Home তোমাতেই বসন্ত তোমাতেই বসন্ত পর্ব ২৭

তোমাতেই বসন্ত পর্ব ২৭

তোমাতেই বসন্ত পর্ব ২৭
জেরিন আক্তার

প্রাণেশা রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে রেস্ট নিচ্ছে। স্নিগ্ধ ফ্রেশ হয়ে সিয়ামকে নিয়ে বাহিরে গিয়েছে। প্রাণেশা শুয়ে থেকে একটা সময় ঘুমিয়ে গেলো।
রাত তখন সাড়ে ৯ টা। স্নিগ্ধ এসে প্রাণেশাকে ডেকে তুললো। প্রাণেশা শোয়া থেকে উঠে বসে বলল,
“কি হয়েছে? ডাকছেন কেনো?”
স্নিগ্ধ ফোনের সময় দেখিয়ে বলল,
“এই দেখো রাত কয়টা বাজে। খাবে চলো।”
প্রাণেশা আবার শুয়ে পড়ে বলল,
“পরে খাবো।”
স্নিগ্ধ ওকে ধরে আবারও বসিয়ে ঘুম ছাড়ানোর জন্য বলল,

“এই একটা মাইর দিবো। এসো খাবে। সেই কখন ঘুমিয়েছো? তোমার জন্য আমি না খেয়ে আছি।”
প্রাণেশা উঠে বসে হেসে বলল,
“ওহ, যাচ্ছি। আগে বলবেন তো। আর আমার জন্য অপেক্ষা করতে হবে কেনো?”
স্নিগ্ধ বলল,
“তাহলে তুমি আমার জন্য অপেক্ষা করো কেনো? নিজে রাত জেগে না থেকে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়বে। আর আজকে তোমার মতোই অপেক্ষা করলাম। মা এসে তোমাকে দেখে গিয়েছে দুবার। ঘুমিয়ে ছিলে বলে ডাকেনি। পরে বললাম আমিই ডেকে নিয়ে আসি।”
প্রাণেশা এই শুনে স্নিগ্ধকে বলল,
“আজকে তাই এই রকম ঘুমিয়েছিলাম। আর আপনি আমাকে আরও আগে ডাকলেন না কেনো?”
স্নিগ্ধ হেসে বলল,
“দেখলাম কত ঘুমাতে পারো। অবশ্য রাতে তো ঘুমাতে দিবো না।”
প্রাণেশা হেসে স্নিগ্ধকে সাথে নিয়ে যেতে যেতে বলল,
“আমি আজকে আপনার সাথে ঘুমাবো না।”
স্নিগ্ধ ঘাড় কাত করে বলল,
“আচ্ছা! আমি তোমাকে সাথে নিয়েই রুমে ঢুকবো। এক সেকেন্ডের জন্যও ছাড়ছি না।”

প্রাণেশা সকাল সকাল ড্রইং রুমে এসে বসে আছে। ওর কেনো যেনো থেকে থেকে শুধু শুধুই ভালো লাগে না। কি জন্য ভালো লাগে যে তাও বুঝতে পারে না। স্নিগ্ধ চলে গিয়েছে সাঈদ রেজা চৌধুরী আর ওসমান রেজা চৌধুরীর সাথে হাঁটতে।
রাজিয়া বেগম এসে কিচেনে ঢোকার আগে প্রাণেশার পাশে বসলেন। মোলায়েম কণ্ঠে বললেন,
“কি হয়েছে মা?”
“কিছু হয়নি মা।”
“শরীর খারাপ লাগছে নাকি?”
“না মা।”
প্রাণেশা তার কোলে মাথা রেখে শুলো। রাজিয়া বেগম ওর মাথায় হাত রেখে বললেন,
“স্নিগ্ধ বকেছে?”
“উহু। কিচ্ছু ভালো লাগছে না।”
রাজিয়া বেগম ওকে বললেন,
“তাহলে চলো আজ আমরা দুজনে রান্না করি।”
প্রাণেশা উঠে বসে বলল,
“চলুন যাই।”
দুপুর ৩ টার সময় স্নিগ্ধ ভার্সিটিতে থেকে ফিরে এলো। প্রাণেশা ড্রইং রুমেই বসে ছিলো। স্নিগ্ধকে দেখে হেসে বলল,

“ফ্রেশ হয়ে আসুন। আমি খাবার বাড়ছি।”
স্নিগ্ধ মাথা নাড়িয়ে বলল,
“ওকে।”
স্নিগ্ধ চলে গেলো। সকালে প্রাণেশার মুড অফ দেখে গিয়েছিলো। আর এখন প্রাণেশার মন ভালো দেখে ওরই খুশি খুশি লাগছে। ও ঝটপট ফ্রেশ হয়ে ফুরফুরে মেজাজে এসে খাবার টেবিলে বসলো। প্রাণেশা ওকে খাবার বেড়ে দিয়ে বলল,
“আমি আর মা একটু পরে বাহিরে যাবো।”
“ঠিক আছে যেও।”
স্নিগ্ধ খাওয়ায় মনোযোগ দিলো।

সুবহা বোরখা, সাথে হিজাব পড়ে রেডি হয়ে বসে আছে। সৌরভ রেডি হচ্ছে। সুবহা খুব কৌতূহল নিয়ে আছে যে সৌরভের স্পেশাল জায়গা, আর স্পেশাল মানুষকে দেখার জন্য। তবে ও আন্দাজও করেছিলো এটা হয়তো ওর মায়ের কবর দেখাতে নিয়ে যাবে। ওর মা-ই ওর স্পেশাল মানুষ।
সৌরভ রেডি হয়ে সুবহাকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লো।
সৌরভের গাড়িটা থামলো একটা কবরস্থানের সামনে। ওদের বাড়ি থেকে এখানে আসতে বড়জোর ২০ মিনিট সময় লাগে। সুবহা যা আন্দাজ করেছিলো তাই হলো। সৌরভ সুবহাকে নামতে বলে নিজেও নামলো।
সৌরভ সুবহার দিকে তাকিয়ে শ্বাস ছেড়ে বলল,
“এটাই আমার স্পেশাল জায়গা। আর স্পেশাল মানুষটাকে দেখবে?”
সুবহা সৌরভের দিকে তাকালো। সৌরভ তার মায়ের কবরটা বিশেষ করে কবরের পাশে “সারিকা খান” নামটা সুবহাকে দেখিয়ে হেসে বলল,
“ঐযে ওইটা আমার স্পেশাল মানুষ। খুব স্পেশাল। আমার জীবনের থেকেও স্পেশাল।”
সুবহা কিছু বলতে পারলো না। সৌরভ শ্বাস ছেড়ে এগিয়ে গেলো। মায়ের কবরের পাশে গিয়ে আনমনে হেসে বসলো। এই দৃশ্য দেখে সুবহা ওর দিকে তাকিয়ে নিঃশব্দে কেঁদে উঠল। কেনো কান্না পাচ্ছে, কি কারণে ওরও অজানা। সৌরভ কিছুক্ষন বসে থেকে উঠে চলে এলো গাড়ির কাছে। অতঃপর গাড়ির দরজা খুলল। সুবহা চোখ মুছে বলল,

“চলে যাবেন?”
“হুমম।”
সুবহা গাড়িতে উঠে বসলো। সৌরভ এরপরে পাশেই একটা এতিমখানায় চলে গেলো। এটা ওদেরই।
সৌরভ সুবহাকে সাথে নিয়ে গেটের ভিতরে ঢুকতেই সব বাচ্চা এসে সৌরভকে ধরলো। সৌরভ ওদের পেয়ে হেসে উঠল। সুবহা তো অবাক। যে মানুষটাকে এতো হাসতে দেখেনি সে আজ বাচ্চাদের পেয়ে এতো খুশি। বাচ্চাগুলো সৌরভকে নিয়ে ভিতরে ঢুকলো। সেখানকার একজন স্যার এসে সৌরভের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করে বললেন,
“সৌরভ তুমি এসেছো ভিতরে আমার রুমে এসো।”
সৌরভ হেসে বলল,
“না স্যার, চলে যাবো।”
একজন বাচ্চা এসে সৌরভকে ধরে অভিমানী কণ্ঠে বলল,
“প্রাণেশা আপু আসলো না কেনো?”
সৌরভ বাচ্চাটার গালে হাত রেখে বলল,
“মন খারাপ করো না। সে যে তার শশুরবাড়ি আছে।”

বাচ্চাটা বুঝে হাসলো। সব বাচ্চারাই সুবহাকে দেখে একে ওপরের সাথে ফিসফিস করে কি যেনো বলছে। একটা বাচ্চা সৌরভকে বলল,
“ও আংকেল এইটা কি আমাদের আন্টি?”
সৌরভ মাথা নাড়িয়ে বলল,
“হুমম।”
সুবহা সৌরভকে যত দেখছে তত অবাক হচ্ছে। মানুষটা এতো মিশুক এখানে না এলে বুঝতেই পারতো না। শুধু উপরে উপরে এমন রাগী হয়ে থাকে। সত্যিই মানুষের বাহিরের ব্যবহার দেখে বোঝা মুশকিল তার ভিতরটা কেমন।

“চুমকি চলেছে একা পথে,
সঙ্গী হলে দোষ কি তাতে…”
প্রাণেশা রুম থেকে বেরোচ্ছিলো। তখনই স্নিগ্ধর মুখে এমন গান শুনে পেছন ফিরে তাকিয়ে একটু রাগী চোখে তাকিয়ে আবারও হাঁটা দিলো। প্রাণেশা এই মানুষটার চালচলন বোঝে না। স্নিগ্ধ যতক্ষণ প্রাণেশার সাথে থাকবে ততক্ষনই স্নিগ্ধর মনে আনন্দ থাকে।
স্নিগ্ধ প্রাণেশার পেছন পেছন যেতে যেতে আবারও বলল,
“চুমকি চলেছে একা পথে,
সঙ্গী হলে দোষ কি তাতে…
রাগ করো না, সুন্দরী গো,
রাগলে তোমায় লাগে আরও ভালো…..”
প্রাণেশা পেছন ফিরে চোখ পাকিয়ে তাকাতেই স্নিগ্ধ হাই তুলে ড্রইং রুমে বসে থাকা রাজিয়া বেগমকে বলে উঠল,

“মা তোমায় ডাকছে।”
রাজিয়া বেগম ড্রইং রুমে বসে ছিলেন। ছেলের দিকে তাকিয়ে বললেন,
“কে ডাকছে?”
স্নিগ্ধ প্রাণেশার আগে ওর মায়ের কাছে এসে বলল,
“আমি।”
“কিছু বলবি?”
“না এমনি।”
রাজিয়া বেগম টিভিতে মনোযোগ দিলেন। প্রাণেশা এসে বসলো। তখন কল দিলো সৌরভ। প্রাণেশা কল রিসিভ করে কথা বলতে বলতে চলে গেলো সদর দরজার সামনে।
সৌরভ এতিমখানার বাচ্চাদের ভিডিও কলে দেখালো। প্রাণেশা খুশি হলো অনেক। সাথে স্নিগ্ধকে আর রাজিয়া বেগমকেও বলল এবং দেখালো।
কথা বলা শেষ হলে প্রাণেশা স্নিগ্ধর হাত ধরে টেনে নিয়ে বাড়ির বাহিরে বের হলো। স্নিগ্ধ বলল,
“কোথায় যাবে?”
“আরে আসুন একটু হাঁটতে যাবো। ভালো লাগে না বাড়ির ভিতরে।”
“বেশ চলো।”

সৌরভ জামাকাপড় চেঞ্জ করে সেই ময়লা লেগে থাকা প্যান্টটা আলাদা করে রাখলো। সুবহা সব জামাকাপড় বাস্কেটে রেখে সেই প্যান্টটা নিতে গেলে সৌরভ একটু জোরেই বলে উঠল,
“এই ওইটা না। ওইটা আলাদা রাখো।”
সুবহা প্যান্টটা রেখে বলল,
“ময়লা লেগে আছে আলাদা রাখবো কেনো?”
“ওইটা আলাদাই রাখো। সব কিছুর সাথে মেশাবে না।”
“কেনো?”
“বুঝবে না রেখে দাও।”
সুবহা প্যান্টটা রেখে দিলো। পরে রোকেয়া বেগমের থেকে জানতে পারলো ও কবরস্থানে থেকে এসে সেই ময়লা লেগে থাকা প্যান্ট নিজে ধুয়ে নেয়। আর আগে প্রাণেশা ধুয়ে দিতো।
সুবহা তৎক্ষণাৎ রুমে ফিরে নিজে সেটা ধুয়ে ব্যালকনিতে মেলে দিলো।

কয়েকদিন পরে,
একদিকে প্রাণেশা আর স্নিগ্ধ তাঁদের বিবাহিত জীবনে বেশ সুখী। আর এদিকে সৌরভ আর সুবহারও সম্পর্ক কিছুটা এগিয়েছে বলতে সৌরভ একটু স্বাভাবিক। সুবহার উপরে কোনো রাগ দেখায় না। দুজনের মাঝে ভালো বন্ডিং তৈরী হয়েছে।
যেমন আজকে বিকেলে,
আরশাদ খান বাড়িতে নেই। ফ্ল্যাট তৈরী হচ্ছে যেখানে সেখানেই তিনি বাহানা দিয়ে রয়েছেন।
সৌরভ অফিসে থেকে ফিরে এসে ফ্রেশ হয়ে আসতেই সুবহা খাবার নিয়ে রেডি। সৌরভ খাবার খেয়ে রুমে চলে এলো। সুবহা রুমে এসে সোফায় বসে সৌরভের দিকে তাকিয়ে ছিলো। আর বিড়বিড় করে বলছিলো, “এতো ফোনের মাঝে কি দেখে আল্লাহ ভালো জানে। একটু মিষ্টি মিষ্টি কথা বলতেও তো পারে।”
সৌরভ আড়চোখে সুবহাকে বিড়বিড় করতে দেখে বলল,
“কি বলছো, আমি সুন্দর না?”
সুবহা তালে তালে মাথা নাড়িয়ে বলে উঠল,

“না।”
সৌরভ কটমট দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল,
“কি বললে? আমি সুন্দর না?”
সুবহা এগিয়ে এসে মাথা নাড়িয়ে বলল,
“আমি তা বলিনি। ওই তালে তালে না বলে ফেলেছি। আপনি তো সুন্দর। হ্যান্ডসাম, তাই তো আমি আপনাকে প্রথম দেখেই…..”
সুবহা থামলো। সৌরভ ফোন রেখে সোজা হয়ে বসে বলল,
“কি কি বলো বলো!”
সুবহা মাথা নাড়িয়ে বলল,
“কিছু না।”
সৌরভ কড়া গলায় বলল,
“কি বলতে চেয়েছিলে তাড়াতাড়ি বলো।”
সুবহা চুপ করে আছে। সৌরভ উঠে দাঁড়িয়ে ওর দিকে একটু ঝুকে বলল,
“কি হলো বলো!”
সুবহা চোখ তুলে তাকিয়ে সৌরভকে কাছে দেখে শুকনো ঢোক গিললো। সৌরভ তির্যক চোখে তাকিয়ে ছিলো ওর দিকে। সুবহা হুট্ করে ওর গালে চুমু দিয়ে বলল,
“ভালোবাসি।”
সৌরভ তো হতভম্ব। সুবহা দৌড়ে বেরিয়ে গেলো রুম থেকে। সৌরভের মুখে মুচকি হাসি দেখা গেলো। বিছানায় বসে নিজেই হাসছিলো। সুবহা আকস্মিক চুমু দেওয়ায় ওর রিঅ্যাকশন দেখার মতো ছিলো।

পরেরদিন প্রাণেশা, সুবহা দুজনেই ভার্সিটিতে এলো। অনেকদিন পরে এলো। আরেকদিকে হামিমও এসেছে। প্রাণেশার বিয়ের দিন রাতে হামিম সৌরভকে মারলে, সৌরভ ওকে ছেড়ে দেয়নি। পরপর দুটো গুলি করেছিলো। একটা হাতে, আরেকটা পায়ে। তারপর অনেকদিন ট্রিটমেন্ট চলার পরে সুস্থ হয়ে ভার্সিটিতে জয়েন করেছে।
স্নিগ্ধ ক্লাসে এলো। প্রাণেশা স্নিগ্ধর দিকে তাকিয়ে আছে। আশেপাশে কিছু মেয়ে স্নিগ্ধকে দেখে আজও ফিসফিস করে কি যেনো বলছে। যা শুনে প্রাণেশা মনে মনে বলল, “এতো ফিটফাট হয়ে আসতে হবে কেনো এখানে?”
সুবহা প্রাণেশাকে একটু ধাক্কা দিয়ে বলল,
“কিরে কি হয়েছে?”
প্রাণেশা দাঁত চেপে বলল,
“দেখ ওরা আজকেও তোর ভাইকে দেখে কেমন মুচকি মুচকি হাসছে।”
তখনই পুরো ক্লাসরুমে একটা লাইন বেজে গেলো,
“মিসেস স্নিগ্ধ চৌধুরী দাঁড়ান!”
প্রাণেশা, সুবহা সহ ক্লাসের সবাই তাকালো স্নিগ্ধর দিকে। স্নিগ্ধ প্রাণেশার দিকে তাকিয়ে বলল,
“মিসেস স্নিগ্ধ চৌধুরী দাঁড়ান!”
প্রাণেশা দাঁড়াতেই কয়েকটা মেয়ে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে তাকিয়ে রইলো। স্নিগ্ধ ভ্রু উঠিয়ে নিয়ে বলল,
“এতো কথা বলছেন কেনো? এরপরে থেকে যেনো দুজনকে কথা বলতে না দেখি। যা বলবেন ক্লাসের বাহিরে। বুঝতে পেরেছেন?”
প্রাণেশা মাথা নাড়ালো। স্নিগ্ধ ইশারা করে বলল,

“বসুন এখন।”
প্রাণেশা মুচকি হেসে বসল। আশেপাশে থাকা কয়েকটা মেয়ে যেনো জ্বলে-পুড়ে উঠছে। একটা মেয়ে তো উঠে দাঁড়িয়ে বলেই উঠল,
“স্যার প্রাণেশাকে কি বললেন? যদি একটু বুঝিয়ে বলতেন।”
স্নিগ্ধ প্রাণেশাকে ইশারা করে বলল,
“শি ইজ মাই ওয়াইফ।”

তোমাতেই বসন্ত পর্ব ২৬

মেয়েটা শুকনো মুখে বসে পড়লো। স্নিগ্ধ এই টপিকটা রেখে এখন ক্লাসে মনোযোগ দিলো। একটা স্টুডেন্টকেও অন্য কোনো কথা বলার সুযোগও দিলো না।
প্রাণেশা যে কি পরিমান খুশি হয়েছে কাউকে বলে বোঝাতে পারছে না। ক্লাস না হলে স্নিগ্ধকে গিয়ে জড়িয়ে ধরতো। যাক সবাই এখন স্নিগ্ধকে দেখে মুচকি হাসার আগে ভাববে সে বিবাহিত।

তোমাতেই বসন্ত পর্ব ২৮

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here