Home হৃৎস্পন্দন হৃৎস্পন্দন পর্ব ১৫

হৃৎস্পন্দন পর্ব ১৫

হৃৎস্পন্দন পর্ব ১৫
সাঞ্জেনা শাজ

হাই স্পিডে একটি কালো রঙা টয়োটা ছুটছে রাস্তা জুড়ে। পূর্ব দুপুরের ব্যাস্ত সময় টাতে রাস্তায় গাড়ি সাড়ি সাড়ি। এর মধ্যে উদ্ভ্রান্তের মতো চলা গাড়িটা সকলেরই নজড়ে পড়ল। কতো জনের গাড়ি ক্রস করে হাওয়ার বেগে ছুটলো হসপিটালের উদ্দেশ্যে।
স্ট্যারিয়াং এ থাকা হাতটা কাপা কাপি করছে মেহরাদের। চওড়া হাতের সব গুলো ভেইনস দৃশ্যমান। গলার টাই টা অনাধারে পরে আছে পাশের সিটে। শার্টের হাতা গুলো ফোল্ড করা।
গলার ভিতরে বড্ড ব্যাথা অনুভূত হচ্ছে তার। ঢোক গিলাও দায় হয়ে যাচ্ছে। চোখ নাক মুখ টকটকে লাল। ঠোঁট দুটো যেন সুপার গ্লু দিয়ে আটকানো। কোন রা শব্দ বের হচ্ছে না ওষ্ঠ ফুরে। কিন্তু ভিতরে রক্তক্ষরণ হচ্ছে তা চেহারায় বিদ্যমান। আর নিজেকে কন্ট্রোল করতে পাড়লো না মেহরাদ। শক্ত ওষ্ঠ জোড়া ফুরে ধ্বনিত হলো হৃদয় নিংড়ানো ব্যাকুলতা,,

“আমার জান, কেন করলি এটা? কেননন? কবে বড় হবি? নিজেকে কষ্ট দিয়ে, কিসের শাস্তি দিলি আমায় তুই? আমার কথা ভেবেছিস? কি করে পাড়লি? তুই তো আমার থেকে আমার হৃদয় টাই কেড়ে নিয়েছিস রে। নিজের কিছু করার আগে আমায় শেষ করে যেতি! একবার ভাবলিনা আমার কি হাল হবে? একটু পুড়াতে চেয়েছিলাম তোকে, তাই বলে এভাবে শাস্তি দিবি? ”
আরও কিছু মিনিট ব্যায়েই মেহরাদের গাড়িটা এসে থামলো হাসপাতালের সামনে। গাড়ির ব্রেক কষতে দেরি মেহরাদের নামতে দেরি হয়নি। কতো নম্বর কেবিন, কোন ফ্লোর কিছুই জানেনা। মোবাইল নেই সাথে। ‘শীট’ বলেই উদ্ভ্রান্তের ন্যায় আবারও ভিতরে ঢুকলো।
ভাগ্য ভালো দৌড়ে রিসিপশনের দিকে যেতেই জাবিরের সাথে দেখা,সাথে আদনান। ও দৌড়ে যেতেই আদনান কিছু বলবে তার আগেই অস্থির ভঙ্গিতে জিজ্ঞেস করলো,
“কোথায় আছে ও? কতো নম্বর কেবিনে আছে ও?”
“** নম্বর কেবিনে। শুন ও এখন ভা….” আর বলার সুযোগ পেল না আদনান। আবার ছুটেছে উপরের দিকে মেহরাদ। এবারও লিফট নিলো না। সিড়ি ভেঙে উপরে উঠতে লাগলো। ওর উদ্ভ্রান্তের মতো অবস্থা দেখে আদনান বন্ধুকে ডাকতে ডাকতে পিছু ছুটলো। জাবির হতভম্ব। এতো ব্যাকুলতা? সে আশ্চর্যই হয়ে কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে রইলো। মস্তিষ্ক সব কিছু ধারণ করতেই সেও ছুটলো ওদের পিছু। কতো বছরের বন্ধুত্ব। বন্ধুর এ ব্যাকুলতা ঠিক কিসের তার বুঝতে মিনিট লাগলো শুধু।

মেহরাদ যখন উপরে উঠে কেবিনের উদ্দেশ্যে ঝড়েরবেগে কড়িডরে কদম চালালো। কড়িডরে উপস্থিত বিভিন্ন পেশেন্টের লোকজন না চাইতেও ওকে স্পেস করে দিল এগিয়ে যেতে। সকলের দৃষ্টি গিয়ে বিধলো ওর উপর। কোথায় যাচ্ছে লোকটা!
কাঙ্খিত কেবিনে সামনে এসে সেকেন্ড ব্যয় করলো না মেহরাদ। ভিতরের কি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে তা-ও মাথায় নিল না। প্রবল হৃৎস্পন্দন নিয়েই ভিতরে ঢুকে মাঝারি সাইজের ঝকঝকে কেবিনের বেডটা খালি দেখলো। উন্মাদনা আরও বাড়ল। অস্থির বেচেইন ভঙ্গিতে চারিপাশে তাকালো।
ছেলেকে অস্থির দেখে জাহানারা বেগম কেবিনের এক কোন থেকে ‘মেহরাদ’ বলে ডেকে এগিয়ে এলো ছেলের সামনে। কান্নার তোড়ে চোখ মুখ লাল হয়ে আছে ভদ্রমহিলার। তিনি এসে ছেলের বাহু চেপে নিজের দিকে ফিরালো।কান্নার তোপে ফুলে উঠা মা’য়ের রক্তিম মুখশ্রী দেখে মেহরাদের কলিজা আরও খামচে উঠলো। গলায় শক্ত ব্যাথাতুর এক ঢোক গিলে, শুধালো,,

“শুভ্রা কই মা??ও কইইইই?”
ছেলের এতটা ভঙ্গুর কন্ঠে জাহানারা বেগমের ভিতরটা আরও ভেঙে আসলো। আজ আরেকটু বাড়াবাড়ি হলে কি হতো মেয়েটার? আল্লাহর রহমত, ততটা ক্ষতি হয়নি।
বেশি পাওয়ারের কয়েকটা ঔষধ একসাথে খেয়ে নিয়েছলো, সেই সাথে মানসিক ডিপ্রেশন তাই এতটা এফেক্ট হয়েছে। প্যানিক এট্যাক হয়ে সেন্সলেস হয়ে পড়ে ছিল। ডাক্তার ঔষধ দিয়েছে ভিতরের কড়া ডোজের এন্টিবায়োটিক গুলো বের হতে। বারবার বমি করছে। তাই-ই শান্তার সাথে ওয়াশরুমে গিয়েছে এইমাত্র।
মেয়েটার জ্ঞান ফিরছে একটু আগেই। কি নিস্তেজ, ফ্যাকাসে মেয়েটার রুপ। তার ভিতরটা হাহাকার করে ওঠে মেয়েটার এটুকু জীবনে এতো দুঃখ দেখলে। মেয়েটা কিছুই পেল না এই এক জীবনে। তিনি ছেলের উদ্দেশ্যে বলতে শুরু করলেন,,

“বমি করছে। তাই ওয়াশরুমে নিয়ে গিয়েছে শান্তা…”
বলতে বলতেই ওয়াশরুমের দরজা খট করে খুলে নিস্তেজ শুভ্রতাকে নিয়ে বের হলো শান্তা। এক হাতে চেপে ধরা আরেক হাত শুভ্রতার।
মেহরাদ মায়ের কথায় কান দিলো কি-না তার ঠিক নেই। দরজা খুলার শব্দ কানে যেতেই কদম ঘুরিয়ে পিছন নিস্তেজ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শুভ্রতাকে ঝড়ের বেগে বাহুতে জড়িয়ে নিলো। কোথায় আছে, যে আছে, কে দেখছে, কি ভাবছে এসব তার চিন্তা ধারার বাইরে। হি ডাজন্ট ক্যায়ার। হু হি ক্যায়ারস –ইটস জাস্ট শুভ্রা। তার জান, তার হৃৎস্পন্দন। যেটা এতক্ষণ থমকে ছিল এ মেয়েটার জন্য।

প্রবল বেগে ছুটে এসে জড়িয়ে ধরার ধরুন শুভ্রতাকে সহই আরও কয়েক কদম সামনে চলে গেল মেহরাদ। দুজন গিয়ে ঠেকলো, হসপিটালের শুভ্র রঙা দেয়ালের সাথে। হাত ছুটে গিয়েছে শান্তার হাত থেকে।
কাঙ্খিত বুকটা পেয়ে শুভ্রতা ফুপিয়ে উঠলো। কন্ঠঃনালী দিয়ে কোন চিৎকার ধ্বনিত হচ্ছে না তার। শরীর অসার, বুকে প্রচন্ড ব্যাতা, মস্তিষ্ক বিক্ষিপ্ত। এ মানুষটা তাকে বেঈমান বলেছে। তার ভিতরে কতটা রক্তক্ষরণ হয়েছে কেউ বুঝেছে কখনো? যেই বুকটা পেয়ে সে এক পশলা উষ্ণতা অনুভব করছে সে বুকের মালিক বুঝেছে?
তার রাতের কথা আবারও মনে পড়ে গেল। বুকটা আবারও ভেঙে আসলো। কাদতে মন চাচ্ছে খুব করে। কিন্তু কোন শব্দই বের হলো না কণ্ঠনালী দিয়ে। মেহরাদের বুকের কাছের শার্ট টা ভিজছে শুধু। চোখের জল যে বাধা মানেনা। এটা বরাবরই বেইমানী করে। সিবার সাথেই করে।
শান্তা মুখে হাত চেপে ধরেছে। তার কান্না করতে মন চাচ্ছে। তার ভাইটা কতো ভালোবাসে মেয়েটাকে। মেয়েটার কিছু হয়ে গেলে তারাই বা কিভাবে বাচতো?
জাহানারা বেগম বিস্মিত। ছেলের কান্ডে হতবাক তিনি। ছেলে মেয়ে দুটোকে এভাবে একত্রিত দেখে তার মস্তিষ্ক ধারণ ক্ষমতা হাড়ালো। বিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো শুধু। দেখে গেল ছেলের পাগলামু।
চোখের নোনাজলে ভিজে যাওয়া মুখশ্রী টা দু হাতের আজলায় ধরলো মেহরাদ। ভঙ্গুরতা,ব্যাকুলতার চুড়ান্তে পৌছালো তার কন্ঠ,

“আ’ম সরি। খুব সরিহ হে। আর কখনো, কিচ্ছু বলবো না তোকে। কেন করলি এগুলো, হু? আমার কথা একটি বারও ভাবলি না? কেন ভাবলি না শুভ্রা? কেন…..? আমার ভালোবাসায় কমতিটা কই? তোকে আটকে রাখারা ভালোবাসার পিঞ্জরটা কি শক্ত পোক্ত হয়নি? আমার ছেড়ে যাওয়ার পায়তারা করেছিলি? তুই কি চাস তোর জন্য হৃৎস্পন্দন থমকে আমি মা’রা যাই? কেন করলি এগুলো…. ” উদ্ভ্রান্তের মতো প্রলাপ করতে করতে শুভ্রতার কান্না মিশ্রিত আদলটা চুমুতে ভরিয়ে দিল। আবারও বুকে চেপে মাথায় ঠোঁট জোড়া চেপে রাখলো। তার মনে হচ্ছে, এই বুঝি তার দেহে প্রাণ ফিরে এসেছে।
শুভ্রতার কান্নার তোপ আরও বাড়ল। মেহরাদ কে জড়িয়ে ধরলো আরও আষ্টেপৃষ্ঠে। যেন ছেড়ে দিলেই পালিয়ে যাবে দূর অজানায়।
হাট করে খোলা দরজায় দাঁড়িয়ে আছে আদনান, জাবির। মেহরাদের ব্যাকুলতা ভরা স্বীকারোক্তি শোনে ওরা অবাক। সব চাইতে বেশি জাবির।
মেহরাদ বরাবরই চাপা স্বভাবের। কোন কিছু সহজে চেয়ে নেওয়া, স্বীকার করা ওর ধাচে নেই। সেই মেহরাদের এমন ব্যাকুল হৃদয় নিংড়ানো স্বীকারোক্তি রাতের আকাশে সূর্য দেখার মতো চমকপ্রদ।
জাহানারা বেগমের মাথায় হাত। ছেলে মেয়ে দুটোই পাগল। সে মাথায় হাত দিয়েই ফাকা বেডে বসে পড়ল। তার মাথা ভো ভো করে ঘুরা শুরু করেছে ইতিমধ্যে। হাজারো চিন্তারা হাজির মাথায়। এ ভালোবাসা কি বয়ে আনবে তালুকদার নিবাসে?
আদনান আর জাবির পিছনে দাঁড়িয়ে আছে রায়হান, রিমা বেগম আর রোজা। রায়হানের ভারী কন্ঠঃ ধ্বনিত হলো কেবিন জুড়ে,

“কি হচ্ছে এখানে? এসব কি?”
শুভ্রতা যেন হুশে ফিরলো। মেহরাদের বাহু থেকে সড়ে দরজার পানে তাকালো। তার মা আর রায়হান সহ সকলের অবিশ্বাস্যকর চাহনি দেখে লজ্জা ভয়ে গুটিয়ে গেল সে। নিস্তেজ শরীরটা থরথর করে কেপে উঠলো অজানা ভয়ে।
শুকনো চিকন থরথর করে কাপতে থাকা হাতটা মুঠোয় চেপে ধরলো মেহরাদ। কিছুক্ষণ আগের ব্যাকুল উদ্ভিগ্নতায় ভরপুর চেহারায় গাম্ভীর্যতা ধারণ করলো। শক্ত চোখে তাকিয়ে রইলো রায়হানের চোখে চোখ রেখে এক দৃষ্টিতে। বাজ পাখির ন্যায় তীক্ষ্ণ তার চাহনি। চোখের তারায় আত্নবিশ্বাস। শুভ্রতা আমার। কি করতে পাড়বি তুই?
এসবের মাঝখানেই আলতাফ তালুকদার আর আকরাম তালুকদার আসলেন কেবিনে। সকলকে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তাদের মাথায় কিছু ঢুকলো না। তারা উদ্ভেগ হয়ে শুভ্রতার দিকে এগিয়ে গিয়ে দেখলো –শুভ্রতা মেহরাদের সাথে গুটিয়ে দাড়ানো। এক হাত বদ্ধ মেহরাদের হাতে।
আলতাফ তালুকদার পরিস্থিতি তেমন আচ করতে পাড়লেন না। তিনি শুভ্রতার মাথায় হাত ভুলিয়ে দিলেন। নরম কন্ঠে শুধালেন,

“আমার মা টার কেমন লাগছে এখন? এই বোকামি কে করে মা?”
শুভ্রতা ঝড়ঝড় করে কেদে উঠলো। সে এতসব ভেবে ঔষধ খায়নি। তার দম বন্ধ লাগছিল তখন, তাই কিছু না ভেবেই ঔষধ গুলো খেয়ে নিয়েছিল। ভেবেছিল, ঘুমিয়ে যেতে পাড়বে এতে। আর একটু ঘুম বেশি হবে হয়তো। কিন্তু এতটা রিয়্যাকশন হবে সে বুঝতেই পাড়েনি। এগুলো এতো পাওয়ারের ঔষধ।
এবার মেহরাদ সকলের সামনেই শুভ্রতাকে বুকে টেনে নিল এক হাতে। মাথায় হাত ভুলিয়ে দিলো শান্ত ভঙ্গিতে।
রায়হানের ভিতরে অজানা এক চাপা কষ্টের আবির্ভাব ঘটলো। ফুপির কাছ থেকে শুভ্রতার কথা শুনে মিটিং টিটিং সব ফেলে তালুকদার বাড়িতে গিয়ে ফুফিকে নিতে তারপরে হাসপাতালে ছুটেছে। যতটা দুশ্চিন্তা, উদ্ভীগ্নতা নিয়ে ছুটে এসেছিলো ঠিক ততটাই থমকেছে সে। দৃঢ় মূর্তি বনে গিয়েছে একদম। এই মেয়েটা তার ভবিষ্যৎ অর্ধাঙ্গিনী। যে অন্যকারো বাহুতে। এটা মানা সম্ভব? কোন ভাবেই কি এটা মেনে নেওয়া যায়?
রিমা বেগম ধৈর্য হাড়ালেন। গলার স্বর চড়া করলেন,

“কি হচ্ছে এটা? ওকে ছাড়ো মেহরাদ। ওকে সামলানোর জন্য আমি আছি, ওর ভবিষ্যৎ স্বামী আছে। ”
“আমি ছাড়া আপনাদের থাকা না থাকা কোন ম্যাটার করে না আমার জন্য।” নিরুদবিগ্ন কন্ঠে বললো মেহরাদ।
আশ্চর্য বনে গেল রিমা বেগম। কি অধিকার নিয়ে কথা বলছে! এতো রাইট কোথায় পেল? তিনি নির্লজ্জ মেয়েটার উপর খুব ক্ষিপ্ত হলেন। কিভাবে পর পুরুষের বুকে লেপ্টে আছে! কোন কথা না বলেই কদম বাড়ালেন তিনি শুভ্রতার দিকে। মেহরাদের কাছ থেকে সড়িয়ে আনতে।
এক হাতে শুভ্রতাকে চেপে ধরে আরেক হাত সামনে আঙুল উঁচিয়ে না দেখালো মেহরাদ। শান্ত ভঙ্গিমায় বললো,
“ডোন্ট। ডোন্ট। একদম এগুবেন না। ”

“কি হচ্ছে মেহরাদ? লিমিট ক্রস হচ্ছে এবার। ” আলতাফ তালুকদার ধমকে বললেন ছেলেকে। বিষয়টি খারাপ হচ্ছে। সামনে রায়হান দাঁড়িয়ে। ছেলেটা কেন এমন করছে!
জাহানারা বেগম স্বামীর দিকে তাকালেন। চোখে চোখ রেখে মাথা নাড়ালেন তিনি। আলতাফ তালুকদার কি বুঝলেন বুঝা গেল না। তবে তিনি জাবির আর আদনানের উদ্দেশ্যে বললো,
“শুভ্রতা মা’কে কখন বাড়ি নিয়ে যেতে পাড়বো? একটু ডক্টরের সাথে কথা বলে দেখো তো। এখানে কেউ কোন সিনক্রিয়েট করবেনা। আমি আমার বংশের সম্মান গড়িমার সামান্য আচ্ ও বরদাস্ত করবো না। যা কথা হবে বাড়িতে।রায়হান তূমিও বাড়িতে আমন্ত্রিত। ”

হৃৎস্পন্দন পর্ব ১৪

রিমা বেগম শক্ত চোখে তাকিয়ে রইলেন কেবল। মেহরাদের ভাবান্তর দেখা গেল না। সে শুভ্রতাকে বাহুতে চেপেয় বিনা দ্বীধায় দাঁড়িয়ে রইলো। এইসব নওক ঝোক গোল্লায় যাক! হু ক্যায়ারস? তার এসব দেখার সময় টময় নেই। তার শুভ্রা ঠিক আছে এটাই আলহামদুলিল্লাহ।

হৃৎস্পন্দন পর্ব ১৬