Home বিষাক্ত প্রেমের অনুভূতি বিষাক্ত প্রেমের অনুভূতি পর্ব ৮

বিষাক্ত প্রেমের অনুভূতি পর্ব ৮

বিষাক্ত প্রেমের অনুভূতি পর্ব ৮
Muntaha jahan

-“হঠাৎ করেই তাহাকে কেনো বিয়ে করলি এ্যাশ? কি হয়েছে? তুই জানিস তোর পরিবার এখন ঋত্বিক এর নজরে চলে গেছে,এখন তাহার কথা জানলে ওর ও ক্ষতি করার চেষ্টা করবে!
ঢাকা এয়ারপোর্টে বসে আছে এ্যাশ,নিল,ঈশান,ফাহাদ,কেনায়া,আয়ান,সবাই এয়ারপোর্টের বাইরে গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যখন আড্ডা দিতে ব্যাস্ত তখনই কথাটা বললো আয়ান,এ্যাশ এয়ারপোর্টের দিকে তাকিয়ে ছিলো আয়ানের কথা শুনে ওর দিয়ে তাকিয়ে গম্ভীর স্বরে বললো
-”আমি থাকতে ঋত্বিক কখনোই কারো ক্ষতি করতে পারবে না আয়ান,ওর তো নয় ই,আমি চলে যাচ্ছি তো কি? তুই তো আছিস! তুই ওকে দেখে রাখবি!
আয়ান কিছু বলতে চাইছিলো কিন্তু পারলো না যাএীদের ভিতরে ডুকার কথা বলে দিয়েছে,সবাই আয়ানের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ভিতরে চলে গেলো!
৯ টায় ফ্লাইট এখন বাজে ৮ টা ৩০ আয়ান ফ্লাইট হওয়ার আগ অব্দি সেখানে বসে থাকলো,ফ্লাইট হতেই সে এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে গেলো,এখান থেকেই সোজা ভার্সিটি চলে যাবে সে!!

ক্লাসে বসে আছে তাহা,পাশেই তার বান্ধবী ঐশী,একটু পরই ক্লাস শুরু হবে কিন্তু তাহা অন্য মনস্ক হয়ে বসে আছে!
বিষয়টা ঐশী খেয়াল করতেই তাহাকে ধাক্কা দিলো,বেঞ্চের কিনারায় বসে ছিলো তাহা,ঐশী ধাক্কায় পড়ে যেতেই নিচ্ছিলো কিন্তু বেঞ্চ ধরে সামলে নিলো নিজেকে,ঐশীর পিঠে একটা কিল বসিয়ে বললো
-”কি হয়েছে? এমন ঠেলাঠেলি করছিস ক্যান? এক্ষুনি তো পড়ে যেতাম,বেয়াদব!
ঐশী নিজের চশমাটা ঠিক করে ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে বললো
-”স্বপ্নে হারিয়ে গিয়েছিলি সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসলাম,ধন্যবাদ দেওয়ার জায়গায় বকাবকি করছিস? শয়তান! 🔪
-”থেংখিউ আমার খালাম্মা,অনেক বড় উপকার করছেন আপনি,এখন চুপ করে বসুন,ক্লাস শুরু হবে!!
দুজনেই চুপ করে বসলো,কিছুক্ষণের মধ্যে ক্লাসে প্রবেশ করলো আয়ান,ক্লাসে প্রবেশ করতে করতে আয়ান একবার তাহার দিকে তাকালো,তাহা অন্যদিকে তাকিয়ে আছে,আয়ান নিজের জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়ে সবার উদ্দেশ্যে বললো

-”আজকে উজান স্যার নেই,তাই আমাকে আসতে হয়েছে,এতো অবাক হওয়ার কিছু নেই,সবাই নিজদের পড়া বের করো!
ক্লাসের অর্ধেক মেয়েই চোখ দিয়ে গিলে খাচ্ছে আয়ানকে,আয়ান যে তাদের পড়া বের করতে বললো এতে তাদের কোনো হেলদোল নেই,তারা তাদের মতো করে আয়ানকে দেখতে ব্যাস্ত!
যেহেতু আয়ান এদের ক্লাস টির্চার না তাই ভাবছিলো কোনোরকম রাগারাগি এখন তাদের সাথে করবে না,কিন্তু এদের কারণে তার সেই আশায় পানি পড়লো,আয়ান সবাইকে ধমক দিয়ে বললো
-”আমি কখন বই করতে বলেছি? বই কোথায় তোমাদের? আমার কথা কানে যায় নাহ? নাকি আমাকে স্যার হিসেবে সম্মান দিতে মন চায় না? কোনটা?
আয়ানের ধমকে সবাই বই বের করলো,তাহা ও বই বের করে সামনে রাখলো,ঐশী বিরবির করে বললো
-”আপনাকে স্যার না,স্বামী হিসেবে সম্মান দিতে মন চায় স্যার!
আয়ান সবার পড়া ধরলো সবাইই কমবেশি পড়া বললো,তাহার কাছে আসতেই তাহা দাঁড়ালো কিন্তু পড়া বললো না,এটা নয় যে সে পড়া পারে না,সে পারে সবকিছু কালকে রাতে সব কমপ্লিট করে ঘুমিয়েছে! কিন্তু আয়ানকে বলবে না,তাই চুপ!
আয়ান তাহার দিকে গম্ভীর দৃষ্টিতে তাকালো,এই মেয়ের প্রচুর জেদ,এটা সে আগে থেকেই জানে! কালকের ওই ঘটনার জন্য যে জেদ করে পড়া বলছে না,এটা সে খুব ভালো করেই বুঝতে পারলো!
তাহাকে জোরে একটা ধমক দিলো আয়ান,তারপর বললো

-”পড়া বলতে না পারলে ক্লাসে কেনো আসো? শুধু শুধু এতো পরিশ্রম করার দরকার আছে?ঘরে চুড়ি পড়ে বসে থাকো! বাহিরে কি? নেক্সট দিন পড়া না পাড়লে মাঠে কান ধরিয়ে রেখে দিবো,আমার ক্লাসে পড়া ফাঁকি দেওয়া চলবে নাহ!
তাহার সামনে থেকে সরে গেলো আয়ান,তাহাকে পুরো ক্লাস দাড় করিয়ে রাখলো,মনে মনে তাহা ফুসলেও বাইরে তা প্রকার করার সাহস পেলো,ক্লাসের টপার সে কোনো স্যারই কখনো তার সাথে রেগে কথা বলে না,সেখানে আজ আয়ান তাকে এতো গুলো কথা শুনিয়ে দিলো!
সে পড়া পারে নাহ? নিজের উপরই রাগ হলো তাহার,পড়া জানা সত্বেও কেনো বললো না সে? এখানে সম্মান তো তার গেলো আয়ানের কি হলো?
আয়ান ১ ঘন্টা নিজের ক্লাস শেষ করে যেতেই বেঞ্চে দপ করে বসে পড়লো তাহা

ভার্সিটির মাঠে বসে আছে তাহা,ঐশী নেই,পানি আনতে গিয়েছে,মাঠে বসে নিজের জুতোর দিকে অসহায় চোখ তাকেিয়ে আছে তাহা,তখনই ঐশী আসলো পানি নিয়ে তাহাকে এভাবে বসে থাকতে দেখে প্রশ্ন করলো
-“কি রে এভাবে বসে আছিস কেনো?
-“ভার্সিটিতে আজ শিন্নি দিবে তাই বসে আছি,তুই ও বসতে পারিস চাইলে!
ঐশী ভ্রু কুঁচকে আশেপাশে তাকালো,মাটে আর কয়েকজন ব্যাতিত কেউই নেই,কোনো শিন্নি দেওয়া জোগাড় ও দেখতে পেলো না সে,অগত্যা আবার তাহাকে প্রশ্ন করলো
-“কোথায় শিন্নি দিচ্ছে? কিছুই তো দেখতে পাচ্ছি না,আরেকটু পরে হয়তো দিবে তুই এখনই বসে পড়েছিস? চল ফুচকা খেয়ে আসি!
ঐশীর দিকে তাকিয়ে নিজের ছেঁড়া জুতা ওর মুখে ছুরে মারলো,ঐশী সেটা কেচ ধরলো,তাহা উঠে দাঁড়িয়ে রেগে জিজ্ঞেস করলো

-“ভার্সিটিতে কখনো শিন্নি দিতে দেখেছিস আহাম্মক?
জুতোটা হাতেই নিয়েই মাথা নাড়ালো ঐশী,মানে কখনো দেখি!
-“তাহলে শিন্নি শিন্নি করে আমার মাথা খাচ্ছিস কেনো?
-“তুই তো বললি শিন্নির জন্য বসে আছিস,তাই তো জিজ্ঞেস করলাম! আমাকে শিন্নি খেতে হবে না?
তাহা ঐশীর থেকে নিজের ছেঁড়া জুতো টান দিয়ে নিয়ে নিলো,সেটা পিন দিয়ে আটকিয়ে কোনো রকমে পায়ে দিলো ঐশী গালে হাত দিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে আছে,জুতোয় পিন দিয়ে পড়তে দেখে জিজ্ঞেস করলো
-“জুতো ছিড়লো কি করে? এটা পড়ে এখন বাড়িতে কি করে যাবি? মাঝ রাস্তায় তো আবার ও ছিঁড়বে!
-“সেটা ভাবতেই বসে ছিলাম মাঠে,কিন্তু তুই এসে বাগড়া দিলি তারজন্য আমার ভাবনা মাঝ রাস্তায় আঁটকে গেছে,এখন আর কোনো ভাবনা ও মাথায় আসছে না,তাই আমার মাথা না খেয়ে এখন চল!
ঐশীকে নিয়ে হাঁটা ধরলো তাহা,গেটের সামনে যেতেই আরাবির দেখা মিললো,তাহাকে দেখেই মিষ্টি করে হাসলো আরাবি,তাহা এই সময় আরাবিকে এখানে দেখে জিজ্ঞেস করলো
-“আজ এতো তাড়াতাড়ি ক্লাস শেষ?
-“না,সামনে তো নবীর বরণ অনুষ্ঠান,তার সম্পূর্ণ কাজের দায়িত্ব আমাদের উপর এসে পড়েছে,তারজন্যই এই ফুল গুলো কিনতে গিয়েছিলাম!
হাতের ফুল গুলোর দিকে ইশারা করে বললো আরাবি,তারপর কিছুক্ষণ ২ বোন মিলে আড্ডা দিলো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই,আড্ডা দেওয়া শেষে বিদায় নিয়ে চলে আসলো তাহা ঐশী,আর আরাবি আবার ও গেলো ভার্সিটির ভিতরে।

বাংলাদেশের রাত ৮ টার দিকে আমেরিকায় গিয়ে পৌঁছালো এ্যাশরা,সবাই মিলে কিছুক্ষণ রেস্ট নিয়ে এ্যাশেের সাথে বেরিয়ে আসলো বাইক রেসিংয়ের জায়গায়,এই বাইক রেসের জন্যই মূলত এতো তাড়াতাড়ি আসা নয়তো আর কিছুদিন পর আসতো!
এতো তাড়াতাড়ি এসেও রেসিংয়ের জন্য দেরী হয়ে গেলো তাদের অলরেডি রেস শুরু হওয়ার পথে,এ্যাশ আর ফাহাদ গিয়ে রেসিংয়ে দাঁড়ালো,এ্যাশের সাথে এই প্রথম রেস ফাহাদের এর আগে পরে কখনো এ্যাশের সাথে রেস হয়নি,দুজনের একজন ও কখনো হারেনি বাইক রেসে,এখন দেখা যাক একসাথের রেসে কে জেতে,কে হারে!
আমেরিকার সুন্দরী একটা মেয়ে বন্দুক দিয়ে উপরের দিকে গুলি করতেই রেস শুরু হলো,প্রতিধন্ধি সবার সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো এ্যাশ ফাহাদের,রেসের প্রথম ফাহাদ পিছিয়ে থাকলেও এখন এ্যাশের পাশাপাশি চলছে ফাহাদ,পিছনে বাকি প্রতিধন্ধি!
ফাহাদকে টক্কর দিয়ে রেস যখন জেতার পথে তখনই নিজের বাইক থেকে ফাহাদের উপর লাফ দিলো এ্যাশ,বাইকটা গিয়ে পাহাড়ের খাদ পড়ে ব্লা\স্ট হলো!
সবাই এতক্ষণ উল্লাসে মেতে থাকলেও এখন অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে এ্যাশ ফাহাদের দিকে,ফাহাদ এ্যাশ দুজনে গুরুতর আগত হয়েছে,নিল কেনায়া ঈশান দৌড়ে গেলো সেদিকে এ্যাশের বডিগার্ড দিয়ে এ্যাশ ফাহাদকে নিয়ে ভর্তি করালো হসপিটালে!

ড্রয়িং রুমের সোফায় বসে আছে তাহা,চোখ চশমা একহাতে বই আর আরেক হাতে চা,সেটায় কিছুক্ষণ পর পর চুমুক দিচ্ছে তার বই পড়ছে!
কিছুক্ষণ আগেই পড়ানো শেষ করে বাসায় ফিরলো সে,ক্লান্ত শরীরে বিশ্বাস করার জায়গায় পড়া নিয়ে বসে পড়েছে! কারণ নবীর বরণ পরেই তাদের ফাইনাল এক্সাম,পাস করলে ৩ বর্ষে উঠবে সে!
মিনাল খান এসে পাশে বসলেন তাহা,তাহা পাশে কারো উপস্থিত টের পেয়ে একবার তাকালো,মিনাল খানকে দেখে আবার ও বইয়ে মুখ গুঁজলো,আয়েশা বেগম চা এনে দিলেন তাকে,তিনি চাতে এক চুমুক দিয়ে তাহার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন
-“সামনে তো ফাইনাল এক্সাম পড়া বুঝতে কি কোনো সমস্যা মা?টির্চার ধরবো?
খালুর দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসলো তাহা,এই মানুষটা তাকে বড্ড ভালোবাসে সবকিছুতে সার্পোট করে,তাহা এক হাতে মিনাল খান জরিয়ে ধরে বললো

-“কোনো সমস্যা নেই পাপা,টির্চার লাগবে না তুমি নিশ্চিন্তে থাকো!
বই রেখে চা খেতে খেতে মিনাল খানের কাঁদে মাথা রেখে গল্প করতে লাগলো তাহা,পাশে আয়েশা বেগম ও এসে বসেছেন,গল্প করছেন ৩ জন,কিছুক্ষণ পর নিহান খান আর শিফা বেগম আসলেন,সবাই মিলে একসাথে সাথে গল্প করার মধ্যেই কলিং বেল বেজে গেলো!
আয়েশা বেগম কাজের মেয়ে মালাকে ডেকে বললেন দরজা খুলার জন্য!
মালা দরজা খুলতেই ইহানকে দেখতে পেলো,বড় ক্লান্ত দেখালো ওকে মালা দরজা খুলে আর দাঁড়ালো না দৌড়ে রান্নাঘরে গেলো!
ইহান একবার সবার দিকে তাকিয়ে পিছনে তাকালো!
ইহানকে একটা মেয়েকে নিয়ে বাসার ভিতর আসতে দেখেই সবাই দাঁড়িয়ে গেলো!
ইহান এসে ড্রয়িং রুমের মাঝখানে দাঁড়ালো মালা রান্নাঘর থেকে দৌড়ে পানি নিয়ে আসলো,ইহানকে দিতেই সেটা টকটক করে পান করে নিলো!
গ্লাস মালার হাতে দিয়ে তাকালো সবার দিকে সবাই উৎসুক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে!
ইহান একবার তাহার দিকে তাকিয়ে তারপর নিজের বাবার দিকে তাকালো,নিলিপ্তি ভঙ্গিতে বললো

-“বাবা এ তোমার ছোট ছেলের বউ নূরাইফা, মিসেস নূরাইফা ইহান খান!
কথাটা ড্রয়িং রুমে উপস্থিত সবার মাথায় বর্জ পাতের ন্যায় পড়লো,সবাই-ই অবাক চোখে তাকিয়ে আছে ইহানের দিকে,ইহানের কথাটা হজম হলো না মিনাল খানের,তিনি গম্ভীর স্বরে বললেন
-“কি বললে তুমি?
-“কেনো শুনতে পাও নি? বললাম নূর আমার স্ত্রী,তোমার ছোট ছেলের বউ!
ইহানের হাতটা খামচে ধরে আছে নূর,ইহান ভীত নূরের দিকে তাকালো,ওর হাতটা ধরে ওকে আশ্বাস দিলো!
-“তুমি জানো না তাহার সাথে তোমার ছোট বেলা থেকে বিয়ে ঠিক? তাহলে এসব কি?আমাদের না জানিয়ে কাকে না কাকে বিয়ে করে নিয়ে এসেছো তুমি?
-“তোমরা তাহার সাথে আমার বিয়ে ঠিক করে রেখেছো, কিন্তু আমি একবার ও বলি নি আমি তাহাকে বিয়ে করবো,তাই আমার সাথে তাহাকে জরিয়ে কথা না বললেই আমি খুশি হবো!
-“তোমার খুশি অ খুশিতে আমাদের কিছু না ইহান,তুমি তাকে যেখান থেকে নিয়ে এসেছো সেখানে ফিরিয়ে দিয়ো আসো!

-“ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিয়ে করিনি আব্বু,ও আমার বিয়ে করা স্ত্রী ও আমার সাথেই থাকবে!
-“তুমি চুপ করো ইহান তুমি না সিলেট গিয়েছিলেন জুরুরি ভিওিতে তাহলে এসব কি? তুমি ওকে ফিরিয়ে দিয়ো আসো তাহার সাথে তোমার বিয়ে হবে,নয়তো ওকে নিয়ে চলে যাও আমরা এই বিয়ে মানি না!
ইহান একবার সবার দিকে তাকালো,জিজ্ঞেস করলো তাদের কি মত,নিহান খান বললন
-“দেখো ইহান তাহার সাথে অনেক আগ থেকেই বিয়ে ঠিক তাই তোমার পাশে তাহা ছাড়া অন্য কাউকে মানা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়,আর ভাইয়ার মুখের উপর আমরা কেউ কথা বলি না এটা তো তুমি জানো!
পরিবারের কথা শুনে,নূরের হাতটা আরো শক্ত করে
চেপে ধরে ইহান জোর গলায় বলে উঠলো

বিষাক্ত প্রেমের অনুভূতি পর্ব ৭

-“কাল অব্দি হয়তো তাহা আমার হবু স্ত্রী ছিলো,তাই আমার সাথে
তাহাকে জরিয়ে অনেক কথা বলেছেন,কিন্তু এখন থেকে
নূর আমার বিবাহিত স্ত্রী,তাই আর কখনো আমার স্ত্রীর সামনে পর নারীকে
আমার সাথে জরিয়ে কথা বলে,আমার স্ত্রীকে কষ্ট দিবেন না,আমি
চলে যাচ্ছি আমার স্ত্রীকে নিয়ে!

বিষাক্ত প্রেমের অনুভূতি পর্ব ৯