Home হৃদয় রাঙানো প্রেম হৃদয় রাঙানো প্রেম পর্ব ২০

হৃদয় রাঙানো প্রেম পর্ব ২০

হৃদয় রাঙানো প্রেম পর্ব ২০
সিনথিয়া ইসলাম সীমা

অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়ে আছে ধরনী। চারপাশে বিরাজ করছে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। সহসা সেই নিস্তব্ধতা চিরে এক নাগাড়ে করাঘাতের শব্দে মেজাজ তিরিক্ষি হলো রেখা বেগমের। অপর পাশের ব্যাক্তিকে ইচ্ছেমতো বকতে বকতে দরজাটা খুললেন তিনি। কিছু কড়া কথা শুনাতে যাবেন এর আগেই কৃশানের মুখায়ব দৃষ্টিগোচর হতেই থম মেরে গেলেন। এ সময়ে মোটেও তাকে আশা ভদ্রমহিলা। নিজেকে খানেক ধাতস্ত করে মেকি হেসে বললেন,
“ আরে জামাই বাবা যে! কেমন আছো? ”
“ ভালো, হুমায়রা কোথায়? ”
ভনিতা হীন প্রশ্ন ছুঁড়লো কৃশান। জামাইয়ের এমন ব্যাবহারে কিছুটা থতমত খেলেন রেখা বেগম। কই জিজ্ঞেস করবে, “ আপনি কেমন আছেন বা বাড়ির সবার খবরাবর জানতে চাইবে কিন্তু ছেলে দেখি সরাসরি বউয়ের খুঁজ করা শুরু করেছে! ব্যাপারটা বড্ডো অদ্ভুত লাগল তার। তবে কিছু বললেন না। হুমায়রার ঘর দেখিয়ে বললেন,
“ ঐ ঘরে আছে। ”

নিশক্তিতে নেতিয়ে পড়া শরীর খানা বিছানার সাথে এলিয়ে রেখেছে হুমায়রা। পুরোটা দিন না খাওয়া সাথে অত্যধিক কাজকর্ম করে একেবারে বেহাল দশা হয়েছে মেয়েটার। আজকে রান্না বান্না থেকে শুরু করে ঘরের সব কাজই হুমায়রাকে দিয়ে করিয়েছেন রেখা বেগম। একটা কাজ সেরে উঠতে না উঠতেই আরেকটা কাজ ধরিয়ে দিয়েছেন। তার এমন অমানবিক ব্যাবহারের পৃষ্ঠে কিচ্ছুটি বলতে পারেনি হুমায়রা। শুধু দুপুরের দিকে দুমুঠো ভাত চেয়েছিল। তবে সেটাও জুটেনি।
“ হুমায়রা..? ”
বন্ধ দরজা ভেদ করে অকস্মাৎ ভেসে আসলো একটি সুপরিচিত স্বর। বহু কাঙ্ক্ষিত মানুষটার গলা কর্ণপাত হতেই অচল মস্তিষ্ক সচল হলো হুমায়রার। সকল দুর্বলতাকে এড়িয়ে হাত ভর দিয়ে বিছানা ছেড়ে উঠলো সে। সাথে সাথেই মাথাটা চক্কর কাটলো। সেসবে তোয়াক্কা না করে ধীর পায়ে দরজার নিকট এগিয়ে গেলো। দরজা খুলতেই দৃশ্যমান হলো কৃশানের উদগ্রীব বদন। তবে তা ঠিকমতো দেখার আগেই সামনের সবকিছু অন্ধকারে তলিয়ে যেতে লাগলো মেয়েটার।
দরজায় ধরে হুমায়রাকে এভাবে ঢুলতে দেখে ভ্রু কুঁচকে গেলো কৃশানের। মুখ খুলে কিছু বলতে নিবে এর আগেই শরীরের ভার ছেড়ে ফ্লোরে পড়তে নিল হুমায়রা। আঁতকে উঠলো ছেলেটা। সাথে সাথেই নিজের বলিষ্ঠ হাতের আজলায় নিয়ে নিল স্ত্রীর লুটিয়ে পড়া দেহ খানা। কণ্ঠনালি চিরে বেরিয়ে এলো উদ্বিগ্ন স্বর,

“ হুমায়রা…! ”
কোনো সাড়া শব্দ পাওয়া গেলো না রমনীর তরফ থেকে। ফের শুনা গেলো একই কণ্ঠ,
“ এই হুজুরনী, এই কী হয়েছে তোর? ”
হুয়ারার গালে হালকা চাপড় মেরে বলল কৃশান। এবারও চার দেয়ালে বারি খেয়ে প্রতিধ্বনিত হতে লাগল তারই কণ্ঠ। অন্য কণ্ঠের কোনো অস্তিত্ব মিললো না সেখানে। সময় ব্যায় না করে হুমায়রাকে কোলে তুলে নিল কৃশান। বিছানার দিক পা চালিয়ে জোর গলায় হাঁক ছাড়ল,
“ অর্না…? ”
মিনিট খানেকের মধ্যেই ছুটে এলো অর্না। সামনের দৃশ্য দৃষ্টিগোচর হতেই চিৎকার করে উঠল,
“ আপুর কী হয়েছে..! ”
“ জলদি এক গ্লাস পানি নিয়ে এসো। ”
হুমায়রাকে বিছানায় শুয়াতে শুয়াতে আদেশ ছুঁড়লো কৃশান। সাথে সাথেই দৌড়ে পানি আনতে গেলো অর্না। পলকের মাঝেই ফিরে এলো। সাথে রেখা বেগমও এসেছেন। এসেই ড্রামাটিক মায়েদের মতো ভঙ্গিমা শুরু করলেন,

“ হায় আল্লাহ, কী হলো আমার মেয়ের! ”
মায়ের এমন অভিনয়ে নাক সিঁটকাল অর্না। চুপচাপ কৃশানের হাতে নিয়ে গ্লাস এগিয়ে দিল। হাতের মধ্যে হালকা পানি নিয়ে হুমায়রার চোখে মুখে ছিটাল কৃশান।
চোখে মুখে ঠান্ডা কিছুর স্পর্শ পেতেই পিটপিট করে চোখ খুলে তাকাল হুমায়রা। সামনে আবিষ্কার করলো একটি প্রিয় মুখ। ঠোঁট নেড়ে কী যেন বলছে সে,
“ কী হয়েছে? বেশি খারাপ লাগছে শরীর? ”
শরীরের অস্বাভাবিক দুর্বলতার কারণে কৃশানের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারল না হুমায়রা। নিভু নিভু চোখে চেয়ে রইল অপলক। হুমায়রাকে ধরে বিছানার সাথে হেলান দিয়ে বসিয়ে দিলো কৃশান। পরপর পানি ধরল তার মুখের সামনে। নিমিষেই গ্লাস খালি করল হুমায়রা।
“ কী হয়েছে? শরীরের এই অবস্থা কীভাবে হলো? ”
কৃশানের প্রশ্নে হুমায়রা কিছু বলার আগেই রেখা বেগম বলে উঠলেন,
“ আর বলো না! সারাদিন কিচ্ছুটি খায়নি মেয়েটা। এতো করে বললাম কিছু খেয়ে নে আমার কথা শুনলই না। ওঁর নাকি খেতে ইচ্ছে করছে না। ”

মামনির এমন ডাহা মিথ্যা কথায় তার দিক বিস্ময় নিয়ে তাকাল হুমায়রা। অর্না তো মুখের ভাষাই হারিয়ে ফেলেছে। মেয়েটার ইচ্ছে হলো এখনি সবটা সত্যি বলে দিতে তবে নিজের মা বলে কাজটা করতে পারল না। হুমায়রা কিছুক্ষণ মামনির দিক ওভাবেই তাকিয়ে রইল। কিছু বলল না। এমনিতেও মামনির ব্যাপারে কৃশানকে কিছুই বলতো না সে। অন্যকিছু বলে পরিস্থিতি সামলে নিত। তবে রেখা বেগম যে উল্টো তাকেই দোষারোপ করে দিবেন- তা ভাবেনি।
মামনির দিক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে আনলো হুমায়রা। পরপর তাকাল পাশে দাঁড়ানো মানবের দিক। থুতনিতে হাত দিয়ে তাকেই তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে পরখ করছে সে। “ এভাবে কী দেখছে মানুষটা? তার উপর রেগে আছে কী? ”
তার ভাবনার মাঝেই কৃশান অর্নার উদ্দেশ্যে আবারও আদেশ ছাড়ল,
“ অর্না তোমার আপুর জন্য খাবার নিয়ে এসো। ”
“ আমিই নিয়ে আসছি। ”

বলেই ত্রস্ত পায়ে রুম ছাড়লেন রেখা বেগম। মায়ের পিছু পিছু অর্নাও গেলো।
“ পেটের মধ্যে কী ঢুকেছিল তোর? সারাদিন খাসনি কেন? ”
সহসা খালি ঘরে ধ্বনিত হলো কৃশানের গম্ভীর স্বর। হুমায়রা কাচুমাচু ভঙ্গিতে বসে রইল। উত্তর দেয়ার মতো কোনো শব্দ খুঁজে পেলো না। এর মাঝেই কৃশান আবারও বলল,
“ আর কথা হচ্ছে একদিন না খেলে বুঝি মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়? তোকে দেখে এবার সত্যিই প্রমাণ পেলাম মাদ্রাসায় পঁচা খাবার খাওয়ানো হয় আর এসব খেয়েই তোর শরীরের অবস্থা এমন। নয়তো এতো দুর্বল মানুষ হয়? ”
চোখ ছোটো ছোটো করে তাকাল হুমায়রা। বলল,
“ আমি মোটেও দুর্বল নই! আপনাদের বাড়িতেও তো একদিন না খেয়ে ছিলাম তখন কী অজ্ঞান হয়েছিলাম? আজকে একটু শরীর খারাপ ছিল তাই এমন হয়েছে। ”
“ অবশ্য এইটা তো হওয়ারই ছিল। স্বামীকে না জানিয়েই ঢ্যাং ঢ্যাং করে এখানে এসে পড়েছিস- এইটুকু শাস্তি তোর প্রাপ্য। মাদ্রাসায় কী শিখলি এতদিন? স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোথাও যাওয়া যায় না জানিস না? ”
“ আপনি কথায় কথায় মাদ্রাসা তুলেন কেন? আমি তো আপনাকে অনেকগুলো কল করেছিলাম আপনিই তো ধরলেন না। ”

“ তাই বলে না জানিয়েই চলে আসবি? ”
উত্তরে চুপ করে রইল হুমায়রা। বুঝতে পারল সত্যিই তার উচিত হয়নি কৃশানকে না জানিয়ে আসা। তবে কৃশানের অধিকার বোধ দেখে আবেশে হৃদয় জুড়াল। বাধ্য স্ত্রীর মতো বলল,
“ এবারের মতো এই অপরাধীকে ক্ষমা করুন স্বামী সাহেব। এরপর থেকে আপনার স্ত্রী আপনার অনুমতি ছাড়া কোথাও যাব না। ”
মেয়েটার এমন বাধ্যতায় অবাক হলো কৃশান। এক টুকরো ভালোলাগায় ছেয়ে গেল হৃদয়। অজান্তেই ঠোঁটের কোণে ধরা দিলো এক স্নিগ্ধ হাসি। এবেলায় বড্ডো আদুরে লাগল স্ত্রী নামক নারীটিকে। সে হুমায়রার নত মুখপানে চেয়ে দুষ্টু হেসে বলল,
“ উম, ক্ষমা তো করাই যায়। কারণ তুই ছিলিনা বলে যা শান্তিতে কাটিয়েছিলাম রাতটা! তাই ক্ষমা করতে অসুবিধা নেই। ”

তড়াক দৃষ্টিতে কৃশানের দিক তাকাল হুমায়রা। সব ভালো লাগা উবে গেল ওমনিই। কিন্তু মানুষটার চোখের দিকে তাকিয়ে কেন যেন মনে হলো সে মিথ্যে বলেছে।
তাদের কথার মাঝেই খাবার হাতে গলা খাঁকারি দিয়ে রুমে প্রবেশ করলেন রেখা বেগম। দেখলেন কৃশান এখনও আগের জায়গাতেই দাঁড়িয়ে আছে। তা দেখে তিনি বললেন,
“ আরে বাবা, তুমি দাঁড়িয়ে আছো কেন! বিছানায় বা চেয়ারে বসো। ”
পরপরই মেয়ের উদ্দেশ্যে আদেশ ছুঁড়লেন,
“ এই অর্না তোর দুলাভাইকে একটা চেয়ার এনে দে তো। ”
“ দরকার নেই, আমি এভাবেই ঠিক আছি। আপনি আপনার কাজে মন দিন। ”
“ কী বেয়াদব ছেলেরে বাবা! থাক গে দাঁড়িয়েই তার কী! ”
মনে মনে বললেন রেখা বেগম। কথা না বাড়িয়ে প্লেট রাখলেন হুমায়রার সামনে। পাশে বসলেন নিজেও। হুমায়রা সোজা হয়ে বসার চেষ্টা করল। হাত বাড়িয়ে ভাতের প্লেট ধরতে নিবে এর আগেই রেখা বেগম বললেন,
“ তোকে উঠতে হবে না আমিই খাইয়ে দিচ্ছি। ”

বলেই মুখের সামনে লোকমা ধরলেন তিনি। দুই জোড়া বিস্ময়াভিভূত দৃষ্টি নিক্ষিপ্ত হলো তার উপর। বিস্ময়ে কোটর থেকে চোখ জোড়া বেরিয়ে আসতে চাচ্ছে অর্নার। হুমায়রা তো হা করতেই ভুলে গেছে। শুধু স্বাভাবিক রয়ে গেলো কৃশান। সে অদ্ভুত দৃষ্টিতে সকলকে পর্যবেক্ষণ করছে। হুমায়রাকে থম মেরে থাকতে দেখে ধমকে উঠলো,
“ এই হা করছিস না কেন? ”
কৃশানের এমন চড়া গলায় এক লহমায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলো হুমায়রা ও অর্না। রেখা বেগম নিজেই খানেক ভরকে গেছেন। ভদ্রমহিলা নিজের স্বামীর থেকেও কখনো এমন ধমক খাননি। উল্টো স্বামীকেই তুচ্ছহারা করে ছাড়েন। আর এই ছেলে কিনা মামি শাশুড়ির সামনে এমন ধমক দেয়! আবার কিনা “তুই” সম্বোধন করে?
তার ভাবনার মাঝেই ভাত মুখে পুরে নিল হুমায়রা। তৎক্ষনাৎ ভাবনার জগৎ থেকে বেরিয়ে এলেন তিনি। হয়তো রেগে আছে বিদায় “তুই” বলছে- তার অতশত ভেবে কাজ নেই।

আর কোনো কথা বলল না কেউই। শুধু মাঝে মাঝে হুমায়রার ভাত চিবানোর শব্দ শুনা গেল। মা মারা যাওয়ার পর এই প্রথম কারও হাতে ভাত খাচ্ছে হুমায়রা। তাও আবার সেই মানুষটার হাত থেকে যার একটু ভালোবাসা পাওয়ার জন্য সবসময় কাঙাল হয়ে থাকতো। এবেলায় এসে সেই মানুষটার একটু খানি যত্নেই দুনিয়ার সবচেয়ে সুখী মানুষ মনে হচ্ছে নিজেকে। হোক না তা লোক দেখানো! যত্ন তো করছে? কেন যেন কান্না পাচ্ছে মেয়েটার। শ্বাস টেনে টেনে নিজেকে বারংবার সামলানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। খাবারের শেষ পর্যায়ে হুমায়রার উদ্দেশ্যে কৃশান বলল,
“ ব্যাগ পত্র কিছু এনেছিলি? কোথায় সে সব? ”
“ কেন এখন ব্যাগ পত্র দিয়ে কী করবে? ”
ভ্রু কুঁচকে জানতে চাইলেন রেখা বেগম।
“ বাসায় চলে যাব। ”
“ এমা সেকি কথা! এমন রাতে বাসায় যাবে মানে! আজ রাতটা থেকে যাও। ”
“ না, ”
“ না বললে হবে না। এমন রাতের বেলা কোথাও যেতে দিচ্ছি না আমি। ”
উত্তরে কিছু বলল না কৃশান। হাত দিয়ে ঘাড় ডলল। তাকে চুপ থাকতে দেখে সম্মতির লক্ষণ ভেবে রুম ত্যাগ করলেন করলেন রেখা বেগম। রুম খালি হলো নিমিষেই।

“ দাঁড়িয়ে আছেন কেন বসুন। ”
হুমায়রার কথার পৃষ্ঠে কিছুক্ষণ চুপ রইল কৃশান। কিছু একটা ভেবে বলল,
“ আচ্ছা তুই তাহলে থাক। আমি এখানে থাকতে পারবো না। নিজের রুম ছাড়া থাকতে পারি না আমি। ”
বলেই উল্টো ঘুরে হাঁটা দিলো কৃশান। কদম ফেলতেই টান পড়ল হাতে। কব্জিতে উপলব্ধি করল একটা নরম হাতের। পরপর শুনতে পেলো হাতের মালকিনের আকুতি ভরা স্বর,
“ দয়া করে যাবেন না। আজকের জন্য একটু থেকে যান না? ”
কৃশানের মনে হলো জান কোরবান দিলেও কম হবে এই কণ্ঠের পরিপ্রেক্ষিতে। এতটা মায়া ভরা আবদার প্রত্যাখ্যান করার মতো বখাটে কী হয়েছে কৃশান মির্জা? তড়িৎ পিছু ফিরে তাকাল সে। পূর্ণ দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করল সামনের রমণীকে। তখন কান্না আটকানোর চেষ্টা করার ফলস্বরূপ এখনও চোখের নিচে বিন্দু বিন্দু অশ্রু কনা জমা হয়ে আছে হুমায়রার। সেদিকে তাকিয়ে কী জানি কী হলো কঠোর মানবের। সহসা হুমায়রার সামনে ঝুঁকল সে। আঙুল এগিয়ে হালকা করে টোকা মেরে অশ্রু কনাদের সরিয়ে দিল। নিরেট স্বরে বলল,

হৃদয় রাঙানো প্রেম পর্ব ১৯

“ আমি থাকলে তুই খুশি? ”
তড়িৎ উপর নিচ মাথা ঝাঁকাল হুমায়রা। মুখে বলল,
“ হুঁম। ”
সাথে সাথেই ধপাস করে বিছানায় শুয়ে পড়ল কৃশান। বলল,
“ তাহলে নাহয় আজকে একটু মানিয়ে নিলাম। ”
মুচকি হাসল হুমায়রা। ভিতরের ভয়টা কেটে গেল নিমিষেই। সে জানে কৃশান চলে গেলে তার উপর দিয়ে আরেকদফা ঝড় বইয়ে দিতেন রেখা বেগম। বলতেন সে ইচ্ছে করে কৃশানকে ডেকে এনেছে। তারপর শুরু হতো সেই পরিচিত অত্যাচার।

হৃদয় রাঙানো প্রেম পর্ব ২১

3 COMMENTS

Comments are closed.