Home mad for you mad for you part 32

mad for you part 32

mad for you part 32
তানিয়া খাতুন

সারা দিন কেটে গেছে।
সকালে সূর্য উঠেছিল, এখন চাঁদ মাথার উপরে।
কিন্তু… ক্রিশের কোনো খোঁজ নেই।
ফোন নেই। মেসেজ নেই।
একটুকুও আপডেট নেই।
তবুও আশ্চর্যের বিষয়—
রুহির এতে বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই।
কারণ সে তার স্বামীকে খুব ভালোভাবেই চেনে।
তাৱ ভাবনা “এই লোকটা রাতে ঠিকই ফিরবে।”
আর রুহির মনে আরেকটা বিশ্বাস—
“ক্রিশ খানকে যদি একটু ‘টাইট’ না দেওয়া হয়,
তাহলে কোনো কাজই করানো যাবে না।”
হালকা নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে,
সে নিচে গিয়ে দারোয়ানকে ডেকে বলে,

— “খান ম্যানশনের বড় গেট থেকে শুরু করে সব গেটে তালা দিয়ে দিন… আজ কেউ ঢুকবে না।”
দারোয়ান অবাক হয়ে কিছু বলতে চাইলে—
রুহি শুধু ভুরু উঁচু করে তাকায়।
আর কোনো কথা দরকার হয় না।
সব গেটে তালার শব্দ টনটন করে বেজে ওঠে ম্যানশনের নিস্তব্ধতায়।
রুহি রুমে — একা, নীরব, রুমের পর্দা নামানো।
হালকা লাইট জ্বলছে।
রুহি ল্যাপটপে শেষ কাজগুলো সারছিল—
কাজ শেষ করে,
ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় ডুবে যায়।
মোলায়েম বালিশে মাথা রাখতেই
চোখ দুটো বন্ধ হয়ে আসে।
ঠিক সেই মুহূর্তে—
মনের পর্দায় ভেসে ওঠে এক চেনা মুখ…
ক্রিশ।

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

রুহির ঠোঁটের কোণে দুষ্টু হাঁসি খেলে যায়—
রুহি (মনে মনে): “উম্‌ম্‌… আমার সব মনে আছে।
আগে আপনি আমায় কত জ্বালিয়েছেন…
প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে!
এবার আমার পালা, এবার রুহি দেখাবে তার
‘সাইকোগিৱিনী।
সে একটু গুটিশুটি মেরে পাটবলিশ টেনে নেয়।
নিজে আরও আরামদায়ক করে শোয়াৱ প্ৰস্তুতি নেই।
গতরাতে একটুও ঘুম হয়নি ক্রিশের জন্য।
আজ তাই ক্লান্তি শরীর থেকে ঝরছে।
চোখ ভারী হয়ে আসছে ক্রমেই।
নিমিষে শ্বাস-প্রশ্বাস ধীর হয়ে যায়।
কেবল পনেরো মিনিটের মধ্যেই—
রুহি গভীর ঘুমে তলিয়ে যায়…

রাত ১২টা — শহর নিস্তব্ধ
পুরো শহর তখন ঘুমে ঢুলছে।
রাস্তার বাতিগুলোও ক্লান্ত আলো ছড়াচ্ছে।
এই নিস্তব্ধ রাতেই ক্রিশ তার বাইক নিয়ে
পৌঁছাল — খান ম্যানশনের গেটের সামনে।
বাইক থামাতেই তার চোখ কপালে—
সেই বিশাল, ভয়ংকর গেট…
যেখানে সবসময় দু’জন পাহারাদার দাঁড়িয়ে থাকে—
আজ সেখানে কেউ নেই।
চারদিকে নীরবতা।
জোনাকি বাতাসে ভাসছে, গেটের বড়ো তালা মাৱা।
সে গেটের কাছে গিয়ে ফিসফিস—
ক্রিশ: “বাপরে… এ আবার কী?
আমার ওই সেয়ানা মার্কা বউ
আজ তো একদম মিশন প্ল্যান করে রেখেছে।”
না না… আজ আমাকেও কিছু একটা করতে হবে।”
চারদিকে সে ভালো করে দেখে— ফাকা রাস্তা।
একটা বিড়াল পর্যন্ত নেই।

আর গেটের দেয়াল? উঁচু… খুবই উঁচু।
ক্রিশ নিশ্বাস ছেড়ে ভাবে “এই গেট টপকাবে কীভাবে!”
সে বাইকটাকে এনে দেয়ালের সাথে দুৱত্বে স্ট্যান্ড দেয়।
তারপর সিটের ওপর উঠে দাঁড়ায়।
দেয়াল টোপকে উঠতে উঠতে আকাশের দিকে তাঁকায়—
ক্রিশ: “হায় আল্লাহ…জল্লাদ বউয়ের জন্য
নিজের বাড়িতেই চোরের মতো ঢুকতে হচ্ছে!
আপনার এই বান্দাকে একটু শক্তি দেন—প্লিজ!”
এসব বলতে বলতে হাত শক্ত করে দেয়ালের চূড়ায় আঁকড়ে ধরে—
একটা গভীর শ্বাস নেয় আর ধুপ করে এক লাফে
খান ম্যানশনের ভেতরে নেমে আসে।
তাৱপৱ বাইরে স্টোর রুম থেকে বড় কাঠেৱ সিঁড়িটা টেনে আনল।
সিঁড়ি টা এনে নিজেৱ ৱুমেৱ বেলকনির সাথে ঠেকিয়ে দাঁড় কৱায়।
মুখে দুষ্টু হেঁসে বলে—

“Butterfly… your husband is coming!”
সিঁড়িটা দেয়ালে ঠেকিয়ে এক পা… দুই পা…
ধীরে ধীরে উপরে উঠতে লাগল ক্রিশ।
তার বুকের ধুকপুকানি আগের চেয়ে দ্রুত—
কারণ সে জানে, ওপরে তার শয়তান বউ আছে।
ঠিক তখনই— রুহি বারান্দায় এসে উঁকি দিল।
তাৱ ঠোঁটে তির্যক হাঁসি।
রুহি হাত ভাঁজ করে বলে—
“My husband… এখন যদি আমি তোমাকে এখান থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিই…
তাহলে কেমন হবে?”
এ কথা শুনেই ক্রিশের হাত-পা কাঁপে।
সিঁড়িটা একটু নড়ে ওঠে।
ক্রিশ থেমে গিয়ে গলা উঁচু করে— “এই! এটা কেমন কথা?
নিজেকে কি বিধবা বানাতে চাস?
তুই তো আমাকে ভালোবাসিস!”
রুহি ধীরে মাথা কাত করে—

“হ্যাঁ… তাই তো mad for you…”
বলেই সিঁড়িটাকে হালকা দুলিয়ে দিল।
ক্রিশ কেঁপে উঠে দুই হাত তুলে—
ঠিক আছে ঠিক আছে!
আমি ব‌উ এৱ গোলাম হয়ে থাকবো!
Order কৱুন Butterfly!”
রুহি ঠোঁটে আরও বড় হাঁসি টেনে বলে—
“আমি যা বলব, সব পালন করবেন?”
ক্রিশঃ জি মেৱি জান আপনি যা বলবেন সব করব।”
রুহি ভ্রু তুলে— “পরে কিন্তু কথা ঘোরানো যাবে না।”
ক্রিশঃ—

“আচ্ছা, আমার মা—”
রুহি বারান্দা থেকে হালকা গুনগুন করতে করতে ভেতরে ঢুকে যায়।
চুলগুলো পিঠে নেমে আছে, আর মুখে সেই বিজয়ী হাঁসি—
“আজ ক্রিশের উপর পুরো জয় আমার!”
ওদিকে সিঁড়ি দিয়ে উঠে ক্রিশ দাঁড়িয়ে একটা বড় কৱে নিঃশ্বাস নেয়।
বুকে এখনও উত্তেজনা,মুখে একরাশ দুষ্টু রাগ—
“এবার শাস্তি তো আমিই দেব…”
মনে মনে বলে ভারি পায়ে ঘরে ঢুকে পড়ে।
এক সেকেন্ড। দু’সেকেন্ড।

আর নিজেকে আর সামলাতে পারল না ক্রিশ।
রুহির বাহু ধরে এক টানে নিজের দিকে টেনে নিল,
ঘুরিয়ে নিল তার দিকে মুখোমুখি—
রুহি: “এই! কি করছেন…..”
কথা শেষ হবার আগেই,
ক্রিশ তার ঠোঁটের উপর নিজের ঠোঁট চেপে দেয়।
কোনো অনুমতি নয়,
কোনো কথা নয়—
শুধু শ্বাস আর আবেগ।
রুহির চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে ওঠে…
তারপর ধীরে ধীরে চোখ বন্ধ হয়ে আসে—
হালকা কম্পন শরীর বেয়ে নামে।
ক্রিশ আরও কাছে টেনে নিয়ে গম্ভীর গলায় ফিসফিস করে—
“আমায় ভয় দেখাবে?

আমাকে তালা দিয়ে বাইরে রাখবে?
তোমার শাস্তি শুরু হলো, Butterfly…”
রুমের বাতাস আরও ভারী হয়ে ওঠে…
দু’জনের ধুকপুকানি এক হয়ে যায়।
ক্রিশ যখন ঠোঁট ছাড়লো তার কপালে ঠোঁট ছুঁইয়ে বলে—
“তুমি যত দুষ্টুমি করবে…আমি তত ভালোবাসব।”
রুহি প্রথমে এক সেকেন্ড স্তব্ধ…
তারপর হালকা একটা ঘুষি ক্রিশের বুকে।
রুহি: “আপনি কি শাস্তি দেবেন? শাস্তি তো আমি আপনাকে দেব!”
ক্রিশ হাঁসতে হাঁসতে পেছনে সরল—
“Oh really madam?”

রুহি সঙ্গে সঙ্গে বালিশটা তুলে—
ঢাস্! সরাসরি ক্রিশের মুখে আঘাত।
ক্রিশ চোঁখ বড় বড় করে তাৱপৱ বালিশ তুলে নেয়।
সেকেন্ডের মধ্যেই বালিশ যুদ্ধ শুরু হয়,
বিছানায়, কার্পেটে, দু’জনের হাসি-চিৎকারে ভরে যায় পুরো রুম।
রুহি হাঁপাতে হাঁপাতে বলে
“ধরতে পারলে ধরে দেখান Mister Husband!”
বলেই বিছানা থেকে লাফ দিয়ে ,দৌড়ে যায় রুমের এক কোনায়।
ক্রিশ হাত ঝাড়া দিয়ে বলে— “এবার তোকে ধরেই ছাড়ব!”
দু’হাত ছড়িয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে—
একেকটা পা যেন হান্টারের মতো নিঃশব্দ।
রুহি দৌড়ে সাইডে যেতে যেতে বলে,
“No entry!”

ক্রিশ থেমে গিয়ে নরম গলায়—
দ্বাৱা তুই তোৱ পাখনা কাটবো আমি।
তারপর হুট করেই দৌড়ে গিয়ে, রুহিকে কোমর ধৱে জড়িয়ে তুলে নেয়!
রুহি চিৎকার কৱে বলে, “ উহহ নিচে নামান!”
ক্রিশ ঘুরতে ঘুরতে বলে—
“বলো প্রথমে—sorry babu, I love you!”
রুহি তার কাঁধে হালকা থাপ্পড় মেরে—
“ছাড়ো বলছি! আমি কিছুই বলব না!”
ক্রিশ দুষ্টু চোখে— “ঠিক আছে…
তাহলে শাস্তি বাড়বে।”

সে রুহিকে নিয়ে বিছানায় বসে পড়ে
আর দু’হাত পেছন থেকে কোমৱে আটকে ফেলে।
রুহির শ্বাস দ্রুত— মুখমণ্ডলে লালচে আভা।
রুহি: “এভাবে জিতবে ভাবছেন?”
ক্রিশ: “না… তোকে পেলেই আমি জিতে যাই।”
দু’জনেই কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে থাকে…
হাঁসি, ভালোবাসা আর পাগলামিতে ভরা চোখে।
ক্রিশ নরমভাবে তার কপালে চুমু এঁকে দেয়।
তারপর চোঁখের পাপড়িতে গাল বেয়ে নিচে নামে—
প্রতিটা ছোঁয়ায় রুহির নিঃশ্বাস কেঁপে ওঠে।
ক্ৰিশ ঠোঁটের একদম কাছে এসে থামে,
কিছুক্ষণ চুপচাপ তাকিয়ে থাকে—
অনুমতির অপেক্ষায়।
রুহি চোখ বন্ধ করে… হালকা মাথা এগিয়ে দেয়।
এবার আর নিজেকে আটকায় না ক্রিশ—
ধীরে…

গভীরভাবে ঠোঁট ছুঁয়ে দেয় তার ঠোঁটে।
প্রথমে নরম, তারপর ধীরে ধীরে তীব্রতা বাড়ে—
অভিমান, ভয়, ভালোবাসা সব মিশে যায় সেই চুম্বনে।
রুহির আঙুলগুলো ক্রিশের শার্টের কলার চেপে ধরে—
যেন তাকে আর এক সেকেন্ডের জন্যেও
দূরে যেতে দেবে না।
ক্রিশ রুহিকে তুলে নিয়ে বিছানায় আলতো ভাবে শুইয়ে দেয়।
ক্রিশ যখন রুহিকে আরও কাছে টেনে নেয়—
তার শ্বাস রুহির গলায় নেমে এসে কাঁপিয়ে দেয় সারাটা শরীর।
রুহির চোখ আধো বন্ধ, ঠোঁটে কাঁপা-কাঁপা নিঃশ্বাস
“ক্ৰিশ…”

তার নামটাই যেন একটা আবেদনময়ী হয়ে বের হয়।
ক্রিশ রুহির কাঁধের কাছে মুখ রাখে—চুলগুলো সরিয়ে ত্বকের উষ্ণতা অনুভব করে।
রুহির আঙুল তার পিঠে আঁকড়ে ধরে—
একসাথে ভয় ও ভালোবাসার মতো অনুভূতি।
দু’জনের মাঝে কোনো দূরত্ব থাকে না…
শুধু হৃদস্পন্দনের শব্দ একে অন্যের কানে পৌঁছায়।
রাতের নিস্তব্ধতা ঘরভর্তি আলোয় মিশে আছে,
আর সেই আলোয় ক্রিশ ও রুহি যেন এক আলাদা জগতে হারিয়ে গেছে।
ক্রিশ দীর্ঘক্ষণ ধরে রুহির ঠোঁট মেতে থাকে,
তার চোখে এক ধরনের অজানা উচ্ছ্বাস।
শেষ পর্যন্ত ধীরে ধীরে মুখ নেমে আসে রুহির গলার কাছে একটা জোৱে কামড় দেয়।
রুহি আহহ করে ওঠে—

মিষ্টি অস্বস্তি আর উত্তেজনার মিশ্রণে তার চোঁখে।
ক্রিশ তাৱ কাঁধে হালকা হাত বুলিয়ে দেয়, একসময় ধীরে ধীরে রুহির নাইটড্রেসের ফিতে নরমভাবে টানে।
মুহূর্তেই রুহির বক্ষ বিভাজন উন্মুক্ত হয়ে যায়,
হৃদয়ের ঘনিষ্ঠ স্পন্দন ক্রিশের কাছে পৌঁছায়।
রুহি অল্প ছটফট করে ওঠে,
তার প্রতিটি নিঃশ্বাস যেন ঘরটা ভরিয়ে দেয়।
ক্রিশের অবাধ হাতের স্পর্শ আর ঠোঁটেৱ নরম স্পর্শে রুহি আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে।
সারা শরীরে ছড়িয়ে যায় এক অজানা শিহরণ,
মনের সব আবেগ মিলেমিশে এক নরম ঢেউ হয়ে ওঠে।
ক্রিশ ধীরে ধীরে রুহিকে নিজের দিকে টেনে নেয়,
মুখোমুখি হয়ে চোঁখে চোঁখ রাখে।
তার চোখে শুধু আগুন—ভালোবাসার আগুন,
আর রুহির চোখে মিলেমিশে থাকে তার প্রতি বিশ্বাস আর আকাঙ্ক্ষা।
রুহি তার হাত তুলে ক্রিশের মুখে স্পর্শ দেয়,
মুখের কোণ থেকে চোখ পর্যন্ত—

প্রতিটি স্পর্শে যেন দু’জনের মন আরও কাছে আসে।
ক্রিশও প্রতিক্রিয়া জানায়, আলতো হাঁসি আর ফিসফিস করে বলে—
“তোকে সাৱাজীবন পেলেও আমাৱ তৃষ্ণা মিটবে না বাটারফ্লাই, তোকে পেয়ে আমাৱ বাঁচাৱ ইচ্ছে বেড়ে গেছে।”
রাতটি নিঃশব্দ, শুধু তাদের নিঃশ্বাস এবং হৃদয়ের স্পন্দন ঘর ভরিয়ে রাখে।
ক্রিশ এক মুহূর্তও সময় নষ্ট করে না,
তার সব মনোযোগ, সব অনুভূতি শুধুই রুহিকে সুখ দিতে ব্যস্ত।
রুহি ধীরে ধীরে দু’হাত ক্রিশের পিঠে রাখে,
তার স্পর্শে নিরাপত্তা অনুভব করে।
ক্রিশও আলতো করে তার প্রতি প্রতিক্রিয়া জানায়—
প্রতিটি নরম স্পর্শ যেন দুই হৃদয়কে এক করে তোলে।

ক্ৰিশ ৱুহিৱ কানে ঠোঁট লাগিয়ে ফিসফিস কৱে বলে “Does it hurt?”
ৱুহি হাঁফাতে হাঁফাতে উওৱ দেয় “I can take it”
নিঃশ্বাসের শব্দ, হালকা কাঁপুনি, প্রতিটি মুহূর্তে দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হয়ে ওঠে।
রুহিৱ চোঁখে পানি জমে, ভালোবাসার আবেগে চোখ ভিজে আসে।
তার স্নিগ্ধ স্পর্শ এবং অপ্রকাশিত অনুভূতি ক্রিশকে আরও কাছে টানে।
ঘরটি ধীরে ধীরে ভরে যায় দু’জনের মিলিত অনুভূতি, যা সময়ের হিসেব নেয় না—
শুধু মুহূর্তের গভীরতা, শুধু ভালোবাসার নিঃশ্বাস।
রাতভর এই আবেগের স্রোত অব্যাহত থাকে।
প্রায় পুরো রাত ধরে তারা একে অপরের সান্নিধ্যে হারিয়ে যায়।
বিশ্বাস, প্রেম এবং সমঝোতার স্পন্দনে ভরা।
সারা দুনিয়া যেন থেমে গেছে, শুধু এই ঘর, এই রাত
আর এই দু’জনের মিলনই এখানে জীবিত।

mad for you part 31

ক্ৰিশ তার সমস্ত অনুভূতি দিয়ে ৱুহিকে কাছে টানে, ৱুহিও পুরো মন দিয়ে তার প্রতি সাড়া দেয়।
দু’জনের মন, দু’জনের হৃদয়, এখন এক হয়ে গেছে
যেন কোনো ভয়ের জায়গা নেই,
শুধু ভালোবাসা, নিরাপত্তা, এবং অম্লান বিশ্বাস।
নীরব রাতের মধ্যে তাদের মিলন আরও গভীর হয়ে ওঠে, প্রতিটি নিঃশ্বাস, প্রতিটি স্পর্শ
একটি নতুন গল্প বলে,
একটি নিখুঁত ভালোবাসার মুহূর্ত তৈরি করে।

mad for you part 33