Home ছায়াস্পর্শ ছায়াস্পর্শ পর্ব ৪৭

ছায়াস্পর্শ পর্ব ৪৭

ছায়াস্পর্শ পর্ব ৪৭
জান্নাত চৌধুরী

রাতের প্রায় মধ্যপ্রহর হঠাৎ ঘুমের মাঝে গায়ে এর শিরশির হাওয়া অনুভব করলো চেয়ারম্যান। হালকা শীত শীত লাগছে , গায়ের পাতলা কাথাটা বেশ করে গায়ে উপর জড়িয়ে নিলো। তবুও শীত কমছে না ,
উঠে বসলো সে। অরুনিমা তখন গভীর ঘুমে , চেয়ারম্যান তার শান্ত সুশ্রী চেহারার দিকে একটু সময় ব্যয় করে তাকিয়ে থাকলো। চেহারায় বয়সের ছাপ নেই অরুনিমার! স্নিগ্ধ সুন্দর যাকে বলে। কপালো কতগুলো এলোমেলো চুল পড়ে রয়েছে। চেয়ারম্যানের ইচ্ছে হলো ওগুলো সরিয়ে দেবার ইচ্ছে কে প্রাধান্য দেওয়া আবশ্যক। তাই করলো, হাত বাড়িয়ে এলোমেলো চুল গুলো সরিয়ে দিলো। দরজার কাছে কিছু একটা নড়ে উঠতেই চেয়ারম্যানের মনোযোগ সরে গেলো। কেনো ছায়া দাঁড়িয়ে রয়েছে ওখানে। চেয়ারম্যান একটু খানি তাকিয়ে থেকে বিছানা ছেড়ে নেমে দাড়ালো। অরুনিমার ঘুমের ব্যঘাত ঘটবে বলে কোনো প্রকার শব্দ ছাড়াই দরজা খুললো সে।

ঘরে বাহিরের অন্ধকার বিদ্যুৎ থাকার পরেও এদিকটা অন্ধকার হবার কারন কী ? চেয়ারম্যান দরজার পাশে সুইচ খুঁজলো , অন্ধকারে কোনোমতে হাতরে হাতরে সুইচ চাপলো তবে আলো জ্বললো না। কারণ কি ? নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করলো। উত্তর পেলো না। একজোড়া নুপুরের শব্দ কানে বাজছে তার।‌ কেউ হাঁটছে তবে কোথা হাঁটছে? চেয়ারম্যান শব্দের দিক নির্ধারণ করে হাঁটতে শুরু করলো। অন্দর থেকেই আসছে। দোতলা থেকে নিচে তাকতেই দেখলো মাথায় ঘোমটা টেনে এই নারী অবয় বেরিয়ে গেলো সদর দরজা খুলে। চেয়ারম্যান একটু খানি তাকিয়ে থেকে দ্রুত সিড়ি বেয়ে নামলো। মেয়ে লোকে হাঁটা ধীর গতি। দ্রুত কদমে হেঁটে সদর দরজা পেরিয়ে খানিক হাটতেই আবারো দেখলো নারী অবয় কে।

চেয়ারম্যান পিছু নিলো – অমাবস্যার ঘন অন্ধকার এতে রাতে ভুতের দেখা মিলে। মা চাচিদের কথা , নারী অবয় নুপুরের ঝনঝন শব্দ তুলে এগিয়ে যাচ্ছে জঙ্গলের দক্ষিণ কোণে, এদিকে মীর বাড়ির অযত্নে বেড়ে ওঠা এক ছোট জঙ্গল রয়েছে। যেথায় বড় বড় কয়েকটা গাছ। আরো কিছুটা এগিয়ে গেলে বড় জঙ্গল তার পরেই খন্দকার বাড়ি। বললে চলে এটা খন্দকার বাড়ি যাবার গোপন পথ। যেটর সন্ধান আদতে কেউ জানে না। জঙ্গলের মাঝে এসে হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেলো নারীটি , আশেপাশে তাকিয়ে ঘাসের আড়াল থেকে বড় ধান এক কাঁচি বেড় করলো সে। হাতে। মোমবাতির হলুদ শিখার আলোতে চকচক করে উঠলো কাঁচিটি এর পর আবারো হাঁটতে শুরু করলো। চেয়ারম্যান তখনো অনুসরণ করছে নারীটিকে সে দেখতে চায় নারী কে ? তার উদ্দেশ্য কী? বিনা টর্চ অথবা বিনা অস্ত্রে তাড়াহুড়ো তে এসে খানিক ভয় ও করছে তার‌।

তবে এত দূর এসে ফিরে যাওয়া বোকামি হবে। নারীটির হাতে মোমের আলোতেই পথ যে টুকু পরিষ্কার হয় আর কী‌। চলতে চলতে খন্দকার বাড়ির সেই বিশাল জঙ্গলে এসে থেমেছে নারীটি। চেয়ারম্যান এক বড় গাছের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে ফেললো। প্রায় মিনিট পাঁচেক এর মাথায়। জঙ্গলের পথে হেঁটে এলো আরো একটি নারী , চেয়ারম্যান তীক্ষ্ণ চোখে নারীটিকে দেখলেন , কি আশ্চর্য দ্বিতীয় নারীকে তিনি চিনেন “জহুরা বেগম”! তার থেকে ভীষণ আবাক করা ব্যপার হলো নারীটির পেছনে রয়েছে “খন্দকার”! চেয়ারম্যান ঘটনা বুঝতে পারছেন না , কী হচ্ছে কী ঘটছে সব কেমন জানি গুলিয়ে ফেলছেন। জহুরা বেগম টানতে টানতে খন্দকার কে এনে ফেললেন ঠিক প্রথম নারীটির একদম পায়ের কাছে। চেয়ারম্যান এইবার শুষ্ক একটা ঢোক গিললেন‌ , প্রথম নারী ফতুয়ার কলার টেনে খন্দকার কে টেনে দাড় করালো। রাত বাড়তে থাকলো , ভয়ংকর এক নিশীথে সব কেবল ছায়া স্পর্শের মতো ধোয়াটে লাগছে। চেয়ারম্যান্যআদতেও বিশ্বাস করতে পারছে না কিছু। ঘটনা সত্য নাকি ভ্রম। প্রথম নারীটি হাতের ধারলো কাঁচি দারা প্রথমে এক কোপ খন্দকারের কাধে বসালো। কাঁচিটা বোধহয় মাংসের সাথে আটকে গিয়েছে। পুরো জঙ্গলে ছড়িয়ে পড়লো চেয়ারম্যানের আত্মচিৎকার তবে সেই চিৎকার জঙ্গলে বাহিরে বেরোনোর আগেই গিলে নিলো পরপর দুটো শেয়ালের ডাক।

জহুরা বেগম খন্দকারের পায়ের এক লাথি মেরে হাটু ভাঁজ করে মাটিতে বসালো তাকে। দ্বিতীয় বারের মতো কোপ বসানোর আগে নারীটি সতর্ক হবার জন্য পেছন ঘুরতেই তার চেহারা স্পষ্ট দেখলো চেয়ারম্যান। বিরবির করে আওড়ালো , “ ব‌উ রানী।”
ইফরাহ আবারো দ্বিতীয় কোপ বসালো খন্দকারের গলায়। চিরচিরে রক্ত ছিটকে এসে মুখে লাগলো তার। জহুরা বেগম খন্দকারের হাত দুটো আরো শক্ত করে চেপে ধররো। এবার মোক্ষম কাজ টা করবে ইফরাহ। কাঁচির ধারালো মাথার দিয়ে বেশ সযত্ন কাটরো খন্দকারের গলার নলি। লোকে বলে , গু খাওয়া কুকুর কোনো কালেই তার স্বভাব পরিবর্তন করে না। এই নরকের কিট ও তাই বৃদ্ধা বয়সেও এদের জাউরামি কমে না। খন্দকারের জান প্রায় যাই যাই অবস্থা , জহুরা বেগম খানিক ঝুঁকে তার কানের কাছে মুখ নিয়ে বলল , “ আজ নারী লোভী ছিলেন বলেই আপনাকে টোপ দেওয়া বড্ড সহজ হয়েছিল খন্দকার বাবু। আমি কৃতজ্ঞ থাকবো আপনার এই উপকারের জন্য। তবে হ্যাঁ আপনাকে ঠিক যতখানি কষ্টের মৃত্যু দেওয়া প্রয়োজন ছিলো তার কম দিলাম। কারণ আপনার কাঁচা কলিজার স্বাদ নেবার বড্ড শখ আমাদের। আহারের জিনিসের এতো কষ্ট মানা যায় বলুন?”

ছটফট করতে করতে প্রাণ ত্যাগ করলো খন্দকার। চেয়ারম্যানের শরীর ঘামছে। শিরশির বাসতেও অনাবরত ঘাম ঝড়ছে দেহ থেকে। সে শুষ্ক ঢোক গিলে গলা ভেজালো। ইফরাহ মাটিতে হাঁটু গেঁড়ে বসলো । মিথা থেকে শাড়ির আঁচলটা পড়তেই লম্বা বেনুনি করা চুল উন্মুক্ত হলো। লাল শাড়িতে অমাবস্যার হলুদ আলোতে অপ্সরা লাগছে হয়তো। ইফরাহ এবারে করলো কী কাচি টা খন্দকারের বুকের মাঝ বরাবর বসিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে দিলো এক টান। সঙ্গে সঙ্গে বুক ফেড়ে মাংস বেড়িয়ে এলো। সাদা ফতুয়া পড়েছিলো খন্দকার রক্ত স্রোতে কেমন লাল বর্ণ ধারণ করলো। পরপর তিনবার এক‌ই জায়গায় কাঁচি দিয়ে ক্ষত করলো। এরপর দক্ষ হিতে কলিজার অবস্থা নির্ধারণ করে টেনে বের করে আনলো মেয়েটা। ঠিক যেন মর্গে লাশের কাটা ছেঁড়া করা হচ্ছে এমন। রক্তে ঘ্রাণ যেন উন্মাদ করে তুলেছে ইফরাহ কে। দেহে ভেতর যেন কোনো এক পৈশাচিক স্বত্ত্ব জেগে উঠেছে তার। গরম কলিজা হাতে নিয়ে চোখে মুখে উজ্জ্বল এক খুশি রেখা দেখা গেলো তার। একটু বোধ হয় স্বস্তি পেলো জহরা‌ ক্লান্ত দেহে বসে পড়লো লাশের সামনে। ইফরাহ শান্ত চোখে খন্দকারের কলিজার দিকে তাকিয়ে আছে, হাত চুইয়ে রক্ত পড়ছে।‌ জহুরা বেগম ডুকরে ডেকে উঠলো , “ আপা , আপা রে। দেখ , দেখ না তোর খুনি আজ শাস্তি পেয়েছে আপা।

ইফরাহ তখনো কলিজা হাতে নিয়েই বসা। হঠাৎ কি হলো , তরতাজা উষ্ণ কলিজাতে কামড় বসালো সে। কামড়ে আলাদা করলো কিছু অংশ , এরপর নরখাদকের মতো চিবিয়ে চিবিয়ে খেতে শুরু করলো
খন্দকারের কলিজা। পর পর তিনটে কামড়ে কলিজার এক অংশ গিলে খেলো সে। এর পর বাকি অর্ধেক এগিয়ে দিলো জহুরা হাতে।

এতো বর্বরতায় দূরে দাড়ানো চেয়ারম্যানের গা গুলিয়ে এলো বোধহয়। খুন অব্দি হয়তো ঠিক ছিলো তবে এই কলিজা খাওয়া তার ঠিক লাগে নি। ভয় হলো নিজের জন্যে , সামনে বসা যমদূতের দিকে চেয়ে চেয়ে খন্দকারের জায়গায় নিজেকে কল্পনায় রাখলো। জহুরা কলিজায় একবার কামড় বসিয়েও খেতো পারলো না। ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে র‌ইলো ইফরাহর দিকে। ততক্ষণে খন্দকারে ফুসফুস টেনে বের করে নিয়েছে মেয়েটা। ফুসফুস থেকে রক্ত তরল গড়িয়ে পড়ছিলো। একটু খানি নেড়ে চেড়ে দেখে কাচি দিয়ে ফুসফুসের পাতলা আবরণ ছিলে ফেললো সে। জহুরা শুধুই তাকিয়ে দেখছে ইফরাহ উন্মাদনা , পাতলা আবরণ , ছিলে কাঁচি ধরিয়ে দিলো জহুরা বেগমের হাতে। দু হাতে ফুসফুস চেপে ধরে কামড়ে খেতে শুরু করলো সে। মিনিট দুয়েকের মাঝেই পুরো ফুসফুসে গিলে বড় এক ঢোক গিললো ইফরাহ।

এবারে আর দাড়াতে পাড়লো চেয়ারম্যান। গলগল করে বমি করতে শুরু করলো সে। সচেতন হলো ইফরাহ , চেয়ারম্যান ততক্ষণে স্থান ত্যাগ করেছে। বসা ছেড়ে আরো খানিক এগিয়ে আশেপাশে নজর বুলিয়ে আবারো এসে পাশে বসলো , “ লাশে ব্যবস্থা করা উচিত ইরা।”
ডান হাতে ঠোঁটের কোণ গড়িয়ে পড়া রক্ত তরল মুছে নিলো ইফরাহ, “শেয়ার খাবলে খাওয়ার জন্যে দেহেটাকে ফেলে যাওয়া উচিত আম্মা। ওদের হক নষ্ট করা বেইনসাফি হয়ে যাবে।”
জহুরা বেগম কুটিল হাসলো। ইফরাহ ধীরে ধীরে ধর থেকে মন্ডু টা আলাদা করে নিলো। খন্দকারে চোখ জোড়ায় কাঁচির মাথা ঢুকিয়ে বের করে মাটিতে ফেললো। মন্ডূ বিহীন মৃত দেহোটাকে টেনে ঝোপঝাড়ের আড়ালে ফেলে এলো জহুড়া। একটা গাছে ডাল ভেঙ্গে বিসমিল্লাহ বলে গেঁথে দিলো খন্দকারের দেহের মাঝবরাবর।

ইফরাহ ততক্ষণে চলে গিয়েছে কাঁটা মন্ডু হাতে। জঙ্গল থেকে বেড়িয়ে দুজনেই এলো মীর বাড়ির সেই বাগানের কাছে। পুরনো সেই রানী গোলাপ গাছের গোড়ায় কাঁটা মন্ডু টাকে রেখে হাত মাটিতে হাত বুলালো ইফরাহ। দু ফোঁটা চোখে পানি গড়িয়ে পড়লো তার। মাটির বুকে মাথা রেখে মাকে অনুভব করতে চাইলো সে। এই মাটিতে তা মা আছে। হ্যাঁ আছে এই মাটি তার মা। জহুরা বেগম কোত্থেকে জানি একটা কোদাল নিয়ে এলো ইফরাহর কাছে। পুরানো রানী গোলাপে গাছ থেকে প্রায় ৮ কদম দূরে খাল খুড়লো ইফরাহ। বেশ বড় সড়ো একটা খাল খুঁড়ে তাতেই জানাজা বিহীন দাফন করলো খন্দকারে কাটা মন্ডু।

জহুরা বেগম বেশ যত্নে মাটি চাপা দিলো মন্ডুটা। কাঁচা মাটির অবরণ ঢাকতে সবুজ ঘাসের এনে ঢেকে দিলো খুড়ার স্থান। ইফরাহ বড্ড ক্লান্ত লাগছে , চারদিকে খানিক বাদেই ফজরের আযান পড়বে। রক্ত মাখা কাপড়েই মীর বাড়িতে প্রবেশ করলো সে। হাতে পায়ে মাটি , যে আলতা রঙ্গা পায়ে বাড়ি ছেড়েছিল। সে পা আপতত কাঁদা মাটিতে ভরপুর। শাড়ির আঁচল মাটির ছুঁয়ে হেটে চলেছে ইফরাহর সাথে।
ইফরাহ ঘরের কাছে এলো , দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করতেই দেখলো আরাধ্য আরাধ্য তার সেই চেনা দোল খাওয়া চেয়ারে বসে দোল খাচ্ছে।
তার চোখে ঘুম নেই। ইফরাহ এক ধ্যানে হেঁটে হেটে গোসল খানায় ঢুকলো। আরাধ্য গাঢ় এক নিঃশ্বাসে টেনে চোখ বুজে নিলো।

গোসল খানায় পানির শব্দ হচ্ছে। সাথে ভেসে আসছে এক আহত হৃদয়ের আত্মচিৎকার। প্রায় ঘন্টা খানিক বাদে , ভেজা কাপড়ের ঘরের মেঝেতে এসে দাড়ালো ইফরাহ। একটু একটু করে এসে আরাধ্য পায়ে কাছে বসলো। ভেজা কাপড় শরীর সাথে লেপ্টে আছে , চোখে মুখে পানি। আরাধ্য পা জোড়া জড়িয়ে মাথা রাখলো কোলে। নিশ্চুপে বসে থাকলো অনেকটা সময়। ক্লান্তির ঘুম চোখজোড়ার তার।

কিছু সময় পেরিয়ে যেতেই , আরাধ্য উঠে দাড়ালো , গায়ের কালো গেঞ্জি টাহ এক টানে খুলে কোলে তুলে নিলো ইফরাহকে। আবারো হাঁটা দিলো গোসল খানার দিকে। মেয়েটার ছোট খাটো দেহটাকে বুকের সাথে লেপ্টে আছে আরাধ্যের। আরাধ্য শুষ্ক ঢোক গিললো , ভেজা কাপড়ের রমনী তাকে আকর্ষণ করছে।
শাওয়ার ছেড়ে দিতেই শীতল পানি দুটি দেহ ভিজিয়ে দিচ্ছেন। শীতল পানির ছোঁয়ায় মৃদু কম্পন হচ্ছে ইফরাহর দেহে। আরাধ্য কোল থেকে নামিয়ে দিলো ইফরাহ কে। ভেজা শরীরে সযত্নে সাবান মাখিয়ে দিলো। দুজনেই খানিক বাদে আবারো ঘরে এলো। আরাধ্য আলমারি হতে একটা শাড়ি বের করে ইফরাহকে যত্নের সাথে পড়িয়ে দিলো।
ইফরাহর ঘুমের প্রয়োজন খুন করা ক্লান্তির কাজ। আরাধ্য বলল ,

ছায়াস্পর্শ পর্ব ৪৬

“ তোমার একটা গভীর ঘুমের প্রয়োজন রক্তকমলিনী। বড্ড ক্লান্ত তোমার শরীর”
ইফরাহ ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকলো আরাধ্য চোখে। আরাধ্য কিছু বললো না , আবারো কোলে করে বিছানায় নিয়ে শুইয়ে দিলো ইফরাহ কে , পাশে নিজেও শুয়ে বুকের সাথে মিশিয়ে নিলো মেয়েটা। যে ছাড়া পেলেই পালিয়ে যাবে মেয়ে। এটা হতে দেওয়া অসম্ভব।

ছায়াস্পর্শ পর্ব ৪৭ (২)