Home অস্তরাগের রঙ অস্তরাগের রঙ পর্ব ২৮

অস্তরাগের রঙ পর্ব ২৮

অস্তরাগের রঙ পর্ব ২৮
তেজরিন উম্মীদ

অনেকদিন পর আজ তিথির ফোনটা বাজল, অপরপ্রান্ত থেকে রিসিভও হলো। শানের বুকের ভেতর জমে থাকা উৎকণ্ঠা এক লহমায় খুশিতে রূপ নিল। সে তীব্র উত্তেজনা আর উদ্বেগ মেশানো গলায় বলে উঠল,
“হ্যালো, তিথি! কোথায় তুমি? এতগুলো দিন ধরে ফোন ধরছ না কেন?”
ফোনের ওপাশ থেকে ভেসে আসছে বলিউডের চড়া মিউজিকের আওয়াজ। সেই শোরগোলের বুক চিরে তিথির কণ্ঠস্বর কানে এলো, “হ্যালো, শুনছেন?”
“শুনছি তো! কিন্তু তুমি ফোন ধরছ না কেন? কোনো মেসেজ সিন করো না, রিপ্লাই দাও না। কী হয়েছে তোমার?” শানের কন্ঠে তখন কিঞ্চিত রাগ।
“আরে আরে, রাগ করছেন কেন? আমার মামাতো ভাইয়ের বিয়ে তো, তাই একটু ব্যস্ত আছি। এত কোলাহলের মধ্যে কি ফোন ধরা যায়? তার ওপর আমি ভাইয়ার একমাত্র বোন, সব কাজ আমাকেই সামলাতে হচ্ছে। মামিও বেশ অসুস্থ।”

“আচ্ছা! তা এখন কী করছ?”
“এই যে, আপনার সঙ্গে কথা বলছি!”
“তা ছাড়া…?”
“জানি না…” তিথির কণ্ঠ কিছুটা ম্রিয়মাণ শোনাল।
“মিস তিথি সরকার!” শান বেশ আবেগ জড়ানো গলায় ডাকলো।
“জি, মিস্টার শানান খান?”
“আই লাভ ইউ…!”শান সিমে কয়েক সেকেন্ড দম নিয়ে আবার বলল,
“আই লাভ ইউ কিন্তু মিস তিথি।আপনাকে কিন্তু আমার লাগবেই,পার্মানেন্টলি লাগবে।চলুন না বিয়ে করে ফেলি,লুকিয়ে?প্লিজ!ইদানীং ভয় হচ্ছে আপনাকে হারানোর। ”
মুহূর্তেই ফোনের ওপাশটা একদম নিথর হয়ে গেল।তিথির কোনো উত্তর নেই। শান চাতকের মতো উত্তরের অপেক্ষায় রইল।তিথি খানিক সময় নিয়ে কাঁপা কাঁপা সরে জবাব দিল,

“হা..হারাবো না।”
“কথা দিলেন না?”
তিথি এবার উত্তর দিলে দেরিতে।যেন দ্বিধা করছে,
“কথা দিলাম! ”
“সত্যি?”
তিথির কথা ঘুরিয়ে নিল,
“আমার জন্য কি করতে পারবেন?”
তিথির কন্ঠস্বর কেমন শোনালো।
“কি করতে বলছেন? ”
“আমার পরিচয় মানতে পারবেন? ”
তিথির কথাবাত্রা কেমন সন্দেহের।তবুও শান বলল,
“পারব!”
“পরিবারের বিরুদ্ধে যেতে পারবেন?”
“হয়ত!”
“যদি বলি পরিবার, সমাজ,জাত, পরিচয় সকল কিছুর বিরুদ্ধে গিয়ে আজকেই আমাকে বিয়ে করবেন, পারবেন তো?”

“সাক্ষী কাদের করা যায়?”
“সত্যি বিয়ে করবেন আমায়?আজকেই কিন্তু,লুকিয়ে।সত্যি আমাকে মানতে পারবেন?”
“পারব!এখন বলো তোমার হয়েছে টা কি? এসব উদ্ভট কথাবার্তা কেন বলছো?ঠিক আছে করলাম আজকেই বিয়ে।কিন্তু তোমার কথাগুলো আমার কাছে সন্দেহজনক লাগছে। কি হয়েছে বলবে আমায়?”
ফোনের ওপাশ থেকে জোরে হাসির শব্দ আসলো।তিথি হাসছে।এক সময় হাসি থামিয়ে বলল,
“আরে মজা করছিলাম আপনার সাথে, দেখলাম কতটুকু ভালোবাসেন আমায়।হুম!অনেক বাসেন প্রমান পেলাম।”
“তুৃমি বাসনা? ”
কিন্তু তিথি এবার কোনো জবাব দিল না। হুট করেই বলে উঠল,
“মামি ডাকছে, পরে কথা বলব। আর শুনুন, আমি নিজে থেকে ফোন না দেওয়া পর্যন্ত আপনি কোনো ফোন বা মেসেজ করবেন না। সমস্যা হবে। টাটা…!”
কথাটা শেষ করেই তিথি লাইনটা কেটে দিল। শানের বুকের ভেতরটা আচমকা ফাঁকা হয়ে গেল। এক অদ্ভুত শূন্যতা তাকে গ্রাস করল। মনের কোণে কু ডাকল—এটাই কি তবে শেষ কথা? এই মেয়েটার সঙ্গে বোধহয় আর কোনোদিন দেখা হবে না।কথা হবে না। তিথি কি তবে চিরতরে হারিয়ে যাচ্ছে তার জীবন থেকে? এটাই কি তাদের শেষ বিদায়? বুকের ভেতর কেন এমন তীব্র হাহাকার জাগছে তার?মনে হচ্ছে, এই কল কাটার সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে গেল তার জীবন থেকে।
তবে শান বেশিক্ষণ এই অনুভূতিকে পাত্তা দিল না। নিজেকে সামলে নিয়ে ভাবল,এগুলো শুধুই তার মনের ভয়। যাক যার খোঁজে হুট করে ক্লাব থেকে বেরিয়ে এসেছিল, তার তো খোঁজ মিললই। এখন আর অযথা এখানে পড়ে থেকে সময় নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। আজ কিংবা কালকের মধ্যেই সে এখান থেকে বিদায় নেবে।

রাত তখন তিনটা। পুরো খান বাড়ি নিঝুম। রুশদীর চোখে ঘুম নেই, জেগে অপেক্ষা করছে ফারাজ এর জন্য। ঘরের এক কোণে ডিম লাইটের হালকা নীলচে আলোটা জ্বলছে। সে বারান্দার রেলিং ঘেঁষে দাঁড়িয়ে অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে আছে। বুক চিরে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো তার। আর কতদিন? এভাবে প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত জেগে ফারাজের জন্য অপেক্ষা করা এখন আর সহ্য হচ্ছে না। মনের ভেতর তীব্র ক্ষোভ জমছে। আজ লোকটাকে কড়া কিছু কথা শোনাতেই হবে।
এত কিসের ব্যস্ততা তার? একটা মানুষ এতটা ধকল কীভাবে সামলায়? ফারাজের এই অতি-ব্যস্ততা দেখলে রুশদীর ভীষণ রাগ হয়। তবে এই রাগটা আসলে অভিমান আর গভীর ভালোবাসা থেকে জন্ম নেওয়া। ইদানীং ফারাজের ব্যস্ততা যেন সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। সকালে অফিসে গেলে ফেরার কোনো নাম থাকে না, রাত তিনটে বেজে যায়। বাড়ি ফেরার পর ক্লান্তিতে লোকটা এতটাই ভেঙে পড়ে যে, ঠিকমতো কথা বলার শক্তিটুকুও থাকে না। কোনো রকমে গোসল সেরে, রাতের খাবার না খেয়েই বিছানায় গড়িয়ে পড়ে।

হঠাৎ সদর দরজার লক খোলার মৃদু শব্দ হলো। রুশদী চমকে ঘরের দিকে তাকাল।ক্লান্তি জড়ানো পায়ে কেউ একজন ঘরের ভেতর প্রবেশ করল। আবছা আলোতেও রুশদীর বুঝতে বাকি রইল না যে এটা ফারাজ।
ফারাজ ধীর পায়ে হেঁটে এসে বিছানার ওপর ধপাস করে শুয়ে পড়ল। তার চোখ দুটো ঘুমে আর ক্লান্তিতে বুজে আসছে। পাশে শুয়ে আছে শের।তাকে দেখে সে আলতো করে তার কপালে ঠোঁট ছোঁয়াল। তারপর একটা হাত বিছানায় ছড়িয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করল।
রুশদী ফারাজের এই দশা দেখে মনের রাগটা একটু চেপে ওর কাছে এগিয়ে গেল। গম্ভীর গলায় বলল, “উঠে ফ্রেশ হয়ে নিন। নিচে গিয়ে খাবেন, নাকি খাবার ওপরেই নিয়ে আসব?”
ফারাজ চোখ না খুলেই অত্যন্ত ক্লান্ত কণ্ঠে জবাব দিল, “ওপরেই নিয়ে এসো…”
রুশদী ফারাজের দিকে একবার কড়া চোখে তাকাল। সেই চাউনিতে রাগ আর অভিমান স্পষ্ট। তারপর আর কিছু না বলে সে খাবার আনার জন্য ঘরের বাইরে চলে গেল।

খাবার খাওয়া শেষ হতে হতে রাতের অন্ধকার কেটে গেল। পুব আকাশে তখন কালচে অন্ধকার ছাপিয়ে অল্প অল্প ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে চারপাশটা একটু একটু করে জেগে উঠছে।
ফারাজ এখন বারান্দার দোলনাটার ওপর বসে আছে। ভোরের হিমেল হাওয়া বইছে।রুশদী বারান্দার শক্ত রেলিংটার সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।ফারাজ দোলনায় দুলতে দুলতে রুশদীর থমথমে মুখের দিকে তাকাল। সে বেশ বুঝতে পারছে বড় কোনো ঝড় আসছে। কিন্তু তর্কের খাতিরে নিজেকে নির্দোষ দাবি করার মতো করে সে শান্ত গলায় শুধাল, “কী হয়েছে বলবে তো? এভাবে রেগে আছো কেন?”
রুশদী সোজা হয়ে দাঁড়াল। ফারাজের চোখের দিকে চোখ রেখে সরাসরি প্রশ্ন করল, “আপনি এসব কবে ছাড়বেন?”
ফারাজ একটু অবাক হওয়ার ভান করে বলল, “কী ছাড়তে বলছো?”
“আপনাকে যেকোনো একটা বেছে নিতে হবে। হয় আপনি পাইলটের চাকরিটা কন্টিনিউ করবেন, নয়তো আপনার এই বিজনেস!” রুশদীর গলার স্বর এবার বেশ কঠোর

ফারাজ সামান্য হেসে বলল, “এটা তোমার কী ক্ষতি করছে শুনি? এতে তোমার সমস্যাটা কোথায়?”
“অনেক সমস্যা করছে! নিজের চেহারার অবস্থা একবার আয়নায় দেখেছেন?” রুশদীর গলার আওয়াজ এবার একটু চড়ে গেল, “আপনি মানুষ নাকি রোবট? মাসে কমসে কম নয়-দশ দিন আপনার ট্রিপ থাকে।যে দিনগুলোতে একটু রেস্ট নেওয়ার কথা, সেই ছুটির দিনগুলোতে আপনি আবার অফিসে গিয়ে বসেন কেন? আপনি নিজে একজন পাইলট, আমার চেয়ে আপনি ভালো জানেন—ডিউটির মাঝখানের ব্রেকগুলোতে পর্যাপ্ত ঘুম আর বিশ্রাম একটা পাইলটের জন্য কতটা জরুরি! তারপরও কেন এমন করেন? এত কিসের লোভ আপনার? আপনাদের কি কোনো কিছুর অভাব আছে? যেকোনো একটা প্রফেশন আপনাকে ছাড়তেই হবে!”
ফারাজ দোলনা থেকে উঠে দাঁড়াল। রুশদীর খুব কাছে এসে শান্ত কিন্তু অত্যন্ত দৃঢ় গলায় বলল, “দুইটার একটাও ছাড়া আমার পক্ষে সম্ভব না, রুশদী।”
“কেন?”
ফারাজ রুশদীর কাঁধে হাত রেখে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল, “একটা আমার স্বপ্ন, আর দ্বিতীয়টা আমার দায়িত্ব!”

“ফারাজ…!”
রুশদীর এমন অগ্নিশর্মা রূপ দেখে ফারাজের ঠোঁটের কোণে এক চিলতে মিষ্টি হাসি ফুটে উঠল। মনে মনে ভাবল—বউ তাকে বেশ কায়দা করে শাসন করছে, তাই না? ফারাজ একটু রসিকতা করে দুই হাত জোড় করে বলল, “বলুন ম্যাডাম! আপনার আর কী কী হুকুম আছে?”
এই সিরিয়াস মুহূর্তে ফারাজের এমন ফাজিলমি মোটেও সহ্য হলো না রুশদীর। সে রাগে ফুঁসে উঠে বলল, “আমি এমনিতেই ভীষণ রেগে আছি, আমাকে আর রাগাবেন না!সবসময় সিরিয়াস টাইমে এরকম ইয়ার্কি করবেন না তো! আপনাকে চাকরি অথবা বিজনেস—যেকোনো একটা ছাড়তেই হবে। নয়তো…”
রুশদীর ঠোঁট দুটো অনর্গল নড়ছিল, কিন্তু তার পরের কথাগুলো আর ফারাজের কর্ণকুহর অব্দি পৌঁছাল না। ফারাজ শুধু মন্ত্রমুগ্ধের মতো দেখছিল, তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটি একনাগাড়ে পকপক করে যাচ্ছে। এটা বলছে, ওটা বলছে। কিন্তু এই সব রাগ, সব চিল্লানোর পেছনে লুকিয়ে আছে শুধু এক বুক ভালোবাসা আর উদ্বেগ। ফারাজের এই অতিরিক্ত পরিশ্রম রুশদী সহ্য করতে পারছে না, তার কষ্ট হচ্ছে বলেই তো সে এভাবে বাধা দিচ্ছে!
বিষয়টা ভাবতেই ফারাজের বুকের ভেতর এক অদ্ভুত ভালোলাগার দোলা দিয়ে গেল। সকালের প্রথম আলো তখন রুশদীর ফর্সা মুখে এসে পড়েছে, রাগে তার গাল দুটো আপেলের মতো লাল হয়ে উঠেছে। কড়া গলায় কথা বলতে থাকা রুশদীর সেই মুখশ্রীর পানে তাকিয়ে ফারাজ আনমনে গুনগুন করে গেয়ে উঠল—
“ঠিক এমন এভাবে
তুই থেকে যা স্বভাবে
আমি বুঝেছি ক্ষতি নেই
আর তুই ছাড়া গতি নেই!”

এমন পরিস্থিতিতেও ফারাজের মুখে প্রেমের গান শুনে রুশদীর বিরক্তি চরম সীমায় পৌঁছাল। সে চোখ দুটো বড় বড় করে কড়া চাউনিতে তাকিয়ে বলল, “আপনার কী মনে হয়, আমি এখানে আপনার গান শোনার মুডে দাঁড়িয়ে আছি? প্লিজ, আমাকে আর রাগাবেন না! আপনাকে আজই যেকোনো একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। হয় আপনি পাইলটের জব কন্টিনিউ করবেন, নয়তো বিজনেস। এভাবে গাধার মতো খাটতে দেখতে আমার একটুও ভালো লাগে না। আপনাদের কোন জিনিসের কমতি আছে যে এভাবে নিজের শরীরটা শেষ করে পরিশ্রম করতে হবে?”
ফারাজ দোলনায় বসল।রুশদীর কথার মাঝখানের ফাঁকেই ফারাজ আর এক মুহূর্ত দেরি করল না। এক হেঁচকা টানে সে রুশদীকে নিজের কোলের ওপর বসিয়ে নিল। আকস্মিক এই টানে রুশদী সামলাতে না পেরে ফারাজের শক্ত বুকের ওপর আছড়ে পড়ল। ফারাজ দুই হাত দিয়ে রুশদীর কোমর শক্ত করে জড়িয়ে ধরল, যেন কোনোভাবেই সে মুক্ত হতে না পারে। তারপর রুশদীর ঘাড়ে আর কাঁধের সন্ধিস্থলে নিজের থুঁতনিটা ঠেকিয়ে করে বলল—
“এবার শান্ত হয়ে আমার কথাটা শোনো। আমার মাসে যদি দশ দিন ট্রিপ থাকে, তবে বাকি বিশ দিনই তো ছুটি। সেই বিশটা দিন আমি বাসায় বসে কী করব বলো? আমি কিন্তু এমনিতে অফিসে যেতাম না। তিন মাসের জন্য যখন আমার ফ্লাইং লাইসেন্সটা সাসপেন্ড হয়েছিল, তখন থেকেই বিজনেসে যাওয়া শুরু করেছি। ড্যাড এখন পলিটিক্স নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত, তাই বিজনেসে একদমই সময় দিতে পারছেন না। ওনার জায়গায় এখন আমার আর ফুপাকেই সব সামলাতে হচ্ছে। আর মাত্র কয়েকটা দিন, এই বড় ডিলটা ফাইনাল হয়ে গেলেই সব ব্যস্ততা শেষ। তারপর আমি একদম ফ্রি। এবার খুশি তো আমার জান?”

অস্তরাগের রঙ পর্ব ২৭ (২)

ফারাজের বুকের উষ্ণতা আর গলার স্বর সরাসরি রুশদীর হৃদয়ে গিয়ে আঘাত করল। তার সমস্ত রাগ, অভিমান যেন কর্পূরের মতো উড়ে গেল। সে একদম শান্ত হয়ে ফারাজের কোলে বসে রইল। তার মুখ থেকে আর কোনো পাল্টা যুক্তি বা প্রশ্ন বের হলো না। ফারাজের শক্ত আলিঙ্গনে সে নিজেকে সঁপে দিল।
রুশদীকে এভাবে শান্ত ও কাবু হতে দেখে ফারাজের চোখে এক ধরনের দুষ্টু হাসি ফুটে উঠল। সে রুশদীর কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলল, “চলো, কোথাও থেকে ঘুরে আসি। আই মিন… চলো হানিমুনে যাই!”

অস্তরাগের রঙ পর্ব ২৮ (২)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here