Home এক প্রণয় রাত্রি এক প্রণয় রাত্রি পর্ব ৫

এক প্রণয় রাত্রি পর্ব ৫

এক প্রণয় রাত্রি পর্ব ৫
আসিফা খান

আঁখি দ্বয় ক্লান্তিতে ভরপুর। মাথা সোফার পিছনে হেলিয়ে এক মিনিটও হয়নি চোখ বুজেছে রিফাত,,,ঠিক তখনই কানে আসে ইয়ানার মিহি কণ্ঠস্বর।।চোখ মেলে তাকালো।মৃদু আলোতে মেয়েটার হলদে ফর্সা মুখশ্রী স্পষ্ট। ঠিক গতরাতের চাঁদের আলোয় ন্যায়।। ছিমছাম গড়নের দেহটায় ঢিলা কুর্তি আর প্লাজো পরিহিত,ওড়না একটা কাধে ঝোলানো।লম্বা চুল গুলো কিছুটা সামনে আর বাকি পিঠ দখল করেছে।। গোল গোল চোখ দুটো স্থির জমিয়ে রাখা রিফাত এর দিকে,,,হয়তো উত্তরের অপেক্ষায়!নিচের ঠোঁট কামড়িয়ে ধরে রেখেছে।। রিফাত এর মনে হলো,,,মেয়েটার শুধুই বয়স বেড়েছে,,,বাকি সব এখনও কিশোরীর খাতায় বিদ্যমান।

হুট করেই রিফাত এর চোখ যায় ইয়ানার গলার বাম দিকে ঠিক ঘাড়ের কাছে অবস্থিত লালচে তিল টার দিকে।যা স্পষ্ট ভাবে দেখা যাচ্ছে।।শরীর কেমন যেন করে উঠল রিফাত এর।নাম না জানা আশঙ্কায় আড়ষ্ট হলো। ঠান্ডার মধ্যেও ঘাম জমেছে ললাটে।। ছোটো থেকেই তো ইয়ানার এই লালচে তিল দেখে আসছে,,তাহলে আজ এরকম অদ্ভুত অনুভূতির কারণ কি?নাকি সব পবিত্র বন্ধন এর কামাল?

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

এদিকে ইয়ানা কাপছে।কেনো তা নিজেও জানেনা।রিফাত এর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দেখে অন্তরে নানারকম প্ররোচনার সৃষ্টি হচ্ছে।। পায়ের পাতা আঠার মতো চিপকে রেখেছে ফ্লোরে। গলার মাঝে কি যেনো দলা পাকিয়ে গেছে।।
রিফাত উঠে এলো সোফা থেকে।। হুট করেই ইয়ানার সামনে দাড়িয়ে তার এক কাধের ওড়না দিয়ে মুড়িয়ে দিলো ইয়ানা কে।। ইয়ানা তো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলো। চঞ্চল ফড়িং এর ন্যায় চমকে উঠলো কিন্তু জায়গা থেকে সরলো না। বুক ধক করে উঠল।।রিফাত ও জানে না সে এই রকম কাজ কেনো করলো! এক অদৃশ্য শক্তি যেনো তাকে দিয়ে এই কাজ করিয়েছে।।

রাফাত সরে গেল,,,নিজের কপালে পড়ে থাকা চুলের মাঝে যত্নে আঙ্গুল দ্বারা পিছন দিকে ঠেলে দিয়ে বললো,,,
“না,,,আমি খেয়ে এসেছি।। রাত অনেক হয়েছে যাও ঘুমিয়ে পড়ো।”
চলে যেতে নিলে আবারও ঘুরে ইয়ানার উদ্দেশ্যে বলে,,,” এর পর কাওকে মারার প্ল্যান করলে লাঠি বা অন্য কিছু হাতে নেবে। ওই ফুলদানি তোমার তুলনায় একটু বেশিই ভারী,,,, পরে নিজেই ব্যাথা পাবে।”
বলেই সিড়ি বেয়ে উঠে গেলো রিফাত। আর ইয়ানা হা হয়ে তাকিয়ে রইল তার যাওয়ার পথে।। একবার টেবিলে রাখা বড়ো ফুলদানির দিকে তাকিয়ে নিজের দিকে তাকালো। সত্যি ফুলদানি টা তোলার সময় তার অনেক বেগ পেতে হয়েছিল।হাতে ব্যাথাও ও পেয়েছিল। কিন্তু রিফাত বুঝলো কি করে?

আজ ইয়ানার ঘুম ভাঙলো একটু দেরিতেই। প্রায় নয়টার কাছাকাছি।। কাল রাতে রুমে ঢুকে পোনেরো মিনিট পর পর পানি খেয়ে জগ শেষ করে তারপর শান্ত হয়ে ঘুমিয়েছে সে। বার বার রিফাত এর তীক্ষ্ণ দৃষ্টির কথা মনে পড়ছিল সাথে হুট করেই তার ওড়না ঠিক করে দেওয়ার বিষয় টা মনে করে লজ্জায় আড়ষ্ঠ হয়েছে সে।।
আড়মোড় ভেঙ্গে,বিছানা গুছিয়ে,ফ্রেশ হয়ে নিচে গেলো।। ইয়াসমিন বেগম ডাইনিং টেবিলে বসে প্রায় কিল খানেক গাজর গ্রেটার দ্বারা কুচি করে অন্য পত্রতে রাখছে।। মেয়ে কে দেখেই বললো,,,
“আজ এত দেরীতে উঠলি।”
ইয়ানা হাই তুলে মায়ের পাশের চিয়ারে বসে বললো,,,”এমনি,,,রাতে ঘুম আসতে দেরি হয়েছে তাই।।তুমি এত গাজর কেনো কুচি করছো?”

“গাজরের হালুয়া বানাবো তাই,,,,রিফাত এর ভীষণ প্রিয়।। ছোটো বেলায় আমার কাছে একটাই বায়না ধরতো,,,’ খালামা একটু গাজরের হালুয়া বানাবে,খেতে মন চাইছে ‘,,,,কিন্তু যত বড় হলো আবদার আর সাথে কথা দুটোই কমে গেলো।”
প্রথম কথা গুলো আনন্দের সহিত বললেও শেষের কথা অত্যন্ত মন মরা হয়ে বললো ইয়াসমিন বেগম।মায়ের মনের অবস্থা বুঝতে পেরে ইয়ানার ও খারাপ লাগল কিন্তু প্রকাশ করলো না।ঠোঁটে হাসি টেনে বললো,,,
“মাম্মা চা করবো খাবে?”
ইয়াসমিন বেগম বিরোধিতা করে না করে দিলো,,,বললো একটু পরে সবাই একসাথে নাস্তা করবে আর ইয়ানা যেনো এটা সেটা খেয়ে পেট না ভরায়।।কথার ফাঁকে ইয়ানা একটা গাজর হাতে তুলে নিল,,,তত্পর এক ছুটে চলে গেল ছাদে। ইয়াসমিন বেগম মেয়ের এরকম দৌড় দেওয়া দেখে থমথমে মুখে তাকিয়ে রইল।।

আলেয়া অনেকক্ষণ ধরে হাতে এক মগ ঠাণ্ডা পানি নিয়ে ছাদের রেলিং ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে আর বারবার উকি দিয়ে নিচের দিকে দেখছে। আনচান মনে চলছে দুষ্টুমির ঢেউ।।ইয়ানা খরগোশ দের তার আনা গাজর খাওয়াচ্ছে আর ভ্রু কুঁচকে আলেয়ার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে চলেছে।। খাওয়ানো শেষ করে ইয়ানা ও কৌতূহল নিয়ে আলেয়ার পাশে দাঁড়ালো।।নিচের দিকে তাকিয়ে দেখলো,,,রিফাত এর পাশে তার ছোটো চাচার ছেলে হাফিজ দাড়িয়ে। রিফাত এর থেকে সাড়ে চার বছরের ছোট হাফিজ। চার বছর পর বড়ো ভাই কে পেয়ে প্রাণ খুলে কথায় মশগুল সে।।

“আলু,,,তুই এই পানি হাফিজ ভাই এর উপর ফেলার ধান্দা করছিস না তো?”
অত্যন্ত সন্দিহান চিত্তে ইয়ানা কথাটি ছুড়ে দিল আলেয়ার দিকে।।আলেয়া ফুঁসতে ফুঁসতে বললো,,,”ওই হাপানি রোগীর মাথায় ঠান্ডা পানি ফেলে ভুত নামাব।। বজ্জাত ব্যাটা ছাবাল টা,,,আমার বন্ধুদের কাছে রটিয়ে এসেছে,,আমি নাকি এখনো বিছানায় হিসু করি।।বলো আপি,,,আমার কি আর কোনো সম্মান থাকলো আমার বন্ধুদের কাছে।।সবাই দেখলেই আমায় বলে,,অমুক বাবার মাদুলি পর দেখবি বিছানায় আর হিসু হবে না।।”
এক নিশ্বাসে কথা গুলো শেষ করে আলেয়া এদিকে আলেয়ার কথা শুনে পেটে হাত রেখে হাসিতে ফেটে পরে ইয়ানা,,হাসি যেনো তার থামছেই না।।সে জানে হাফিজ আর আলেয়ার সম্পর্ক অনেকটাই টম এন্ড জেরির মত।। দুই জনের মধ্যে যুদ্ধ লেগেই থাকে প্রায়,,,এটা নতুন কিছু না।।

আলেয়া অপেক্ষা করছে কখন তার দাদাভাই আড়াল হবে আর সে মগের পানিটা হাফিজ এর গায়ে ফেলবে।। আর তার অপেক্ষার অবসান ঘটে গেলো তাড়াতাড়িই,,,,এই সুযোগ ছাড়লো না আলেয়া। ফ্রিজ থেকে আনা মগ ভর্তি বরফ ঠান্ডা পানি এক বারই ঢেলে দিল নিচের দিকে।এক মুহুর্ত ও অপেক্ষার না করে দিলে দৌড়।একবার নিচের দিকে তাকিয়েও দেখার প্রয়োজন রাখলো না যে,পানিটা পড়েছে কার গায়ে!?
এদিকে আলেয়া কে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখে ইয়ানা হাসি থামিয়ে ভ্রু কুঁচকে নিচের দিকে তাকালো।। রিফাত কাক ভেজা হয়ে কটমট দৃষ্টি তে উপর দিকেই তাকিয়ে আছে আর ইয়ানা কে উকি দিয়া দেখে বুঝে নেয় এইটা ইয়ানার কাজ।।ঠান্ডা পানি মাথায় পড়ার সাথে সাথেই রিফাত এর মাথায় যেনো আগুন ধরে উঠলো।এই ধরনের বেয়াদবি তার এক্কেবারে অপছন্দের।।ব্যাস,,,বড়ো বড়ো পা ফেলে উদ্যোগী হয় ছাদে যাওয়ার।

এদিকে ইয়ানার অবস্থা কাহিল।বুক ধড়ফড় করছে তার।বার বার ঢোগ গিলে গলা ভেজাচ্ছে সে।। না আর এক মুহুর্ত ও সে ছাদে থাকবে না,,,নাহলে সে আজ শেষ।।ভাবনা চিন্তার পাঠ চুকিয়ে সে ছাদের দরজার সামনে আসতেই কারোর সাথে ধাক্কা খেয়ে দুই পা পিছিয়ে যায় সে।।সামনে তাকাতেই ইয়ানার আত্মারাম শুকিয়ে যায়। প্রাণ পাখিটা যেনো এই উড়াল দেবে দুর আকাশে। রিফাতের রক্তবর্ণ চোখ দেখে মনে হচ্ছে ইয়ানা কে এই টুপ করে গিলে ফেললো। রিফাতের রাগ সম্পর্কে ইয়ানার বেশ ভালই অভিজ্ঞতা আছে।।ইয়ানা হাত মুঠ করে পিছন দিকে হাটতে হাটতে কাপা সুরে মাথা ডানে বামে নাড়িয়ে বলল,,,

“আমি করিনি,,,বিশ্বাস করেন আমি পানি ফেলিনি। ”
কে শোনে কার কথা। রিফাত এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই সে সমান তালে ইয়ানার দিকে এগিয়ে আসছে।।ইয়ানা বুঝলো তার আজ রক্ষে নেই,,,তাই পালাবে,,,কিছু ভাবেই সে পালাবে।।যেই না এক ছুটে রিফাত এর পাশ কাটিয়ে পালাতে যাবে অমনি রিফাত ইয়ানাকে ধরে ফেললো। এক টানে নিজের সান্নিধ্যে নিয়ে এলো,,,আর জোর হাতে চেপে ধরলো দেওয়ালের সঙ্গে।।ইয়ানা এবার রাগে ফুঁসতে লাগলো,,,দাতে দাঁত চেপে চোটফট করতে করতে নিজেকে ছাড়াতে চেষ্টা করে বললো,,,

“ছাড়ুন আমাকে,,,ছাড়ুন না। ব্যাথা পাচ্ছি আমি।আমি বললাম তো, আমি পানি ফেলিনি আপনার গায়ে।ওটা আলু,,,,”
নাহ আর বলতে পারলো না।রিফাত কল চালিয়ে পাইপ হাতে নিয়ে ইয়ানার মাথার উপর ধরতেই পানিতে জুবুথুবু অবস্থা হলো তার। মাথা থেকে পা পর্যন্ত ভিজে একাকার হয়েগেছে ইয়ানা। শরীরের কাপড় লেপ্টে গেল। ওঠা নামা শরীর স্পষ্ট হতে শুরু করলো।। লজ্জায় নিহিয়ে গেলো মেয়েটা। শরীর কেপে উঠছে ক্ষণে ক্ষণে।।কিছু না করেও এই শাস্তি তার কাম্য নয়।সীমা অতিক্রম করলো ইয়ানার রাগ,অভিমান। তার কথা একবারও কি শোনা যেত না?ঠান্ডায় কাপতে শুরু করলো।লজ্জায় আর রাগে কান্না পাচ্ছে প্রচুর।
রিফাত ইয়ানার দিকে তাকাতেই চমকে উঠলো।চোখ গুলো ইয়ানার ভাঁজ যুক্ত শরীরে আটকিয়ে গেলো তার।। পরক্ষনেই চোখ ফিরিয়ে হাতে থাকা পাইপ ছুড়ে ফেললো অন্যপাশে।।কি হয়েছিল তার হঠাৎ!!একটুও কি আয়ত্বে আনা যেত না তার রাগ?অসস্তিতে জর্জরিত হলো রিফাত।।কিছু বলতে নেবে তার আগেই শোনা গেলো ইয়ানার মিহি কাপা কণ্ঠস্বর,,,

“ভীষণ বাজে আপনি।আমায় এই পরিস্থতিতে না ফেলে একে বারে ছাদ থেকেই ফেলে দিতেন।তাহলে শান্তি হতো আপনার।।”
কথাটি বলেই ওড়না টা ভালো করে গায়ে জড়িয়ে দৌঁড়ে নিচে চলে গেল ইয়ানা।আর রিফাত এর দিকে ছুঁড়ে দিলো একগাদা রাগ অভিমান এর পাথর।

ফোনের ঐপাশ থেকে জোরে হাসির আওয়াজে এক বুক বিরক্তি প্রকাশ করলো আলেয়া। মনে হচ্ছে হাসতে হাসতে ওপর পাশের মানুষটার পেট ফেটে যাবে তাতেও হাসি থামবে না।চোখ বন্ধ করে দাতে দাত পিষে বললো,,,
“এই হাপানি রোগী!এই বিশ্রী মারকা হাসি না থামালে আরো এক মগ পানি দিয়ে গোসল করবো।”
হাফিজ হাসি চাপার চেষ্টা করে বললো,,,” আরে গাধা পানি টা কার উপর ফেলেছিস সেটার খেয়াল আছে?হা হা হা,,,,,এত দিন শুনেছি অন্যের জন্য কুয়া খুঁড়লে সেখানে নিজেকেই পড়তে হয়,,কিন্তু আজ তার দাদাভাই কে পড়তে দেখলাম।।ভাগ্যিস আমি তোকে আগেই লক্ষ করেছিলাম।”
আলেয়ার রক্ত হিম হয়ে আসে। চোখ গোল গোল আকার ধারণ করে,,,মুখ ফুটে উচ্চারিত হয়,,,,” তার মানে,,!!”
“দাদাভাই কে সরিয়ে দেওয়ার আগেই পানি তার গায়ে পড়ে।। দাদাভাই হয়তো খুব রেগে আছে। আলু কা চালু,,,তোর খবর আজ আমি টিভি তে দেখমু।”
ফোন কেটে দিলো হাফিজ কিন্তু আলেয়ার অবস্থা কাহিল বিবশ হয়ে গেছে।।

“তোর এত কিসের রাগ বুঝিনা বাপু। চার বছর পর ফিরেছিস কোথায় মেয়েটাকে নিয়ে ঘুরতে যাবি,স্বামী হওয়ার কর্তব্য পালন করবি,,তা না। উনি পারে খালি রাগ দেখতে।। ইসস রে মেয়েটা,,,”
“ফালতু না বোকে যেটার জন্য ফোন করেছিস সেটা বল।”
আহিল থম মেরে গেলো রিফাত এর রাগান্বিত সুর শুনে।। সেতো রিফাত কে কাজের সূত্রেই ফোন করেছিলো কিন্তু রিফাত এর ঝংকার আওয়াজ আর বিরক্তির আন্দাজ দেখে সে কারণ জিজ্ঞাসা করতেই রিফাত শান্ত গলায় সবটা বলে আহিল কে।। সেই সব কথা শুনেই আহিল কথা গুলো বলে উঠলো,,,,কিন্তু রিফাত এর গায়ে মনে হয় কিছুই লাগেনি।।ছোট বেলার বন্ধু তারা,,,একে অপরের সঙ্গে চেপে রাখার মত কথা তাদের মধ্যে নেই বললেই চলে। তাই তো রিফাত এর মত একখোরা, রাগচটা ছেলে আহিল এর কাছে নির্দ্বিধায় সবটা প্রকাশ করলো।
আহিল একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো,,,”পারমিশন ভ্যালিড। এবার একটা দিন ঠিক কর ওপেনিং এর জন্য,,,, নার্সিংহোম টা তোর তাই এই ডিসিশন আমি নিতে পারবো না।বাদ বাকি আমি সামলে নেবো।”

এক প্রণয় রাত্রি পর্ব ৪

“ওকে,,,আমি দেখছি।”
“হুমম,,,আর একটা কথা।”
“বল।”
“সরি তো তোর ডিকশনারিতে নেই,,, এটলিস্ট তুই যে কাজটা করেছিস তার জন্য তুই অনুতপ্ত। সেটা তো প্রকাশ করতে দোষ নেই।।”
রিফাত আর কথা বাড়ালো না টুক করে ফোন কেটে দিলো। আহিল এর কথা একেবারে ফেলার মত নয়।।কিছু একটা ভেবে রুম ত্যাগ করলো রিফাত,,,পা বাড়ালো ইয়ানার রুমের দিকে,,,

এক প্রণয় রাত্রি পর্ব ৬