Home অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা পর্ব ৯

অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা পর্ব ৯

অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা পর্ব ৯
Sathi

__ এতো কিছুর পরও কী করে পারছিস তাকে এতো ভালোবাসতে?
__ ভালোবাসা? তাও ওর জন্য?
” আদনানের এমন গম্ভীর প্রশ্নে,জেহেফিল আকাশের দিকে তাকিয়ে ঠাট্টার স্বরে জবাবটা দেয়, কিন্তু তার চোখের গভীরে লুকিয়ে থাকে অন্যরকম অনুভূতি। আদনান হালকা হাসে, তারপর ছোট্ট করে আবার জিজ্ঞেস করে।
__ কেন দুইমুখী জবাব দিচ্ছিস?
__ জানি না… মন যে কখন কী বলে।
” কথাটা বলেই দীর্ঘশ্বাস ফেলে জেহেফিল। তার গলায় ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট। আদনান ধীরে কাছে এসে কাঁধে হাত রাখে। স্পর্শ পেতেই জেহেফিল হঠাৎ পিছন ফিরে তাকায়। আদনান নরম গলায় জানতে চায়।

__ এখন কী চায় তোর মন?
” মুহূর্তের জন্য নিস্তব্ধতা নেমে আসে দুইজনের মাঝে।
যেন সময় থেমে গেছে। জেহেফিল সময় নিয়ে জবাব দেই।
__ তার সাথে দেখা করতে।
__ তাহলে দেরি কিসের? যা।
” আদনানের বলতে দেরি, মুহূর্তেই জেহেফিলের নিচে নামতে আর দেরি হয় না। তার চলাফেরায় একধরনের তাড়াহুড়ো, অস্থিরতা স্পষ্ট। জেহেফিলের কান্ডে আদনান হাসে।
” নিচে আসতেই জেহেফিল দেখে এরিন বসে আছে, কানে হেডফোন। সে যেন নিজের জগতে হারিয়ে আছে। জেহেফিল সেইদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে সোজা বেরিয়ে যায়। কিচেন থেকে ‘হামিদা বেগম’ (জেহেফিলের মা) চুপচাপ তাকিয়ে থাকে। তার চোখে প্রশ্ন, চিন্তা, কিন্তু এতো রাতে কেন বের হচ্ছে, সেটা জিজ্ঞেস করার মতো সাহস বা স্বাভাবিকতা উনার নেই। তিনি নিঃশব্দে আবার নিজের কাজে মন দেন।

” খাবার টেবিলে বসে আছে সেতু। পাশে ভাই, মা, বাবা। কিন্তু আগের মতো কোনো কথা নেই, সবকিছু নিস্তব্ধ। সে নিশ্চুপে খেয়ে যাচ্ছে।
” এই অস্বস্তিকর নীরবতার মাঝেই হঠাৎ মারুফ চৌধুরী প্রশ্ন করে ওঠেন।
__ তুমি কী চাচ্ছো?
” সেতু প্রশ্নটা বুঝতে পারে না। ভেবেছিল হয়তো বকাঝকা বা মা*র খাবে, কিন্তু এমন শান্ত প্রশ্নে সে একটু থমকে যায়। ভেবে নেই আম্মু সব বলেছে তাই আব্বু বিষয়টা বুঝে গেছে তার দোষ নেই। তাই ভয় না পেয়ে নিজের মতো করে, নিজের ইচ্ছা গুলো বলে।
__ অনেক কিছু তো চাই। যেমন একটা বাইক, নতুন মোবাইল, নতুন ল্যাপটপ… সর্বশেষ জীবন থেকে এই পড়ালেখা বিদায়।
__ সিরিয়াস হও। তোমাকে আমি কী বলছি, তুমি কী বলছো?
” মারুফ চৌধুরীর কড়া গলায় কথাটা শুনে সেতু চোখ ফিটফিট করে তাকায়, কিন্তু জবাব দেয় না। তার মাথায় এখনো আসল কথাটা ঢোকেনি।মারুফ চৌধুরী দীর্ঘশ্বাস ফেলে আবার বলেন।
__ আমি জেহেফিলের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছি। কী চাও তুমি? তুমি কি ওকে ভালোবাসো? বিয়ে করবে?
” বাবার মুখে জেহেফিলের নাম শুনে সেতুর বুক ধক করে ওঠে। আগের ভয়টা আবার জেগে ওঠে। তাড়াহুড়ো করে বলে।

__ আমি উনাকে ভালোবাসি না। আর না কখনো বিয়ে করবো।
__ যদি আমি বলি,ওকেই তোমার বিয়ে করতে হবে?
” মারুফ চৌধুরীর এমন কথায় টেবিলে বসে থাকা তিনজনই চোখ বড় বড় করে তাকায়। বিশেষ করে সেতু, তার মুখে অবিশ্বাস স্পষ্ট, যেন সে ঠিকমতো শুনতেই পারেনি।
__ তুমি কী বলছো এসব? মাথা ঠিক আছে? যে ছেলেটা আমার মেয়েকে বিরক্ত করছে, ঠিকমতো জীবনে চলতে দিচ্ছে না, তাকে তুমি বিয়ে করতে বলছো?
__ হ্যাঁ আব্বু, তুমি এসব কী বলছো? আমি লোকটা সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছি, কিন্তু তেমন ইম্পর্ট্যান্ট কিছু পাইনি। জাস্ট কয়টা ক্রিমিনালকে ধরিয়ে দেওয়া ছাড়া। আর তুমি কি ভুলে গেলে, সেতুর বিয়ে ঠিক আছে মেঘের সাথে?
” সেতুর মা আর অধিত (তার ভাই)একসাথে রাগী স্বরে কথা বলে ওঠে। টেবিলের পরিবেশ মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মারুফ চৌধুরী ছেলের উত্তেজনা দেখে ধীরে তার হাতের উপর হাত রাখে।গলায় চাপা কঠোরতা নিয়ে বলে।
__ বিয়ে জেহেফিলের সাথেই হবে। তুমি একটু আমার রুমে আসো।
” বলেই তিনি আর দাঁড়ান না। উঠে চলে যান। অধিত বাবার চোখের ইশারা বুঝতে পারে, কিছু একটা কারণ আছে। তাই আর কোনো প্রশ্ন না করে বাবার পিছু পিছু চলে যায়। টেবিলে রয়ে যায় সেতু আর তার মা।

__ আব্বু এসব কী বলছে, আম্মু?
__ জানি না আমি…
” বলেই তিনিও উঠে চলে যান। চারিদিক আবার নিস্তব্ধ। সেতু চুপচাপ খাওয়া শেষ করে নিজের রুমে চলে আসে।রুমে এসে সেতু বেডে বসে গভীর ভাবনায় পড়ে যায়। তার চোখে মুখে অস্থিরতা, বাবার আচরণ, জেহেফিল, সব মিলিয়ে কিছুই বুঝতে পারছে না। মাঝখানে সে যেন পিষ্ট হয়ে গেছে।
” ভাবতে ভাবতেই ড্রেসিং টেবিলের সামনে যায়। হঠাৎ চোখে পড়ে, জেহেফিলের আন্ডারপ্যান্ট। সাথে সাথে নাক-মুখ কুঁচকে নেয়।
” ‘যদি আম্মু দেখে ফেলত। এই ভয় মাথায় আসতেই তাড়াতাড়ি করে সেটা হাতে নেয়। মাথার ঘামে চিপকে আছে। নিজের রুমে রাখা নিরাপদ নয় ভেবেই বেলকনিতে চলে যায়।
” বেলকনিতে এসে উপরে-নিচে না তাকিয়ে থুস করে নিচে ফেলে দেয়।
” কাজ শেষ করে আবার রুমে এসে বেডে বসে,কিন্তু মাথার চিন্তা থামে না। বারবার জেহেফিলের কথাই মনে পড়ছে।

” জেহেফিল সেতুর বেলকনির নিচে দাঁড়িয়ে ছিল। একদৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল পাইপটার দিকে, যেটা বেয়ে সে উপরে উঠবে।
” হঠাৎ ওপর থেকে কিছু একটা পড়তেই সে চমকে যায়। জিনিসটা মাথায় লেগে গড়িয়ে মুখের সামনে আসে। দ্রুত হাতে নিয়ে দেখে।…একটা আন্ডারপ্যান্ট। ভ্রু কুঁচকে উপরে তাকায়,..কেউ নেই। আবার নিচে তাকিয়ে জিনিসটা ভালো করে দেখে, হঠাৎ চমকে ওঠে।
” এটা তো তারই আন্ডারপ্যান্ট। তার সাইজ… আর এটা তো কিছুদিন আগেই কিনেছে।
” মনে মনে সন্দেহ জাগে।..তবে কি সেতু বাড়ি থেকে নিয়ে এসেছে? কিন্তু কেন?’কৌতূহল আর বিস্ময় চেপে রাখতে না পেরে সেটা কুঁচকে প্যান্টের পকেটে ঢুকিয়ে নেই।তারপর ধীরে ধীরে পাইপ বেয়ে উপরে উঠতে থাকে।
“” সেতু টেনশনে রুমের মাঝে পায়চারি করছে। তার পায়ের শব্দে যেন অস্থিরতা স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। বু*কের ভেতরটা ধুকপুক করছে। সে ম*রে গেলেও এমন লু*চ্চা মার্কা ছেলেকে বিয়ে করবে না।নিজের মনেই বারবার বলছে। যে কিনা কথায় কথায় চুমু খায়।
” হঠাৎ ‘খট’ করে বেলকনি থেকে শব্দ হতেই ভয়ে চমকে ওঠে সে। নিস্তব্ধ রাতে এমন শব্দে ভয় পাওয়ার কথা।আস্তে আস্তে সেইদিকে এগোতেই আকস্মিক কেউ একজন সামনে চলে আসে। সেতু ভয়ে লাফিয়ে উঠে চিৎকার দিতে যায়।
” ঠিক তখনই জেহেফিল তাড়াতাড়ি এসে তার মুখ চেপে ধরে।

__ চু*মুখোর বউ? এমন চিৎকার করছো কেন? আমি কি তোমাকে খেয়ে ফেলছি?
__ উহু… উহু…
” মুখ চেপে ধরার কারণে কথা বের হয় না, শুধু অস্পষ্ট আওয়াজ। সেতু বিরক্ত হয়ে তাকায়। মনে মনে ভাবে, কেমন গা*ধা লোক।মুখ চেপে ধরে আবার উত্তর চাচ্ছে।
” জেহেফিল ব্যাপারটা বুঝে হালকা হেসে হাতটা সরাতে সরাতে বলে।
__ হাত সরিয়ে নিচ্ছি, তবে চিৎকার করবে না।
” সেতু মাথা নেড়ে ‘হ্যাঁ’ বলে। সাথে সাথে জেহেফিল ছেড়ে দেয়। ছাড়া পেতেই সেতু যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। বুক ভরে শ্বাস নিয়ে কোমরে হাত রেখে কাঠ-কাঠ গলায় জিজ্ঞেস করে।
__ আপনি এতো রাতে এখানে কী করছেন?
__ ব*উয়ের কাছে জামাই এতো রাতে কেন আসে? অবশ্যই লুতুপুতু করতে।
” ঠোঁট বাঁকিয়ে দুষ্টু হাসি দেয় জেহেফিল। তার গলায় খুনসুটির সুর। কিন্তু সেতু বুঝেনা,চারপাশে তাকিয়ে বিরক্ত স্বরে বলে।

__ কিসের বউ হ্যাঁ? মুখ সামলে কথা বলুন। আর কিসের লুতুপুতু? বের হন আমার রুম থেকে।
__ ওকে, বেরিয়ে যাবো… তবে একটা আবদার আছে।
__ কী আবদার?
__ আমাকে ২০টা চুমু দাও।
__ মামার বাড়ির আবদার?
__ শ্বশুরবাড়ির আবদার। শার্টে তো ঠিকই চুমু দিয়েছো। এখন কেন দিতে পারছো না?
” বাকা হেসে কথাটা বলতেই সেতু ঢোক গিলে। গলাটা শুকিয়ে যায়। কিন্তু পর মুহূর্তে জেহেফিলের হাতের দিকে তাকাতেই ল*জ্জায় পড়ে যায়।
__ বউ মেয়ে মানুষ আন্ডারপ্যান্ট পরে? যদি পরেও থাকে, তোমার সাইজ আর আমার সাইজ তো আকাশ-পাতাল পার্থক্য। নাকি তোমার বাপ আর ভাইয়ের জন্য এটা চুরি করেছো?
” জেহেফিলের কথায় সেতুর রাগ হলেও জবাব দেওয়ার মতো কিছু পায় না।

__ কী হলো? জবাব দিচ্ছো না কেন?
__ কী বলবো?
__ আমার আন্ডারপ্যান্ট কেন নিয়ে এসেছো?
” জেহেফিলের প্রশ্নে এইবার সেতু চোখ বন্ধ করে সম্পূর্ণ ঘটনাটা বলে দেয়।
” সব শুনে জেহেফিল হা হয়ে যায়। বিস্ময়ভরা চোখে তাকিয়ে থেকে বলে।
__ কী বুদ্ধি তোমার মাথায়, অর্ধেক বউ। তবে কাজের না। আমাকে বললে হতো আমি ইনারকেপ খুঁজে দিতাম।
” এমন কথায় সেতু অপমান বোধ করে। মুখ শক্ত করে ফেলে। জেহেফিলের আন্ডারপ্যান্টটার দিকে তাকিয়ে বলে উঠে।
__ কী সাইজ, মাইরি। এমন পাচার সাইজ তো আমার ১৪ গুষ্টির কারো হবে না।
” বলেই সেতু রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে রুমে চলে আসে। পিছন পিছন জেহেফিলও আসে। তবে মনে মনে সে সেতুর বুদ্ধির প্রশংসা করে।
কী সুন্দর করে কথার মাঝেই বুঝিয়ে দিলো এটা তার বাপ-ভাইয়ের জন্য নিয়ে আসেনি। মানে তার ১৪ গুষ্টির কারোই কাজে লাগবে না, তাই চু*রি করার প্রশ্নই আসে না।
” রুমে এসে বেডে বসতেই জেহেফিলও এসে সেতুর পাশে বসে। বিরক্ত হয়ে সেতু খটমট চোখে তাকায়। সে ভালো করেই জানে, এই লোক নিজের ইচ্ছায় না গেলে কেউ তাকে এই রুম থেকে বের করতে পারবে না। তাই কিছু বলার মানে নেই।

__ আমার আন্ডারপ্যান্ট পড়ার শাস্তি নেবে না?
__ শাস্তি?
” সেতু ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করতেই জেহেফিল মাথা নেড়ে বলে।
__ হ্যাঁ, শাস্তি। যতক্ষণ আমার আন্ডারপ্যান্টটা পরেছো, ততক্ষণ আমাকে চুমু দেবে, তাও ঠোঁ*টে।
__ পারবো না।
” সেতু কথাটা বলতেই।জেহেফিল আর এক মুহূর্তও অপেক্ষা করে না। নিজের ইচ্ছামতো সেতুকে চু*মু দিতে থাকে। আকস্মিক আক্রমণে সেতু ভয় পেয়ে যায়। ছাড়াতে চাইলেও পারে না.জেহেফিল শক্ত করে হাত ধরে রেখেছে। মুহূর্তটা তার জন্য দমবন্ধ হয়ে উঠে । ভয়, অপ্রস্তুতি, অসহায়তা, সব একসাথে এসে চেপে বসে। ভয়ের চোটে হঠাৎ সেতু কেঁদে ফেলে। সেতু বুঝতেই পারেনি,জেহেফিল সত্যি সত্যি এমন কিছু করে বসবে। তবে জেহেফিল এইসব কান্নাকাটি পাত্তা দেয়না। লেগে থাকে নিজের কাজে।

” অন্যদিকে”
” মারুফ চৌধুরী আর অধিত মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। ঘরের ভেতর ভারী নীরবতা।মারুফ চৌধুরী মোবাইল থেকে ভিডিও বের করে অধিতের হাতে দেয়। তবে এবার একটা নয়, দুটো ভিডিও।
” সেতুর ভিডিওটার পরপরই জেহেফিল আরেকটা ভিডিও দিয়েছে। যা দেখে তিনি এক মুহূর্তও দেরি না করে ‘হ্যাঁ’ বলে দিয়েছেন বিয়েতে।
” অধিত মোবাইল নিয়ে ভিডিও অন করতেই তার শ*রীর কেঁপে ওঠে।এটা তো সেই ভিডিও, যেখানে সেইদিন একটা মেয়েকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধ*র্ষণ করেছিল সে আর তার বন্ধু।সেই ঘটনার পর তারা মেয়েটাকে জঙ্গলে ফেলে রেখে এসেছিল। কোনো প্রমাণ ছিল না, তাই কেউ কিছু করতে পারেনি। কিন্তু এখন এইসব দেখে ভয়ে পাথর বনে যায়। স্কিনে দৃশ্য গুলো জ্বলজ্বল করছে।ভিডিওটা।শেষ হতেই পরের ভিডিও অন করে। আর সাথে সাথে চোখ বন্ধ করে ফেলে। ভাই হয়ে বোনের এমন ভিডিও সহ্য হয় না।
” মুহূর্তেই রাগে আ*ছা*ড় মে*রে মোবাইলটা ভেঙে ফেলে।ছেলের এই ভয়ঙ্কর রাগ দেখে মারুফ চৌধুরী এগিয়ে যায়।

অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা পর্ব ৮

__ শান্ত হও অধিত… বুঝতে পারছো তো আমি কেন রাজি হয়েছি? যদি ‘হ্যাঁ’ না বলতাম, তাহলে এই দুইটা ভিডিও আজ নেট দুনিয়ার মানুষের কাছে পৌঁছে যেত। তুমি থাকতে জেলে… আর সেতু পড়ে থাকতো ঘরের এক কোণে।
” বলেই তিনি চুপ হয়ে যান।কিন্তু অধিত থামতে পারে না। রাগে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ঘরের জিনিসপত্র ভাঙতে থাকে। যেন আর নিজের মধ্যে নেই।ছেলের এই অবস্থা দেখে মারুফ চৌধুরী দীর্ঘশ্বাস ফেলে।মনে মনে ভাবেন…কীভাবে বোঝাবেন ছেলেকে, এই রাগটাই একদিন তার সর্বনাশ ডেকে আনবে।

অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা পর্ব ১০