটা বিড়াল গুটিসুটি মেরে বসে অনবরত নিজের ডাক ছেড়ে যাচ্ছে,,,হয়তো ভয় পাচ্ছে।। ইয়ানার মনটা ধুক করে উঠলো,,, বিড়ালের প্রতি ছোটবেলা থেকে তার আকর্ষণটা অত্যাধিক বেশি।।এগিয়ে গেল পাঁচিলের ধারে দুই হাত বাড়িয়ে দিল বিড়াল টির দিকে আর বলতে শুরু করল,,,,
“ভয় পেওনা,,,,লাফিয়ে আমার কাছে আসো,,,আমি ধরে ফেলবো তোমায়।একদম ভয় পেও না,,,,,,”
ইয়ানার এত ডাকাডাকি তেও বিড়ালের ভয় কমলো না সে একইভাবে গুটি গুটি মেরে নিজের ডাক চালিয়ে গেল।পাঁচিলটা অনেকটাই উঁচু এদিকে ইয়ানার হাইট খুব বেশি হলে চার ফুট ১০ ইঞ্চি,,, আজ ইয়ানার অজান্তে একটু আফসোস হলো নিজের হাইট নিয়ে ,,,,আরেকটু লম্বা হলে কি যায় আসতো!,,, পরক্ষণই স্মরনে এলো এ দুনিয়ায় তার থেকেও কত কম হাইট এর মানুষ আছে। তাদের বয়স বেড়েছে কিন্তু উচ্চতা আর বাড়েনি। ইয়ানা মাথা ঝাঁকালো,,, সৃষ্টি কর্তার শুকরিয়া আদায় করল নিজের উচ্চতা নিয়ে,,, থাক না একটু কম উচ্চতা,,ক্ষতি কি তাতে?
ইয়ানার ভাবনা চিন্তার মাঝেই তার পাশে এসে দাঁড়ালো একটা অবয়ব,,, সেও ইয়ানার মতই হাত দুটো বাড়িয়ে দিলে বিড়ালের দিকে আর পরক্ষণে বিড়ালটা ঝাঁপ মেরে সেই মানুষ টির কোলে চলে এলো।। ইয়ান া মুহূর্তেই ঘাবড়ে গেল,, চঞ্চলিত চোখে তাকালো তার পাশে।তাকাতেই অজান্তেই তার সর্বাঙ্গ জমে গেল,,,বুকের ধুকপুকুনি বাড়লো।,,, প্রশ্ন এলো মাথায়,,,’ ইনি এখানে কি করছে?’,,,, ইয়ানার চাহনি দেখে রিফাত হালকা গলা কেশে তার উদ্দেশ্যে বললো,,,,
“গাড়িতে বসো।”
ফুসে উঠল ইয়ানা,,,, রিফাতের হাত থেকে বিড়ালটাকে ঝট করে নিজের কোলে নিয়ে নিল,, ততপর ঠোঁট বাঁকিয়ে নাক ফুলিয়ে বলল,,,”যা বলার এখানেই বলুন,,,আমি কোথাও যাবো না আপনার সাথে।”
রিফাত দাঁতে দাঁত পিষে,,, হাত মুঠ মেরে ধরে ডানে বামে তাকালো ,,,রাগ মাথায় চড়ছে ধীরে ধীরে,,, এই মেয়েটার কথাবার্তা তাকে ক্ষণে রাগিয়ে দিতে সক্ষম।। রুদ্ধ দুটো নিঃশ্বাস ছাড়লো ততপর শান্ত গলায় বলল,,,,
“ইয়ানা মেজাজ বেগড়াবে না,,, এমনিতেও কলেজের কাছ থেকেই তোমায় খুঁজতে খুঁজতে এখানে এসেছি ,,,,এখন চুপচাপ গাড়িতে বসবে।”
“আর না বসলে কি করবেন হ্যাঁ?যাবো না আপনার সাথে,,,, এমনিতেও আমাকে আপনি খুজবেন বা কেন?সম্পর্ক মানেন না,, আমার সাথে কথা বলতে চান না,, তাহলে এত ঘেঁষাঘেঁসি কিসের আমার সাথে?”
রাগ মাথায় উঠে নাচতে শুরু করেছে রিফাতের ইয়ানার কোল থেকে বিড়ালটাকে নামিয়ে রাস্তায় রাখল।। ইয়ানার বাহু ধরে নিজের সান্নিধ্যে নিয়ে আসলো চোখে চোখ রেখে হিশিসিয়ে বলল,,,
“অনেক বলেছো,,,আর না।।আর একটা কথা বললে থাপড়িয়ে সব কয়টা দাঁত ফেলে দেবো,,,স্টুপিড।”
ইয়ানা এবার দ্বিগুন তেতে গেল ,,রাগের গর গর করতে করতে রিফাতের আরো সামনে চলে এলো।আক্রশে এসে জোরে জোরে নিঃশ্বাস ফেললে বলতে লাগলো,,,
“কিভাবেন হ্যাঁ নিজেকে নিজে! বিদেশ ফেরত ডক্টর বলে কি মাথা কিনে নিয়েছেন আমার! আপনি যখন যা বলবেন তাই কেন করতে হবে আমাকে?আপনাদের বাড়ি থাকি বলে তাই? যাবনা,, যাবনা,, যাবনা আপনার সাথে কি করবেন করে নিন।”
রিফাতের দৃষ্টি এবার হুট করে শান্ত হয়ে গেল নিজের ঠোঁট কামড়ে আশেপাশে তাকালো,,, দেখল কিছু মানুষ তাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আবার কিছু টিনেজাররা মিটিমিটি হাসছে তাদের দিকে তাকিয়ে।।,,, রিফাত এবার বাঁকা হাসলো ইয়ানার দিকে আরো কিছুটা ঝুঁকে গিয়ে বলল,,,
“পরিষ্কারভাবে বলোনা যে তুমি সেদিনের মতো আমার কোলে উঠতে চাইছো এটা মুখে বললেই হয়,,, আচ্ছা বুঝেছি।,,,,, ওয়েট……..”
ইয়ানা এবার চমকালো,, ভড়কালো,,, অপ্রস্তুত হয়ে ছিটকে সামান্য দূরে সরে দাড়ালো রিফাত হতে। এতক্ষণে হিংস্র বাঘিনী হুট করে বিড়াল ছানা বনে গেছে ,,,লজ্জায় চোখে মুখে হাত বুলিয়ে আশেপাশে তাকালো,,,, আশেপাশের মানুষে তাদের দিকে কেমন অদ্ভুত নজরে তাকিয়ে আছে তাদেখে ইয়ানা আরো বেশি লজ্জা পেয়ে গেল।। রিফাত এবার উপহাস্যপূর্ণ একটা হাসি দিল,,, বুঝেছে তার ডোজ কাজে লেগেছে।
সময় ব্যয় না করে ইয়ানার হাত ধরে গাড়ীতে বসায়,,,আর নিজে বসে ড্রাইভিং সিটে ,,,ইয়ানাকিছু বলার মত ভাষা খুজে পেল না তাই চুপ থাকাই শ্রেও মনে করল।।সময় পেরালো,,, গাড়ির জানলা ভেদ করে স্নিগ্ধ হাওয়া ছুঁয়ে দিলো ইয়ানাকে,,, এতক্ষণে ফুরফুরে মন মস্তিষ্ক হঠাৎ করেই অনুদ্বেল হয়ে পড়ল।,,, চঞ্চল মেয়েটা শান্ত হয়ে পড়ল,,, গলা কেমন ভার ভার লাগছে ,,,চোখটা মিটমিট করে বার কিছুক বন্ধ করলো খুললো।।
সময় পেরাল স্রোতের মতো প্রায় ১৫ থেকে ১৮ মিনিটের মধ্যে গাড়ি এসে থামল একটা লেকের ধারে।রিফাতের না বলাতেই ইয়ানা ডোর খুলে নেমে পড়ল,,, দিশাহীন হেঁটে গেল সামনের দিকে বিশাল একটা ঝিল,,, আশেপাশের সবুজ ঘাসেদের কার্পেট।লোকসংখ্যা কম হলেও প্রায় জনই কপোত কপোটি,,, তাই একে অপরের দিকে তাকানোর সময়নেই কারোরই।। মুহূর্তের মধ্যে রিফাত এসে ইয়ানার পাশে দাঁড়ালো লম্বা একটা শ্বাস টেনে ইয়ানার উদ্দেশ্যে কিছু বলার জন্য উদ্যোগী হতেই,,, ইয়ানা ঝিলের জলে নিজের অবয়ব এর দিকে তাকিয়েই শান্ত স্বরে বলল,,,,
“আমি জানি আপনি এই সম্পর্ক চান না।
জোর করে আর যাইহোক,কোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।একটা সময় হয়তো আপনি এই নাম মাত্র সম্পর্কের থেকে মুক্তি চাইবেন কিংবা হয়তো চাইছেন!আজ আমিই আপনাকে বলছি,আপনি যখন খুশি আমার থেকে মুক্তি নিতে পারেন। চিন্তা নেই,,কোনো দিন কোনো রকম অধিকার নিয়ে আপনার কাছে যাবো না।আপনি নিজের মতো করে জীবন কাটাতে পারেন,,,,আমি কোনো দিন বাঁধা হবো না।।”
এক নিশ্বাসে কথা গুলো বললো ইয়ানা। চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ল নোনা জল,,,বুকের বা পাশে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যন্ত্রণা।।,,,অদ্ভুত অনুভূতিরা দলা পাকিয়ে গেছে গলার মাঝ বরাবর।,,,রিফাত শান্ত দাড়িয়ে রইল,,,কিচ্ছু বলতে পারলো না।।,,,সে তো ইয়ানা কে এনেছিল কিছু কথা বলার জন্য,,,তার বন্ধু আহিল এর পরামর্শে,,, ইয়ানা কে কিছু অতীত বলতে এসেছিল সে,,,,কিন্তু ইয়ানার কথার কাছে তার সব শব্দ মিলিয়ে গেলো।
এক প্রণয় রাত্রি পর্ব ৯
“আমি একা চলে যেতে পারবো,,,আপনাকে আমার সাথে আসতে হবে না।।চিন্তা নেই দাদুর কথাতেও আমরা এক রুমে থাকবো না,,,”
চলে গেল ইয়ানা। চোখ তুলে কিংবা ঘুরে পর্যন্ত তাকালো না সে রিফাত এর দিকে,,,,দেখলো না রিফাত এর শান্ত স্নিগ্ধ মুখশ্রী।
