mad for you part 31
তানিয়া খাতুন
সকাল নয়টা।
ডাইনিং টেবিলে রুহির আব্বু শান্তভাবে বসে আছেন।
এক হাতে চা, অন্য হাতে খবরের কাগজ।
খবরের মধ্যে ডুবে আছেন তিনি,
মাঝেমধ্যে চশমাটা ঠিক করে আবার পড়া শুরু করেন।
রুহির আম্মু রান্নাঘর থেকে গরম গরম নাস্তা নিয়ে আসছেন—
পরোটা, ডিম ভাজি আর কিছু সবজি।
টেবিলে সাজিয়ে রাখতে রাখতে
মাঝেমধ্যে স্বামীর দিকে তাকান—
সব ঠিকঠাক আছে তো?
এদিকে সোহান চুপচাপ এক কোণে বসে আছে।
মুখটা রাগে কালো হয়ে আছে তার।
গতকাল রাতে সে কত চেষ্টা করেছে
রুহি আর ক্রিশকে ধরে ফেলতে…
বারবার শোনার চেষ্টা করেছে
ওরা কি করছে, কোথায় আছে।
কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।
এক সময় তার মনে সন্দেহ জাগে—
তাই চোখের ওপর বাঁধা রুমাল খুলে ফেলে
চারদিকে তাকায়…
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
ঘরে কেউ নেই!
শুধু সে একা!
ওই মুহূর্তে তার মাথায় রক্ত চড়ে যায়।
মনে হয়—
“ওরা আমাকে ফাঁকি দিল, বোকা বানালো!”
রাগে গরম হয়ে কিছু না বলে সে রুহির রুমে ঘুমিয়ে পড়ে,
ক্লান্ত শরীরে, রাগান্বিত মনে।
ঘুমের মাঝেই সে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে—
সে তার আপু রুহির সাথে কথা বলবে না।
আর ক্রিশকে তো একদমই না!
ওরা যা করেছে, তার পরে
তাদের সাথে কথা বলার কোনো মানে নেই।
ঘুমের মাঝেই রুহি এপাশ–ওপাশ করার চেষ্টা করে,
কিন্তু পারে না…
মনে হয় যেন কারো শক্ত বন্ধনে আটকে আছে।
চোখ খুলতেই দেখে—
সে রয়েছে ক্রিশের বুকের ওপর।
ক্রিশের দু’হাত তাকে এমন করে জড়িয়ে আছে
যেন লোহার বন্ধনেও এত দৃঢ়তা নেই।
রুহি বুঝতে পারে—
তার পুরো শরীর ব্যথায় অবস গত রাতের প্রতিটি মুহূর্ত তার গায়ে গায়ে ছাপ রেখে গেছে।
কাল রাতের প্রতিটি মুহূর্ত প্রতিটি স্পর্শ প্রতিটি আদর— সব আবার মনের পর্দায় ভেসে ওঠে।
ক্রিশ তাকে নতুন করে অনুভব করিয়েছিল
ভালোবাসার অধিকার, দাবি আর উন্মাদনা কাকে বলে…
রাতের স্মৃতি যেন তার প্রতিটা শিরায় শিরায় বেঁচে আছে।
সেসব মনে পড়তেই রুহির শরীর আবার শিহরিত হয়।
সে মাথা তুলে একটু তাকায়
ক্রিশের মুখের দিকে ছোটো শিশুর মত শান্ত ভঙ্গিতে ঘুমোচ্ছে সে।
চুল কিছুটা মুখের ওপর পড়ে আছে—
রুহি আস্তে করে সরিয়ে দেয়।
কাল রাতের কথা মনে পড়তেই তার মুখ গরম হয়ে ওঠে,
গাল লাল টুকটুকে।
ৱুহি ক্রিশের দিকে তাকাল তার সুঠামদেহি বুক
নিঃশ্বাসের সাথে উঠা–নামা করছে।
ওই দৃশ্যেই রুহির বুকের ভেতর
কেমন যেন দোলা লাগে।
ছোট্ট দুষ্টুমিতে সে ক্রিশের বুকে আঁকি বুঁকি কৱে তাৱপৱ লম্বা নাকটা ধরে টান দেয়।
ক্রিশ সাথে সাথেই চোঁখ খুলে ফেলে—
হালকা ঘুম ঘুম স্বরে বলে—
“সারা রাত আদর খেয়েও তৃপ্তি পাওনি…
আরও চাই আমার ভালোবাসা?
তার সেই কথায় রুহির বুকের ধুপধুপানি
আরও বেড়ে যায়…।
রুহির গাল দুটো তখন টমেটোর মতো লাল।
ক্রিশ মুখটা রুহির কাছে এনে হালকা হাঁসল—
— “বাটারফ্লাই, তুমি এমন লাল টমেটো হচ্ছো কেন?
টুপ করে খেয়ে ফেলতে মন চাইছে।”
রুহি ধাক্কা দিয়ে দূরে যেতে চাইলো,
চোখ-মুখ লজ্জায় আরও গরম হয়ে উঠেছে।
— “অনেক দেরি হয়ে গেছে। চলুন, উঠে ফ্রেশ হই। নিচে যেতে হবে। নইলে সবাই কী ভাববে!”
কিন্তু ক্রিশ ছাড়লো না।
তার দু’হাত রুহির কোমরে গিয়ে আলতো করে চেপে ধরলো।
ঠোঁটে শয়তানি ভরা এক হাঁসি—
— “কিছু ভাববে না। আমার শ্বশুর আব্বু আর শ্বশুর আম্মু জানেন সব। না হলে তুমি আর তোমার ওই শয়তান ভাই হতে?”
রুহি এবার পুরোপুরি ঘুরে তাকালো,
ভ্রু কুঁচকে—
— “আমার ভাইকে শয়তান বললেন?”
ক্রিশ নিচু হয়ে রুহির নাকে হালকা কামড় বসাল।
রুহি লাফ দিয়ে সরে গেল—
গাল লাল, গলা শুকিয়ে গেছে।
ক্ৰিশঃ “হ্যাঁ, শয়তানই তো! একটা ডেন্জারেস প্যাকেজ!
তুমি আসাৱ পৱ তোমার আব্বু অনেক কষ্টে নিজেকে কন্ট্রোল কৱে ৱেখেছিল।
তাৱপৱ কন্ট্রোল লেস হয়ে তোমার ভাইকে পৃথিবীতে এনেছিল, বুঝছো?”
রুহির চোখ বড় হয়ে গেল—
— “উফফ ক্রিশ! উনারা আমার আব্বু-আম্মু। এভাবে বলবেন না! বন্ধ করুন!”
ক্রিশ গভীর নিশ্বাস নিয়ে রুহির মুখ দু’হাতে ধরে ফিসফিস করলো—
— “বিয়ের পর এসব লজ্জা করার কিছু নেই, বাটারফ্লাই।
আল্লাহর তৈরি করা স্বাভাবিক সিস্টেম এটা।
লজ্জা না করে চলো লেদু … আরেকটা ম্যাচ খেলা যাক।”
রুহি হাঁ করে তাকিয়ে থাকলো কয়েক সেকেন্ড—
তারপর চোখ সরিয়ে নিয়ে নিচু স্বরে বলল—
— “এই না! একদম না! আজ আমরা আপনাৱ বাড়িতে ফিরব।
অনেক কাজ আছে, এসব পরে হবে!”
ফ্রেশ হয়ে দু’জন পাশাপাশি নিচে নামতেই
রুহির আব্বু হাসিমুখে তাঁকিয়ে বললেন—
— “নতুন জায়গায় ঘুম হয়েছে তো, বাবা?”
ক্রিশ একটু মাথা চুলকালো।
মুখটা রুহির দিকে ঘুরিয়ে হালকা ফিসফিস করে বলল—
— “না… ম্যাচ খেলতে খেলতে তো রাত কেটে গেছে।”
রুহি অবাক হয়ে কনুই দিয়ে আঘাত করতেই
ক্রিশ লাফ দিয়ে সোজা হলো।
তারপর জোরে জোরে বলল—
— “মানে… মানে খুব ভালোই ঘুম হয়েছে আব্বু!”
রুহির আব্বু তাকালেও কিছু বললেন না।
শুধু অদ্ভুত হাঁসি মুখে খেলে গেল—
যেন সবই তিনি বুঝে ফেলেছেন।
ক্রিশ গিয়ে সোহানেৱ পাশের চেয়ারটা টেনে বসলো।
রুহিও চুপচাপ পাশে একটা চেয়ার টেনে বসল,
চোখ নিচু করে।
রুহির আম্মু হাঁসিমুখে নাস্তার প্লেট সাজিয়ে সামনে ধরলেন—
— “নাও, পরোটা, ডিম ভাজা, সবজি সব আছে। খেয়ে নাও।”
পরিবারের সকালটা বেশ উষ্ণ মনে হচ্ছিলো।
হঠাৎই—
চেয়ারটা একটা আঁচড়ে শব্দ করে পিছিয়ে গেল।
সোহান দাঁড়িয়ে গেছে।
চোখ দুটো লাল… মুখ গম্ভীর।
— “আমার খিদা নাই।”
রুহির আম্মু বিরক্ত হয়ে বললেন—
— “আবার কী হলো তোর?”
শব্দহীন নীরবতা নেমে এল।
ক্রিশ আর রুহি একসাথে তাকালো সোহানের দিকে।
এমন আচৱনেৱ কাৱন তাৱা সহজেই বুঝে গেলো।
এক মুহূর্ত তাঁকিয়ে থেকেই
সোহান দ্রুত পায়ে ওপরে নিজের ঘরে দৌড়ে চলে গেল।
ধপ করে দরজা বন্ধ হয়ে গেল উপরে—
ধাম!
রুহির চোখে উদ্বেগ।
সে মুঠো করে ওড়নার কোণা চেপে ধরল।
ক্রিশ তার দিকেই তাঁকিয়ে
নরম করে চোখের ইশারায় আশ্বাস দিল—
— “আমি দেখছি।”
রুহির আব্বু বললেন—
“তুমি খাওয়া শুরু করো বাবা, ওর খিদা পেলে নিজেই চলে আসবে।”
কিন্তু ক্রিশ মাথা নেড়ে দাঁড়িয়ে গেল—
— “না আব্বু কোনও সমস্যা নেই। আমি ওকে নিয়ে আসছি।”
রুহির আব্বু অনুমতি দিলেন—
— “ঠিক আছে বাবা, গিয়ে দেখ।”
রুহি চোখে বলল— “সাবধানে কথা বলবেন…”
ক্রিশের মুখে একটুখানি হাঁসি ফুটে উঠল—
সে ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে লাগল।
ক্রিশ ধীরে ধীরে দরজা খুলে ভিতরে ঢুকল।
সোহানের চোখ তখনও আড়াল থেকে তাকিয়ে আছে, কিন্তু পুরো শরীরটা সামান্য আগলানো—
যেন কৌতূহল আর হালকা অভিমান একসাথে জমে আছে।
ক্রিশ একপাশে দাঁড়িয়ে হালকা করে হাঁসল,
পকেটে হাত ঢুকিয়ে নিঃশব্দে সোহানের পাশে গিয়ে দাঁড়াল।
সোহান চুপচাপ ক্রিশকে দেখল, কিন্তু মুখ ঘুরিয়ে নিলো।
চোখে ভেতরের রাগ আর আগ্রহ—সব মিলেমিশে।
ক্রিশ ধীরে ধীরে হাঁসি মিশিয়ে বলে—
“আচ্ছা, সালা বাবু… যদি তোমায় একটা ছোট প্রিন্সেস ‘মামু’ বলে ডাকে, কেমন লাগবে?”
সোহান কিছুক্ষণ চুপচাপ ছিল,
পরে বড়ো বড়ো চোঁখে জিজ্ঞেস করল—
— “কেমন প্রিন্সেস?”
ক্রিশ হালকা করে দু হাত তুলে বোঝালো,
সোহানের দিকে দেখিয়ে বলল—
— “এই—টুকুনি ছোট বেবি প্রিন্সেস।”
সোহান চোখে উজ্জ্বলতা,
হাঁসি মিশিয়ে বলল—
— “বাচ্চা আমি খুব পছন্দ করি…
তাহলে… এই ছোট বেবি প্রিন্সেস তুমি আমাকে দিতে পারবে?”
ক্রিশ সরল হয়ে হেঁসে বলল,
— “হ্যাঁ, আমি দেব।
তুমি ওর মামু হবে।”
সোহানের চোখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল।
— “সত্যি? কবে?”
ক্রিশ হালকা হাত নেড়ে বলল—
— “উম্ম… খুব শীঘ্রই পাওয়া যাবে।”
সোহান উচ্ছ্বাসে হাত তুলে বলল—
— “ডিল!”
ক্রিশ হাত বাড়িয়ে বলল—
“ডিল।”
হাতের মিলনে দুজনের মুখে হালকা উত্তেজনার মিশ্রণ।
ক্রিশ দুই হাতে দুটো লাগেজ নিয়ে বাইরে বেরোল।
তার পেছনে রুহি এবং বাকিরা ধীরে ধীরে এগোচ্ছে।
গেটের কাছে একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে।
রুহির আব্বু একটু হাঁসিমুখে বললেন—
— “আর কটাদিন থাকলে হতো না?”
রুহি চোখের নিচু করে উত্তর দিল—
— “না, আব্বু অনেক কাজ আছে। এখন থাকলে হবে না।”
ক্রিশ হালকা ঝুঁকে রুহির কান কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বলল—
— “তুমি কি প্রসেসিংয়ের কথা বলছো?”
রুহি চোখ বড় করে ক্রিশের দিকে তাকাল।
সোহান উচ্ছ্বাসে বলল—
— “জিজু, আমার কিন্তু দ্রুত বেবি প্রিন্সেস লাগবে।”
ক্রিশ হাত উঁচু করে বলল—
— “হ্যাঁ, একদম সালা বাবু!”
রুহির আম্মু সতর্ক হয়ে বললেন—
— “সাবধানে থাকবে দু’জনে। এখনে ঘুরে যাবে মাঝেমাঝে।”
রুহি মাথা নেড়ে বলল,
— “আচ্ছা, আম্মু।”
ক্রিশও বলল—
“আপনারাও সাবধানে থাকবেন। আমৱা আসছি।”
দু’জন গাড়িতে পাশাপাশি সিটে বসলো।
ক্রিশ গাড়ির দরজা বন্ধ করল,
রুহি পাশে বসে চোঁখে ঝিলিক মিশিয়ে তাঁকাল।
রুহির আব্বু, আম্মু এবং সোহান সবাই হাত নেড়ে বিদায় জানাল।
গাড়ি ধীরে ধীরে রাস্তার দিকে এগোল।
গাড়িটা ধীর গতিতে এসে খান ম্যানশনের সামনে থামে।
দরজা খুলে নামতেই ঠান্ডা বাতাসে ৱুহিৱ চুল এলোমেলো হয়ে যায়। রুহি হালকা হাসি দিয়ে বলে,
রুহি: “চলেন, ভেতরে।”
ভিতরে ঢুকতেই সোফায় বসে থাকা রফিক হাসানকে ক্রিশ দেখতে পায়। অবাক হয়ে থেমে যায় সে।
ক্রিশ: “এই যে! আপনি এখানে কি করছেন?”
রুহি গম্ভীর ভঙ্গিতে বলে—
রুহি: “আমি ডেকেছি উনাকে।”
রফিক হাসান উঠে দাঁড়িয়ে এগিয়ে আসে। রুহির দিকে হাত বাড়িয়ে—
রফিক হাসান: “হ্যালো, মিসেস খান।”
রুহি হাত মেলাতে যাবে, তার আগেই ক্রিশ নিজের হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলে—
ক্রিশ: “হ্যালো, হ্যালো!”
ক্রিশের আচরণ দেখে রফিক হাসান মুচকি হেঁসে ফেলে।
রুহি সবাইকে বসতে বলে। তারা তিনজন সোফায় বসেই রফিক হাসান কথা বলা শুরু করেন—
রফিক হাসান: “অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম আমি ফিল-আপ করে দিয়েছি।
এখন ওনাকে আগে পড়াশোনা সম্পূর্ণ করতে হবে।
এরপর ট্রেনিং নেবেন আর তারপর পুলিশ রিক্রুটমেন্টের পরীক্ষা দেবেন।”
ক্রিশ হেঁসে বলে—
ক্রিশ: “কাকে পুলিশ বানানোর প্রস্তুতি চলছে?”
রুহি চওড়া হাসি দিয়ে—
“আপনাকে!”
ক্রিশ: “ক্ক্ক্ক্ক্ক্ক্ক্কি????”
ক্রিশ চমকে উঠে দাঁড়িয়ে পড়ে।
রুহি ওঠে গিয়ে আবার তাকে টেনে বসিয়ে দেয়—
রুহি: “আপনি আবার পড়াশোনা শুরু করবেন। আপনাকে একজন টিউটর দেওয়া হবে।
আর ট্রেনিংয়ের ব্যাপারটা রফিক স্যার সামলাবেন। তাই তো স্যার?”
রফিক: “অবশ্যই। সেই কারণেই আজ এখানে এসেছি।
সবদিক দিয়ে পারফেক্ট আপনি। শুধু কিছু পড়াশোনা আর ট্রেনিং—তারপরই হয়ে যাবে।”
ক্রিশ: “এটা ঠিক হচ্ছে না বাটারফ্লাই। এসব আমার দ্বারা হবে না। আমি কিন্তু রেগে যাচ্ছি!”
রুহি ঠোঁট বাঁকিয়ে বলে—
“আপনার রাগের গুষ্ঠিৱ কেতায় আগুন!
রফিক হাসান উঠে দাঁড়ায়—
“তাহলে কথা রইলো। আজ চলি, কাল থেকে শুরু হবে সব।”
রফিক চলে যেতেই ক্রিশ রাগ চেপে বলে—
mad for you part 30
ক্রিশ: “এভাবে করলে কিন্তু! আমি বাড়ি দিয়ে চলে যাব!”
রুহি সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে উঠতে ফিরে তাঁকিয়ে মিষ্টি গলায় বলে—
“গুডবাই মিস্টার ক্রিশ। রাতেও আসবেন না! আমার কথা না শুনলে রাতে শুতে নেবো না! হুুম!”
রুহি উপরে উঠেই ঘরের দরজা ঠাস করে বন্ধ করে দিল।
নীচে দাঁড়িয়ে ক্রিশ হালকা বিরক্ত মুখে আকাশের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে—
ক্রিশ: “হায় আল্লাহ… কী চিজ বানিয়েছো তুমি!
আমি কি দেখে এই লেদা-মারকা মেয়েকে বিয়ে করেছিলাম…
না না— সেই লেদা-মারকা এখন পুরো সেয়ানা মারকা হয়ে গেছে!”
সে মাথা চুলকে সোফায় ধপ করে বসে পড়ে।
