Home মেজর কারদার মেজর কারদার পর্ব ৩৫

মেজর কারদার পর্ব ৩৫

মেজর কারদার পর্ব ৩৫
ফিনারা ঝুমুর

সন্ধ্যা লগ্ন তার লেজ গুটিয়ে রাতের গভীরতা ও বৃদ্ধতা বয়ে এনেছে। বাইরে হু হু করে বইছে শরতের শোঁ শোঁ ঠান্ডা হাওয়া। নিজেদের সুসজ্জিত শোবার ঘরে একা বসে আছে মেঘ। মনের মাঝে কিছুক্ষণ আগের সেই ভারী কথোপকথনের বিস্তর ছাপ ও গভীর অভিমান এখনও লেপ্টে রয়েছে।
​মোবাইলটা বিছানার ওপর অহেতূপ ফেলে রেখেই সে হেঁটে চলে যায় ঘরের বিশাল কাভার্ড বা ওয়ার্ডরোবের দিকে। কাভার্ডের একপাশে সারি দিয়ে ঝুলছে শীর্ষর মিলিটারির কড়া পোশাক ও ফর্মাল স্যুট, আর অন্যপাশে থরে থরে নিখুঁতভাবে সাজানো রয়েছে মেঘের অজস্র শাড়ি, থ্রি-পিস সালোয়ার-স্যুট, বর্তমান ট্রেন্ডিংয়ের ক্রপ টপ, জিন্স ও নানা নকশার কুর্তি প্রভৃতি
​এত এত পোশাকের ভিড় থেকে বেছে বেছে সে এবার হাত বাড়াল একখানা নজরকাড়া স্যাফরন অথবা গাঢ় জাফরানি রঙের শাড়ির দিকে। পার্টি বেশভূষার উপযোগী ভারী কারুকাজ করা সেই শাড়িটা গাছে জড়িয়ে নিতেই তার শরীরের কোমল অবয়ব নিখুঁতভাবে বাহ্যিক রূপ ধারণ করল।
​প্রায় কিছুটা অগোছালো ও খেয়ালি ভঙ্গিতেই সে নিজেকে সাজিয়ে তোলে। শাড়ির ভাঁজে নাভির ঠিক মধ্যভাগ আটকে দেওয়ার জন্য সে বেছে নেয় ছোট ছোট ঝকঝকে পার্ল বসানো একটি আকর্ষণীয় কোমরবন্ধনী। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সেই কোমরবন্ধনীর পার্লগুলো দেখতে অবিকল ব্ল্যাক অলিভের দানার মতো নিখুঁত ও চমৎকার!

​ঠোঁটে গাঢ় চকোলেট নুড লিপস্টিকের ছোঁয়া বুলিয়ে সে ড্রেসিং টেবিলের আয়নার সামনে দাঁড়ায়। পিঠের দিককার লম্বা কুন্তলরাশি বা চুলগুলোকে পুরো অবিন্যস্ত করে ছেড়ে দেয় উন্মুক্ত পিঠের ওপর দিয়ে। এরপর আয়নায় নিজের পানে এক পলক তাকিয়ে মোবাইলের ব্যাক ক্যামেরার ফ্ল্যাশ অন করে কোমরবন্ধনী দ্বারা সজ্জিত উন্মুক্ত নাভির পাশটার একটা ঘোরের ছবি তোলে। ছবিটার সাথে ছোট ছোট অক্ষরে জুড়ে দেয় এক চরম আবেদনময়ী বার্তা,
​“হাউ ইজ মাই নেভেল, মাই ডিয়ার হাসবেন্ড? ওয়ানা সি ইট?”
​বার্তাটি তৎক্ষণাৎ শীর্ষের নম্বরে সেন্ড করে দিয়ে সে একে একে নিজের সাজের আড়ম্বরগুলো আলগা করে নামাতে শুরু করে। ঠিক তখনই কাঁধের ওপর সেফটিপিন দিয়ে আটকানো শাড়ির আঞ্চলটা শরীর থেকে সরাতে যাওয়ার মুহূর্তে ঘরের ভেতর বেজে ওঠে ভিডিও কলের এক তীব্র রিংটোন!​আওয়াজটা কানে আসতেই মেঘের বিবর্ণ মুখে এক চিলতে চতুর ও বিজয়ী হাসির উদয় হয়।
​সে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত ভিডিও কলটা রিসিভ করে ফোনটা সোজা আয়নার ঠিক পেছনে হেলান দিয়ে রেখে দেয়। স্ক্রিনের দিকে তাকাতেই ভেসে ওঠে শীর্ষর একেবারে নাজুক, থমকে যাওয়া এক পুরুষালি মুখশ্রী! ওপাশ থেকে স্ক্রিনে তাকিয়ে যেন আস্ত এক ৪৪০ ভোল্টের কারেন্ট শক খেয়েছে জাঁদরেল মেজর। বাকহারা হয়ে অপলক চেয়ে থাকে সে! চোখের তীব্র নেশাল দৃষ্টিতে নোংরা ও ক্ষুধার্ত নজরে সে গিলে খেতে থাকে মেঘের এই রূপসী ও মায়াবী স্বরূপ।

​ঠিক সেই মুহূর্তেই রুমের ব্যাকগ্রাউন্ডে কোথাও বাজতে শুরু করে এক চটুল ও মনের সুপ্ত আগুন জ্বালানো গান,
​“বন্ধে মায়া লাগাইছে পিরিতি শিখাইছে
বন্ধে মায়া লাগাইছে পিরিতি শিখাইছে
দেওয়ানা বানাইছে
কি যাদু করিয়া বন্ধে মায়া লাগাইছে!”
​লিপস্টিকে অঙ্কিত নিজের কোমল ও রক্তিম ঠোঁট দুটো মুক্তোঝরা দাঁতের সাহায্যে আলতো করে কামড়ে ধরে মেঘ। শীর্ষর নেশাগ্রস্ত জ্বলজ্বলে চোখের সাথে নিজের ডাগর নাজুক চোখের মায়াবী মিলন ঘটায় সে। ওপাশ থেকে কাঁপাগলায় ভাসে শীর্ষর ঘোর লাগা এক পুরুষালি কণ্ঠ,

​“কী এক আবেদনময়ী কায়া নিয়ে হাজির হয়েছ তুমি, প্রিয়া! মন চাচ্ছে এই মুহূর্তে সব ডিউটি ফেলে সোজা উড়ে এসে তোমার এই কায়ার ওপর হামলে পড়ি! নিজের দাঁতের তীক্ষ্ণ দংশনে ক্ষতবিক্ষত করে দিই তোমায়। নিদারুণ ভালোবাসার অত্যাচারে জর্জরিত করে তুলি তোমার প্রতিটা অঙ্গ!”
​“তবে আর দমিয়ে রেখেছেন কেন নিজেকে, মেজর সাহেব? আসুন। এসে ছিনিয়ে নিন আমায়! আমার এই সম্পূর্ণ অস্তিত্ব কেবল আপনারই অধিকারের জন্য অপেক্ষা করছে!”
​মেঘের মুখে এমন বেপরোয়া ও উষ্ণ কথা শুনে শীর্ষ যেন আরও এক হাজার ভোল্টের দ্বিতীয় ধাক্কা খায়! তার চেনা ছিমছাম ধূসর গ্রে রঙের চোখ দুটো বিস্ময় ও কামনায় বড় বড় হয়ে যায়। সে অপলক তাকিয়ে দেখে মেঘের পরনে এখন আর আস্ত কোনো শাড়ি নেই! শরীরের ওপর জড়ানো রয়েছে কেবল একটা পাতলা ব্লাউজ আর কোমরের পেটিকোট! ব্লাউজটাও কেমন যেন। শীর্ষকের পাগল করার ব্লাউজ তা। দুই কাঁধ সম্পূর্ণ বস্ত্রহীন ফাঁকা। তাতে রয়েছে চিকন ও সরু এক ফিঁতে। নাম মাত্র তা। খোলা পিঠের ওপর দিয়ে ছড়িয়ে থাকা অবিন্যস্ত কুন্তলরাশির কিছু অবাধ্য রিট ভিড় করেছে তার উন্মুক্ত পেটের আশেপাশে। আর ঠিক তার মাঝখানে জ্বলজ্বল করছে নাভির পাশের সেই ছোট কুচকুচে কালো তিলটা!

শুকনো ঢোক গিলে শীর্ষ। স্ক্যানারের মতো স্ক্যান করে চলেছে মেঘের প্রতিটা বাঁক ও কায়া। হৃদস্পন্দন বাড়ছে তার পলকে পলকে। বরফশীতল এসির মাঝে থেকেও ঘেমে একাকার হয়ে যাচ্ছে এই শক্তপোক্ত পুরুষটা। দরদর করে ঘাম ছড়ানোর পাশাপাশি যেন অনুভূতির আতিশয্যে হালকা কাঁপছে তার সুঠাম দেহ!
​“এমন মাতাল করা লোভ দিও না, বউ! সত্যি সত্যি পাগল হয়ে যাব যে—!”
​মোবাইলটা টেবিলের ওপর সুন্দর করে হেলান দিয়ে রেখে স্ক্রিনের দিকে সামান্য ঝুঁকে আসে মেঘ। কাজল টানা ডাগর দুটি চোখে আলতো একটা টিপ কেটে, একরাশ প্রলয়ংকরী আস্কারা মিশিয়ে বলে,
​“পাগল হলে না হয় এই আমিই সামলে নেব আপনাকে!”
​শীর্ষর ক্ষুধার্ত চোখের সামনে তখন ভেসে উঠছে মেঘের উন্মুক্ত বক্ষের সেই ক্ষুদ্র ভাঁজ। আর সামলাতে না পেরে দ্রুত হস্তে নিজের গায়ের সুতির আর্মি শার্টের বোতামগুলো খুলে ছুড়ে ফেলে সে। নেশালো নজর স্থির রাখে ফোনের ওপারে থাকা রূপসীর পানে,

​“ঠিক কী চাও বলো তো তুমি, প্রিয়া?”
​“সম্পূর্ণ আপনাকে! মিশে যেতে চাই আপনার প্রতিটা তীব্র শ্বাসের সাথে। নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই আপনার দেহের প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে!”
​মেঘের মুখে এমন অবিচলিত আর বেপরোয়া আবদার! শীর্ষকে তার চাই-ই চাই। নিমেষে ঘোর লেগে যায় মেজরের মস্তিষ্কে। বিশাল বড় একটা ঢোক গিলে সে, আর সেই সাথে স্পষ্ট হয়ে ওঠে তার পুরুষালি এডামস অ্যাপলের মারাত্মক ওঠানামা!
​“পাগলা ঘোড়া একবার খেপে উঠলে কিন্তু বড়ই বিপদ, মেঘালয়া! খ্যাপালে তো আমায়। যেদিন ফিরব, সেদিন কিন্তু খুব কষ্ট দেব তোমায় খুউউব!”

​কথাটা শেষ করেই হুট করে ভিডিও কলটা কেটে দেয় শীর্ষ!​ওদিকে ওপাশে অন্ধকার ঘরে কালচে মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে চেয়ে থেকে মেঘের মুখের সেই এক চিলতে বিজয়ী হাসি নিমেষেই বিলীন হয়ে যায়। মনের মণিকোঠায় বাজতে শুরু করে প্রিয় মানুষটাকে চিরতরে হারানোর এক অজানা, তীব্র ভয়ের শব্দ!
​শীর্ষকে হারাবার ভয়ে ভেতরটা আজ বড্ড বেশি কেঁপে উঠছে মেঘের। যে মেয়েটা একটা সময় ভাই আর বাবা ছাড়া পৃথিবীর অন্য সকল পুরুষকে স্রেফ ঘৃণা করে এসেছে, সেই মেঘ আজ কিনা একটা পুরুষের বিরহে এমন কাতর? স্বামী নামের সেই জাঁদরেল পুরুষটাকে হারানোর তীব্র ভয়ে শিউরে উঠছে তার পুরো সত্তা! কোথা থেকে এলো এত আবেশ, এত প্রেম-প্রীতি? কই চাপা পড়েছিল এতকাল এসব অনুভূতি? কোনো অলৌকিক হিসেব মেলে না ওর কাছে।​ঠিক তখনই ওর ভেতরের আত্মিক মন খুব করে বলে ওঠে,
​‘বিবাহ তো স্রেফ একটা সাধারণ সামাজিক বন্ধন নয়, এ তো পরম রহমতপূর্ণ এক পবিত্র সম্পর্ক! যার আসল কাজী তো স্বয়ং আল্লাহ পাক। সেই পরম রহমতপূর্ণ বৈবাহিক জীবনে প্রেম, প্রীতি, মোহ আর ভালোবাসা শব্দগুলো কোনো কৃত্রিমতা নয় — এসব তো আপনা-আপনিই প্রাকৃতিকভাবে এসে জমা হয় বুকের গহীনে! স্থান করে নেয় একে- অপরের আত্মিকতায়।’

​মনের সেই অমোঘ অনুভূতিই যেন আজ সত্য হয়ে ঠাঁই নেয় মেঘের সম্মুখে। নিজের অজান্তেই তার অনুভূতির লেনদেন হয়ে গেছে ওই জাঁদরেল মেজরটার সাথে! মানুষটা দূরে থেকে, হাজার মাইল ওপারে বসে বিরহের পীড়া দিয়ে চোখের আঙুল উঁচিয়ে যেন বুঝিয়ে দিচ্ছে,–​❝প্রেমে পড়েছ তুমি আমার মত্ত হয়েছ নিজেকে বিলিয়ে চিরতরে হারাবার! এর কোনো শেষ নেই, কূল নেই আর তুমিও তা কোনোদিন খুঁজে পাবে না—প্রিয়া!❞
​আজ নিজের মনের কাছে আর কোনো লুকোচুরি নয়। নিজের দগ্ধ আত্মাকে সাক্ষী রেখে ঠোঁটের কোণে মৃদু হেসে ফিসফিস করে মেঘ,

​“আজ এই নীরব রাতে স্বীকার করতে আমার কোনো দ্বিধা বা হীনতা নেই! হ্যাঁ, আমি তীব্রভাবে প্রেমে মজেছি! হারিয়ে ফেলেছি আমার সর্বস্বকে এক অদ্ভুত গুপ্ত পুরুষের কাছে। যে শীর্ষ কারদার ছদ্মনামে আমার জীবনে এসে ক্ষণিকের আলো জ্বালিয়ে হরণ করে নিয়েছে আমার রূপ-রস-মনের সুধা আর ফেলে রেখে গেছে কেবল এক প্রাণহীন কায়ার ভারপ্রাপ্ত আমিটাকে!”
​নিজের এই ব্যাকুল ভালোবাসার স্বীকৃতির পরবর্তীতেই বুকের ভেতর ভালোবাসার দামামা বেজে ওঠে মেঘের! চোখের ক্যানভাসে একে একে উঁকি দিতে থাকে তাদের অতীতে ঘটে যাওয়া সেই বৈচিত্র্যময় বিবাহের ক্ষণগুলো। রামুর সেই গহীন পাহাড়ের বুকে আকস্মিক ঘটা প্রথম বিবাহ, আর তারপর কারদার বাড়ির সুসজ্জিত ছাদের নিচে ঘটা দ্বিতীয় বিবাহের মধুর স্মৃতি! নিজেদের পরপর দুটি বিবাহের প্রতিটি মুহূর্তই যেন এক রূপকথার মতো স্থানান্তরিত হতে থাকে মেঘের আকুল মনকাননে!

নিশুতির শেষলগ্ন। শেষ রাতের শুনশান নীরবতা ভেঙে মসজিদে তখনও ভোরের আজানের ডাক ধ্বনিত হয়নি। ঘরের কোণে রাখা ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দ বার্তা দিচ্ছে ভোরের আলো ফোটার আর আজানের সুর ভেসে আসার ঠিক আর মাত্র ৫০টি মিনিট বাকি!
​গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন পুরো কারদার বাড়ি। চারপাশ জুড়ে এক অলৌকিক নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে। নিজেদের সুসজ্জিত ঘরের তুলতুলে বিছানায় একা গভীর ঘুমে মগ্ন মেঘ। তবে তন্দ্রার ঘোরে তার অবচেতন মন বুনে চলেছে পরম এক রোমান্টিক রূপকথার স্বপ্ন! সে স্পষ্ট দেখছে —- ‘ দূর কোন এক মেঘলা পাহাড়ের নির্জন কোণে কেবল শীর্ষ আর সে। শীর্ষর ভারী ও সুঠাম দেহের নিচে আলতোভাবে পিষ্ট হচ্ছে সে! তার উন্মুক্ত গলায় ভালোবাসার চিহ্ন একে ক্ষণে ক্ষণে আঁচড় কাটছে শীর্ষের ধারালো দন্ত! মেঘের নেত্রপল্লব বা অক্ষিপল্লব বুজে এসেছে আবেশে, আর ঠিক তখনই দূর থেকে কানের কাছে ভেসে আসছে বনপাহাড়ির পাখির কুঞ্জন —যেন স্বাগতম জানাচ্ছে ওদের এই গোপন প্রেমলীলাকে!
​দন্তের সেই সোহাগী ছোঁয়া আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়ে মেঘের সমগ্র মুখশ্রীতে। কানের খুব কাছে শোন যায় শীর্ষের সেই চেনা গম্ভীর ও নিচু সুর,

​“ভালোবাসি প্রিয়া! খুব করে ভালোবাসি তোমায়!”
​স্বপ্নের ঘোরেই আলতো করে নেত্র মেলে তাকায় মেঘ। দু-হাতে আবেগে জড়িয়ে ধরে শীর্ষের চওড়া গলা। লাজুক হেসে ফিসফিস করে বলে,
​“বিলীন করে দিন না আমায় পুরোপুরি আপনার নিজের মাঝে— আমিও যে বড্ড ভালোবাসি আমার এই আপনিকে!”

মেজর কারদার পর্ব ৩৪

​কথাটা শেষ হতে না হতেই মেঘের স্পষ্ট অনুভূতি হয় তার কোমল রক্তিম ওষ্ঠকে পরম আধিপত্যে ছুঁয়ে নিয়েছে অন্য এক রুক্ষ ওষ্ঠ! চুষে চুষে শুষে নিচ্ছে তার ঠোঁটের সবটুকু মিষ্টি সুধা! যেন ধ্বংস করে দিচ্ছে তার সেই মেদহীন কোমল ওষ্ঠকে নিজের সিগারে পোড়া কালচে-কঠিন ওষ্ঠ দ্বারা! আর সেই মাতাল করা ক্ষণের মাঝেই থেকে থেকে গভীর কামনায় ভেসে আসছে সেই ধ্বংসকারীর উন্মাদ গলার আওয়াজ,
​“তোমাকে চাই প্রিয়া! মেজর কারদারের সম্পূর্ণ অর্ধাঙ্গিনী বানিয়ে পূর্ণ করে চাই তোমায়—!”

মেজর কারদার পর্ব ৩৬