Home প্রেয়সীর অনুরাগ প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ৩৩

প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ৩৩

প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ৩৩
Sadiya Jahan Simi

বাচ্চামো স্বভাবটা এখন আর নেই রাফসার মাঝে। চোখ দুটো যেন আগুন বের হচ্ছে তার। নাকের ডগায় ছোট ছোট শিশিরের ন্যায় ঘামের বিন্দু জমেছে। রাগে গজগজ করছে অষ্টাদশী। কত বড় চালাকি করেছে ওর সাথে! আর ও নিজেই কেন সে ফাঁদে পা দিয়ে ফেলল? রাফসা রাগে অভিমানে মুখ ঘুরিয়ে নিস্তব্ধ শহরে তাকিয়ে রইল। কোনো কথা বলল না আর। কোনো কৈফিয়ত চাইল না। উদ্যান ড্রাইভিংয়ের মাঝে বেশ কয়েকবার আড়চোখে তাকায় বউয়ের দিকে। যে কিনা এই মুহূর্তে রেগে পটকা মাছের মতো ফুলে আছে। তার কাছে এই মুহূর্তে আসলেই এতো টাকা নেই। বোরকা কিনে দিবে কি করে? মেডিকেলে জয়েন করেছে বেশিদিন হয়নি। বাইরে থাকাকালীন খরচ হয়েছে প্রচুর।

যা জমানো টাকা ছিল বাড়িতে ফেরার সময় সব টাকা শেষ। প্রত্যেকের জন্য গিফট কিনে সে দেউলিয়া হয়ে আছে। দেশে ফিরেও তো কোনো কাজ করেনি। এখন এটা কি করে বুঝাবে এই অভিমানী কন্যাকে! আশ্চর্যের ব্যাপার উদ্যান ভয় পাচ্ছে রাফসার সাথে কথা বলতে। মাঝ রাস্তায় না আবার চেঁচিয়ে উঠে। ড্রাইভিং করার মাঝেই রেস্টুরেন্ট চোখে পড়ল। খিদে পেয়েছে তার অনেক। রাফসাও বোধহয় সন্ধ্যায় কিছু খায়নি। বাড়ি ফিরে ঘুমেই দেখেছিল তাকে। আর বাড়িতে বোধহয় এতক্ষনে সবাই খেয়ে শুয়ে পড়েছে। রেস্টুরেন্টের সামনে গাড়ি সাইড করে বিনা বাক্যে বেরিয়ে গেল উদ্যান। গাড়ি থেমে যাওয়াতে ভ্রু কুঁচকালো রাফসা। এই মাঝরাস্তায় কি হলো আবার! মিনিট পাঁচেক বাদেই উদ্যান ফিরে এলো। হাতে বিরিয়ানির প্যাকেট। তবুও ঘ্রাণটা বাড়ি খাচ্ছে যেন রাফসার নাকে। মুহূর্তেই খিদে পেল যেন রমনির। দুপুরে না খেয়ে ঘুম দিয়েছিল রাফসা। এক ঘুমে সন্ধ্যা। তারপর তো আর কিছুই খাওয়ার সুযোগ হয়ে উঠেনি। রাফসার ভাবনার মাঝেই গাড়ি যেন নড়েচড়ে উঠল। বুঝতে পেরেই দৃষ্টি সরিয়ে আনলো। নিস্তব্ধতা ভেঙে উদ্যান ধীর কন্ঠে বলল,

” সরি। এই মুহূর্তে এতো টাকা ছিল না আমার কাছে। রাগ করে থাকিস না।”
রাফসা আড়চোখে তাকায়। ভ্রু কুঁচকে বলল, ”একশো টা বোরকা চাইলাম। কিন্তু আপনি দিলেন না।”
উদ্যান বুঝতে পারে তার বউয়ের রাগের চেয়ে অভিমান বেশি হয়েছে। ”পরে টাকা হলে কিনে দিবো।”
রাফসা মুখ ফিরিয়ে নেয়। ভেংচি কেটে বলল,
” পরে টাকা হতে হতে যদি আমি আর না থাকি। সময় ফুরিয়ে গেলে কাকে কিনে দিবেন একশো টা বোরকা?”
রাফসার এহেন কথায় মুহূর্তেই শান্ত যুবক অশান্তে পরিণত হয়। কপালে ভাঁজ পড়ল কয়েক স্তর। হাত কেঁপে উঠলো সহসা। তার সঙ্গে বোধহয় বুকটা ও কাঁপছে। হিসহিসিয়ে বলল,
” কি বলছিস এসব?”
” যা সত্যি,তাই বললাম।”
” কোথায় যাবি তুই আমাকে ছেড়ে!” উদ্যানের কথায় কেমন অসহায়ত্ব টের পেল রাফসা। লোকটা বুঝি সিরিয়াস ভাবে নিয়েছে কথাটা। রাফসা নিজেও বুঝতে পারল উদ্যানের পরিস্থিতি। অযথা রাগ করে লাভ নেই। টাকা থাকলে অবশ্যই উদ্যান কিনে দিতো। দুজনের মধ্যে আর কোনো কথা হলো না।

রাত হয়েছে অনেক। প্রায় সাড়ে এগারোটায় কোটায় ঘড়ি। গাড়িটি ফরাজী বাড়িতে এসে থামে। চারদিকে নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে। ঝিঁঝিঁ পোকার আওয়াজ আসছে ক্ষীণ গতিতে। উদ্যান আগেই নেমে ডিকি থেকে একে একে প্রতিটা শপিং ব্যাগ বের করে নিল। রাফসা আড়মোড়া হয়ে বের হলো। উদ্যানের কাছে দাঁড়িয়ে বলল, ” আমাকে দিন কিছু।”
” লাগবে না। সামনে হাট।”
অগ্যতা বাধ্য হয়েই রাফসা বাড়ির রাস্তা ধরল। পেছনে ওর সূরক্ষাকবজ ছায়ায় মতো আসছে। দরজার কাছে দাঁড়াতেই ভেতর থেকে কেউ দরজা খুলে দিল। রোহান ছাড়া আর কেউ নয় সেটা। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে চোখ ছোট ছোট করে বলল,

” এতোক্ষণ কোন রাজকাজ করেছিস তোরা? আমাকে ঘুমাতে দিলি না।”
রাফসা ক্লান্তিতে এক হাতে রোহানকে ধাক্কা মেরে ভেতরে যেতে যেতে বলল, ” তোমাকে ধরে রেখেছিলাম নাকি ! ঘুমাওনি কেন?
” তোর জামাই হুকুম দিয়েছে, আমি যেন চোখজোড়া খুলে দরজা খোলার জন্য বসে থাকি।”
রাফসা ততক্ষণে সোফায় বসে টি-টেবিল থেকে পানি ঢেলে সবেই মুখে দিচ্ছিল। রোহানের কথায় ততক্ষণাৎ মুখের ভেতরে যাওয়া পানি টুকু বেরিয়ে এলো। কাশতে কাশতে মুখ লাল হয়ে গেছে। উদ্যান হাতের ব্যাগ গুলো সোফায় ফেলে মাথায় মৃদু চাপড় মারতে মারতে পানি খাওয়ায়। রাফসা স্বাভাবিক হয়ে চোখ বড় বড় করে তাকালো রোহানের দিকে। রাফসাকে নিজের দিকে এমন করে তাকিয়ে থাকতে দেখে রোহান জিজ্ঞেস করল,
” কি হয়েছে? এমন করে তাকিয়ে আছিস কেন তুই! আমাকে কি বেশি সুন্দর লাগছে? বিয়ের বয়স হয়েছে তাই না? যে কেউই দেখলে বলে দিতে পারবে আমার চেহারা সুন্দর হয়ে যাচ্ছে। আরো বেশি সুন্দর হবে যদি বিয়েটা করি।”
” তুমি এতো কথা বলো কি করে!”
” সব দয়ালের ইচ্ছে। আর মুখ দিয়েছেই তো কথা বলার জন্য। শুধু শুধু কেন মুখটাকে কথা না বলে বন্ধ রাখব! তাহলে তো মুখে জং ধরে যাবে। পরে যদি কোনো মেয়ে আমাকে বিয়ে না করে! নিজে তো বিয়ে করে বসে আছিস। আমি তোর বড় হয়ে এখনো বিয়ে করতে পারলাম না। মানুষ শুনলে ছিঃ ছিঃ করবে। আমার যদি একটা বউ থাকতো তাহলে এমন করে শপিং করে দিতে পারতাম। আর বউ না..
আর বলতে পারল না রোহান। তার আগেই উদ্যান ধমকে উঠলো।

” চুপ কর শালা।”
রোহান চোখ বড় বড় করে তাকালো। এগিয়ে এসে উদ্যানের পাশে বসে। অবাক হয়ে বলল, ” কি বললি তুই? আমি তোর শালা! তুই ভুলে যাচ্ছিস আমার বোন জারাকে বিয়ে করিসনি। রিশানের বোন রাফসাকে করেছিস। আমি তোর শালা হবো না।”
” চুপ করবি তুই?”
রোহান চুপ করল না। উল্টো বুঝানোর সহিত বলল , ” আহ রে তুই বুঝতে পারছিস না কেন। শোন আমি তোর শালা হবো না তো। আমি যেহেতু রাফসার বড় তাই সমন্ধি হবো। আর আমি রাফসার বড় আব্বুর ছেলে। হচ্ছে কি জেঠাতো ভাই। তার মানে পুরো হিসেব করলে হবে যে আমি তোর জেঠাতো সমন্ধি।তাহলে শালা বলছিস কেন!”
লোহানের এহেন আজগুবি কথা শুনে হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে গেল রাফসা। কিসব বলছে! রাফসাকে এভাবে দাড়িয়ে যেতে দেখে রোহান ফের বলল,

” এখন তোর সায়েন্স বুঝাই। শোন তুই আমার ছোট চাচার মেয়ে। মানে চাচাতো বোন। উদ্যান ও আমার চাচাতো ভাই। আমি তোদের জেঠাতো ভাই। এখন কথা হচ্ছে যে তোর জামাই হলো উদ্যান।মানে তোর চাচাতো জামাই। তোর চাচাতো জামাইয়ের জেঠাতো ভাই আমি। আমি উদ্যানের দুই মাসের ছোট। তাহলে হবো দেবর। আর যেহেতু আমি জেঠাতো ভাই, সেহেতু আমি তোর জেঠাতো দেবর। আর উদ্যানের জেঠাতো সমন্ধি। বুঝতে পেরেছিস?”
উদ্যান বিরক্ত হয়ে উঠে দাঁড়ালো। বিরিয়ানির প্যাকেট গুলো এক হাতে নিয়ে অন্য হাতে রাফসার হাত চেপে ধরল। রোহান পুনরায় বলতে শুরু করল,
” আর তোদের বাচ্চা হলে..
রাফসার হাত ধরে নিয়ে যেতে যেতে উদ্যান বিরক্ত গলায় বলল, ” তোর বকবক শোনার সময় নেই।”
” আরে আমার কথাটা শোন। পুরোটা শেষ করতে দে।”
ওরা আর পেছনে তাকালো না। রোহান দুই হাত কোমরে রেখে গম্ভীর গলায় বলল, আমি তো খুব ভালো সায়েন্স পারি। আলবার্ট আইনস্টাইন এতো সহজে এভাবে প্যাঁচ ভাঙ্গতে পারতো না। আমাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত।”

উদ্যানের রুমের পরেই রাফসার রুম। ভেবেছে নিজের রুমেই চলে যাবে। কিন্তু উদ্যান রাফসাকে নিয়ে নিজের রুমেই ঢুকে। দরজা বন্ধ করে দিল সাথে সাথে। রাফসা অবাক হয়ে বলল, ” এখানে এনেছেন কেন?”
উদ্যান ভ্রু কুঁচকে তাকালো। খাবারের প্যাকেটগুলো টেবিলের উপর রেখে বলল,
” কাজ আছে। আর রুমের কি অবস্থা করে রেখেছিস! আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি। বোরকা খুলে আগে রুমটা গুছিয়ে নে।”
” আজব এতো রাতে রুম গোছানোর জন্য এনেছেন! আর আমি কেন আপনার রুম গুছাবো, আজব!”
” রুম এলোমেলো করেছে কে? ত্যাড়ামি না করে তাড়াতাড়ি বোরকা খুলে রুম গোছা। তারপর নিচ থেকে প্লেট নিয়ে আয়।”
রাফসাকে কিছু বলার সুযোগ দিল না উদ্যান। ফ্রেশ হতে চলল ওয়াশরুমে। বিরক্ত হয়ে রাফসা দাঁড়িয়ে রইল। দুপুরেই এই হাল করেছে নিজের হাতে। কে জানতো ওকেই সব গোছাতে হবে! আর দাঁড়িয়ে থাকল না। বাধ্য হয়েই রাফসা একে একে সব কাজ গুছিয়ে নিচ্ছে। সোফার কুশন মেঝে থেকে তুলে জায়গায় রাখল। বইগুলো তাকে তাকে সাজিয়ে রাখল। কমফোর্টারটি সুন্দর করে ভাজ করে বিছানা গুছানোর কাজ শেষ করে। তারপর নিচ থেকে প্লেট নিয়ে আর পানি নিয়ে আসে। কাজ শেষ করে রাফসার‌ বোরকা খোলার কথা স্মরণ হলো। টেনে টুনে হিজাব খুলে নিল। বোরকাটা খুলে এক হাত দিয়ে ছুড়ে মারল। উদ্যান সবেই ফ্রেশ হয়ে বেরিয়েছিল। হঠাৎ মুখে কিছু একটা পড়তেই অবাক হলো। কাপড়টা মুখের উপর থেকে সরিয়ে ভ্রু কুঁচকে তাকালো রাফসার দিকে। কিছু বলল না।
তাওয়াল দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে বলল,

” তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে আয়। রাত অনেক হয়েছে। সকালে ডিউটি আছে আমার।”
রাফসা বাধ্য মেয়ের মত ফ্রেশ হতে চলে যায়। বেরোয় মিনিট পাঁচেক বাদেই। উদ্যানকে সোফায় বসে প্যাকেট থেকে প্লেটে খাবার ঢালতে দেখা গেল। রাফসাকে দেখেই বলল,
” এদিকে আয় ফাস্ট।”
যেতেই উদ্যান হাত ধরে টান মেরে পাশে বসিয়ে দিল। এক লোকমা মুখের সামনে ধরে বলল, ” ত্যাড়ামি না করে জলদি জলদি ফিনিশড কর। আ’ম টায়ার্ড।”
খিদে থাকার কারণে রাফসা আর কিছুই বলল না। উদ্যানের হাতেই খাবার খেলো চুপচাপ। রাফসাকে খাইয়ে দেওয়ার মাঝে নিজেও খাওয়া শেষ করে। পানি খেয়েই রাফসা উঠে দাঁড়ালো। নিজের রুমের উদ্দেশ্য পা বাড়ানোর আগেই উদ্যান খপ করে কোলে তুলে নিল। রাফসা পুরোই হতবাক। কথা বলার সময়টুকু পেল না। ততক্ষণে উদ্যান ঘরের লাইট নিভিয়ে রাফসাকে নিয়েই শুয়ে পড়ল।

” এইই আমি আমার রুমে যাবো।”
”এটাই তোর রুম, এখন চুপ থাক।”
রাফসা আর কিছু বলতেই যাবে হুট করে উদ্যান প্রশ্ন করল, ” তুই রেজিস্ট্রি পেপারে সাইন করেছিলি কেন? আমি যা করেছি তাতে আমায় ঘৃণা করার কথা ছিল।”
উদ্যানের কথায় রাফসা শান্ত হয়ে গেলো। তারপর ধীর কন্ঠে বলল, ” আমি আপনার আলমারিতে একটা ডায়েরী পেয়েছিলাম। যাতে আমার প্রেমে পড়া থেকে শুরু করে কিছু কথা লেখা ছিল। এই বাড়ির একজন আমাদের সংসারটাকে ভাঙ্গার দোহাই দিয়ে আপনাকে আমার থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করতো। আপনি ও সব মুখ বুজে সহ্য করলেন শুধু মাএ দাদার কারণে। দাদা মৃত্যুর আগেই কথা নিয়েছিল এই সংসার কখনো যেন না ভাঙ্গে।”
” হুঁ, আরো কিছু কারণ আছে। উনার বোনকে তোর আব্বু ফিরিয়ে দিয়েছিল। তাও কিভাবে জানিস? আমি যেভাবে তোকে কথাগুলো বলে অপমান করেছিলাম ঠিক সেইভাবে। আমি কখনোই তাকে ভয় পেয়ে এসব কথা তোকে বলতাম না। বলতে হয়েছে ছোট চাচীর জন্য। ওনি সংসার এবং তোর পড়াশোনার ব্যাপারে অনেক চিন্তিত ছিল। চাচী বুঝতে পেরেছিল তুই আমার প্রতি উইক। সেই মুহূর্তে তোকে প্রশ্রয় দেয়া আমার ঠিক হবে না। সেই মানুষটির সংসার ভাঙ্গার কথায় ছোট চাচী জোরাজুরি করেছিল। বাড়ির বউরা দাদাকে কথা দিয়েছিলেন কখনো সংসার ভাঙ্গতে দিবে না।

” তারমানে আম্মু জানে! আমাদের বিয়ের কথাও জানে?”
” হ্যাঁ সব জানে। এন্ড আজকের তিন কবুলের সম্পূর্ণ কাহিনী চাচীর দেওয়া আইডিয়া। ইসলামিক বিয়ের ব্যাপারে চাচী বেশি চিন্তিত ছিল। ওনার কথাতেই আজকে সব হয়েছে।”
রাফসা স্তব্ধ হয়ে শুনলো সব। ও ভাবতেই পারছেনা সবকিছু ওর আম্মু জানে।
” আমার প্রতি আর কোনো অভিযোগ নেই তো তোর?”

প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ৩২

রাফসা মৃদু স্বরে বলল, ” উঁহু কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু আপনি আমার গায়ের রং নিয়ে কেন খোটা দিয়েছিলেন!”
রাফসার কথায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে উদ্যান। দুহাতে শক্ত করে চেপে ধরল বউকে। গালে হালকা করে ঠোঁট চেপে বলল,
” বাধ্য হয়েই বলেছি জান। তুই আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নারী। আমার বউয়ের মতো সুন্দর নারী এই পৃথিবীতে একজনও নেই।”

প্রেয়সীর অনুরাগ পর্ব ৩৩ (২)