Home মেজর কারদার মেজর কারদার পর্ব ৩৪

মেজর কারদার পর্ব ৩৪

মেজর কারদার পর্ব ৩৪
ফিনারা ঝুমুর

দিবালোকে সোনালী রশ্মির ছটা যেন চারপাশের প্রকৃতিতে নৃত্যে মত্ত হয়েছে। শরতের রূপ শান্ত হওয়ার কথা থাকলেও আজ শরতের রোদ যেন দ্বিগুণ তেজ ঢালছে। প্রচণ্ড তাপদাহে জনজীবন যায় যায় অবস্থা! দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটা শরৎ নাকি গ্রীষ্মের তীব্র খরতাপ!
​গাছের ছায়া আর ব্যস্ত রাস্তা পেরিয়ে মেঘদের বহনকারী বিলাসবহুল গাড়িটি এসে থামে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে। ​গাড়ি থেকে নেমে একে একে ভেতরে প্রবেশ করে সবাই। শপিং মলের ঠান্ডাআমেজে ঢুকে প্রথমেই ওরা সোজা চলে যায় ব্রাইডাল ড্রেসের বিশেষ এক অভিজাত শপে। দোকানে সারিবদ্ধভাবে ঝুলতে থাকা চোখধাঁধানো লাল, খয়েরি, আর গাঢ় গোলাপি ব্রাইডাল ড্রেসগুলোকে পাশ কাটিয়ে সুনিপুণভাবে কিঞ্জার জন্য পছন্দ করা হয় একখানা অপূর্ব অফ-হোয়াইট ব্রাইডাল লেহেঙ্গা! যার পুরো শরীরজুড়ে মিহি গোল্ডেন স্টোনের জাদুকরী কারচুপির কাজ করা। সেই সাথে গায়ে হলুদ আর সংগীতের অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা করে পছন্দ করে কেনা হয় একখানা মনকাড়া বাসন্তী হলুদ লেহেঙ্গা এবং আরেকটি জমকালো ডিপ গ্রীন লেহেঙ্গা।
​ব্রাইডাল ড্রেসের পর্ব চুকিয়ে বিশাল শপিং ব্যাগগুলো গুছিয়ে ওরা পা বাড়ায় জুয়েলারি শপের পানে।​হাঁটতে হাঁটতেই মেঘ মুগ্ধ নয়নে কিঞ্জার দিকে তাকিয়ে মিথিলাকে ফিসফিস করে বলে,

​“কিঞ্জা আপু, তোমার ব্রাইডাল ড্রেসটা কিন্তু সত্যিই ভীষণ সুন্দর হয়েছে! একদম পরীর মতো মানাবে তোমাকে!”
​মিথিলাও মেঘের কথায় সায় দিয়ে মাথা নেড়ে একগাল হেসে বলে,
​“তা যা বলেছিস মেঘ! আপুর পছন্দ বলে কথা, ড্রেসটা একদম ইউনিক!”
​পেছন পেছন অলস পায়ে শপিং ব্যাগ হাতে হেঁটে চলেছে রাহাত, আদর আর নোমান আর তাদের কয়েক কদম সামনে নিজেদের আড্ডায় মশগুল হয়ে একসাথে হেঁটে চলেছে তিন মায়াবতী রূপসী: মেঘ, মিথিলা আর কিঞ্জা!
“মেঘ! তোর ফোন বাজছে দেখ!”
​হাতে থাকা শপিংয়ের ব্যাগ ঠিক করতে করতে মেঘের কাঁধে আলতো ধাক্কা দিয়ে মিথিলা কথাটা বলে। মেঘ চমকে উঠে পার্স থেকে মোবাইলটা বের করে স্ক্রিনের দিকে নজর দেয়। স্ক্রিনে ভেসে উঠেছে কাঙ্ক্ষিত সেই নামের ট্যাগ‘মেজর সাহেব’! মিথিলা লুকিয়ে উঁকি মেরে স্ক্রিন দেখে ফেলে আর শয়তানির সুরে চেঁচিয়ে ওঠে,

​“আইরে– দুলাভাই কল করছে রে আমাদের মেঘকে!”
​“যাহ! ফাজলামো করিস না তো, মিথু!”
মেঘ লজ্জায় লাল হয়ে খাস্তা গলায় ধমক দেয়।
​“আচ্ছা বাবা, যাচ্ছি! তুই আরামসে ভাব নিয়ে কথা বল।”
মিথিলা খিলখিল করে হেসে কিঞ্জার হাত ধরে সামনে এগিয়ে যায়। কিঞ্জাও মিষ্টি হাসে। ওদের এমন টিটকিরি ও দুষ্টুমি দেখে মেঘ চরম লজ্জায় মাটিতে মিশে যাওয়ার জোগাড় হয়! ​নোমান পেছন থেকে মিথিলার এই ঢংগিরি আর ফাজলামো দেখে নিজের মুখটা একবারে কুঁচকে বিরক্তির একশেষ করে ফেলল,
​“নিজের বিয়ের কোনো ঠিকঠিকানা নাই, আবার অন্যের পিছে পিরিতের হুশ নাই! কপাল — আমার কপালটাই আসল ফাটা কপাল!”
​নিজের মনেই বিরবির করতে করতে প‌্যাঁচপ্যাঁচ করতে করতে ওরাও বাকিদের সাথে শপিং মলের করিডোরে পা চালায়।
​সবাই একটু দূরে সরে যেতেই মেঘ কিছুটা সাইডে কোণায় গিয়ে লজ্জারাঙা মুখে ফোনটা কানের কাছে ধরে। ওপাশ থেকে গমগমে, গম্ভীর অথচ আলতো হাসির একখানা কণ্ঠ ভেসে আসে,

​“কী রে বউ! ও আমার বউ কথা বলছো না কেন?”
​মেঘ লজ্জায় তখনও মুখে কুলুপ এঁটে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, কোনো টু শব্দ করে উত্তর দেয় না। শীর্ষ ওপাশ থেকে একটু থামে, তারপর আরও একটু সোহাগ মিশিয়ে আদুরে গলায় ডাক দেয়,
​“কী গো বিবিজান! ও আমার সোনা বউজান! কথা বলছো না যে বড়?”
​মেঘ এবারও লজ্জা আর অভিমানের মিশ্রণে শক্ত হয়ে ঠোঁটে আঙুল কামড়ে ধরে রইল, একটা অক্ষরও মুখ দিয়ে বের করল না!
“গোলাপ গাছে মৌমাছি,
জাম্বুরা গাছে মৌ,
এতো ডাকি – তবুও কথা
কও না ক্যানে জান।”
শীর্ষর এমন ছন্দে ভরা আজব ডাক আর চটুল কথা শুনে মেঘ এবার আর একদম চুপ থাকতে পারে না! মনের ভেতর জমে থাকা একরাশ অভিমানের ঝাল চিড়বিড় করে উঠে মুখ দিয়ে ছিটকে বের হয়,
“জামাই, জামাই করে ডাকি,
জামাইর নাই খোঁজ,
আমি একা কেন্দে মরি,
জামাইর নাই হুশ!”

​মেঘের এমন মোক্ষম আর ঝালযুক্ত খোঁচা শুনে ওপাশ থেকে মেজর সাহেব একেবারে থমকে চুপ মেরে যায়! বউয়ের মুখে যে ইদানীং বেশ কায়দা করে বুলি ফুটতে শুরু করেছে, আর সেই বুলি যে একদম রেডিমেড খইয়ের মতো মড়মড় করে ফুটছে তা বুঝতে শীর্ষর বিন্দুমাত্র দেরি হলো না। হালকা ঠোঁট উল্টে, গলার রাশভারী স্বরটা একবারে মোলায়েম ও অনুতপ্ত বানিয়ে বলে,
​“ভীষণ সরি, প্রিয়া –কাল রাত থেকে বর্ডার এরিয়ায় মারাত্মক এক ঝামেলায় বড্ড ব্যস্ত ছিলাম রে সোনা!”
​“ব্যস্ত ছিলেন বলে কি একটা ছোট্ট টেক্সট বা মেসেজ দেওয়ারও সুযোগ পাননি, হ্যাঁ?”
মেঘের কণ্ঠে তখনও একঝাঁক অভিমানের সুর।
​“আসলেই একদম সময় হয়ে ওঠেনি, জান –বিশ্বাস করো! আচ্ছা শোনো, রাগ ছাড়ো তো এখন। শপিংয়ে গিয়েছ সব দলবল নিয়ে?”
​শীর্ষর কোমল ও আদুরে কথায় মেঘের রাগটা একটু হলেও নরম হয়ে আসে। বেশ ধীরস্বরে ছোট্ট জবাব দেয়,
​“হুম।”

​মেঘের এই এক অক্ষরের সংক্ষিপ্ত উত্তর শুনে ওপাশ থেকে শীর্ষ আবার মায়াবী ভঙ্গিতে ফিক করে হেসে ফেলে। অত্যন্ত মিষ্টি ও সোহাগী কণ্ঠে মেঘকে উদ্দেশ্য করে বলে,
​“রাগটা ভাঙো এবার প্রিয়া!তোমার জন্য কিন্তু দারুণ একটা সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে!”
​‘সারপ্রাইজ’ শব্দটা শোনামাত্রই মুহূর্তের মধ্যে চোখ দুটি উজ্জ্বল হয়ে ওঠে মেঘের! মুহূর্তের মধ্যে সব রাগ-অভিমান উবে গিয়ে একবারে উৎফুল্ল ও গদগদ হয়ে ডাগর নয়নে শুধায়,
​“সত্যি? কী সারপ্রাইজ? কী… কী বলুন না, প্লিজ!”
শীর্ষ বিস্তর হাসে। হাসতে হাসতে বলে,
​“বলে দিলে কি আর সারপ্রাইজ থাকে, বলো?”
​“ধ্যাত!”
বিরক্ত হয়ে মেঘ কিছুটা অভিযোগের সুরে বলে। এরপর একটু আনমনা হয়ে জানতে চায়,
​“আচ্ছা, আপনি বিয়েতে আসবেন তো?”

​মেঘের এই প্রশ্ন শোনার পর শীর্ষর মুখের হাসিটা ধপ করে নিভে যায়। দূরত্ব যে কতটা নিষ্ঠুর এক বস্তু, তা যেন দুজনেই হাড়ে হাড়ে টের পায়। শীর্ষ নিজের তীব্র আবেগগুলোকে কোনোমতে টেনে ধরে, তা খুব সুপ্তভাবে লুকিয়ে রাখতে চায়। গলায় কৃত্রিম খাকারি দিয়ে গম্ভীর ও কঠিন কণ্ঠে উত্তর দেয়,
​“আগেই তো বলেছি মেঘালয়া, আমায় তুমি সবসময় পাশে পাবে না। যেকোনো পরিস্থিতির জন্য নিজেকে সবসময় প্রস্তুত রেখো। আমায় তুমি জীবিত কিংবা মৃত—উভয় রূপেই পেতে পারো।”
​শীর্ষর প্রতিটা শব্দ যেন হাতুড়ির মতো মেঘের কানের কাছে বারবার বাজতে থাকে। তার তীব্রতায় তালের কোনো কমতি থাকে না। ঠিক তখনই কানের পাশ দিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস মেশানো ঠান্ডা বাতাস বয়ে যায়। মেঘ ফোন ধরা হাতটা আরও শক্ত করে খামচে ধরে, যেন কাঁচের মতো ভেঙে পড়তে চাওয়া নিজের মনটাকে কোনোমতে ধরে রাখতে চায়। বুকফাটা এক অভিমান আর ভঙুর গলায় সে নিজের ভেতরের সবটুকু কষ্ট উগরে দেয়,

​“এমনই যদি হবে, তবে আমার জীবনে এসেছিলেন কেন? ভালোবেসে পাশে নাইবা থাকতে পারেন, তবে প্রতিবার ভালোবাসার দোহায় দিয়ে কেন এভাবে কাছে টানেন? এর কি কোনো উত্তর আছে আপনার কাছে?”
​ওপাশ থেকে শীর্ষ একদম নিরেট, নির্লিপ্ত আর গভীর এক উত্তর দেয়,
​“আছে। প্রতিটা মানুষের জীবনেই একান্ত ব্যক্তিগত কাউকে না কাউকে দরকার হয়, আর সে হলো তার জীবনসঙ্গিনী। বাইরের দুনিয়ায় মানুষটা যেমনই হোক না কেন, নিজের একান্ত মানুষের কাছে সে সবসময় একটা খোলা বইয়ের মতো। ভালোবাসা, আদর, স্নেহ, যত্ন, বিশ্বাস কিংবা ভরসা—সবকিছুই সেই বইয়ের একেকটি পাতা বা অধ্যায়। আমার এই সুপ্তজীবনে তুমি হলে একপশলা প্রলয়ংকরী অগ্নিশিখা। তোমায় সত্যি ভালোবেসেছি কি না আমি জানি না, তবে তোমার মতো এই অগ্নিশিখা আমার একঘেয়ে জীবনটাকে পুরোপুরি আলোকিত করে দিয়েছে। বলতে পারো, একান্ত করে পাওয়ার অন্ধ লোভেই আজ তোমার প্রতি বড্ড বেশি আসক্ত হয়ে পড়েছি।”

মেঘ শীর্ষর প্রতিটা শব্দ গভীর মনোযোগ দিয়ে শোনে। বুকের একদম ভেতর কোথাও যেন কথাগুলো কালবৈশাখী ঝড়ের বেগে তীব্র আঘাত হানে! বুকের ভেতর হৃদপিণ্ডটা যেন দামামার মতো বাজতে থাকে, আর তার শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত বের হতে থাকে হাপরের ন্যায়।
​“তবে আমায় একটা কথা দিন—মৃত্যুর পূর্বে হলেও আপনি শুধুই আমার থাকবেন? অন্তত জীবনের শেষ মুহূর্তে হলেও ওই চওড়া বুকে আমার শেষ নিশ্বাসটা ফেলতে দেবেন? কথা দিন মেজর সাহেব—আমায় এভাবে মাঝেপথে একা ফেলে কোথাও পালাবেন না!”
​মেঘের এই এক আকুল মিনতি শীর্ষকে এক লহমায় পুরোপুরি নিস্তব্ধ আর স্তব্ধ করে দেয়। সে নিজের রিভলভিং চেয়ারে মাথাটা পেছনে এলিয়ে দিয়ে অপলক চোখে চেয়ে থাকে সেনা ক্যাম্পের অফিস রুমে ঝুলানো আয়াতুল কুরসির ফ্রেমটার দিকে। শীর্ষ কীভাবে এমন এক কঠিন প্রতিশ্রুতি দেবে? একজন সাধারণ সৈনিক যুদ্ধের ময়দানে যুদ্ধ করলেও জীবনের বাজি তো রাজারাও ধরে! শীর্ষ সরাসরি সমরে না নামলেও ওর প্রতিটা মুহূর্তের পদক্ষেপে মৃত্যুর ঝুঁকি চেপে বসে থাকে। যেকোনো সময় শত্রুর ডেরায় কিংবা ক্যাম্পে আচমকা আক্রমণ হতে পারে।

​“এমন কোনো বাঁধাধরা কথা আমি তোমায় দিতে পারছি না প্রিয়া! তবে নিজের শেষ নিশ্বাস অব্দি চেষ্টা করে যাবো।”
​শীর্ষর এমন এক সংক্ষিপ্ত ও বাস্তবঘেঁষা উত্তর শুনে ভীষণ হতাশ হয় মেঘ। এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে শীর্ষকে ধীরস্বরে জানায়,
​“আমি তবে এখন যাই। অনেক শপিং বাকি।”
​“আচ্ছা, যাও।”
​শীর্ষ দ্রুত কলটা বিচ্ছিন্ন করে দেয়। টেবিলের নিচ থেকে ড্রয়ারটা টেনে বের করে আনে এক প্যাকেট কড়া নিকোটিন। সচরাচর ক্যাডেট বা আর্মিদের অহেতুক স্মোক করার নিয়ম না থাকলেও মাঝেমধ্যে বিশেষ মানসিক চাপে পড়ে এমনটা অনেকেই করে থাকে। শীর্ষ একটা সিগার ধরিয়ে ঠোঁটে চেপে ধরে সিলিংয়ের দিকে একধ্যানে চেয়ে গভীর ভাবনায় ডুবে যায়।

​মেঘের এখনই এই অবস্থা! ও যে দিনদিন শীর্ষকে আরও বেশি করে নিজের কাছে পাওয়ার জন্য ব্যাকুল আর মরিয়া হয়ে উঠছে। এমতাবস্থায় শীর্ষ কীভাবে ওকে সত্যটা বলবে যে আর মাত্র বছরখানেক পরেই এক বিশেষ গোপনীয় শান্তিরক্ষা মিশনে ওকে সুদূর লিবিয়ায় পাড়ি জমাতে হবে? যেখানে
জীবন-মরণের আশঙ্কা ৫০-৫০! ওখান থেকে হয়তো অক্ষত দেহে ফিরতেও পারে, আবার নিথর লাশ হয়েও ফিরতে পারে!​শীর্ষর নিজের ভেতরের মনটা এখন ধিক্কার দিয়ে বলে, মেঘের রূপ আর নিষ্পাপ মায়ায় জড়িয়ে ও হয়তো বড্ড বড় একটা ভুল করে ফেলেছে! বড্ড বড় ভুল! স্রেফ কাছে পাওয়ার চরম নেশায় ও হয়তো ভুলেই গিয়েছিল যে, ওর এই জীবনটা কোনো সাধারণ পাঁচটা সাধারণ মানুষের জীবন নয়!

​শীর্ষ নিজের আপাদমস্তক অবয়বটার দিকে একবার তীক্ষ্ণ চোখে তাকায়। বুকের কাছে নীলচে দাগের আঘাত, ঠোঁটের একপাশ সামান্য কাটা আর ফেটে যাওয়া, হাঁটুতে রক্তজমাট বাঁধার আঘাত এই সবই গত রাতের ঘুমধুম বর্ডারের সেই বিপজ্জনক সাকসেসফুল মিশনের ফল! শরীরজুড়ে আরও হয়তো কত অলিখিত ক্ষত লুকিয়ে আছে। এমন ঘটনা তো ওর দৈনন্দিন জীবনেরই অংশ।

মেজর কারদার পর্ব ৩৩

​সিগারে এক দীর্ঘ ও গভীর টান মেরে ধোঁয়া ছেড়ে বিড়বিড় করে স্বগতোক্তি করে,
​“এই নশ্বর দেহে বেঁচে থাকি বা না থাকি — তোমায় আমি এভাবেই সীমানার ওপার থেকেও ভালোবেসে যাবো প্রিয়া! আমার জীবনের প্রথম ও শেষ প্রেম যে স্রেফ তুমিই –বড্ড বেশি আপন তুমি!”

মেজর কারদার পর্ব ৩৫