প্রেমের বাজিমাত পর্ব ৪
রোজ ও রুশা
“কিরে বল কি হয়েছে? অই ভাইয়াটা তখন তর সাথে এমন করলো কেন?
“বাসায় এসে থ মেরে বসে আছে সেই কখন থেকে হেরা, রোজ রুশা কখন থেকে জিজ্ঞেস যাচ্ছে কি হয়েছে,কিন্তু হেরা এক টা কথাও বলে নি,বলবে কি করে ,,রাগে তার শরীর জ্বলে যাচ্ছে,, তখন হেরাকে পানি থেকে উঠিয়ে আনে রোজ ও রুশা, সাথে ঝিনুক ছিলো,সে সব টাই দেখেছে,একটা মেয়ে যতই খারাপ হোক না কেন তাকে অই অবস্থায় সাহায্য করবে না, এমন মেয়ে ঝিনুক না,নিজের শরীরের জ্যাকেট খুলে তাকে একটা রিকশা এনে দিয়ে বলেছিলো বাসায় চলে যেতে,,হেরা ও কিছু বলে নি চুপ চাপ বাসায় চলে এসেছে, রোজ বুজতে পারে এই মেয়ে আজ কিছু বলবে না,,তাই ফোন নিয়ে অন্য রুমে চলে যায়,,,
“এদিকে আয়, তোর গালে বরফ দিয়ে দেই, গালে ছাপ বসে গেছে,বেটা সয়তান হিরো!
এত সুন্দর ছেলে, অথচ আচরণটা একদম পুরোনো নকিয়া চার্জারের মতো।শালা”ভার্সিটিতে পড়িস,আবার নেতা ফেতা
কিন্তু ম্যাচুরিটি এখনো প্লে-গ্রুপের বাচ্চাদের মতো!!জানিস না মেয়েদের গায়ে হাত তুলতে নেই। শালা তোর বউ যাতে তোকে বাসর করতে না দেয় অভিশাপ দিলাম, আল্লাহ এই দোয়াটাও কবুক করে নিয়েন,তাহলে একটা বিরিখোরকে একটা বিড়ি খাওয়ামু তাও বেনসন!
আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন
-হেরাকে শান্তনা দেয়ার ভান করে বলে।
” থাক বইন কান্দিস না” তোরে একটা হাওয়াই মিঠাই বেশি খাওয়ামু,আমার ভাগের টা দিমু, তাও কান্দিস না!
-হেরা মনে হয় এই দুনিয়ায় নেই,, রোজ এসে রুশাকে সব বলে,,
সে নিলয় কে ফোন দিয়েছিলো,আর তার কাছ থেকে সব জানতে পারে,নিলয় তাদের বলেছে হেরাকে নিয়ে বের হতে তারা মিট করবে, হেরা প্রথমে যেতে রাজি হয় নি কিন্তু রুশা আর রোজ এর কারনে যেতে হচ্ছে।সে মন খারাপ করে আছে বলে দুই বদের হাড্ডি ও মন খারাপ করে বসে আছে,সারাদিন কিছু খায় ও নি অব্দি।রেস্টুরেন্টে মুখোমুখি বসে আছে হেরা ও নিলয়,নিলয় প্রথমে মুখ খুলে।
” প্লিজ হেরা কথা বলো,আমার খুব খারাপ লাগছে তোমার নিরবতা আমার ভালো লাগছে না হেরা,
হেরা নিশ্চুপ,
” সব দোষ আমার,আমার জন্য তোমাকে এতো কথা শুনতে হচ্ছে,আর তার জন্য তুমি আমার সাথে কথা বলছো না।
-হেরা এবার নিলয় এর দিকে তাকায়,ছেলেটা তার জন্য কেমন ব্যাকুল হয়ে থাকে সব সময়,কেম্পাসে সারাক্ষন তাকে সময় দেয়,তার কতো কেয়ার করে,কেউ কিছু বললে প্রতিবাদ করে,হয়তো অই সময় সে উপস্থিত থাকলে শেহতাজ খান নাভান কে কিছু বলতো,তার হয়ে প্রতিবাদ করতো,কিন্তু সে তখন ছিলো না বিধায় অই শেহতাজ খান নাভান তাকে থাপ্পড় মেরেছে, আর এখন সেই খবর শুনে ছেলেটা কেমন করছে,হয়তো ভাবছে তার জন্য এমন হয়েছে,নিজেকে অপরাধী করছে,কিন্তু না সবাই যেটা ভাবে সেটা তো না,তাদের কুরুচিপূর্ণ কথায় সে ধার ধারে না, তারা খুব ভালো বন্ধু,হেরা নিলয় এর চোখের দিকে তাকিয়ে বলে উঠে।
” দেখুন নিলয় চৌধুরী, আপনি কেনো নিজেকে দোষী ভাবছেন। আপনি যা করেননি, তার জন্য নিজেকে দোষী মনে করার দরকার নেই। কেউ আপনার নাম দিয়ে গল্প বানাতে পারে, কিন্তু সেটা সত্য নয়, আমার আপনার মধ্যে কোন বাজে সম্পর্ক নেই সেটা আমি আর আপনি জানি,এখন কে কি বললো তাতে আমাদের সমস্যা না থাকলে কে কি বল্লো তা শুনবেন কেনো।পিছনে অনেকেই অনেক কথা বলবে, তাই বলে কি আপনি যে যা বলছে তাই হয়ে যাচ্ছেন!
নিলয় মন খারাপ করে বলে_
“কিন্তু আমার মন যে অশান্ত হয়ে উঠেছে… আমি কীভাবে ঠিক থাকবো ? আমার নাম করে তোমায় বাজে কথা বলেছে,আর আমি কিছু করতে পারছি না!
-হেরা কোমলভাবে এই প্রথম নিলয় এর হাত ধরলো নিলয় চমকে তাকায় তার দিকে হেরা বলে উঠে ।
“মন শান্ত হওয়ার জন্য সব সময় সব দোষ নিজের কাঁধে নেওয়ার দরকার নেই। আপনি নির্দোষ, আর আপনি নির্দোষ থাকার সাহস মনে রাখবেন । মানুষ যা বলছে, সেটা তাদের মনোভাব। আপনি নিজের সত্যে থাকেন । নিজেকে দোষারোপ করে আপনি নিজেকেই ক্ষতি করবেন। অন্যরা মজা নিবে সেটা দেখে।
“থেমে আবার বলে হেরা।
“চিন্তা করবেন না,যে ক্ষমতার বড়াই অই শেহতাজ খান নাভান করে , তার অই ক্ষমতা, অহংকার আমি ধূলিস্যাৎ করবো।এটা আমার প্রমিস।
“কিন্তু হেরা আমার ভয় করে তোমার জন্য,
“আমি নিজেকে প্রটেক্ট করতে জানি নিলয় চৌধুরী।
-নিলয় আমতা আমতা করে বলে।
-তুমি অই নাভান এর থেকে দূরে থাকবে প্লিজ আমার সহ্য হবে না তার কাছে গেলে।
“রোজ হেসে বলে ফেলে।
-বাহ বাহ কি ব্যাপার চুইংগাম হিরো মতলব কি?
-নিলয় মাথা চুলকায় কি বলবে বোঝতে পারে না।রোজ আবার বলে।
” এতো জেলাসি কিন্তু ভালো লক্ষন না চুইংগাম হিরো।
-বেচারাকে এখন রোজ আর রুশা চুইংগাম হিরো বলে সম্মোধন করে, তাতে অবশ্য নিলয় এর ভালোই লাগে এখন,,হেরা বিরক্ত চোখে তাকিয়ে বলে রোজের উদেশ্য।
” দেখ আবার মি:নিলয় কে বিব্রতিকর অবস্থায় ফেলছিস,ফ্রেন্ড হিসেবে সে আমায় গাইড করতে পারে তোরা বাজে কথা বলবি না একদম। (কিছুটা রাগ দেখিয়ে)
-ফ্রেন্ড” না এটা হেরার মুখ থেকে শুনতে আর ভালো লাগে না,,মেয়েটা কি বোঝে না তাকে সে পছন্দ করে,নাকি বোঝেও ও না বোঝার ভান করে,নিলয়,হালকা হাশি দেয়,,
-রাতে নির্জন জায়গায় তিন টা বাইক দাড় করানো,,
তিনজন বাইকের উপর শুয়ে আছে এক পায়ের উপরে আরেক পা দিয়ে,,মুলত তারা চন্দ্র বিলাশ করতে এসেছে মাঝে মাঝে এই জায়গায় আসে তারা তিন বন্ধু,একটা ১০ কি ১২ বছরের ছেলে
চায়ের কাপ এনে দেয় তাদের সামনে।
“এই যে ভাইজান রা এই নেন আদা চা,
-অধীর হেসে বলে উঠে,,
“কিরে বিচ্ছু তুই এমন মজার চা কই থেকে বানানো শিখেছিস?
-উত্তরে বিচ্ছু ছেলেটি বলে উঠে।
“আরে আমার আম্মার কাছ থেকে,,,
“এবার নাভান উঠে বসে।
“তা বিচ্ছু তোর মা এখন কেমন আছে,?
“ভাই”মায় অনেক ভালা আছে,তোমারে যাইতে কয়,তুমি তো অনেক দিন যাও না,,আর খালাম্মায় ও জায় না।
-নাভান আদুরে স্বরে বলে।
“তোর এডভোকেট খালাম্মা অনেক বিজি,তাই যেতে পারছে না,আমি যাবো সময় করে।
-ছেলেটি হাসি দিয়ে চলে যেতে নিলে, নাভান আবার বলে উঠে।
-বিচ্ছু তোর পড়াশুনার অবস্থা কেমন?
“ভাইজান খুব ভালা চলতাছে,আমি বড় হইয়া তোমার মতো মেস্তরি হমু,,,
-অধীর বেশ আগ্রহ নিয়ে বলে।
“মেস্তরি মানে?
“হ ভাইজান,ভাই যেমন হুন্ডা ঠিক করে নতুন হুন্ডা বানায় আমি তেমন মেস্তরি হমু,,,
“বলে ছেলেটা ছুট লাগায়,,
-অধীর নাভান এর দিকে তাকিয়ে হাসে।
“শেষ মেষ মেস্তরি,ডিগ্রি ওয়ালা মেস্তরি, আজ থেকে ইঞ্জিনিয়ার মুড অফ মেস্তরি মুড অন।
“বলে অট্টহাসি তে ফেটে পরে, সেখান তিনজন আড্ডা দিয়ে শপিং মলে চলে যায়,অধীর এর জন্য ফোন কিনতে,ফোন কিনতে এসে কিছু শপিং করে অধীর আর সৃজন,
— আয়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়া! (রুশা চিল্লিয়ে)
—–নায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়া( অধীর চিল্লিয়ে)
“লাইফ আপডেট অধীর এর গোপন জিনিস আর গোপন থাকলো না।
“রুশা আয়ায়া আর অধীর নায়ায়া বলে তো দেয় এক চিৎকার।
“”ট্রায়াল রুমে দাঁড়িয়ে শার্ট খুলে যেই পেন্ট এর চেন লাগাতে যাবে তখনি একটা মেয়েকে দেখে দুই হাত দিয়ে ঢেকে ফেলে নিজের মেইন পয়েন্ট ! হ্যাঁ অধীর এর কাছে এটাই একটা পুরুষ এর মেইন পয়েন্ট,যা থাকলে সে পুরুষ, আর না থাকলে তালি ওয়ালা লোক, তাই তো এটাই সবার আগে, দরজা খোলা দেখে,, অধীর জলদি দরজা টেনে ধরে,,আরে এই দরজার সিটকিনি দেখি খুলে গেছে,আর তার জন্য মেয়েটা তার ইজ্জৎ দেখে ফেলেছে।যতো শক্তি আছে দরজা টেনে ধরে আছে অধীর, শপিংমল টা তে সব কিছুই আছে ঢাকার খুব নামি দামি শপিংমল এটা,রুশা বোরিং ফিল করছিলো বলে হাটতে হাটতে তিন তলা শপিং মলে চলে আসে, সারাদিন পর খেয়েছে তারা ,মন টা ভিষণ খারাপ ছিলো হেরার জন্য, তাই না খেয়ে একটু কষ্ট দিবস পালন করছিলো,কিন্তু নিলয় এমন ভালো রেস্টুরেন্টে এনেছে আর খাবার গুলা সেই ছিলো তাই তো ইচ্ছে মতো পেট পূজা করেছে,পেট শান্তি তো দুনিয়া শান্তি, হটাৎ পেটে মোচড় দেয়ায় ওয়াশরুম খুজছিলো একজন কর্মচারীকে জিজ্ঞেস করতে দেখিয়ে দিয়েছে, ওয়াশ রুম আর ট্রায়াল রুম ভুজতেই পারছে না কোন টা, লোকটি দেখিয়ে দিয়েছে ডানে রুশা গেছে বামে,নেপালে তো ওয়াশ রুম আর ট্রায়াল রুম কতো সুন্দর,এখানের পরিবেশে সে নতুন তাই বোঝতে পারছে না,এর মধ্যে সাইনবোর্ডে তো “দের ” লেখা আগে পিছনে ছেলে না মেয়ে তা মুছে গেছে,মূলত রঙ উঠে গেছে,
রুশা দুই তিন টা ধাক্কা দেয় সব গুলা বন্ধ একটা একটু ফাকা দেখে যে ধাক্কা দেয় তখনি সে সিনারি দেখে ফেলে,,,বেচারি সিনারি দেখেই অজ্ঞান হয়ে গেছে,ভাবা যায় যে মেয়েটা সিনারি দেখার জন্য পাগলামি করতো,সেই মেয়েটা সিনারি দেখে অজ্ঞান হয়ে গেছে।
রুশা যদি সজ্ঞানে থাকতো তাহলে হয়তো বলতো,
“” ভন্ড জয় আমির তো সিনারি দেখাবে বলেছে, সত্যি কি দেখিয়েছিলো নাকি, আচ্ছা অন্তু কি তার সিনারি দেখে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলো?
“প্রশ্ন থেকে যায় কিন্তু উত্তর কে দিবে,অন্তু জয় নাকি লেখিকা তেজা আফা।
“এদিকে রুশার চিল্লানো শুনে , রোজ ছুটে আসে, সে তার পিছু পিছু বের হয় রেস্টুরেন্ট থেকে,হেরা আর নিলয়কে স্পেস দিয়ে চলে আসে তারা, সৃজন ও ছুটে আসে, দুই জন দুই মোড় থেকে আসতে ডুকতে যাবে তখনি স্লিপ খেয়ে রোজ এর উপর পরে,,সৃজন নিজেকে সেভ রাখার জন্য সামনের বেক্তিকে ধরতে গিয়ে অ জায়গায় হাত দিয়ে দেয়, রোজ এর বেহাল অবস্থা,চোখ মুখ খিচে আছে মেয়েটা,,সৃজন উঠতে যাবে তখন হাতে নরম কিছু লাগতে রোজ চিল্লিয়ে উঠে, থতমত খেয়ে যায় সৃজন ছেলেটা একেবারে ঘেমে গেছে,, এমন পরিস্থিতিতে কোনো দিন পরবে তা ভাবতে পারে নি,,সে উঠে হুড়মুড়িয়ে চলে যায়,অই অধীর এর কি হয়েছে তা পরে দেখা যাবে আগে পাবলিক দের ক্যালানি থেকে বেচে ফিরুক সে। মনে মনে দোয়া পরে ছুট লাগায় ছেলেটা।
‘’লা ইলাহা ইল্লা আংতা, সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন ।’’
-রোজ উঠে নিজেকে স্বাভাবিক করে,, মেয়েটার বুক ধরফর করছে,নিজের সাথে কি হয়ে গেলো, তা ভুলে ছুটে গেলো প্রানপ্রিয় বান্ধবী রুশার কাছে,এর মধ্যে মলের লোকজন তাদের কাছে আসে,ধরাধরি করে মেয়েটাকে ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যায়,ইতিমধ্যে নিলয় ও হেরা তাদের কাছে যায়,রুশা চোখ তুলে তাকাতে সে চারিদিক তাকিয়ে দৌড় দেয়,সবাই বেক্কল হয়ে যায়,হলো টা কি,হেরা ও রোজ ও ছুটে তার পিছু,রাস্তায় নামতেই হেরা চিল্লিয়ে উঠে।
“” রুসুন রানী, থাম বলছি! হচ্ছে টা কি ব্লাসন স্টিকার লাগাতে চাস গালে ,তো দৌড়া,,
-মেয়েটি বোধয় এবার থমলো।হাপাতে হাপাতে দাঁড়ায় রুশা ।
রোজ দৌড়ে এসে দেয় এক লাথি রুশার পিছনে,কিন্তু সঠিক সময়ে সরে যেতে বের্থ হয় রোজ,রাগি গলায় মেয়েটি বলে উঠে।
-শালি কুত্তার মতো দৌড়ানি খাওয়ালি কেন!এই দৌড় টা স্কুলে খেলার সময় দিলে নিশ্চিত প্রাইজ আনতে পারতাম,
-অই শালি কুত্তা কি রে” ডগ বলবি ডগ”।
-রুশার কথায় রাগ হয় রোজ বলে উঠে।
” রাখ তোর ইংরেজি,শালি তোর জন্য আজ আমার ঠোট ভার্জিনিটি হারাইছে!
-রুশা যেনো ভাবলেশহীন, তার ঠোট এর বিষয় টা যেনো তুচ্ছ,সে যা হাড়িয়েছে তা কিভাবে ফেরত পাবে।রুশা কাদো কাদো কন্ঠে বলে উঠে।
” তোর ঠোট,আর, আমার চোখ তার ভার্জিনিটি হারাইছে! যা সিনারি দেখছি এই জীবন এ এমন সিনারি দেখি নাই আমি!
–বলে ভে ভে করে কেদে দেয়!
-হেরা দুইটার মাথায় চাপর দিয়ে বলে,,
“দুই টাকে কাল পাবনায় পাঠাবো!
-বলে টেনে নিয়ে যায়।নিলয় কে মেসেজ দিয়ে তারা বাসার উদ্দেশ্য গাড়ি ঠিক করে বাসায় আসে।
“” নিলয় কি ভাবছিস?
__ক্লাবে দুই বন্ধু নিলয় ও সায়েম বিয়ার খাচ্ছে ও সব কথা বলছে এতো দিন কি কি হয়েছে, সায়েম এতো দিন ছিলো না,সে তার গ্রামের বাড়ি গিয়েছে বেড়াতে,এসে এতো কিছু শুনে অবাক, নিলয় এক চুমুক বিয়ার খেয়ে বলে উঠে।
“অই মেয়েকে আমার চাই চাই দোস্ত!
-নিলয় কে উদেশ্য করে বলে উঠে সায়েম-
” বন্ধু আমার তাহলে সত্যি প্রেমে পরেছে?
“প্রেম নাকি জানি না,তবে অই মেয়েকে দেখলে আমার খারাপ কোনো ইচ্ছে জাগে না” মেয়েটা এমনি রে,,
“কিন্তু তোকে পাত্তা দিচ্ছে না ব্যাপার টা অন্য রকম না,নাকি কেউ আছে লাইফে?
উত্তরে নিলয় বলে।
” না অইসব নাই”আমি সব জেনেছি!
” এসব রাজনৈতিক বিষয় এর সাথে জড়ালি কেনো মেয়েটাকে।
“” আমি জড়াতে চাই নি,কিন্তু তাও জড়িয়ে গেছে”ওর ও ইচ্ছে ছিলো,,যখন দেখলাম হেরার ইন্টারেস্ট আছে তখন ভাবলাম আরেকটু উষ্কে দি,,আর আমি জানি এবার ও অই শেহতাজ খান নাভান এর জন্য আমি হাড়বো,আর তাকে হাড়াতে আমার যা করার লাগে আমি তাই করবো!
নিলয় এর কথায় রাগ প্রকাশ পায়, সায়েম বলে উঠে।
“ভাই অই শেহতাজ খান নাভান এর পশমে পশমে বুদ্ধি, দেখবি শালা কোন দিক দিয়ে বাজিমাত করে দেয়।
” এবার আর চান্স নেই বন্ধু,রাজ্য ও রানী দুইটাই আমার কব্জায়।
“সায়েম যেনো নিলয় এর কথাটা আমলে নিলো না”ছেলেটা বলে ফেললো।
প্রেমের বাজিমাত পর্ব ৩
” ভাই মেয়ে মানুষ এরা,কখন কি করে ঠিক বোঝতে পারবি না,আর অই শেহতাজ খান নাভান কে তো মেয়েরা এমনি পাগল এর মতো চায়,সেখানে অই মেয়ে যে এমন কিছু করবে না তার কি গেরান্টি আছে,,?
“নিলয় মুখে হাসি রেখে বলে।
” ভাই, তারা দুজন দুজন কে একদম পছন্দ করে না,আর আমি হেরার কানে এমন বিষ তুলেছি,যা সাপ এসেও তুলতে পারবে না।
তার পর হেরার সাথে ঘটে যাওয়া ঘঠনাও বলে।এবার সায়েম ও হাসে।
