Home কিস অফ বিট্রেয়াল কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৪০

কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৪০

কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৪০
লামিয়া রহমান মেঘলা

খাবার শেষ করে কায়ান সেরিনকে নিয়ে রুমে ফিরে আসে। বাইরে বৃষ্টি থেমে গেছে। ঝরঝরে বৃষ্টিধোয়া প্রকৃতির বুকে নেমে এসেছে এক প্রশান্ত নীরবতা। জানালার কাঁচ বেয়ে গড়িয়ে পড়া শেষ বৃষ্টিবিন্দুগুলো যেন বিদায়ের সুর তুলছে। ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধ মিশে আছে বাতাসে। চারপাশের পরিবেশ শীতল ও কোমল হয়ে উঠেছে। দূরে কোথাও পাখির মৃদু ডাক ভেসে আসছে, আর জানালা দিয়ে প্রবেশ করা ঠান্ডা বাতাস ঘরটাকে আরও শান্ত, আরও স্নিগ্ধ করে তুলেছে।
সেরিন ভীষণ ক্লান্ত ছিল। রুমে এসেই সে গভীর ঘুমে তলিয়ে যায়। কায়ান নিঃশব্দে এসে তার পাশে বসে ল্যাপটপ চালু করে।

প্রতি মাসেই জারিফ এবং জিনুর জন্য কায়ান টাকা পাঠায়। এর পেছনে কারণ একটাই, ছেলে দুটো নিষ্পাপ। মেহেরীণ তাকে জানিয়েছিল, জারিফ এবং জিনুকে সে নিজের কাছে রেখে মানুষ করতে পারবে না। যদিও অর্থ কিংবা সম্পদের কোনো অভাব তার নেই। সে নিজেও একজন প্রতিষ্ঠিত ডক্টর।
তবুও যখন মেহেরীণ বিষয়টি কায়ানের কাছে তুলে ধরেছিল, তখন কায়ান তাকে ফিরিয়ে দেয়নি। কোনো প্রশ্ন করেনি। শুধু দায়িত্বটুকু নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিল। সেই থেকেই প্রতি মাসে নিয়ম করে জারিফ এবং জিনুর জন্য টাকা পাঠায় সে।
তবে আজও একটি প্রশ্ন তার মনে মাঝে মাঝে উঁকি দেয়। মেহেরীণ এমন সিদ্ধান্ত নিল কেন?
কায়ান সমস্ত ডিটেইলস খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে। না, প্রতি মাসেই বেশ বড়সড় একটি অঙ্কের টাকা মেহেরীণের কাছে যাচ্ছে।
একটি দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে তার বুকের গভীর থেকে। তারপর ধীরে ধীরে ল্যাপটপ বন্ধ করে সে সেরিনের দিকে তাকায়।
মেয়েটা ছোট্ট কোনো শিশুর মতো নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে। তার মুখজুড়ে ছড়িয়ে আছে প্রশান্তির ছাপ। ঘুমন্ত মুখের সেই সরল সৌন্দর্য কিছুক্ষণ নীরবে দেখতেই থাকে কায়ান।
এরপর সে আলতো করে ঝুঁকে সেরিনের কপালে একটি চুম্বন এঁকে দেয়।
তারপর নিঃশব্দে সেও এসে সেরিনের পাশে শুয়ে পড়ে। বাইরে বৃষ্টির পরের ঠান্ডা বাতাস জানালার ফাঁক গলে ঘরে ঢুকছে, আর সেই শান্ত পরিবেশের মাঝেই দুজনকে ঘিরে নেমে আসে এক গভীর, নির্ভার নীরবতা।

কক্সবাজার।
অনেক খোঁজাখুঁজির পরও মেহেরীণের কোনো সন্ধান পেল না জেবরান। সমুদ্রতট থেকে শুরু করে আশপাশের সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও যখন তার কোনো খোঁজ মিলল না, তখন উপায়ান্তর না দেখে সে মাহমুদকে ফোন করে পুরো ঘটনাটা জানায়।
সবকিছু শুনে মাহমুদ বিস্মিত হয়ে যায়। কিছুক্ষণ নীরব থাকার পর সে বলল,
“আজ রাতটা ছেলে দুটোকে কাছে রাখো। আমি কাল সকালেই কক্সবাজারে চলে আসছি।”
ফোন কেটে যাওয়ার পরও চারপাশে যেন এক অদ্ভুত ভারী নীরবতা ছড়িয়ে রইল।
এদিকে শিমুল রাতের খাবার খাইয়ে জারিফ আর জিনুকে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছে। ছোট্ট ছেলে দুটো নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে। তাদের নিষ্পাপ মুখশ্রী দেখে শিমুলের বুকটা হু হু করে ওঠে। অদ্ভুত এক মায়া জেগে ওঠে তার ভেতরে। কিন্তু কী-ই বা করার আছে তার। অনেক সময় ইচ্ছা থাকলেও মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে পরিস্থিতির কাছে।
জারিফ আর জিনু ঘুমিয়ে যাওয়ার পর শিমুল চুপচাপ বসে তাদের দিকে তাকিয়ে ছিল। এমন সময় জেবরান এসে পেছন থেকে তাকে জড়িয়ে ধরে।

আকস্মিক স্পর্শে শিমুল খানিকটা কেঁপে ওঠে।
জেবরান মৃদু হেসে তার ঘাড়ের কাছে মুখ নিয়ে নাক ঘষে আদুরে স্বরে বলে,
“এত স্ট্রেস নিও না, শিমুল। আমি আছি তো।”
স্বামীর এমন আশ্বাস আর সঙ্গ পেয়ে সত্যিই নিজেকে ভাগ্যবতী মনে হয় শিমুলের। লোকটা কতটা আদুরে, কতটা যত্নশীল, আর কতটা ভালোবাসে তাকে, তা আলাদা করে বলার প্রয়োজন পড়ে না। তার প্রতিটি আচরণ, প্রতিটি স্পর্শ, প্রতিটি দায়িত্ববোধ যেন সেই ভালোবাসারই নীরব প্রকাশ।
এসব ভাবতে ভাবতেই শিমুলের মুখে অজান্তেই একটুকরো প্রশান্তির হাসি ফুটে ওঠে।
জেবরান আর কিছু না বলে আলতো করে তাকে পাঁজাকোলে তুলে নেয়। তারপর ধীর পায়ে পাশের বেডরুমের দিকে এগিয়ে যায়।
বাইরে রাত আরও গভীর হতে থাকে। দূরে সমুদ্রের ঢেউয়ের মৃদু গর্জন ভেসে আসতে থাকে, আর সেই শান্ত রাতের আবহে ক্লান্ত দুটি হৃদয় কিছুটা স্বস্তির আশ্রয় খুঁজে পায় একে অপরের কাছে।

ঘড়ির কাঁটা তখন রাত ১টা ২০ মিনিট স্পর্শ করেছে।
হঠাৎ করেই সেরিনের ঘুম ভেঙে যায়। সন্ধ্যা থেকেই বৃষ্টি হচ্ছিল, তাই রুমের এসি চালানো হয়নি। অথচ মাঝরাতে তার ভীষণ গরম লাগতে শুরু করে।
চোখ খুলতেই সেরিন বুঝতে পারে, কেউ তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রেখেছে। খানিকটা নড়েচড়ে তাকাতেই দেখতে পায়, কায়ান তাকে আষ্টেপৃষ্ঠে আগলে রেখেছে।
সেরিন আলতো হাতে কায়ানের শক্ত মুঠো থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেয়। তারপর ধীরে ধীরে বিছানা ছেড়ে নেমে আসে।
সাইড টেবিল থেকে এসির রিমোট নিয়ে এসি চালু করে সে। এরপর পানি খাওয়ার জন্য এগিয়ে যায়। কিন্তু জগে কোনো পানি নেই।
তাই জগ হাতে নিয়েই রুম থেকে বেরিয়ে পড়ে সেরিন।
পুরো সিকদার নিবাস তখন নিস্তব্ধতায় মোড়া। চারপাশে গভীর রাতের নীরবতা ছড়িয়ে আছে।
সেরিন ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে আসে।
কিচেনের লাইট জ্বালানোর জন্য সুইচের দিকে হাত বাড়াতেই বাগানের দিক থেকে ভেসে আসে এক অদ্ভুত শব্দ।
হঠাৎ করেই ঘাবড়ে যায় সেরিন।

চারদিকে অন্ধকার। বাড়ির সবাই তখন গভীর ঘুমে মগ্ন। এমন সময়ে এই শব্দ কিসের?
হাতের জগটা কাউন্টারের ওপর রেখে সতর্ক পায়ে বাগানের দিকে এগিয়ে যায় সে।
বাগানের থাই গ্লাসের দরজাটা খোলার জন্য হাত বাড়াতেই আবারও সেই শব্দ কানে আসে।
দ্রুত দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে আসে সেরিন। কিন্তু বাইরে কাউকে দেখা যায় না।
অবাক হয়ে চারপাশে তাকায় সে। মাথা ঘুরিয়ে এদিক ওদিক খুঁজে দেখে।
কোথাও তো কেউ নেই। তবে শব্দটা এলো কোথা থেকে?
সেরিন কিছু বলার আগেই হঠাৎ পেছন থেকে ঊর্মির কণ্ঠ ভেসে আসে।
“ম্যাডাম, এত রাতে আপনি এইখানে?”
সেরিন পেছন ফিরে তাকায়। ঊর্মিকে দেখে ভ্রু কুঁচকে বলে,
“তুমি এখানে কি করো?”
ঊর্মি খানিকটা থতমত খেয়ে যায়।

“না ম্যাডাম, আমি নিচে শব্দ শুনলাম তাই আইলাম।”
“তুমিও শুনেছো শব্দ?”
“জি।”
“জানো, আমিও শুনেছি শব্দ।”
সেরিন চারপাশে আরেকবার তাকিয়ে দেখে। সিকদার নিবাসের উঁচু প্রাচীর টপকে কারও ভেতরে প্রবেশ করা প্রায় অসম্ভব। বাগানেও পাহারাদার রয়েছে।
হয়তো কোনো বেড়াল হবে।
এই ভেবেই সে ঊর্মিকে বলে,
“হয়ত কোনো বেড়াল হবে।”
ঊর্মি মাথা নেড়ে বলে,
“হ্যাঁ, হইতে পারে। আজ সন্ধ্যায় একটা কালা বেড়ালরে খাইতে দিছিলাম।”
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভেতরে ফিরে যায় সেরিন।
ঊর্মি স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে তার দিকে। সেরিনের পরনে তখন কায়ানের সেই সাদা শার্টখানা।
দৃশ্যটা দেখে রাগে জ্বলে ওঠে ঊর্মির ভেতরটা।

সেও ধীরে ধীরে সেরিনের পেছনে ভেতরে প্রবেশ করে।
ভেতরে ঢুকেই সামনের দৃশ্য দেখে তার রাগ আরও বেড়ে যায়।
কায়ান সেরিনকে কাছে টেনে সেরিনের ঘাড়ের পিছে হাত রেখে সেরিনের ঠোঁট দু’টো আঁকড়ে ধরে রেখেছে। যেন কত বছরের তৃষ্ণা জমেছে তার ভেতর।
সেরিন কায়ানের বুকে মৃদু আঘাত করে বলে,
“ছাড়ুন, কি করছেন এসব?”
কায়ান অভিমানী স্বরে বলে,
“আমাকে ফেলে চলে এসেছো কেন?”
সেরিন হেসে উত্তর দেয়,
“কই, কোথায় এসেছি? পাগল একটা।”
কায়ান আর কোনো কথা বলে না।
পরক্ষণেই সে সেরিনকে পাঁজাকোলে তুলে নেয়। তারপর দুজন আবার নিজেদের বেডরুমের দিকে চলে যায়।
ঊর্মি স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
তার হাত দুটো অজান্তেই মুঠোবদ্ধ হয়ে আসে।
প্রচণ্ড রাগে তার বুক জ্বলতে থাকে। হিংসার আগুনে ভেতরটা যেন ধীরে ধীরে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে।
ওরা রুমে চলে গেলে ঊর্মিও তার রুমে চলে যায়।

কায়ান রুমে ফিরে এসে সেরিনকে বুকের মাঝে টেনে নিয়ে শুয়ে পড়ে।
পানি খাওয়ার পর সেরিনও দ্রুত ঘুমিয়ে যায়। কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে তার দিকে তাকিয়ে থাকে কায়ান। মেয়েটার শ্বাসপ্রশ্বাস ধীরে ধীরে গভীর হয়ে এলে সে নিশ্চিত হয়, সেরিন সম্পূর্ণ ঘুমিয়ে পড়েছে।
পরক্ষণেই কায়ান আবার উঠে বসে বিছানার উপর।
এক মুহূর্তে তার চেহারার কোমলতা মিলিয়ে যায়। চোখেমুখে নেমে আসে এক ভয়ংকর হিংস্রতা, যেন অন্ধকারের ভেতর লুকিয়ে থাকা অন্য এক মানুষ জেগে উঠেছে।
তার বাম হাতের কনুইয়ে লেগে থাকা ভেজা মাটি সেরিনের চোখ এড়িয়ে গেছে।
কায়ান নিঃশব্দে বিছানা ছাড়ে।
তারপর বাড়ির পেছনের পথ ধরে আবারও বাগানের দিকে চলে যায়।
বাগানের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে বহু বছরের পুরোনো এক বিশাল আমগাছ। রাতের অন্ধকারে গাছটাকে আরও রহস্যময় লাগছে। বৃষ্টিভেজা পাতাগুলো বাতাসে দুলে দুলে অদ্ভুত শব্দ তুলছে।
সেই গাছের নিচে খোঁড়া রয়েছে বড় একটি গর্ত।
কায়ান গর্তের পাশে এসে দাঁড়ায়। তারপর কালো পলিথিনে মোড়ানো একটি নিথর দেহ সেখানে ফেলে দেয়।
চারপাশে কেবল রাতের নীরবতা।
কোনো সাক্ষী নেই।কোনো প্রশ্ন নেই। শুধু অন্ধকার।
এরপর ধীরে ধীরে গর্তটি ভরাট করে দেয় সে। জায়গাটাকে এমনভাবে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনে, যেন সেখানে কখনো কিছুই ঘটেনি।

বাগানের নানা জায়গায় জন্মানো ঘাস তুলে এনে মাটির ওপর বিছিয়ে দেয়।
কাজ শেষ হতেই হঠাৎ আকাশ ফেটে ঝুম বৃষ্টি নেমে আসে।
প্রকৃতি যেন নিজের হাতে সমস্ত চিহ্ন মুছে দিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে।
কায়ান দ্রুত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে।
রুমে ফিরে এসে ভেজা পোশাক বদলে নেয়।
তারপর আবার সেরিনের পাশে এসে শুয়ে পড়ে।
আলতো করে সেরিনের মাথাটা নিজের বুকে টেনে নেয়।
ঘুমন্ত সেরিন নিশ্চিন্তে তার বুকে মুখ গুঁজে থাকে।
ঠিক সেই মুহূর্তেই কায়ানের মনের গভীর অন্ধকার থেকে ভেসে আসে আরেকটি কণ্ঠ।
তার ডার্ক সাইড ধীরস্বরে ফিসফিস করে বলে,
“তোর এই মুখোশ যদি কোনোদিন সেরিনের সামনে খুলে যায়, তখন কী করবি? মানুষ অন্ধকারকে ভালোবাসে না, ভয় পায়। ভয় পেলে দূরে সরে যায়।”
কায়ানের গুড সাইড শান্ত স্বরে উত্তর দেয়,

“সেরিন আমাকে বুঝবে। আমার ভেতরের অন্ধকারটাকেও গ্রহণ করবে। সে আমাকে বদলে দিতে পারবে।”
ডার্ক সাইড তীক্ষ্ণ হাসিতে ফেটে পড়ে।
“মানুষ বদলায় না, কায়ান। মানুষ কেবল নিজের প্রকৃত রূপ লুকিয়ে রাখে। তুই যা, তাই থাকবি। আর যেদিন সে সত্যিটা জানবে, সেদিন তোর সবচেয়ে বড় ভয় শুরু হবে। সত্যি জানার পর মেয়েটাকে সেক বন্দি করে রাখটাই হবে তোর প্রধান কাজ।”
গুড সাইড আবার বলে,

“ভালোবাসা জোর করে ধরে রাখা যায় না। ভালোবাসা মানে বিশ্বাস।”
ডার্ক সাইড এবার আরও নিচু, আরও দৃঢ় স্বরে বলে,
“বিশ্বাস ভাঙে। মানুষ চলে যায়। কিন্তু হারানোর ভয় কখনো যায় না। ভালোবাসা তখনই সুন্দর, যখন সেটা তোর কাছেই থাকে। তোর দৃষ্টির মধ্যে থাকে। তোর স্পর্শের মধ্যে থাকে। তাই না চাইলেও ভালোবাসাকে সেকল বন্দি করে রাখতে হবে। ”
কায়ানের ঠোঁটের কোণে ধীরে ধীরে একটি বাঁকা হাসি ফুটে ওঠে।
সে নিজের ভেতরের অন্ধকার কথাগুলো শুনতে থাকে।
তারপর ঝুঁকে সেরিনের কপালে একটি চুম্বন এঁকে দেয়।
ঘুমন্ত মেয়েটার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলে,

কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৩৯

“তোমার নিস্তার নেই সেরিন।
না থাকতে চাইলেও তোমায় সেকল দিয়ে বেঁধে রাখব। চিন্তা করোনা।”
বাইরে তখন অবিরাম বৃষ্টি ঝরছে।
আর সেই বৃষ্টির শব্দের আড়ালে, কায়ানের বুকের গভীরে আলো আর অন্ধকারের যুদ্ধ আরও গভীর হতে থাকে।

কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৪১

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here