Home হৃদয় রাঙানো প্রেম হৃদয় রাঙানো প্রেম পর্ব ১৪

হৃদয় রাঙানো প্রেম পর্ব ১৪

হৃদয় রাঙানো প্রেম পর্ব ১৪
সিনথিয়া ইসলাম সীমা

সাদা-নীলাভের মিশ্রণে উজ্জ্বল দিগন্তে সহসা নেমে এলো এক গোমট অন্ধকার। কালো মেঘেদের আড়ালে তলিয়ে গেলো ধরনী। আকাশ ভেঙে নামল জলের ধারা, সঙ্গে শীতল হাওয়া। ভ্যাপসা গরম শেষে এ যেন এক পশলা শান্তি।
কৃশানের ছুটন্ত পদ যুগল এসে থামলো বাড়ির দোরগোড়ায়। হাঁপাতে হাঁপাতে কাকভেজা দেহে ভিতরে প্রবেশ করলো সে। বাইরের প্রকৃতি যতটা সরব ঠিক ততটাই নীরব হয়ে আছে বাড়ির ভেতরটা। পুরো ঘরময় অন্ধকারে আচ্ছন্ন। কোথাও কোনো শব্দের বালাই নেই। নিস্তব্ধ বাড়িটিতে পা রাখতেই কৃশানের মন গহীনে উঁকি দিলো একটাই প্রশ্ন,
“ ঐ মেয়েটা কোথায়? ভয় পাচ্ছে না তো? ”
ইকরার ফেরা সম্পর্কে অবগত নয় সে। তাই ব্যাপারটা একটু বেশিই ভাবালো তাকে। ধীর পায়ে নিজ কক্ষের সামনে এসে দাঁড়ালো। ঠোঁট নেড়ে উচ্চারণ করল,

“ হুমায়রা…? ”
নীরব বাড়িটিতে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল নামটি। চার দেয়ালে বারি খেয়ে ফিরে এলো একই স্বর। ওপাশ থেকে কোনো উত্তর না পেয়ে আবারও ডেকে উঠলো কৃশান,
“ এই হুজুরনী, কই তুই? ”
পূর্বের ন্যায় গাম্ভীর্যতার অস্তিত্ব পাওয়া গেলো না কণ্ঠটায়। এবারও কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে ফোনের ফ্ল্যাশ জ্বালিয়ে পুরো রুমে চোখ বুলালো। শূন্যতায় ডুবে থাকা কক্ষটি আবিষ্কার করতেই ভ্রু বেঁকে এলো ছেলেটার। বারান্দায় গিয়েও একই ঘটনা ঘটলো। ত্রস্ত পায়ে রুম ছেড়ে বেরিয়ে পড়লো। জোর গলায় ডাকলো,
“ হুমায়রা…? ”
বাড়ির প্রতিটা কাণায় কাণায় পৌঁছালো সেই ডাক। তবে নামের মালকিনের কোনো প্রতিত্তুর পাওয়া গেলো না। হৃদ গহীনের ক্ষুদ্র আতঙ্ক এবার ছড়িয়ে পড়তে লাগল কঠোর মানবের পুরো শরীরে।

“ হুমায়রা…? ”
কণ্ঠের মাঝেই ছড়িয়ে পড়ছে আতঙ্ক। গাম্ভীর্যে ভরপুর কণ্ঠটা আজ অত্যধিক শক্তিহীন শুনা যাচ্ছে। একে একে ড্রয়িং রুম থেকে শুরু করে রান্নাঘর অব্দি ছুটে চললো। নাহ, কোথাও দেখা মিলল না কাঙ্ক্ষিত রমনীর।
“ ভাইয়া কীছু হয়েছে..? ”
চোখ ডলতে ডলতে রুম থেকে বেরিয়ে এলো ইকরা। কৃশানের চিৎকারে কাঁচা ঘুমটা ভেঙে গেছে তার। ইকরাকে দেখতেই এক টুকরো আশার আলো খুঁজে পেলো ছেলেটা। তড়িঘড়ি করে বোনের নিকট এসে জিজ্ঞেস করলো,
“ তুই কখন এলি? আর তোর বান্ধবী কী তোর রুমে? ”
“ বিকেলে, আব্বু এসে দিয়ে গেছে। আর হুমায়রা তো তোমার রুমেই! একটু আগেই তো চলে গেলো। বলেছে- বৃষ্টিতে নাকি তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়বে। ”
আশার আলোটা দপ করে নিভে গেলো কৃশানের। তবে ভিতরের অবস্থা বুঝতে না দিয়ে উল্টো শাসনের স্বরে বলল,

“ ফাজলমো করছিস? তোর বান্ধবী রুমে নেই আমি মাত্র দেখে আসলাম। ”
ভ্রু জোড়া কুঁচকে গেলো ইকরার। ঘুম থেকে উঠে ফাজলামো কেন করতে আসবে সে? তাও আবার এই খচ্চরের সাথে।
“ তোমার সাথে ফাজলামো কেন করতে যাবো আমি! বিশ্বাস না হলে রুম চেক করে দেখো। ”
বলেই দরজা ছেড়ে দাঁড়ালো। প্রদর্শিত হলো মেয়েটার খালি কক্ষ। সাথে সাথেই ভেসে আসলো কৃশানের অত্যধিক শান্ত স্বর,
” তাহলে তোর বান্ধবী কোথায়! ”
“ আরে রুমেই আছে তুমি হয়তো অন্ধকারে ভালো মতো দেখো নি। ”
পুরো আত্মবিশ্বাস নিয়ে কৃশানের রুমের দিক হাঁটা ধরলো ইকরা। হাতে করে কৃশানের ফোন টা নিয়ে গেলো। সে জানে হুমায়রা রুমেই থাকবে। কেননা রুম ছেড়ে বাইরে কোথাও গেলে ইকরাকে অবশ্যই ডাকতো। আর এমন অন্ধকারে বাইরে কোথায়ই বা যাবে ওঁ?
তার ভরসায় শান্ত হতে পারলো না কৃশান। একেবারে নিখুঁত ভাবে বাড়ির প্রতিটা কোণা চেক করেছে সে। এমনকি যে নামাজঘরে আজ অব্দি তার পা পড়ে নি সেখানেও গিয়েছে। নিজেকে শান্ত রাখার ব্যার্থ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। বারবার মস্তিষ্কে প্রশ্ন জাগছে,

“ তার কেন এমন লাগছে! এমনটা তো হওয়ার কথা নয়? ঐ মেয়ে যেখানে ইচ্ছা সেখানে যাক- এতে তার কী? ”
তবে মনটা কোনোমতেই শান্ত হচ্ছে না। ঐ সরল মুখখানা না দেখা অব্দি যেন তার শান্তি নেই।
শেষ আশা টুকু নিয়ে ছাদের উদ্দেশ্যে রওনা হলো কৃশান। যদিও এই বৃষ্টি বাদলে মেয়েটার ছাদে থাকার সম্ভাবনা একেবারেই নেই। তবুও পা চালিয়ে ছাদের দরজা অব্দি এলো। তখনি বিদ্যুত চমকানোর লাল রশ্মিতে আলোকিত হলো পুরো ছাদ। ঝিরঝির বৃষ্টিতে ছাদের মাঝখানটায় মোনাজাত রত অবস্থায় বসে থাকা কাঙ্ক্ষিত মানবীকে দৃষ্টিগোচর হতেই থমকলো কৃশান। আতঙ্কিত হৃদয় শীতল হলো তার। পদ যুগল আপনা আপনিই এগিয়ে গেলো সেদিকে।
“ আল্লাহুম্মা সায়্যিবান নাফিয়া ”

বেশ কয়েকবার দোয়াটি জপে সৃষ্টিকর্তার নিকট হাত তুলেছে হুমায়রা। বড়ো করে শ্বাস টেনে নিলো সে। পরপর বৃষ্টিদাতার নিকট তোলে ধরলো তার অপরিপূর্ণ চাওয়ার ভান্ডার।
তার মুখোমুখি হয়ে বসে আছে কৃশান। শান্ত চোখ জোড়া তাকেই দেখছে নিখুঁত ভাবে। মেয়েটার চোখ বন্ধ। ঠোঁট জোড়া নেড়ে অনবরত কী যেন বলে যাচ্ছে। নাকের পাটা ক্ষণে ক্ষণে ফোলে উঠছে যেন এখনি চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়বে। দোয়ার শেষ বেলায় এসে ঠোঁট ভেঙে শব্দহীন কেঁদে উঠলো হুমায়রা। বলতে লাগলো,
“ হে আমার প্রতিপালক, তুমি আমার ধৈর্য্য আরও বাড়িয়ে দাও। জীবনে যত কঠিন মুহূর্তই আসুক না কেন- তোমার রহমত থেকে আমায় বঞ্চিত করো না। আগত দিনের কোনো এক সিজদায় যেন আমি আমার স্বামীর হেদায়েতের সুখে কাঁদতে পাড়ি- সেই দিন আসা অব্দি আমায় রহমত প্রদান করো।

আর তুমি তো জানো, তোমার এই পাপী বান্দিটা বড্ডো ভালোবাসার পাগল, আমার স্বামীর মনে আমার জন্য ভালোবাসা দাও, তাকে আমার প্রতি নরম করো। আমি যেন তার মন জয় করতে পারি সেই তৌফিক দান করো। ”
ঠিক একই সময়ে তার ক্রন্দনরত মুখ পানে চেয়ে আল্লাহর সবচেয়ে অনিয়মিত একজন বান্দা বলে উঠলো,
“ হে মালিক, তোমার এই পবিত্র বান্দির সকল চাওয়া পূর্ণ করে দাও। ”
ছাদের দরজায় দাঁড়িয়ে ভাই আর ভাবীকে একত্রে সৃষ্টিকর্তার নিকট চাইতে দেখে মুচকি হাসলো ইকরা। তাদেরকে খুঁজতে খুঁজতেই এখানে এসেছে সে। কাঙ্ক্ষিত মুখগুলোর দেখা মিলতেই সকল চিন্তার পাহাড় মাথা থেকে ঝেড়ে সেও ঠোঁট নেড়ে রবের নিকট আবদার করলো,
“ হে আমার রব, তোমার এই দুই বান্দা, বান্দির ইচ্ছাগুলো তুমি পূরণ করে দিও। ”
অতঃপর একই দোয়া ধ্বনিত হলো তিনটি মানুষের অন্তর থেকে। আর তা পৌঁছে গেলো তাদের মালিকের নিকট। দয়াময় পরম করুনাময় কী সেই দোয়া কবুল না করে থাকবেন?

দীর্ঘ মোনাজাত শেষ করে চোখ খুললো হুমায়রা। অসময়ে চোখের সামনে কাঙ্ক্ষিত ব্যাক্তির সাক্ষাতে বুক সুদ্ধ ধ্বক করে উঠলো তার। পিছিয়ে গিয়ে ভরকানো কণ্ঠে বলল,
“ আপনি এখানে..! ”
“ বৃষ্টিবিলাস করতে এলাম। ”
আকাশের দিক তাকিয়ে নির্লিপ্ত কণ্ঠে উত্তর করলো কৃশান। পরপর প্রশ্ন ছুঁড়লো,
“ তো মোনাজাতে এতক্ষন কী চাইলি? আর ঘর ছেড়ে এখানে কেন মোনাজাত? ”
“ এমন বৃষ্টিতে দোয়া কবুল হয়। ”
“ তাহলে নামাজে আর মোনাজাত ধরিস কী করতে? ”
ভ্রু কুঁচকে গেলো মেয়েটার। বলল,

“ দোয়া কবুল হওয়ার অনেক মাধ্যম আছে। এই যেমন, সিজদায় দোয়া কবুল হয়, ইফতারের সামনে বসে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়, এমন ঝিরঝির বৃষ্টিতে ভিজে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়.. আরও অনেক। এখন আল্লাহ কোথায় কার ডাক কবুল করে নেন এর কোনো নিশ্চয়তা আছে? তাই সব মাধ্যমেই চাইতে হয়। ”
বিজ্ঞের মতো মাথা দোলালো কৃশান। বলল,
“ বুঝলাম, তা এখন কী ঘরে যাবি নাকি এখানেই রাত কাটাবি? ”
“ আপনি না বৃষ্টি বিলাস করতে এসেছেন? তাহলে আপনার সাথে বৃষ্টি বিলাস করেই যাই? ”
এক জোড়া গভীর দৃষ্টি নিক্ষিপ্ত হলো তার উপর। কান্নার দরুণ মুখটা এখনো লালিত হয়ে আছে মেয়েটার। অথচ ঠোঁটের মধ্যে স্নিগ্ধ হাসি। এতক্ষন না কাঁদলো? এখনি আবার হাসছে! কী আজব নারী! আচ্ছা কিসের জন্য এভাবে কেঁদেছিল মেয়েটা? তাও আবার এমন অন্ধকার আচ্ছন্ন বৃষ্টিময় রাত্রে?
তার ভাবনার মাঝেই আবারও শুনা গেলো হুমায়রার কন্ঠ,

“ কিছু বলছেন না যে? আপনি কী আসলেই বৃষ্টি বিলাস করতে এসেছেন? নাকি আমায় খুঁজতে এসেছিলেন? ”
“ তোকে দিয়ে আমার কী কাজ …? ঘরে যা। ”
মুখটা চুপসে গেলো হুমায়রার। বলল,
“ আপনার সাথে যাবো। ”
“ মার খাবি? ”
“ আপনি দিলে না খেয়ে উপায় আছে? ”
মেয়েটার চঞ্চলতা দেখে হতাশার নিঃশ্বাস ফেললো কৃশান। সরাসরি হুমায়রার চোখে চোখ রেখে জিজ্ঞেস করলো,
“ ভয় হয় না তোর? ”
“ কিসের? ”
“ এখন যদি তোকে আমি মেরে ফেলি? ”
“ আমার মৃত্যু যদি এভাবে লেখা থাকে তাহলে মরবো। এখানে ভয় পাওয়ার কী আছে? ”
“ বড্ডো সাহস বেড়েছে তোর! ”
চুপ রইলো হুমায়রা। বৃষ্টির কারণে ঠিক মতো চোখ খুলে তাকাতেও পারছে না। অথচ কৃশান কীভাবে পলকহীন তাকিয়ে আছে! তার অবস্থা দেখে কৃশান কড়া স্বরে আদেশ ছুঁড়লো,
” ঘরে যা। ”
” আপনি যাবেন না? ”
” তোকে যেতে বলেছি আমি, আমারটা আমি দেখবো। ”
ধমকে উঠলো কঠোর মানব। এবেলায় আর কথা বাড়ানোর সাহস পেলো না হুমায়রা। মলিন মুখে বসা থেকে উঠে হাঁটা ধরলো।

রুমে এসে শাওয়ার নিতে চলে গেলো হুমায়রা। ওয়াশরুম থেকে বেরোতেই দেখা মিললো কৃশানের। হুমায়রা বেরোতেই কোনোদিক না তাকিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকে পড়লো সে। এতক্ষন ছাদে বসে সিগারেট ফুঁকে এসেছে । মূলত এই কারণেই আরও ধমকে পাঠিয়ে দিয়েছে হুমায়রাকে।
মিনিট দশেকের মধ্যেই গোসল সেরে বেরিয়ে এলো কৃশান। এসে দেখলো বিছানায় বসে সমানে হাঁচি দিয়ে যাচ্ছে হুমায়রা। হাঁচির কারণে চোখ দিয়ে পানি এসে পড়েছে মেয়েটার। কৃশানকে দেখতেই অসহায় মুখ করে বলল,
“ আমার সাথে একটু রান্নাঘরে যাবেন? নয়তো আপনার মোবাইলটা একটু দিন আমিই যাচ্ছি। ”
“ কেন? ”
“ চা বানাতে। ”
কিছুক্ষণ মেয়েটার লালিত চোখ মুখের দিক তাকিয়ে রইলো কৃশান। পরপর উত্তর করলো,
“ চল। ”

রান্নাঘরে চুলার সামনে দাঁড়িয়ে চা বানাচ্ছে হুমায়রা। তার থেকে একটু দূরেই মোবাইলের ফ্ল্যাশ জ্বালিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কৃশান। মনোযোগ তার মোবাইলের স্ক্রিনে। চিনির বয়াম নিতে চুলার সামনে থেকে একটু ওদিকটায় গেলো হুমায়রা। সেখানটায় তেমন একটা আলো পৌঁছাচ্ছে না। তবে রান্নাঘরের জিনিসপত্রের সাথে অভ্যস্ত হওয়ায় বয়াম খুঁজে পেতে সমস্যা হলো না তার। বয়ামটা হাতে নিয়ে দু’কদম এগোতেই একটা ইঁদুরের ওপর পা পড়লো। ওমনিই মৃদু চিৎকার বেরিয়ে এলো কন্ঠনালি চিরে। শব্দ পেয়ে চোখ তোলে তাকালো কৃশান। আকস্মিক ঘটনায় ভয়ে পিছিয়ে গেলো হুমায়রা। বেখেয়ালি ভাবে হাতটা চলে যেতে নিলো চুলার জ্বলন্ত আগুনের নিকট। সাথে সাথেই তাকে হেঁচকা টানে সরিয়ে আনলো কৃশান। হুমায়রার নরম সরম কায়াটা আছড়ে পড়লো কৃশানের বুকে। একসাথে শিউরে উঠলো দুটো শরীর। প্রগাঢ় হলো দুজনের হৃদ স্পন্দন। সজ্ঞানে আজ প্রথম স্বামীর এতটা কাছাকাছি এসেছে হুমায়রা। মেয়েটার যেন মনে হলো কোনো বিদ্যুৎ শক খেলো সে।
সহসা নিস্তব্ধ রান্নাঘরে পানি ফোটার শব্দে সম্বিৎ ফিরলো দুজনের। সাথে সাথেই ছিঁটকে দূরে সরে গেলো। লজ্জায় হাঁসফাঁস করে উঠলো হুমায়রা। সবকিছু কেমন যেন অস্বাভাবিক লাগছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কৃশান বলল,

হৃদয় রাঙানো প্রেম পর্ব ১৩

“ এভাবে চিল্লালি কেন? আর মনোযোগ কই থাকে তোর! এক্ষুনি তো হাত পোড়তি! ”
“ আসলে হঠাৎ ইঁদুরের ওপর পা পড়েছিল তাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। ”
কথার উল্টো পিঠে কিছু বললো না কৃশান। কড়া কণ্ঠে আদেশ ছুঁড়লো,
“ তাড়াতাড়ি কাজ শেষ কর। ”
তৎক্ষনাৎ চায়ের উপর মনোযোগ দিলো হুমায়রা।

হৃদয় রাঙানো প্রেম পর্ব ১৫