কালকুঠুরি পর্ব ৫৪
sumona khatun mollika
মাহা কপালে হাত চেপে বসে আছে । সেতু গুনগুনিয়ে কাঁদছে। মাহাবুব উদ্দিন কপাল ভাজ করে বসে আছে৷ লামু মেঝের দিকে নজর রেখেই বলে,,
” রক্তের টান! , কত ভয়াবহ আকর্ষণক্ষমতা তার! সারা দুনিয়া গোল ঘুরে সামহা টিপটিপ করে ঠিক তার আব্বুর কাছেই ধরা দিয়েছে। ”
সেতু চোখ মুছে ভয়ার্ত কণ্ঠে আওড়ালো,
” সামির ভাইজান মুখে কালা মাস্ক পইরা ছিল, তাহলে কি সামহার কোনো ক্ষতি করবে? ”
” করবেনা। ”
পেছন থেকে এক নুসরাতের আওয়াজ। মাহা ঝট করে দাড়িয়ে বলে,,
” আপু,, বলুন না, উনি কি সামহাকে নিয়ে বাড়ি গেছেন? ”
” না মাহা, বাড়িও যায়নি, কালকুঠুরি তেও যায়নি। আর চিন্তা কোরোনা, আমি শুনেছি সাফিনভাই হুকুম জারি করেছে বাচ্চার কোনো ক্ষতি না করতে।এমনিতেও সামির বাচ্চাদের ক্ষতি করেনা। আর ওই মেয়েটাকে সিয়েরার আব্বু তুলে নিয়ে গেছে। ”
” কোথায় রেখেছে? ”
” জানা নেই। হয়ত এমপি আবু সাফিন সিকান্দার নিজেও জানেনা। ”
” বাচ্চাটার নাম জানেন? ”
” কাবেরী আরিয়ান ”
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
মাহবুব উদ্দিন নুসরাতের দিকে তাকিয়ে বলে,,
– একটা জিনিস বুঝতে পারছিনা। সামির সিকান্দার ভিরান কি এখনো বাবুর মুখ দেখেনি? নিশ্চয়ই দেখেছে। সে দুরদর্শী। প্রথম দেখাতেই একটু খটকা লাগার কথা । কারণ ভুমি আর ভিরানের চেহারা প্রায় ৮০ শতাংশ মেলে। এটা হতে পারে ধারণা টা এমন যে, যে মারা গেছে যার কোনো অস্তিত্ব নেই সে কি করে হুট করে একটা বাচ্চা সমেত এসে দাড়ায় !
নুসরাত চেহারায় একটা হাসি ধরে রেখে শান্ত কণ্ঠে বলে,,
– খুব একটা বেশি চমকিত হবেনা।
– বলছেন?
– বলছি। আপনি কি জানেন, সামির কিন্তু পাঁচ বছর আগে মাহার জানাজায় যায়নি। মাঝেমধ্যেই বলে, ওর কেন যেন মনে হয় মাহা বেচে আছে।
– মেডাম, আমার মনে হচ্ছে আপনার এবার একটা কামব্যাক দেওয়ার টাইম এসেছে৷। চিন্তা করবেন না। বাবুর ক্ষতি হবে না। কারণ সত্যি এই পাঁচ বছরে, সামির সিকান্দার কোনো বাচ্চার ক্ষতি করে নাই। খবরটা আমি কাশেম হালদার এর থেকে পেয়েছি।
– দেখাই যাক।
সামির গাড়ি দাড় করিয়েছে একটা ভাঙাচোরা দেয়ালের বাড়ির প্রাঙ্গণে। সামহা ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে দেখলো। গাড়ি থেকে নেমে সামিরের পাশে গিয়ে দাড়ালো। সামিরের লম্বা কোর্ট মাটি ঘেঁষে যাচ্ছে সামহার ছোট্ট হাইটের জন্য । বয়স পাঁচ তবে দেখে কুট্টি পিঁপড়া মনে হয়। চোখের সানগ্লাস টা নামিয়ে মাথা উচিয়ে সামিরের দিকে তাকিয়ে ,,,
“তোমাকে আর আব্বু ডাকবোনা। ”
” মাত্র ৩ ঘন্টায় শখ মিটে গেল?”
” হু”
” কিন্তু কেন? ”
” কারণ তুমি আমাকে এই ভাঙরি বাড়িতে এনেছ!”
” এটা তোমার ভাঙরি মামার বাড়ি ”
” তাহলে ঠিকি আছে। দুটোই ভাঙরি! ”
” চলো এসো। ”
সামহাকে কোলে তুলে সামির ভেতরে চলে যায় । বাড়িটা বাহির থেকে দেখতেই ভাঙরি কিন্তু ভেতরে আধুনিকতায় ঘেরা। সামহাকে ডাইনিং টেবিলে বসিয়ে সামির নিজের চেহারার রুমাল খুলতেই সামহা হা করে বলে,
” ও বাবা, তুমিতো ওই গেছো ভূতটা ”
“হুমম। ”
” এটা সত্যি দামড়া মামার বাড়ি? অনেক সুন্দর ”
” হুমমম। তোমার খিদে পেযেছে?”
” উমমম। ”
” রান্না করতে পারো? ”
” তোমারকি মাথা খারাপ! এইটুকু কিউট একটা বেবিকি রান্না করতে পারে? ”
” সেতো আমিও পারিনা। ”
” ডাল আর চাল ধুয়ে পানি দিয়ে চুলায় বসিয়ে দাও। সেতুটা এভাবেই করে ”
” বলছো? ”
“উমমম”
” ঠিকাছে। ”
সামির সব জিনিসপত্র খুঁজে খুজে বের করলো। কিন্তু মাথায় ঢুকছে না কিভাবে কি করে! সামহার নির্দেশমতো ডাল আর চাল ধুয়ে রাইসকুকারে তুলে দিল। সে যতটুকু জানে সেই হিসাবে খিচুড়ি তে পেয়াজ , মরিচ, রসুন সব দিতে হয়। একে একে গোটা গোটা পেয়াজ, রসুন, মরিচ, সব ধরণের মশলা আর তেল দিয়ে এক চামচ লবণ মেরে বসিয়ে দিল। সামহা বসে বসে দেখলো। হতে কিছুটা সময় লাগবে ।
সামির গিয়ে সামহার মুখ বরাবর চেয়ারে বসে বলল,
” তুমি আমাকে আব্বু ডাকতে চাও কেন? ”
” আব্বুরা ভালো হয়। ”
” তোমার আব্বু রাগবে না? ”
” বোকা, আমারতো আব্বু নেই। ”
সামির একপ্রকার ভেবে নিল সেতুর স্বামী হয়ত মারা গেছে। ততখনে কাশেম চলে এসেছে।
” ওদিকের কি অবস্থা ? ”
” সাফিন ভাইতো পুরা ক্ষেপে বোম! আমি কইছি আপনে হের ছবিডা দেহেন নাই তাই ভুল হইছে। আর আপনে কই আমি জানিনা”
” পুলিশ ওকে খুজতেছে না?”
” সে বিষয়ে খোজ নেই নাই। হতে পারে এ মাহবুব উদ্দিন এর ছুড়ি ভাই। কারণ যে বিল্ডিং থেকে এরে উঠায়ছেন, ওইখানে প্রায়দিনি মাহবুব উদ্দিন যায়। তবে সাথে একটা বেডিও থাকে শাড়ি মাড়ি পইরা, বউ মনে হয়। ”
” হতে পারেনা। কারণ ওর আব্বু নাই। মানে সেতুর স্বামী নাই। ”
” এরজন্য আপনেরে আব্বু ডাকতেছে। ”
সামহা তিতিনকে কোলে নিয়ে এসে বলে,
” আমাদের খিদা লাগছে। “”
” চলো দেখি, খিচুড়ি হইছে নাকি ”
” চলো ”
সামহাকে কোলে তুলে সামির রান্নাঘরে চলে যায় । গন্ধ খুব ভালো ছেড়েছে। কিন্তু যেটা হওয়ার সেটাই হয়েছে। খিচুড়ি নয় মশলাচুড়ি হয়ে গেছে।
” আব্বু, এটাতো খিচুড়ি না, মশলাচুড়ি হয়েছে, ওয়াক! ”
” এহেম, আবব,,, আমি তো আর রাঁধুনি নই। যা হইছে তাই খাও এখন। ”
” এই, দামড়া মামা, যাও বাইরে থেকে খাবারনিয়েসো, আমার খিদা লাগছে ”
কাশেম সাহস করে হোহো করে হাসতে পারেনা সামিরের ভয়ে । কিন্তু খিচুড়িটা দেখে আসলেই সে চরম কষ্টে হাসি সামাল দিয়েছে। সামিরের কোপানল থেকে বাচতে এক প্রকার দৌড়ে বাইরে চলে গেল খাবার কিনতে। সামহা বিরক্তিতে নিজের বোঁচকা টেনে ওখান থেকে একপ্যাকেট ক্রিম বিস্কুট বের করে খেতে শুরু করে। সামির চকিত হয়ে আঙুল দিয়ে ইশারা করে বলে,,
“তোমার কাছে বিস্কুট এলো কি করে? ”
“লং জার্নি ভেবে তুলেছিলাম । তুমি খাবে? ”
” না। ”
” ভেবে দেখ, পরে কিন্তু দেবনা। ”
” একটা দাও। ”
” হুমম ”
দুজনে বসে থেকে বিস্কুট খাচ্ছে । সামহা হঠাৎ বলে,,
” এবাবে কি দেখছো? আমিতো তোমার মতই কালো ।
” সেটাইতো দেখছি। কি অদ্ভুত বিক্রিয়া, তুমি পুরার পুররা আমার মতো দেখতে। ”
” ও ”
কাশেম চলে এসেছে খাবার নিয়ে । আসতে দেরি হওয়ায় সামির একটু রাগ দেখালো বটে। কাশেম যেইনা মাত্র সোফায় বসেছে সামহা আবার গিয়ে হুকুম জারি করছে,,
সামহা ড্যাব ড্যাব করে তাকালো, চোখে মিষ্টি রাগ নিয়ে বলল,,,
” আরে এ্যাই দামড়া মামা,, ”
” তুমি আবারো আমাকে দামড়া মামা বলছো!”
” বলছি! ”
” কি চাই? ”
” আমার জন্য ডাইপুর নিয়েসো যাও। রাতে হিসু করতে উঠিনা। নইলে,, নইলে আমি তোমার কোলে মুতু করে দিব। ”
” কিই?!”
” হুউ। ”
কাশেম ন্যাকা স্বরে সামিরের কাছে গিয়ে আওড়ালো, ভাই,,, হেরে সরান নইলে বাঁচতাম না। ”
” এই দামড়া মামা, তুমি, আমার আব্বুর কান ভাঙাচ্চো”
” হ্যা ভাঙাচ্ছি , কি করে নিবি বে! ”
” ছালা দামড়া বানগি! ”
কথাটা বলেই সামহা গিয়ে কাশেমের পায়ের লোম ধরে জোড়ছে একটা টান মেরে মারলো দৌড়। সামির হাহাহা করে হাসতে লাগলো।
” হে নেন মজা নেন,, আগে আপনে এহন আরেকটা আমি কই যাবো রেএ! ”
রাতেরবেলা সামহা সামিরের কোলের মধ্যে ঠুসে বলে,,
” আব্বু চুল বেঁধে দাও। আম্মুতো চুল বেঁধে দেয়।”
” আমিতো চুল বাঁধতে পারিনা ”
” ফোনে দেখে বাঁধো ”
বুদ্ধিটা দারুণ। সামির ফোন বের করে চুল বাধার নিয়ম দেখে, সামহার চুল আচড়ে তাতে বেনি বাধতে থাকে। আগে কখনো এমন কাজ করেনি। তাই প্রথমবারে ততটা ভালো হয়নি। তবে কেও দেখছেনা বা জানছেনা বেনীর একেকটা প্যাচে, কত কাহিনি লুকিয়ে আছে । একেকটা প্যাচ বহন করছে সামির সিকান্দার এর হাতের মায়া। যে হাত এখনো অজস্র মানুষের রক্তে রঞ্জিত।
চুল বাধা শেষে দুজন একসাথে শুয়ে পরে। সামির তার পিঠে চাপড় দিয়ে ঘুম পারিয়ে দিচ্ছিল। সামহা তার মুখের দিকে তাকিয়ে বলে,,
” তোমার হাত অনেক শক্ত ! ”
সঙ্গে সঙ্গে সামিরের হাত থেমে যায় । হাত সরিয়ে নিয়ে সামহার কপালের চুলগুলো সরিয়ে নিয়ে বলে,,
” তোমার আম্মুর জন্য চিন্তা হচ্ছে না? ”
” হচ্ছে । ”
” ফেরত যেতে চাও?”
” উমমমম…… না। যদি যাই তবে তুমি আমার আম্মু কে বিয়ে করবে? ”
” না”
” কেনু?”
” আমি বিবাহিত । ”
সামহার বোধহয় একটু অভিমান হলো। কিছু বললনা শুধু তাকিয়ে রইলো সামিরের মুখপানে। যেভাবে মানুষ খুব আকর্ষণীয় কোনোকিছুর দিকে তাকিয়ে থাকে। সামির ভ্রু নাচিয়ে ইশারা করে বোঝায়, ” কি হয়েছে ” সামহা তার জবাব দেয় না ।
নিজের ছোট্ট হাতের তালু দিয়ে সামিরের গাল নেড়ে দেয় । সামিরের বক্ষপিঞ্জরের ভেতর ঢিপঢিপ করা যন্ত্রটা আরো জোড়ালো ভাবে লাফাতে থাকে৷
সামহা তার কোলের ভেতর ঠেলা মেরে গুটিয়ে শুটিয়ে শুয়ে পরে৷
মাহা সারারাত বাবুর চিন্তায় ঘুমাতে পারেনি৷ সেতুরো ঝগড়া না করে মন বিষন্নতায় ছেয়ে আছে। সারাটারাত তাহাজ্জুদে কান্নাকাটি করেছে। যাতে পরম করুণাময় আল্লাহপাক সামহাকে সহি সালাম রাখে। মাহাবুব উদ্দিন ও অনেক চেষ্টা করেছে কিন্তু এখানেও সামিরের বাণী কাজ করে গেছে। সে বরাবরি বলে,
” সবচে সহজ জায়গাটা হয় লুকোনোর জন্য কঠিন জায়গা ”
পরেরদিন সকালে সামহা চোখ ডলতে ডলতে নিচে এসে দেখে আব্বু কাশেম খাবার রেডি করছে। সামির টেবিলে বসে আছে । সে সোজা বাথরুমে চলে যায় । একটুপর ওপর থেকে চিৎকার ভেসে আসে,,,
” আব্বুউউউ…”
সামির আর কাশেম দৌড়ে ওপরে চলে যায় । গিয়ে দেখে সামহা বাথরুমে বসে চেঁচাচ্ছে। দড়জা না লাগানোতে চরম দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে । সামহা বসে থেকেই বলে,,
” আব্বু,, হাকু কচ্ছি ঢুয়ে দাও ”
“কি!? আমি এখন তোর পটি পরিষ্কার করুম? ”
কাশেম মাজায় হাত দিয়ে গা দুলিয়ে হেসে ওঠে,,
“ঠিকি আছে, লেও ঠেলা। বাপ হলে এসব করতে হয় , ভাই ফাইশসা গেছেন মাইনকার চিপায় ”
কাশেমের হাসির গতি সামিরের মেজাজ তুঙ্গে তুলে দিচ্ছে। সামির বুকে হাত গুজে কিছুক্ষণ কাশেমের হাসাহাসি দেখলো। তারপর বামগাল টেনে বলল,,
” বাবা কাইশসা,, তুমি গেছো ফাইশসা,, ভুল করছ হাইসসা। এবার যাও বেবির পটি পরিষ্কার আর পিছা মুছে দাও ঠাইশসা! ”
” আপনের বেটি, আপনে ছুছান, আমি পারতাম না , এহহ আমি মনেহয় কইছি ভাই যান আপদডারে ঘাড়ে তুইললা লইয়ান। ”
” কি বললি? ”
” সাফিন ভাই ডাকছে গেলাম বাবা। ”
কাশেম বাহানা দিয়ে কেটে পরলো। সামির গালে হাত দিয়ে কিছুক্ষণ ভেবে জিজ্ঞেস করল,,
” বেবি, তুমি কি আসলেই পারবেনা? ”
” উহুউ ”
কি আর করার, সামির কাপড় আটকানো চিমটা নাকে দিয়ে চোখমুখ সিটিয়ে কোনোমতে সামহাকে পরিষ্কার করে আনলো। খেয়ে দেয়ে, তিনজন বেরিয়েছে মার্কেট করতে, তিনদিনও যদি থাকে সামহার জন্য কিছুতো প্রয়োজন হবে। তাছাড়া সে জামাকাপড় আনেনি। বাজারে গিয়ে সামির সামহাকে ঘাড়ে করে অনেকগুলো জামাকাপড় মার্কেট করেছে।
শপিংমলের লোকগুলো তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে, বেবিক্যারিয়ারের যুগেও এক বাপ কি সুন্দর তার মেয়েকে ঘাড়ে তুলে মার্কেট করছে। বাপের লাল শার্ট আর কন্যারত্নের লালজামা যেন আলাদাই ঝলমল করছে। দুজনেরি মুখে মাস্ক। কাশেম ধরে বেধে দুপাশে দুটো শিংয়ের মতো চুল বেঁধে দিয়েছে।
একটা বোরখার দোকানে ঢুকে সামির সামহার জন্য রঙ বেরঙের সুন্দর সুন্দর বোরখাও কিনেছে। দোকনের এক কর্মচারী নারী তাকে সুন্দর করে বোরখা পরিযে দিয়েছে।
সামিরের চোখে পরে একটা মেনিকুইন এর মুখে নিকাব বাধা। কালো রঙের নিকাব নিয়ে সুন্দর করে সামহার মুখে বেধে দেয় ।
পুনরায় আবারো বাড়ি ফিরে আসে । কাশেম ক্লান্তির চোটে ঘুমিয়ে পরেছে। মেয়েদের মতো সামির সামহা কে একটা একটা করে জামা পরাচ্ছে আর ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ছবি তুলছে । তার পড়নেও নতুন লাল শার্ট আর রঙচটা জিন্সের প্যান্ট। বুকে জাপটে আছে ধূসর রঙা ওয়েস্ট কোর্ট। তার সাথে ম্যাচ করে, সামহাকেও লালরঙা একটা প্রিন্সেস ড্রেস পরিয়ে, হাতে লাল চুড়ি মাথায় ক্রাউন পরিয়ে একেবারে ছোট্ট পরী বানিয়ে দিল।
হাত বারিয়ে বলল,,
– লেটস ডান্স বেবি,,
কালকুঠুরি পর্ব ৫৩
ফোনে একটা অসম্ভব সুন্দর গান ছেড়ে সামির সামহার হাত ধরে নাচতে শুরু করলো। কাশেম দেখতে পেয়ে সুন্দর করে ভিডিও বানিয়ে নিল। দুজন সুন্দর বিদেশি গানে তাল মিলিযে নাচছে,, ফোনে গান বাজছে,,,৷
It’s a love story…..
( indila love story)

Aj akhono porbo aslo na kn apu?????????